Koel Mallick makes her TV debut with Sony AATH’s ‘Dear 90’s premiering 23rd November
বিনোদন- Est 2 min
- 0 Views
- 1 day ago
সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয় মিলছে শাকচুন্নি থালি সহ নানান বাঙালি খাবার
বিনোদন- Est 1 min
- 0 Views
- 1 day ago
২০৩০ এশিয়ান গেমসে বাংলার পদক-স্বপ্ন, প্রস্তুতির রূপরেখা নিয়ে মৌলালিতে কোচেদের আলোচনা
মহানগর- Est 1 min
- 0 Views
- 2 days ago
Narayana Group of Schools, West Bengal Celebrates 12 Students’ Achievement in IOQM 2026
মহানগর- Est 2 min
- 0 Views
- 4 days ago
প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিপর্যস্ত প্রতিবেশী দেশ নেপালের পাশে দাঁড়ালো ‘রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি’
মহানগর- Est 1 min
- 0 Views
- 4 days ago
আমেরিকার বুকে গ্রামবাংলার আবহ: আন্তরিকের দুর্গোৎসবে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানবিকতার মেলবন্ধন
বিনোদন- Est 1 min
- 0 Views
- 5 days ago
Top 10 News
রাজনীতির
খবর
(PUEA) organized a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 2 months ago
TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘আবার বছর কুড়ি পরে….তসলিমা’, ১৯ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
সারেঙ্গার শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন।
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 4 months ago
ফুলবাগানে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন তাপস রায়….।
রাজনীতি- Est 0 min
- 0 Views
- 4 months ago
TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি!’, ২১ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়…
রাজনীতি- Est 1 min
- 0 Views
- 5 months ago
পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান ২০২৬” এর বিশেষ জেলা প্রস্তুতি।
রাজনীতি- Est 0 min
- 0 Views
- 5 months ago
সমস্ত
খবর
নাট্য পর্যালোচনা: সুটকেস
নাট্য পর্যালোচনা:
সুটকেস
আমরা প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছি এক একটা সুটকেস হাতে, ভেতরে কি আছে না দেখেই ; এক গোপন আকাঙ্ক্ষায়-আশঙ্কার চোরাবালিতে! সম্প্রতি মুক্তাঙ্গনে ক্যালকাটা কোরাস থিয়েটারের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হল বাদল সরকারের তৃতীয় ধারার বিখ্যাত নাটক সুটকেস। নতুন আঙ্গিকে। বর্তমানে কোলকাতা জুড়ে নাটকের একটা ধারা-প্রতিযোগিতা চলছে – চটকদার, শারীরিক কর্ষদধর্মী নাট্য উপস্থাপনায়; সেই সময়ে দাঁড়িয়ে নিস্তব্ধতার আকুতির মাঝে সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এই নাটক।
শ্যামল-পারুল-অবনী আর সুটকেস ! নাটকের শুরুতে দেখা যায় শ্যামল বিপদে পড়ে একটি সুটকেস হাতে বন্ধু অবনীর বাড়িতে এসেছে সেটি রাখতে। অবনীর স্ত্রী পারুল ও একে অপরের বন্ধু। সংসার জীবনের ব্যস্ততা, আদর্শগত জীবনধারার কারণে এখন আর খুব বেশি যোগাযোগ নেই দুই বন্ধুর মাঝে। শ্যামলের প্রতি পারুলের পূর্বের মুগ্ধতা বজায় থাকলেও প্রাক-স্বাধীনতা উত্তাল সময়ে স্বামীর অনুপস্থিতিতে সুটকেস রাখতে অস্বীকার করে। শ্যামলের চমক ভাঙ্গে। কোনক্রমে জোর করে সুটকেস রেখে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। ইতিমধ্যে অফিস থেকে ফিরে আসে অবনী। ঘরের কোণে চাবি বন্ধ সুটকেস দেখে স্ত্রীর কাছে জানতে চায় - কোথা থেকে এলো ! স্বদেশী করা পুরানো বন্ধু তার স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করে এই কাজটি করে গেছে জেনে অভিমানে-আতঙ্কে-আশঙ্কায় ভেঙে পড়ে অবনী! পারুল আপ্রাণ বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবনীর মুখ থেকে আপন মনে বেরিয়ে আসে- 'যতদিন তুমি আমি আছি, ও সুটকেস আমাদের মাঝে থাকবে!'
এই আর্তি চিরকালীন। ভয়-সন্দেহ-অস্তিত্বহীনতার লড়াই যত না অপরের সঙ্গে, তার চেয়ে হাজারগুন বেশি নিজের সঙ্গে নিজের! সুটকেস আসলে আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আবার সম্পর্কের মাঝে দেওয়ালও। এক ছাদের নিচে বাস করা স্বামী স্ত্রীর মনের দূরত্ব কতখানি - এই প্রশ্ন রেখে নাটক শেষ হয়েছে।
মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন-অপূর্ণতা-পারস্পরিক দূরত্ব অথচ পুরানো প্রেমে ঝলক – অসাধারণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন পারুলের ভূমিকায় চান্দ্রেয়ী নিয়োগী। প্রতিমুহূর্তে প্রাপ্তির সুখ ও অজানা আশঙ্কার দোলাচল তার শরীরী ভাষায় ধরা পড়েছে। বিশেষ করে সুটকেস নামক বস্তুটি যে স্নেহে-আদরে-আতঙ্কে বুকে জড়িয়ে মঞ্চে পদচারণা করেছেন – এক কথায় অসাধারণ। প্রাণ পেয়েছে সমগ্র নাটক। অবনীর ভূমিকায় গৌরব সেন শুরুতে একটু নড়বড়ে থাকলেও চূড়ান্ত পর্বে অসাধারণ। গল্প যখন ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছেছে তখন অবনীর কর্তৃত্ব-দাপট-অসহায়তা একইসঙ্গে ফুটে উঠেছে বাস্তবতার মানদণ্ডে। বরং সাধারণ লেগেছে শ্যামলের ভূমিকায় নির্দেশক স্বয়ং শুভ্রজিৎ লাহিড়ীর অভিনয়। একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীর চরিত্রের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বারে বারে। লক্ষ্যভ্রষ্ট মনে হয়েছে! একটি ছোট্ট অথচ গুরুত্বপুর্ন ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রতিবেশী বিন্দুবাসিনী রূপী রূপা দত্ত চৌধুরী। যেন ছুরির ফলার মত তীক্ষ্ণ – মঞ্চের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন!
আলো কল্যাণ ঘোষ। মিউজিক কৃশাণু ব্যানার্জি ও প্রক্ষেপণে রব। মঞ্চ সজ্জায় রাণা চ্যাটার্জি এবং সহকারি নির্দেশনায় মৌসুমী রায়।
এ নাটকে বড় সেট বা আলো নেই- চরিত্র গুলোই একে একটি জোরালো আলো। মধ্যবিত্ত সংসার জীবনের টানা পোড়েন নিয়ে বহু পূর্বে লেখা নাটক আজও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক। বাদল সরকার সেখানেই অনন্য।
পর্দা সরিয়ে নাটক শুরু হচ্ছে উদাত্ত কন্ঠে পারুলের নাট্য অনুশীলনের মধ্য দিয়ে - কিন্তু কেন!! মূল নাটকের সঙ্গে এর কি সম্পর্ক ঠিক বোঝা গেল না! এমনই কিছু বিচ্যুতি কাটিয়ে উঠতে পারলে আরো অর্থবহ হয়ে উঠবে এ নাটক।
- ( গোপাল বিশ্বাস, কোলকাতা)
Mia by Tanishq’s ‘Mia on Wheels’ Brings Three Days of Sparkle to The City of Joy
Mia by Tanishq’s ‘Mia on Wheels’ Brings Three Days of Sparkle to The City of Joy
Kolkata, 02 Nov 2026: From neighbourhoods buzzing with festive energy to some of the city’s favourite shopping destinations, Mia by Tanishq brought its signature sparkle to the City of Joy with ‘Mia on Wheels’, a three-day activation held from October 27 to 29. Featuring diamond-studded cars, the initiative took Mia’s Precious, Every Day philosophy across the city, creating opportunities for customers to engage with the brand, explore its contemporary fine jewellery and celebrate their individual style.
The activation brought Mia closer to customers through a series of in-store experiences and interactions across Kolkata. On October 28, the journey was flagged off from Mia by Tanishq’s Park Street store by Mr. Sah Gaurav Krishna, Regional Business Head, Titan Company Ltd, setting the stage for two more days of city-wide engagement. At every stop, the initiative created opportunities for customers to connect with Mia in a lively, interactive setting.
Commenting on the initiative, Mr. Sah Gaurav Krishna, Regional Business Head, Titan Company Ltd, said, “Kolkata is an important market for Mia by Tanishq, and initiatives like Mia on Wheels allow us to engage with customers beyond our stores. Through this activation, we aim to bring our contemporary fine jewellery closer to customers across the city, while creating opportunities for them to experience the brand in a more interactive and engaging way. As we continue to strengthen our presence in the region, our focus remains on offering versatile jewellery that reflects the evolving preferences and personal styles of today’s consumers.”
Over three days, Mia on Wheels travelled across a diverse mix of neighbourhoods and retail destinations. The journey began on October 27 across Baguiati, City Centre New Town, Madhyamgram, Sodepur and Jessore Road. On October 28, the activation moved through Park Street, Rashbehari, Acropolis Mall, Sector 5 and City Centre Salt Lake. The final day saw the cars visit BT Road, Garia, Baghajatin, South City Mall and Howrah Avani Mall, bringing the experience to customers across Kolkata.
At its heart, Mia on Wheels celebrates the idea that jewellery need not be reserved for special occasions. Through this city-wide initiative, Mia by Tanishq brought its Precious, Every Day philosophy into everyday spaces, encouraging women to embrace their individuality, express their personal style and find their own reasons to celebrate.
Adding to the celebrations, Mia by Tanishq is offering up to 100% off on making charges on diamond jewellery, encouraging customers to explore contemporary jewellery designs for occasions, gifting and everyday self-expression.
বাণিজ্যিক গাড়ির ১২,০০০ চালকের জন্য বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসার কর্মসূচি সম্প্রসারিত করেছ ‘ডিপি ওয়ার্লডভিশনস্প্রিং ফাউন্ডেশন’
বাণিজ্যিক গাড়ির ১২,০০০ চালকের জন্য বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসার কর্মসূচি সম্প্রসারিত করেছ ‘ডিপি ওয়ার্লড
ভিশনস্প্রিং ফাউন্ডেশন’
সঞ্জয় কুমার দলুই ,
ডিপি ওয়ার্ল্ড-এর শিপিং সলিউশনস এএমইএ বিজনেস (‘শিপিং সলিউশনস’) ‘ভিশনস্প্রিং ফাউন্ডেশন’-এর সঙ্গে তাদের সহযোগিতা আরও বাড়াচ্ছে। এর লক্ষ্য হল, সারা ভারতের আনুমানিক ১২০০০ বাণিজ্যিক গাড়ির চালক ও পরিবহণ কর্মীদের বিনামূল্যে চক্ষু পরীক্ষা করা এবং প্রেসক্রিপশনের ভিত্তিতে চশমা দেওয়ার ব্যবস্থা করা। এতে গাড়ির চালকদের সার্বিক উন্নতি হবে এবং দেশের বাণিজ্য করিডোরগুলিতে পণ্য চলাচল আরও নিরাপদ হবে। এই উদ্যোগের ভিত্তি হল ২০২৫ সালে গুজরাটে নেওয়া একটি সফল কর্মসূচি, যেখানে ৯০০০ বাণিজ্যিক গাড়ির চালক ও পরিবহণ কর্মীর চোখ পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং সেখানে প্রেসক্রিপশনের ভিত্তিতে ৫২০০ জোড়ার বেশি চশমা দেওয়া হয়েছিল। যাদের চোখ পরীক্ষা করা হয়েছিল তাদের ৬১ শতাংশের দৃষ্টিশক্তির চিকিৎসা দরকার ছিল এবং যারা চশমা পেয়েছিলেন তাঁদের ৯৪ শতাংশ সেই প্রথমবার জীবনে চশমা পরার সুযোগ পেয়েছিলেন। এতেই সামনে এসেছিল পরিবহণ কর্মীদের মধ্যে সহজে চোখের চিকিৎসার সুযোগ পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কতদূর পর্যন্ত অপূর্ণ রয়ে গিয়েছে। সম্প্রসারিত এই কর্মসূচি চালু করা হয়েছিল মুম্বইয়ের জওহরলাল নেহরু বন্দরে। এর পাশাপাশি বাড়তি চোখ পরীক্ষার পরিকল্পনা করা হয়েছিল কোচি, দিল্লি ও কলকাতায়। সি এম মুরলীধরন,রিজিওনাল ডিরেক্টর, শিপিং সলিউশনস এএমইএ, ডিপি ওয়ার্লড বলেন- ‘’চালকের আসনে যিনি বসে আছেন তাঁর ওপরেই নির্ভর করে প্রতিটি পণ্য পরিবহণের সাফল্য।”অংশু তানেজা, ম্যানেজিং ডিরেক্টর, ভিশনস্প্রিং ফাউন্ডেশন বলেন: “নিরাপদে গাড়ি চালানোর জন্য স্বচ্ছ দৃষ্টিশক্তি আবশ্যক। অথচ অনেক পেশাদার চালকই এমন দৃষ্টিজনিত সমস্যা নিয়ে জীবনযাপন ও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন যা সহজেই প্রতিকার করা যায়। এই অংশীদারিত্বের পরিধি বাড়ানোর ফলে আমরা আরও হাজার হাজার চালকের কাছে অবশ্য প্রয়োজনীয় চক্ষু চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে পারব।”
