October 24, 2020

গোপাল দেবনাথ,

আজ পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দ্বিশততম জন্ম বার্ষিকী সমাপ্তি অনুষ্ঠান ও রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে মিলন সমিতি (ঋষিকেশ পার্ক)। সকালে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের বাড়িতে তার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন মিলন সমিতির সম্পাদক শ্রী উমাপতি দত্ত এবং সভাপতি শ্রী সঞ্জীব মিত্র সহ সদস্যবৃন্দ। এর পরবর্তী পর্যায়ে ক্লাব সংলগ্ন ঋষিকেশ পার্কে  বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দ্বিশততম জন্ম বার্ষিকী কে স্মরণীয় করে রাখতে এক বিশাল রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেন। বর্তমানে রাজ্যজুড়ে রক্তের খুবই সংকট চলছে। করোনা মহামারীর কারণে গত ছয়মাসের উপর হয়ে গেল সেই অর্থে খুব বেশি জায়গায় স্বেচ্ছা রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত করা সম্ভভপর হয়নি। এখন আনলক -৪ পর্ব চলছে সাধারণ মানুষ বিভিন্ন ধরণের সতর্কতা অবলম্বন করে মানুষ লকডাউন পূর্বের জীবনে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। প্রয়োজনীয় রক্তছাড়া মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচানো সম্ভবপর নয়। এই রক্ত কোনো কারখানায় তৈরি করা সম্ভবপর নয়। এই সব কথা মাথায় রেখে মিলন সমিতির এই রক্তদান শিবিরের সামাজিক উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে। আজকের এই ক্লাব প্রাঙ্গনের অনুষ্ঠানে পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন প্রাক্তন বিচারপতি শ্রী অলকেন্দু মুখার্জী, ডাঃ কৃষ্ণানন্দ ঘোষ, রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শ্রী কুনাল ঘোষ, পুর কোঅর্ডিনেটর শ্রীমতি সাধনা বোস, আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার অফিসার ইনচার্জ শ্রী কৌশিক দাস, মিলন সমিতির সভাপতি শ্রী সঞ্জিত মিত্র, সম্পাদক শ্রী উমাপতি দত্ত, সেন্ট পলস প্রাক্তনী ১৯৮০ব্যাচ এর বিশেষ প্রতিনিধি এবং # Proচেষ্টা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধি সহ বিশিষ্টজন। এই রক্তদান শিবিরে প্রায় শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা রক্তদান উৎসবে সামিল হলেন। মিলন সমিতি সরকারি নিয়মনীতি মেনে সামাজিক দূরত্ব বিধি বজায় রেখে রক্তদানের আয়োজন করেন। এই রক্তদান কর্মসূচি তে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংক এবং এন. আর. এস মেডিকেল কলেজ। সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট জনের উপস্থিতিতে বিদ্যাসাগর মহাশয় কে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করা হয় এবং সেই সাথে একটি স্মারক পুস্তিকা ‘বিদ্যাসগার ২০০’ স্মরণিকা প্রকাশিত হলো। এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা হলো মিলন সমিতি প্রযোজিত বিদ্যাসাগর সম্পর্কিত তথ্যচিত্র “আত্মদানের উৎসাধারা” প্রদর্শন করে। উপস্থিত দর্শকগণ এই তথ্যচিত্রের প্রশংসা করেন। পুরো অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতা করেন সেন্ট পলস প্রাক্তনী ১৯৮০ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা Proচেষ্টা।