সাম্প্রতিক
কর্ণাটকের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, চিন্তক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সঙ্গীত অ্যালবাম প্রযোজক, সমাজসেবী, পরিবেশকর্মী এবং কৃষিজীবী শ্রী নাগাথিহাল্লি রমেশ তাঁর বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

ভারতের কর্ণাটকের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, চিন্তক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সঙ্গীত অ্যালবাম প্রযোজক, সমাজসেবী, পরিবেশকর্মী এবং কৃষিজীবী শ্রী নাগাথিহাল্লি রমেশ তাঁর বহুমাত্রিক সৃষ্টিশীলতা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

সাহিত্য ও সংস্কৃতির জগতে তিনি একজন সুপরিচিত নাম। তাঁর লেখনী মানুষের জীবন, সমাজ, প্রকৃতি এবং মানবিক মূল্যবোধকে নতুনভাবে উপলব্ধি করতে সহায়তা করে। একজন প্রখ্যাত চিন্তক হিসেবে তিনি সামাজিক সচেতনতা, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়গুলিকে তাঁর কর্ম ও সৃষ্টির মাধ্যমে তুলে ধরেছেন।

চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত অ্যালবাম নির্মাণের ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। তাঁর সৃষ্টিকর্ম সমাজের নানা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একই সঙ্গে একজন পরিবেশকর্মী হিসেবে তিনি প্রকৃতি ও পরিবেশ রক্ষার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন এবং পরিবেশ-সচেতন সমাজ গঠনের পক্ষে ধারাবাহিকভাবে সোচ্চার থেকেছেন।

সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক মূল্যবোধের প্রসার এবং কৃষিজীবনের সঙ্গে গভীর সংযোগ তাঁর ব্যক্তিত্বকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। সাহিত্য, পরিবেশ-সচেতনতা, সামাজিক চেতনা, সাংস্কৃতিক চিন্তা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “গঙ্গা–কাবেরী, মহাসাগর ও পৃথিবীর প্রতি করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার – ২০২৬” সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে।

এছাড়াও, আরপি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের অ্যাডভোকেসি উপদেষ্টা হিসেবে শ্রী নাগাথিহাল্লি রমেশের নিয়োগ ট্রাস্টের জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় এবং তাঁর অভিজ্ঞতা ও দিকনির্দেশনা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।

সম্প্রতি আরপি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ট্রাস্টের সম্পাদক শুভাশিস রায় এবং সভাপতি সুমিতা রায় তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রাপ্তি ও ট্রাস্টের অ্যাডভোকেসি উপদেষ্টা হিসেবে মনোনয়নের জন্য আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন।

নাগতিহল্লি রমেশকে প্রদান করা হলো “গঙ্গা–কাবেরী মহাসাগর ও পৃথিবী করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার

নাগতিহল্লি রমেশকে প্রদান করা হলো “গঙ্গা–কাবেরী মহাসাগর ও পৃথিবী করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার


রাজকুমার দাস

নদী, মানবতা ও পরিবেশচেতনার এক তাৎপর্যপূর্ণ মিলনোৎসব
কাবেরীর তীর থেকে গঙ্গার পাড়ে…
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে ভারত সরকার, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, জাতিসংঘ, ইউনাইটেড জার্নালিস্টস ফোরাম,এবং ইউনিভার্সাল সোল ট্রি ফাউন্ডেশন-এর যৌথ উদ্যোগে এক অনন্য আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এই গৌরবময় অনুষ্ঠানে কর্ণাটকের বিশিষ্ট কবি, চিন্তাবিদ, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও সঙ্গীত অ্যালবাম নির্মাতা, সমাজ-রাজনীতি ও পরিবেশকর্মী এবং কৃষিজীবী নাগতিহল্লি রমেশ-কে প্রদান করা হয় মর্যাদাপূর্ণ “গঙ্গা–কাবেরী মহাসাগর ও পৃথিবী করুণা আন্তর্জাতিক পুরস্কার”।
সাহিত্য, পরিবেশ-সংবেদনশীলতা, সামাজিক সচেতনতা, সাংস্কৃতিক মনন এবং মানবিক মূল্যবোধের ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হয়।

পুরস্কারের মূলমন্ত্র—
“দুটি পবিত্র নদী, একটি মহাসাগর, একটি পৃথিবী, একটি দায়িত্ব”
—এই সম্মাননার দর্শন ও তাৎপর্যকে অনন্যভাবে তুলে ধরে।
নাগতিহল্লি রমেশ দীর্ঘদিন ধরে পৃথিবী, নদী, সমুদ্র ও প্রকৃতি সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কথা বলে আসছেন। তাঁর কবিতা, প্রবন্ধ, বক্তৃতা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে পরিবেশচেতনা এবং মানবিক দায়িত্ববোধের এক ধারাবাহিক সুর প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)-এর তৃতীয় আসর মাঠে নামার অপেক্ষায়

জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)-এর তৃতীয় আসর মাঠে নামার অপেক্ষায়

মোল্লা জসিমউদ্দিন,
কলকাতার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ছাত্র ও প্রাক্তন ছাত্রদের সকার লিগ—জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)—এর তৃতীয় আসর শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হলো। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (স্বশাসিত), কলকাতার ক্রীড়া বিভাগের সহযোগিতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (কলকাতা) প্রাক্তন ছাত্র সমিতি (SXCCAA) মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (স্বশাসিত)-এর ফাদার ডি’সুজা হলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিগের দলসমূহ, তারকা খেলোয়াড় এবং একটি বৃহত্তর ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের রূপরেখা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়।লিগের তারিখ: ৬ ও ৭ জুন, ২০২৬ (শনিবার ও রবিবার); স্থান: সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ মাঠ।দুটি রোমাঞ্চকর আসর সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)-এর তৃতীয় আসরটি এখন কলকাতার প্রাক্তন ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত অন্যতম প্রাণবন্ত ফুটবল উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। এই লিগ বিশিষ্ট প্রাক্তন ছাত্র, কর্পোরেট জগতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, কিংবদন্তি ফুটবলার, বর্তমান ছাত্রছাত্রী এবং ক্রীড়াপ্রেমীদের একটি অভিন্ন মঞ্চে একত্রিত করে; যেখানে উদ্‌যাপিত হয় ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং জেভেরিয়ান ঐতিহ্যের চিরন্তন চেতনা।XSL-এর তৃতীয় আসরে অংশগ্রহণকারী আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এই প্রতিযোগিতায় তারকা দ্যুতি ও পেশাদার ফুটবলের আভিজাত্য যুক্ত করেছে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিই তাদের দলের জন্য একজন করে ‘মারকি প্লেয়ার’ (প্রধান তারকা খেলোয়াড়) নিশ্চিত করেছে, যাঁদের তালিকা নিচে দেওয়া হলো- ‘চাইনিজ চেকার্স’-এর মালিক দেবাদিত্য চৌধুরী, মারকি প্লেয়ার হিসেবে রয়েছেন মেহতাব হোসেন; ‘ডিজিটাল স্ট্রাইকার্স’-এর মালিক সুনীল আগরওয়াল, মারকি প্লেয়ার আলভিতো ডি’কুনহা; ‘IIHM টাইগার্স’-এর মালিক ড. সুবর্ণ বোস, মারকি প্লেয়ার অর্ণব মণ্ডল; ‘BTL ব্লাস্টার্স’-এর মালিক রবি তোদি, মারকি প্লেয়ার অসীম বিশ্বাস; ‘ফরচুন স্ট্রাইকার্স’-এর যৌথ মালিক অলোক শ্রীবাস্তব ও অরুণ শ্রীবাস্তব, মারকি প্লেয়ার মহম্মদ রফিক; ‘ক্রেডো অ্যাক্সিলারেট’-এর মালিক সুদেশনা রায় চৌধুরী, মারকি প্লেয়ার মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু; ‘জেভেরিয়ান টাইগার্স’-এর মালিক ফয়সাল হক, মারকি প্লেয়ার সৈয়দ রহিম নবী; এবং ‘ওয়ারিয়র্স’-এর যৌথ মালিক অতনু মালিক ও সর্বাণী মালিক, মারকি প্লেয়ার দীপঙ্কর রায়। এই কৃতী ফুটবলারদের উপস্থিতি টুর্নামেন্টের গুণমান ও প্রতিযোগিতামূলকতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে; পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের জন্য তাঁরা অমূল্য পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করবেন।গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের (স্বশাসিত), কলকাতা অধ্যক্ষ এবং SXCCAA-এর সভাপতি রেভারেন্ড ড. ডমিনিক সাভিও, SJ বলেন: “জেভিয়ারিয়ান সকার লিগ সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের মূল মূল্যবোধ—নেতৃত্ব, দলগত কাজ, শৃঙ্খলা, অন্তর্ভুক্তিমূলকতা এবং উৎকর্ষের—মূর্ত প্রতীক। খেলাধুলার মাধ্যমে, এবং বিশেষ করে আমাদের রাজ্যের এই সর্বাধিক জনপ্রিয় খেলাটির মাধ্যমে, আমরা জেভিয়ারিয়ানদের বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় করে চলেছি; একইসাথে আমরা অর্থবহ অংশগ্রহণ এবং সম্প্রদায় গঠনের সুযোগও তৈরি করছি। এই লিগটি যে আজ একটি মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়ামঞ্চ হিসেবে বিকশিত হচ্ছে—যা তরুণদের অনুপ্রাণিত করে এবং আমাদের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের (অ্যালুমনি) এক অনন্য উপায়ে একত্রিত করে—তা প্রত্যক্ষ করা সত্যিই অত্যন্ত আনন্দদায়ক।”কেবল একটি সকার টুর্নামেন্টের চেয়েও বেশি কিছু হিসেবে, জেভিয়ারিয়ান সকার লিগ আজ একটি অনন্য ক্রীড়া ও নেটওয়ার্কিং মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, যা শারীরিক সুস্থতা, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাকে উৎসাহিত করে। ফুটবলের প্রতি গভীর আবেগ এবং জেভিয়ারিয়ান প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে, এই লিগটি প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, বর্তমান শিক্ষার্থী, কর্পোরেট জগতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব এবং ক্রীড়া জগতের কিংবদন্তিদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের জন্য অর্থবহ সুযোগ সৃষ্টি করে চলেছে। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (কলকাতা) প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী সমিতির (SXCCAA) সাম্মানিক সম্পাদক সঞ্জীব কোনার এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন:”XSL-এর তৃতীয় মরশুম (Season 3) আরও অধিক পেশাদারিত্ব এবং সৌহার্দ্যের প্রতিশ্রুতি নিয়ে হাজির হয়েছে। সকার বা ফুটবল খেলার প্রচারের গণ্ডি পেরিয়ে, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আজীবন অটুট থাকে এমন পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন জনহিতকর উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ফুটবলারদের পাশে দাঁড়ানো।”

আধুনিকতার ছোঁয়ায় সুস্মিতা ক্রিয়াশন

আধুনিকতার ছোঁয়ায় সুস্মিতা ক্রিয়াশন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা:- শহরে আয়োজিত হল এক অনন্য ফ্যাশন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, যেখানে বাঙালি ঐতিহ্য ও পাশ্চাত্য আধুনিকতার মেলবন্ধনে র‌্যাম্পে নজর কাড়লেন একঝাঁক মডেল ও প্রসাধনি শিল্পীরা। অনুষ্ঠানে অংশ নেন মডেল অংশু শ’, দেবাঙ্গনা আইচ, দিশানি রায়, জয়িতা কর্মকার, মধুমিতা সিংহ, মাম্পি আঢ্য, মৌমিতা ঘোষ, পায়েল চক্রবর্তী রায়, সুপর্ণা দত্ত, দেবারতি দে, ইন্দিরা রপ্তান, ঐশী সরকার, রিন্তা সরকার, সাইফা খাতুন, রিপ্তা দে, প্রীতি ঘোষ, প্রত্যুষা অধিকারী, রূপশা আদক, মৌমিতা চ্যাটার্জী, রাখি ঘোষ, অর্পিতা চক্রবর্তী, মন্দিরা রায় ও রূপালি সরদার। অনুষ্ঠানের প্রসাধনি শিল্পের দায়িত্ব সামলান দীপ দত্ত, আনিমা খাতুন, টিটলি পেটো, পায়েল হেলা, প্রগতি কিরণ, ইশিতা সিং, মনামী মান্না পাল, প্রিয়া চ্যাটার্জী, সাহিনা সালাহউদ্দিন, লালি ঘরামি, পুষ্পা শ’, ললিতা মুখার্জী, সুস্মিতা পাত্র মণ্ডল, বর্ণালী সাধুখা, অনিশা খাতুন, শর্মিষ্ঠা দাস, বিথি ঘোষ, প্রিয়াঙ্কা রায় ও অন্তরা বড়াল। ‘বাঙালি বধূ ও ওয়েস্টার্নের সঙ্গে প্রাশ্চাত্যের মিলন’ ছিল এবারের মূল ভাবনা। ঐতিহ্যবাহী সাজের সঙ্গে আধুনিক পোশাকের অভিনব উপস্থাপনা দর্শকদের বিশেষভাবে মুগ্ধ করে। অনুষ্ঠানের চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন রাজ চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিম্পা নাথ, প্রসেন তেওয়ারি ও জয়ন্ত দাশগুপ্ত। সমগ্র আয়োজনের উদ্যোক্তা ছিলেন সুস্মিতা ক্রিয়াশনের কর্ণধার সুস্মিতা রায়। তাঁর উদ্যোগে এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা প্রশংসা করেন।

তারকা খচিত সন্ধ্যায় মিউজিক ভিডিও “ললনা”র মুক্তি

তারকা খচিত সন্ধ্যায় মিউজিক ভিডিও “ললনা”র মুক্তি

একদিকে নতুন বছর শুরু, অপর দিকে নতুন সরকার তারই মধ্যে নতুন গান, নতুন মিউজিক আলব্যাম “ললনা”র আত্মপ্রকাশ অর্থাৎ মুক্তি হয়ে গেল।
সাউন্ড অফ সোম প্রোডাকশন এবং সৌরভ এন্টারটেনমেন্ট এর নিবেদনে ‘সারেগামাপা’ খ্যাত
শিল্পী রাহুল সিনহার সুরেলা কণ্ঠে ২২ জন মডেল নিয়ে সজ্জিত “ললনা” মুক্তির দিনেই প্রশংসিত হয়েছে।
মুক্তির দিনে অভিনেত্রী ও ফেমিনা এচিভারস অনুরাধা মুখার্জি , কলকাতা প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার শান্তনু গুহ ঠাকুরতা, একাডেমি অফ ফাইন্ আর্টসের ডিরেক্টর জয়ব্রত দাস, পরিচালক অতনু গুহ, বিজলী ঘোষ কর্মকার এবং সমোক সিনহা ও সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়
উপস্থিত ছিলেন।
তারকা-খচিত সন্ধ্যায় আরন্যা ফ্যাশন এর মডেলদের রাম্প ওয়াক ছিল দৃষ্টি নন্দন।

জোরালো সামাজিক বার্তা দিতে মঞ্চস্থ হতে চলেছে কুণালজিৎ নির্দেশিত দুটি নাটক— ‘শিব মন্দির’ এবং ‘বৃষ্টি এল’

জোরালো সামাজিক বার্তা দিতে মঞ্চস্থ হতে চলেছে কুণালজিৎ নির্দেশিত দুটি নাটক— ‘শিব মন্দির’ এবং ‘বৃষ্টি এল’

জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শর্টকাট বা দ্রুততম উপায়ে সর্বোচ্চ সুখ ও সফলতা পাওয়ার প্রবণতা তীব্র হয়েছে বর্তমান গতির যুগে। এই তাড়াহুড়ো এবং শর্টকাটের পেছনে ছোটার ফলে ব্যক্তিগত জীবনে দীর্ঘস্থায়ী উন্নতির বদলে মানসিক অস্থিরতা, ক্লান্তি এবং হতাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরই পাশাপাশি, ব্যক্তিগত স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে কিংবা রাজনৈতিক কারণে কখনও, কোথাও আবার তৈরি হচ্ছে ধর্মীয় বিভেদ। আর এই বিষয়গুলিকে মাথায় রেখে, অর্থাৎ ধর্মীয় বিভেদের বিরুদ্ধে এবং লোভ-লালসার উর্দ্ধে উঠে চিত্তশুদ্ধির বার্তা দিতে লেখা হয়েছে দুটি নাটক— ‘শিব মন্দির’ এবং ‘বৃষ্টি এল’।

কুনালজিৎ নির্দেশিত ‘শিব মন্দির’ এবং ‘বৃষ্টি এল’ নাটক দুটি মঞ্চস্থ হবে আগামী ২৩ মে (২০২৬) তপন থিয়েটার-এ। ‘শিব মন্দির’ নাটকটির রচয়িতা শুভংকর চক্রবর্তী এবং ‘বৃষ্টি এল’-র রচয়িতা স্বপন দাস।

‘শিব মন্দির’ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করবেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। তবে কুণালজিৎ অভিনয় করবেন ‘শিব মন্দির’ এবং বৃষ্টি এলো’ দুটি নাটকেই। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রূপদান করবেন শুভ্রা রূপা, অমিত রায় প্রমুখ।

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের ব্যস্ততার মধ্যেও ‘শিব মন্দির’ নাটকে অভিনয় করার জন্য সময় বের করে নিতে পারবেন বলে আনন্দ প্রকাশ করেছেন অভিনেতা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী। আর ছোটোপর্দা এবং বড়োপর্দার অতি পরিচিত অভিনেতা কুণালজিৎ এই দুটি নাটকের মাধ্যমে নির্দেশক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন বলে জানিয়েছেন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে।

নাটক দুটির প্রযোজক ‘রেড কলস এন্টারটেইনমেন্ট’। মঞ্চসজ্জায় অজিত রায়। আলোকসম্পাতে সৈকত মান্না। আবহসংগীতে পার্থ ডি মিত্র। সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় শুভ্রা রূপা দত্ত।


মহাসমারোহে বিধান শিশু উদ্যানে রবীন্দ্র জয়ন্তী

পারিজাত মোল্লা,

প্রতি বছরের মতো এবছরও বিধান শিশু উদ‍্যানে মহা সমারোহে পালিত হল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী। রবীন্দ্রনাথের ১৬৬ তম জন্মদিনে বিধান কলাকেন্দ্রের সভ‍্যসভ‍্যারা নাচ গান আবৃত্তির মাধ‍্যমে দিনটি উদযাপন করে।সঙ্গে ছিল বিধান কয়‍্যারের সঙ্গীতানুষ্ঠান।বিধান শিশু উদ‍্যানের সম্পাদক গৌতম তালুকদার বলেন- “ঘটনাচক্রে আজকেই আমাদের রাজ্যে নতুন বিজেপি সরকার গঠিত হল। তাদের অনেক অভিনন্দন। একইসঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও অনেক অভিনন্দন। রাজ্যবাসীর স্বপ্ন আপনারা পূরণ করতে সফল হবেন, এই কামনা রইল।”
অনুষ্ঠানে শিশু সভ‍্যসভ‍্যা এবং তাদের অভিভাবকসহ প্রায় ৬০০ অতিথি উপস্থিত ছিলেন। রবীন্দ্র-স্মরণ এবং রাজ‍্যে নতুন সরকারের শপথ গ্রহণের সমাপতনে আজকের দিনটি আমাদের সকলের কাছে অন‍্য মাত্রা এনে দিয়েছে।