কল্যাণনগর বিদ্যাপীঠের ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান
কল্যাণনগর বিদ্যাপীঠের ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান
দীপঙ্কর সমাদ্দার: গত ৯ জানুয়ারি থেকে ১১ই জানুয়ারি পর্যন্ত কল্যান মঞ্চে অনুষ্ঠিত হলো কল্যাণনগর বিদ্যাপীঠের ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উৎসবের সমাপ্তি অনুষ্ঠান। ১৯৫১ সালে ২ জানুয়ারি দেবেন্দ্রনাথ ঘোষ কল্যাণ নগর জনপদের মানুষের সুবিধার্থে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন। বিগত ৭৫ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠান কেবলমাত্র কল্যাণ নগর নয় বর্তমানে খড়দহ ও
পানিহাটি পৌর এলাকা এবং গ্রামীণ খড়দহের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়েছে। ৯ জানুয়ারি কল্যাণ মঞ্চে এই সমাপ্তি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিদ্যালয় এর প্রাক্তন ছাত্র সুকুমার ভট্টাচার্য সহ বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সদস্যবৃন্দ। ঐ দিন সন্ধ্যায় উপস্থিত হয়েছিলেন দমদমের সাংসদ অধ্যাপক সৌগত রায়। ১০ জানুয়ারি বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক নবারুণ ভট্টাচার্য, অধ্যাপক দেবাশীষ ঘর, অধ্যাপক মনোশান্ত বিশ্বাস সহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদরা। ঐদিন সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ১১ ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় প্রাক্তন ছাত্রদের পুনর্মিলন অনুষ্ঠান। এর পরবর্তী স্তরে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক শিক্ষিকা এবং শিক্ষা কর্মীদেরকে সংবর্ধিত করা হয় ।
ছাত্রদের অভিনীত নাটক “দংশন জংশন” এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অভিনীত নাটক “চোরেদের লজ্জা হল” বিশেষ সাফল্যের সঙ্গে মঞ্চস্থ হয়। এছাড়াও প্রাক্তন ছাত্রীরা পরিবেশন করেন চন্ডালিকা নৃত্যনাট্য। বিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষিকাদের তত্ত্বাবধানে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।
এই উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আন্ত বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান এবং চিত্রকলা প্রদর্শনী। এক বছর ধরে বিভিন্ন রকম প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শেষ হলো ৭৫ তম বর্ষের অনুষ্ঠান। স্কুলের প্রধান শিক্ষক সন্দীপ কুমার মৃধা জানালেন কুলের সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা স্কুলের প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্ররা সকলের সহযোগিতায় এমন একটি সুন্দর উৎসব শেষ করা গেল। প্রাক্তন ছাত্ররা স্কুলকে এতটা ভালবাসে, এটা যেন আরো একবার অনুভব করলাম। সঞ্চালনায় ছিলেন স্কুলের শিক্ষক কৃষানু ভট্টাচার্য ও হরিদাস বৈদ্য



Post Comment