March 2, 2021

দেন্দুয়া গ্রামের বাসিন্দা লিভারে টিউমার নিয়ে ভুগছিলেন চব্বিশ ঘন্টায় স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেয়ে খুশি রোগী ও রোগীর পরিবার:-

কাজল মিত্র ,

অর্থের অভাবে অনেক দিন ধরে নিজের লিভারে টিউমার নিয়ে ভুগ ছিলেন সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া গ্রামের রাশিদা খাতুন।
রাজ্য সরকারের দুয়ারে সরকার প্রকল্প অভিযানে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের জন্য আবেদন করেন তিনি ও তার পরিবার কিন্তু তার কূপন আসতে দেরি হয় এবং দিনের পর দিন তার শরীরের অবনতি ঘটতে থাকে।
এই প্রসঙ্গে তিনি দেন্দুয়া অঞ্চলের যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় যুব নেতা মহেশ্বর চৌধুরীর কাছে গিয়ে তার অসুবিধার কথা জানান,মহেশ্বর চৌধুরী সঙ্গে সঙ্গে এই কথা ব্লক নেতৃত্ব তথা জেলা পরিষদ কর্মদক্ষ তথা সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি মহম্মদ আরমান ও সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভোলা সিংকে জানান।এই কথা নেতৃত্বরা জানার সঙ্গে সঙ্গে বারাবনি বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় এবং বিডিও আদিতি বসুর সঙ্গে কথা বলে চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে সালানপুর পঞ্চায়েত অফিস তথা বিডিও অফিসে রাশিদা খাতুন ও তার পরিবারের ডেকে তাদের হাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তুলেদেন।স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিজের হাতে পেয়ে রাশিদা খাতুন ব্লক নেতৃত্ব ও মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান,তিনি বলেন আমি গরীব পরিবারের মহিলা লিভারে টিউমার রয়েছে তাই অর্থের অভাবে কোথাও গিয়ে নিজের চিকিৎসা করাতে পারিনি প্রচুর কষ্টের মধ্যে ছিলাম তাই নিজের অসুবিধার কথা তৃণমূল নেতাদের কাছে জানিয়েছিলাম।
তাদের যানাবার পরেই আমি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেলাম এবার আমি কলকাতায় গিয়ে বিনামূল্যে বড় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে পারবো।আমি ধন্যবাদ জানায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবং বারাবনি বিধানসভার বিধায়ক বিধান উপাধ্যায়,সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মহম্মদ আরমান, ভোলা সিং,মহেশ্বর চৌধুরী সহ সমস্ত নেতৃত্বকে।
এই প্রসঙ্গে ভোলা সিং বলেন সালানপুর ব্লকের প্রায় তিন হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসাথী কার্ড পেয়েছে আরো যাদের বাকি রয়েছে তারও সবাই পাবেন,এই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দিয়ে রাজ্যের প্রতিটি মানুষ উপকৃত হবেন তাই যেই রাজনৈতিক দল করুন না কেন সবাই স্বাস্থ্যসাথী কার্ড বানান কারণ এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা করাতে পারবেন।আমি এবং আমাদের দল একটাই কথা জানে উন্নয়ন।তাই আজ দেন্দুয়ার বাসিন্দা রাশিদা খাতুন ও তার পরিবারের আবেদনে যত দ্রুত সম্ভব তার হাতে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড তুলে দেওয়া হলো।