Shyam Metalics Presents ‘Shakti Ek Roop Anek’- A One-of-a-Kind Durga Puja Spectacle Celebrating the Many Forms of ShaktiAn immersive celebration of hope, memories and care, bringing together extraordinary Puja experiences, inspiring real-life stories and a heartfelt tribute to Bengal Police.
বিনোদন- Est 5 min
- 0 Views
- 1 week ago
কলকাতা ও সংলগ্ন অঞ্চলে উন্নত MRI ও CT ডায়াগনস্টিক পরিষেবার পরিধি বাড়াল সুরক্ষা ডায়াগনস্টিক্স
মহানগর- Est 1 min
- 0 Views
- 1 week ago
এবার দুর্গাপুজোয় সানরাইজ স্পাইসেসের উদ্যোগে বাংলায় হাতপাখার প্রত্যাবর্তন
বিনোদন- Est 1 min
- 0 Views
- 2 weeks ago
Grand Closing Ceremony of Hindi Fortnight–2026 at Braithwaite & Co. Limited
মহানগর- Est 2 min
- 0 Views
- 2 weeks ago
Top 10 News
রাজনীতির
খবর
(PUEA) organized a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 1 month ago
TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘আবার বছর কুড়ি পরে….তসলিমা’, ১৯ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 3 months ago
সারেঙ্গার শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন।
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
ফুলবাগানে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন তাপস রায়….।
রাজনীতি- Est 0 min
- 0 Views
- 4 months ago
TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি!’, ২১ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়…
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান ২০২৬” এর বিশেষ জেলা প্রস্তুতি।
রাজনীতি- Est 0 min
- 0 Views
- 4 months ago
সমস্ত
খবর
রক্তদান শিবির আয়োজনে মানবিক নজির গড়লো মঙ্গলকোট পুলিশ
রক্তদান শিবির আয়োজনে মানবিক নজির গড়লো মঙ্গলকোট পুলিশ
মোল্লা জসিমউদ্দিন,
বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার উদ্যোগে মঙ্গলকোট থানা প্রাঙ্গণে এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। মানুষের জীবন বাঁচানো এবং সমাজে মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই মহতী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।এই অনুষ্ঠানে কাটোয়ার এসডিপিও শ্রী কাশীনাথ মিস্ত্রি মহাশয়, মঙ্গলকোট ব্লকের বিডিও সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এই মহতী উদ্যোগে এলাকার সাধারণ মানুষ, সিভিক ভলান্টিয়ার এবং পুলিশকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদান করে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। “তাঁদের এই নিঃস্বার্থ অবদান সমাজে সহমর্মিতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পুলিশ-জনগণের সুসম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তুলেছে” বলে জানিয়েছেন আইসি মধুসূদন ঘোষ।
এইচআরআই তাদের নতুন করপোরেট পরিচিতি উন্মোচন করেছে
এইচআরআই তাদের নতুন করপোরেট পরিচিতি উন্মোচন করেছে
কলকাতা: ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার সংস্থা হাইজেনিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাদের নতুন কর্পোরেট পরিচিতি ও লোগো উন্মোচন করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি প্রকাশ্যে এনেছে তাদের নতুন ট্যাগলাইন ‘হোয়্যার বিউটি ইভলভস’। এই রূপান্তরটি এইচআরআই-এর ৭০ বছরের যাত্রাপথে এক সামগ্রিক করপোরেট ব্র্যান্ড নবায়নের সূচনা করে; এটি ঐতিহ্য-সমৃদ্ধ এক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আধুনিক ও উদ্ভাবন-কেন্দ্রিক সৌন্দর্য-সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে কোম্পানির বিবর্তনকে তুলে ধরে, যা ভারত ও আন্তর্জাতিক বাজারের গ্রাহকদের পরিষেবা প্রদান করছে।কোম্পানির এই নতুন রূপ গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল আকাঙ্ক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে ক্রমাগত বিবর্তিত হওয়া, বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া এবং সৌন্দর্য-শিল্পের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রতি তাদের দৃঢ় অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে।
১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এইচআরআই, ভাসমল ও ফ্লোরোজোন-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মের গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করেছে। পাশাপাশি স্ট্রিক্স ও স্ট্রিক্স প্রফেশনাল-এর মতো আধুনিক বিউটি ব্র্যান্ডও গড়ে তুলেছে সংস্থাটি। বর্তমানে হেয়ার কালার, হেয়ার কেয়ার, স্কিন কেয়ার এবং পেশাদার স্যালোঁ পরিষেবা-সহ বিভিন্ন পণ্যের সমাহারের মাধ্যমে কোটি কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এইচআরআই।
নতুন পরিচিতিটি গভীর ভোক্তা উপলব্ধির সাথে দক্ষতা, বিশ্বস্ত ঐতিহ্যের সাথে সমসাময়িক উদ্ভাবন এবং ব্যাপক সহজলভ্যতার সাথে প্রিমিয়াম সৌন্দর্য অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটিয়ে ভারত ও ইন্ডিয়া উভয়কেই সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এইচআরআই-এর অনন্য সক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে।
ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে মহামায়া মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মাতল মহিলারা।
ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে মহামায়া মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মাতল মহিলারা।
সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:—প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের পুরানো রাইপুরের সন্নিকটে চাঁদুডাঙ্গা গ্রামে মা মহামায়া। এখানে মা মহামায়া দুর্গাপুজোর সময় দুর্গা রূপে পূজিতা হন। তবে এখানে উল্লেখ্য হরিহর গঞ্জগড় রাজবাড়ী থেকে রাজলক্ষ্মীকে ষষ্ঠীর দিন শোভাযাত্রা সহকারে নিয়ে আসা হয় মহামায়া মন্দির প্রাঙ্গণে। সপ্তমীর দিন সকালে নবপত্রিকা স্নানের মধ্য দিয়ে মা রাজলক্ষ্মীকে মন্দিরে মহামায়ার পাষান মূর্তির পাশে রাখা হয় এখানে মা রাজলক্ষ্মীকে দুর্গা রূপে পূজা করা হয়। আবার দশমীর দিন যথা নিয়মে শোভাযাত্রা সহকারে মা রাজলক্ষীকে চাঁন্দু ডাঙ্গা গ্রাম থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হরিহর গঞ্জ গড় রাজবাড়ির মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মহামায়া মন্দিরে মায়ের পাষাণ মূর্তি। চার দিনের পূজো শেষে আজ বিজয়া দশমীর পুজো সমাপ্ত হওয়ার পর মায়ের ঘট বিসর্জন দেওয়া হয় স্থানীয় আলম সায়েরে। ঘট বিসর্জনের সময় মায়ের ঘাটে মহিলারা স্নান করে আঁচল পেতে থাকেন মায়ের আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য। ঘট নিয়ে আসা ব্রাহ্মণরা ঘটের জল আঁচল পেতে থাকা মায়েদের মাথায় দেন এই আঁচল পেতে থাকা মহিলারা বিশেষ করে যাদের সন্তান দীর্ঘদিন ধরে হয়নি তারা থাকেন। আবার জানা যায় মায়ের এই ঘটের জল মাথায় পাওয়ার পর তাদের কারো কারো কোল আলো করে আসেন মা দুর্গা কখনো ভোলা নাথ ।আবার ঘট বিসর্জনের সাথে চলে মন্দির চত্বরে সিঁদুর খেলা। বিবাহিত মেয়েরা সিঁদুর খেলায় মাতেন মন্দির প্রাঙ্গণে।
