সাম্প্রতিক
কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন চাষের জমি, ড্রেন সংস্কারের দাবিতে সরব মুল্টিগ্রামের কৃষকরা

কয়েকদিনের বৃষ্টিতে জলমগ্ন চাষের জমি, ড্রেন সংস্কারের দাবিতে সরব মুল্টিগ্রামের কৃষকরা

রাহুল রায়,কাটোয়া : কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়া ২ নম্বর ব্লকের শ্রীবাটি অঞ্চলের মুল্টিগ্রামের উত্তরপাড়া মাঠ এলাকায় বন্যাসদৃশ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তীর্ণ কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়ায় চরম উদ্বেগে রয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। মুল্টিগ্রামের উত্তরপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বিঘার পর বিঘা ধান চাষের জমি সম্পূর্ণভাবে তলায় চলে গিয়েছে। ফলে সদ্য বোনা ধানের বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন কৃষকরা।
কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার ড্রেন সংস্কার না হওয়ায় বর্ষার সময় অল্প বৃষ্টিতেই জল বের হতে পারে না। ফলে প্রতিবছরই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। তাদের দাবি, দ্রুত ড্রেন সংস্কার করা হলে জল নিষ্কাশনের ব্যবস্থা হবে এবং কৃষিজমি রক্ষা করা সম্ভব হবে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের আশা, অবিলম্বে ড্রেন সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এই ধরনের জলাবদ্ধতা থেকে কৃষিজমি ও ফসলকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। এখন প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে মুল্টিগ্ৰামের শতাধিক কৃষক।

তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস মন্ত্রীর

তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস মন্ত্রীর

মুকুটমণিপুর: আদিবাসীদের উন্নয়নে সমস্ত রকম সহযোগিতা করবে রাজ্যের নতুন সরকার। রবিবার মুকুট মণিপুরের কংসাবতী ভবনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রের সম্পাদক সৌমেন কোলে। বৈঠকে সংস্থার আগামী দিনের কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা হয়।

কেন্দ্রীয় সরকারের নানা প্রকল্পের কাজ তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রের মাধ্যমে করানোর নির্দেশ দেয়। গত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে। সংস্থার সঙ্গে কোনরকম সহযোগিতা করেনি। ফলে সংস্থার কর্মীরা কর্মহীন হয়ে পড়ে। বর্তমানে রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র সরকারের নানা রকম কাজের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু মহাশয়।সেই ব্যাপারে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।‌
রবিবারের এই বৈঠকের ফলে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দীর্ঘ লড়াই আশার আলো দেখতে পাবেন বলে জানালেন সংস্থা সম্পাদক সৌমেন কোলে। তিনি বলেন, ‘এবার কর্মীরা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে কাজ করবেন। গত ১৫ বছর নবান্নের বিভিন্ন দপ্তরে দিল্লি থেকে চিঠি এলেও তৃণমূল সরকার কোনো গুরুত্ব দেয়নি। যেহেতু অনেক পুরানো কাজের নির্দেশ রয়েছে তাই সংস্থার তরফে বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে কোন বাধা রইল না।’

কালনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কালনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

দীপঙ্কর চক্রবর্ত্তী– কালনা ও পূর্বস্হলী

কালনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে শুক্রবার কালনা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এদিন কালনা মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে বিভিন্ন স্থানে ফল, ফুল ও অন্যান্য গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি পূর্বস্থলী থানাতেও পূর্বস্থলী থানার পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। কালনা মহকুমা হাসপাতালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার গৌতম বিশ্বাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী স্বাগতা কর্মকার, কালনা প্রেস ক্লাবের সদস্য-সদস্যাবৃন্দ এবং এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। উপস্থিত অতিথিরা পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে আরও বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

প্রমাণ ঢাকতে দোকানের সিসিটিভির হার্ডডিক্স নিয়ে গেল চোরেরা।

, প্রমাণ ঢাকতে দোকানের সিসিটিভির হার্ডডিক্স নিয়ে গেল চোরেরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের আলিনগরে বাদশাহী রাস্তার ধারে রয়েছে একটি আরত।
গত শুক্রবার ভোররাত্রে সেই দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে বলে দাবি ব্যবসায়ী কবিরুল ইসলাম সেখের।তিনি জানান চোরেরা তার দোকানে বিভিন্ন মালপত্র চুরি করেছে পাশাপাশি প্রমাণ ঢাকার জন্য তার দোকানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরা সহ হার্ডডিস্ক চুরি করে নিয়ে গেছে। আনুমানিক প্রায় 50000 টাকার জিনিস চুরি গেছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান এ বিষয়ে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন।

ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য। ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

কবিরুল ইসলাম,

গত রবিবার হুগলির চন্দননগর কোর্ট মোড় নৃত্যগোপাল স্মৃতি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পরিচালনায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব, সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ওইদিনের অনুষ্ঠানের প্রথমে বর্তমানের জাতীয় গান- ‘বন্দেমাতরম’ গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।
এরপর উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করে সোসাইটির ছাত্রী দ্রুতি দাশ। এই নৃত্যের পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা শিক্ষক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ফটোতে মাল্যদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি গণিত শিক্ষক মাননীয় শ্রী অনুপম নিয়োগী, প্রধান অতিথি- হুগলী ব্রাঞ্চ স্কুলের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী শুভ্রা ভট্টাচার্য্য, লালবাগান বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী অনিন্দিতা জানা, সংস্থার কর্ণধার শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঋষি অরবিন্দ বালকেন্দ্রম স্কুলের শিক্ষক অমিত হাওলি,এদিন অন্যতম আকর্ষণ হিসাবে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর বিধানসভার বিধায়ক- মাননীয় শ্রী দীপাঞ্জন গুহ মহাশয় এবং চন্দননগরের মণ্ডল সভাপতি- মাননীয়া শ্রীমতী সুনন্দা সাহা সরকার। মাননীয় বিধায়ক ট্যালেন্ট সার্চের মেধা তালিকায় থাকা ছাত্র- ছাত্রীদের হাতে মেমেন্টো, গল্পের বই ও শংসাপত্র পুরস্কার হিসাবে তুলে দেন এবং তিনি ছোট-ছোট ছেলে- মেয়েদের নিজ হাতে পুরস্কৃত করতে পেরে খুব খুশী হয়েছেন।মাননীয় বিধায়ককে চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে ব্যাজ,চন্দনের টিপ ও গোলাপ ফুল দিয়ে এবং ছোট স্মারক উপহার দিয়ে বরণ করেন সংস্থার কর্ণধার মাননীয় শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও তাঁর স্ত্রী সুচরিতা দত্ত রায়।
ওইদিনের অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করে সোসাইটির এক ক্ষুদে ছাত্র তৃতীয় শ্রেণীর শ্রীমান আদিত্য হালদার ও তাকে তবলায় সঙ্গত করে সোসাইটির আরেক ক্ষুদে ছাত্র চতুর্থ শ্রেণীর শ্রীমান পার্থিব ঘোষ। প্রতিবারের মতো এদিনও দুটি পর্বে ভাগ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পৃথক-পৃথক পরীক্ষা ভিত্তিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয় এবং পুরস্কার প্রাপক ছাত্র-ছাত্রীরাই মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো পরিবেশন করে।
গতবছরের কলেজ স্ট্রীট ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার বাংলা- ইংরাজী মাধ্যম, বিধান শিশু উদ্যান (BSU) মাধ্যমিক মক টেস্টের ১ম-৫ম স্থানাধিকারী এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কলারশিপ পরীক্ষার ১ম-৬ষ্ঠ স্থানাধিকারী ও অন্যান্য সফল ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে প্রায় ১০০জনকে গল্পের বই, শংসাপত্র, আর্থিক পুরস্কার, মেমেন্টো ও স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ পদক দ্বারা পুরস্কৃত করা হয়। সাথে-সাথে বিধান শিশু উদ্যান মাধ্যমিক মক টেস্টের সকল পুরস্কার প্রাপকরা স্টেজে উঠার পর তাদেরকে চন্দনের ফোঁটা, গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়াও, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা সৃঞ্জনার হাতে তাদের নাম লেখা ছোট স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয় চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে।
এদিন অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর ঋষি অরবিন্দ বালকেন্দ্রম স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অমিত হাওলি, চন্দননগর কানাইলাল বিদ্যামন্দির (ইংরাজী বিভাগ)-এর শিক্ষক মাননীয় শ্রী সৌরভ মুখার্জী, চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী মৌমিতা দে চ্যাটার্জী, বাঁশবেড়িয়া হাই স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অরুণ মুখোপাধ্যায়, ইছাপুর নবাবগঞ্জ শ্রীধর বংশীধর হাই স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী, বিধান শিশু উদ্যানের ইংরাজী শিক্ষক মাননীয় শ্রী জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, চন্দননগর ঊষাঙ্গিনী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বর্ণালী নাথ ভট্টাচার্য্য, কাশীশ্বরী পাঠশালার প্রধানা শিক্ষিকা- মাননীয়া সরমা কুণ্ডু ঘোষাল, গৃহ শিক্ষিকা অনুশ্রী দাস, চন্দরনগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা মাননীয় শ্রী নব কুমার চ্যাটার্জী, পোলবা বেলগড়িয়া আদিবাসী প্রাইমারী স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সেখ হাবিবুর রহমান, বেহালা কন্যাশ্রী কলেজের অধ্যাপক মাননীয় শ্রী বিমল কুমার শেঠ, কলকাতা বিধান শিশু উদ্যান মক টেস্টের কার্যকরী কমিটির সদস্য মাননীয় নাসিমূল হক এবং সমস্ত অতিথিদেরকে ব্যাজ, চন্দনের ফোঁটা, গোলাপ ফুল দিয়ে, উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়াও, এদিন উদ্যানের পক্ষ থেকে মাননীয় বিধায়ক সহ সমস্ত অতিথিদের হাতে বিধান শিশু উদ্যান দ্বারা প্রকাশিত বেশ কিছু বই সহ একটি সুদৃশ্য হাত ব্যাগ।ওইদিন চন্দরনগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে বিধান শিশু উদ্যানের জন্য একটি স্মারক মেমেন্টো তুলে দেওয়া হয় উদ্যানের কার্যকরী কমিটির সদস্য নাসিমূল হক মহাশয়ের হাতে।এইবছর BSU মক টেস্টের শ্রেষ্ঠ ছাত্র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে গতবছরের মক টেস্ট পরীক্ষার্থী চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শ্রীমান নীলোৎপল জানা ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর সেন্ট এ্যান্টনীজ স্কুলের ছাত্রী তথা গতবছরের মক টেস্ট পরীক্ষার্থী শ্রেষ্ঠা ঘোষ; এদের সাথেই বিগত ৫বছর বা, ততোধিক যাবৎ বিভিন্ন ধরনের ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার শ্রেষ্ঠ ছাত্র নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শ্রীমান রাজদীপ শেঠ ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দিরের পিউ গেঁড়ি-এই শ্রেষ্ঠ ছাত্র- ছাত্রীদের সকলকে সোসাইটির পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন ও পৃথকভাবে মানপত্র (অভিজ্ঞান সম্মাননা) প্রদান করা হয়। এই মানপত্র গুলো প্রদান করে গতবছরের মক টেস্টের শ্রেষ্ঠ ছাত্র দেবস্মিত সাধু ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী বর্ণি চ্যাটার্জী। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিল সোসাইটির ছাত্রী কুমারী সৃঞ্জনা দাস; অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সম্পাদক শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও তাঁর স্ত্রী সুচরিতা দত্ত রায় এবং অতিথিদের হাতে পুরস্কারগুলো তুলে দিয়ে সহযোগিতা করে সোসাইটির ক্ষুদ্র সদস্য শ্রীমান সত্যজিত দত্ত রায়।
সবশেষে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে’ দিয়ে সমাপ্ত হয় এবং সমাপ্তি ঘোষণা করেন অন্যতম অতিথি বেহালা কন্যাশ্রী কলেজের অধ্যাপক বিমল কুমার শেঠ মহাশয়।

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার


সেখ মিলন ( ভাতাড় )

পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে দিন কয়েক আগে বিজেপি ও সিপিআইএমের মধ্যে অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলে রবিবার বিকেলে কাশিপুর এলাকায় মহামিছিল করল বিজেপি। ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নেতৃত্বে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে শুরু হয় এই মিছিল। পরে মিছিলটি কাশিপুর এলাকায় পৌঁছয়। সেখানে পথসভার মাধ্যমে সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সিপিআইএমের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় লাল ঝান্ডা পুঁতে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। যদিও সিপিআইএমের দাবি, সেই সময় বিজেপির লোকজন জড়ো হয়ে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে, ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার অভিযোগ, ওরগ্রামে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিতে এরুয়ার থেকে দুই বিজেপি কর্মী আসছিলেন। তাঁদের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় থাকায় সিপিআইএম কর্মীরা তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, দেবনাথ বাগদি নামে এক কর্মীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
এদিনের পথসভা থেকে বিধায়ক সৌমেন কার্ফা বলেন, সরকারি খাস জমি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের। প্রয়োজনে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু সিপিআইএমকে খাস জমি দখল করার অধিকার কে দিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন।
বিজেপির দাবি, এদিনের মহামিছিলে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন চারটি মণ্ডলের সভাপতি-সহ বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
তবে এলাকায় কোনরুপ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর ছিল পুলিশ প্রশাসন। ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় মোতায়েন ছিল ভাতাড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।


অভিনব উদ্যোগে খুশি ভাতার ও মঙ্গলকোট এলাকার মানুষজন।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের এরুয়ার গ্রামের বাসিন্দা তানবীর‌ আনসারী তিনি বিবাহ করছেন মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের প্রিয়া চৌধুরীকে।
আজ তার শুভ বিবাহ।
বিবাহ অনুষ্ঠান হয় মঙ্গলকোটের নতুনহাট সাথী অনুষ্ঠান ভবনে।
সেই বিবাহ অনুষ্ঠানে বেশ কিছু অভিনব কর্মসূচি করল তানভীর।
অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রায় ১০০ টি চারা গাছ রোপন করলেন তিনি।
দুস্ত কিছু গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা পেন বিতরণ করেন।

এছাড়াও সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচিকে সামনে রেখে পথ চলতি বেশ কিছু মানুষকে নতুন হেলমেট তুলে দেন।
নতুন বরকে এই কর্মসূচিতে দেখে খুশি এলাকার মানুষ।
এক কোনে পক্ষ জানায় এরকম বিবাহ অনুষ্ঠানে প্রথম এলাম।
তানবির বলেন,
আমি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে ভালোবাসি।
আজ আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায় এরকম কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমাকে খুব ভালো লাগছে।।

ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে গিয়ে হঠাতই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার সাথে সাক্ষাৎ করলেন রামপুরহাট বিধানসভার বিজেপির বিধায়ক ধ্রুব সাহা। সঙ্গে ছিলেন মহিলা সাভানেত্রী রেশমি দে সহ আরো অন্যান্য বিজেপির কার্যকর্তা গন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে তার শারীরিক খোঁজ খবর নেন পাশাপাশি প্রয়োজনে তিনি সব রকম সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। মামা অনিল মুখোপাধ্যায় জানান খুব ভালো লাগলো ভালো লোক ভালোভাবে রাজ্য চালাক এই আশীর্বাদ করলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মামা জানান ১৫ বছর আপনার ভাগ্নি রাজ্য চালিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এখন তিনি হেরে গেছেন কি বলবেন এ বিষয়ে তিনি উত্তরে জানান মানুষ ভোট দেয়নি তাই হেরে গেছেন। এরাও ভালোভাবে পাঁচ বছর চালাক তাহলে আবার এরাই হবে। আপনার নাতির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্যই দল নাকি হেরেছে বলে ঋতব্রত ও অনুব্রত মণ্ডল রা বলছেন সবই শুনছি লোকে যা বলছে, শুনতে হচ্ছে ,আমাদের আর কি বলার আছে। এর জন্য কে দায়ী তা আমি বলতে পারব না।

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের তারাপীঠ সংলগ্ন তারাপুরে নতুন দিগন্ত ক্লাবের উদ্যোগে অনুর্ধ ১৮ আন্তঃ বিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধনে উপস্থিত তারাপীঠের নতুন মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল ব্যানার্জি ও সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জী সহ আরো অনান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

কৌশিক গাঙ্গুলী বীরভূম।

রথের উৎসবে যখন মেতে উঠেছিল গোটা শহর, ঠিক সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে ঘটল এক ভয়াবহ ঘটনা। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে সর্বস্বান্ত হলো একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে দুবরাজপুর পৌরসভার আনন্দকানন এলাকায়। জানা যায়, রথের দিন বিকেল ৫টা নাগাদ ব্যবসায়ী তপন মণ্ডলের স্ত্রী জবা মণ্ডল রথ দেখতে বেরিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরেই তাদের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলও বাড়ির দরজা তালাবন্ধ করে রথ দেখতে যান। আনন্দমুখর পরিবেশে তখন সবাই যখন উৎসবে ব্যস্ত, তখনই চোরেরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে জবা মণ্ডল বাড়ি ফিরে দেখেন, বাড়ির দরজা ভাঙা। ঘরের ভেতরে ঢুকতেই তাঁর পায়ের তলার মাটি সরে যায়।
​প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বড় রড দিয়ে রান্নাঘরের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর বাড়ির মূল দরজার চাবি খুঁজে বের করে তালা খোলে এবং খাটের তোশকের নিচে রাখা আলমারির চাবির সাহায্যে একের পর এক আলমারি খুলে তছনছ করে। সব শেষে প্রায় ৬ ভরি সোনার গহনা এবং ১০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।
​উল্লেখ্য, আগামী ২রা আগস্ট তপন মণ্ডলের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলের বিয়ে। মেয়ের বিয়ের জন্য জমানো সোনার গহনা ও নগদ টাকা চুরি যাওয়ায় দিশেহারা মণ্ডল পরিবার। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে এমন ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।
খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুবরাজপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন দুবরাজপুরের সিআই শুভাশিস হালদার। চোরেরা ঠিক কীভাবে সব চাবি ও গহনার হদিশ পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সবদিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।