আদিবাসী সংস্কৃতি আদিবাসী সংস্কৃতি লোকসংস্কৃতি ও পর্যটন উৎসব।শুরু হলো তিনদিনের মুকুটমণিপুর মেলা।

আদিবাসী সংস্কৃতি আদিবাসী সংস্কৃতি লোকসংস্কৃতি ও পর্যটন উৎসব।শুরু হলো তিনদিনের মুকুটমণিপুর মেলা।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:-পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় খাতড়া মহকুমা প্রশাসনের আয়োজনে আজ ৯ই জানুয়ারি থেকে ১১ ই জানুয়ারি পর্যন্ত। তিন দিনের মুকুটমণিপুর মেলা উদ্বোধন হলো মুকুটমণিপুর জলাধার সংলগ্ন মুকুটমণিপুর পুলিশ ফাঁড়ির নিকট ফুটবল ময়দানে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে আজকের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খাদ্য সরবরাহ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি সাথে ছিলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি পরিতোষ , কিসকু রায়পুর বিধানসভার বিধায়ক মৃত্যুঞ্জয় মুর্মু ,খাতড়া মহকুমা শাসক ড:শুভম মৌর্য্য, রানীবাঁধ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভীমসেন মন্ডল, সারেঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মৌসুমী সিংহ মহাপাত্র রায়পুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি পদ্মিনী মুর্মু, বাঁকুড়া জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ চিত্ত মাহাতো খাতড়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। স্বাগত ভাষণে খাতড়া মহকুমা শাসক ডক্টর শুভম মৌর্য্য বলেন এলাকার কৃষ্টি সংস্কৃতি পর্যটনের বিকাশ ও এলাকার উন্নয়নকে সুনিশ্চিত করতে হস্তশিল্পের বিকাশ ঘটাতে এই মেলার আয়োজন”।তিন দিনের এই মেলায় লক্ষাধিক মানুষের উদ্যোক্তাদের আশা। মেলায় বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ৫০ টি স্টল রয়েছে আদিবাসী নৃত্যের মাধ্যমে আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। মেলার বিশেষ আকর্ষণ পিঠে পুলি ।এলাকার বিশেষ পিঠে এই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে। কলকাতার বেহালা থেকে আসা দিলীপ মন্ডল ,স্বাগতা মন্ডল, বিকাশ বিশ্বাস মহাদেব সাঁতরা রা বলেন আমরা এই প্রথম এলাম মুকুটমণিপুরে শুধুমাত্র জলাধারের আকর্ষণে। কিন্তু এবারে এসে আরও বাড়তি পাওনা মুকুটমণিপুর মেলা ।এখানে এসে আদিবাসীদের নৃত্য দেখে আমাদের দলের সকলে খুব খুশি কলকাতায় আমরা এত সুন্দর আদিবাসী নৃত্য দেখতে পাইনি।তাছাড়া নানান স্বাদের পিঠে খেতে পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত। খুদে স্কুল পড়ুয়া রিমিল মান্ডি, জয়ন্তী বাস্কে, বিশাখা মাহাতোরা বলে আমরা খুব খুশি নানা রকমের পিঠে খেতে পাচ্ছি এখানে এসে। বাম্বু পিঠে ,মাংসের পোড়া পিঠে খেয়ে তৃপ্তি পেলাম। মেলা উপলক্ষে খাদ্যও সরবরাহ দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী জ্যোৎস্না মান্ডি বলেন তিনদিনের এই মেলায় ভিন্ন স্বাদের অনুষ্ঠান রয়েছে। তাছাড়া আনন্দদায়ক ও প্রতিযোগিতামূলক নৌকা বাইচ অনুষ্ঠান আগামীকাল রয়েছে যা দেখতে হাজার হাজার মানুষ জলাধার এর পাড়ে ও জলাধারের ফাঁকা জায়গায় ভিড় করেন। যে সমস্ত পর্যটকরা এই তিন দিনের মধ্যে আসবেন তারা শুধু পর্যটনের আনন্দ নয় সাথে এলাকার লোকসংস্কৃতিকে দেখে যাবেন।

Post Comment

You May Have Missed