সাম্প্রতিক
 মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে হানা স্থানীয় পুলিশ – প্রশাসনের , 

 মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে হানা স্থানীয় পুলিশ – প্রশাসনের , 

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার  মঙ্গলকোটে জেলা খাদ্য দপ্তর,  মঙ্গলকোট ব্লক প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশের  উদ্যোগে মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে চলে খাদ্যের গুনগত মান যাচাইয়ের  অভিযান। মূলত যে জায়গায় রান্না হচ্ছে সেই জায়গাগুলিকে বেশি করে পরীক্ষা করা হয়। মিষ্টির দোকানে চালানো হয় অভিযান। “যদি কোন দোকানের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকে তাহলে সেই দোকানের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে” বলে জানান মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ।

মাদক বিরোধী কর্মসূচি মঙ্গলকোট পুলিশের

মাদক বিরোধী কর্মসূচি মঙ্গলকোট পুলিশের

সেখ রাজু,

শনিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট হাই মাদ্রাসায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। PowerPoint Presentation-এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, ব্যক্তিজীবন ও সমাজের উপর এর ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করা হয়।উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা অনুদান, দাঁইহাটে বিজেপির বিশাল ‘ধন্যবাদ যাত্রা’

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা অনুদান, দাঁইহাটে বিজেপির বিশাল ‘ধন্যবাদ যাত্রা’

রাহুল রায়,দাঁইহাট : শুক্রবার,অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে দাঁইহাটে আয়োজিত হলো ধন্যবাদ যাত্রা। এই উপলক্ষে দাঁইহাট নগর মণ্ডল বিজেপির পক্ষ থেকে একটি বিশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়।
দাঁইহাটের ব্যাংক মোড় থেকে পৌর মার্কেট পর্যন্ত এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি এলাকার বহু মহিলা অংশগ্রহণ করেন। দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মিছিলের পথ। মিছিলে প্রায় কয়েক হাজার মহিলা উপস্থিত ছিলেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি।
মিছিল শেষে পৌর মার্কেটের সামনে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষেও সেখানে বক্তব্য রাখেন দলীয় নেতৃত্ব। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩ হাজার টাকা অনুদানকে কেন্দ্র করে মহিলাদের মধ্যে যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা এই কর্মসূচিতে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অনিল দত্ত, কাটোয়া বিধানসভার কনভেনার অশোক রায়, দাঁইহাট নগর মণ্ডল বিজেপির সভাপতি স্বরূপ মণ্ডল-সহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।
পথসভা থেকে বক্তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আর্থিক সহায়তা নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনেও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মিছিল ও পথসভাকে কেন্দ্র করে দাঁইহাট এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্র প্রদর্শনী

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্র প্রদর্শনী

দীপঙ্কর সমাদ্দার,

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অসাধারণ একটি বিজ্ঞান , ইতিহাস , ইকো ক্লাব , চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল হালিশহর চক্রের প্রসাদনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এই প্রদর্শনী আয়োজন করে ।নিচের তলায় এর একটি ঘরে ছিল ১৩ টি ওষধি গাছ , ও তার গুণাবলী ; দ্বিতীয় ঘরে ছিল কাগজের কাজ ( অরিগ্যামি) , ফেলে দেওয়া নারকেলের খোলা , প্লাস্টিকের জিনিস , ডিমের ট্রে ইত্যাদি দিয়ে বিদ্যালয়ের কচি কাঁচাদের হস্তশিল্প ; তৃতীয় ঘরে ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের একটি আর্ট গ্যালারি , দোতলায় মূলত ছিল বিদ্যালয়ের তৃতীয় চতুর্থ পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি বিজ্ঞান প্রদর্শনী যেখানে বিভিন্ন নিজেদের হাতে তৈরী মডেল দেখানো হয় । অন্য ঘরে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও আগামীর ভারত নিয়ে একটি অসাধারণ প্রদর্শনী ।
মূল আকর্ষণের জায়গা ছিল তিনতলায়। সেখানের থিম ছিল ” নানা ভাষা নানা মত , নানা পরিধান ; বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান ” এখানে দেখানো হয়েছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের উৎসব , পোশাক সব বিরাট এক যেন মিলে মিশে একাকার। পাশাপাশি নন্দলাল বসুর অঙ্কন ( সহজ পাঠের সৌজন্যে ) । এসবের সাথে প্রথম দিনের আকর্ষণ ছিল মিউজিক্যাল ড্রয়িং ( যা পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজী পাঠ্য) , এবং দ্বিতীয় দিনে শিশুদের বিনোদনের জন্য ম্যাজিক শো .

সব মিলিয়ে দুই দিনের এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ সার্থক । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সব বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষিকারা , উপস্থিত ছিলেন হালিশহরের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক মহাশয় ।। আগামীদিনে হালিশহরে বুকে
অনুষ্ঠিত হোক আরো এরকম অনুষ্ঠান যা শিক্ষার্থীদের বিকাশের জন্য একান্ত প্রয়োজন

ওরগ্রামের নবাবনগরে তেরঙ্গা যাত্রা

ওরগ্রামের নবাবনগরে তেরঙ্গা যাত্রা

সেখ রাজু,

হর ঘর তেরঙ্গা যাত্রা হলো ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের একটি বিশেষ জাতীয় কর্মসূচি । এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের প্রতিটি মানুষের মনে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলা এবং প্রতিটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা বা তেরঙ্গা উত্তোলন ও সম্মান জানানোর মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করা । ভাতার বিধানসভার ওরগ্রামের নবাবনগরে তেরঙ্গা যাত্রা প্রদক্ষণ করে । কর্মসূচিতে ৮ থেকে ৮০ সকল শ্রেণীর মানুষ সাদরে অংশগ্রহণ করেন । উল্লেখ ভাবে মহিলাদের উপস্থিতি সকলের নজর কাড়ে । ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নেতৃত্বে এবং ৪ নম্বর মন্ডল সভাপতি অরিন্দম ঘোষের তত্ত্বাবধানে আজকের এই কর্মসূচি সফলতার রূপ পায় । শহরতলি বর্ধমান থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল নবাবনগরের সাধারণ গ্রামের মানুষেরা জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানান । পাশাপাশি ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে দেশ প্রেমীদের আত্ম বলিদান সম্পর্কিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক বক্তব্য সকলের সম্মুখে তুলে ধরা হয় ।

বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন

বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন

সেখ সামসুদ্দিন, মেমারি হাই মাদ্রাসা (উঃ মাঃ) তে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের পঠনপাঠন চলাকালীন যাতে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়, সেই পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্ধমান থেকে এন জি ও সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ে একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মেমারি বিধানসভার বিধায়ক মানব গুহ, এনজিও সংস্থার পক্ষে ঐশী ঘোষ দস্তিদার, সমাজসেবক সেখ সবুরউদ্দিন ও সমাজসেবক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আব্দুল আলিম, টিআইসি নীলকান্ত কর্মকার সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। এদিনের অনুষ্ঠানে বিধায়ককে বিদ্যালয়ের পক্ষ ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্য থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও উপহার সামগ্রী দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া হয়। তারমধ্যে দুই ছাত্রীর হস্তে অঙ্কিত বিধায়কের দুইটি ছবি বিধায়ককে আপ্লুত করে তোলে। তিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরে বেশ মজার ছলে মতবিনিময় করেন। অপরদিকে ঐশী ঘোষ দস্তিদার জানান প্রতি মাসেই বিদ্যালয়ে এসে মেশিনে ন্যাপকিন আপলোড করা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবেন, যাতে সারা বছর স্যানিটারি ন্যাপকিনের অভাব না হয়। এছাড়াও তিনি বিদ্যালয়ে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের নিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার ও হাইজিন বিষয়ক সেমিনার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিধায়কের কাছে কিছু পরিকাঠামোগত সহায়তার দাবি জানালে বিধায়ক বলেন প্রত্যেক বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলে প্রতি বছর দুই পর্বে ১ কোটি টাকা পায়। প্রথম বছরের টাকা তিনি শুধু বিধানসভা এলাকার বিদ্যালয়গুলির জন্য দেবেন।

ফের মঙ্গলকোট আইসি পদে নির্ভীক পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ

ফের মঙ্গলকোট আইসি পদে নির্ভীক পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ

আমিরুল ইসলাম,

গত বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে হঠাৎ বদলী হয়েছিলেন অপরাধ দমনে সিদ্ধহস্ত পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ। এলাকার সিংহভাগ সাধারণ বাসিন্দাদের কাছে ছিল এটা বেদনাদায়ক সংবাদ। ভোট মিটলো,নুতন সরকার এলো।বড়সড় কোন হানাহানিও ঘটেনি।তাতেও যেন মঙ্গলকোটে একটা শূন্যতা ছিল।অবশেষে মঙ্গলকোট থানার আইসি পদে ফিরলেন নির্ভীক পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ। মঙ্গলকোটের আট থেকে আশি প্রত্যেকেই খুশি পুলিশের এই রদবদলে।চুরি – ছিনতাই – অপহরণ – মারপিট – লুটপাট বন্ধে সাক্ষাৎ ‘যম’ যেন এই পুলিশ অফিসার। মঙ্গলকোটে অতীতের খতিয়ান মেলালেই এর গভীরতা মিলবে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

কবি কুমুদ কিঙ্করের ৩৮তম প্রয়াণদিবস পালিত জয়দেবের হরিদাস আশ্রমে,স্মরণসভায় মানবতার বার্তা, স্মৃতিচারণায় উঠে এল কবির জীবন ও আদর্শ

কবি কুমুদ কিঙ্করের ৩৮তম প্রয়াণদিবস পালিত জয়দেবের হরিদাস আশ্রমে,
স্মরণসভায় মানবতার বার্তা, স্মৃতিচারণায় উঠে এল কবির জীবন ও আদর্শ

সেখ রিয়াজুদ্দিন, বীরভূম:
সাপ্তাহিক চণ্ডীদাস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, কবি ও মানবতাবাদী চিন্তক কুমুদ কিঙ্করের ৩৮তম প্রয়াণদিবস শ্রদ্ধা ও স্মরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হলো জয়দেবের হরিদাস আশ্রমে। একইসঙ্গে আশ্রমমাতা আশালতা দেবী এবং সদ্যপ্রয়াত চণ্ডীদাস পত্রিকার সাংবাদিক পূর্ণচন্দ্র দত্তকেও স্মরণ করা হয় এদিনের অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কুমুদ কিঙ্কর ও আশালতা দেবীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত অতিথিরা। পাশাপাশি পূর্ণচন্দ্র দত্তের প্রতিকৃতিতে ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণা ও আলোচনা সভা।
কুমুদ কিঙ্করের একটি বহুলচর্চিত উক্তি— “দেবতা, দানব যা খুশি তাই পারবে হতে, মানুষের মতো মানুষ হওয়া শক্ত কথা।” তাঁর এই বক্তব্যকে সামনে রেখেই এদিনের আলোচনায় বারবার উঠে আসে মানবতা, সাম্য ও মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গ।
ইলামবাজার ব্লকের অজয় নদীর তীরে অবস্থিত জয়দেব গ্রাম বহু আখড়া ও সাধনক্ষেত্রের জন্য পরিচিত। সেই পরিমণ্ডলের মধ্যেই কুমুদ কিঙ্কর প্রতিষ্ঠিত হরিদাস আশ্রম একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মানবতার বার্তা বহন করে আসছে। বক্তাদের কথায়, আশ্রমের উত্তরসূরিরাও কুমুদ কিঙ্করের সেই আদর্শ ও চিন্তাধারাকে নিজেদের কর্মধারায় ধরে রাখার চেষ্টা করে চলেছেন।
এদিন আলোচনায় হরিদাস আশ্রমের নামকরণ, তার ঐতিহ্য ও প্রতিষ্ঠার পটভূমি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। আশ্রমের মূল প্রবেশদ্বারে লেখা “নাম কর, দান কর ও সহ্য কর”—এই বাণীর তাৎপর্য নিয়েও আলোকপাত করেন বক্তারা। বর্তমান সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে এই বাণীর প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চণ্ডীদাস পত্রিকার সম্পাদক আনারুল হক, হরিদাস আশ্রমের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি তথা চণ্ডীদাস পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক আল আফতাব, কুনুর সাহিত্য পত্রিকা-র সম্পাদক চুনিলাল মুখোপাধ্যায়, কুমুদ কিঙ্করের বাল্যবন্ধু ও গীতিকার অশোক কুমার নাগ, কবি অসীম শীল, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সন্তোষ কর্মকার,-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন শান্তি কুমার রজক, স্বাগত ভাষণ দেন রণজিৎ মুখোপাধ্যায়।
আলোচনায় বীরভূম সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক সরোজ কর্মকার এবং চণ্ডীদাস পত্রিকার সম্পাদক আনারুল হক পৃথকভাবে এক সাক্ষাৎকারে জাতপাত ও সম্প্রদায়ের বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে “মানবতা”কে বৃহত্তর পরিচয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বক্তাদের কথায়, কুমুদ কিঙ্করের জীবন ও সাহিত্যচর্চার মূল সুর ছিল মানুষকে ভালোবাসা এবং মানবিক মূল্যবোধকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা। তাঁর প্রয়াণের ৩৮ বছর পরেও সেই চিন্তা ও আদর্শ জয়দেবের হরিদাস আশ্রমের মতো প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।

বন্দেমাতরম্ ১৫০ বিষয়ক আলোচনা সভা

বন্দেমাতরম্ ১৫০ বিষয়ক আলোচনা সভা

সেখ সামসুদ্দিন, ১০ আগস্টঃ মেমারি কলেজ ও লোকপ্রজ্ঞার যৌথ উদ্যোগে দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত বন্দেমাতরম্ ১৫০ বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা ডঃ জয়তী ভট্টাচার্য্য। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ‘বন্দেমাতরম্ ১৫০ ও ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র’ বিষয়ক বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মিলন কুমার দে, যিনি লোকপ্রজ্ঞা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের প্রান্ত সহ সংযোজক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা বিভাগের সিলেবাস কমিটির সদস্য, ‘স্বাধীনতা থেকে স্বতন্ত্রতার পথে ভারতবর্ষ’ বিষয়ক বক্তব্য রাখেন তরুণ লেখক দিগন্ত চক্রবর্তী, লোকপ্রজ্ঞা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের যুব আয়াম প্রমুখ,বিভিন্ন ভাষায় সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় লেখক ও রিপাবলিক বাংলার অংশগ্রহণকারী রমেন চন্দ্র বরাই, লোকপ্রজ্ঞা মধ্যবঙ্গের গবেষণা প্রমুখ ইসরোর নোডাল কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক ডঃ অভিষেক সাহা এবং রাষ্ট্রীয় সংঘের বরিষ্ঠ কার্যকর্তা শ্রীকান্ত নন্দী, যিনি এদিনের সভার সভাপতিত্ব করেন। আলোচনা সভার শেষে বন্দেমাতরম্ জাতীয় গান পরিবেশন ও শান্তি স্তোত্র পাঠ করা হয়। অধ্যক্ষা ডঃ জয়তী ভট্টাচার্য্য বলেন বন্দেমাতরম্ গানের ১৫০ বর্ষ উপলক্ষে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার প্রসারে এই উদ্যোগ।

নলহাটিতে পুলিশের পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ কর্মসূচি পালন

নলহাটিতে পুলিশের পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ কর্মসূচি পালন

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী, পথ দূর্ঘটনা কমাতে ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের উদ্যেগে বীরভূমের নলহাটি থানার ও লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ আধিকারিকদের তত্বাবধানে ২০২৬ পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হলো নাকপুর চেকপোস্টে।পানাগর মোরগ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বীরভূমের নলহাটির নাকপুর চেকপোস্টে এই পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন আই সি অনুপ কুমার ঘোষ, ট্রাফিক ওসি ছোটন ধারা ,লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ আধিকারিকরা সহ আরো অনান্য আধিকারিকরা এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠান শেষে পথ চলতি বিনা হেলমেটে মোটরসাইকেল আরোহীরদের রাস্তায় থামিয়ে বিভিন্ন সচেতনতার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের হাতে একটি করে হেলমেট তুলে দেন। হেলমেট পেয়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান আর বিনা হেলমেটে মোটরসাইকেল চালাবো না ,অপরকেউ সচেতন করবো এছাড়াও নলহাটি থানার ও লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানান।নাকপুর চেকপোস্ট সহ নগোরা, কাঁটাগড়িয়া, মোস্তফাডাঙা মোড়েও এই কর্মসূচি পালন করা হয়।