রাইপুর বিধানসভা এলাকায় বালির অভাবে বন্ধ আবাস যোজনার বাড়ি নির্মাণের কাজ দুশ্চিন্তায় উপভোক্তারা।
রাইপুর বিধানসভা এলাকায় বালির অভাবে বন্ধ আবাস যোজনার বাড়ি নির্মাণের কাজ দুশ্চিন্তায় উপভোক্তারা।
সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:—-বালির অভাবে বাংলার আবাস যোজনার বাড়ি তৈরীর কাজ বন্ধ রয়েছে। দুশ্চিন্তায় উপভোক্তারা। কাজ সম্পূর্ণ করতে না পারায় দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও পাচ্ছেন না মাথায় হাত উপভোক্তাদের। অবিলম্বে কংসাবতী নদী থেকে বালি উত্তোলনের কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায় রাইপুর বিধানসভা এলাকার সারেঙ্গা ও রাইপুর ব্লক এর ১৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় সাত হাজার উপভোক্তা বাড়ি নির্মাণের টাকা পেয়েছেন কিন্তু তারা বাড়ির কাজ সম্পন্ন করতে পারছেন না শুধুমাত্র বালির অভাবে। অজানা কারণে রাইপুর এলাকায় বয়ে যাওয়া কংসাবতী নদী থেকে বালি উত্তলনের কাজ বন্ধ থাকায় বালির সংকট দেখা দিয়েছে। এ যেন সেই সুকান্ত ভট্টাচার্যের রানানের কবিতার মতো। পিঠেতে টাকার বোঝা অথচ তাকে যায় না ছোঁয়া। প্রতিবছর কয়েক মাস ধরে রাইপুর ও সারেঙ্গা এলাকার মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া কংসাবতী নদী থেকে কোটি কোটি টাকার বালি উত্তোলন করা হয় কিন্তু অজানা কারণে এ বছর বালি উত্তোলনের কাজ বন্ধ রয়েছে, তাছাড়া গরুর গাড়ি তে করে বহু মানুষ বালি সরবরাহ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তাও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে বালির আকাল দেখা দিয়েছে। গৃহ নির্মাণের কাজ বন্ধ রয়েছে। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন উপভোক্তারা। আর্থিক সংকটে রাজমিস্ত্রি, শ্রমিক সহ হাজার হাজার মানুষ। ফুলকুসমা এলাকার দুলালী কাঠুরিয়া বলেন আমার একটি ঝিটে বেড়ার বাড়ি ছিল। সেটিও ভেঙে ফেলেছি ।আবাস যোজনার টাকা পাওয়ার পর বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলাম কিন্তু বালির অভাবে কাজ শেষ করতে পারছি না। কয়েকদিন ধরে বিকেল হলে আকাশে মেঘ দেখা দিচ্ছে। বৃষ্টি হলে কোথায় থাকবো তা ভেবে কূল পাচ্ছি না। মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকু ও নেই আর। তিনি বলেন প্রশাসনের বাবুরা আমাদের কথা ভেবে বালির ব্যবস্থা করুন। তা না হলে জল ঝড় মাথায় নিয়ে আমাদের দিন কাটাতে হবে।



Post Comment