রাজনীতির
খবর
সমস্ত
খবর
সোনার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আবেদনকে সমর্থন করল মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস; গোল্ড মনেটাইজেশন স্কিমকে জোরদার করার প্রস্তাব জমা দিল
সোনার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আবেদনকে সমর্থন করল মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস; গোল্ড মনেটাইজেশন স্কিমকে জোরদার করার প্রস্তাব জমা দিল
মে , ২০২৬: মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস ভারত সরকারের কাছে গোল্ড মনেটাইজেশন স্কিমের (GMS) কৌশলগত উন্নতি ঘটানোর জন্য সার্বিক প্রস্তাব রেখেছে। এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দায়িত্ব সহকারে সোনা কেনার এবং ঘরোয়া সোনার সঙ্গতির উন্নততর ব্যবহারের মাধ্যমে ভারতের অর্থনৈতিক দৃঢ়তা বাড়ানোর যে আবেদন, তাকে পূর্ণ সমর্থন জানানো হল।
এম পি আহম্মদ, চেয়ারম্যান, মালাবার গ্রুপ, এই প্রস্তাব জমা করেছেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী শ্রীমতি নির্মলা সীতারামণ ও মাননীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী শ্রী পীযূষ গোয়েলের কাছে। এতে কিছু বাস্তবোচিত ব্যবস্থার প্রাথমিক পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য GMS-এ বর্ধিত অংশগ্রহণ, এক জায়গায় পড়ে থাকা সোনাকে প্রথাগত অর্থনীতিতে নিয়ে আসা এবং ভারতে উপস্থিত সোনার রিসাইক্লিং, রিইউজ ও সার্কুলেশন চালানো।
ভারত বছরে প্রায় ৭০০-৮০০ টন সোনা আমদানি করে। এ কাজ করতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা খরচ হয় এবং কারেন্ট অ্যাকাউন্ট ঘাটতির উপরে চাপ পড়ে। পাশাপাশি, হিসাব বলছে ভারতীয় পরিবার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে গয়না, কয়েন ও বার হিসাবে প্রায় ২৫,০০০-৩০,০০০ টন সোনা আছে। তার অনেকটাই অর্থনৈতিকভাবে অব্যবহৃত।
মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস বলেছে যে রিসাইক্লিং, বিনিময়, পুনর্ব্যবহার এবং উপস্থিত ঘরোয়া সোনার মনেটাইজেশনের উপর বেশি জোর দেওয়া হলে আমদানির উপর নির্ভরতা কমানো, ডলারের বহির্গমন সীমিত রাখা এবং দীর্ঘমেয়াদে ভারতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা সম্ভব হতে পারে।
এই প্রস্তাব সম্পর্কে এম পি আহম্মদ, চেয়ারম্যান, মালাবার গ্রুপ, বললেন “ভারতে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ব্যক্তিগত মালিকানাধীন সোনার রিজার্ভ রয়েছে, পাশাপাশি ভারত ঘরোয়া চাহিদা মেটাতে আমদানির উপরেও অনেকখানি নির্ভর করে। আমরা প্রধানমন্ত্রীর আবেদনকে সর্বান্তকরণে সমর্থন করছি এবং বিশ্বাস করি যে দেশে উপস্থিত সোনার দায়িত্ব সহকারে ব্যবহার, রিসাইক্লিং এবং সার্কুলেশন এক জরুরি জাতীয় অগ্রাধিকার। সংগঠিত গয়না ক্ষেত্রের উপযুক্ত নীতিগত সমর্থন এবং সক্রিয় ইন্টিগ্রেশন হলে গোল্ড মনেটাইজেশন স্কিম, অব্যবহৃত সোনাকে প্রথাগত অর্থনীতির অন্তর্ভুক্ত করার অত্যন্ত কার্যকরী পথ হয়ে উঠতে পারে।”
এই প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে গোল্ড মনেটাইজেশন স্কিম চালু করা হয়েছিল আমদানির উপর নির্ভরতা কমানোর জন্যে এবং অব্যবহৃত ঘরোয়া সোনাকে মনেটাইজ করার জন্যে। অথচ জনতার অংশগ্রহণ সীমিত হয়ে রয়েছে কারণ লম্বা লক-ইন পিরিয়ড থাকে, রিটার্ন কম বলে মনে করা হয়, রিডেম্পশনের নমনীয়তাও সীমিত আর প্রক্রিয়ারও নানাবিধ চ্যালেঞ্জ আছে।
এই স্কিমের কার্যকারিতা এবং গ্রহণে উন্নতির স্বার্থে মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস সুপারিশ করেছে:
• সংগঠিত গয়না বিক্রেতাদের নিয়ামক সংস্থার তদারকিতে GMS কাঠামোয় ইন্টিগ্রেট করা
• ন্যূনতম সোনা জমা রাখার পরিমাণ ১০ গ্রাম থেকে কমিয়ে ১ গ্রাম করা
• সোনার ওজন বা নগদ টাকায় রিডেম্পশন পাওয়ার বিকল্পে নমনীয়তা
• কম সময়ের লক-ইন পিরিয়ড এবং উন্নততর লিকুইডিটি বিকল্প
• সরলীকৃত আধারভিত্তিক e-KYC প্রক্রিয়া
• গয়না বিক্রেতাদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে ক্রেতাদের জন্যে ইনসেন্টিভ, যার মধ্যে লয়্যালটি-লিংকড সুযোগসুবিধাও আছে
• খাঁটি সোনার পরীক্ষা, মূল্যায়ন এবং রিফাইনিংয়ে উন্নততর স্বচ্ছতা
• প্রথাগত ব্যবস্থায় ফেরত আসা সোনায় GST মকুব করার কথা বিবেচনা করা
• এই শিল্পক্ষেত্রের মধ্যে সোনার আরও ভালো ব্যবহারের স্বার্থে GMS-এর সঙ্গে গোল্ড মেটাল লোন (GML) কাঠামোর সঙ্গতিবিধান
এই প্রস্তাবে, গয়না বিক্রেতাদের সাহায্যে এক সংগ্রহ এবং সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলার সুপারিশ করা হয়েছে, যা ব্যাংক ও নিয়ামক সংস্থার তদারকির অধীন থাকবে। এতে থাকবে ডিজিটাল ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং স্বচ্ছ প্রোসেসিং পদ্ধতি, যাতে ক্রেতাদের বিশ্বাস এবং কর্মপদ্ধতির দক্ষতা বাড়ে।
এই প্রস্তাব অনুযায়ী, ভারতের ঘরোয়া সোনার মালিকানার ১%-২% বাইরে আনা গেলেও প্রায় ৬০০-৭০০ টন সোনা সার্কুলেশনে এসে যাবে, যা দেশের বার্ষিক সোনার আমদানি চাহিদার এক বড়সড় অংশ।
মালাবার গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডের বিশ্বাস, ভারতে উপস্থিত সোনার রিসাইক্লিং, পুনর্ব্যবহার, বিনিময় এবং মনেটাইজেশনে উৎসাহ দেওয়া হলে দেশের জন্য তা এক সদর্থক অর্থনৈতিক লিভার হয়ে উঠতে পারে। কোম্পানি বলেছে যে আরও শক্তিশালী এবং নাগালের মধ্যে থাকা গোল্ড মনেটাইজেশন স্কিম আমদানির উপর নির্ভরতা কমাতে সাহায্য করতে পারে, বিদেশি মুদ্রার বহির্গমন কমাতে পারে, ঘরোয়া সংস্থানের সার্কুলেশন বাড়াতে পারে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী আরও দৃঢ় ও স্বনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলায় অবদান রাখতে পারে।
গর্ভাবস্থার মাঝেই বিরল হার্ট প্রক্রিয়া, মা ও যমজ শিশুকে বাঁচিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এর
গর্ভাবস্থার মাঝেই বিরল হার্ট প্রক্রিয়া, মা ও যমজ শিশুকে বাঁচিয়ে নতুন দৃষ্টান্ত মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এর
কলকাতা, ১৪ মে ২০২৬: শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকা এক তরুণী মায়ের জীবন বাঁচানোর সময়ের সঙ্গে লড়াই শেষ পর্যন্ত পরিণত হল চিকিৎসা দক্ষতা, আশা এবং মানবিকতার এক অনন্য কাহিনিতে। মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এর চিকিৎসক দল এক অত্যন্ত জটিল ও বিরল চিকিৎসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২৬ বছর বয়সী এক অন্তঃসত্ত্বা মহিলার জীবন রক্ষা করতে সক্ষম হয়েছেন। ভাগলপুরের বাসিন্দা ওই মহিলা যমজ সন্তানের মা হতে চলেছিলেন এবং গর্ভাবস্থার ২৪তম সপ্তাহে গুরুতর হৃদ্যন্ত্র বিকলতার সমস্যায় ভুগছিলেন।
ডাঃ দিলীপ কুমার, ডিরেক্টর ক্যাথ ল্যাব, সিনিয়র ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট, ডিভাইস ও স্ট্রাকচারাল হার্ট বিশেষজ্ঞ, তাঁর বহুবিভাগীয় চিকিৎসক দলের সহায়তায় সফলভাবে ‘বেলুন মাইট্রাল ভালভোটমি (বিএমভি)’ নামক একটি জীবনদায়ী হৃদ্রোগ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। এই জটিল চিকিৎসার ফলে শুধু মায়ের শারীরিক অবস্থার উন্নতিই হয়নি, সুরক্ষিত থেকেছে গর্ভস্থ দুই শিশুর জীবনও। ভারতের মাতৃ ও ভ্রূণ হৃদরোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রোগী রোজি কুমারী, বয়স ২৬, ভাগলপুরের বাসিন্দা। যমজ সন্তানসম্ভবা অবস্থার ২৪তম সপ্তাহে অত্যন্ত সংকটজনক পরিস্থিতিতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি এনওয়াইএইচএ ক্লাস ফোর হৃদ্যন্ত্র বিকলতায় ভুগছিলেন, যা হৃদ্রোগের সবচেয়ে গুরুতর স্তরগুলির একটি। বিশ্রাম অবস্থাতেও তাঁর মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। বিভিন্ন পরীক্ষায় ধরা পড়ে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের মাইট্রাল ভালভ অত্যন্ত সংকীর্ণ হয়ে গিয়েছে, যাকে রিউম্যাটিক মাইট্রাল স্টেনোসিস বলা হয়। পাশাপাশি তাঁর ফুসফুসের রক্তচাপও অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। ফলে মা ও গর্ভস্থ দুই শিশুর জীবনই চরম ঝুঁকির মুখে পড়ে।
চিকিৎসকদের মতে, যমজ গর্ভাবস্থায় একক গর্ভধারণের তুলনায় হৃদ্যন্ত্রের উপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। হৃদ্যন্ত্রের ভালভ সংকীর্ণ থাকলে শরীরে রক্ত সঞ্চালনের চাহিদা বেড়ে গিয়ে দ্রুত হৃদ্যন্ত্র বিকল হওয়া বা ফুসফুসে জল জমার মতো প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় ডাঃ দিলীপ কুমারের নেতৃত্বে চিকিৎসক দল জরুরি ভিত্তিতে ‘বেলুন মাইট্রাল ভালভোটমি’ করার সিদ্ধান্ত নেয়। এটি একটি অত্যাধুনিক ও তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ ক্যাথেটার-ভিত্তিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সংকীর্ণ হৃদ্যন্ত্রের ভালভ প্রসারিত করে স্বাভাবিক রক্তপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা হয়।
যেহেতু এটি যমজ গর্ভাবস্থার একটি অত্যন্ত জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি ছিল, তাই গোটা চিকিৎসা প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সতর্কতা ও নিখুঁত পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়। গর্ভস্থ দুই শিশুর সুরক্ষার জন্য বিশেষ রেডিয়েশন প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল এবং চিকিৎসার সময় রেডিয়েশনের মাত্রা সর্বনিম্ন রাখা হয়। প্রথমবার বেলুন প্রসারণের পর ভালভের সংকীর্ণতা কিছুটা কমলেও সম্পূর্ণ উন্নতি হয়নি। এরপর চিকিৎসক দল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে দ্বিতীয়বার বেলুন প্রসারণ করেন, যার ফলে ভালভ আরও ভালোভাবে খুলে যায় এবং হৃদ্যন্ত্রে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এর ফলে হৃদ্যন্ত্রের ভিতরের চাপ দ্রুত কমে যায় এবং রোগীর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হয়ে ওঠে।
চিকিৎসার পর রোগীর শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হয় এবং উল্লেখযোগ্যভাবে শ্বাসকষ্ট কমে যায়। পরে তাঁকে স্থিতিশীল অবস্থায় হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। চিকিৎসার পর নিয়মিত পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, গর্ভস্থ শিশুদের কোনও সমস্যা হয়নি এবং অকাল প্রসবের ঝুঁকিও দেখা দেয়নি। ফলে গর্ভাবস্থা নিরাপদভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।
এই সাফল্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে ডাঃ দিলীপ কুমার বলেন, “যমজ গর্ভাবস্থায় গুরুতর মাইট্রাল স্টেনোসিস সামলানো ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি ও মাতৃস্বাস্থ্যের অন্যতম কঠিন চ্যালেঞ্জ। যমজ সন্তান থাকলে মায়ের হৃদ্যন্ত্রকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। সেই সঙ্গে হৃদ্যন্ত্রের ভালভ মারাত্মকভাবে সংকীর্ণ থাকলে হঠাৎ হৃদ্যন্ত্র বিকল হওয়া, তীব্র শ্বাসকষ্ট এবং মা ও শিশুদের জটিলতার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়। এই ধরনের উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং সময়মতো চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামান্য দেরিও প্রাণঘাতী হতে পারে। গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে বেলুন মাইট্রাল ভালভোটমি করতে গেলে কার্ডিওলজিস্ট, ইমেজিং বিশেষজ্ঞ, অ্যানাস্থেসিয়া ও প্রসূতি বিভাগের চিকিৎসকদের মধ্যে নিখুঁত সমন্বয় প্রয়োজন হয়। অত্যন্ত জটিল এই পরিস্থিতিতেও আমরা রোগীকে স্থিতিশীল করতে এবং তাঁর অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটাতে সক্ষম হয়েছি। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, উন্নত আধুনিক হৃদ্রোগ চিকিৎসা এবং বহুবিভাগীয় চিকিৎসক দলের সমন্বয়ে গর্ভাবস্থাজনিত জটিল হৃদ্রোগের ক্ষেত্রেও মা ও শিশুর জীবন নিরাপদ রাখা সম্ভব।”
রোজি কুমারীর বাবা নন্দকুমার শাহ বলেন, “রোজির শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেলে প্রথমে আমরা ভাগলপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানকার চিকিৎসকরা দ্রুত কলকাতার মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এ ডাঃ দিলীপ কুমার-এর সঙ্গে যোগাযোগ
করতে বলেন। আমরা ২৪ এপ্রিল কলকাতায় আসি এবং ২৬ এপ্রিল সফলভাবে চিকিৎসা সম্পন্ন হয়। রোজির স্বামী দিল্লিতে দিনমজুরের কাজ করেন। এই কঠিন সময়ে হাসপাতাল আমাদের আর্থিক সহায়তা ও বিশেষ ছাড়ও দিয়েছে, যা আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত বড় সাহায্য ছিল। চিকিৎসার পর রোজির শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয় এবং ১২ মে ২০২৬ ভাগলপুরে সে এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেয়। বর্তমানে মা ও দুই শিশুই সুস্থ ও স্থিতিশীল রয়েছে। আমার মেয়ের জীবন বাঁচিয়ে আমাদের পরিবারকে নতুন আশা দেওয়ার জন্য আমরা চিরকাল মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস এবং ডাঃ দিলীপ কুমার-এর কাছে কৃতজ্ঞ থাকব।”
ভাগলপুরের এই ঘটনাটি মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এর চিকিৎসক দলের আগের একটি একই ধরনের সফল চিকিৎসার কথা মনে করিয়ে দেয়। ২০২৩ সালে, শিলিগুড়ির ৩৩ বছর বয়সী এক মহিলা, যিনি আইভিএফের মাধ্যমে যমজ সন্তানের মা হতে চলেছিলেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন। অন্য জায়গায় চিকিৎসার পরও তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়নি। গর্ভাবস্থার ৩২তম সপ্তাহে তাঁর হৃদ্যন্ত্রের মাইট্রাল ভালভ খুব বেশি সংকীর্ণ হয়ে যাওয়ায় মারাত্মক হার্ট ফেইলিওর দেখা দেয়। তখন মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এর চিকিৎসক দল জরুরি ভিত্তিতে বেলুন মাইট্রাল ভালভোটমি (বিএমভি) করে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করতে সক্ষম হয়। পরে নিরাপদভাবে গর্ভাবস্থা সম্পূর্ণ হয় এবং মা ও দুই শিশুই সুস্থ থাকে।
এই দুইটি বিরল ও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ যমজ গর্ভাবস্থার হৃদ্রোগ চিকিৎসায় সফলতা পাওয়ার মাধ্যমে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস-এর চিকিৎসক দল শুধু ভারতে নয়, সম্ভবত বিশ্বেও একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির গড়েছে। মাতৃ ও গর্ভস্থ শিশুর হৃদ্রোগ চিকিৎসার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে।
About Manipal Hospitals
As a pioneer in healthcare, Manipal Hospitals is among the top healthcare providers in India serving over 8 million patients annually, with a focus on providing affordable, high-quality healthcare services. Manipal’s integrated network today has a pan-India footprint of 49 hospitals across 24 cities with 12,600 licensed beds, and a talented pool of 11,000+ doctors and an employee strength of over 34000. Manipal Hospitals provides comprehensive curative and preventive care for a multitude of patients from around the globe. Manipal Hospitals is AAHRPP accredited and most of the hospitals in its network are NABH, NABL, ER, Blood Bank accredited and recognized for Nursing Excellence.
Muthoot Finance Marks 15 Years of Listing on Indian Stock Exchanges; Market Cap Surges from ₹60 Billion to ₹1.5 Trillion
Muthoot Finance Marks 15 Years of Listing on Indian Stock Exchanges; Market Cap Surges from ₹60 Billion to ₹1.5 Trillion
May, 2026: Muthoot Finance Ltd., India’s largest gold loan NBFC, marks a significant milestone as it completes 15 years since its listing on the Indian stock exchanges. The occasion reflects the company’s remarkable journey from its origins in Kerala as a family-owned business to becoming a globally recognised financial services institution and a trusted Indian household name.
Since its listing in 2011, Muthoot Finance has demonstrated consistent growth, operational resilience, and strong financial performance. The company’s market capitalization has grown from approximately ₹60 billion in 2011 to recently crossing ₹1.5 trillion, representing an increase of over 25 times. This extraordinary achievement is a direct result of public confidence, as reflected by the company’s recognition as India’s No. 1 most trusted financial services brand for 10 consecutive years as per the TRA Brand Trust Report. Over the past five years alone, the company’s stock price has more than doubled, underscoring continued investor confidence and sustained growth momentum.
During this period, Muthoot Finance has significantly expanded its operational scale. The company has played a critical role in unlocking the value of idle household gold and channelising it into productive economic use, serving over 2.5 lakh customers every single day across India. At a consolidated level, the Group’s branch network has expanded to 7,500+ branches, with nearly 70% located in semi-urban and rural areas, reinforcing its commitment to financial inclusion. This deep reach is backed by strong consolidated financial milestones, with consolidated loan Assets Under Management reaching an all-time high of ₹1.6 Lakhs crore as on December 31, 2025. Gold loan operations are secured by a state-of-the-art 7-layer safety and security infrastructure, which has resulted in zero successful burglary attempts in the past six years.
Commenting on the milestone, George Jacob Muthoot, Chairman, Muthoot Finance Ltd., said, “Our journey has been guided by the core values of trust, integrity, and customer-centricity. This milestone is not just about numbers, but about the impact we have created, enabling access to credit, empowering households, and upholding the highest standards of trust and governance. As we move forward, we will continue to build on this strong foundation with a sustained focus on customer service, innovation, and integrity.”
George Alexander Muthoot, Managing Director, Muthoot Finance Ltd., added, “Crossing a ₹1.5 trillion market cap is more than a financial achievement; it is a measurable validation of the trust Indian households and investors have placed in us for over 15 years. We pioneered the organized gold loan industry, and our deep understanding of the financial needs of households remains our anchor. We are committed to build on this legacy by accelerating growth and creating long-term value for all our stakeholders.”
Muthoot Finance’s institutional strength is reinforced by its pedigree. The company has over three lakh shareholders and has been consistently paying dividends every year since 2012. We are classified as an Upper Layer NBFC by RBI, a constituent of the NIFTY Next 50 index of NSE, and proudly the first listed company from Kerala to cross the ₹1 lakh crore market cap. Furthermore, the company has been certified as a “Great Place to Work” for five consecutive years.
Building on this strong foundation, the Muthoot Group is evolving into a diversified financial services conglomerate, expanding its presence across multiple lending and financial service segments. This strategic diversification reflects the Group’s vision to create a comprehensive financial ecosystem that caters to the evolving needs of customers while ensuring long-term, sustainable growth. This commitment to sustainability includes extensive initiatives in CSR and ISR with over ₹500 crore spent since 2014, impacting over 5 million lives across India. Muthoot Finance’s growth has been anchored in its customer-centric approach, and ability to adapt to evolving market dynamics, enabling it to remain resilient across economic cycles. As the company enters its next phase of growth, it will continue to focus on expanding access to credit, leveraging technology, and reinforcing its leadership in the gold loan segment.
