সাম্প্রতিক
জমি অধিগ্রহণ মামলায় দ্রুত বিচার পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ মঙ্গলকোটের জমি মালিক 

জমি অধিগ্রহণ মামলায় দ্রুত বিচার পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ মঙ্গলকোটের জমি মালিক 

নিজস্ব প্রতিনিধি, 

জমি অধিগ্রহণ মামলায় দ্রুত বিচার পেতে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হলেন মঙ্গলকোটের এক জমি মালিক। একাধারে বর্ধমান জেলা আদালতে সংশ্লিষ্ট এজলাসে দ্রুত বিচারক নিয়োগ এবং অন্যদিকে পূর্ব বর্ধমান জেলা ভূমি অধিগ্রহণ দপ্তরের গাফিলতির বিচার চেয়েছেন জমি মালিক মোল্লা জসিমউদ্দিন। গত ৭ আগস্ট ইমেইল মারফত এবং ১০ আগস্ট হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে কাগজপত্র জমা দিয়েছেন ওই জমি মালিক।জানা গেছে মঙ্গলকোট মৌজার ( জে.এল ৬৪, খতিয়ান ১১১৩১,দাগ নাম্বার ৩১০১)  অধিগৃহীত জমির মালিক জসিম  ৫/০৮/২০২৫ তারিখে ১৯৫৬ সালের জাতীয় ভূমি অধিগ্রহণ আইন অনুযায়ী এল.এ কেস – ৪৯ (এন এইচ -১১৬ এ)২২-২৩ এর বিজ্ঞপ্তিতে  নোটিশ পেয়ে থাকেন।সেখানে  অধিগৃহীত পুরো জমির অর্ধেক আর্থিক ক্ষতিপূরণ উল্লেখ থাকে। অর্থাৎ ৩০ শতক জমি পড়লেও আর্থিক ক্ষতিপূরণ উল্লেখ থাকে ১৫ শতকের।গত বছর ২৫ আগস্ট মঙ্গলকোট গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ভূমি দপ্তরের শুনানি পর্বে বিষয়টি তে আপত্তি জানান তিনি।সেইসাথে ২৬ আগস্ট (২০২৫) পূর্ব  বর্ধমান জেলা ভূমি দপ্তরে বিশেষ জমি অধিগ্রহণ আধিকারিক কে স্কেচ ম্যাপ সহ লিখিত আপত্তি রিসিভ করে থকেন।এরপর চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি ভূমি দপ্তর নোটিশ করে উক্ত দাগের সমস্ত মালিক কে অবগত করে ৮ জানুয়ারি সংশ্লিষ্ট জমি পরিদর্শনের বিষয়ে।ওইদিন অর্থাৎ ৮ জানুয়ারি ভূমি দপ্তরের তদন্তে অংশগ্রহণ করেন তিনি।আশ্বাস দেওয়া হয় যে, যেহেতু পুরো জমি  পড়েছে, তাই পুরো আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে । একাধারে জমি অধিগৃহীত হওয়ায় যেমন বেশ কয়েকবার ধান চাষ করা যায়নি, ঠিক তেমনি প্রায় ১ বছরের কাছাকাছি সময়কাল জমির জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ পাননি।এই দুই পরিস্থিতিতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ ওই জমি মালিকের পরিবার । এরপর ১৮/০২/২৬ তারিখে জেলা ভূমি দপ্তর ওই দাগের সমস্ত জমি মালিকদের সামগ্রিক আর্থিক ক্ষতিপূরণের চেক পূর্ব বর্ধমান জেলা ও দায়রা বিচারক অফিসে পাঠিয়ে দেয় (মেমো নাম্বার ৩৬৩)।পরবর্তীতে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা বিচারক (দ্বিতীয়) এজলাসে মামলা টি (এল.এ কেস – ৪/২৬) নথিভুক্ত হয়।প্রায় ৬ মাস অতিক্রান্ত হলেও মামলাটির অগ্রগতি নেই।কেননা ওই এজলাসে বিচারক পদ বর্তমানে খালি রয়েছে। এমতাবস্থায় কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির সচিবালয়ে  দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন মোল্লা জসিমউদ্দিন।  , ওই এজলাসে দ্রুত বিচারক নিয়োগ করলে অধিগৃহীত জমি মালিকদের সুরাহা হবে। সেইসাথে জেলা ভূমি দপ্তরে লিখিত বক্তব্য স্কেচ ম্যাপ সহ জানিয়েও যাঁরা অদ্ভুতভাবে নিস্ক্রিয়তা দেখিয়েছে।তাঁদের গাফিলতির বিচারও চেয়েছেন ।কেননা তাঁরা সরজমিনে উক্ত জমিতে আমিন দ্বারা মেপেও কোন সদর্থক ভূমিকা নেননি।যেখানে মামলার পাহাড় কমাতে আদালত বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে, সেখানে জেলা ভূমি দপ্তরের গাফলতির কারণে ‘তারিখের পর তারিখ’ পেতে আদালতের চক্কর দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের কে। 

ফের মঙ্গলকোট আইসি পদে নির্ভীক পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ

ফের মঙ্গলকোট আইসি পদে নির্ভীক পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ

আমিরুল ইসলাম,

গত বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে হঠাৎ বদলী হয়েছিলেন অপরাধ দমনে সিদ্ধহস্ত পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ। এলাকার সিংহভাগ সাধারণ বাসিন্দাদের কাছে ছিল এটা বেদনাদায়ক সংবাদ। ভোট মিটলো,নুতন সরকার এলো।বড়সড় কোন হানাহানিও ঘটেনি।তাতেও যেন মঙ্গলকোটে একটা শূন্যতা ছিল।অবশেষে মঙ্গলকোট থানার আইসি পদে ফিরলেন নির্ভীক পুলিশ অফিসার মধুসূদন ঘোষ। মঙ্গলকোটের আট থেকে আশি প্রত্যেকেই খুশি পুলিশের এই রদবদলে।চুরি – ছিনতাই – অপহরণ – মারপিট – লুটপাট বন্ধে সাক্ষাৎ ‘যম’ যেন এই পুলিশ অফিসার। মঙ্গলকোটে অতীতের খতিয়ান মেলালেই এর গভীরতা মিলবে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।

নেতাজির অসম্মানের বিরুদ্ধে একতার গর্জন: ৯ই আগস্টের ঐতিহাসিক প্রতিবাদ মিছিল

নেতাজির অসম্মানের বিরুদ্ধে একতার গর্জন: ৯ই আগস্টের ঐতিহাসিক প্রতিবাদ মিছিল


গত ৯ই আগস্ট, ২০২৬ এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকল কলকাতা। দেশনায়ক নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে সাম্প্রতিককালে কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও তাঁদের সহযোগীদের অশ্রাব্য, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও কুরুচিকর মন্তব্যের বিরুদ্ধে রাজপথে নামল শতাধিক নেতাজি-প্রেমী মানুষ।
শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হয়ে প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বেগবাগান ক্রসিং পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় এই বিশাল ও শান্তিপূর্ণ ধিক্কার মিছিল। তীব্র তাপদাহ ও প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে মানুষ এতে শামিল হন। জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক দলাদলির ঊর্ধ্বে উঠে নেতাজির নীতি ও আদর্শকে পাথেয় করে সর্বস্তরের জনগণ এক মঞ্চে সমবেত হয়েছিলেন।
মূল উদ্যোক্তা ও অংশগ্রহণকারী সংগঠনসমূহ
এই আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা দিবাকর দেবনাথ-এর সুচিন্তিত রূপরেখা ও নেতৃত্বে নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড – এক সংগ্রাম সহ প্রায় ১৫টি নেতাজি-প্রেমী সংগঠন একজোটে এই কর্মসূচির আয়োজন করে।
মিছিলে অংশ নেওয়া প্রধান সংগঠন ও উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ:
• প্রধান অতিথি: ড. জয়ন্ত চৌধুরী (বিখ্যাত নেতাজি গবেষক)
• নেতাজী সুভাষ ব্রিগেড – এক সংগ্রাম: ড. ইন্দ্রনীল ঠাকুর, সাংবাদিক কিরণজিৎ বাবু (যুগ্ম সম্পাদক: প্রসেনজিৎ ঘোষ ও অর্পণ কুণ্ডু)
• BRMGSU :- সম্বিক নিয়োগী সম্পাদক, দেবাশীষ মৃধা, ব্রজকৃষ্ণ
• আজাদ হিন্দ পিপলস মিশন: প্রতীক, চন্দ্রদীপ
• বেঙ্গল ভলেন্টিয়ার্স: অনিমিত্রা চৌধুরী
• আজাদ হিন্দ ফ্রন্ট: ড. দ্বৈপায়ন বাবু

মিছিল শেষে মঞ্চ থেকে বক্তারা স্পষ্ট বার্তা দেন— “নেতাজি কোনো বিতর্ক নন, তিনি আমাদের স্বাধীনতার সর্বশ্রেষ্ঠ প্রেরণা।”
আন্দোলনের মূল বার্তা ও আগামী সংকল্প
১. অরাজনৈতিক প্রতিবাদ: এই আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে নয়, বরং তাঁদের বিরুদ্ধে যাঁরা ভারতের অমূল্য ইতিহাস ও নেতাজির মতো মহান জাতীয় বীরকে অপমান করেছেন।
২. জাতীয় মহাপুরুষ নেতাজি: নেতাজি কোনো একক দলের সম্পত্তি নন; তিনি সমগ্র ভারতের গর্ব ও স্বাভিমান। তাঁকে অপমান করা মানে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও আত্মত্যাগকে অপমান করা।
৩. সংগ্রামের অঙ্গীকার: শিয়ালদহের এই মিছিল প্রতিবাদের শেষ নয়, বরং এক দীর্ঘ লড়াইয়ের সূচনা। উপযুক্ত প্রতিকার না পাওয়া পর্যন্ত সমস্ত নেতাজি-প্রেমী সংগঠন মিলে প্রয়োজনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথ বেছে নেবে।
মিছিলটি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করার জন্য কলকাতা পুলিশ ও ট্রাফিক গার্ডকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে।
নেতাজির অপমান, মানবো না মানবো না! তোমরা আমাকে রক্ত দাও, আমি তোমাদের স্বাধীনতা দেব।
জয় হিন্দ! বন্দে মাতরম!

কবি কুমুদ কিঙ্করের ৩৮তম প্রয়াণদিবস পালিত জয়দেবের হরিদাস আশ্রমে,স্মরণসভায় মানবতার বার্তা, স্মৃতিচারণায় উঠে এল কবির জীবন ও আদর্শ

কবি কুমুদ কিঙ্করের ৩৮তম প্রয়াণদিবস পালিত জয়দেবের হরিদাস আশ্রমে,
স্মরণসভায় মানবতার বার্তা, স্মৃতিচারণায় উঠে এল কবির জীবন ও আদর্শ

সেখ রিয়াজুদ্দিন, বীরভূম:
সাপ্তাহিক চণ্ডীদাস পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, কবি ও মানবতাবাদী চিন্তক কুমুদ কিঙ্করের ৩৮তম প্রয়াণদিবস শ্রদ্ধা ও স্মরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হলো জয়দেবের হরিদাস আশ্রমে। একইসঙ্গে আশ্রমমাতা আশালতা দেবী এবং সদ্যপ্রয়াত চণ্ডীদাস পত্রিকার সাংবাদিক পূর্ণচন্দ্র দত্তকেও স্মরণ করা হয় এদিনের অনুষ্ঠানে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কুমুদ কিঙ্কর ও আশালতা দেবীর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপস্থিত অতিথিরা। পাশাপাশি পূর্ণচন্দ্র দত্তের প্রতিকৃতিতে ও পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিচারণা ও আলোচনা সভা।
কুমুদ কিঙ্করের একটি বহুলচর্চিত উক্তি— “দেবতা, দানব যা খুশি তাই পারবে হতে, মানুষের মতো মানুষ হওয়া শক্ত কথা।” তাঁর এই বক্তব্যকে সামনে রেখেই এদিনের আলোচনায় বারবার উঠে আসে মানবতা, সাম্য ও মানুষের প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গ।
ইলামবাজার ব্লকের অজয় নদীর তীরে অবস্থিত জয়দেব গ্রাম বহু আখড়া ও সাধনক্ষেত্রের জন্য পরিচিত। সেই পরিমণ্ডলের মধ্যেই কুমুদ কিঙ্কর প্রতিষ্ঠিত হরিদাস আশ্রম একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মানবতার বার্তা বহন করে আসছে। বক্তাদের কথায়, আশ্রমের উত্তরসূরিরাও কুমুদ কিঙ্করের সেই আদর্শ ও চিন্তাধারাকে নিজেদের কর্মধারায় ধরে রাখার চেষ্টা করে চলেছেন।
এদিন আলোচনায় হরিদাস আশ্রমের নামকরণ, তার ঐতিহ্য ও প্রতিষ্ঠার পটভূমি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। আশ্রমের মূল প্রবেশদ্বারে লেখা “নাম কর, দান কর ও সহ্য কর”—এই বাণীর তাৎপর্য নিয়েও আলোকপাত করেন বক্তারা। বর্তমান সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে এই বাণীর প্রাসঙ্গিকতা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চণ্ডীদাস পত্রিকার সম্পাদক আনারুল হক, হরিদাস আশ্রমের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি তথা চণ্ডীদাস পত্রিকার প্রাক্তন সম্পাদক আল আফতাব, কুনুর সাহিত্য পত্রিকা-র সম্পাদক চুনিলাল মুখোপাধ্যায়, কুমুদ কিঙ্করের বাল্যবন্ধু ও গীতিকার অশোক কুমার নাগ, কবি অসীম শীল, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সন্তোষ কর্মকার,-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন শান্তি কুমার রজক, স্বাগত ভাষণ দেন রণজিৎ মুখোপাধ্যায়।
আলোচনায় বীরভূম সাহিত্য পরিষদের সম্পাদক সরোজ কর্মকার এবং চণ্ডীদাস পত্রিকার সম্পাদক আনারুল হক পৃথকভাবে এক সাক্ষাৎকারে জাতপাত ও সম্প্রদায়ের বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে “মানবতা”কে বৃহত্তর পরিচয় হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
বক্তাদের কথায়, কুমুদ কিঙ্করের জীবন ও সাহিত্যচর্চার মূল সুর ছিল মানুষকে ভালোবাসা এবং মানবিক মূল্যবোধকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করা। তাঁর প্রয়াণের ৩৮ বছর পরেও সেই চিন্তা ও আদর্শ জয়দেবের হরিদাস আশ্রমের মতো প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াস অব্যাহত রয়েছে।

স্বপ্নের উড়ানে বিদিশার ছোঁয়া

স্বপ্নের উড়ানে বিদিশার ছোঁয়া

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা:- বাঙালির শরৎ উৎসবকে সামনে রেখে নতুন সাজে হাজির হলেন ফ্যাশন ডিজাইনার বিদিশা বসু। উৎসবের আবহকে মাথায় রেখে তাঁর নতুন কালেকশনে জায়গা করে নিয়েছে আধুনিক নকশার ব্রাইডাল ও ওয়েস্টার্ন পোশাক। ঐতিহ্য ও সমকালীন ফ্যাশনের মেলবন্ধনে তৈরি এই নতুন পোশাকের সম্ভার ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে ফ্যাশনপ্রেমীদের।
এই বিশেষ আয়োজনের মডেল হিসেবে ছিলেন মিলি ঘোষ, পায়েল বিশ্বাস, সুপ্রিয়া শর্মা, রাজন্যা দত্ত, নিলাপতি গাইন, মৌমিতা চ্যাটার্জী ও টিউলিপ আহামেদ। তাঁদের সাজকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছেন প্রসাধনী শিল্পীরা—সুখশ্রী বৈশালী রায়, গায়ত্রী বাগ রায়, মধুমিতা দত্ত, রুবিনা খাতুন, নমিতা রায় ও আসমা উলহোসনা। পুরো আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন ‘স্বপ্নের উড়ান’ সংস্থার কর্ণধার ঝুমা পারভিন। পোশাক ও মডেলদের বিশেষ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করেছেন চিত্রগ্রাহক রাজ চক্রবর্তী। শরৎ উৎসবের আবহে বাঙালি নারীর ঐতিহ্যবাহী সাজের পাশাপাশি আধুনিক ও স্টাইলিশ লুককে সামনে আনাই ছিল এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। বিদিশা বসুর নতুন এই কালেকশন উৎসবের ফ্যাশনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দেমাতরম্ ১৫০ বিষয়ক আলোচনা সভা

বন্দেমাতরম্ ১৫০ বিষয়ক আলোচনা সভা

সেখ সামসুদ্দিন, ১০ আগস্টঃ মেমারি কলেজ ও লোকপ্রজ্ঞার যৌথ উদ্যোগে দুপুর ১২টা থেকে ২টা পর্যন্ত বন্দেমাতরম্ ১৫০ বিষয়ক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষা ডঃ জয়তী ভট্টাচার্য্য। উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ‘বন্দেমাতরম্ ১৫০ ও ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র’ বিষয়ক বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মিলন কুমার দে, যিনি লোকপ্রজ্ঞা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের প্রান্ত সহ সংযোজক ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্কুল শিক্ষা বিভাগের সিলেবাস কমিটির সদস্য, ‘স্বাধীনতা থেকে স্বতন্ত্রতার পথে ভারতবর্ষ’ বিষয়ক বক্তব্য রাখেন তরুণ লেখক দিগন্ত চক্রবর্তী, লোকপ্রজ্ঞা পশ্চিমবঙ্গের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের যুব আয়াম প্রমুখ,বিভিন্ন ভাষায় সংবাদপত্রের উত্তর সম্পাদকীয় লেখক ও রিপাবলিক বাংলার অংশগ্রহণকারী রমেন চন্দ্র বরাই, লোকপ্রজ্ঞা মধ্যবঙ্গের গবেষণা প্রমুখ ইসরোর নোডাল কোঅর্ডিনেটর অধ্যাপক ডঃ অভিষেক সাহা এবং রাষ্ট্রীয় সংঘের বরিষ্ঠ কার্যকর্তা শ্রীকান্ত নন্দী, যিনি এদিনের সভার সভাপতিত্ব করেন। আলোচনা সভার শেষে বন্দেমাতরম্ জাতীয় গান পরিবেশন ও শান্তি স্তোত্র পাঠ করা হয়। অধ্যক্ষা ডঃ জয়তী ভট্টাচার্য্য বলেন বন্দেমাতরম্ গানের ১৫০ বর্ষ উপলক্ষে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষার প্রসারে এই উদ্যোগ।

নলহাটিতে পুলিশের পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ কর্মসূচি পালন

নলহাটিতে পুলিশের পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ কর্মসূচি পালন

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী, পথ দূর্ঘটনা কমাতে ও সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশের উদ্যেগে বীরভূমের নলহাটি থানার ও লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ আধিকারিকদের তত্বাবধানে ২০২৬ পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ পালন করা হলো নাকপুর চেকপোস্টে।পানাগর মোরগ্রাম ১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বীরভূমের নলহাটির নাকপুর চেকপোস্টে এই পথ নিরাপত্তা সপ্তাহ অনুষ্ঠানের শুভ সুচনা করেন আই সি অনুপ কুমার ঘোষ, ট্রাফিক ওসি ছোটন ধারা ,লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ আধিকারিকরা সহ আরো অনান্য আধিকারিকরা এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠান শেষে পথ চলতি বিনা হেলমেটে মোটরসাইকেল আরোহীরদের রাস্তায় থামিয়ে বিভিন্ন সচেতনতার বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের হাতে একটি করে হেলমেট তুলে দেন। হেলমেট পেয়ে মোটরসাইকেল আরোহীরা জানান আর বিনা হেলমেটে মোটরসাইকেল চালাবো না ,অপরকেউ সচেতন করবো এছাড়াও নলহাটি থানার ও লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ আধিকারিকদের ধন্যবাদ জানান।নাকপুর চেকপোস্ট সহ নগোরা, কাঁটাগড়িয়া, মোস্তফাডাঙা মোড়েও এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

UTI Mutual Fund partners with CAMSPay to offer first-of-its-kind investment journey solution on WhatsApp

UTI Mutual Fund partners with CAMSPay to offer first-of-its-kind investment journey solution on WhatsApp

National: UTI Mutual Fund, one of India’s leading fund houses, has launched a first-of-its-kind milestone offering for investors to complete their entire investment journey, including payments, without leaving WhatsApp.

For millions of Indians who already use WhatsApp daily, investing with UTI Mutual Fund will now be as intuitive as sending a message (to explore investors can click: https://bit.ly/UTIMFWhatsApp). Investors can make one-time payments and transact through UPI — all natively within a single, uninterrupted WhatsApp conversation. No app switching, no browser redirections.

This capability has been made possible through a collaboration between CAMSPay as the payment partner, Gupshup as the conversational platform, and Meta’s WhatsApp as the engagement channel. Unlike conventional approaches that redirect users to external payment platforms — a leading cause of transaction drop-offs — this integration keeps investors within WhatsApp at every step of the journey.

“At UTI, we are committed to making investing simpler, faster, and more accessible for every investor. By becoming one of the first in the mutual fund industry to enable native in-chat payments on WhatsApp, we are meeting investors where they already are — on a channel they use every day. This is a significant step in our journey to make investing truly effortless for every Indian,” said Mr. Peshotan Dastoor, Group President & Head – Sales, Product & Digital, UTI AMC.

“CAMSPay enables WhatsApp Native Payment Solution to solve a real and measurable problem for BFSI institutions where payment drop-offs are caused by broken journeys and external redirections. By enabling in-chat one-time and recurring payments with automated WhatsApp notifications, we’re helping institutions shift WhatsApp from a communicational touchpoint into a relationship-based digital conversion platform. We are proud that UTI adopted this capability and launched it for investors,” added Mr. Vasanth Jeyapaul, CEO, CAMSPay.

The integration is powered by Gupshup’s conversational engagement infrastructure and Meta’s WhatsApp Business platform, enabling UTI to deliver this experience securely and at scale across its investor base.

“Gupshup is delighted to power end-to-end customer experience for UTI Mutual Fund on WhatsApp, including payments in WhatsApp. We believe conversational journeys are the future of financial services engagement, and UTI’s launch is a compelling example of what’s possible when great institutions commit to meeting their customers on the channels they love,” opined Mr. Gaurav Kachhawa, Chief Product Officer, Gupshup.

বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস স্মরণে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

বিশ্বকবির প্রয়াণ দিবস স্মরণে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

“নয়ন ছেড়ে গেলে চলে, এলে সকল-মাঝে…..” কবিগুরুর লেখা গানের মধ্য দিয়ে তাঁকে প্রণাম নিবেদন ও স্মরণ করল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি। বিশ্ববরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৬তম প্রয়াণদিবসে যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে সারাদিন ধরে নানা পর্বে অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তাঁর প্রতি জানায় অন্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলি। সকাল সাড়ে সাতটায় ঠাকুরবাড়ির মূল ভবনের দোতলায় রবীন্দ্রপ্রয়াণ কক্ষে কবির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে প্রণাম সহ শ্রদ্ধা জানান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, সাথে ছিলেন সোসাইটির কর্মকর্তাবৃন্দ সহ সাধারণ সদস্যগণ। মহর্ষি ভবনের বাইরে প্রতিষ্ঠিত দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বিশ্বকবির আবক্ষ মর্মরমূর্তিতে পুষ্পমাল্য দিয়ে প্রণাম জানান সকলে। এরপর নিমতলা মহাশ্মশানে কবিগুরুর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক স্থাপন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় সহ ব্রতীন্দ্র মল্লিক, ট্রাস্টি মার্বেল প্যালেস কলকাতা ও উপস্থিত সদস্য/সদস্যাগণ। সোসাইটির সদস্যা বুলবুলি ঘোষের পরিচালনায় সমবেত কণ্ঠে তিনটি রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে কবিগুরুর উদ্দেশে স্মৃতিতর্পণ করেন সকলে।

বিকাল পাঁচটায় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি এবং ভারতীয় সংগ্রহালয়ের যৌথ উদ্যোগে ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের আশুতোষ জন্মশতবার্ষিকী প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত হয় বিশ্বকবি স্মরণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সম্মাননীয় অতিথি হিসাবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আশুতোষ ঘোষ, উপাচার্য, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, ভারতীয় জাদুঘরের নির্দেশক ও ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল কলকাতার ভারপ্রাপ্ত সচিব ও কিউরেটর ড. সায়ন ভট্টাচার্য্য। সোসাইটির তরফে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কর্মপরিচালন সমিতির সহ-সভাপতিদ্বয় অনিন্দ্য কুমার মিত্র ও বিচারপতি সৌমিত্র পাল, সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় এবং কর্মপরিচালন সমিতির সদস্যা শ্রীমতী অমিতা দত্ত। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির সংগীতশিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় উদ্বোধনী সংগীত ‘বন্দে মাতরম্’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সান্ধ্যকালীন অনুষ্ঠান। সমবেত নিবেদনে ছিলেন বুলবুলি ঘোষ, সৌমি মুখার্জী, ললিতা সিনহা, চন্দ্রিমা দত্ত, হিমাদ্রী মুখার্জী, গৌতম মুখার্জী, তরুণ মুখার্জী, শিবাজী বসু – পরিচালনায় ড. দেবাশিস দত্ত। ভারতের জাতীয় স্ত্রোত্রটির উৎপত্তি সম্বন্ধে স্বল্প কথায় ব্যাখ্যা করেন শ্রীমতী রঞ্জনা ভট্টাচার্য্য। আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিদের সংবর্ধনা জ্ঞাপনের পর স্বাগত ভাষণে সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের এই অনুষ্ঠানের প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করেন ও যৌথভাবে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ভারতীয় জাদুঘরের নির্দেশক ড. সায়ন ভট্টাচার্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কবিগুরু স্মরণে বক্তৃতা করেন অধ্যাপক আশুতোষ ঘোষ, উপাচার্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, ড. সায়ন ভট্টাচার্য্য, নির্দেশক ভারতীয় জাদুঘর কলকাতা, সোসাইটির সহ-সভাপতি অনিন্দ্য কুমার মিত্র ও বিচারপতি সৌমিত্র পাল। স্বল্প ভাষণে উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানান শ্রীমতী অমিতা দত্ত। সোসাইটির সাহিত্য পত্রিকা ‘কড়ি ও কোমল’ এর সাম্প্রতিকতম সংখ্যাটির আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করা হয় মঞ্চে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ববর্গের উপস্থিতিতে। একক সংগীত পরিবেশন করেন রাজশ্রী ভট্টাচার্য। এর পর রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির শিল্পীসদস্যবৃন্দের পরিবেশনায় নিবেদিত হয় কবিগুরুর মহানির্বাণ পর্বের শেষ কয়েকদিনের আধারে নির্মিত আলেখ্য ‘ওগো অমৃত পথযাত্রী’। ভাষ্য কবিতা সংগীত সমন্বয়ে রচিত আলেখ্যটির তথ্য সংকলনে, তথ্যবিন্যাসে রঞ্জিত কুমার নায়ক, সংগীত সংযোজনে ড. দেবাশিস দত্ত। ভাষ্য সহ কবিতা পাঠে ডা. পরাগ বরণ পাল, সুমিত কুমার অধিকারী, ইন্দিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, পারমিতা সরকার। সংগীতাংশে ছিলেন ভাস্বতী বিশ্বাস, বুলবুলি ঘোষ, মধুমিতা ঘোষ ভট্টাচার্য্য, রূপাঞ্জলী চৌধুরী, সৌমি মুখার্জী, ললিতা সিনহা, চন্দ্রিমা দত্ত, জয়তী দাস, ডা. পরাগ বরণ পাল, হিমাদ্রী মুখার্জী, তরুণ মুখার্জী, গৌতম মুখার্জী, শিবাজী বসু, প্রকাশ দে। অনুষ্ঠানটির সামগ্রিক পরিচালনায় ড. দেবাশিস দত্ত ও জয়শ্রী দে। পরিবেশনার গুণে এই পর্বটি শ্রোতৃদর্শকবৃন্দের কাছে এনে দেয় এক ভাবগম্ভীর মনোজ্ঞ অনুভূতি। শেষলগ্নে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন সদস্যা সোমা সরকার।

Recently, a special technical seminar was organized by the Nagar Rajbhasha Karyanvayan Samiti (Undertaking-2), Kolkata

Recently, a special technical seminar was organized by the Nagar Rajbhasha Karyanvayan Samiti (Undertaking-2), Kolkata

A special technical seminar on “Role of Hindi in the spread of technology and application of Hindi IT tools” was successfully organized by the Nagar Rajbhasha Karyanvayan Samiti (Undertaking-2), Kolkata on 07th August 2026 (Friday). The event was held at the conference room of the Chairman’s office, Central Marketing Agency Headquarters, Steel Authority of India Limited.
The keynote speaker of the seminar, IT expert and CEO of Dubai-based Algo Technologies, Dr. Balendu Sharma Dadhich, said in his speech that Artificial Intelligence (AI) is a very effective and important tool in research and knowledge expansion. However, it cannot be a substitute for the basic thinking, creativity and analytical capabilities of humans. He urged researchers to use AI as a collaborative tool, not as a substitute for independent thinking.
He further explained that the previous stage of artificial intelligence was mainly limited to searching and retrieving existing information. But today’s creative artificial intelligence is capable of generating new ideas, analysis and content by understanding the relevant issues and context. In this episode, he highlighted the effectiveness and practical importance of important AI platforms like ChatGPT, Google Gemini, Perplexity, Cloud and Grok. He said that to get excellent results through these platforms, it is very important to provide clear, specific and accurate instructions (prompts) from the user.
The event began with the welcome address by Shri Prashant Ojha, Member-Secretary of the Association. He warmly welcomed the keynote speaker Dr. Balendu Sharma Dadhich, Dr. Bichitrasen Gupta, Deputy Director (Implementation), Department of Official Languages, Ministry of Home Affairs, Government of India and all the eminent participants present.
On this occasion, Shri Surendra Kumar Sharma, President of the Association and Executive Director, Steel Authority of India Limited, Central Marketing Agency, said in his presiding address that the use of Rajbhasha Hindi is no longer limited to administrative correspondence and official work. Hindi is now establishing a strong identity worldwide through artificial intelligence, neural machine translation, voice typing and various digital technologies. He also mentioned that acquiring knowledge about modern IT tools is an essential need of the present time for the effective use of Hindi in the changing technological environment.
Around 52 participants from various member offices affiliated to Nagar Rajbhasha Karyanya Samiti (Subject-2), Kolkata participated in the seminar with enthusiasm and benefited from the valuable inputs of the subject experts. Dr. Bichitrasen Gupta, Deputy Director (Implementation), Department of Rajbhasha, Ministry of Home Affairs, Government of India and Dr. Rajiv Rawat, Senior Rajbhasha Officer and IT Expert, IIT Kharagpur were specially present on the occasion.
The programme was coordinated under the guidance and supervision of Shri Sanjit Kumar Das, General Manager, Human Resources, Steel Authority of India Limited, Central Marketing Corporation. At the end of the programme, Shri Ajay Shankar Mishra, Official Language Officer, expressed his gratitude to all the distinguished guests, speakers and participants present and proposed a vote of thanks.