দীর্ঘ ৩০ বছরের সংগ্রামে স্বপ্ন সফল মঙ্গলকোটের তিন যুবকের, যা নিয়ে চর্চা এলাকায়।
দীর্ঘ ৩০ বছরের সংগ্রামে স্বপ্ন সফল মঙ্গলকোটের তিন যুবকের, যা নিয়ে চর্চা এলাকায়।
তিনটি দামি গাড়ি করে গুজরাট থেকে ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এলো তিন যুবক।
কষ্টের সংসার তাই পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ৩০ বছর আগে পাড়ি দিয়েছিল গুজরাটের রাজকোটে মঙ্গলকোটের তিন যুবক।
শেখ বাবুল, শেখ বাপি ও শেখ সবুজ।
প্রথমে ওখানে গিয়ে কাজের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তিন যুবক।
পরে সোনার দোকানে দিনমজুর হিসাবে কাজে লাগে।
কিন্তু তিন জনের স্বপ্ন ছিল বড়।
স্বপ্ন সত্যি করেছে মহান আল্লাহতালা বলে দাবি ওই তিন যুবকের।
পরে তিনজন তিনটি কারখানা তৈরি করে ব্যবসা শুরু করেন।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় 30 জন যুবক সেই তিনটি কারখানায় কাজ করেন।
তাদের স্বপ্ন ছিল ভালো গাড়িতে চাপা।
পরিশ্রম যে স্বপ্ন কে সত্যি করে তা প্রমাণ করলো এই তিন যুবক।
এবছর ঈদে তিনজন তিনটি গাড়ি নিয়ে মঙ্গলকোট গ্রামে ফিরলো।
একটি বি,এম ডাবলু, maindra সেভেন xoও হোন্ডা ক্রিয়েটা।
এলাকার মানুষ এই তিন যুবকের সততার প্রশংসা করেন।
শেখ বাপি জানান, আমার পড়াশোনা করার খুব ইচ্ছা ছিল, পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ছিল না তাই পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে বিন রাজ্যে কাজে যায়।
কিন্তু মনের কঠিন ইচ্ছা ছিল নিজের পায়ে দাঁড়াবো।
আল্লাহ সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
আমি এ বছর ঈদে বাড়ি এসেছি বি এম ডাব্লু গাড়ি কিনে।
আমি প্রশংসা করবো মহান আল্লাহতালার যিনি আমার ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
শেখ বাবুল জানান,
ভালোভাবে বসবাস করবো এবং ভালোভাবে চলাফেরা করব এই স্বপ্ন ছিল আমার।
আল্লাহর রহমতে আমি গুজরাটে বাড়ি, এবং দোকান রয়েছে নিজস্ব। কোনো ভাড়া বাড়ি বা দোকানে ব্যবসা করি না।
শেখ সবুজ জানান, ছোটবেলায় আব্বার মুখে শুনেছিলাম কর্মই ধর্ম।
কর্মজীবনে এসে দেখলাম আব্বার কথাই সত্য।
মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।
