সাম্প্রতিক
ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি এমএসএমই কানেক্ট কলকাতা ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গের উদ্যোক্তাদের জন্য বাজারে প্রবেশাধিকার ও রপ্তানি প্রস্তুতিকে অগ্রাধিকার দিল

ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি এমএসএমই কানেক্ট কলকাতা ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গের উদ্যোক্তাদের জন্য বাজারে প্রবেশাধিকার ও রপ্তানি প্রস্তুতিকে অগ্রাধিকার দিল

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ — আইডিয়াস টু ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি কলকাতায় আয়োজন করল ‘ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি এমএসএমই কানেক্ট ২০২৬’। এতে অংশ নেয় অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই), পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এমএসএমই ও বস্ত্র দপ্তর, বৈদেশিক বাণিজ্য মহানির্দেশালয়, ভারতীয় ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়ন ব্যাঙ্ক, ওয়ালমার্ট মার্কেটপ্লেস, ফ্লিপকার্ট এবং অন্যান্য অংশীদাররা।
এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল এমএসএমইগুলিকে ব্যবসায়িক ও ডিজিটাল সক্ষমতা বাড়ানোর বাস্তবসম্মত পথ দেখানো, রপ্তানির প্রস্তুতির গুরুত্ব বোঝানো এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তুলে ধরা। উদ্যোক্তারা ওয়ালমার্ট মার্কেটপ্লেস ও ফ্লিপকার্টের মাধ্যমে ডিজিটাল বাণিজ্য ও বাজারে প্রবেশাধিকার নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। আলোচনা ও কর্মশালার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা ব্যবসায়িক প্রস্তুতি, ডিজিটাল বাণিজ্য এবং আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা লাভ করেন।
কলকাতা পূর্ব ভারতের অন্যতম প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র। এখানকার উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং ডিজিটাল বাণিজ্য ও বৃহত্তর বাজারের জন্য প্রস্তুতি জোরদার করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ তৈরি করেছে এই আয়োজন। বিশেষ প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও আলোচনাচক্রের মাধ্যমে ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি এমএসএমইগুলির দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক প্রস্তুতিতে সহায়তা করার লক্ষ্যে তৈরি হয়েছে।

“এমএসএমই পশ্চিমবঙ্গের অর্থনৈতিক পরিমণ্ডলের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং রাজ্যজুড়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। ডিজিটাল সরঞ্জাম ব্যবহার করে এমএসএমইগুলির সক্ষমতা জোরদার করা এবং ই-কমার্স মঞ্চের মাধ্যমে বাজারে প্রবেশাধিকার বাড়ানো তাদের দীর্ঘস্থায়ী বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য। যথাযথ সহায়তা ও সুযোগ পেলে আমাদের এমএসএমইগুলি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ব্যবসা বাড়াতে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এবং বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে পারবে,” বলেছেন এমএসএমই ও বস্ত্র দপ্তরের সচিব শ্রী সুমিত গুপ্ত।

“আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে এমএসএমইগুলির উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্য সম্পর্কে ধারণা দৃঢ় করা এবং প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তোলার মাধ্যমে উদ্যোক্তারা আন্তর্জাতিক সুযোগ কাজে লাগাতে পারবেন,” বলেছেন বৈদেশিক বাণিজ্য মহানির্দেশালয়ের যুগ্ম মহাপরিচালক শ্রী বিষ্ণু কান্ত।
“পশ্চিমবঙ্গে ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বিকাশ, ডিজিটাল সরঞ্জাম গ্রহণ ও নতুন বাজারে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী ব্যবসা গড়ে তুলতে সহায়তা করছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এমএসএমইগুলিকে সেই দক্ষতা ও বাজারে প্রবেশের পথ করে দিচ্ছি, যা তাদের টেকসইভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়ানো এবং বৃদ্ধির নতুন সুযোগ তৈরি করতে সাহায্য করবে,” বলেছেন ওয়ালমার্টের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি অবনীশ গুপ্ত।
পশ্চিমবঙ্গের এমএসএমই পরিমণ্ডলে হস্তশিল্প, বস্ত্র, তাঁত, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, চর্মশিল্প, প্রকৌশল পণ্য ও পাটশিল্পে সুপ্রতিষ্ঠিত ও উদীয়মান শিল্পগুচ্ছ রয়েছে। কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, আসানসোল, খড়্গপুর ও মালদার উদ্যোক্তাদের সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে এই কর্মসূচি। এর ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্র এবং ব্যবসায়িক বৃদ্ধির বিভিন্ন পর্যায়ে থাকা উদ্যোগগুলির কাছে পৌঁছতে পারছে এই কর্মসূচি।
বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি। ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন, অনলাইন বাজারে সক্ষমতা বৃদ্ধি, ব্যক্তিগত পরামর্শ ও সরাসরি সহায়তার মাধ্যমে এমএসএমইগুলিকে শক্তিশালী ও টেকসই ব্যবসা গড়তে সাহায্য করছে। অর্থব্যবস্থা, বিপণন, কর্মী ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যাতে উদ্যোক্তারা পরিবর্তনশীল বাজারে ব্যবসা বৃদ্ধি ও প্রতিযোগিতার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারেন।
২০১৯ সালে সূচনার পর থেকে ওয়ালমার্ট বৃদ্ধি ভারতজুড়ে ১,১৫,০০০-এরও বেশি এমএসএমইকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ২০২৮ সালের মধ্যে মোট ১,৭০,০০০ এমএসএমইকে সহায়তা করার লক্ষ্য নিয়ে এটি উদ্যোক্তাদের সক্ষমতা বাড়াতে এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে ব্যবসা সম্প্রসারণে সহায়তা করছে।

 মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে হানা স্থানীয় পুলিশ – প্রশাসনের , 

 মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে হানা স্থানীয় পুলিশ – প্রশাসনের , 

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার  মঙ্গলকোটে জেলা খাদ্য দপ্তর,  মঙ্গলকোট ব্লক প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশের  উদ্যোগে মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে চলে খাদ্যের গুনগত মান যাচাইয়ের  অভিযান। মূলত যে জায়গায় রান্না হচ্ছে সেই জায়গাগুলিকে বেশি করে পরীক্ষা করা হয়। মিষ্টির দোকানে চালানো হয় অভিযান। “যদি কোন দোকানের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকে তাহলে সেই দোকানের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে” বলে জানান মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ।

মহাসমারোহে মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী পালন ‘রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি’র

মহাসমারোহে মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী পালন ‘রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি’র

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার সন্ধেবেলায় গিরিশ পার্ক সংলগ্ন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির পাঠাগার কক্ষে মহাসমারোহে পালিত হলো মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষ পালন।’আলো আমার, আলো ওগো, আলো ভুবন-ভরা…” – সমবেত কণ্ঠে বিশ্বকবির গানে চারিদিক মুখরিত করে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি বাংলা চলচ্চিত্র জগতের রূপালী পর্দার কিংবদন্তি নায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নিবেদন করল এক আনন্দঘন স্মরণসন্ধ্যা তাদের লাইব্রেরি ঘরে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ছোটগল্প উপন্যাস ইত্যাদি অবলম্বনে নির্মিত বেশ কিছু ছায়াছবিতে উত্তমকুমার তাঁর অসামান্য অভিনয় দক্ষতায় মুগ্ধ করে রেখেছেন আপামর বাঙালিকে তাঁর সমকালীন সময়ে এবং তার রেশ বর্তমান সময়েও বহমান সেই ধারায়। বাংলা সিনেমা জগতে রোমান্টিক অভিনয় ও ধ্রুপদি কেতায় খ্যাতিমান নায়ক রূপে তাঁর ক্রম উত্তরণ, বিশ্লেষণ এবং বাংলা সিনেমায় রবীন্দ্রসংগীতের সূচনা, প্রচলন ব্যবহার ইত্যাদি নিয়ে কথায় ও গানে একটি সুন্দর সন্ধ্যা উপহার দিল সোসাইটি কর্তৃপক্ষ।সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়ের প্রাক্ ভাষণ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন প্রামাণিক স্বল্পচিত্র নির্মাতা জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব মুজিবর রহমান। বিশ্বকবির রচনা ভিত্তিক নির্মিত বিভিন্ন ছায়াছবিতে উত্তমকুমারের ঠোঁট মেলানো গানগুলি এবং অন্যান্য সিনেমায় ব্যবহৃত সেইরকম গানগুলি গেয়ে শোনান সোসাইটির সংগীতশিল্পীবৃন্দ। গানে গানে ছিলেন দেবাশিস দত্ত, হিমাদ্রী মুখার্জী, জয়শ্রী দে, ললিতা সিনহা, সুপ্রিয় চ‍্যাটার্জী, তন্দ্রিমা দত্ত। কবিগুরুর গানে নৃত্য পরিবেশনায় ছিলেন জিনিয়া ঘটক, কৌশিক ঘোষ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা সহ গানগুলির বিস্তারিত আলোচনা করেন সোমা সরকার ও সুমিত অধিকারী। সুন্দর ব্যবস্থাপনা এবং সুদক্ষ পরিচালনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে দাঁড়ায় শ্রুতিমধুর। শেষলগ্নে সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে আয়োজনের পরিসমাপ্তি ঘটে।

নতুন অধ্যায়ে জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল

নতুন অধ্যায়ে জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল

কলকাতা | ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬: ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে জয়পুর লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল তার ঐতিহাসিক ২০তম সংস্করণে প্রবেশ করছে। দুই দশকের এই যাত্রা বই, ভাবনা ও সংলাপের মাধ্যমে লেখক, শিল্পী, চিন্তাবিদ এবং পাঠকদের একত্রিত করেছে।

গত বিশ বছরে উৎসবটি স্থানীয় সমাবেশ থেকে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য মঞ্চে পরিণত হয়েছে। নানা ভাষা ও সংস্কৃতির মধ্যে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি করে সাহিত্যকে বৃহত্তর জনপরিসরে পৌঁছে দিয়েছে এই উৎসব।

টিমওয়ার্ক আর্টস-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সঞ্জয় কে. রায় বলেন, “বই ও ভাবনা মানুষকে একত্রিত করে… ২০তম সংস্করণে আমরা অতীতকে উদ্‌যাপন করছি, আবার ভবিষ্যতের অসংখ্য সংলাপের দিকে তাকিয়ে আছি।” কো-ডিরেক্টর নমিতা গোখলে যোগ করেন, “ভারতের আত্মা নিহিত রয়েছে তার সাহিত্যিক ঐতিহ্য ও ভাষাগত বৈচিত্র্যে।” এ বছর ‘ভাষা স্বরমালা’ সিরিজের মাধ্যমে বহু ভারতীয় ভাষাকে সম্মান জানানো হবে। প্রেসিডেন্ট প্রীতা সিং জানান, “আমরা নতুন পাঠক-শ্রোতার কাছে পৌঁছনো এবং আরও গভীর সহযোগিতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগী।”

শুরু থেকে উৎসবে অংশ নিয়েছেন ৮,০০০-এরও বেশি লেখক ও শিল্পী। সরাসরি প্রাঙ্গণে এসেছেন ৫০ লক্ষেরও বেশি মানুষ, আর ডিজিটাল ও সম্প্রচার সহযোগিতায় পৌঁছেছে প্রায় ১০০ কোটির কাছে। জয়পুর থেকে বিশ্বজুড়ে ১৫টিরও বেশি আন্তর্জাতিক সংস্করণও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাহিত্য, ইতিহাস, রাজনীতি, বিজ্ঞান, দর্শন, অর্থনীতি ও শিল্পকলার পাশাপাশি বহুভাষিক সাহিত্য ও অনুবাদকে বৃহত্তর পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়েছে এই মঞ্চ।

“ভাবনা। গল্প। সংলাপের ২০ বছর।” এই বার্তা ভারতের ২২টি সরকারি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। রাজস্থান সরকারের সহযোগিতায় উৎসবটি অনুষ্ঠিত হবে ১৪–১৮ জানুয়ারি, ২০২৭, জয়পুরে।

OTT Platform SOBSOMOY Announces ‘RUDRA’ Starring Tonni Laha Roy and Mainak Banerjee

OTT Platform SOBSOMOY Announces ‘RUDRA’ Starring Tonni Laha Roy and Mainak Banerjee

When an unexplained death opens the door to a forgotten crime, the past begins to reveal secrets that were meant to remain buried. Bringing this intriguing premise to the screen, Sobsomoy announces its upcoming original web series ‘Rudra’, directed by Arindam Chakrabarty.

Starring Mainak Banerjee and Tonni Laha Roy in pivotal roles, ‘Rudra’ is set against a mysterious and atmospheric backdrop, where an apparently straightforward case gradually takes an unexpected turn.

Mainak Banerjee plays Rudra Sen, a brilliant private investigator who has chosen a life of isolation following a personal tragedy. His world changes when he takes up a mysterious case that refuses to fit the obvious explanation.

Tonni Laha Roy portrays Paromita, a determined woman who cannot accept the circumstances surrounding her father’s death. Her quest for answers brings her to Rudra, drawing them both into an investigation that gradually uncovers unsettling connections to the past.

As Rudra begins piecing together the clues, what emerges is a story shaped by secrets, guilt, justice and revenge. At its heart lies a crime from decades ago—one that continues to cast a shadow over the present. But how the pieces connect, and who is truly behind the unfolding mystery, remains at the heart of the series.

Speaking about her character, Tonni Laha Roy says “Paramita is very close to my heart because she is so different from the characters I usually play. I often portray negative or grey-shaded roles, but Paramita is positive, grounded and relatable. Her bond with her father deeply connected with me, as I have only my father in real life. Playing her was emotionally challenging, but beautiful. I hope audiences connect with Paramita, understand her journey, and allow her to touch their hearts.”

Speaking about his character and experience of working on the series, Mainak Banerjee says, “My character’s name is Rudro, and this web series is coming soon on Sobsomoy OTT. Rudro is a very unique character, and honestly, I have never played anything like this before. When Arindam narrated the story and briefed me about the character, I immediately said, ‘Let’s do it!’ We’ve known each other for many years, and although our tight schedules make the process a little hectic, we had a lot of fun working together. It’s a gripping crime thriller with a very interesting story. I especially loved Rudro’s look—initially, I had some doubts, but after the photoshoot, I absolutely loved it. I hope the audience loves it too. You’ll be able to watch Rudro very soon on Sobsomoy OTT!”

Speaking about the series, Director Arindam Chakrabarty says, “Rudra is a gripping detective story where a series of apparent suicides across the city are mysteriously connected to the Bhagavad Gita. We have consciously tried to move away from predictable detective narratives and create something fresh, intriguing and unconventional. With extensive research and a completely different look for Mainak and the other actors, we are extremely hopeful that audiences will enjoy this unique, thrilling and engaging detective experience.”

The series also features Souradeep Roy as Avra, Arna Dhar as Maitreyi and Priya Mondal as Anamika in significant roles.

With Mainak Banerjee and Tonni Laha Roy leading the narrative and Arindam Chakrabarty at the helm, ‘Rudra’ promises a layered mystery that keeps its secrets close while gradually drawing viewers deeper into its world.

IGNITE Seminar Trains Over 600 Technicians, Promotes Industry Innovation

IGNITE Seminar Trains Over 600 Technicians, Promotes Industry Innovation

Kolkata: IGNITE organised its Skill Development Initiative and Industry Seminar 2026 in Kolkata on Saturday, training over 600 technicians and promoting a skilled, future-ready workforce. The programme brought together industry leaders, architects, designers, students and professionals from electrical, automation and technology sectors. Representatives from Signify, Philips, Havells and Bajaj Electricals participated in the event. An industry seminar, exhibition and workshop encouraged knowledge-sharing and collaboration. Key discussions focused on artificial intelligence in interior designing, future-ready landscaping, retrofitting West Bengal’s heritage structures, and power automation with AI for industrial growth. Supported by Smartpower Automation, WEBSOL and Laghu Udyog Bharati, IGNITE promoted skill development and innovation across West Bengal.

বিধান শিশু উদ্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও জননেতা অতুল্য ঘোষের ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী পালন

বিধান শিশু উদ্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও জননেতা অতুল্য ঘোষের ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী পালন

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

টানা দু’দিন অর্থাৎ শুক্র ও শনিবার কলকাতার উল্টোডাঙ্গা সংলগ্ন বিধান শিশু উদ্যানে মহাসমারোহে পালিত হলো অতুল্য ঘোষের ১২৩ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন।গত শুক্রবার  বিধান শিশু উদ্যানের প্রতিষ্ঠাতা ও জননেতা অতুল্য ঘোষের ১২৩  তম জন্মদিন উপলক্ষে অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার  সাংসদ শ্রী সুখেন্দু শেখর রায়, প্রবীণ সাংবাদিক শ্রী মিহির গঙ্গোপাধ্যায়, ইসরোর প্রাক্তন অধিকর্তা শ্রী তপন মিশ্র, মহাকাশ বিঞ্জানী দেবীপ্রসাদ দুয়ারী এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক অরূপ কুমার দাস প্রমুখ । বক্তারা প্রত্যেকেই স্বাধীনতা সংগ্রামে অতুল্য ঘোষের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। বিভিন্ন সময়ে ইংরেজ পুলিশের অকথ্য অত্যাচারে তাঁর শরীরের হাড়গোড় ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে সারাজীবন তিনি স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করতে পারতেন না। মেদিনীপুর জেলে বন্দি অবস্থাতে ইংরেজ পুলিশ অফিসার অতুল্য ঘোষের চোখে ব্যাটন ঢুকিয়ে দিয়েছিল। জেল থেকে বেরিয়ে সুস্থ হয়ে আবার স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। স্বাধীন ভারতে পনেরো বছর তিনি লোকসভার সদস্য ছিলেন। একটা সময় সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে এসে শিশুদের কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। নারকেলডাঙার কাছে ডা. বি. সি. রায় মেমোরিয়াল চিলড্রেনস হসপিটাল যা শুধুমাত্র এই রাজ্যের রাজ্যে একটিই সরকারি শিশু হাসপাতাল। এর পাশাপাশি তৈরি করেছিলেন বিধান শিশু উদ্যান যা এ বছর ৫০ বছর পূর্ণ করল। অতুল্য ঘোষ প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থা শিশু-কিশোরদের উন্নতিকল্পে নিরন্তর কাজ করে চলেছে। বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, নাচগান, বিদেশি ভাষা শিক্ষা সবই। অতুল্য ঘোষের জন্মদিনে সহস্রাধিক শিশু-কিশোর এবং তাদের অভিভাবক-অভিভাবিকারা অংশগ্রহণ করে। ‘বন্দে মাতরম্’ গানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এবং শিক্ষার্থীরা নাচ, গান, আবৃত্তি পরিবেশন করে। সবশেষে গীতি-আলেখ্য– ‘বর্ষা’ উপস্থাপন করা হয়। শনিবার  জন্মোৎসব পালনের দ্বিতীয় দিনে বিধান শিশু উদ্যানের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনের পাশাপাশি  বিশিষ্ট লোকশিল্পীদের দল ‘দোহারের’ গান পরিবেশন হয়।

মাদক বিরোধী কর্মসূচি মঙ্গলকোট পুলিশের

মাদক বিরোধী কর্মসূচি মঙ্গলকোট পুলিশের

সেখ রাজু,

শনিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট হাই মাদ্রাসায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। PowerPoint Presentation-এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, ব্যক্তিজীবন ও সমাজের উপর এর ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করা হয়।উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা অনুদান, দাঁইহাটে বিজেপির বিশাল ‘ধন্যবাদ যাত্রা’

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা অনুদান, দাঁইহাটে বিজেপির বিশাল ‘ধন্যবাদ যাত্রা’

রাহুল রায়,দাঁইহাট : শুক্রবার,অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে দাঁইহাটে আয়োজিত হলো ধন্যবাদ যাত্রা। এই উপলক্ষে দাঁইহাট নগর মণ্ডল বিজেপির পক্ষ থেকে একটি বিশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়।
দাঁইহাটের ব্যাংক মোড় থেকে পৌর মার্কেট পর্যন্ত এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি এলাকার বহু মহিলা অংশগ্রহণ করেন। দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মিছিলের পথ। মিছিলে প্রায় কয়েক হাজার মহিলা উপস্থিত ছিলেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি।
মিছিল শেষে পৌর মার্কেটের সামনে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষেও সেখানে বক্তব্য রাখেন দলীয় নেতৃত্ব। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩ হাজার টাকা অনুদানকে কেন্দ্র করে মহিলাদের মধ্যে যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা এই কর্মসূচিতে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অনিল দত্ত, কাটোয়া বিধানসভার কনভেনার অশোক রায়, দাঁইহাট নগর মণ্ডল বিজেপির সভাপতি স্বরূপ মণ্ডল-সহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।
পথসভা থেকে বক্তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আর্থিক সহায়তা নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনেও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মিছিল ও পথসভাকে কেন্দ্র করে দাঁইহাট এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

কলকাতা পুলিশের রাখি বন্ধন উৎসব

কলকাতা পুলিশের রাখি বন্ধন উৎসব

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

শুক্রবার সকালে কলকাতা পুলিশের সদর দপ্তর লালবাজারে মহাসমারোহে পালিত হলো ‘রাখি বন্ধন উৎসব’। এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের সিপি অজয় কুমার নন্দ সহ পদস্থ পুলিশ কর্তারা। অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের পরিবার সহ কলকাতার বিভিন্ন স্কুল পড়ুয়াদের উপস্থিত ছিল চোখে পড়ার মতো। অনুষ্ঠান সূচনা লগ্নে কলকাতা পুলিশের নিজস্ব অর্কেস্ট্রা গ্রুপের তরফে সর্বপ্রথম ‘বন্দেমাতরম’ তারপর ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ ‘জনগণমন’ সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার নন্দ তাঁর স্বাগত ভাষণে রাখি উৎসবে পুলিশের রক্ষাকারী ভূমিকা তুলে ধরেন। সেইসাথে মহানগরবাসীর আপদে-বিপদে পাশে থাকার বার্তা দেওয়া হয়। এক সমাজসেবামূলক শিক্ষা সংস্থার তরফে মঞ্চে উপবিষ্ট অতিথিদের রাখি পড়ানো হয়।সেইসাথে মিষ্টিমুখ করানো হয়।সর্বশেষে দুর্গা স্কোয়াড পরিচালিত রাখি বন্ধন উৎসবের প্রচারমূলক বিশেষ ট্যাবলোর সূচনা করা হয়।