সাম্প্রতিক
মিউটেশনের নামে বিধাননগর পুরসভায় বিপুল আর্থিক দুর্নীতি, টাকা সংগ্রহের বিস্তারিত তথ্য তলব হাইকোর্টের

মিউটেশনের নামে বিধাননগর পুরসভায় বিপুল আর্থিক দুর্নীতি, টাকা সংগ্রহের বিস্তারিত তথ্য তলব হাইকোর্টের

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

মিউটেশনের নামে বিপুল আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে কলকাতা হাইকোর্টে চলছে মামলা। বিধাননগর পুরসভার বিরুদ্ধে এই ইস্যুতে দায়ের মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর প্রশ্ন, -‘আগের রাজ্য সরকারও লিখিত ভাবে জানিয়েছিল, সরকার মিউটেশনের সঙ্গে এমন লেভি তোলার কোনো অনুমোদন দেয়নি। নতুন সরকারও সেই একই কথা রিপোর্ট দিয়ে জানিয়েছে। এখন প্রশ্ন, তাহলে এত বছর ধরে যে টাকা তোলা হয়েছে তার হিসেব কোথায়?’
মামলাকারীর আইনজীবীরা নথি দিয়ে জানান, -‘এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির নজির। ২০১৭-১৮ অর্থ বর্ষে তৎকালীন মেয়র সব্যসাচী দত্তের আমলে বোর্ড মিটিংয়ে এমন বাড়তি টাকা তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় পুরসভার ভাঁড়ারে অনটনের যুক্তিতে’। বিচারপতির প্রশ্ন, -‘তাহলে এতবছর ধরে কত টাকা তোলা হয়েছে তার হিসেব পাওয়া উচিত। ‘ এরপরেই রাজ্য ও পৌরসভাকে আগামী মঙ্গলবার যাবতীয় এই টাকা তোলা সংক্রান্ত নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। উল্লেখ্য , কলকাতা পুরসভা ছাড়া রাজ্যের প্রায় সব পুরসভা মিউটেশনের নামে নাগরিকদের থেকে বাড়ি, ফ্ল্যাট বা যে কোনো নির্মাণের জন্যেই মোটা টাকা কার্যত ‘ তোলা ‘ আদায় করে বলে অভিযোগ। ম্যামলাকারীদের আইনজীবী অরিন্দম দাস দুর্নীতির উদাহরণ দিতে গিয়ে জানান , -‘সল্টলেক সেক্টর ফাইভের যে বহুতলের মিউটেশনের নামে বাড়তি টাকা তোলার অভিযোগে মামলা সেখানে ভালুয়েশন অনুযায়ী যে ফ্ল্যাটের ৩০০ টাকা দেওয়ার কথা তার থেকে প্রায় দু লক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে মিউটেশন করে দেওয়ার জন্য’। সেই পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় হাইকোর্টে। আগামী মঙ্গলবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

মহাসমারোহে পুরুলিয়ায় পালিত হলো জাতীয় লোক আদালত

মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

গত শনিবার সারা দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতের পাশাপাশি পুরুলিয়া জেলা আদালতে বসেছিল জাতীয় লোক আদালত। ওদিন পুরুলিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সন্দীপ চৌধুরীর নেতৃত্বে ও জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডলের পরিচালনায় জেলার সদর আদালতে ১১ টি বেঞ্চ হয়।পুরুলিয়া জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডল জানান – “এবারের জাতীয় লোক আদালতে নথিভূক্ত ৪৭২৪ টি মামলার মধ্যে ২৭৮১ টি মামলার নিস্পত্তি ঘটেছে। এইসব মামলায় অর্থের পরিমাণ ৭৮ লক্ষ টাকার বেশি”। পুরুলিয়া লোক আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল, যা বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল । সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুপরিচিত সাতজন মহিলা সমাজসেবী ও শিক্ষিকা একদিনের জন্য সাম্মানিক বিচারক’-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আড়াই হাজারের বেশি মামলার নিষ্পত্তি ঘটিয়েছেন।

মহাসমারোহে পুরুলিয়ায় পালিত হলো জাতীয় লোক আদালত

মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

গত শনিবার সারা দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতের পাশাপাশি পুরুলিয়া জেলা আদালতে বসেছিল জাতীয় লোক আদালত। ওদিন পুরুলিয়া জেলা ও দায়রা বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সন্দীপ চৌধুরীর নেতৃত্বে ও জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডলের পরিচালনায় জেলার সদর আদালতে ১১ টি বেঞ্চ হয়।পুরুলিয়া জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব অরিজিৎ মন্ডল জানান – “এবারের জাতীয় লোক আদালতে নথিভূক্ত ৪৭২৪ টি মামলার মধ্যে ২৭৮১ টি মামলার নিস্পত্তি ঘটেছে। এইসব মামলায় অর্থের পরিমাণ ৭৮ লক্ষ টাকার বেশি”। পুরুলিয়া লোক আদালতে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটল, যা বিচারব্যবস্থার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল । সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুপরিচিত সাতজন মহিলা সমাজসেবী ও শিক্ষিকা একদিনের জন্য সাম্মানিক বিচারক’-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে আড়াই হাজারের বেশি মামলার নিষ্পত্তি ঘটিয়েছেন।

হাওড়া – শ্রীরামপুরে মহাসমারোহে পালিত হলো জাতীয় লোক আদালত

হাওড়া – শ্রীরামপুরে মহাসমারোহে পালিত হলো জাতীয় লোক আদালত

মোল্লা জসিমউদ্দিন ,

শনিবার সারা দেশের বিভিন্ন নিম্ন আদালতের পাশাপাশি হাওড়া জেলা আদালত – শ্রীরামপুর মহকুমা আদালতে বসেছিল জাতীয় লোক আদালত। এদিন হাওড়া জেলা ও দায়রা বিচারক তথা জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান সুভাষ কুমার করের নেতৃত্বে ও জেলা আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব আর্শেয়া মুস্তাকের পরিচালনায় জেলার সদর আদালতে ১৫ টি এবং উলুবেড়িয়া মহকুমা আদালতে ৩ টি বেঞ্চ হয়।হাওড়া আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব আর্শেয়া মুস্তাক জানান – “এদিন জাতীয় লোক আদালতে নথিভূক্ত মামলার বেশিরভাগ নিস্পত্তি ঘটেছে। এইসব মামলায় অর্থের পরিমাণ কয়েক কোটি টাকার বেশি”।হাওড়া জেলা জাতীয় লোক আদালতের ১০ নং বেঞ্চে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক সাধন কুমার মন্ডলের নেতৃত্বে তিন সদস্যর বেঞ্চ ছিল।এই বেঞ্চে সমাজকর্মী হিসাবে ‘বেঞ্চ মেম্বার ‘ হয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের ‘নন এ্যাডভোকেট মিডিয়েটর’ ও ‘আইনি সংবাদদাতা’ মোল্লা জসিমউদ্দিন। এই বেঞ্চে বন্ধন ব্যাঙ্কের এবং এসএমএফজি ফাইনান্সের ঋণখেলাপীদের শুনানি চলে। এই বেঞ্চে বেশিরভাগ মামলার নিস্পত্তি ঘটে। এছাড়া ১১ নং বেঞ্চে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক অসীম দেবনাথ এর নেতৃত্বে লোক আদালত বসে। হাওড়া জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের অফিস মাস্টার শ্রী প্রসেনজিৎ ভট্টাচার্য বলেন -” অন্যান্য বেঞ্চে ট্রাফিক আইন, মানি স্যুট, টাইটেল স্যুট,ব্যাংক, এনজিআর,বিদ্যুৎ, টাইটেল স্যুট, প্রভৃতি বিষয়ক মামলার নিস্পত্তি ঘটে “।অপরদিকে হুগলি জেলা আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের সচিব শ্রীমতী মানালী সামন্তের নেতৃত্বে ২৯ টি বেঞ্চে জাতীয় লোক আদালত বসে।উক্ত আইনী পরিষেবা কেন্দ্রের অফিস মাস্টার সাহানা খাতুন বলেন ” সমাজের বিভিন্নস্তরের গুণীজনদের আমরা বেঞ্চ মেম্বার হিসাবে পেয়েছি । “

দিল্লিতে আলোচনা সভায় আইনজীবী জয়দীপ মুখার্জি

দিল্লীতে ভারতের মাননীয় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কে.জি.বালাকৃষ্ণান, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শ্রীমতি জ্ঞানসুধা মিশ্র সহ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শ্রীমতি ইন্দিরা ব্যানার্জীর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হলো।