September 29, 2020

বরাবর
মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী,
পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে সরকার।
“খোলা চিঠি”
দিদি আমার পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই সশ্রদ্ধ প্রণাম। আমি বাবুল সাহা, উত্তর দমদম পৌরসভার, বিরাটি, কলাবাগানের ১৫ নং ওয়ার্ডের একজন স্থায়ী বাসিন্দা। আমি ,আমার স্ত্রী,দুই মেয়ে নিয়ে আমার পরিবার। আমার বড় মেয়ে তৃষ্ণা সাহা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী (৭৫% সমস্যা) ,ছোট মেয়ে ৬ষ্ট শ্রেণীতে ,মহাজাতি বালিকা বিদ্যা মন্দিরে অধ্যয়নরত। পৃথিবীর সকল মানুষ COVID-19 এর কারণে এক কঠিন সময় পার করছে। আমার রাজ্যে, আমার ভারত, এবং একজন সাধারণ নাগরিক হিসাবে আমরাও এর বাহিরে নই । আমি পর্যটন পেশার একজন কর্মী। COVID-19 এর কারণে আমার ব্যবসাও বন্ধ। আমার পরিবার RKSY-|| রেশন কার্ড ধারী। রেশনের চাল ই একমাত্র ভরসা বেঁচে থাকার জন্য। আমার বড় মেয়ে তৃষ্ণা সাহা(TRISHNA SAHA)( DOB: 16.04.1998) DISABILITY CERTIFICATE প্রাপ্ত হয় 18.12.2018. ইং তারিখে। Certificate No: 1563, I – CARD No 25/NDD(U)/0061, ইসু্্যর তারিখ 27.02.2019. চূড়ান্ত অনুমোদন পাই, 18.03.2019. এরপর আমি উত্তর দমদম পৌরসভায় নিয়ম মাফিক সকল কাগজপত্র জমা দিয়ে ‘মানবিক’ সাহায্যের জন্য আবেদন করি। November-2019(21.11.2019) NEFT/BARRACPORE – I TREAS 3,000/= টাকা প্রথম একাউন্টে জমা হয়। TRISHNA SAHA, Punjab & sind Bank ,Birati Branch, Account no: 08461000506975. (নভেম্বর-২০১৯) মাসে আমি আমার মেয়ের LIFE CERTIFICATE যথারীতি পৌরসভার সমাজ কল্যাণ বিভাগে জমা করে দিই। এরপর এই একাউন্টে আর কোন টাকা না ঢোকায় আমি লকডাউন চলাকালীন সময়ে মে- ২০২০তে পৌরসভার সমাজ কল্যাণ বিভাগে যোগাযোগ করলে ,বিভাগ আমাকে পরামর্শ দেন নতুন করে LIFE CERTIFICATE করে BARRACPORE OFFICE এ সমাজ কল্যাণ বিভাগে ৪২ নং রুমে জমা করার জন্য। আমি সকল কাগজপত্র যথারীতি করে নিয়ে ১১জুন ব্যারাকপুর ৪২ নং রুমে জমা দিতে গেলে আমাকে কর্তৃপক্ষ জানান, এখন এগুলো জমা দিতে হবে না।COVID-19 এর জন্য ছাড় দেওয়া হয়েছে,জুন-২০২০ তে টাকা ঢুকবে ব্যাংকে খোঁজ নেন। 16.06.2020 ইং তারিখে 2,000/= ঢোকে।WBSC627 থেকে। বিগত সময়ের কোন টাকা ঢোকে নি। এ ব্যাপারে আমি ০২.০৭.২০২০ ইং তারিখে আবার ব্যারাকপুর অফিসে যাই। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর সাক্ষাত মেলে এই বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে, সবকিছু শোনার পর আমাকে বললেন, এখন আমরা কাগজপত্র নিব না, আপনি আগামী নভেম্বর-২০২০তে আবার LIFE CERTIFICATE জমা করেন সংশ্লিষ্ট পৌরসভাতে এবং জমার রশিদ নিবেন। তখন আমি বললাম বকেয়া টাকার কি হবে? তখন আমাকে বললেন, এটা আমাদের করার কিছু নেই।এখন টাকা নবান্ন দিচ্ছে দেখেন টাকা ঢোকে কি না । এই বিষয়ে আমরা কিছু বলতে পারবো না। এই দূর্যোগ কালীন সময়ে , নিয়মিত টাকাটা পেলেওতো উপকার হতো, মাননীয় মূখ্যমন্ত্রী মহোদয়। একবার পৌরসভা, আবার ব্যারাকপুর ,এখন নবান্ন। কি করবো ? ভাবতে পারছি না। এই ‘মানবিক’ সাহায্য প্রাপ্তিদের প্রতি আপনি অবশ্যই ‘মানবিক’ হবেন। এটাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস। এরকম আমার মত আরো অনেকেই দারে দারে ঘুরছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তর সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে অসহায় মানুষদের প্রতি ‘মানবিক’ হওয়ার জন্য একান্ত অনুরোধ রইলো।
ধন্যবাদ সহ
বাবুল সাহা
৯০৭৩৩৪৯১৭৭,
৯০০৭৯৬২৮৬৭
[email protected]
Date: 02.07.2020
Time: 7:33pm