অনুষ্ঠিত হলো অঙ্গন বেলঘরিয়ার আয়োজনে ” বসন্তে নাট্যোৎসব ২০২৬”
অনুষ্ঠিত হলো অঙ্গন বেলঘরিয়ার আয়োজনে ” বসন্তে নাট্যোৎসব ২০২৬”
ইন্দ্রজিৎ আইচ
…………………………………….
গত ৩০ এবং ৩১ মার্চ ২০২৬ সোমবার ও মঙ্গলবার এই দুদিন ধরে হালিশহর বিনোদিনী মঞ্চে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অধিন পশ্চিমবঙ্গ নাট্য আকাদেমির আর্থিক সহায়তায় অঙ্গন বেলঘড়িয়ার আয়োজনে
মঞ্চস্থ হলো বসন্তে নাট্যোৎসব ২০২৬। প্রদীপ জ্বালিয়ে এই উৎসব উদ্বোধন করেন নাট্যকার ও অভিনেতা শান্তনু মজুমদার, নাট্যকার ও নির্দেশক তীর্থঙ্কর চন্দ এবং নির্দেশক ও অভিনেতা দেবাশিস সরকার। সকলেই এই উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। উদ্বোধনের পর ছিলো নাট্য সেমিনার। বিষয় ছিলো ” বর্তমান বাংলা থিয়েটারে স্টার ও গিমিক নির্ভর হয়ে পড়েছে “। এই উৎসবের উদ্বোধকরা এই আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন।
সকলেই এক কথায় শিকার করে নেয় সেলিব্রেটি স্টার বা কোনো গিমিক দিয়ে থিয়েটার কে জনপ্রিয় করা যায়না। নাটক
যদি ভালো হয়, বিষয় যদি দর্শকদের ভালো লাগে তাহলে
সহজেই সেই দলের নাটক জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রী ছাড়া ও কোনো চমক ছাড়াই খুব তাড়াতাড়ি নাট্যমোদীদের
মন জয় করে নেবে।
প্রথমদিন মঞ্চস্থ হয় সমিত দাস নির্দেশিত বরানগর এবং এর নাটক খেলার পুতুল, কাহিনী প্রেমেন্দ্র মিত্র। নাট্যরূপ রিমা চৌধুরী। পরের নাটকটি ছিলো
বিভাব নাট্য একাডেমীর নাটক
অন্য সম্রাট। নাটক মুদাসসার হোসেন ছট্টু, নিদের্শনা গুঞ্জন প্রসাদ গাঙ্গুলী। প্রথমদিনের শেষ নাটকটি ছিলো অভয়া
খামারগাছির নাটক বুধিয়া।
কাহিনী মুন্সী প্রেম চন্দ।
নাট্যরূপ ও নিদের্শনা সৌমেন্দু পাল। উৎসবের শেষদিন থিয়েলাইট এর নাটক ফিদায়া।
নাট্যরূপ মৈনাক সেনগুপ্ত। কাহিনী ও পরিচালনা অতনু সরকার। পরের নাটকটি ছিলো কৃষ্ণনগর সিঞ্চন এর নাটক দূরবীন। কাহিনী শমীক ঘোষ।
রচনা ও নিদের্শনা সুশান্ত কুমার হালদার। তৃতীয় দর্শন পরিবেশিত হয় এষনা জয়নগর এর নাটক উনাভো। নাটক সুভাষ বসু। নিদের্শনা কিশলয় বসু। উৎসবের শেষ নাটক ছিলো গোবরডাঙ্গা নাবিক নাট্যম এর খেলা। নাটক শিশির কুমার দাশ। প্রয়োগ জীবন অধিকারী। সমগ্র এই বসন্তে নাট্যোৎসব ভাবনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় ছিলেন অঙ্গন বেলঘরিয়ার কর্ণধার, অভিনেতা এবং পরিচালক
অভি সেনগুপ্ত। সামগ্রিক ভাবে
দুদিনের এই নাট্য উৎসব সকলের মনে রেখাপাত করেছিলো।



Post Comment