সাম্প্রতিক
TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘‘কম্পিত ‘তৃণ’ দল’’, ০৭ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘‘কম্পিত ‘তৃণ’ দল’’, ০৭ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

কলকাতা, ৭ জুন: টেলিভিশন স্ক্রিন থেকে সোশ্যাল মিডিয়া, খবরের শিরোনামে তৃণমূল। এক মাসে দু’টুকরো রাজ্যের প্রাক্তন শাসক। বিধানসভায় বেঁকে বসছে পরিষদীয় দল। দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থনে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কানাঘুঁষো শোনা যাচ্ছে লোকসভায় তৃণমূলের ভাঙনের। দলের বিরুদ্ধে সরব তৃণমূলেই একাংশ।ইস্তফার হিড়িক রাজ্য জুড়ে পুরসভা থেকে জেলাপরিশদগুলিতে। পাশাপাশি রোজই মানুষকে গ্রেফতার হচ্ছেন কালীঘাটের খাসরা। সুজিত বসু, স্বরূপ বিশ্বাস, শওকত মোল্লা গারদের মুখ দেখছেন। নিজের দলেই কোনঠাসা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পায়ের তলায় মাটি সরছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। প্রাক্তন শাসকের অস্তিত্ব কি সঙ্কটের মুখে? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই গ্রাউন্ড জিরোয় রিপোর্টিং ও বিশেষজ্ঞদের মতামত সহ TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘‘কম্পিত ‘তৃণ’ দল’’, ০৭ জুন ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

নাগতিহল্লি রমেশকে প্রদান করা হলো “গঙ্গা–কাবেরী মহাসাগর ও পৃথিবী করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার

নাগতিহল্লি রমেশকে প্রদান করা হলো “গঙ্গা–কাবেরী মহাসাগর ও পৃথিবী করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার


রাজকুমার দাস

নদী, মানবতা ও পরিবেশচেতনার এক তাৎপর্যপূর্ণ মিলনোৎসব
কাবেরীর তীর থেকে গঙ্গার পাড়ে…
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ভারত সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, জাতিসংঘ, ইউনাইটেড জার্নালিস্টস ফোরাম,এবং ইউনিভার্সাল সোল ট্রি ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এক অনন্য আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এই গৌরবময় অনুষ্ঠানে কর্ণাটকের বিশিষ্ট কবি, চিন্তাবিদ, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত অ্যালবাম নির্মাতা, সমাজ-রাজনীতি ও পরিবেশকর্মী এবং কৃষিজীবী নাগতিহল্লি রমেশ-কে প্রদান করা হয় মর্যাদাপূর্ণ “গঙ্গা–কাবেরী মহাসাগর ও পৃথিবী করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার”।
সাহিত্য, পরিবেশ-সংবেদনশীলতা, সামাজিক সচেতনতা, সাংস্কৃতিক মনন এবং মানবিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হয়।

পুরস্কারের মূলমন্ত্র—
“দুটি পবিত্র নদী, একটি মহাসাগর, একটি পৃথিবী, একটি দায়িত্ব”
—এই সম্মাননার দর্শন ও তাৎপর্যকে অনন্যভাবে তুলে ধরে।
নাগতিহল্লি রমেশ দীর্ঘদিন ধরে পৃথিবী, নদী, সমুদ্র ও প্রকৃতি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলে আসছেন। তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ, বক্তৃতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে পরিবেশচেতনা এবং মানবিক দায়িত্ববোধের এক ধারাবাহিক সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

দীর্ঘ ৩০ বছরের সংগ্রামে স্বপ্ন সফল মঙ্গলকোটের তিন যুবকের, যা নিয়ে চর্চা এলাকায়।

দীর্ঘ ৩০ বছরের সংগ্রামে স্বপ্ন সফল মঙ্গলকোটের তিন যুবকের, যা নিয়ে চর্চা এলাকায়।


তিনটি দামি গাড়ি করে গুজরাট থেকে ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এলো তিন যুবক।

কষ্টের সংসার তাই পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ৩০ বছর আগে পাড়ি দিয়েছিল গুজরাটের রাজকোটে মঙ্গলকোটের তিন যুবক।
শেখ বাবুল, শেখ বাপি ও শেখ সবুজ।
প্রথমে ওখানে গিয়ে কাজের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তিন যুবক।
পরে সোনার দোকানে দিনমজুর হিসাবে কাজে লাগে।
কিন্তু তিন জনের স্বপ্ন ছিল বড়।
স্বপ্ন সত্যি করেছে মহান আল্লাহতালা বলে দাবি ওই তিন যুবকের।
পরে তিনজন তিনটি কারখানা তৈরি করে ব্যবসা শুরু করেন।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় 30 জন যুবক সেই তিনটি কারখানায় কাজ করেন।
তাদের স্বপ্ন ছিল ভালো গাড়িতে চাপা।
পরিশ্রম যে স্বপ্ন কে সত্যি করে তা প্রমাণ করলো এই তিন যুবক।
এবছর ঈদে তিনজন তিনটি গাড়ি নিয়ে মঙ্গলকোট গ্রামে ফিরলো।
একটি বি,এম ডাবলু, maindra সেভেন xoও হোন্ডা ক্রিয়েটা।

এলাকার মানুষ এই তিন যুবকের সততার প্রশংসা করেন।
শেখ বাপি জানান, আমার পড়াশোনা করার খুব ইচ্ছা ছিল, পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ছিল না তাই পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে বিন রাজ্যে কাজে যায়।
কিন্তু মনের কঠিন ইচ্ছা ছিল নিজের পায়ে দাঁড়াবো।
আল্লাহ সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
আমি এ বছর ঈদে বাড়ি এসেছি বি এম ডাব্লু গাড়ি কিনে।
আমি প্রশংসা করবো মহান আল্লাহতালার যিনি আমার ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
শেখ বাবুল জানান,
ভালোভাবে বসবাস করবো এবং ভালোভাবে চলাফেরা করব এই স্বপ্ন ছিল আমার।
আল্লাহর রহমতে আমি গুজরাটে বাড়ি, এবং দোকান রয়েছে নিজস্ব। কোনো ভাড়া বাড়ি বা দোকানে ব্যবসা করি না।

শেখ সবুজ জানান, ছোটবেলায় আব্বার মুখে শুনেছিলাম কর্মই ধর্ম।
কর্মজীবনে এসে দেখলাম আব্বার কথাই সত্য।

মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

।। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে চারা রোপণ, সবুজায়নের বার্তা বিজেপি ওবিসি মোর্চার ।।

।। বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে চারা রোপণ, সবুজায়নের বার্তা বিজেপি ওবিসি মোর্চার ।।

বসিরহাট : বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বসিরহাটে পরিবেশ সচেতনতার এক উল্লেখযোগ্য কর্মসূচির আয়োজন করল বিজেপির ওবিসি মোর্চা। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে গাছ লাগানোর গুরুত্ব তুলে ধরতে বসিরহাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে ৩৫টি চারা গাছ রোপণ করা হয়।
শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন বিজেপির একাধিক নেতৃত্বের পাশাপাশি স্বাস্থ্য দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনপরিসরে গাছ লাগানোর মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার বার্তা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়। কর্মসূচির উদ্যোক্তারা জানান, শুধুমাত্র চারা রোপণ করাই নয়, ভবিষ্যতে গাছগুলির পরিচর্যা ও সংরক্ষণের দিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে, যাতে সেগুলি বড় হয়ে হাসপাতাল চত্বরকে আরও সবুজ ও মনোরম করে তুলতে পারে।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুকল্যাণ বৈদ্য ও বসিরহাট বিজেপি সাংগঠনিক জেলার ওবিসি মোর্চার সভাপতি অনুপম বিশ্বাস। তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক রবিউল ইসলাম গাইন, সিএমওএইচ-২ অনুপম ভট্টাচার্য, সিএমওএইচ-৩ শ্যামল বিশ্বাস এবং হাসপাতালের অন্যান্য আধিকারিকরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সুকল্যাণ বৈদ্য বলেন, “বর্তমান সময়ে বিশ্ব উষ্ণায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ দূষণ মানব সমাজের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে পরিবেশকে রক্ষা করতে এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ পৃথিবী গড়ে তুলতে বেশি করে গাছ লাগানো অত্যন্ত জরুরি।” তিনি জানান, হাসপাতাল চত্বরে রোপণ করা ৩৫টি চারা গাছ ভবিষ্যতে বড় হয়ে রোগী, চিকিৎসক এবং সাধারণ মানুষের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর ও নির্মল পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া স্বাস্থ্য আধিকারিকরাও পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাদের মতে, হাসপাতালের মতো জায়গায় সবুজ পরিবেশ শুধু সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না, রোগীদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই এই ধরনের উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার প্রয়োজন রয়েছে।
চারা রোপণের পাশাপাশি উপস্থিত সকলের কাছে পরিবেশ রক্ষার শপথও নেওয়া হয়। প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো, জল অপচয় রোধ এবং প্রত্যেককে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানানো হয় অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে।
বসিরহাট জেলা হাসপাতাল চত্বরে এই সবুজায়ন কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। চিকিৎসা করাতে আসা রোগী ও তাদের পরিজনরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “হাসপাতাল চত্বর আরও সবুজ হয়ে উঠলে পরিবেশ যেমন উন্নত হবে, তেমনই রোগীদের জন্যও একটি স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হবে।” বিশ্ব পরিবেশ দিবসে এই উদ্যোগ পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন উপস্থিত সকলেই।

বীরভূমে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী,

নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে একটি গাছ মায়ের নামে কর্মসূচির বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে রাজ্য জুড়ে। বীরভূমের সিউড়ি, রামপুরহাট নলহাটির কয়থা হাই মাদ্রাসা
,নলহাটি দুই নম্বর ব্লকের ব্লক অফিস সহ জেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ে। পরিবেশ রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং আগামী প্রজন্মের জন্য সুস্থ ও সুন্দর পৃথিবী গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। মায়ের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে একটি করে গাছ রোপণের আহ্বান জানানো হয়। রামপুরহাটে এই বৃক্ষ রোপন কর্মসূচিতে অংশ নেন বিধায়ক ধ্রুব সাহা।সিউড়ি কড়িধ্যা বিদ্যানিকেতন হাই স্কুলে বৃক্ষরোপণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন রাজ্যের পূর্ণ মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, প্রশাসনিক আধিকারিকরা। নলহাটি দুই নম্বর ব্লকের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি করেন বিডিও, অন্যান্য আধিকারিকরা ,বিজেপি সহ সকল রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বরা।গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান। বৃক্ষ রোপনের পাশাপাশি বিভিন্ন বিদ্যালয়ে ছবি আঁকো , কুইজ,সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

A Gift of Life Beyond Life

A Gift of Life Beyond Life

A 20-year-old young man, a resident of Hatiara, New Town, Kolkata, suffered a tragic road traffic accident on 31st May 2026 and was admitted to Apollo Multispeciality Hospitals, Kolkata, under the care of Dr. Debarshi Chatterjee.

Despite the tireless efforts of the medical team, he was declared brain dead on 3rd June 2026 at 6:40 PM.

In the midst of unimaginable grief, his parents displayed extraordinary courage, compassion, and humanity. With the consent of his father and the support of the entire family, the decision was made to donate his organs, transforming a moment of profound loss into a legacy of hope and life.

Through the noble act of organ donation:

  • His liver was allocated through ROTTO and successfully transplanted into a 45-year-old man from Haridevpur, South 24 Parganas at Apollo Multispeciality Hospitals, Kolkata.
  • One kidney was allocated to SSKM Hospital.
  • The second kidney was retrieved by RNT for transplantation.
  • His corneas were retrieved by Disha Eye Bank, offering the gift of sight to those in need.

While no words can truly ease the pain of losing a beloved son, his family’s selfless decision has given multiple individuals a second chance at life. Their strength during such a difficult time is deeply inspiring and serves as a shining example of humanity at its finest.

দিল্লিতে আলোচনা সভায় আইনজীবী জয়দীপ মুখার্জি

দিল্লীতে ভারতের মাননীয় প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি কে.জি.বালাকৃষ্ণান, ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শ্রীমতি জ্ঞানসুধা মিশ্র সহ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি শ্রীমতি ইন্দিরা ব্যানার্জীর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হলো।

নতুন ক্যাচ হলদি প্রচার অভিযান এবং পোর্টফোলিও সম্প্রসারণের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের উপস্থিতি আরও জোরদার করল ডিএস গ্রুপের ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস

নতুন ক্যাচ হলদি প্রচার অভিযান এবং পোর্টফোলিও সম্প্রসারণের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের উপস্থিতি আরও জোরদার করল ডিএস গ্রুপের ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস

শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে নিয়ে এর প্রথম আঞ্চলিক প্রচারণা শুরু করেছে

কলকাতা, ০৫ জুন, ২০২৬: শীর্ষস্থানীয় এফএমসিজি ও বহু-ব্যবসায়ী সংস্থা ধর্মপাল সত্যপাল গ্রুপ (ডিএস গ্রুপ)-এর একটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড, ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস, পণ্য উদ্ভাবন, পোর্টফোলিও সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রেক্ষিতের মাধ্যমে ভোক্তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মতো এক অনন্য প্রবৃদ্ধি কৌশলের মধ্য দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে তার উপস্থিতি আরও জোরদার করছে। গত দুই বছরে ‘ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস’ ২০ শতাংশেরও বেশি জোরালো বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং নিজেদের এই অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করে চলেছে।

ব্র্যান্ডটির জন্য পশ্চিমবঙ্গ একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বাজার, যেখানে কলকাতা, আসানসোল, দুর্গাপুর, বর্ধমান এবং শিলিগুড়ির মতো শহরগুলি সমস্ত বিভাগে প্রবৃদ্ধি চালনা করছে। যদিও শহরাঞ্চলগুলি চাহিদার প্রধান কেন্দ্র, ক্যাচ শক্তিশালী বিতরণ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রামীণ বাজারেও তার প্রসার বাড়াচ্ছে। আধুনিক বাণিজ্য এবং কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলির দ্রুত গ্রহণের কারণে টিয়ার-২ বাজারগুলিতেও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। ক্যাচের কিছু জনপ্রিয় আঞ্চলিক পণ্যের মধ্যে রয়েছে পাঁচ ফোড়ন, পোস্ত, শাহী গরম মশলা এবং এগ মশলা, এর সাথে রয়েছে রেগুলার সল্ট এন্ড ব্ল্যাক পেপের স্প্রিংকলার।

ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদা মেটাতে নিজেদের পণ্য সম্ভারকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে, ক্যাচ তাদের আইকনিক স্প্রিঙ্কলার রেঞ্জকে নতুন যুগের মশলা এবং আঞ্চলিক স্বাদের সংযোজন করে আরও প্রসারিত করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতীয় পরিবারগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে সল্ট এন্ড পেপের সঙ্গে যুক্ত এই উন্নত রেঞ্জটিতে এখন পিৎজা পাস্তা সিজনিং, চিলি ফ্লেক্স, অরিগ্যানো, ম্যাজিক মাসালা এবং মিক্সড হার্বসের মতো আধুনিক ভ্যারিয়েন্টের পাশাপাশি জিরাভান (পোহা মাসালা) এবং পোডি মাসালার মতো আঞ্চলিক স্বাদও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই সম্প্রসারণের মাধ্যমে, ক্যাচ স্প্রিংকলার ফর্ম্যাটকে একটি বিস্তৃত সিজনিং প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরিত করছে, যা ক্রমবর্ধমান পরীক্ষামূলক ও সুবিধাবাদী গ্রাহকদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং একই সাথে ভারতজুড়ে আঞ্চলিক স্বাদের পছন্দগুলিও পূরণ করছে। সম্প্রসারিত ক্যাচ স্প্রিংকলার রেঞ্জটি জেনারেল ট্রেড, মডার্ন রিটেল, ই-কমার্স এবং কুইক কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলিতে পাওয়া যাচ্ছে। ক্যাচ-এর সিগনেচার এইচআইপিএস কন্টেইনারে প্যাক করা এই রেঞ্জটি মসলাকে আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করে এবং রান্না বা দৈনন্দিন খাবারের জন্য টেবিলের উপরেই সহজে ব্যবহার করার সুযোগ দেয়।

এই প্রসঙ্গে ডিএস গ্রুপের ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস-এর বিজনেস হেড, শ্রী সন্দীপ ঘোষ বলেন, “ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস-এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। এর সমৃদ্ধ রন্ধন ঐতিহ্য এবং খাবারের সাথে গভীর আবেগপূর্ণ সংযোগের কারণে, এটি আমাদের বৃহত্তর ব্র্যান্ড দর্শন বজায় রেখে স্থানীয় সংস্কৃতিতে প্রোথিত একটি গল্প বলার দারুণ সুযোগ করে দেয়। ক্যাচ হালদির এই প্রচারণার মাধ্যমে এবং আমাদের পোর্টফোলিওর ক্রমাগত সম্প্রসারণের মাধ্যমে, আমরা রাজ্যের ভোক্তাদের সাথে আমাদের সংযোগ আরও গভীর করতে চাই, এবং একই সাথে মানুষের পরিবর্তনশীল পছন্দের কথাও মাথায় রাখতে চাই।”

এই বাজার-কেন্দ্রিক কৌশলের অংশ হিসেবে, ক্যাচ প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী শুভশ্রী গাঙ্গুলীকে নিয়ে ‘ক্যাচ হলদি’-র জন্য একটি বাংলা-একচেটিয়া প্রচারাভিযান শুরু করেছে। ব্র্যান্ডটির জন্য এটি একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক, কারণ এটিই ক্যাচের প্রথম আঞ্চলিক প্রচার যা বাংলা ভাষায় একজন আঞ্চলিক তারকাকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

ডেন্টসু দ্বারা নির্মিত এই ক্যাম্পেইনটি ক্যাচ-এর দীর্ঘদিনের ব্র্যান্ড দর্শন “কিউঙ্কি খানা সির্ফ খানা নেহি হোতা” -এর ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে; বাংলায় যার ভাবার্থ হলো “কারণ খাবার শুধু মাত্র খাবার হয়ে না।” দৈনন্দিন জীবনের এক হৃদয়স্পর্শী গল্পের মাধ্যমে চলচ্চিত্রটি বাঙালি ঘরবাড়িতে হলুদের আবেগিক, সাংস্কৃতিক এবং দৈনন্দিন তাৎপর্য তুলে ধরে। এটি ‘ক্যাচ হলদি’-কে পবিত্রতার প্রতীক, প্রতিটি উৎসব এবং দৈনন্দিন আচারের একটি অংশ হিসেবে উপস্থাপন করে। ঐতিহ্যবাহী বাংলা রচনার ছন্দ ও সুরে নির্মিত চলচ্চিত্রটির গল্পটি যেন বাংলার প্রাণবন্ত দৈনন্দিন জীবনের হৃদস্পন্দন। এটি এই হৃদয়স্পর্শী সত্যটি প্রকাশ করে যে, খাবার কেবল পেট ভরানোর একটি মাধ্যম নয়; এটি একটি লালিত স্মৃতি, এক অটুট ঐতিহ্য, এক আনন্দময় উদযাপন এবং আপন করে নেওয়ার এক উষ্ণ অনুভূতিও বটে। এই প্রচারণার সমাপ্তি ঘটে এই ভাবনার মাধ্যমে: “হাতে ধুয়ে যায়, ক্যাচ করে নায়।” এটি জোরালোভাবে এই বার্তা দেয় যে, হাত থেকে হলুদ ধুয়ে গেলেও ‘ক্যাচ হলদি’ যে পবিত্রতার ছাপ রেখে যায়, তা থেকে যায়। এই লাইনটি বাঙালিদের হাত দিয়ে খাবার খাওয়ার ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত, যা বাংলার মানুষের হৃদয়ে ও আঙুলে হলুদের উপস্থিতি অনুভব করায়।

এই প্রচার অভিযানটি টেলিভিশন, ডিজিটাল, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জুড়ে চলবে। এই প্রচারণার সূচনায় রয়েছে একটি ২ মিনিটের চলচ্চিত্র, ৬০ সেকেন্ডের সম্পাদিত সংস্করণ এবং ‘জামাই ষষ্ঠী’-র জন্য একটি বিশেষ উৎসব সংস্করণ, যা বাংলার গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলিতে এই প্রচার অভিযানটিকে প্রাসঙ্গিক রাখতে সাহায্য করবে। ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস পশ্চিমবঙ্গের বাজারের জন্য বিশেষ সোশ্যাল মিডিয়া পেজ (ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক এবং এক্স) চালু করেছে।

এই প্রচারণার অংশ হওয়া প্রসঙ্গে শুভশ্রী গাঙ্গুলী বলেন, “এই চলচ্চিত্রটির যে বিষয়টি আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে, তা হলো এতে বাংলা, আমাদের খাবার, আমাদের ঐতিহ্য এবং এর সঙ্গে জড়িত আবেগগুলোকে অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। হলুদ আমাদের রান্না ও উৎসবের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই গল্পটি সুন্দরভাবে দেখায় কীভাবে খাবার প্রজন্ম ও স্মৃতিকে সংযুক্ত করে। ‘ক্যাচ’-এর মতো এমন একটি প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি আনন্দিত, যা আমার কাছে অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আপন মনে হয়।”

সাংস্কৃতিক দিক থেকে প্রাসঙ্গিক গল্প, পণ্যের উদ্ভাবন এবং বিতরণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণের মাধ্যমে ক্যাচ সল্ট অ্যান্ড স্পাইসেস ভারতীয় রান্নাঘরে তার শক্তিশালী অবস্থান বজায় রেখেছে। এটি আঞ্চলিক পছন্দ এবং ভোক্তাদের পরিবর্তনশীল জীবনধারার সাথে মানানসই নতুন পণ্যও বাজারে আনছে। ভারতে খাদ্যাভ্যাসে স্বাস্থ্যকর, প্যাকেটজাত এবং সহজলভ্য পণ্যের দিকে একটি স্পষ্ট পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। প্রধান শহর এবং টিয়ার-২ ও টিয়ার-৩ উভয় বাজারের ভোক্তারা বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রন্ধনশৈলী অন্বেষণ করছেন এবং আঞ্চলিক স্বাদ গ্রহণ করছেন। এই বিভাগে প্রিমিয়াম পণ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদা উচ্চ-মানের, সহজে ব্যবহারযোগ্য খাদ্যরসিকদের প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এটি এই পরিবর্তনশীল বাজারে ক্যাচ ব্র্যান্ডকে একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল প্রচলিত সমাধান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ডিএস গ্রুপ ১৯৮৭ সালে একটি যুগান্তকারী টেবিল-টপ সল্ট স্প্রিংকলার চালুর মাধ্যমে ‘ক্যাচ’ ব্র্যান্ডটি প্রতিষ্ঠা করে। তখন থেকে ব্র্যান্ডটি রন্ধন সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এটি নয়টি ক্যাটাগরিতে ১৪০টিরও বেশি ভ্যারাইটি এবং ৩৩০টি এসকেইউ অফার করে, যার মধ্যে সাধারণ মশলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরণের ব্লেন্ডস, পেস্ট এবং আস্ত মশলা রয়েছে। আজ, দেশজুড়ে ১,৫০০-এর বেশি ডিস্ট্রিবিউটরের মাধ্যমে ৭০০,০০০-এর বেশি রিটেইল আউটলেটে ক্যাচ-এর পণ্য পাওয়া যায়। ভোক্তাদের পরিবর্তিত ক্রয় অভ্যাস উপলব্ধি করে, ক্যাচ স্পাইসেস আধুনিক বাণিজ্য এবং ই-কমার্সের ক্রমবিকাশমান প্রবণতাগুলো নিবিড়ভাবে অধ্যয়ন করেছে এবং সেগুলোকে কাজে লাগিয়েছে। এই প্ল্যাটফর্মগুলোকে ব্যবহার করে, কোম্পানিটি শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং শিল্পের মানকে ছাড়িয়ে গেছে।

ক্যাচ ব্র্যান্ড তার “কিউঙ্কি খানা সির্ফ খানা নেহি হোতা” প্রচারণার জন্য ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছে। “খানা সির্ফ খানা নেহি হোতা” এই ধারণাটি এই সত্যকে প্রতিফলিত করে যে, খাবার স্মৃতি, সম্পর্ক, ঐতিহ্য এবং মূল্যবোধের মতো অনেক আবেগের সাথে জড়িত। এটি ব্র্যান্ডটিকে কেবল একটি বাস্তব পণ্য না হয়ে, ভোক্তাদের দৈনন্দিন জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠতে এবং তাদের সাথে আবেগগতভাবে সংযুক্ত হতে সাহায্য করে। বাজারের প্রবণতা মাথায় রেখে, ক্যাচ স্পাইসেস তার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের উপর ক্রমবর্ধমানভাবে মনোযোগ দিয়েছে। ব্র্যান্ডটি তার প্রসার বাড়ানোর জন্য অন্যান্য ভোক্তা ব্র্যান্ডের সাথে সহযোগিতা এবং ট্রেড লয়ালটি প্রোগ্রামসহ বেশ কিছু সফল অংশীদারিত্ব এবং উদ্যোগও চালু করেছে।

টিভিসি লিঙ্ক: https://youtu.be/9jtHZCc5NXI

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনে কলকাতা পুলিশ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালনে কলকাতা পুলিশ

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

তীব্র দহনে জ্বলছে বাংলা সহ গোটা ভারত।বিশ্ব উষ্ণতা বৃদ্ধিতে অন্যতম কারণ যততত্র গাছ কাটা।ঠিক এইরকম পরিস্থিতিতে শুক্রবার সকালে কলকাতা পুলিশের তরফে পিজি হাসপাতাল সংলগ্ন পিটিএস চত্বরে মহাসমারোহে পালিত হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস। এই কর্মসূচি সার্থক করতে হাজির ছিলেন কলকাতা পুলিশের সিংহভাগ আধিকারিক। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিপি সিং, শুভঙ্কর সিনহা সরকার,  পান্ডে সন্তোষ প্রমুখ এদিন বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা করেন। প্রত্যেক পুলিশ কর্মীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বিভিন্ন ধরনের  চারাগাছ। কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ডিপি সিং মহাশয় বলেন – ” বিশুদ্ধ অক্সিজেন সহ মনোরম আবহাওয়া পেতে আমাদের প্রত্যেকের উচিত গাছ লাগানো “।   এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সারা রাজ্যে ১ কোটি ১০ লক্ষ গাছ লাগাবার নির্দেশ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি জাতীয় সড়ক /রাজ্য সড়ক, আবাসন প্রভৃতি জায়গায় সবুজময় পরিবেশ গড়তে বলা হয়েছে। আসন্ন ১৪ জুলাই থেকে ২০ জুলাই বিশেষ অরণ্য সপ্তাহ পালনে প্রস্তুতি পর্ব ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। 

হালিশহর রামপ্রসাদ বিদ্যাপীঠের নবনির্মিত “সহজপাঠ কক্ষের” দ্বারোদ্ঘাটনহল

হালিশহর রামপ্রসাদ বিদ্যাপীঠের নবনির্মিত “সহজপাঠ কক্ষের” দ্বারোদ্ঘাটন
হল

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

এই মহতী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হালিশহর চক্রের মাননীয় এসআই এবং D D O. শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয় এবং বিদ্যালয়ের শুভানুধ্যায়ী অন্যান্য বিদ্যানুরাগী বিশিষ্ট জনেরা। পুষ্পবৃষ্টি, সমবেত শঙ্খধ্বনি ও ছাত্রছাত্রীদের করতালির মধ্যে ফিতে কেটে সহজপাঠ কক্ষের শুভ উদ্বোধন করেন মাননীয় SI স্যার। “জগত জুড়ে উদার সুরে আনন্দ গান বাজে ” উদ্বোধনী সঙ্গীতের মূর্ছনায় মুখরিত হয়ে ওঠে সহজপাঠ কক্ষ। মাননীয় অতিথি বর্গকে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষক শিক্ষিকাদের তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে ঋদ্ধ করেন মাননীয় SI স্যার। পরবর্তীতে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাননীয় শ্রী শুভাশীষ মুখোপাধ্যায় মহাশয় এবং প্রাক্তন সভাপতি শ্রী বিদ্যুৎ কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে
উপস্থিত ছিলেন সহজপাঠ কক্ষটির রূপকার, শিল্পী এবং বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শ্রী অর্ক ঢক মহাশয়।
সহজপাঠের আদর্শে উজ্জীবিত করে, ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শিক্ষা ও সাহিত্য সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী করে তুলতে পারলে আয়োজন সার্থক হবে।