।। শীতের কষ্ট কাটাতে সুন্দরবনের মানুষের পাশে বসিরহাট পুলিশ জেলা ।।
।। শীতের কষ্ট কাটাতে সুন্দরবনের মানুষের পাশে বসিরহাট পুলিশ জেলা ।।
বসিরহাট : শীতের প্রকোপে যখন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন, তখন মানবিক উদ্যোগ নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়ালো বসিরহাট পুলিশ জেলা। বসিরহাটের সন্দেশখালি থানার চত্বরে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সন্দেশখালি থানার অন্তর্গত একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার দুস্থ মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে বেড়মজুর ১ ও ২, খুলনা, জেলিয়াখালি, সন্দেশখালি ও কোড়াকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের একাংশের মোট ৩৫০ জন দুস্থ ও অসহায় মানুষ শীতবস্ত্র পান। শীতবস্ত্র বিতরণ করেন বসিরহাট পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার ডক্টর হোসেন মেহেদী রহমান। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মিনাখাঁর এসডিপিও কৌশিক বসাক, সন্দেশখালি ২নং ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক অরুণ কুমার সামন্ত, সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো, সন্দেশখালি থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক বলাই ঘোষ এবং থানার অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন দিনমজুর, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা ও শিশুদের পরিবারগুলি। সেই কথা মাথায় রেখেই এই শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। উপকৃত মানুষজন পুলিশের এই মানবিক উদ্যোগে স্বস্তি ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পুলিশ সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, এদিন ৩৫০ জনকে শীতবস্ত্র দেওয়া হলেও সন্দেশখালি থানার মনিপুর, দুর্গামণ্ডপ ও কোড়াকাটি এলাকার অপর অংশের আরও ১৫০ জন দুস্থ মানুষের হাতে আগামী দু’তিন দিনের মধ্যেই শীতবস্ত্র তুলে দেওয়া হবে। শীতবস্ত্র বিতরণের পাশাপাশি এদিন আরেকটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয় সন্দেশখালি থানা। বিগত চার মাস ধরে থানায় জমা পড়া হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে উদ্ধার হওয়া ২৬টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। নিজের হারানো ফোন ফিরে পেয়ে খুশি মানুষজন পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে বলে জানান। মানবিকতা ও পরিষেবার এই যুগল উদ্যোগে সুন্দরবনের প্রত্যন্ত এলাকায় বসিরহাট পুলিশ জেলার ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে সর্বস্তরে।



Post Comment