সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয় মিলছে শাকচুন্নি থালি সহ নানান বাঙালি খাবার
সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয় মিলছে শাকচুন্নি থালি সহ নানান বাঙালি খাবার
মোল্লা জসিমউদ্দিন,
‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয় ৩১ অক্টোবর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অন্যান্য আউটলেটের সঙ্গে সেক্টর ফাইভ কলেজ মোড়ের কাছে আউটলেটে মিলবে ভূতের কালো ভাত।ভাববেন না এই ভাত শুধু ভূতেদের প্রিয়। ভারত, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়ায়ও মেলে। ভাতের চেয়ে অধিক আমিষ, ফাইবার, ভিটামিন এ বি। জিংকসহ অন্যান্য খনিজ পদার্থ সাদা ভাতের চেয়ে তিনগুণ বেশি। কেজি প্রতি এদেশে দাম ২৫০/৩০০ টাকা। ডায়বেটিসরোগীদের জন্য সেরা। ক্যান্সার প্রতিরোধ করে। অতীতে রাজপরিবারের খাদ্য এই কালো ভাত সাধারণের কাছে নিষিদ্ধ ছিল।ভূত চতুর্দশী পাবনে থাকছে চোদ্দ শাক। শাকচুন্নির মাথা দিয়ে ডাল। ভূতুড়ে আলুভাজা, পোড়োবাড়ির সবজি , মামদো ভূতের চিংড়ি ভাপা, মেছো ভূতের পাবদা সর্ষে, প্যাঁচাপেঁচির পোলাও, হানাবাড়ির মুরগি কষা,, পিশাচির পায়েস অবশ্যই অশরীরী পান। এছাড়াও ব্রহ্মদত্যি থালি, পেত্নি থালি এবং চোদ্দ ভূতের থালি। বাড়তি পাওনা ভৌতিক পরিবেশ, গুপি বাঘার গান এবং জ্বলজ্যান্ত শাকচুন্নি, পেত্নি, ভূত ও মামদো ভূতের উপস্থিতি। আপনাকে যাঁরা সাদর সম্ভাষণ জানাচ্ছে। ভাইফোঁটার সামগ্রী এখানেই পাবেন। সঙ্গে ভাইয়ের পছন্দের মেনু। শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে কর্ণধার রাজীব পাল জানালেন, বাঙালি হ্যালোইন ডে পালন করে। আজকের প্রজন্ম জানে না ভূত চতুর্দশী। তাই বিলুপ্ত প্রথা ফিরিয়ে আনার এক প্রচেষ্টা নেওয়া হচ্ছে কয়েকবছর ধরে। এবার সেক্টর ফাইভ আউটলেট শুরু এপ্রিল মাসে। তাই এবার এই আউটলেটে ভূতচতুর্দশী পালন।
