সাম্প্রতিক
নতুন ফৌজদারি আইনের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে বসিরহাট পুলিশ জেলার প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ডিএলএসএ সচিব

নতুন ফৌজদারি আইনের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে বসিরহাট পুলিশ জেলার প্রশিক্ষণ কর্মশালায় ডিএলএসএ সচিব

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার নতুন ফৌজদারি আইনগুলির ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্পর্কে পুলিশ আধিকারিকদের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাসিরহাট পুলিশ জেলার উদ্যোগে একদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ , উত্তর ২৪ পরগনার সচিব, জনাব মহম্মদ নুরজামান খান-কে গুরত্বপূর্ণ বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় নতুন ফৌজদারি আইন সম্পর্কে মূল্যবান জ্ঞান, ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হয়। বিশেষত মাঠপর্যায়ে তদন্ত, প্রসিকিউশন-সংক্রান্ত কাজ এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার সঙ্গে যুক্ত পুলিশ আধিকারিকদের নতুন আইনি ব্যবস্থার ব্যবহারিক দিকগুলি সম্পর্কে আরও সুস্পষ্ট ধারণা দেওয়াই ছিল এই প্রশিক্ষণের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
প্রশিক্ষণ অধিবেশনে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩ (বিএনএস), ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা, ২০২৩ (বিএনএসএস) এবং ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম, ২০২৩ (বিএসএ)-এর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বিশেষভাবে তদন্তের পদ্ধতি, সাক্ষ্য-প্রমাণ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয়তা, প্রক্রিয়াগত সুরক্ষা, ভুক্তভোগী ও সাক্ষীদের সঙ্গে সম্পর্কিত বিধান এবং ইলেকট্রনিক/ডিজিটাল প্রমাণের ব্যবহারসহ মাঠপর্যায়ে পুলিশ আধিকারিকদের সম্মুখীন হওয়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রশিক্ষণের আলোচনার অন্তর্ভুক্ত ছিল।ডিএসএসএ সচিবের বক্তব্যের মাধ্যমে নতুন ফৌজদারি আইনগুলির বিধানকে শুধুমাত্র তাত্ত্বিকভাবে নয়, বরং বাস্তব তদন্ত ও পুলিশি কার্যক্রমের ক্ষেত্রে কীভাবে কার্যকরভাবে প্রয়োগ করা যায়, সেই বিষয়ে অংশগ্রহণকারী আধিকারিকদের মধ্যে সচেতনতা ও ব্যবহারিক ধারণা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

একাংশ নিস্ক্রিয় পুলিশ – প্রশাসন কে ‘সক্রিয়’ করছে লোকায়ুক্ত 

একাংশ নিস্ক্রিয় পুলিশ – প্রশাসন কে ‘সক্রিয়’ করছে লোকায়ুক্ত 

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ জানিয়ে কোন সুরাহা মেলেনি। বিচার পেতে গেলে থানা থেকে কোর্ট।।সেখানেও দীর্ঘ সময়,হয়রানি সহ আইনজীবীদের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয়।ঠিক এই রকম পরিস্থিতি সাধারণ অভিযোগকারীদের কাছে হাসি ফোটাচ্ছে কলকাতা হাইকোর্ট সংলগ্ন লোকায়ুক্ত দপ্তর। বর্তমানে যিনি লোকায়ুক্ত রয়েছেন।তিনি একাধারে যেমন নিম্ন আদালতে জেলাবিচারক হিসাবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতার মধ্যে কলকাতা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল থেকে বিচারপতি পদ সামলেছেন।অবসরের পর ওয়েস্ট বেঙ্গল রিয়েল এস্টেট আপিলেট ট্রাইবুনালের চেয়ারপার্সন পদে থেকে অসংখ্য বিবাদমান মামলার নিস্পত্তি ঘটিয়েছেন। জানা গেছে রাজ্যের লোকায়ুক্ত দপ্তরে ২০০৮  থেকে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত অভিযোগ পেন্ডিং ছিল ১৩২ টি।  লোকায়ুক্ত বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত অভিযোগ নিষ্পত্তি করেন ৮৪ টি। অভিযোগ নিস্পত্তিতে সাফল্যের হার ৬০% বেশি।অতীতে লোকায়ুক্ত দপ্তরে অভিযোগ জানিয়েও কোন সুফল মিলতো না বলে অভিযোগকারীদের একাংশ জানাচ্ছেন। বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত লোকায়ুক্ত হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি।  মাত্র ৮ মাসেই যেভাবে  একের পর এক অভিযোগ খতিয়ে দেখে  পুলিশ কমিশনার, আইজি,ডিআইজি, এসপি,  জেলাশাসক ও অন্যান্য পদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিকের কাছ থেকে দ্রুত রিপোর্ট  তলব করছেন লোকায়ুক্ত বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত।তাতে বহু ক্ষেত্রেই রিপোর্ট পাঠানোর আগেই অভিযোগকারীর অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করছে পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা।

বিবিডি বাগ থেকে বিগ বিলিয়ন ডেজ, কলকাতার আইকনিক বাস পরিবহণ সংস্কৃতিকে ফ্লিপকার্ট পরিণত করছে উৎসবের অঙ্গ হিসাবে । এটা করা হচ্ছে শহর জুড়ে এই মজার প্রচারকে পূর্ণমাত্রায় সক্রিয় করে তুলে

বিবিডি বাগ থেকে বিগ বিলিয়ন ডেজ, কলকাতার আইকনিক বাস পরিবহণ সংস্কৃতিকে ফ্লিপকার্ট পরিণত করছে উৎসবের অঙ্গ হিসাবে । এটা করা হচ্ছে শহর জুড়ে এই মজার প্রচারকে পূর্ণমাত্রায় সক্রিয় করে তুলে


.
কলকাতা, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬: সারা ভারত যখন ফ্লিপকার্টের বিগ বিলিয়ন ডেজের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে, তখন এই ব্র্যান্ড সেই উত্তেজনাকে কলকাতার রাস্তায় পৌঁছে দিচ্ছে ‘কোথায় যাবে দাদা?’ নামক প্রচারের মাধ্যমে। ‘বিবিডি’ হল এই শহরের সবচেয়ে পরিচিতি জায়গা যার সঙ্গে শহরের লোকেদের দৈনন্দিন সংযোগ তৈরি হয়। ফ্লিপকার্ট সেই ‘বিবিডি’কেই বিগ বিলিয়ন ডেজ এর উদ্‌যাপনস্থল করে তুলবে। কলকাতার অন্যতম ব্যস্ত কেন্দ্র হল বিবিডি বাগ (যা আগে ডালহৌসি স্কোয়ার নামে পরিচিত ছিল)। এই এলাকাটি শহরের অসংখ্য বাসের গন্তব্যস্থল। সেই এলাকার সাংস্কৃতিক পরিচয়কে কাজে লাগাচ্ছে এই প্রচার। বিবিডি বাগগামী বাসগুলিতে এবং সেগুলির টিকিটে ফ্লিপকার্টের বিবিডি বার্তা জুড়ে দেওয়া হবে। এবং তার মাধ্যমে প্রচারাভিযানটি কলকাতার দৈনন্দিন যাতায়াতের একটি পরিচিত এলাকাকে দেশের বৃহত্তম শপিং ফেস্টিভ্যালের সঙ্গে যুক্ত করবে।
বিবিডি বাগগামী বা বিবিডি বাগের মধ্যে দিয়ে চলাচলকারী কলকাতার নির্বাচিত কিছু বাসে এই সংযোগকে জীবন্ত করে তুলবে এই প্রচার। এই প্রচারে ‘বিগ বিলিয়ন ডে’-র বার্তা এমন একটি আবহে স্থাপন করা হবে, যেখানে এই নামের আদ্যক্ষরগুলোর ইতিমধ্যেই একটি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং নিবিড়ভাবে স্থানীয় তাৎপর্য রয়েছে। বাসের টিকিটগুলো হয়ে উঠবে অপ্রত্যাশিত আবিষ্কারের মুহূর্ত, যেখানে থাকবে ‘বিগ বিলিয়ন ডেজ’-এর অফার এবং কিউআর কোড, যা স্ক্যান করে যাত্রীরা জানতে পারবেন কী ধরনের জিনিস বিক্রি করা হচ্ছে। কলকাতার দৈনন্দিন যাতায়াতের একটি পরিচিত অংশে উৎসবের আমেজ এনে দেবে ফ্লিপকার্ট এবং শহরের বিখ্যাত রাস্তাগুলিতে পৌঁছে দেবে তাদের সেই বিখ্যাত স্লোগান, ‘লাক বদল সকতা হ্যায়, ইহাঁ কুছ ভি হো সকতা হ্যায়’।
এই ভাবনার সঙ্গে যোগ রয়েছে একটি প্রচারমূলক সিনেমার। সেই ছবির থিম হল, কলকাতার একজন বাস কন্ডাক্টরের সঙ্গে বিবিডি বাগ রুটের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক। ছবিটা শুরু হচ্ছে বাসে সেই কন্ডাক্টরের প্রথম দিন থেকে। তার পর দেখানো হয়েছে কীভাবে বছরের পর বছর ধরে তিনি কলকাতার বিভিন্ন রাস্তায় “বিবিডি! বিবিডি!” বলে যাত্রীদের ডেকে নিচ্ছেন। ছবিতে রয়েছে হাস্যরসাত্মক সব মুহূর্ত যার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে কীভাবে এই শব্দগুলি তাঁর দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক অংশ হয়ে উঠেছে। যখন ফ্লিপকার্টের বিগ বিলিয়ন ডেজ আসে, তখন সেই একই আওয়াজকে কৌশলে নতুনভাবে উপস্থাপনা করা হয়; তখন বোঝানো হয় বিবিডি স্রেফ একটি গন্তব্য মাত্র নয়, বরং উৎসবের আকর্ষণীয় অফারের একটি সংকেত। অফার-ভিত্তিক বাসের টিকিট, যাত্রীদের সাথে কথোপকথন এবং বাসরুটের কায়দায় ঘোষণার মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি কলকাতার দৈনন্দিন সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা একটি পরিচিত যাতায়াতের পথকে এক মজাদার বিগ বিলিয়ন ডেজের অভিজ্ঞতায় রূপান্তরিত করে।
এই ছবির আইডিয়াটি সৃষ্টি করেছেন প্রতিভাবান প্রোডাকশন হাউজ — Calm Kaam

Link to the film: https://youtu.be/z38JOStTgII?si=XkqQtyQqYEbUEw8G
About Flipkart
The Flipkart Group is one of India’s leading digital commerce entities and includes group companies Flipkart, Myntra, Flipkart Wholesale, Cleartrip, and super.money. Established in 2007, Flipkart has enabled millions of sellers, merchants, and small businesses to participate in India’s digital commerce revolution. With a registered user base of more than 500 million, Flipkart’s marketplace offers over 150 million products across 80+ categories. Today, there are over 1.4 million sellers on the platform, including Shopsy sellers. With a focus on empowering and delighting every Indian by delivering value through technology and innovation, Flipkart has created thousands of jobs in the ecosystem while empowering generations of entrepreneurs and MSMEs. Flipkart has pioneered services such as Cash on Delivery, No Cost EMI, Easy Returns, and UPI. These customer-centric innovations focus on enhancing digital payment offerings for all customers while making online shopping more accessible and affordable for millions of Indians.
For more information, please write to media@flipkart.com

চিত্র প্রেমীদের মন জয় করে নিল চিত্রন ২০২৬

চিত্র প্রেমীদের মন জয় করে নিল চিত্রন ২০২৬


দীপঙ্কর সমাদ্দার: সমগ্র চিত্র প্রেমী দের মনে আনন্দের জোয়ার এনে দিল সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্রের আয়োজনে কলকাতার গগনেন্দ্র শিল্প প্রদর্শশালায় অভিনব আকর্ষণীয় চিত্র প্রদর্শনী চিত্রন ২০২৬। সুসজ্জিত প্রতিটি সৃজনশীল ছবিতে পরিপূর্ণ গ্যালারি। ১৭ ই সেপ্টেম্বর থেকে একুশে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা থাকবে এই চিত্র প্রদর্শনী।
সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্রের ৩৪ বছরের শিল্প ও সংস্কৃতিচর্চার ধারাবাহিকতায় চিত্রন ২০২৬ এর আয়োজন। সব থেকে যেটা নজর কেড়েছে সুসজ্জিত ২৫০-রও বেশি শিল্পকর্ম নিয়ে এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা, শৈলী ও শিল্পের ভাষা একসঙ্গে উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৬০-রও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকাও এই আয়োজনে উপস্থিত রয়েছেন। লক্ষ্য শুধু শিল্পকর্ম প্রদর্শন নয়, শিল্পীদের তাঁদের কাজ বৃহত্তর দর্শকের সামনে তুলে ধরার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ তৈরি করা। এই চিত্র প্রদর্শনী ঘিরে আরো ভালো ভালো কিছু হস্তশিল্প থাকলে আরো ভালো লাগতো। বর্তমানে হস্তশিল্প ভীষণ পরিমাণে মানুষের গৃহসজ্জার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই প্রদর্শনী উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত ব্রজবিহারী চক্রবর্ত্তী এবং সভাপতি ও সিইও শ্রী অরিজিৎ চক্রবর্ত্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও সংস্কৃতি জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পরাগ রায়, ডিন, ফ্যাকাল্টি অফ ভিজ্যুয়াল আর্টস, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়; কঙ্কনা মিত্র (রায় চৌধুরী), ডিন, ফ্যাকাল্টি অফ ফাইন আর্টস, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়; ড. স্বপ্না বিশ্বাস, প্রফেসর, পেইন্টিং, গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট, কলকাতা; বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়; লিপিকা বালা চক্রবর্তী, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, টেক্সটাইল ডিজাইন, গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট, কলকাতা; অভিনেতা-পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়; চলচ্চিত্র নির্মাতা অনিলাভ চট্টোপাধ্যায় এবং বিশিষ্ট থিয়েটার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা দেবাশিস মণ্ডল।
প্যাস্টেল, পেন্সিল, জলরং এবং এক্রিলিকে বিভিন্ন ছবিতে শিল্পীদের মনের আঙ্গিক ফুটে উঠেছে। যা দর্শকবৃন্দদের মনে দাগ কেটেছে। তবে দু-চারটি যা ভাস্কর্য দেখা গেল সেগুলো যথেষ্ট নজর কেড়েছে ।দর্শক বৃন্দদের মধ্যে অনেকেই জানালেন আমরা এত লক্ষ টাকা খরচ করে সুন্দর সুন্দর দেয়াল তৈরি করি অথচ সেখানে একটা ক্যালেন্ডার কখনই ভালো লাগেনা তাই এখন থেকে আমরা এই ধরনের প্রদর্শনী থেকে ছবি কিনে দেয়ালের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করব। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ছবি কেনার একটা প্রবণতা মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষ অন্য উপহার সামগ্রী বাদ দিয়ে আঁকা ছবি উপহার দিচ্ছে।প্রদর্শনীটি শুধু শিল্পকর্ম দেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সুরভারতী শিল্পীদের ও আগ্রহী ক্রেতা ও শিল্পীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্ভাব্য লেনদেনের সুযোগ তৈরি করতে সহযোগিতা করছে। এর ফলে শিল্পীদের জন্য তাঁদের কাজ প্রদর্শনের পাশাপাশি নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছনো এবং সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের একটি সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দেওয়া এবং শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে মানুষের আরও গভীর সংযোগ তৈরি করাই চিত্রন ২০২৬ এর অন্যতম উদ্দেশ্য। এক কথায় বলতে গেলে সুরো ভারতীর সংগীতকলা কেন্দ্রের চিত্র প্রদর্শনী সর্বাত্মক সুন্দর ও সার্থক।

প্রান্তিকস্তরে দ্রুত বিচার পৌঁছে দিতে হলদিয়ায় মিডিয়েশন নিয়ে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন

প্রান্তিকস্তরে দ্রুত বিচার পৌঁছে দিতে হলদিয়ায় মিডিয়েশন নিয়ে সচেতনতা শিবিরের আয়োজন

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

শনিবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া কুমার চন্দ্র জানা অডিটোরিয়ামে কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন এবং কনসিলিয়েশন কমিটির পরিচালনায় মিডিয়েশন নিয়ে সচেতনতা শিবির আয়োজিত হয়।উক্ত শিবিরের সহযোগিতায় ছিলেন জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ । সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়েশন ফর দ্য নেশ্যন ৩.০ প্রজেক্টের অধীনে ‘মাইক্রো লেভেল মিডিয়েশন এওয়ারনেশ প্রোগ্রাম’ শিরোনামে শিবিরে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন দুই বিচারপতি মাননীয় দেবীপ্রসাদ দে এবং মাননীয়া মধুমতী মৈত্র, জেলাজজ জীবন কুমার সাধু, হাইকোর্টের মিডিয়েশন কমিটির মেম্বার সেক্রেটারি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর নবনীতা নন্দী,মিডিয়েশন সেন্টার ও. সি. ড: শুভাশিস মুহুরী, জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব সুদীপা ব্যানার্জী,অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার প্রমুখ। জেলা – প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি তমলুক – হলদিয়া আদালতের আইনজীবীগণ – ল ক্লার্ক,আইনী পড়ুয়া সহ আইসিডিএস কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।মিডিয়েশন কমিটির ও. সি. ড: শুভাশিস মুহুরী এবং এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর নবনীতা নন্দী জানান -” মিডিয়েশনের মাধ্যমে বীবদমান পক্ষের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সমাধান করা হয়।সেই সাথে দ্রুত ও সাশ্রয়ী বিচার মেলে”। জানা গেছে কলকাতা হাইকোর্ট সহ নিম্ন আদালতের ঘৃণ্য ফৌজদারি মামলা ছাড়া প্রায় সমস্ত মামলায় মিডিয়েশন হয় দু পক্ষের সম্মতি দ্বারা।

Ultraviolette X-47 ‘Skyforce’ Joins Kolkata Police Fleet; 183 Motorcycles Delivered as Part of India’s Largest Police Deployments

Ultraviolette X-47 ‘Skyforce’ Joins Kolkata Police Fleet; 183 Motorcycles Delivered as Part of India’s Largest Police Deployments

Kolkata, 18 September 2026 – Ultraviolette today announced the induction of its X-47 Crossover electric motorcycles into the fleet of the Kolkata Police, marking a significant step towards the adoption of advanced, purpose-built electric mobility for law enforcement in India.

The official handover ceremony was held at the Lalbazar Police Headquarters, where the motorcycles were formally received. With 183 X-47 ‘Skyforce’ motorcycles being supplied to the Kolkata Police, the deployment represents one of the largest fleet of electric motorcycles inducted by an Indian police force . Ultraviolette is also the first electric two-wheeler manufacturer by scale to have its motorcycles inducted into the Kolkata Police fleet, with the X-47 ‘Skyforce’ being introduced as a dedicated Patrol Variant developed for police operations.

Commenting on the launch, Narayan Subramaniam, CEO & Co-founder of Ultraviolette, said : “It gives us great honour to launch a new variant- X-47 ‘Skyforce’; a purpose developed tactical machine for the police forces. This is a landmark moment for Ultraviolette, as we become the first electric two-wheeler manufacturer by scale to have our motorcycles inducted into the police force. Beyond the significance of this milestone, we take immense pride in knowing that our technology will now contribute to the everyday duties of police officers who work tirelessly to maintain law and order and keep our cities safe. Designed to be seamlessly integrated across diverse use cases, the X-47 ‘Skyforce’ can adapt to the evolving needs of law enforcement, and support officers across a wide range of operational requirements. We thank the Kolkata Police for placing their trust in Ultraviolette and look forward to supporting its officers with mobility that is not only futuristic, but purpose-built for duty.”

The X-47 ‘Skyforce’, has been specifically configured for the requirements of the Kolkata Police, with an augmented electronics architecture so as to facilitate integrated police-duty equipment, including sirens, hooters, a Public Address (PA) system, decals, LED blinkers, mic holders, walkie-talkie holders, and side panniers. The motorcycles have undergone extensive testing prior to handover, ensuring that the fleet is equipped to transition from conventional mobility to a new generation of electric, connected and purpose-built police vehicles.

The X-47 ‘Skyforce’ motorcycles are now placed in a visible, real-world policing role. Unlike ceremonial or symbolic deployments, the X-47 ‘Skyforce’ Patrol Variant has been configured to perform demanding day-to-day duties, bringing together the agility of a motorcycle with the versatility and capability required by police personnel operating in dynamic urban environments.

Built around Ultraviolette’s performance-focused engineering, the X-47 offers a combination of agility, high-speed capability, long-range usability and practicality, making it suited to situations where quick response, manoeuvrability and operational flexibility are critical. Its crossover architecture also provides officers with a motorcycle designed to navigate varied urban conditions while carrying the equipment required for duty. The X-47s ergonomic design, power delivery and refined ride experience are intended to support officers through extended periods of operation.

The induction reflects Kolkata Police’s approach towards modernisation and the evolution of mobility for law enforcement, demonstrating how public institutions can embrace futuristic mobility while addressing practical operational requirements. The move also aligns with the broader national direction towards electrification and smarter, more sustainable urban mobility. At the fleet level, electric motorcycles can additionally offer the department the potential for lower running and maintenance costs, helping make the transition to sustainable mobility relevant not just from an environmental perspective, but from an operational and economic one as well.

With this deployment, Kolkata Police joins the growing movement towards futuristic, sustainable and technology-led mobility, while the X-47 takes on a new role as a tactical machine built for the realities of Indian Police Operations.

জেকে ডেইরি কলকাতায় নিয়ে এল “টপ” পনিরের নতুন পরিসর, প্রতি প্যাকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিনের সঙ্গে ফুল মালাই স্বাদের সমন্বয়

জেকে ডেইরি কলকাতায় নিয়ে এল “টপ” পনিরের নতুন পরিসর, প্রতি প্যাকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিনের সঙ্গে ফুল মালাই স্বাদের সমন্বয়

কলকাতা, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬: জেকে অর্গানাইজেশন -এর অংশ জেকে ডেইরি (JK Dairy) কলকাতার প্রধান হাইপারমার্কেটে টপ মালাই পানির এবং টপ হাই প্রোটিন পানির নিয়ে এসেছে। এই নতুন পরিসরে ভোক্তাদের দুটি স্বতন্ত্র পছন্দকে একত্র করা হয়েছে—ঐতিহ্যবাহী ফুল মালাই পনিরের স্বাদ এবং প্রতিদিনের খাবারে আরও বেশি প্রোটিন যোগ করতে আগ্রহী মানুষের জন্য উচ্চ-প্রোটিনের একটি বিকল্প।

এই নতুন পণ্যগুলির মাধ্যমে জেকে ডেইরি পনির বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে ভোক্তাদের আরও সচেতন সিদ্ধান্ত নিতে উৎসাহিত করতে চায়। একইসঙ্গে ডেয়ারি পনির এবং অ্যানালগ বিকল্পের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কেও সচেতনতা বাড়ানোই ব্র্যান্ডের লক্ষ্য। পণ্যটি আসলে কী, তার উপাদান এবং পুষ্টিগুণের তথ্য খতিয়ে দেখে কেনাকাটা করার বিষয়ে ক্রেতাদের উৎসাহিত করাই ব্র্যান্ডের মূল বার্তা।

দুটি পণ্য, প্রতিদিনের দুটি চাহিদা:

টপ মালাই পানির তাঁদের জন্য, যাঁরা ঐতিহ্যবাহী মালাই পনিরের সমৃদ্ধ ও ক্রিমি স্বাদ উপভোগ করেন। পরিবারে প্রতিদিনের খাবার এবং পরিচিত পছন্দের পদ তৈরির কথা মাথায় রেখে তৈরি এই পনির দিয়ে পনির বাটার মাসালা, পালং পনির এবং পনির ভুর্জির মতো বিভিন্ন পদ সহজেই তৈরি করা যায়।

টপ হাই প্রোটিন পানির -এ ২০০ গ্রামের একটি প্যাকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। সংস্থার দেওয়া পণ্যের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ১০০ গ্রামে প্রোটিনের পরিমাণ ২৮ গ্রাম। প্রোটিন সচেতন ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে তৈরি এই পনির একটি পরিচিত নিরামিষ উপাদান, যা কারি, স্যালাড, রযা্ প এবং গ্রিল করা বিভিন্ন পদে ব্যবহার করা যায়।

লঞ্চ সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে জেকে ফুডস লিমিটেড -এর ডিরেক্টর শ্রী পার্থ বিশ্বাস বলেন: “কলকাতা আমাদের যাত্রাপথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যার মাধ্যমে আমরা টপ পনিরকে আরও বেশি ভারতীয় পরিবারের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। ফুল মালাই এবং হাই প্রোটিন —এই দুই ভ্যারিয়েন্টের মাধ্যমে আমরা একদিকে ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্বাদ উপভোগের চাহিদা, অন্যদিকে প্রতিদিনের পুষ্টি নিয়ে বাড়তে থাকা আগ্রহ—দুই দিককেই গুরুত্ব দিচ্ছি। একইসঙ্গে, ভোক্তারা তাঁদের পরিবারের জন্য যে পনির কিনছেন, সে সম্পর্কে সচেতন সিদ্ধান্ত নিন—আমরা সেটিও উৎসাহিত করতে চাই।”

উমাং ডেইরি লিমিটেড -এর বিজনেস হেড শ্রী সত্যেন্দ্র শর্মা বলেন: “আমাদের লক্ষ্য হল পণ্যের সুবিধাগুলিকে সহজ ও প্রাসঙ্গিকভাবে ভোক্তাদের সামনে তুলে ধরা। টপ ফুল মালাই পানির সমৃদ্ধ ও পরিচিত স্বাদের খাবারের প্রতি মানুষের পছন্দকে গুরুত্ব দেয়, অন্যদিকে টপ হাই প্রোটিন পানির ২০০ গ্রামের একটি প্যাকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিন সরবরাহ করে। দুটি পণ্য একসঙ্গে ভোক্তাদের তাঁদের খাবারের পছন্দ এবং পুষ্টিগত অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বেছে নেওয়ার সুযোগ দেয়।”

মডার্ন ট্রেড ও ই-কমার্স -এর হেড শ্রী অভিজিৎ সুভাষ দে যোগ করেন: “এই প্রধান হাইপারমার্কেটে লঞ্চ করার ফলে কলকাতার ক্রেতাদের সঙ্গে তাঁদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার পরিচিত জায়গাতেই যোগাযোগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। কলকাতার প্রধান হাইপারমার্কেটগুলিতে এখন দুই ভ্যারিয়েন্টই পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের পরবর্তী পর্যায়ে কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পৌঁছনো এবং উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায় খুচরো বাজারে উপস্থিতি আরও বাড়ানোর দিকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।”

কলকাতায় টপ-এর এই সম্প্রসারণ শহরে ব্র্যান্ডটির আরও বিস্তৃত উপস্থিতির ভিত্তি তৈরি করেছে। আধুনিক খুচরো বিপণনের পাশাপাশি আগামী দিনে পাড়ার দোকান এবং ডিজিটাল শপিং প্ল্যাটফর্মেও এর উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

মার্কেটিং & কমিউনিকেশনস -এর হেড শ্রী দেবাশিস গাঙ্গুলি বলেন: “ভোক্তারা চান তাঁদের প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে পুষ্টি স্বাভাবিকভাবেই মিশে যাক। টপ হাই প্রোটিন পানির -এর মাধ্যমে আমরা ২০০ গ্রামের একটি পরিচিত প্যাকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিন নিয়ে এসেছি, যা প্রতিদিনের রান্নার অংশ হয়ে উঠতে পারে। টপ ফুল মালাই পানির -এর পাশাপাশি এই পরিসর আমাদের একদিকে ঐতিহ্যবাহী খাবারের পছন্দ, অন্যদিকে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের প্রতি বাড়তে থাকা আগ্রহ দুই ধরনের চাহিদার সঙ্গেই যুক্ত হওয়ার সুযোগ দিচ্ছে।”

(PUEA) organized a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata

(PUEA) organized a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata

The Progressive United Engineers’ Association (PUEA), the largest organization of engineers in West Bengal, celebrated National Engineers’ Day with a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata. This day is celebrated to commemorate the birth anniversary of the legendary engineer Sir Mokshagundam Visvesvaraya (Sir M. V.), who was awarded the Bharat Ratna. The distinguished guests were

Union Minister Shri Sukanta Majumdar

Minister of State Shri Dilip Ghosh

Minister of State Shri Ajay Kumar Poddar

Progressive United Engineers Association was represented by

Shri Subrata Ghosh

Anirban Ojha

Devaraj Singh Roy

Anupam Sarkar

Anant Nandi, etc.

About 750 engineers working in various technical departments of the West Bengal Government are participating.

দর্শনার্থীদের জন্য খুলে গেল নব যুব সংঘের গণেশ মণ্ডপ

দর্শনার্থীদের জন্য খুলে গেল নব যুব সংঘের গণেশ মণ্ডপ

:- ভাদ্রমাসের শুক্লা তৃতীয়ার শুভ সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অন্যতম বিধায়ক বিজয় ওঝা, কলকাতা পৌরনিগমের অন্যতম পৌরমাতা মীনাদেবী পুরোহিত সহ ‘ভারতীয় জনতা পার্টি’-র উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, জয়নারায়ণ সিংহ, সঞ্জয়কুমার মিশ্র সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে গতকাল কলকাতার ৫৭/২, কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটে ‘নব যুব সংঘ’-র পরিচালনায় ধুমধামের সাথে সাত দিন ব্যাপী গণেশ পুজো-র সূত্রপাত হল। এই বছর এখানকার পুজো ১৯ বছরে পদার্পণ করল।

এই বছর গণেশ পুজোর চেয়ারম্যান রূপে রয়েছেন জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিজয় ওঝা এবং সভাপতি রূপে রয়েছেন উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। এছাড়াও ‘ভারতীয় জনতা পার্টি’-র উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সাথে জড়িত একাধিক ব্যক্তিদের নাম এই পুজোর আমন্ত্রণ পত্রে দেখা গেছে।
বলে রাখা ভালো, এই পুজোর প্রধান উপদেষ্টার পদে রয়েছেন ফাটা কেষ্ট খ্যাত কালীপুজোর কর্ণধার প্রবন্ধ রায় (ফান্টা)।

‘নব যুব সংঘ’ পরিচালিত গণেশ পুজোর পরিচালন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিপ্রকাশ গুপ্তা জানিয়েছেন, “আজ শিশু-কিশোরদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে সূচিত হয়েছে এই বছরের গণেশ পুজো। সনাতনী রীতি মেনে আগামীকাল অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর মণ্ডপে গণেশ পুজো সহ ১৫ সেপ্টেম্বর প্রসাদ (ভোগ) বিতরণ করা হবে, ১৬ সেপ্টেম্বর মহাকালের ভজন ও গণেশে বন্দনার আয়োজন করা হয়েছে। এর সাথে সাথে ১৭ সেপ্টেম্বর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ১৮ সেপ্টেম্বর মাতারাণী জাগরণ অনুষ্ঠান সমাপনের পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শ্রী গণেশের পার্থিব মূর্তিকে গঙ্গাবক্ষে বিসর্জন দেওয়া হবে।”

Chhaap Tilak Brings Exquisite Textiles to Kolkata

Chhaap Tilak Brings Exquisite Textiles to Kolkata

India is known for the beauty of its textiles through the centuries. Each region offers different crafts and textiles. From North to south and east to west, from villages to cities handloom weavers, block printers, textile dyers and embroiderers work to bring out traditional, modern and beautiful patterns on textiles and crafts.

Taal Connect Foundation has been very passionately patronising varied arts and heritage especially dance, music and textiles.

Sangeeta Dudhoria, Sonali Basu, Mrinalini Mukherjee and Suman Sarawgi came together to celebrate and promote exquisite forms of block printing and to give due respect to the artisans, craft and technique.
Taal Connect Foundation organised Chhaap Tilak- tales of block prints on 11and 12 September 2026 at Dhano Dhanyo, Hall-4.
“To all the artisans, designers and visionaries who have trusted us and joined the Chhaap Tilak journey — thank you. Your craft, stories and creativity enrich this space and give it meaning,” said the organisers.
Pracheen
Sufiyan Ismail Khatri
Asal
Kalakriti
Malavika
Atouri Studio
Marm
Kapaas Kolkata
Byloom
Indivaan
THE NOMI
Econic
Khadi Vastralaya
Aavaran
Aranya Natural
Studio Syu
Beige India
AABHARNAM Foundation
Neelgar
Kamal Hand Printers
Rudra Natural Craft
Karomi
Mughal Prints
Sadaf
Taranga
Sajawat
Karma Ashrama
Hastkaar
Indigo Eth
Amolii
Fusion Tales
Santiniketan Collective
Joshua
The Kantha store
Tarini
Dori the bond
Mura
GN Shawls
Whe by Abira
Kabita Lindenmeyer
Root Productions
Dye hub
Bengal Home Industries
Santiniketan Collective
Kiara Crafts
Anjali

Thank you!