কামদুঘা পত্রিকার সাহিত্য সভায় নক্ষত্র সমাবেশ । বন্দে মাতরম সম্মানের সবার হাতে গাছের চাড়া দেওয়া হয় গুসকরায় ।
কামদুঘা পত্রিকার সাহিত্য সভায় নক্ষত্র সমাবেশ । বন্দে মাতরম সম্মানের সবার হাতে গাছের চাড়া দেওয়া হয় গুসকরায় ।
কামদুঘা পত্রিকার সাহিত্য মেলায় মহাসমারোহে নক্ষত্র সমাবেশ। বন্দে মাতরম সার্ধশত বর্ষ বন্দে মাতরম সকলে দাঁড়িয়ে মঞ্চের ও শতাধিক সমবেত কন্ঠে বন্দে মাতরম দিয়ে অনুষ্ঠানে সূচনা হয় উদ্বোধন হয় বৃহস্পতিবার।বরন পর্বের সভার সভাপতি গুসকরা পৌরসভার পৌরপতি কুশল মুখার্জী সকল কবি সাহিত্যিকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন রটন্তীমেলা ও গুসকরা উৎসবে কামদুঘা সাহিত্য সভা দীর্ঘদিন ধরে অনেক গুনী সমাবেশ হয়। মেলার মর্যাদা বৃদ্ধি করে। ৩৯ ঊনচললিশ তম বর্ষপূর্তি বিশেষ সংখ্যা কামদুঘা পত্রিকার উদ্বোধন করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের মিউজিয়ামের কর্মকর্তা গবেষক শ্যামসুন্দর বেরা সহ মঞ্চের সকলে। এইবার সংখ্যায় ১৮২ কবি সাহিত্যিকদের লেখা প্রকাশ হয়েছে। উপস্থিতি ছিলেন পুলিশ আধিকারিক অভিজিত বেরা প্রবীণ শিক্ষক কুমুদুরঞ্জন মন্ডল কবি সাহিত্যিক শিবশঙ্কর বক্সী সমীর নাগ অতসী চক্রবর্তী প্রতিভা গাঙ্গুলী প্রদীপ কবিরাজ চাঁদ রায় সাংবাদিক কল্যাণ আচার্য অঞ্জনা চক্রবর্তী
এই সাহিত্য মেলায় মূল আকর্ষণ পদ্মশ্রী রতন কাহার তিনি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন।গান পরিবেশন করেন। শেষে সকলের সাথে জনগন মন সঙ্গীতের সকলের সাথে গলা মেলান। সম্পাদক ধনঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জানান সাহিত্য সেবার জন্য সাহিত্য নতুন নতুন সৃষ্টির জন্য কবি সাহিত্যিক দের উতসাহিত করায় জন্য আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চার জন্য ও আগামী প্রজন্ম কামদুঘা পত্রিকার কাজ করে চলেছে। পত্রিকা প্রকাশ ও সাহিত্য মেলা করা হয় নিয়মিত ।এবার চল্লিশ বর্ষে যাত্রা শুরু করেছে। সাহিত্য মেলা যেটা রটন্তীমেলা সাথে সম্পৃক্ত হয়ে উঠেছে। আয়োজন ছিল চিলি চিকেন মটর পনির সাথে ফরাইড রাইস মধ্যাহ্ন ভোজন । ও ল্যাংচা জিলিপ সাথে পাঁপড় ভাজা চা বিস্কুট ভালো আয়োজন। বন্দে মাতরম সম্মান মানপত্র স্মারক সাথে ছিলো গাছ কবিতা সাহিত্যিক সাংবাদিকদের সাথে দর্শক এবং মেলায় বাচ্চাদের গাছ উহার দেওয়া হয়।
রামপুরহাট দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা সাতগাছিয়া বারাসত বাঁকুড়া চুঁচুড়া উত্তরপাড়া যাদবপুর মধ্যমগ্রাম কলকাতা বৈদবাটি দুর্গাপুর পানাগড় কাটোয়া কান্দরা বর্ধমান পুরুলিয়া বোলপুর নানুর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক সমাজ সেবি সাহিত্য মেলায় অংশ গ্রহন করে।কীরনাহার। বারাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৮৮ জন কবি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।



Post Comment