সাম্প্রতিক
ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

সেখ রাজু, বলগনা,

আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা উদযাপিত হয় । সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, বলরাম ও সুভদ্রার দ্বারকা থেকে বৃন্দাবন যাত্রার স্মরণে এই উৎসব পালিত হয় । প্রতিবছর মতন এবছরও সাড়ম্বরে ভাতারে রথযাত্রা পালিত হয় । ভাতারের মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রা শুরু হয় । এদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীরা রথের দড়িতে টান দেন । ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফা সহ এলাকার গুণী ব্যক্তিতরা আজকের রথযাত্রায় শামিল হল । বিধায়ক সৌমেন কার্ফা জানান প্রতিবছরই রথযাত্রা উৎসবকে বাংলার পূর্বের সরকার নিজেদের রথ বলে পরিচালিত করত । তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সারম্বরে সাধারণ মানুষ উপেক্ষিত থাকত । আজ তার উল্টো ছবি । সাধারণ মানুষরা সামনে এবং বিজেপি নেতৃত্বরা পেছনে । মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রার শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন ভাতারের ২০২১ এর বিজেপি প্রার্থী মহেন্দ্রনাথ কোনার । সমগ্র রথের এলাকা পরিদর্শন করেন এবং তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির পিঠস্থান । রথের দড়ি টানতে যত পুন্যার্থী অংশগ্রহণ করে, তার থেকে অধিক বেশি পুন্যার্থীর সমাগম ঘটে রাস্তার ধারে । প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রথে হাজার হাজার পুন্যার্থীর উপস্থিতি একতার ছবি ফুটিয়ে তোলে । সকলের সঙ্গে রথযাত্রায় পায়ে পা মেলালেন ভাতারের বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক হাজরা সহ এলাকার বিশিষ্ট গুনিতজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা । প্রতিবছরেই রথযাত্রাকে সামনে রেখে ভাতারে হাজার হাজার পুন্যার্থীদের সমাগম ঘটে । পুণ্যার্থীদের যাতে কোনো রূপ অসুবিধা না হয় সেদিকে যথেষ্ট নজর দাড়ি রাখে ভাতার পুলিশ প্রশাসন এই দাবি রাখলেন সমাজসেবী অশোক হাজরা । পাশাপাশি তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির জায়গা । বিগত সময় মানুষ একসঙ্গে যেরকম থেকে এসেছে, আগামী দিনেও সেই সম্প্রীতি অটুট থাকবে । অজ্ঞাত কোন কারনে ভাতারের আমারুন গ্রামে বিগত ১৫ বছর ধরে রথযাত্রার জৌলুষ হারিয়ে গেলেও এ বছরে সাড়ম্বরে রথযাত্রা পালন করল আমারুণ গ্রামের বাসিন্দারা । রথযাত্রা সমগ্র গ্রাম প্রদক্ষণ করার পাশাপাশি মানুষের আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন রথযাত্রা কমিটির সদস্যরা । রথের দড়ি টেনে সকলের জন্য মঙ্গলকামনা করলেন বিজেপি নেতা বাপ্পা মুখার্জি পাশাপাশি তিনি জানান ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার দূরদৃষ্টিতে সমগ্র ভাতার নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পেয়েছে । সেই দেখানো পথকে সামনে রেখে আগামী দিন একসঙ্গে আমরা চলব । বাবা জগন্নাথের কাছে বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নবাগত কন্যা সন্তানের জন্য আশীর্বাদ চাইলেন ।

Bandhan Bank Launches Integrated Provident Fund Payment Service for Business Customers

Bandhan Bank Launches Integrated Provident Fund Payment Service for Business Customers

• The EPFO integration enables businesses to make seamless Provident Fund payments through Bandhan Bank’s digital banking platforms.
• Customers can benefit from real-time transaction confirmations and instant challan downloads .

Kolkata, 16 July 2026: Bandhan Bank today announced the launch of the Provident Fund (PF) payment service through its integration with the Employees’ Provident Fund Organisation (EPFO), enabling its business customers to make PF payments seamlessly through the Bank’s digital banking channels. The initiative aims to simplify statutory payment processes while enhancing operational efficiency, convenience and compliance for businesses.

Through this integration, establishments can initiate Provident Fund payments via the EPFO portal and complete transactions through Bandhan Bank’s Internet Banking platforms. The service offers a seamless payment experience with real-time transaction confirmations and instant challan downloads, enabling faster processing and improved operational efficiency.
Designed to support the evolving needs of businesses, the new service helps organisations streamline statutory payments, optimise cash flows and ensure timely compliance with EPFO requirements. By combining robust digital capabilities with essential business banking services, Bandhan Bank aims to make routine financial operations simpler, faster and more secure for its customers.

Commenting on the launch, Mr. Rajinder Kumar Babbar, Executive Director & Chief Business Officer, Bandhan Bank, said: “At Bandhan Bank, we are focused on building solutions that make day-to-day banking more efficient for businesses. The integration with EPFO is another step towards strengthening our transaction banking ecosystem and delivering greater convenience to our customers. As promised earlier, we are helping businesses simplify compliance-related processes and focus more on their growth priorities.”

The launch further strengthens Bandhan Bank’s suite of digital transaction solutions designed to provide businesses with a secure, efficient and convenient banking experience. The Bank continues to invest in technology-driven capabilities that enhance customer experience and support the growing digital requirements of enterprises across segments.

ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নতুন ভাবনায় রাজ্যের উন্নয়ন গতি পাবে: সৌমেন কোলে

ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নতুন ভাবনায় রাজ্যের উন্নয়ন গতি পাবে: সৌমেন কোলে

কলকাতা: তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র, ধনিয়াখালী হুগলির এই সংস্থা সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। বিগত সরকারের অদূরদর্শীতায় সংস্থা কোনো সহযোগিতা পায়নি বলে অভিযোগ করলেন সংস্থার সম্পাদক সৌমেন কোলে। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল সরকারের বঞ্চনার কারণে উন্নয়ন বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সংস্থা নিজের একক প্রচেষ্টায় উন্নয়নের অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন সংস্থার কর্মীরা। বর্তমানে রজ্যে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মেল বন্ধনে ডাবল ইঞ্জিন সরকার নতুন ভাবনায় কাজ শুরু করেছে। আগামী দিনে বর্তমান সরকার এই সংস্থার উন্নতিতে প্রয়োজনীয় সাহায্যে এগিয়ে আসবে বলেই আমাদের আশা। এব্যাপারে রাজ্যের আদিবাসী কল্যাণমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু আশ্বাস দিয়েছেন। এদিন অনিবার্যকারণবশত মন্ত্রী উপস্থিত না থাকলেও সংগঠনের কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। খুব শীঘ্রই সংগঠনের পরবর্তী সভায় উপস্থিত থেকে রাজ্যের তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।‘
তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র, সংস্থার সাথে যুক্ত বহু প্রান্তিক মানুষ। সংস্থার সম্পাদক সৌমেন কোলে বুধবার কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ‘রাজ্যের উন্নয়নে বর্তমান সরকার এই সমস্ত মানুষদের কাজের সুযোগ দেবে। ২০১৫ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে আসা চিঠিকে কোনো গুরুত্বই দেয় নি নবান্নের আধিকারিকরা। বিজেপি সরকার বর্তমানে সব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এর ফলে সংস্থার কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারাও উৎসাহ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ‘রাজ্যের সঙ্কটজনক পরিস্থিতি কাটিয়ে সংগঠন আবার নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর নতুন সংকল্প নিয়েছে। এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। আগামী আগস্ট মাস থেকে সংগঠন নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে।‘
প্রসঙ্গত, তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র, হুগলির ধনিয়াখালি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। এই সংস্থা গত চল্লিশ বছর ধরে প্রান্তিক মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নানা কাজকর্ম করে চলেছে। যাদের মধ্যে অন্যতম মিশ্র কৃষিকাজ , প্রাকৃতিক কৃষি, মৎস্য চাষ, জৈব চাষ, লাক্ষা চাষ, ভার্মি কম্পোজ, পশু-পালন, মৌমাছি পালন সহ কেন্দ্রীয় সরকারের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্প। আগামী দিনেও রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় সরকারি নানা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করার শপথ নিয়েছে।

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় ভারতের সবচেয়ে বড় ডিসপোজেবল হাইজিন পণ্য উৎপাদন কেন্দ্রের শক্তিতে বেবি কেয়ার, মহিলা হাইজিন ও অ্যাডাল্ট কেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত এগোচ্ছে পান হেলথ

‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের আওতায় ভারতের সবচেয়ে বড় ডিসপোজেবল হাইজিন পণ্য উৎপাদন কেন্দ্রের শক্তিতে বেবি কেয়ার, মহিলা হাইজিন ও অ্যাডাল্ট কেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত এগোচ্ছে পান হেলথ

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

হাইজিন পণ্য তৈরির ক্ষেত্রে ভারতের অন্যতম শীর্ষ সংস্থা পান হেলথ বড় পরিসরে উৎপাদন, নিয়মিত নতুন পণ্য বাজারে আনা এবং কেন্দ্র সরকারের ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বেবি কেয়ার, মহিলা হাইজিন এবং অ্যাডাল্ট কেয়ার ক্ষেত্রে দ্রুত নিজেদের ব্যবসা বাড়িয়ে চলেছে।
লিটল অ্যাঞ্জেল (বেবি কেয়ার), এভারটিন (মহিলা হাইজিন) এবং লিবার্টি (অ্যাডাল্ট কেয়ার) – এই তিনটি প্রধান ব্র্যান্ডের মাধ্যমে পান হেলথ সব বয়সের মানুষের জন্য হাইজিন পণ্য তৈরি করে। স্বাস্থ্য, পরিচ্ছন্নতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে মানুষের সচেতনতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সংস্থাও নিয়মিত নতুন পণ্য বাজারে আনছে এবং বিভিন্ন বিভাগে নিজেদের পণ্যের পরিসর বাড়াচ্ছে।
লিটল অ্যাঞ্জেল ব্র্যান্ডের অধীনে সংস্থা এখন শুধু ডায়াপার এবং ওয়াইপসেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রিমিয়াম বেবি কেয়ার বিভাগে বেবি ফিডিং ও বাথ কেয়ার পণ্য, প্রিমিয়াম সিনডেট বার, প্রিমিয়াম বেবি সোপসহ আরও নানা প্রয়োজনীয় বেবি কেয়ার পণ্য নিয়ে আসছে। অন্যদিকে এভারটিন ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রিমিয়াম স্যানিটারি প্যাড, প্রিমিয়াম পিরিয়ড প্যান্টি, প্যান্টি লাইনার এবং মহিলাদের জন্য আরও নতুন হাইজিন পণ্য বাজারে আনা হচ্ছে। গ্রাহকদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই সংস্থা নিয়মিত নতুন পণ্য নিয়ে আসছে।
পান হেলথের এই উন্নয়নের মূল শক্তি হল গুজরাটের রাজকোটে অবস্থিত ভারতের সবচেয়ে বড় ডিসপোজেবল হাইজিন পণ্য উৎপাদন কেন্দ্র। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই আধুনিক উৎপাদন কেন্দ্রটি ৩০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এবং এখানে ৭ লক্ষ বর্গফুটেরও বেশি উৎপাদন এলাকা রয়েছে। প্রতি বছর এখানে ৩.৭ বিলিয়নেরও বেশি হাইজিন পণ্য তৈরি হয়। আধুনিক প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন ব্যবস্থা, কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে সংস্থা বড় পরিসরে উন্নত মানের হাইজিন পণ্য তৈরি করছে।
‘মেক ইন ইন্ডিয়া, মেড ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ এই ভাবনাকে সামনে রেখে পান হেলথ ভারতে বিশ্বমানের হাইজিন পণ্য তৈরি করছে। প্রযুক্তি, রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (R&D), উৎপাদন এবং নতুন পণ্যে ধারাবাহিক বিনিয়োগের ফলে সংস্থা দেশের বাজারে নিজেদের উপস্থিতি বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।


উপস্থিত রাজ্যের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম সাহেব।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের ধারসোনায় অনুষ্ঠিত হলো জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে
বিশেষ বৈঠক।

মূলত এই রাজ্যে বর্তমানে আলেম ওলামাদের সঠিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে না।
দেশে হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ব বজায় যাতে থাকে তার দাবি তোলা হয় এই বৈঠকে।
সমস্ত ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের বার্তা দেয়া হয় সংবেধান মেনে, আইন মেনে আগামী দিনে পথ চলতে হবে।

এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলী সাহেব, মেম্বার মাওলানা জয়নাল আবেদীন সাহেব ,কেতুগ্রাম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মমতাজ হোসেন, এছাড়াও কাটোয়ার জন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে সভাপতি মাওলানা রহমাতুল্লাহ চৌধুরী, সম্পাদক এইচ,এম নাসির উদ্দিন চৌধুরী , কৈতন মাদ্রাসার শিক্ষক মুক্তি শহীদুল্লাহ সাহেব,সহ এলাকার আড়াইশো মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেন।
এছাড়াও কাটোয়া এলাকার মাদ্রাসার প্রধান রা উপস্থিত ছিলেন।

সবশেষে এলাকায় শান্তির বার্তা দেন
সংগঠনের প্রধান অতিথিরা।

মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

Flipkart Group CEO Kalyan Krishnamurthy meets Hon’ble CM of West Bengal, discusses digital commerce and MSME growth.

Delighted to meet Shri Suvendu Adhikari, Hon’ble Chief Minister of West Bengal. We had a very constructive discussion on West Bengal’s growth agenda and the state’s immense potential to emerge as a leading hub for digital commerce,

entrepreneurship and employment generation. As home to Flipkart’s largest fulfilment centre in India and one of our most important markets, West Bengal is central to the Flipkart Group’s journey. We discussed opportunities to deepen our partnership by supporting MSMEs, artisans, farmers, food processing, startups and skilling, while expanding market access through technology and digital commerce. We remain committed to working alongside the Government of West Bengal to create long-term economic opportunities for the people of the state.

বিশিষ্ট লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের নতুন গ্রন্থ ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’-প্রকাশ পেল কলকাতা প্রেসক্লাবে

বিশিষ্ট লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের নতুন গ্রন্থ ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’-প্রকাশ পেল কলকাতা প্রেসক্লাবে

কলকাতা, ১৫ জুলাই ২০২৬: কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশিষ্ট লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের নতুন গ্রন্থ ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’-এর প্রকাশ উপলক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলন ও বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বইটি প্রকাশ করেছে দে’জ পাবলিশিং।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি ও উপস্থিত দর্শকদের স্বাগত জানানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বইটির বিষয়বস্তু, প্রকাশনার প্রেক্ষাপট এবং লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের সাহিত্যচর্চার সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হয়।
লেখক অনীশ কাঞ্জিলাল তাঁর বক্তব্যে বইটি রচনার অনুপ্রেরণা, বিষয়বস্তু এবং সমকালীন সমাজ ও নারী-সংক্রান্ত নানা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই গ্রন্থের মাধ্যমে সমাজ, সাহিত্য এবং মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে পাঠকদের নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।
প্রধান অতিথি গৌতম ঘোষ সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’ গ্রন্থে আলোচিত বিষয়গুলির প্রশংসা করেন। তিনি সমকালীন বাংলা সাহিত্যে এ ধরনের বিষয়ভিত্তিক গ্রন্থের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতার ওপর বিশেষ জোর দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে বইটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় ফটোসেশন। প্রধান অতিথিকে স্মারক ও ফুলের তোড়া প্রদান করে সম্মান জানানো হয়৷
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাংবাদিক সম্মেলন ও প্রশ্নোত্তর পর্ব। প্রিন্ট, টেলিভিশন, ডিজিটালসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বইটির বিষয়বস্তু, লেখকের ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। লেখক ও প্রধান অতিথি সেই প্রশ্নগুলির উত্তর দেন।
শেষে সঞ্চালকের ধন্যবাদজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রধান অতিথি, লেখক এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি দলগত আলোকচিত্র তোলার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটে।
সাহিত্যপ্রেমী, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের উৎসাহী উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। দে’জ পাবলিশিং-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি বাংলা সাহিত্যজগতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

The Gem & Jewellery Export Promotion Council

The Gem & Jewellery Export Promotion Council


Kolkata Flags Off First Jewellery Export Consignment to the UK Under India–UK CETA

• Six leading Kolkata Exporters Join Historic US$10 Million Nationwide Jewellery Shipment

Kolkata, 15 July 2026: Kolkata, one of India’s leading centres for jewellery manufacturing and craftsmanship, today marked a historic milestone with the flagging off of the first jewellery export consignment to the United Kingdom under the India–UK Comprehensive Economic and Trade Agreement (CETA) at the Kolkata Air Cargo Complex.

The ceremony was held in the presence of Shri Tapas Roy, Hon’ble Minister-in-Charge, Industry & Commerce, Government of West Bengal, Shri Yogendra Garg, IRS, Member, Customs, Shri Chandra Kant Mishra, ITS, Additional Director General of Foreign Trade (DGFT), Dr. Andrew Fleming, British Deputy High Commissioner, East & Northeast India, Shri Pankaj Parekh, the Regional Chairman – Eastern Region, GJEPC and Dr. Debjani Roy, Executive Director, SHEFEXIL

The Kolkata flag-off forms part of a nationwide initiative being held across Delhi, Mumbai, Surat, Jaipur and Chennai, celebrating India’s first jewellery exports to the UK under the landmark trade agreement.
leading exporters from Kolkata— Jais Jewellery Pvt. Ltd.; Modern Impex; L. Gopal & Sons (Jewellers); AB Jewels Pvt. Ltd., JS Jewels Private Limited; Hasmukh Parekh Jewellers—are part of the inaugural US$10 million jewellery shipment comprising gold jewellery, diamond jewellery, silver jewellery and platinum jewellery.

The India–UK CETA ushers in a new era for India’s gem and jewellery industry by providing zero-duty access to the UK market from the day the agreement enters into force and eliminating UK import tariffs of up to 4%. The agreement gives Indian exporters a significant competitive advantage in the UK’s US$4 billion jewellery import market, paving the way for enhanced exports, investment and employment.

Shri Kirit Bhansali, Chairman, GJEPC, said “Today marks a proud and defining moment for India’s gem and jewellery industry as we flag off the first export consignment to the United Kingdom under the India–UK Comprehensive Economic and Trade Agreement. This is more than the movement of goods—it is the beginning of a new chapter in India’s global trade journey. I sincerely thank Hon’ble Prime Minister Shri Narendra Modi and the Government of India for their visionary leadership in concluding this landmark agreement and for their unwavering support to our industry. The India–UK CETA eliminates UK import tariffs of up to 4%, providing Indian exporters with a significant competitive advantage in the UK’s US$4 billion jewellery import market. With zero-duty access, we expect India’s gem and jewellery exports to the UK to increase from around US$754 million to nearly US$2.5 billion over the next three years. This growth will create new opportunities for exporters, manufacturers, MSMEs, artisans and designers while further strengthening India’s position as a global leader in craftsmanship, innovation and value-added jewellery manufacturing.”

Shri Pankaj Parekh, Regional Chairman – Eastern Region, GJEPC, said: “The India–UK Free Trade Agreement presents a transformative opportunity to showcase India’s exceptional jewellery craftsmanship to consumers in one of the world’s most discerning jewellery markets. With zero-duty access, India’s gem and jewellery exports to the UK are projected to increase from around US$754 million to nearly US$2.5 billion over the next three years. Kolkata, with its rich legacy of jewellery craftsmanship and manufacturing excellence, is well-positioned to contribute significantly to this growth. The agreement will open new avenues for artisans, manufacturers and exporters, enabling them to expand their global footprint while reinforcing India’s position as a trusted source of world-class craftsmanship.”

The India–UK CETA is expected to deliver significant benefits to West Bengal’s gem and jewellery sector by improving market access, encouraging value-added manufacturing, creating employment, promoting skill development and strengthening the participation of artisans, MSMEs and exporters. Kolkata’s long-standing reputation for fine jewellery craftsmanship and manufacturing excellence positions the region to emerge as one of the key beneficiaries of the landmark agreement.

The flagging off of the first consignment underscores Kolkata’s continued contribution to India’s gem and jewellery exports and reflects the confidence of the industry’s exporters in the opportunities created by the India–UK CETA. As Indian jewellery enters the UK market with zero-duty access for the first time, Kolkata’s manufacturers and artisans are poised to play a pivotal role in strengthening India’s global jewellery exports.

ওয়েভ ক্যুইন ইণ্ডিয়া মিস অ্যাণ্ড মিসেস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬

ওয়েভ ক্যুইন ইণ্ডিয়া মিস অ্যাণ্ড মিসেস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬

মৃত্যুঞ্জয় রায় ,

অক্টোবরের শেষ আর নভেম্বর শুরুর সন্ধিক্ষণে ১৩ থেকে ৮০ বছরের মহিলাদের জন্য ‘ট্যাপশন মিডিয়া’-র আয়োজনে ভুটানে আয়োজিত হতে চলেছে ‘ওয়েভ ক্যুইন ইণ্ডিয়া মিস অ্যাণ্ড মিসেস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬’ নামাঙ্কিত এক সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতা।মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতায় এই বিষয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত থেকে ‘ট্যাপশন মিডিয়া’-র প্রতিষ্ঠাতা নিতু শাহ জানিয়েছেন, “দ্বিতীয় পর্বের এই অনুষ্ঠানে পুরুষদের জন্য ‘মিস্টার’ এবং ‘কিং’ বিভাগ ছাড়াও মহিলাদের জন্য থাকবে ‘মিস’, ‘মিসেস’, ‘প্লাস সাইজ’, ‘ক্লাসিক’ এবং ‘সর্ট হাইট’ বিভাগের প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগের বিজয়ী ও বিজয়িনীরা পাবেন শংসাপত্র সহ মনোলোভা নানাবিধ পুরস্কার।”

‘ট্যাপশন মিডিয়া’-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “১ নভেম্বর সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতার মূলপর্বে অংশগ্রহণ করবেন শীর্ষ বাছাই ৫০ জন প্রতিযোগী ও প্রতিযোগিনী। ইতিমধ্যে উৎসুক প্রার্থীরা ইতিমধ্যে যোগাযোগ করতে শুরু করেছেন।”

সাংবাদিক সম্মেলনে নিতু শাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন পদস্থ আধিকারিক পিনাকী চক্রবর্তী, চলচ্চিত্র পরিচালক ভার্গব চৌধুরী, সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ পাল, ডাঃ পারমী গোস্বামী, পুতুল ধর ও মডেল শুভাঙ্গিনী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার দশম মৃত্যুবাষিকী

প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার দশম মৃত্যুবাষিকী

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বুধবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের পদিমপুর গ্রামে প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্থানীয় মসজিদে এক দোওয়ার মজলিস বসে। শতাধিক ধর্মপ্রাণ এই দোওয়ার মজলিসে ছিলেন। প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লা কর্মজীবনে একাধারে সাংবাদিক – অতিথি অধ্যাপক – শিক্ষক হিসাবে যেমন কর্মজীবন কাটিয়েছেন , ঠিক তেমনি অপরদিকে আইনজীবী – সর্বপরি ৩০ টা বছর রাজ্যের বিভিন্ন নিম্ন আদালতে বিচারক পদে ছিলেন তিনি । কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতা বিভাগে ‘প্রথম ব্যাচে’ এমএ ডিগ্রি অর্জনের পর সর্বভারতীয় ইংরেজি এক দৈনিক কাগজে সাংবাদিকতা করেন তিনি।এরপর কাটোয়ার কাশিরাম দাস ইনস্টিটিউটে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছিলেন। কাটোয়া কলেজে পলিটিকাল সায়েন্সের অতিথি লেকচারার ছিলেন একদা তিনি। এরপর কাটোয়া মহকুমা আদালতে প্রখ্যাত আইনজীবী তারাপদ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জুনিয়র’ হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করে গেছেন ।১৯৮৩ সালে রাজ্যের জুডিশিয়াল পরীক্ষায় টপারদের মধ্যে ছিলেন মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লা ।সদর বর্ধমান, আরামবাগ, কালনা,সিউডি, দাঁতন,আলিপুর,আলিপুরদুয়ার,বসিরহাট, মেদনীপুর,গড়বেতা,শ্রীরামপুর প্রভৃতি আদালতে সিভিল / ক্রিমিনালে বিচারক হিসাবে ছিলেন তিনি।রাজ্য আইনমহলে তাঁর রায়দান এখনও আলোচিত হয়। ২০১৬ সালে এই দিনে প্রয়াত বিচারক পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের পদিমপুরে নিজ বাড়িতে মারা যান।তাঁর পৈতৃক ভিটা কাটোয়ার শ্রীখণ্ড এলাকায়।২০১৭ সাল থেকে মঙ্গলকোটের কোগ্রামে ‘কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটি’ তাঁর স্মরণে সম্মান প্রদান করে থাকে। যেখানে কলকাতা হাইকোর্টের একদা এজিপি আনসার মন্ডল, আইনজীবী শীর্ষেন্দু সিংরায় – মাধব বন্দ্যোপাধ্যায়দের মত ব্যক্তিত্বরা সম্মানিত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রয়াত বিচারক মহম্মদ নুরুল হোদা মোল্লার বড় ছেলে মোল্লা জসিমউদ্দিন (নন এডভোকেট মিডিয়েটর – কলকাতা হাইকোর্ট,আইনী সংবাদদাতা )।