সাম্প্রতিক
বাংলায় শুরু হচ্ছে ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২৭’

বাংলায় শুরু হচ্ছে ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২৭’

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

মিস ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন এবং এনিগমার যৌথ উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হল ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২৭’। আগামী তিন বছরের জন্য এনিগমাকে এই প্রতিযোগিতার একমাত্র রাজ্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত সংস্থা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে।কলকাতার হোটেল হিন্দুস্থান ইন্টারন্যাশনালে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২৬-এর বিজয়ী মোহনা পাণ্ডে, ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ওয়েস্ট বেঙ্গল ২০২০-এর মৌলি হালদার, এনিগমার ডিরেক্টর নীরজপ্রিয়া দাশ এবং আয়োজক সংস্থা অ্যারিজ ইভেন্টসের প্রতিষ্ঠাতা কৃতিকা ও আনন্দিতা।এই উদ্যোগের মাধ্যমে কলকাতা-সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের প্রতিভাবান তরুণীদের জাতীয় স্তরে নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরার সুযোগ করে দেওয়া হবে। প্রতিযোগিতার জন্য নিবন্ধন ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর ২০২৬-এ রাজ্যজুড়ে বাছাই পর্ব এবং ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে কলকাতায় গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিজয়ী জাতীয় স্তরে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া ২০২৭ প্রতিযোগিতায় পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করবেন।প্রতিযোগিতার সহযোগী হিসেবে ইতিমধ্যেই যুক্ত হয়েছে কাইরা জুয়েলজ (প্রেজেন্টিং বাই), ঠাকুরায়িন (সহ-আয়োজক স্পনসর) এবং ভবানীপুর স্কুল অফ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট (পার্টনার)।আয়োজকদের আশা, এই মঞ্চ বাংলার তরুণীদের স্বপ্নপূরণ এবং জাতীয় পরিচিতি অর্জনের নতুন দিশা দেখাবে।

রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির বিজয়া উৎসব পালন

রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির বিজয়া উৎসব পালন

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার সন্ধেবেলায় জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি বিজয়া দশমী উৎসব উদযাপন করল তাদের নিজস্ব প্রেক্ষাগৃহ রথীন্দ্রমঞ্চে। সোসাইটির বার্ষিক সাধারণ সভা হয়ে যাবার পর শুরু হয় সকলের সাথে শুভ বিজয়ার প্রীতি ও শুভেচ্ছা বিনিময়। প্রতিবছর এই উৎসবের দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একটি পর্ব থাকে। এবারে ছিল এক চিত্তাকর্ষক আয়োজন যা অভিনবত্বে উজ্জ্বল। সাহিত্য, নাটক, সংগীত জগতের পাঁচজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে নিয়ে তাঁদের জন্মশতবার্ষিকী পালন ও স্মরণ করা হয়। এঁরা হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবী, কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য্য, নাট্য ব্যক্তিত্ব বাদল সরকার, তৃপ্তি মিত্র এবং সংগীত শিল্পী ভূপেন হাজারিকা। আকাশবাণীর একশো বছর উপলক্ষ্যেও একটি তথ্যালেখ্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানের শেষ অংশে পাঁচজন স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের জীবন আধারে নির্মিত একটি নাটক অভিনীত হয়। সমস্ত ভাগের পরিবেশনা হয় সোসাইটির সদস্য-সদস্যাদের অংশগ্রহণে। এই আয়োজনের বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় বলেন, -“সোসাইটি সবসময়ই নূতন নূতন ভাবনায় আঙ্গিকে নিজেদের মেলে ধরে চারপাশের মানুষের কাছে যাতে সবাই আনন্দ পান সমৃদ্ধ হন, এই অনুষ্ঠান তারই প্রতিফলন”।

নাট্য পর্যালোচনা: সুটকেস

নাট্য পর্যালোচনা:
সুটকেস

আমরা প্রতিনিয়ত ছুটে চলেছি এক একটা সুটকেস হাতে, ভেতরে কি আছে না দেখেই ; এক গোপন আকাঙ্ক্ষায়-আশঙ্কার চোরাবালিতে! সম্প্রতি মুক্তাঙ্গনে ক্যালকাটা কোরাস থিয়েটারের প্রযোজনায় মঞ্চস্থ হল বাদল সরকারের তৃতীয় ধারার বিখ্যাত নাটক সুটকেস। নতুন আঙ্গিকে। বর্তমানে কোলকাতা জুড়ে নাটকের একটা ধারা-প্রতিযোগিতা চলছে – চটকদার, শারীরিক কর্ষদধর্মী নাট্য উপস্থাপনায়; সেই সময়ে দাঁড়িয়ে নিস্তব্ধতার আকুতির মাঝে সম্পর্কের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন এই নাটক।

    শ্যামল-পারুল-অবনী আর সুটকেস ! নাটকের শুরুতে দেখা যায় শ্যামল বিপদে পড়ে একটি সুটকেস হাতে বন্ধু অবনীর বাড়িতে এসেছে সেটি রাখতে। অবনীর স্ত্রী পারুল ও একে অপরের বন্ধু। সংসার জীবনের ব্যস্ততা, আদর্শগত জীবনধারার কারণে এখন আর খুব বেশি যোগাযোগ নেই দুই বন্ধুর মাঝে। শ্যামলের প্রতি পারুলের পূর্বের মুগ্ধতা বজায় থাকলেও প্রাক-স্বাধীনতা উত্তাল সময়ে স্বামীর অনুপস্থিতিতে সুটকেস রাখতে অস্বীকার করে। শ্যামলের চমক ভাঙ্গে। কোনক্রমে জোর করে সুটকেস রেখে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। ইতিমধ্যে অফিস থেকে ফিরে আসে অবনী। ঘরের কোণে চাবি বন্ধ সুটকেস দেখে স্ত্রীর কাছে জানতে চায় -  কোথা থেকে এলো ! স্বদেশী করা পুরানো বন্ধু তার স্ত্রীর সঙ্গে গোপনে দেখা করে এই কাজটি করে গেছে জেনে অভিমানে-আতঙ্কে-আশঙ্কায় ভেঙে পড়ে অবনী! পারুল আপ্রাণ বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। অবনীর মুখ থেকে আপন মনে বেরিয়ে আসে- 'যতদিন তুমি আমি আছি, ও সুটকেস আমাদের মাঝে থাকবে!'
  এই আর্তি চিরকালীন। ভয়-সন্দেহ-অস্তিত্বহীনতার লড়াই যত না অপরের সঙ্গে, তার চেয়ে হাজারগুন বেশি নিজের সঙ্গে নিজের! সুটকেস আসলে আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। আবার সম্পর্কের মাঝে দেওয়ালও। এক ছাদের নিচে বাস করা স্বামী স্ত্রীর  মনের দূরত্ব কতখানি -  এই প্রশ্ন রেখে নাটক শেষ হয়েছে।

মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন-অপূর্ণতা-পারস্পরিক দূরত্ব অথচ পুরানো প্রেমে ঝলক – অসাধারণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন পারুলের ভূমিকায় চান্দ্রেয়ী নিয়োগী। প্রতিমুহূর্তে প্রাপ্তির সুখ ও অজানা আশঙ্কার দোলাচল তার শরীরী ভাষায় ধরা পড়েছে। বিশেষ করে সুটকেস নামক বস্তুটি যে স্নেহে-আদরে-আতঙ্কে বুকে জড়িয়ে মঞ্চে পদচারণা করেছেন – এক কথায় অসাধারণ। প্রাণ পেয়েছে সমগ্র নাটক। অবনীর ভূমিকায় গৌরব সেন শুরুতে একটু নড়বড়ে থাকলেও চূড়ান্ত পর্বে অসাধারণ। গল্প যখন ক্লাইম্যাক্সে পৌঁছেছে তখন অবনীর কর্তৃত্ব-দাপট-অসহায়তা একইসঙ্গে ফুটে উঠেছে বাস্তবতার মানদণ্ডে। বরং সাধারণ লেগেছে শ্যামলের ভূমিকায় নির্দেশক স্বয়ং শুভ্রজিৎ লাহিড়ীর অভিনয়। একজন স্বাধীনতা সংগ্রামীর চরিত্রের মর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে বারে বারে। লক্ষ্যভ্রষ্ট মনে হয়েছে! একটি ছোট্ট অথচ গুরুত্বপুর্ন ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রতিবেশী বিন্দুবাসিনী রূপী রূপা দত্ত চৌধুরী। যেন ছুরির ফলার মত তীক্ষ্ণ – মঞ্চের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দাপিয়ে বেড়িয়েছেন!
আলো কল্যাণ ঘোষ। মিউজিক কৃশাণু ব্যানার্জি ও প্রক্ষেপণে রব। মঞ্চ সজ্জায় রাণা চ্যাটার্জি এবং সহকারি নির্দেশনায় মৌসুমী রায়।

    এ নাটকে বড় সেট বা আলো নেই- চরিত্র গুলোই একে একটি জোরালো আলো। মধ্যবিত্ত সংসার জীবনের টানা পোড়েন নিয়ে বহু পূর্বে লেখা নাটক আজও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক। বাদল সরকার সেখানেই অনন্য। 
    পর্দা সরিয়ে নাটক শুরু হচ্ছে উদাত্ত কন্ঠে পারুলের নাট্য অনুশীলনের মধ্য দিয়ে -  কিন্তু কেন!!  মূল নাটকের সঙ্গে এর কি সম্পর্ক ঠিক বোঝা গেল না! এমনই কিছু বিচ্যুতি কাটিয়ে উঠতে পারলে আরো অর্থবহ হয়ে উঠবে এ নাটক।

           - ( গোপাল বিশ্বাস, কোলকাতা)
Koel Mallick makes her TV debut with Sony AATH’s ‘Dear 90’s premiering 23rd November

Koel Mallick makes her TV debut with Sony AATH’s ‘Dear 90’s premiering 23rd November


Promo Link: https://www.instagram.com/yourkoel/reel/DfCb9CWGcYT/

Kolkata, 02nd November 2026: What makes first love so unforgettable? The excitement of a first crush, the anticipation of a handwritten note or the little moments that stay with us long after they have passed? Revisiting the warmth, innocence, and gentle charm of first love, Sony AATH is all set to premiere its upcoming Bengali fiction show, Dear 90’s on 23rd November.
Marking Koel Mallick’s debut on television with this show, Dear 90’s will take viewers back to an era of music cassettes, handwritten letters and unspoken crushes, when love was simple, unfurled at its own pace, emotions expressed in subtle ways and small gestures held the deepest meaning. Set against the backdrop of the 90s, the story captures the joys and uncertainties of growing up, chasing dreams and discovering love for the first time. But as life unfolds and relationships take unexpected turns, will that first love stand the test of time?

Speaking about the show, Koel Mallick said, “The 90s were a special time, especially when it came to love and relationships. There was a certain innocence in the way people expressed their feelings, the excitement of waiting for someone, the joy of small gestures, and the memories that stayed with you for years. What drew me to Dear 90’s is how it takes us back to those emotions and reminds us of a time when falling in love felt truly magical. I am happy to be part of a story that celebrates love, growing up, discovering yourself, and cherishing the moments that stay with you. I hope audiences enjoy the nostalgia and find a little piece of their own story in the show.”

Produced by Surinder Films Pvt. Ltd., Dear 90’s features Koel Mallick, Sankhajit Sengupta, and Aparajita Mukerjee in lead roles.

Watch Dear 90’s from 23rd November 2026 on Sony AATH and Sony LIV.

সল্টলেকের  সেক্টর ফাইভে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয়   মিলছে শাকচুন্নি থালি সহ নানান বাঙালি খাবার

সল্টলেকের  সেক্টর ফাইভে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয়   মিলছে শাকচুন্নি থালি সহ নানান বাঙালি খাবার

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

 ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয় ৩১ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অন্যান্য আউটলেটের সঙ্গে সেক্টর ফাইভ কলেজ মোড়ের কাছে আউটলেটে মিলবে ভূতের কালো ভাত।ভাববেন না এই ভাত শুধু ভূতেদের প্রিয়। ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়ায়ও মেলে। ভাতের চেয়ে অধিক আমিষ, ফাইবার, ভিটামিন এ বি। জিংকসহ অন্যান্য খনিজ পদার্থ সাদা ভাতের চেয়ে তিনগুণ বেশি। কেজি প্রতি এদেশে দাম ২৫০/৩০০ টাকা। ডায়বেটিসরোগীদের জন্য সেরা। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। অতীতে রাজপরিবারের খাদ্য এই কালো ভাত সাধারণের কাছে নিষিদ্ধ ছিল।ভূত চতুর্দশী পাবনে থাকছে চোদ্দ শাক। শাকচুন্নির মাথা দিয়ে ডাল। ভূতুড়ে আলুভাজা, পোড়োবাড়ির সবজি , মামদো ভূতের চিংড়ি ভাপা, মেছো ভূতের পাবদা সর্ষে, প্যাঁচাপেঁচির পোলাও, হানাবাড়ির মুরগি কষা,, পিশাচির পায়েস অবশ্যই অশরীরী পান। এছাড়াও ব্রহ্মদত্যি থালি, পেত্নি থালি এবং চোদ্দ ভূতের থালি। বাড়তি পাওনা ভৌতিক পরিবেশ, গুপি বাঘার গান এবং জ্বলজ্যান্ত শাকচুন্নি, পেত্নি, ভূত ও মামদো ভূতের উপস্থিতি। আপনাকে যাঁরা সাদর সম্ভাষণ জানাচ্ছে। ভাইফোঁটার সামগ্রী এখানেই পাবেন। সঙ্গে ভাইয়ের পছন্দের মেনু। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কর্ণধার রাজীব পাল জানালেন, বাঙালি হ্যালোইন ডে পালন করে। আজকের প্রজন্ম জানে না ভূত চতুর্দশী। তাই বিলুপ্ত প্রথা ফিরিয়ে আনার এক প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে কয়েকবছর ধরে। এবার সেক্টর ফাইভ আউটলেট শুরু এপ্রিল মাসে। তাই এবার এই আউটলেটে ভূতচতুর্দশী পালন।

আমেরিকার বুকে গ্রামবাংলার আবহ: আন্তরিকের দুর্গোৎসবে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানবিকতার মেলবন্ধন

আমেরিকার বুকে গ্রামবাংলার আবহ: আন্তরিকের দুর্গোৎসবে ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মানবিকতার মেলবন্ধন

পিটসবার্গ, পেনসিলভেনিয়া: কলকাতা থেকে কয়েক হাজার মাইল দূরে, আমেরিকার বুকে এ বছরের দুর্গোৎসবে ফুটে উঠল গ্রামবাংলার চেনা ছবি। প্রবাসী বাঙালি সংগঠন ‘আন্তরিক’-এর উদ্যোগে ২৪ ও ২৫ অক্টোবর, ২০২৬ নোভা ব্যাঙ্কোয়েট হলে অনুষ্ঠিত দুর্গাপুজো হয়ে উঠল বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মিলনের উৎসব। এ বছরের মূল ভাবনা ছিল ‘গ্রামবাংলা’—সেই ভাবনাকে ঘিরেই সেজে উঠেছিল পুজোর অঙ্গন।

পাট, কাপড়, খড়, কুলো, হাতপাখা ও একতারার মতো বাংলার গ্রামীণ জীবনের পরিচিত উপকরণে সাজানো হয়েছিল উৎসবের পরিসর। আলপনা ও লোকজ শিল্পের অনুষঙ্গে তৈরি হয়েছিল বাংলার চেনা আবহ। সাজসজ্জার দায়িত্বে থাকা পূর্বাশা ও তাঁর সহযোগীদের সৃজনশীলতা এবং পরিশ্রমে ‘গ্রামবাংলা’ হয়ে উঠেছিল শিকড়ের সঙ্গে সংযোগের এক সুন্দর মাধ্যম। প্রবাসীদের কাছে এই সাজসজ্জা যেমন স্মৃতির দরজা খুলে দিয়েছে, তেমনই নতুন প্রজন্মকে পরিচয় করিয়েছে বাংলার লোকজ ঐতিহ্যের সঙ্গে।

পুজোর আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিশেষ আকর্ষণ ছিল বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নাচ, গান ও দলগত পরিবেশনায় অংশ নেন বিভিন্ন বয়সের শিল্পীরা। সাংস্কৃতিক সম্পাদক উপাসনা কুমারের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালা তুলে ধরে প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতিচর্চার ধারাবাহিকতা। ছোটদের অংশগ্রহণ এই আয়োজনে যোগ করে বিশেষ মাত্রা—উৎসবের আনন্দের মধ্য দিয়েই তাদের কাছে পৌঁছে যায় বাঙালির শিল্প ও সংস্কৃতির উত্তরাধিকার।

বাঙালির উৎসব যে সুস্বাদু খাবার ছাড়া অসম্পূর্ণ, তারও পরিচয় মিলেছে আন্তরিকের আয়োজনে। ভাপা ইলিশ, কাতলার কালিয়া, কষা মাংস ও শুক্তোর মতো পদে অতিথিরা পেয়েছেন খাঁটি বাঙালি ভোজের স্বাদ। কৌশিক কুণ্ডুর তত্ত্বাবধানে খাবারের আয়োজন উৎসবে যোগ করেছে ঘরোয়া বাঙালিয়ানার উষ্ণতা। চিরচেনা এই স্বাদ প্রবাসের উৎসবকে আরও আপন করে তুলেছে।

সমগ্র আয়োজনের নেতৃত্বে ছিলেন সভাপতি অভিজিৎ মাখাল, সম্পাদক অরিত্র দাস, সহ-সভাপতি অরিজিৎ মুখার্জি, কোষাধ্যক্ষ অভিষেক ভট্টাচার্য এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক উপাসনা কুমার। জনসংযোগের দায়িত্ব সামলেছেন মৌমিতা গোস্বামী এবং সমাজমাধ্যমে প্রচারের দায়িত্বে ছিলেন মেখলা কর। পুজোর আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন অরুণিতা। লজিস্টিকস ও আনুষঙ্গিক ব্যবস্থাপনা সামলেছেন সুমন রায়। সাজসজ্জায় পূর্বাশা, খাবারের আয়োজনে কৌশিক কুণ্ডু এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মিলিত শ্রমে বাস্তব রূপ পেয়েছে এই উৎসব।

উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও গুরুত্ব দিয়েছে আন্তরিক। অভাবী মানুষের সাহায্যার্থে অনুদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়, যার দায়িত্বে ছিলেন তপজিৎ। এই প্রয়াস উৎসবের সঙ্গে যুক্ত করেছে সহমর্মিতা ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা।

আন্তরিকের দুর্গোৎসবের আবেদন একটি শহরের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয়। গ্রামবাংলার সাজসজ্জা, বাংলা গান ও নৃত্য, চিরচেনা খাবার এবং উৎসবের উষ্ণতার মধ্য দিয়ে আমেরিকার বুকে ছড়িয়ে পড়ছে বাংলার আবেগ ও সংস্কৃতি। প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের সঙ্গে শিকড়ের যোগ গড়ে তোলার পাশাপাশি এমন উদ্যোগ সমগ্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাঙালির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বহমান রাখার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ। আন্তরিকের এ বছরের দুর্গোৎসব সেই চেতনারই এক সুন্দর প্রকাশ—যেখানে ভৌগোলিক দূরত্ব পেরিয়ে এক হয়েছে ঐতিহ্য, সম্প্রীতি ও মানবিকতা।

‘SHYAMA’ NOW FILMING: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিক নিয়ে নতুন চমক, ধাপে ধাপে প্রকাশ পাবে ছবির নানা দিক

‘SHYAMA’ NOW FILMING: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিক নিয়ে নতুন চমক, ধাপে ধাপে প্রকাশ পাবে ছবির নানা দিক

৬ জুলাই ২০২৬-এ প্রথম গ্র্যান্ড অ্যানাউন্সমেন্টের পর এবার ‘SHYAMA’ পৌঁছল ‘FILMING NOW’ পর্যায়ে। ছবির ইংরেজি সাবটাইটেল রচনার দায়িত্বে ড. স্বপন কুমার নাথ।

কলকাতা: ভারতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে নির্মিত বায়োপিক ‘SHYAMA’-কে ঘিরে সামনে এল নতুন আপডেট। গত ৬ জুলাই ২০২৬, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে, এই চলচ্চিত্রের প্রথম গ্র্যান্ড অ্যানাউন্সমেন্ট করেন অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক Suchandra X Vaaniya। এবার প্রকল্পটি পৌঁছেছে ‘FILMING NOW’ পর্যায়ে। পাশাপাশি, ছবিটির ইংরেজি সাবটাইটেল রচনার দায়িত্ব পালন করছেন ড. স্বপন কুমার নাথ।

ইতিহাসনির্ভর এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও ঐতিহাসিক ভূমিকার বিভিন্ন দিককে চলচ্চিত্রের ভাষায় নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছেন নির্মাতারা। ছবিটির নির্মাণের অগ্রগতি, কাহিনি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

Suchandra X Vaaniya: চলচ্চিত্র ও সাহিত্যে বহুমাত্রিক যাত্রা

Suchandra X Vaaniya একজন অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক। ২০২১ সালে Montreal Independent Film Festival-এ ‘Best Female Debut Director’ পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘Ramayana: The Arrival of Suparnakha’, একটি ডকু-ফিচার ফিল্ম, যেখানে রামায়ণের পরিচিত আখ্যানকে সুপর্ণখার দৃষ্টিকোণ থেকে অন্বেষণ করা হয়েছে।

সাহিত্যচর্চাতেও সক্রিয় Suchandra X Vaaniya রামায়ণকে কেন্দ্র করে লিখেছেন ‘একান্ন নারীর এক রামায়ণ’ নামে একটি উপন্যাস। এই গ্রন্থে রামায়ণের সঙ্গে যুক্ত একান্ন জন নারীর অনালোচিত, উপেক্ষিত ও না-বলা কাহিনিগুলিকে সামনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারীদের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও দৃষ্টিকোণ থেকে রামায়ণের আখ্যানকে নতুনভাবে পাঠ করার প্রচেষ্টাই এই সাহিত্যকর্মের মূল বৈশিষ্ট্য।

চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের এই বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়েই এবার ‘SHYAMA’-র মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জীবন ও উত্তরাধিকারকে বড় পর্দায় তুলে ধরতে এগিয়ে চলেছেন তিনি।

‘SHYAMA’: ইতিহাস, গবেষণা ও চিত্রনাট্য

‘SHYAMA’ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন Suchandra X Vaaniya এবং Chaandroday Pal। ইতিহাসনির্ভর এই প্রকল্পের গবেষণা ও চিত্রনাট্য নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন তথাগত রায়, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করে আসছেন। তাঁর গবেষণালব্ধ তথ্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ছবিটির গবেষণা এবং চিত্রনাট্য নির্মাণে সহায়ক হয়েছে।

অন্যদিকে, ছবির গবেষণার তথ্যগত নির্ভুলতা বজায় রাখা এবং প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক নথি, প্রামাণ্য উপাদান ও আইনি দিকগুলি খতিয়ে দেখার কাজে সহযোগিতা করছেন বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারী। ঐতিহাসিক তথ্য ও প্রাসঙ্গিক নথির ভিত্তিতে ছবিটির বিষয়বস্তুকে যথাসম্ভব তথ্যনির্ভর ও সুসংহত করে তোলাই এই সহযোগিতার অন্যতম উদ্দেশ্য।

ইংরেজি সাবটাইটেলে ড. স্বপন কুমার নাথ

‘SHYAMA’ প্রকল্পের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হল ছবিটির ইংরেজি সাবটাইটেল। ড. স্বপন কুমার নাথ এই চলচ্চিত্রের ইংরেজি সাবটাইটেল রচনা করছেন। চলচ্চিত্রের সংলাপ, বক্তব্য ও কাহিনির ভাব যথাযথভাবে ইংরেজি ভাষায় উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সাবটাইটেল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইংরেজি সাবটাইটেলের সংযোজন ছবিটির বক্তব্যকে ইংরেজিভাষী দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তু আরও বৃহত্তর দর্শকসমাজের কাছে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।

‘FILMING NOW’: এবার পরবর্তী পর্যায়ের অপেক্ষা

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে নির্মিত ‘SHYAMA’-র লক্ষ্য, ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে চলচ্চিত্রের ভাষায় নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। গবেষণা, চিত্রনাট্য, পরিচালনা ও ইংরেজি সাবটাইটেল—প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবদান নিয়ে এগিয়ে চলেছে এই প্রকল্প।

৬ জুলাইয়ের প্রথম গ্র্যান্ড অ্যানাউন্সমেন্টের পর ‘FILMING NOW’ আপডেট ছবিটির যাত্রায় একটি নতুন পর্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামী দিনে ছবিটির সঙ্গে যুক্ত আরও নানা তথ্য, নির্মাণের অগ্রগতি এবং গুরুত্বপূর্ণ চমক ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

This Durga Pujo, JSW Dulux Brings a Fresh Coat of Colour to a 250-Year-Old Kolkata Badi

This Durga Pujo, JSW Dulux Brings a Fresh Coat of Colour to a 250-Year-Old Kolkata Badi

Through the third edition of Let’s Colour, Kundu Bari’s restored spaces reconnect the family with the memories and traditions that define their Pujo celebrations

Kolkata, October 17, 2026: As the city counts down to Durga Puja, one of its oldest family homes is getting ready to welcome Ma Durga once more. Kundu Bari, a nearly 250-year-old Badi still held by descendants of the original family, has been revitalised through the third edition of JSW Dulux’s Let’s Colour initiative , so that generations of the family can celebrate Pujo in a home as vibrant as their memories of it.

For the Kundu family, Pujo has always meant coming home. Kundu Bari is one of the few heritage Badis in Kolkata still held by descendants of the original family, and a living cultural space where generations continue to uphold their Durga Puja traditions. Beyond its architecture, the Badi holds memories of childhood celebrations, family gatherings and the rituals that bring everyone home each year. With the festive season approaching, ‘Let’s Colour’ seeks to restore not just the appearance of the home but also the warmth and character of a space deeply connected to the family’s cultural identity.

Over the years, the Badi had naturally begun to show its age, with fading colours across its walls, courtyards and the Thakur Dalan, a traditional courtyard shrine space where the family welcomes the Durga idol. The restoration, using Dulux Dustproof Hi-Sheen Premium Acrylic Exterior Emulsion, has given the Badi a rich, lustrous finish in time for Pujo. Dustshield Technology helps keep surfaces cleaner through the festive footfall, anti-algal and anti-fungal properties protect against growth in Kolkata’s humid climate, and 5 Degree Sun Reflect helps the walls stay cooler. The restoration also incorporates intricate Alpana artwork, a distinctive expression of Bengal’s artistic heritage that complements the authentic character of the traditional Bengali Badi.

Speaking on the initiative, Mr. Rajiv Rajgopal, Joint Managing Director and CEO, JSW Dulux Limited, said “At JSW Dulux, we believe in using our expertise and the power of colour to create meaningful change, and through our iconic Let’s Colour initiative, we bring this belief to life by transforming spaces and communities. In our previous editions in Jodhpur and Spiti, we saw how colour and our products could help transform communities and preserve their unique identities, under extreme weather conditions. With this third edition in Kolkata, we are continuing that journey by helping restore a living legacy and the heritage it represents.”

Ms. Vandana Krishnia, Chief Marketing Officer, JSW Dulux Limited, said , “Bringing the initiative to Kolkata just ahead of Durga Puja was particularly meaningful, as a Badi is not just a home but a space where generations come together to celebrate, preserve traditions and create memories. Through the restoration of Kundu Bari and the activities planned around the festive season, we wanted to celebrate its renewed beauty and create an immersive experience that brings its cultural essence to life.”

The campaign follows the Badi from its faded pre-restoration state to its renewed avatar during Pujo. Through intimate conversations with the Kundu family, it captures how colour has brought new energy to the home and revived memories of childhood Pujo celebrations. At its heart is the thought that while a home may naturally show its age, colour can bring back the memories and emotions associated with it. The restored Thakur Dalan, welcoming the Durga idol and generations of the family, brings this idea to life, celebrating the enduring connection between home, heritage and tradition.

Through Let’s Colour, JSW Dulux continues to demonstrate that the power of colour can extend beyond surfaces, to revive meaningful spaces, preserve their character and strengthen people’s connection with the places, memories and communities they call their own.

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

ইতিহাস যখন নীরব হয়ে যায়, তখনই শুরু হয় সত্যের সন্ধান।

রাজেশ গুপ্ত পরিচালিত ঐতিহাসিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
প্রযোজনায়: রিয়েল রিলস প্রোডাকশন

কিছু কাহিনি ইতিহাস হয়ে ওঠে। আর কিছু প্রশ্ন ইতিহাসের গভীরতম রহস্য হয়ে চিরকাল থেকে যায়।

কলকাতা, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: ভারতের স্বাধীনতার প্রায় আট দশক অতিক্রান্ত। তবুও স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অধ্যায় আজও সমগ্র জাতির চেতনা, আবেগ ও কৌতূহলের গভীরে জীবন্ত— নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য ।

ইতিহাস কি আমাদের সব কথা জানিয়েছে? নাকি এমন কিছু প্রশ্ন আজও অনুত্তরিত রয়ে গেছে, যাদের উত্তর খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ?

ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও রহস্যময় এই অধ্যায়কে কেন্দ্র করেই পরিচালক রাজেশ গুপ্ত (আইআইটি-র প্রাক্তনী) নিয়ে আসছেন ঐতিহাসিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’ । শক্তিশালী কাহিনিবিন্যাস এবং সমকালীন অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে এই চলচ্চিত্র ফিরে দেখতে চায় নেতাজির অন্তর্ধানকে ঘিরে থাকা সেই প্রশ্নগুলিকে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারতবাসীর মনে আলোড়ন তুলে চলেছে।

বিভিন্ন নথিপত্র, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং পরস্পরবিরোধী ঐতিহাসিক বক্তব্যের ভিত্তিতে চলচ্চিত্রটি ১৯৪৫ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর বহুল প্রচলিত বিবরণকে ঘিরে থাকা প্রশ্নগুলির অনুসন্ধান করে। পাশাপাশি, তথ্য গোপন করার অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠে আসে নানা প্রশ্ন।

এই যাত্রার উদ্দেশ্য কেবল একটি ঐতিহাসিক রহস্যের পুনরাবৃত্তি নয়। বরং নেতাজির অসামান্য ব্যক্তিত্ব, তাঁর অদম্য সাহস, তাঁর স্বপ্ন এবং তাঁর উত্তরাধিকারের প্রতি মানুষের আগ্রহকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা। একই সঙ্গে, নেতাজির অন্তর্ধানকে ঘিরে আজও যে প্রশ্নগুলির উত্তর অধরা, সেগুলিকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানায় এই চলচ্চিত্র।

চলচ্চিত্রে প্রখ্যাত অভিনেতা যতীন কার্যেকর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভূমিকায় এবং অমিত বহল গোয়েন্দা দপ্তরের এক আধিকারিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এছাড়াও বীরেন্দ্র সাক্সেনা, অখিলেন্দ্র মিশ্র, অপূর্বা অরোরা, আকাশদীপ অরোরা, রাজীব কুমার এবং কাশ্বী গ্রোভার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

বহু লেখকের নিবিড় গবেষণা ও অধ্যয়ন থেকে অনুপ্রাণিত এই চলচ্চিত্রটি দীর্ঘ ও বিশদ শংসাপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া অতিক্রম করে কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র শংসাপত্র বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। বড় পর্দায় পৌঁছনোর দীর্ঘ যাত্রায় এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এই চলচ্চিত্রের সৃজনশীল উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক প্রশান্ত সিংহানিয়া। ঐতিহাসিক অনুসন্ধান, জনপরিসরের প্রতিষ্ঠান এবং নেতাজির উত্তরাধিকারের চিরন্তন গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে দিয়েছে এক বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে গিয়ে প্রশান্ত সিংহানিয়া বলেন:

“এই চলচ্চিত্র এমন এক আদর্শকে মানুষের সামনে তুলে ধরার আন্তরিক প্রয়াস, যাঁর স্বপ্ন ছিল আগামী এক হাজার বছর ধরে একটি স্বাধীন ভারতকে গৌরবের সঙ্গে এগিয়ে যেতে দেখা। নেতাজিকে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা মানে তাঁর চেতনা ও আদর্শকে পুনর্জাগরিত করা, যাতে দেশের তরুণ প্রজন্ম তাঁর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে জাতীয়তাবাদের পথে এগিয়ে যেতে পারে। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে বিস্মৃতির আড়ালে সরিয়ে দেওয়ার ফলে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমানের চিন্তা ও মধ্যমেধার আধিপত্য দিয়ে পূরণ করা হয়েছে।”

এই কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে দুই প্রজন্মের দুই সত্যসন্ধানী—একটি রহস্য, আর সত্যের কাছে পৌঁছনোর অদম্য অঙ্গীকার।

একজন গবেষক, যিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের অনুসন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। প্রায় একাকী, বছরের পর বছর ধরে তিনি খুঁজে চলেছেন সেই প্রশ্নগুলির উত্তর, যেগুলি আজও অস্পষ্টতার আড়ালে রয়ে গেছে।

অন্যদিকে, এক তরুণী। সত্যকে জানার অদম্য আকাঙ্ক্ষা তাকে চালিত করে। সে এক নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি—যে প্রজন্ম ইতিহাসকে কেবল মেনে নিতে চায় না, ইতিহাসের অনুচ্চারিত অধ্যায়গুলিকেও বুঝতে চায়, প্রচলিত বয়ানের ফাঁকগুলি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চায়।

দুজনের যাত্রাপথ এক সময় এসে মিলিত হয়। কৌতূহল রূপ নেয় সংগ্রামে, প্রশ্ন পরিণত হয় সংকল্পে। আর সত্যের সন্ধান হয়ে ওঠে সাহস, ধৈর্য, অধ্যবসায় ও ন্যায়বিচারের এক আবেগঘন কাহিনি।

পরিচালক রাজেশ গুপ্তের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রায় এই ছবিটি আরও একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘চাড্ডি বাডিজ’ এবং ‘ দ্য ফ্ল্যাট’ সম্মিলিতভাবে ১২টি পুরস্কার অর্জন করেছে। অন্যদিকে, তাঁর পরিচালিত হিন্দি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আনলক জিন্দগি’ (২০২২) নির্বাচিত হয়েছিল ১৩টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এবং মিলান, মেক্সিকো ও বস্টনে শ্রেষ্ঠ কাহিনিনির্ভর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিল।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে পরিচালক রাজেশ গুপ্ত বলেন:

“এই চলচ্চিত্র কখনওই কেবল ইতিহাসকে নতুন করে দেখার প্রচেষ্টা ছিল না। এর উদ্দেশ্য ছিল সেই প্রশ্নগুলিকে সামনে আনা, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ করে এসেছে। আমরা এমন একটি কাহিনি তুলে ধরতে চেয়েছি, যা দর্শকদের ভাবতে, আত্মসমীক্ষা করতে এবং নিজেরাই সত্যের অনুসন্ধানে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আজকের এই পর্যায়ে পৌঁছনো আমাদের প্রত্যেকের কাছে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও অর্থবহ একটি মুহূর্ত।”

‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’ -এর মাধ্যমে রিয়েল রিলস প্রোডাকশন নেতাজির অসামান্য উত্তরাধিকার, ঐতিহাসিক স্মৃতির জটিলতা এবং কঠিন প্রশ্ন তোলার গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে জাতীয় আলোচনার সূত্রপাত করতে চায়।

এই চলচ্চিত্র বিশেষত তরুণ প্রজন্ম-সহ প্রত্যেক দর্শককে আহ্বান জানায়, যাঁরা ইতিহাসকে কেবল প্রচলিত বয়ান বা শোনা কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। বরং ইতিহাসের বিভিন্ন দিককে বুঝতে চান এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই অধ্যায়ের মুখোমুখি হতে চান, যা আজও রহস্য, কৌতূহল ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

কারণ, নেতাজি কেবল ইতিহাসের একটি নাম নন। তিনি একটি আদর্শ, একটি সংকল্প, একটি স্বাধীন ভারতের স্বপ্নের প্রতীক—যে স্বপ্নের জন্য অসংখ্য ভারতবাসী নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছিলেন।

তাঁর কাহিনি আজও আমাদের আহ্বান জানায়। তাঁর জীবনকে ঘিরে থাকা প্রশ্নগুলি আজও আমাদের তাড়া করে ফেরে। আর তাঁর উত্তরাধিকার আজও আমাদের সত্যের সন্ধান চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র
ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত এক রহস্য।
সত্যের সন্ধানে এক অদম্য সংকল্প।
এমন এক উত্তরাধিকার, যা কখনও ম্লান হয় না।

……………………………………………………………………………………………………………

Shyam Metalics Presents ‘Shakti Ek Roop Anek’- A One-of-a-Kind Durga Puja Spectacle Celebrating the Many Forms of ShaktiAn immersive celebration of hope, memories and care, bringing together extraordinary Puja experiences, inspiring real-life stories and a heartfelt tribute to Bengal Police.

Shyam Metalics Presents ‘Shakti Ek Roop Anek’- A One-of-a-Kind Durga Puja Spectacle Celebrating the Many Forms of Shakti
An immersive celebration of hope, memories and care, bringing together extraordinary Puja experiences, inspiring real-life stories and a heartfelt tribute to Bengal Police.

Kolkata, 13th October: This Durga Puja, Shyam Metalics is set to bring Kolkata alive with ‘Shakti Ek, Roop Anek’—a distinctive celebration of creativity, culture and compassion that explores the many expressions of Shakti in everyday life Rooted in the brand’s core values of Shakti, Suraksha and Samvedana, the campaign brings together immersive installations, inspiring stories of hope and meaningful community initiatives to create memorable festive experiences across the city.

Moving beyond the grandeur of traditional Puja celebrations, ‘Shakti Ek, Roop Anek’ celebrates Shakti through three powerful expressions: Ummeed (Hope), Yaadein (Memories) and Sukoon (Comfort and Care). From turning heartfelt wishes into possibilities and celebrating the art and culture of Bengal to recognising the tireless efforts of Bengal Police, the initiative reflects a simple yet powerful belief: Shakti is not merely a symbol of strength, but a force that nurtures dreams, creates lasting memories and brings comfort when it is needed most.

At the heart of the campaign is the Wall of Shakti, a distinctive installation crafted using SEL Tiger TMT Bars and featuring a prominent structure of Maa Durga. Visitors can place their wishes on the wall, with Shyam Metalics undertaking to fulfil selected wishes and bring its promise of “Sapne Pure Honge” to life. The initiative celebrates the transformative power of hope and demonstrates how meaningful support can help turn aspirations into reality.

Adding to the festive experience, the Shakti Tunnel will offer visitors an immersive celebration of Bengal’s art, culture and the spirit of Durga Puja through striking visuals and interactive selfie experiences. The installation aims to create a memorable space where visitors can engage with the many cultural expressions of Shakti while capturing moments of their festive celebrations.

Extending the spirit of care and gratitude, the campaign will also introduce Shakti Booths—resting kiosks for Bengal Police personnel who work tirelessly throughout the festive season to ensure public safety and maintain order across the city. These spaces will offer police personnel a moment of respite amid their demanding duties. Visitors will also be encouraged to leave messages of appreciation for the personnel, which will be handed over to police officials after Durga Puja as a gesture of collective gratitude.

The three principal campaign experiences will be featured at prominent Durga Puja destinations across Kolkata, including Mudiali Club, New Town Sarbojanin Durgotsab Samiti and Tala Barowari Durgotsab Samiti. In addition, Shyam Metalics will establish Shakti Booths across 30 Durga Puja pandals in Bengal, extending its gesture of care and appreciation to the personnel working on the ground throughout the festive period.

Commenting on the campaign, Mr. Sumit Chakraborty, Director – Corporate Affairs, External Relations & CSR, Shyam Metalics, said, “At Shyam Metalics, we believe that our responsibility towards society goes beyond business and extends to creating meaningful, positive change in the communities we serve. ‘Shakti Ek, Roop Anek’ is an expression of this commitment, bringing together hope, cultural celebration and care for those who work tirelessly for the safety of our city. Through the Wall of Shakti, we aim to support aspirations and turn selected wishes into reality, while the Shakti Booths are a gesture of gratitude towards Bengal Police for their dedication throughout Durga Puja. We hope these initiatives make the festive season more inclusive and meaningful, reflecting the true spirit of compassion, collective strength and community.”

Mr. Nirmal Uday, COO, Shyam Metalics, added, “Durga Puja is a celebration of Shakti in its many beautiful and powerful forms. At Shyam Metalics, we wanted to take this thought beyond symbolism and create experiences that people can truly connect with—through hope, through memories and through care. ‘Shakti Ek, Roop Anek’ reflects our belief that strength finds its greatest meaning when it makes a difference in people’s lives. The Wall of Shakti, in particular, brings this belief to life, as the wishes and stories of its participants remind us how the right support can help turn a dream into reality. Through our festive installations, our tribute to Bengal Police and our celebration of Bengal’s rich cultural spirit, we hope to contribute to a Durga Puja that is more meaningful, inclusive and memorable for the city we are proud to call home.”

Through ‘Shakti Ek, Roop Anek’, Shyam Metalics seeks to celebrate Durga Puja beyond the festivities, bringing together the spirit of hope, the joy of shared memories and the importance of care for the community. By creating experiences that connect with people and recognising those who work tirelessly to keep the city safe, the initiative honours the enduring spirit of Shakti that makes Bengal’s greatest festival truly special.