October 25, 2020

খায়রুল ইসলাম,

বর্ধমান মডেল মাদ্রাসার কন্ট্রাক্টচুয়াল শিক্ষকরা
তিন মাস কোন বেতন পাইনি। পশ্চিমবঙ্গে মোট বারোটি মডেল মাদ্রাসা তৈরি করে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে। ২০১৪ সাল থেকে সেগুলোর পঠন পাঠন শুরু হয়। মাদ্রাসা গুলোতে সম্পুর্ন ইংরাজি মাধ্যমে সিবিএসসি সিলেবাস অনুযায়ী পড়ানো হয়। উদ্দেশ্য হচ্ছে পিছিয়ে পরা সম্প্রদায়ের গরিব ছেলে মেয়েরা যাতে আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে সমাজের মূল স্রোতে আসতে পারে।
মাদ্রাসা গুলোতে সব সম্প্রদায়ের গরিব ঘরের ছেলে মেয়েরা সম্পুর্ন বিনা খরচে আধুনিক শিক্ষা পাচ্ছে।
মাদ্রাসা গুলোর প্রধান শিক্ষক বাদে বাকি সব শিক্ষক কন্ট্রাকচুয়াল । যারা এনজিও এর মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে ‌। সরকার এনজিও এর মাধ্যমে এই সমস্ত শিক্ষকদের বেতন দিয়ে থাকে। লকডাউনের সময় থেকে ঐ সমস্ত শিক্ষকদের কোন বেতন দেওয়া হয় নাই।
এই মহামারীর সময় এই সমস্ত শিক্ষকদের দুর্বিসহ অবস্থা। মাসে সাত হাজার টাকা মাইনে তার উপর তিন মাস কোন টাকা না পেয়ে তারা সংসার নিয়ে পরেছে অথৈ় জলে। পেটের তাগিদে ঐ শিক্ষকরা কোনদিন মজুর কেও বা সবজি ক্ষেতে কাজ করে কোন রকম সংসার টানছেন।এত সবের পরেও সময় মতো তারা অনলাইন ক্লাস নিয়ে চলেছেন।
এনজিও এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলছে, সরকার তাদেরকে কোন টাকা দিচ্ছে না তাই তারাও শিক্ষকদের কোন বেতন দিতে পারছে না। এই মহামারীর দুর্দিনে সব বেসরকারি সংস্থা কে সরকার যখন মানবিক হওয়ার কথা বলছে তখন সরকারের একটি অংশ অমানবিক আচরণ করছে মডেল মাদ্রাসার শিক্ষকদের সাথে।