সাম্প্রতিক
(PUEA) organized a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata

(PUEA) organized a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata

The Progressive United Engineers’ Association (PUEA), the largest organization of engineers in West Bengal, celebrated National Engineers’ Day with a colorful program at Dhandhanya Auditorium in Kolkata. This day is celebrated to commemorate the birth anniversary of the legendary engineer Sir Mokshagundam Visvesvaraya (Sir M. V.), who was awarded the Bharat Ratna. The distinguished guests were

Union Minister Shri Sukanta Majumdar

Minister of State Shri Dilip Ghosh

Minister of State Shri Ajay Kumar Poddar

Progressive United Engineers Association was represented by

Shri Subrata Ghosh

Anirban Ojha

Devaraj Singh Roy

Anupam Sarkar

Anant Nandi, etc.

About 750 engineers working in various technical departments of the West Bengal Government are participating.

সারা ভারত জুড়ে শ্রমিক স্বার্থে BMS এর ডেপুটেশন কর্মসূচি

সারা ভারত জুড়ে শ্রমিক স্বার্থে BMS এর ডেপুটেশন কর্মসূচি

কৃষ্ণ প্রসাদ পাত্র :— ১৭ই আগস্ট ভারতের তথা বিশ্বের সবচেয়ে বড় শ্রমিক সংগঠন বি এম এস এর ডাকে ভারতের সমস্ত পিএফ অফিসের সদর কার্যালয়ে তাদের দীর্ঘদিনের দশ দফা দাবির ভিত্তিতে ডেপুটেশন জমা করেন। দাবিগুলি হল প্রতিটি শ্রমিকের ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০০০০ টাকা করতে হবে। ই এসআইসির আওতাভুক্ত বেতনের উর্ধ্বসীমা ২১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪২০০০ টাকা করতে হবে।
ন্যূনতম ইপিএস পেনশন বাড়িয়ে মাসিক ২৭ হাজার ৫০০ টাকা করতে হবে। দিতে হবে মহার্ঘ ভাতা এবং চিকিৎসার সুবিধা। Epf এর আওতা ভুক্ত বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ১৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। বোনাস গণনার ঊর্ধ্বসীমা ৭০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৮০০০ টাকা করতে হবে। বোনাস পাওয়ার যোগ্যতার বেতনের ঊর্ধ্বসীমা ২১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪২ হাজার টাকা করতে হবে। স্কিম কর্মীদের সামাজিক ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের জন্য সমকাজে সমবেতন দিতে হবে। শ্রম আইন বা লেবারকোডে থাকা শ্রমিক বিরোধী বিধানগুলি বাতিল করতে হবে। গ্র্যাচুইটির উর্ধসীমা বাড়িয়ে ৪০ লক্ষ টাকা করতে হবে।
এই ১০ দফা দাবি নিয়ে ডেপুটেশন জমা করলো কথা জেলা বি এম এস কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য যে আজ প্রবলবৃষ্টি সত্ত্বেও ডেপুটেশন কর্মসূচিতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কলকাতা জেলা বি এম এস এর সম্পাদক দেবত্তম পান, অল ইন্ডিয়া NFGIE(BMS) এর জেনারেল সেক্রেটারি, পশ্চিমবঙ্গ BMS এর ইন্সুরেন্স প্রভারী, BRICKS কমিটির সদস্য এছাড়াও কলকাতা জেলা কমিটির সদস্য ও চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের বিএমএস এর সেক্রেটারি হিমাদ্রি ভট্টাচার্য বললেন যে আজকের ডেপুটেশন কর্মসূচি সম্পূর্ন সফল। PF কমিশনার তাঁদের কথা মনোযোগ সহকারে শুনেছেন এবং তা সমাধান এর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এর আশ্বাস দিয়েছেন। এছাড়াও এদিন ডেপুটেশনে যোগ দিয়েছিলেন বিএমএস পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সদস্য ও এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের সেক্রেটারি প্রভাস কুমার মন্ডল ও ইস্টার্ন রেল পি আর কে এস এর জেনারেল সেক্রেটারী মন্টু কুমার তেওয়ারি ছাড়াও অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।

TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘আবার বছর কুড়ি পরে….তসলিমা’, ১৯ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘আবার বছর কুড়ি পরে….তসলিমা’, ১৯ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

কলকাতা, ১৯ জুলাই: উগ্র মৌলবাদের বিরুদ্ধে আপসহীন কলম, অন্যদিকে ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি—এই দুইয়ের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে দীর্ঘ দুই দশক ধরে বাংলা থেকে নির্বাসিত তসলিমা নাসরিন। ১৯৯৩ সালে ‘লজ্জা’ উপন্যাসে ওপার বাংলার হিন্দু নির্যাতন আর ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে গর্জে উঠে দেশছাড়া হয়েছিলেন লেখিকা। এরপর ২০০৭ সালে কলকাতার রাজপথে মৌলবাদীদের নজিরবিহীন তাণ্ডবের মুখে এই বাংলা থেকেও তাঁকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল তৎকালীন বাম সরকার। পরিবর্তনে এসে তৃণমূল সরকারও সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কের অঙ্কে তাঁকে ফেরানোর ঝুঁকি নেয়নি। কিন্তু সময়ের সঙ্গে কি অবশেষে বদলাচ্ছে রাজনীতির সমীকরণ? পরিবর্তিত বাংলাদেশে যখন মৌলবাদের ভয়াল রূপ প্রকট, তখন এই বাংলায় তসলিমার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন কি কোনো নতুন রাজনীতির ইঙ্গিত? বিজেপি ক্ষমতায় আসতেই কেন পাল্টে গেল ছবিটা? তৃণমূলের দেড় দশকের শাসনের পর এই প্রশ্নটা উঠেই যাচ্ছে, মুক্ত চিন্তার কণ্ঠরোধ করে ভোটব্যাঙ্কের এই তোষণ আমাদের আর কতদিন অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেবে? উত্তর খুঁজতেই গ্রাউন্ড জিরো রিপোর্টিং ও বিশেষজ্ঞদের মতামত সহ TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘আবার বছর কুড়ি পরে….তসলিমা’, ১৯ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

সারেঙ্গার শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন।

সারেঙ্গার শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন।


শুভদীপ মন্ডল বাঁকুড়া।:– জঙ্গলমহলের সারেঙ্গা ব্লকের ধানাড়া বিক্রমপুর ইউনিয়ন শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের উদ্যোগে আজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হল। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাইপুর বিধানসভার বিধায়ক ক্ষেত্রমোহন হাঁসদা সাথে ছিলেন সারেঙ্গা দক্ষিণ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তন্ময় চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট মানুষজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ । এদিন ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক সহ অতিথিবৃন্দ ও বিশিষ্ট মানুষজন। পাশাপাশি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় বিজয় বসন্ত মন্ডলের আবক্ষ মূর্তিতে ফুল মালা দিয়ে শ্রদ্ধা বিধায়কসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। আজকের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুব্রত পাত্র বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, স্কুল ভবনের ছাদ থেকে চাঙড় খসে পড়ছে, একাধিক শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা নষ্ট, নেই সীমানা প্রাচীর। নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ বন্ধ রাখতে হয়েছে, ফলে পঠন-পাঠন ব্যাহত হচ্ছে।
এরপর বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা স্কুল ভবন পরিদর্শন করেন। তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের মধ্যে একটি লিখিত আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এখানে উল্লেখ্য স্বাধীনতার পর পরই ১৯৪৮ সালে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় ধানাড়া বিক্রমপুর ইউনিয়ন শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিদ্যালয়টি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকায় ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর নামাঙ্কিত বিদ্যালয় দক্ষিণ বাঁকুড়ায় সম্ভবত এটি রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতা ছিল বলেই তাঁর নামেই স্কুলটির নামকরণ করা হয়। স্থানীয় অভিভাবকরা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ বলেন অন্যান্য বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস গুলি বন্ধ হয়ে গেলেও বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে ছাত্রাবাস চালু রয়েছে, যা এলাকার বহু পড়ুয়ার শিক্ষার অন্যতম ভরসা।
সারেঙ্গা ব্লকের প্রাচীনবিদ্যালয় গুলির মধ্যে এটি অন্যতম।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম বার্ষিকী পালন ।

ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম বার্ষিকী পালন ।


সঞ্জয় হালদার,

মহান শিক্ষাবিদ, প্রখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক, ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান বিধানসভার ধাদকা অঞ্চলের লতাপাড়া গ্রামে শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়। যেখানে বহু মানবিক রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাঁদের হাতে হেলমেট তুলে তুলে দেন মাননীয় বিধায়ক সেন বাসকে মহাশয়।
রক্তদান মানে জীবনদান আর হেলমেট মানে জীবনের সুরক্ষা। মানবসেবা ও জনসচেতনতার এই মহৎ উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী সকল রক্তদাতা, আয়োজক এবং সহযোগীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় বিধায়ক লব সেন বাসকে মহাশয় বান্দোয়ান ব্লকের বিডিও রুদ্রাসিস ব্যানার্জি, বিশিষ্ট সমাজসেবী কলেন্দ্রনাথ মান্ডি ও মানষ দত্ত এএসআই

ফুলবাগানে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন তাপস রায়….।

ফুলবাগানে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন তাপস রায়….।


গোপাল দেবনাথ : কলকাতা, সোমবার ৬ জুলাই ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ তম জন্ম দিবস। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে এই দিনটি। এই রাজ্যে নতুন বি জে পি সরকার আসার পর এই দিনটি কে বিশেষভাবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। সারা রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে উদযাপিত হচ্ছে ভারত কেশরীর জন্মদিন। উত্তরপূর্ব কলকাতার বেলেঘাটা ফুলবাগানে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ইনস্টিটিউশন এর সামনে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি’র ১২৫ তম জন্মদিবস উপলক্ষে ড. মুখার্জির আবক্ষ মূর্তির পুনঃ প্রতিষ্ঠা হল। এদিন সকালে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত হয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী মাননীয় শ্রী তাপস রায় সাথে ছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রাক্তন সদস্যা ড. শ্রীমতি অর্চনা মজুমদার। এই আবক্ষ মূর্তির পুনঃপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ছিলেন আয়োজক সংস্থা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্মৃতি রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু তুরি, আহ্বায়ক জয়প্রকাশ প্রসাদ এবং পাপ্পু তুরি সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ইনস্টিটিউশন ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

শ্রমিক জাগরণ সভায় অত্যাচার আর সহ্য নয়

শ্রমিক জাগরণ সভায় অত্যাচার আর সহ্য নয়

:গোপাল চক্রবর্তী :ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ এর উদ্যোগে ১৯জুন সল্টলেকের এস ডি এফ মোড়ে অনুষ্ঠিত হোলো এক ঐতিহাসিক “শ্রমিক জাগরণ সভা “। শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হন হাজার হাজার শ্রমিক ভাই ও বোনেরা। এদিনের সভার মূল বার্তা ছিলো -“অত্যাচার আর সহ্য নয়, শ্রমিকের অধিকার দিতেই হবে।” এদিন ছিলেন বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা (টেলিকম ইউনিয়ন )বৈদ্য দে, সারা ভারত মহিলা প্রতিনিধি তাপসী সিকদার, বিধান নগর অঞ্চলের কর্মী স্বদেশ মজুমদার, বিশিষ্ট আইনজীবী গোরা সরকার, বলরাম নাইয়া, কিরণ হালদার, সভাপতি প্রশান্ত চক্রবর্তী, প্রতাপ গায়েন। সভায় বক্তারা কোম্পানির মালিকও সহ -মালিকদের করা হুশিয়ারী দিয়ে বলেন শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এদিন শ্রমিক দের অভিযোগ জানানোর জন্য বিশেষ “অভিযোগ বাক্স “চালু করার ঘোষণা করা হয়। বিশিষ্ট অতিথিরা বলেন শ্রমিক শক্তিশালী হলে দেশের অর্থ নীতি শক্তি শালী হবে।

TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি!’, ২১ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়…

TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি!’, ২১ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়…

কলকাতা, ২১ জুন: রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে কলকাতার নিউ আলিপুর থানা থেকে তোলাবাজি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে ৪ জুন, ২০২৬-এ গ্রেফতার করা হয়। টালিগঞ্জ ও নিউ আলিপুর এলাকায় প্রোমোটারদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অর্থ আদায় এবং শিল্পীদের হেনস্থা করার মতো অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। স্টুডিওপাড়ায় শিল্পীদের কাছে তোলা বা চাঁদা আদায় এবং মহিলাদের সাথে অশালীন আচরণের অভিযোগে স্বরূপ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারির পর স্থানীয় মানুষ নিউ আলিপুর থানার সামনে জড়ো হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। স্বরূপ বিশ্বাস সরাসরি কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি বা কাউন্সিলর না হওয়া সত্ত্বেও, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এলাকায় ‘থ্রেট কালচার’ চালাতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মাথায় ছিল দাদার হাত। দাদা মন্ত্রী হলে সাত খুন মাফ। আর দাদা যদি লিওনেল মেসির ‘বাল্য বন্ধু’ হন তাহলে তো আর কথাই নেই! সুরুচি সঙ্ঘকে সামনে রেখে কেমন করে জুলুমবাজি চলেছে? প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হাত মাথায় ছিল বলেই কি বিশ্বাস ভাইয়েরা ধরাকে সরা জ্ঞান করছিলেন? ভুক্তভুগীদের অভিজ্ঞতা, বিশেষজ্ঞদের মতামত ও গ্রাউন্ড রিপোর্টিং সহ TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স অ্যান্ড কোম্পানি!’, ২১ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান ২০২৬” এর বিশেষ জেলা প্রস্তুতি।

পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান ২০২৬” এর বিশেষ জেলা প্রস্তুতি।

সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়া জেলা বিজেপি কার্যালয়ে “পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান ২০২৬” এর বিশেষ জেলা প্রস্তুতি বৈঠকে অনুষ্ঠিত হয় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সকলের প্রিয় জেলা ইনচার্জ তুষার বাবু ও জেলা সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব মুখার্জি মহাশয়।
এই বৃহৎ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হল দলীয় কর্মীদের আদর্শগত চেতনা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং জনসংযোগের সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় করা। এর মাধ্যমে কর্মীদের মধ্যে দলের নীতি, দর্শন ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে গভীরতর ধারণা গড়ে তোলার পাশাপাশি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি করা,
প্রশিক্ষণ শিবিরে সাংগঠনিক কাঠামো, নেতৃত্ব বিকাশ, সামাজিক যোগাযোগ, ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা হয়, ফলে একটি আদর্শনিষ্ঠ, দক্ষ ও জনমুখী সাংগঠনিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্য বাস্তবায়িত হবে।

বান্দোয়ানে যুব মোর্চার সভা

সঞ্জয় হালদার,

বান্দোয়ান বিধানসভা যুব মোর্চার উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আসন্ন কর্মসূচি, সংগঠনের শক্তিবৃদ্ধি, বুথ স্তরে সংগঠনকে আরও সুসংহত করা এবং যুব সমাজকে জাতীয়তাবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
বৈঠকে উপস্থিত সকল কর্মী ও পদাধিকারীরা সংগঠনের আদর্শ ও নীতিকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সংকল্প গ্রহণ করেন। যুব শক্তির ঐক্য, নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের মাধ্যমেই বান্দোয়ান বিধানসভা এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির সাংগঠনিক ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়।
মাননীয় নেতৃত্বের দিকনির্দেশনা ও কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আগামী দিনে সংগঠন আরও শক্তিশালী হয়ে মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করবেএই প্রত্যয় নিয়েই বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়।