সাম্প্রতিক
শিশুর অধিকার – অভিভাবকত্ব নিয়ে সভা কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন কমিটির

শিশুর অধিকার – অভিভাবকত্ব নিয়ে সভা কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন কমিটির

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

শনিবার বিকেলে কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন এবং কনসিলিয়েশন কমিটির পরিচালনায়
‘শিশুর সাথে সাক্ষাতের অধিকার ,অভিভাবকত্ব নির্দেশিকা এবং প্যারেন্টিং প্ল্যান’ বিষয়ে শতাধিক মিডিয়েটরদের জন্য পরিচিতিমূলক অধিবেশন হলো। এই অধিবেশনের সহযোগিতায় ছিল ‘আয়ুষ্মান ইনিশিয়েটিভ ফর চাইল্ড রাইটস’ নামে এক সংস্থা। কলকাতা হাইকোর্টের ‘দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস মেমোরিয়াল অডিটোরিয়ামে’ এই সভাটি হয়। উক্ত সভায় স্বাগত ভাষণ দেন মিডিয়েশন এবং কনসলিডেশন কমিটির সদস্য সচিব শ্রী সুদীপ ব্যানার্জি । কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি শ্রীমতী মধুমতী মিত্র, প্রাক্তন বিচারপতি তৌফিক উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েশন এবং কনসিলিয়েশন কমিটির ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শ্রী ড:, শুভাশিস মুহুরি জানান -” জমে থাকা মামলা আপস মিমাংসায় কমাতে প্রশিক্ষিত মিডিয়েটরদের শিশুর অধিকার – অভিভাবকত্ব নিয়ে বিস্তারিত আইনী আলোচনা হলো”।এই সভা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মিডিয়েশন কমিটির স্টাফ মহম্মদ নৌশাদ,আকবর আলী,সুমন দাস,সুপ্রিয় বনিক,সায়ন চ্যাটার্জি, কৌশিক কোলি প্রমুখ ছিলেন সদা তৎপর।

কুমুদ সাহিত্য মেলা ও আদালত, বিচারপতি বড়ুয়া কে সংবর্ধনা প্রদান 

কুমুদ সাহিত্য মেলা ও আদালত, বিচারপতি বড়ুয়া কে সংবর্ধনা প্রদান 

পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের  সাথে এবং কুমুদ সাহিত্য মেলার সাথে আদালতের সম্পর্ক একে অপরের পরিপূরক। পল্লিকবি কুমুদরঞ্জন মল্লিকের পুত্র জ্যোৎস্নানাথ মল্লিক ছিলেন জেলা ও দায়রা বিচারক। আবার জ্যোৎস্নাবাবুর পুত্র সুধেন্দুনাথ মল্লিক ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি, রত্ন প্রাপক, অতিথিবর্গদের একাংশ আদালতের সাথে নিবিড় বন্ধনে রয়েছেন বা ছিলেন। ইতিমধ্যেই ‘অল ইন্ডিয়া লিগ্যাল এইড ফোরামে’র সহযোগিতায় কলকাতায় সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মাননীয় কে.জে বালাকৃষ্ণন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মাননীয় ইন্দ্র প্রসন্ন মুখার্জি মহাশয় কে প্রয়াত বিচারপতি সুধেন্দুনাথ মল্লিক নামাঙ্কিত রত্ন সম্মান জানানো হয়েছে। সেইসাথে পল্লিকবি স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা রাজ্যের লোকায়ুক্ত মাননীয় রবীন্দ্রনাথ সামন্ত মহাশয় উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ।এর পাশাপাশি প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লা (আমার বাবা) নামাঙ্কিত সম্মান আইনজীবীদের দেওয়া হয়। প্রতি বছর ৩ রা মার্চ কুমুদ সাহিত্য মেলায়  বর্ষীয়ান আইনজীবী শ্যামল ঘটক, সিদ্ধার্থ মুখার্জি,  আনসার মন্ডল,  সিটি সেশন কোর্টের  আইনজীবী অলোক কুমার দাস, বর্ধমান জেলা আদালতে  আইনজীবী সঞ্জয় ঘোষ,কাটোয়া আদালতে আইনজীবী মাধব বন্দ্যোপাধ্যায় (প্রয়াত), সর্বপরি কলকাতা হাইকোর্টের প্রখ্যাত আইনজীবী জয়ন্তনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু সিংহরায়, চন্দ্রশেখর বাগ,জয়দীপ মুখার্জি, বিশ্বপ্রিয় রায়, মাসুদ করীম ড:, সিদ্ধার্থ গোস্বামী  প্রমুখ বিভিন্ন সময়ে সম্মানিত হয়েছেন। এছাড়া হাওড়া জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ, হুগলি জেলা আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ সর্বপরি রাজ্য আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের একাধিক স্টাফ আমাদের কুমুদ সাহিত্য মেলায় সম্মানিত হয়েছেন।

রবিবার রোটারি সদনে কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ও রাজ্যের প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (বিচার বিভাগ)  মাননীয় অরুণাভ বড়ুয়া মহাশয় কে আমরা সম্মান জানাতে পেরে গর্বিত । 

💐 মোল্লা জসিমউদ্দিন (টিপু)

‘লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস’ এর পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা শংসাপত্র প্রদান ও স্মরণিকা প্রকাশ

‘লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস’ এর পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা শংসাপত্র প্রদান ও স্মরণিকা প্রকাশ

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

রবিবার বিকেলে কলকাতার রোটারি সদনে ‘লিগ্যাল এইড সার্ভিসেস’ সংস্থার তরফে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা (কাউন্সিলিং) শংসাপত্র প্রদান এবং বিচারপতি ডি. কে বসু স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ অনুষ্ঠান চলে। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ইন্দিরা ব্যানার্জি, কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন দুজন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার, বিচারপতি প্রদীপ্ত রায়।এছাড়া কলকাতা হাইকোর্টের দুইজন বিচারপতি অনিরুদ্ধ রায় ও চৈতালি চ্যাটার্জি দাস এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর আশুতোষ ঘোষ,গণমাধ্যম কেন্দ্রের প্রাক্তন কর্মকর্তা নিতীশ ভট্টাচার্য প্রমুখ ছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় উক্ত সংস্থার ১২ তম ব্যাচে ৪৭ জন শিক্ষার্থীদের পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা (কাউন্সিলিং) শংসাপত্র প্রদান করা হয় বলে জানিয়েছেন সংস্থার সম্পাদক বিপ্লব কুমার সরকার। সর্বপরি বিচারপতি ডি. কে বসু স্মরণে স্মরণিকা প্রকাশ হয়।এছাড়া উক্ত সংস্থার চেয়ারম্যান (কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি,প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি বিচার বিভাগ ) অরুণাভ বড়ুয়া মহাশয় কে ‘কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি’র তরফে প্রাক্তন বিচারপতি সুধেন্দুনাথ মল্লিক নামাঙ্কিত সম্মান তুলে দেন মোল্লা জসিমউদ্দিন, সমরেন্দু চক্রবর্তী, বিশ্বজিৎ পাল প্রমুখ।

ইন্টার্নিশিপ কর্মসূচি আয়োজনে রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

ইন্টার্নিশিপ কর্মসূচি আয়োজনে রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

সোমবার সিটি সিভিল কোর্টে অবস্থিত রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (এসএলএসএ) দ্বিতীয় দিনে তাদের চলমান ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কলকাতা পুলিশ আইন ইনস্টিটিউটের ইন্টার্নদের ইন্টার্নিশিপ কর্মসূচি পালন করে থাকে ।এই সভাটি পরিচালনা করেন রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর সদস্য সচিব শ্রীমতী মুন চক্রবর্তী, এবং রেজিস্ট্রার-কাম-উপসচিব শ্রীমতী অর্চিতা সেন ও উপসচিব শ্রীমতী স্বাতী মৌলিক । তাঁরা ইন্টার্নদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আইনি পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যকারিতা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে নালসা প্রকল্প, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের উপর আলোকপাত করা হয়। ইন্টার্নরা সমাজের দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে পারেন।

পুরুলিয়ায় মহাসমারোহে পালিত হলো বিশেষ জাতীয় লোক আদালত

পুরুলিয়ায় মহাসমারোহে পালিত হলো বিশেষ জাতীয় লোক আদালত

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

শনিবার সারা দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতের পাশাপাশি পুরুলিয়া জেলা আদালতে বসেছিল বিশেষ জাতীয় লোক আদালত। এদিন পুরুলিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সন্দীপ চৌধুরীর নেতৃত্বে ও জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডলের পরিচালনায় জেলার সদর আদালত ও রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে ২ টি বেঞ্চ হয়।পুরুলিয়া জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডল জানান – ” এই বিশেষ লোক আদালতে মামলা গুলির শুনানি চলে। ১৮৪ টি নথিভুক্ত মামলার একাংশ উভয়পক্ষের সম্মতিতে মিটেছে । মামলাগুলির আর্থিক পরিমাণ ১১ লাখ ৬০ হাজার টাকা”। উল্লেখ্য ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনে মামলা নিষ্পত্তির জন্য পুরুলিয়া জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ লোক আদালতের আয়োজন করে।১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার অধীনে উদ্ভূত মামলাগুলির পক্ষগণের মধ্যে মধ্যস্থতা ও পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে সৌহার্দ্যপূর্ণ নিষ্পত্তির সুবিধার্থে এই বিশেষ লোক আদালতের আয়োজন করা হয়েছিল। এই উদ্যোগটির লক্ষ্য ছিল বিরোধের দ্রুত, সাশ্রয়ী এবং কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করা, যার ফলে আদালতে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা হ্রাস পাবে। আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ আইন, ১৯৮৭-এর বিধান অনুসারে পক্ষগণকে পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য নিষ্পত্তিতে পৌঁছাতে উৎসাহিত করে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।

রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি

রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিনিধি,

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ তাদের ইন্টার্নশিপ কর্মসূচির অংশ হিসেবে কলকাতা পুলিশ আইন ইনস্টিটিউটের একদল উৎসাহী ইন্টার্নকে আতিথ্য প্রদান করে আনন্দিত হয়েছে।এই অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় সদস্য সচিব শ্রীমতী মুন চক্রবর্তী, রেজিস্ট্রার-কাম-উপসচিব শ্রীমতী অর্চিতা সেন এবং উপসচিব শ্রীমতী স্বাতী মৌলিক। তাঁরা ইন্টার্নদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং আইনি পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যপ্রণালী সম্পর্কে মূল্যবান ধারণা প্রদান করেন।রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়িত বিভিন্ন উদ্যোগ ও প্রকল্পের উপর একটি বিশদ উপস্থাপনা প্রদান করা হয়। ইন্টার্নদের বিভিন্ন NALSA প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়ন এবং সমাজের দুর্বল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সম্পর্কে অবহিত করা হয়।উপস্থাপনাটিতে ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণ প্রকল্প, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদানের প্রক্রিয়া, আইনি পরিষেবা পাওয়ার যোগ্যতার মানদণ্ড, জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের (ডিএলএসএ) কার্যক্রম, লোক আদালত, মধ্যস্থতা, আইনি সচেতনতা কর্মসূচি এবং আইনি পরিষেবা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও অন্তর্ভুক্ত ছিল।উপস্থাপনার পর একটি আকর্ষণীয় আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইন্টার্নরা বেশ কিছু চিন্তাশীল প্রশ্ন উত্থাপন করে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। মাননীয় সদস্য সচিব, রেজিস্ট্রার-কাম-ডেপুটি সেক্রেটারি এবং ডেপুটি সেক্রেটারি প্রতিটি প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেন এবং আইনি সহায়তা প্রদান, ভুক্তভোগী ক্ষতিপূরণ, নালসা প্রকল্পের বাস্তবায়ন এবং আইনি পরিষেবা কাঠামোর সামগ্রিক কার্যকারিতার বাস্তব দিকগুলো ব্যাখ্যা করেন। এই আলোচনা ইন্টার্নদের বিচার ব্যবস্থা এবং ন্যায়বিচারে সকলের সমান প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সম্পর্কে গভীরতর ধারণা প্রদান করে।

প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার দশম মৃত্যুবাষিকী

প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার দশম মৃত্যুবাষিকী

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের পদিমপুর গ্রামে প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্থানীয় মসজিদে এক দোওয়ার মজলিস বসে। শতাধিক ধর্মপ্রাণ এই দোওয়ার মজলিসে ছিলেন। প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লা কর্মজীবনে একাধারে সাংবাদিক – অতিথি অধ্যাপক – শিক্ষক হিসাবে যেমন কর্মজীবন কাটিয়েছেন , ঠিক তেমনি অপরদিকে আইনজীবী – সর্বপরি ৩০ টা বছর রাজ্যের বিভিন্ন নিম্ন আদালতে বিচারক পদে ছিলেন তিনি । কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে ‘প্রথম ব্যাচে’ এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর সর্বভারতীয় ইংরেজি এক দৈনিক কাগজে সাংবাদিকতা করেন তিনি।এরপর কাটোয়ার কাশিরাম দাস ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন। কাটোয়া কলেজে পলিটিকাল সায়েন্সের অতিথি লেকচারার ছিলেন একদা তিনি। এরপর কাটোয়া মহকুমা আদালতে প্রখ্যাত আইনজীবী তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জুনিয়র’ হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করে গেছেন ।১৯৮৩ সালে রাজ্যের জুডিশিয়াল পরীক্ষায় টপারদের মধ্যে ছিলেন মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লা ।সদর বর্ধমান, আরামবাগ, কালনা,সিউডি, দাঁতন,আলিপুর,আলিপুরদুয়ার,বসিরহাট, মেদনীপুর,গড়বেতা,শ্রীরামপুর প্রভৃতি আদালতে সিভিল / ক্রিমিনালে বিচারক হিসাবে ছিলেন তিনি।রাজ্য আইনমহলে তাঁর রায়দান এখনও আলোচিত হয়। ২০১৬ সালে এই দিনে প্রয়াত বিচারক পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের পদিমপুরে নিজ বাড়িতে মারা যান।তাঁর পৈতৃক ভিটা কাটোয়ার শ্রীখণ্ড এলাকায়।২০১৭ সাল থেকে মঙ্গলকোটের কোগ্রামে ‘কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি’ তাঁর স্মরণে সম্মান প্রদান করে থাকে। যেখানে কলকাতা হাইকোর্টের একদা এজিপি আনসার মন্ডল, আইনজীবী শীর্ষেন্দু সিংরায় – মাধব বন্দ্যোপাধ্যায়দের মত ব্যক্তিত্বরা সম্মানিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার বড় ছেলে মোল্লা জসিমউদ্দিন (নন এডভোকেট মিডিয়েটর – কলকাতা হাইকোর্ট,আইনী সংবাদদাতা )।

‘স্যার’ তালিকায় নাম না থাকায় রেশন – অন্নপূর্ণা যোজনায় বাদ, রাজ্যের রিপোর্ট চাইলো হাইকোর্ট

‘স্যার’ তালিকায় নাম না থাকায় রেশন – অন্নপূর্ণা যোজনায় বাদ, রাজ্যের রিপোর্ট চাইলো হাইকোর্ট

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল হয়েছে মামলা। এসআইআর তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় বহু মানুষ রেশন এবং অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেত মজদুর সমিতি ।এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্যের উচ্চ আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, -‘আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।’ এই মামলার শুনানির সময় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতে জানান, -‘মামলার কপি ইতিমধ্যেই তাদের হাতে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত শুরু করা হবে। এসআইআর তালিকা থেকে কার কার নাম বাদ পড়েছে এবং তাঁদের মধ্যে কারা রেশন ও অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হবে।তিনি আরও জানান, তদন্ত শেষে রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে বা নেবে, সেই সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতে জমা দেওয়া হবে। আগামী ২১ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

মিউটেশনের নামে বিধাননগর পুরসভায় বিপুল আর্থিক দুর্নীতি, টাকা সংগ্রহের বিস্তারিত তথ্য তলব হাইকোর্টের

মিউটেশনের নামে বিধাননগর পুরসভায় বিপুল আর্থিক দুর্নীতি, টাকা সংগ্রহের বিস্তারিত তথ্য তলব হাইকোর্টের

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

মিউটেশনের নামে বিপুল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে কলকাতা হাইকোর্টে চলছে মামলা। বিধাননগর পুরসভার বিরুদ্ধে এই ইস্যুতে দায়ের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর প্রশ্ন, -‘আগের রাজ্য সরকারও লিখিত ভাবে জানিয়েছিল, সরকার মিউটেশনের সঙ্গে এমন লেভি তোলার কোনো অনুমোদন দেয়নি। নতুন সরকারও সেই একই কথা রিপোর্ট দিয়ে জানিয়েছে। এখন প্রশ্ন, তাহলে এত বছর ধরে যে টাকা তোলা হয়েছে তার হিসেব কোথায়?’
মামলাকারীর আইনজীবীরা নথি দিয়ে জানান, -‘এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির নজির। ২০১৭-১৮ অর্থ বর্ষে তৎকালীন মেয়র সব্যসাচী দত্তের আমলে বোর্ড মিটিংয়ে এমন বাড়তি টাকা তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পুরসভার ভাঁড়ারে অনটনের যুক্তিতে’। বিচারপতির প্রশ্ন, -‘তাহলে এতবছর ধরে কত টাকা তোলা হয়েছে তার হিসেব পাওয়া উচিত। ‘ এরপরেই রাজ্য ও পৌরসভাকে আগামী মঙ্গলবার যাবতীয় এই টাকা তোলা সংক্রান্ত নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। উল্লেখ্য , কলকাতা পুরসভা ছাড়া রাজ্যের প্রায় সব পুরসভা মিউটেশনের নামে নাগরিকদের থেকে বাড়ি, ফ্ল্যাট বা যে কোনো নির্মাণের জন্যেই মোটা টাকা কার্যত ‘ তোলা ‘ আদায় করে বলে অভিযোগ। ম্যামলাকারীদের আইনজীবী অরিন্দম দাস দুর্নীতির উদাহরণ দিতে গিয়ে জানান , -‘সল্টলেক সেক্টর ফাইভের যে বহুতলের মিউটেশনের নামে বাড়তি টাকা তোলার অভিযোগে মামলা সেখানে ভালুয়েশন অনুযায়ী যে ফ্ল্যাটের ৩০০ টাকা দেওয়ার কথা তার থেকে প্রায় দু লক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে মিউটেশন করে দেওয়ার জন্য’। সেই পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় হাইকোর্টে। আগামী মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

মহাসমারোহে পুরুলিয়ায় পালিত হলো জাতীয় লোক আদালত

মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

গত শনিবার সারা দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতের পাশাপাশি পুরুলিয়া জেলা আদালতে বসেছিল জাতীয় লোক আদালত। ওদিন পুরুলিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সন্দীপ চৌধুরীর নেতৃত্বে ও জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডলের পরিচালনায় জেলার সদর আদালতে ১১ টি বেঞ্চ হয়।পুরুলিয়া জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডল জানান – “এবারের জাতীয় লোক আদালতে নথিভূক্ত ৪৭২৪ টি মামলার মধ্যে ২৭৮১ টি মামলার নিস্পত্তি ঘটেছে। এইসব মামলায় অর্থের পরিমাণ ৭৮ লক্ষ টাকার বেশি”। পুরুলিয়া লোক আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল, যা বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল । সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুপরিচিত সাতজন মহিলা সমাজসেবী ও শিক্ষিকা একদিনের জন্য সাম্মানিক বিচারক’-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আড়াই হাজারের বেশি মামলার নিষ্পত্তি ঘটিয়েছেন।

মহাসমারোহে পুরুলিয়ায় পালিত হলো জাতীয় লোক আদালত

মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

গত শনিবার সারা দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতের পাশাপাশি পুরুলিয়া জেলা আদালতে বসেছিল জাতীয় লোক আদালত। ওদিন পুরুলিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সন্দীপ চৌধুরীর নেতৃত্বে ও জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডলের পরিচালনায় জেলার সদর আদালতে ১১ টি বেঞ্চ হয়।পুরুলিয়া জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডল জানান – “এবারের জাতীয় লোক আদালতে নথিভূক্ত ৪৭২৪ টি মামলার মধ্যে ২৭৮১ টি মামলার নিস্পত্তি ঘটেছে। এইসব মামলায় অর্থের পরিমাণ ৭৮ লক্ষ টাকার বেশি”। পুরুলিয়া লোক আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল, যা বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল । সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুপরিচিত সাতজন মহিলা সমাজসেবী ও শিক্ষিকা একদিনের জন্য সাম্মানিক বিচারক’-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আড়াই হাজারের বেশি মামলার নিষ্পত্তি ঘটিয়েছেন।