আজ নারদা মামলায় স্থানান্তরিত নিয়ে হাইকোর্টে শুনানি

মোল্লা জসিমউদ্দিন, ২৮


কলকাতা হাইকোর্টে প্রথম পর্যায়ে ডিভিশন বেঞ্চে জামিন নিয়ে মতবিরোধ ঘটেছিল, সেবার মতামতের ফলাফল ছিল ১-১।তবে এবার বৃহত্তর বেঞ্চে ৫-০ তেই অন্তবর্তী জামিন মঞ্জুর নারদায় ধৃত গৃহবন্দীদের।তবে শর্ত গুলি বেশ বড়।কেননা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই জামিনের বিরোধিতায় ‘নাছোড়বান্দা’। শুক্রবার দুপুরে কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্ডালের নেতৃত্বে বৃহত্তর বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলে। সেখানে সিটি সেশন কোর্টে যে অন্তবর্তী জামিনের নির্দেশিকা ছিল তা একপ্রকার বহাল রইলো কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে। শর্ত হিসাবে রয়েছে ১/ প্রত্যেক কে দু লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন নিতে হবে, ২/ তদন্তকারী সংস্থা কে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে।৩/ নারদা নিয়ে মিডিয়ায় কোন বক্তব্য রাখতে পারবেন না জামিন পাওয়া নেতারা।৪/ অন্তবর্তী জামিনের নির্দেশ চুড়ান্ত রায়ের উপর নির্ভর করবে। এইরুপ নানান শর্ত রেখে পাঁচ বিচারপতিই নারদায় গৃহবন্দীদের অন্তবর্তী জামিনে সায় দিয়েছেন। এবার কোন মতবিরোধ ঘটেনি এই হাই প্রোফাইল মামলায় ধৃতদের জামিন নিয়ে। এদিন সিবিআইয়ের তরফে সলিটর জেনারেল তুষার মেহতা ধৃতদের জামিনের কড়া বিরোধিতা করেন। সেইসাথে প্রভাবশালী তত্ত্ব,  মামলায় সাধারণ মানুষের আস্থা উঠে যাওয়া প্রসঙ্গ গুলি টেনেছেন। এদিন আদালত জানিয়েছে – ‘ সাত বছর আগে যখন গ্রেপ্তার করা হয়নি।এখন গৃহবন্দী করে রাখা অর্থহীন। আগেও এরা প্রভাবশালী ছিলেন। তখন কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি? বিপদের সময় মানুষের পাশে থাকা এবং কাজ করাটা জরুরি’। সেইসাথে চার্জশিট দাখিলের দিনেই কেন গ্রেপ্তার তা নিয়েও ফের প্রশ্ন তুলে বৃহত্তর বেঞ্চ। গ্রেপ্তার না করেও তদন্ত হতে পারে বলে মনে করছে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। সিবিআইয়ের তরফে সলিটর জেনারেল তুষার মেহতা ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করলে এই মামলা ঠান্ডা করে চলে যাবে বলে আশংকা করেন। তবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্ডাল সলিটর জেনারেল কে আশস্ত করেছেন যে এই মামলা ঠান্ডা করে যাবেনা।এখন সময়ই বলবে এই মামলা আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়!! উল্লেখ্য,  নারদায় গঠিত বৃহত্তর বেঞ্চে রয়েছেন  ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্ডাল, বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখার্জি, বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন, বিচারপতি অরিজিত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি সৌমেন সেন। 

Leave a Reply