November 26, 2020

জ্যোতিপ্রকাশ মুখার্জি,


মহাজন তথা ফড়েদের হাত থেকে বাঁচাতে এবং গ্রামীণ কর্মসংস্হানের লক্ষ্যে ২০১৪ সালের জুলাই মাসে রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে কারুশিল্পীদের জন্য একটি করে বাজার তৈরির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জ্জী।নিজেই নাম দিয়েছিলেন ‘কর্মতীর্থ’। এই বাজারে ক্রেতারা সরাসরি শিল্পীদের কাছ থেকে নিজেদের পচ্ছন্দসই জিনিস কিনতে পারবে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রাম ২ নং ব্লকের এড়াল অঞ্চলে গড়ে উঠেছে ৪০ টি ঘর বিশিষ্ট ‘কর্মতীর্থ’।
গত ১ লা জুলাই এক অনুষ্ঠানে লটারির মাধ্যমে ঠিক করা ৩৬ জন ব্যক্তির হাতে ‘কর্মতীর্থ’ ঘরের ‘চাবি’ তুলে দেন আউসগ্রামের বিধায়ক অভেদানন্দ থাণ্ডার। জানা যাচ্ছে দুটি ঘর রেডিমেড পোশাকের হাবের জন্য এবং একটি এ.টি.এম এর জন্য রাখা আছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আউসগ্রাম ২ নং সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক গোপাল ব্যানার্জ্জী, কর্মতীর্থের জেলা আধিকারিক অভিজিৎ কর, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সৈয়দ হায়দার আলি, জেলা পরিষদের সদস্য রামকৃষ্ণ ঘোষ, পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ বঙ্কুবিহারী সেনাপতি, উপ প্রধান উজ্জ্বল পাল, আউসগ্রাম থানার আই.সি রাম মণ্ডল সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
বিধায়ক বলেন – প্রথম থেকেই আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর লক্ষ্য ছিল বেকার যুবক-যুবতীদের জন্য কর্মসংস্হানের ব্যবস্থা করা, স্ব-নির্ভর করে তোলা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তিনি একের পর এক সফল প্রকল্প গড়ে তুলেছেন। ‘কর্মতীর্থ’ হলো এরকমই এক প্রকল্প। আশা করা যায় এই প্রকল্পের মাধ্যমে এই এলাকার মানুষ জীবিকার দিশা খুঁজে পাবে এবং মমতাময়ী মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্ন সফল হবে।