সাম্প্রতিক
এবার দুর্গাপুজোয় সানরাইজ স্পাইসেসের উদ্যোগে বাংলায় হাতপাখার প্রত্যাবর্তন

এবার দুর্গাপুজোয় সানরাইজ স্পাইসেসের উদ্যোগে বাংলায় হাতপাখার প্রত্যাবর্তন

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

দুর্গাপুজোর আবহে সানরাইজ স্পাইসেস, ক্রাফ্টস কাউন্সিল অব ওয়েস্ট বেঙ্গলের সহযোগিতায়, বাংলার অন্যতম প্রিয় সাংস্কৃতিক প্রতীক হাতপাখা এবং এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখা কারিগরদের উদ্‌যাপন করেছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য, বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয়ে ঐতিহ্যবাহী হাতপাখার বিশেষ স্থানটিকে নতুন করে সামনে আনা এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা কারুশিল্পকে সমকালীন উৎসবের সঙ্গে যুক্ত করা।শনিবার বিকেলে বিশ্ববাংলা গেট সংলগ্ন এক সভাগৃহে এক বিশেষ অনুষ্ঠানে বাংলার শিল্প-ঐতিহ্যের চিরন্তন প্রকাশ হিসেবে হাতপাখাকে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে ক্রাফ্টস কাউন্সিল অব ওয়েস্ট বেঙ্গলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বাংলার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, ক্রাফ্টস কাউন্সিল অব ওয়েস্ট বেঙ্গলের সহায়তায় সংগ্রহ করা হাতপাখা ফ্যাশন, গল্পকথন এবং মানুষের অংশগ্রহণভিত্তিক বিভিন্ন দুর্গাপুজো আয়োজনে জায়গা পাবে। কারিগরদের কর্মশালা থেকে হাতপাখাকে দুর্গাপুজোর আচার-অনুষ্ঠানের কেন্দ্রে নিয়ে এসে, এই উদ্যোগ একদিকে যেমন তার চিরস্থায়ী সাংস্কৃতিক তাৎপর্যকে উদ্‌যাপন করছে, তেমনই সমকালীন দর্শকের কাছে ঐতিহ্যবাহী এই শিল্পকে নতুনভাবে পরিচিত করাচ্ছে।

“Shobar Pujo, Shobar Mazaa” – পুজোর আনন্দ পৌঁছে যাবে সবার কাছে

দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে ‘Pujoy Pulse’ ক্যাম্পেনের চতুর্থ সিজন উন্মোচন DS Group-এর

“Shobar Pujo, Shobar Mazaa” – পুজোর আনন্দ পৌঁছে যাবে সবার কাছে

ক্যান্টার অ্যাক্টিভেশন, পুজো প্যান্ডেলে বিশেষ এনগেজমেন্ট, কলকাতার আকাশে ৫০০ ড্রোনের শো এবং সম্মিলিত ‘Shobar Mazaa Meter’-এর মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়া হবে পুজোর আনন্দ

কলকাতা, xxxx ২০২৬: শীর্ষস্থানীয় FMCG সংস্থা ও মাল্টি-বিজনেস কর্পোরেশন ধরমপাল সত্যপাল গ্রুপ (DS Group) দুর্গাপুজো ২০২৬ উপলক্ষে তাদের Pulse Golmol-এর নেতৃত্বাধীন ‘Pujoy Pulse’ ক্যাম্পেনের চতুর্থ সিজন চালুর ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম জনপ্রিয় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব দুর্গাপুজোর সঙ্গে ব্র্যান্ডের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ। এবারের ক্যাম্পেনের মূল ভাবনা “Shobar Pujo, Shobar Mazaa”, যা উৎসবের সময়ে ভারতের সম্মিলিত আনন্দ, একতা ও উদযাপনের আবেগকে তুলে ধরে। এই উদ্যোগের মূল বার্তা হল—দুর্গাপুজোর আনন্দ ও মজা সবার জন্য।

‘Pujoy Pulse’ Season 4 ক্যাম্পেনটি দুর্গাপুজোর পুরো সময়জুড়ে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে একটি সমন্বিত 360-degree campaign হিসেবে পরিচালিত হবে। “Shobar Pujo, Shobar Mazaa” থিমকে সামনে রেখে গ্রাহকদের বিনোদন, ইন্টার‌্যাক্টিভ গেম, অভিনব স্যাম্পলিং, অন-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভেশন এবং বিভিন্ন উৎসবমুখর অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ডিজিটাল, রেডিও এবং আউটডোর মিডিয়ার মাধ্যমেও ক্যাম্পেনটি আরও বিস্তৃত করা হবে। প্রতিটি এনগেজমেন্টকে একটি বৃহত্তর সম্মিলিত উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত করা হবে, যাতে ক্যাম্পেনের আনন্দ তাদের কাছেও পৌঁছে যায় যারা সরাসরি এর অংশ নন।

ক্যাম্পেনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ‘Shobar Mazaa Meter’। এটি হবে উদযাপন ও আনন্দের একটি সম্মিলিত প্রতীক, যা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে ‘Pujoy Pulse’-এর বিভিন্ন কনজিউমার টাচপয়েন্টে তৈরি হওয়া আনন্দের মাত্রা ট্র্যাক করবে। যত বেশি মানুষ ক্যাম্পেনে অংশ নেবেন, ততই এই মিটার এগিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে Pulse Golmol সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছেও দুর্গাপুজোর আনন্দ পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।

গ্রাহকদের কাছে এই অভিজ্ঞতা সরাসরি পৌঁছে দিতে West Bengal Canter Activation আয়োজন করা হবে। দুটি বিশেষভাবে ব্র্যান্ডেড ‘Pujoy Pulse’ ক্যান্টার কলকাতা থেকে যাত্রা শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের ২২টি শহর ও এলাকায় পৌঁছবে। এর মধ্যে রয়েছে হাওড়া, হলদিয়া, খড়গপুর, বাঁকুড়া, বর্ধমান, দুর্গাপুর, আসানসোল, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহারসহ আরও বেশ কয়েকটি স্থান।

অন-গ্রাউন্ড অ্যাক্টিভেশনের অন্যতম আকর্ষণ হবে ‘Dhaak Game – Play the Beat, Collect the Mazaa’। এখানে বিশেষভাবে তৈরি একটি ঢাক ইনস্টলেশনের মধ্যে Pulse Golmol-এর টুকরো রাখা থাকবে। অংশগ্রহণকারীদের নির্দিষ্ট ছন্দ অনুযায়ী ঢাক বাজাতে হবে। প্রতিটি বিটের সঙ্গে কালেকশন এরিয়ায় টুকরো জমা হবে এবং অর্জিত পয়েন্ট যোগ হবে ‘Shobar Mazaa Meter’-এ।

এছাড়াও কলকাতা, শিলিগুড়ি, হাওড়া, আসানসোল এবং দুর্গাপুরের বিভিন্ন বিশিষ্ট পুজো প্যান্ডেলে ‘Pandal Activation & Alpona Puzzle Challenge’ আয়োজন করা হবে। নির্দিষ্ট এনগেজমেন্ট জোনে ঐতিহ্যবাহী বাংলা আলপনা শিল্প থেকে অনুপ্রাণিত একটি ইন্টার‌্যাক্টিভ অভিজ্ঞতার পাশাপাশি থাকবে প্রোডাক্ট স্যাম্পলিং।

ক্যাম্পেন সম্পর্কে আশিস ভার্গব, সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, মার্কেটিং, কনফেকশনারি, DS Group, বলেন, “গত চার বছরে ‘Pujoy Pulse’ ক্যাম্পেন একটি মরশুমি মার্কেটিং উদ্যোগ থেকে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোর সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে পরিণত হয়েছে। দেশের অন্যতম বৃহত্তম উৎসবের সময়ে এটি ভারতের প্রাণবন্ত স্পন্দনের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ তৈরি করে। এই ধরনের সাংস্কৃতিক উদযাপন ‘Pulse of India’-এর বৃহত্তর ভাবনাকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। ‘Pulse of India’ এমন একটি উদ্যোগ, যা ভারতের বৈচিত্র্যময় অনুভূতি, ঐতিহ্য এবং সৃজনশীল প্রকাশকে সম্মান জানায়।”

তিনি আরও বলেন, “‘Shobar Pujo, Shobar Mazaa’-এর মাধ্যমে এই উদ্যোগ শুধুমাত্র প্রচলিত কনজিউমার এনগেজমেন্টের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সকলের সঙ্গে একসঙ্গে উৎসব উদযাপনের প্রকৃত চেতনাকে তুলে ধরছে। Dhaak Game থেকে Alpona Puzzle Challenge এবং Pujo Parikrama-য় কমিউনিটি অংশগ্রহণ—প্রতিটি ইন্টার‌্যাক্টিভ অ্যাক্টিভিটি সরাসরি ‘Shobar Mazaa Meter’-কে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এর মাধ্যমে সমগ্র অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কাছে উৎসবের আনন্দ পৌঁছে দেওয়ার একটি অর্থবহ সামাজিক প্রভাব তৈরি হবে। Pulse Golmol-এর খেলাধুলা ও সম্মিলিত আনন্দের মূল ভাবনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবারের অ্যাক্টিভেশন কলকাতার গণ্ডি ছাড়িয়ে আরও বিস্তৃত করা হয়েছে।”

উৎসবের সময়ে মানুষ যাতে সহজে বিভিন্ন পুজো প্যান্ডেলে ঘুরে দেখতে পারেন, তার জন্য ‘Pujo Parikrama – Complimentary Pandal Hopping’-এর ব্যবস্থাও থাকবে। বিশেষভাবে ব্র্যান্ডেড Pulse Golmol Cabs-এর মাধ্যমে বিনামূল্যে একটি কিউরেটেড প্যান্ডাল-হপিং অভিজ্ঞতা দেওয়া হবে। পুজোর ব্যস্ত সময়ে এই ক্যাবগুলি ক্যাম্পেনের চলমান ব্র্যান্ড এক্সপ্রেশন হিসেবেও কাজ করবে।

ক্যাম্পেনের বিভিন্ন টাচপয়েন্টে Festive Sampling & Brand Experiences-এর মাধ্যমে Pulse Golmol, Pass Pass এবং অন্যান্য অংশগ্রহণকারী ব্র্যান্ডকে উৎসবের পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ক্যান্টার, প্যান্ডাল এবং অন্যান্য স্থানে ভোগ অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে প্রোডাক্ট স্যাম্পলিং এবং ব্র্যান্ড এক্সপেরিয়েন্সকে পুজোর স্বাভাবিক উদযাপনের অংশ করে তোলা হবে।

২০২৬ সালের ক্যাম্পেনের অন্যতম বড় আকর্ষণ হবে কলকাতার আকাশে ৫০০-ড্রোন শো। DS Group প্রায় ৫০০টি ড্রোনের মাধ্যমে কলকাতার আকাশে একটি বিশেষ কোরিওগ্রাফড ড্রোন শো আয়োজন করবে। এতে তিনটি আলাদা সিকোয়েন্স থাকবে। এর মধ্যে থাকবে আকর্ষণীয় “Dancing Golmol” ফর্মেশন, যা “Shobar Pujo, Shobar Mazaa”-এর ভাবনাকে একটি বিশাল ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতায় রূপ দেবে।

‘Extending Mazaa Beyond the Campaign’ উদ্যোগের মাধ্যমে উৎসবের আনন্দ সমাজের সুবিধাবঞ্চিত অংশের কাছেও পৌঁছে দেওয়া হবে। দুর্গাপুজোর শেষ দিনের দু’দিন আগে Pulse Golmol বিভিন্ন NGO-এর সঙ্গে যৌথভাবে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের নতুন উৎসবের পোশাক বিতরণ করবে। এর মাধ্যমে ক্যাম্পেনের আনন্দ সরাসরি অংশগ্রহণকারীদের গণ্ডি পেরিয়ে প্রয়োজনমতো শিশুদের কাছেও পৌঁছে যাবে।

DS GROUP সম্পর্কে

DS Group (Dharampal Satyapal Group) ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় FMCG সংস্থা এবং একটি মাল্টি-বিজনেস কর্পোরেশন, যার ভারত ও আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী উপস্থিতি রয়েছে। ১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থার ব্যবসায়িক যাত্রা সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং ভবিষ্যৎমুখী বৃদ্ধির এক অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ।

DS Group-এর বিস্তৃত ও বৈচিত্র্যময় ব্যবসায়িক পোর্টফোলিওর মধ্যে রয়েছে Food & Beverage, Confectionery, Mouth Freshener, Hospitality, Agri, Luxury Retail এবং অন্যান্য বিনিয়োগ ক্ষেত্র। Catch, Pulse, Pass Pass, Silver Pearls, Ksheer, Rajnigandha, Ovino, L’Opera, Le Marche, Birthright, LuvIt, Chingles, Golmol এবং Namah হল সংস্থার কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্র্যান্ড।

কর্পোরেট হিসেবে DS Group এমন কিছু মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত, যার ভিত্তি হল সম্মিলিত কল্যাণ, সমাজকে কিছু ফিরিয়ে দেওয়া এবং পরিবেশ সুরক্ষা। DS Headquarters-কে USGBC (US Green Building Council)-এর Existing Building O&M (Operation and Maintenance) Program Version 4.0-এর অধীনে LEED Platinum Certification প্রদান করা হয়েছে। DS Headquarters USGBC-এর কাছ থেকে LEED Zero Carbon Certification-ও পেয়েছে।

DS Group তাদের সমস্ত ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে একটি অগ্রণী Double Materiality Assessment চালু করে তাদের আর্থিক কর্মদক্ষতাকে বৈশ্বিক ESG অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য করেছে। পরিবেশ সংরক্ষণে তাদের প্রতিশ্রুতির আরও একটি উদাহরণ হিসেবে, ভারতের ৩০টি স্থানে থাকা বিভিন্ন ব্যবসায়িক ইউনিট মিলিয়ে DS Group-এর Water Positivity Index 1.8।

আরও তথ্যের জন্য www.dsgroup.com-এ লগ অন করুন।

শারদোৎসবের আবহে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন : টাউন হলে সম্পন্ন হলো সহযোদ্ধার ‘সাবেকিয়ানার সন্ধানে’র চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী

শারদোৎসবের আবহে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন : টাউন হলে সম্পন্ন হলো সহযোদ্ধার ‘সাবেকিয়ানার সন্ধানে’র চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী

নিজস্ব প্রতিনিধি : দুর্গাপূজার প্রাক্কালে আগমনীর সুর ও ঢাকের বোলে বর্ধমান টাউন হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ‘ বর্ধমান সহযোদ্ধা’ আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ভিন্নধর্মী প্রতিযোগিতা ‘সাবেকিয়ানার সন্ধানে’র চূড়ান্ত পর্ব ও বর্ণাঢ্য পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান।
রবিবার উৎসবের আবহে টাউন হল প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছিল এক টুকরো সাবেকি বাংলার মিলনমেলায়।
প্রদীপ প্রজ্বলন ও জাতীয় স্তোত্র ‘বন্দেমাতরম’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। শুরুতেই স্বাগত ভাষণ বর্ধমান সহযোদ্ধা’র সভাপতি জগন্নাথ ভৌমিক সংস্থার বছর ব্যাপী কর্মধারা তুলে ধরেন। উপস্থিত ছিলেন সম্পাদক সোমনাথ ভট্টাচার্য এবং প্রতিযোগিতার আহ্বায়ক প্রীতিলতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঞ্চালনায় ছিলেন মানসী চক্রবর্তী।
এদিনের মঞ্চ উজ্জ্বল করেছিলেন জেলার নানা প্রান্ত থেকে আসা বিশিষ্টজনেরা—যাঁদের মধ্যে ছিলেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত তিন শিক্ষক গাছ মাস্টার অরূপ চৌধুরী, পরিবেশবিদ ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত এবং পলাশ চৌধুরী, তরুণ চিকিৎসক ডাঃ শান্তরূপ দে, অধ্যাপিকা দেবশ্রী কোনার, উদ্যোগপতি দিনেশ আগরওয়াল, ধনঞ্জয় দে, সমাজকর্মী সন্দীপ নন্দী, প্রধান শিক্ষক অনির্বাণ দাশগুপ্ত, সৌমেন কোনার, শিবরাম মজুমদার, চিত্রশিল্পী সঞ্জীব কুন্ডু, সমাজসেবী অর্ধেন্দু বিশ্বাস,সাংবাদিক বৈদ্যনাথ কোনার, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বিশ্বেশ্বর চৌধুরী, দুরন্ত নাগ, সমাজকর্মী পবন চৌধুরী, শুভম নিয়োগী সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট জন।
এই মেগা ইভেন্টে ‘আমার দুর্গা’ শীর্ষক অঙ্কন প্রতিযোগিতা, ধুনুচি নাচ, আলপনা আঁকা, সাবেকি রান্নাবান্না এবং পোশাকের ব্যক্তিগত রাউন্ডের মতো একাধিক আকর্ষণীয় বিভাগ অন্তর্ভুক্ত ছিল। চূড়ান্ত পর্বে বিশেষ আকর্ষণ ছিল পোশাক বিভাগে ‘জুটিতে সাবেকিয়ানা’। বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক সাংবাদিক শান্তনু পাঁজা ও অধ্যাপিকা রঞ্জিতা নন্দে। প্রতিযোগীদের নান্দনিক উপস্থাপনা ও বিচারকদের প্রশ্নের বুদ্ধিদীপ্ত উত্তর গোটা পর্বটিকে অত্যন্ত প্রাণবন্ত করে তোলে। প্রতিটি বিভাগের সেরা তিনজনকে সংস্থার পক্ষ থেকে অভিনব ও আকর্ষণীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
অতিথিদের মূল্যবান বক্তব্য এবং মনোগ্রাহী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা পুরো অনুষ্ঠানটিকে আরও বর্ণময় করে তোলে। টানা নয় বছর ধরে পূর্ব বর্ধমান জেলায় এই বিশেষ প্রতিযোগিতা সফলভাবে আয়োজিত হয়ে আসছে। সদস্যদের অক্লান্ত পরিশ্রমে অন্যান্য পর্বের মতোই এদিনের চূড়ান্ত পর্বটিও পূর্ণ সার্থকতা পায়।
সংস্থার সম্পাদক সোমনাথ ভট্টাচার্য জানান, “আজকের প্রজন্মের কাছে আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির শিকড়কে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁদের আগ্রহী করে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।” পূজার মুখে এই সফল আয়োজন শেষে উদ্যোক্তা ও সদস্যদের মুখে একটাই বার্তা ধ্বনিত হলো;—’আসছে বছর আবার হবে!’

Orko’s Celebrates Durgotsav with Grand Festive Buffets and Joyous Celebrations Across Its Outlets

Orko’s Celebrates Durgotsav with Grand Festive Buffets and Joyous Celebrations Across Its Outlets

As Kolkata gears up to embrace the spirit of Durga Puja, Orko’s invites guests to celebrate the festive season with specially curated Durgotsav experiences across its outlets. Bringing together the rich flavours of Bengal, beloved Indian classics and the warmth of festive gatherings, Orko’s CC1 and Orko’s Regenta have crafted elaborate festive buffets designed to make every celebration memorable for families and friends.

“Durga Puja is much more than a festival—it is a celebration of traditions, togetherness and the joy of sharing memorable meals with loved ones. At Orko’s, we have curated festive experiences across our properties that bring together the nostalgia of Bengal’s flavours, the richness of celebratory cuisine and the warmth of our hospitality. We look forward to welcoming guests at Orko’s CC1 and Orko’s Regenta to celebrate the season with delicious food, joyful moments and cherished memories,” says Kaushik Sengupta, Corporate General Manager, Sens Hospitality Division.

At Orko’s Regenta, the Durgotsav buffet, available from 15th October (Dinner) to 21st October (Lunch), brings alive the flavours of Bengal with a lavish spread of festive favourites. Guests can relish signature dishes including Lobhoni Mukhorochok Fish Chop, Chingrir Piyaji, Kolkata Dum Chicken Biryani, Kalo Bhuna Mutton with Aloo and Beresta, Kacha Lonka Bata Sorshe Pabda, Bhapa Doi Posto-o-Kaju Chingrir Korma and a selection of vegetarian delicacies and desserts. Adding to the festive celebrations, Dandiya Mahotsav 3.0 from 17th to 20th October promises evenings filled with music, dance and entertainment. The buffet is priced at ₹850 + Taxes for Shashti Lunch (15th October), ₹950 + Taxes for Saptami to Dashami Lunch (16th–19th October) and ₹850 + Taxes for Dinner (15th–20th October). For reservations, guests can contact 90733 67143 / 84200 16782 / 90733 51012 / 84201 99649.

At Orko’s CC1, the 35-delicacy Durgotsav Buffet, available from 15th October (Dinner) to 21st October (Lunch), presents a specially curated festive spread featuring favourites such as Paneer Cigarello Roll, Kolikatar Street Chilli Chicken, Dorji Parar Maacher Cutlet, Chingrir Piyaji, Awadhi Murgh Chaamp, Kola Patai Mora Maacher Paturi, Chingrir Malai Curry and Kolkata Style Mutton Biryani with Anda, Aloo Ebong Beresta, along with an indulgent dessert selection. The buffet is priced at ₹1249 + Taxes. For reservations, guests can contact 8420199613 / 9874473831.

This Durga Puja, Orko’s invites guests to come together over exceptional food, festive flavours and warm hospitality, creating memories that celebrate the true spirit of the season.

শিশুদের শারীরিক সক্রিয়তায় উৎসাহিত করতে ডাবর হাজমোলা লঞ্চ করল নতুন ক্যাম্পেইন ‘মাস্তি কি পাঠশালা’

শিশুদের শারীরিক সক্রিয়তায় উৎসাহিত করতে ডাবর হাজমোলা লঞ্চ করল নতুন ক্যাম্পেইন ‘মাস্তি কি পাঠশালা’

কলকাতা: অন্যতম শীর্ষস্থানীয় আয়ুর্বেদিক ও প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেড, তাদের উচ্চাভিলাষী প্রচার অভিযান “হাজমোলা মস্তি কি পাঠশালা” চালু করার ঘোষণা করেছে। এই ব্যাপক জনসংযোগ প্রচারাভিযানের লক্ষ্য হলো স্কুলগামী ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে শারীরিক কার্যকলাপ এবং বিনোদনের গুরুত্ব তুলে ধরা, যা ব্র্যান্ডটির আনন্দময় ও উচ্ছল ভাবমূর্তির সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।

“মস্তি কি পাঠশালা” প্রচারভিযানটি পশ্চিমবঙ্গে ও উত্তরপ্রদেশ এক ব্যাপক জনসংযোগ অভিযানের জন্য প্রস্তুত, যা ২০টি প্রধান শহরে শুরু হতে চলেছে। এই অভিযানের আওতায় মোট ৫৫০টি স্কুল অন্তর্ভুক্ত হবে এবং এর লক্ষ্য হলো ২.৫ লক্ষেরও বেশি শিক্ষার্থীর সাথে সরাসরি মতবিনিময় করা ও তাদের উপকৃত করা। এই প্রচারাভিযানটি ইন্টারেক্টিভ এবং শিক্ষামূলক উপাদানকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে।

এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে কলকাতার টিটাগড় মাধ্যমিক পৌর বালিকা বিদ্যালয়ে (উচ্চ মাধ্যমিক) হাজমোলা মস্তি কি পাঠশালা শীর্ষক একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেডের কর্পোরেট কমিউনিকেশন বিভাগের ম্যানেজার শ্রী দীনেশ কুমার এবং স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষিকা (টিচার ইন চার্জ ) শ্রীমতি সোমা ভট্টাচার্য।

এই উদ্যোগে রয়েছে মূল মজাদার খেলার সেশন, যা বিশেষভাবে শিক্ষার্থীদের অলস জীবনযাপন থেকে বেরিয়ে আসতে, শারীরিক খেলায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে এবং স্বাস্থ্য ও সুস্থতাকে উৎসাহিত করার জন্য সাজানো হয়েছে। এছাড়াও, এতে শীর্ষস্থানীয় স্বাস্থ্য ও ফিটনেস বিশেষজ্ঞদের দ্বারা পরিচালিত বিশেষজ্ঞ সেশন থাকবে।

এই সেশনগুলো একটি শিশুর সামগ্রিক বিকাশে দৈনন্দিন শারীরিক কার্যকলাপের অপরিহার্য গুরুত্ব সম্পর্কে শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের শিক্ষিত করার জন্য নিবেদিত, যেখানে উন্নত মনোযোগ, উন্নত বিপাক এবং স্বাস্থ্যকর হজমের মতো সুবিধার উপর আলোকপাত করা হবে।

চিত্র প্রেমীদের মন জয় করে নিল চিত্রন ২০২৬

চিত্র প্রেমীদের মন জয় করে নিল চিত্রন ২০২৬


দীপঙ্কর সমাদ্দার: সমগ্র চিত্র প্রেমী দের মনে আনন্দের জোয়ার এনে দিল সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্রের আয়োজনে কলকাতার গগনেন্দ্র শিল্প প্রদর্শশালায় অভিনব আকর্ষণীয় চিত্র প্রদর্শনী চিত্রন ২০২৬। সুসজ্জিত প্রতিটি সৃজনশীল ছবিতে পরিপূর্ণ গ্যালারি। ১৭ ই সেপ্টেম্বর থেকে একুশে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা থাকবে এই চিত্র প্রদর্শনী।
সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্রের ৩৪ বছরের শিল্প ও সংস্কৃতিচর্চার ধারাবাহিকতায় চিত্রন ২০২৬ এর আয়োজন। সব থেকে যেটা নজর কেড়েছে সুসজ্জিত ২৫০-রও বেশি শিল্পকর্ম নিয়ে এই প্রদর্শনীতে বিভিন্ন শিল্পীর নিজস্ব ভাবনা, শৈলী ও শিল্পের ভাষা একসঙ্গে উঠে এসেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১৬০-রও বেশি শিক্ষক-শিক্ষিকাও এই আয়োজনে উপস্থিত রয়েছেন। লক্ষ্য শুধু শিল্পকর্ম প্রদর্শন নয়, শিল্পীদের তাঁদের কাজ বৃহত্তর দর্শকের সামনে তুলে ধরার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ তৈরি করা। এই চিত্র প্রদর্শনী ঘিরে আরো ভালো ভালো কিছু হস্তশিল্প থাকলে আরো ভালো লাগতো। বর্তমানে হস্তশিল্প ভীষণ পরিমাণে মানুষের গৃহসজ্জার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এই প্রদর্শনী উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সুরভারতী সঙ্গীত কলাকেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত ব্রজবিহারী চক্রবর্ত্তী এবং সভাপতি ও সিইও শ্রী অরিজিৎ চক্রবর্ত্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও সংস্কৃতি জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে ছিলেন পরাগ রায়, ডিন, ফ্যাকাল্টি অফ ভিজ্যুয়াল আর্টস, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়; কঙ্কনা মিত্র (রায় চৌধুরী), ডিন, ফ্যাকাল্টি অফ ফাইন আর্টস, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়; ড. স্বপ্না বিশ্বাস, প্রফেসর, পেইন্টিং, গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট, কলকাতা; বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়; লিপিকা বালা চক্রবর্তী, অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, টেক্সটাইল ডিজাইন, গভর্নমেন্ট কলেজ অফ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট, কলকাতা; অভিনেতা-পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়; চলচ্চিত্র নির্মাতা অনিলাভ চট্টোপাধ্যায় এবং বিশিষ্ট থিয়েটার ও চলচ্চিত্র অভিনেতা দেবাশিস মণ্ডল।
প্যাস্টেল, পেন্সিল, জলরং এবং এক্রিলিকে বিভিন্ন ছবিতে শিল্পীদের মনের আঙ্গিক ফুটে উঠেছে। যা দর্শকবৃন্দদের মনে দাগ কেটেছে। তবে দু-চারটি যা ভাস্কর্য দেখা গেল সেগুলো যথেষ্ট নজর কেড়েছে ।দর্শক বৃন্দদের মধ্যে অনেকেই জানালেন আমরা এত লক্ষ টাকা খরচ করে সুন্দর সুন্দর দেয়াল তৈরি করি অথচ সেখানে একটা ক্যালেন্ডার কখনই ভালো লাগেনা তাই এখন থেকে আমরা এই ধরনের প্রদর্শনী থেকে ছবি কিনে দেয়ালের সৌন্দর্য আরো বৃদ্ধি করব। ইতিমধ্যেই কলকাতা সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে ছবি কেনার একটা প্রবণতা মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষ অন্য উপহার সামগ্রী বাদ দিয়ে আঁকা ছবি উপহার দিচ্ছে।প্রদর্শনীটি শুধু শিল্পকর্ম দেখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। সুরভারতী শিল্পীদের ও আগ্রহী ক্রেতা ও শিল্পীদের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্ভাব্য লেনদেনের সুযোগ তৈরি করতে সহযোগিতা করছে। এর ফলে শিল্পীদের জন্য তাঁদের কাজ প্রদর্শনের পাশাপাশি নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছনো এবং সম্ভাব্য ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের একটি সুযোগও তৈরি হচ্ছে।
বৃহত্তর পরিসরে পৌঁছে দেওয়া এবং শিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে মানুষের আরও গভীর সংযোগ তৈরি করাই চিত্রন ২০২৬ এর অন্যতম উদ্দেশ্য। এক কথায় বলতে গেলে সুরো ভারতীর সংগীতকলা কেন্দ্রের চিত্র প্রদর্শনী সর্বাত্মক সুন্দর ও সার্থক।

দর্শনার্থীদের জন্য খুলে গেল নব যুব সংঘের গণেশ মণ্ডপ

দর্শনার্থীদের জন্য খুলে গেল নব যুব সংঘের গণেশ মণ্ডপ

:- ভাদ্রমাসের শুক্লা তৃতীয়ার শুভ সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অন্যতম বিধায়ক বিজয় ওঝা, কলকাতা পৌরনিগমের অন্যতম পৌরমাতা মীনাদেবী পুরোহিত সহ ‘ভারতীয় জনতা পার্টি’-র উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, জয়নারায়ণ সিংহ, সঞ্জয়কুমার মিশ্র সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে গতকাল কলকাতার ৫৭/২, কেশবচন্দ্র সেন স্ট্রিটে ‘নব যুব সংঘ’-র পরিচালনায় ধুমধামের সাথে সাত দিন ব্যাপী গণেশ পুজো-র সূত্রপাত হল। এই বছর এখানকার পুজো ১৯ বছরে পদার্পণ করল।

এই বছর গণেশ পুজোর চেয়ারম্যান রূপে রয়েছেন জোড়াসাঁকো বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিজয় ওঝা এবং সভাপতি রূপে রয়েছেন উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। এছাড়াও ‘ভারতীয় জনতা পার্টি’-র উত্তর কলকাতা সাংগঠনিক জেলার সাথে জড়িত একাধিক ব্যক্তিদের নাম এই পুজোর আমন্ত্রণ পত্রে দেখা গেছে।
বলে রাখা ভালো, এই পুজোর প্রধান উপদেষ্টার পদে রয়েছেন ফাটা কেষ্ট খ্যাত কালীপুজোর কর্ণধার প্রবন্ধ রায় (ফান্টা)।

‘নব যুব সংঘ’ পরিচালিত গণেশ পুজোর পরিচালন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রবিপ্রকাশ গুপ্তা জানিয়েছেন, “আজ শিশু-কিশোরদের বসে আঁকো প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে সূচিত হয়েছে এই বছরের গণেশ পুজো। সনাতনী রীতি মেনে আগামীকাল অর্থাৎ ১৪ সেপ্টেম্বর মণ্ডপে গণেশ পুজো সহ ১৫ সেপ্টেম্বর প্রসাদ (ভোগ) বিতরণ করা হবে, ১৬ সেপ্টেম্বর মহাকালের ভজন ও গণেশে বন্দনার আয়োজন করা হয়েছে। এর সাথে সাথে ১৭ সেপ্টেম্বর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ১৮ সেপ্টেম্বর মাতারাণী জাগরণ অনুষ্ঠান সমাপনের পর আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর শ্রী গণেশের পার্থিব মূর্তিকে গঙ্গাবক্ষে বিসর্জন দেওয়া হবে।”

Chhaap Tilak Brings Exquisite Textiles to Kolkata

Chhaap Tilak Brings Exquisite Textiles to Kolkata

India is known for the beauty of its textiles through the centuries. Each region offers different crafts and textiles. From North to south and east to west, from villages to cities handloom weavers, block printers, textile dyers and embroiderers work to bring out traditional, modern and beautiful patterns on textiles and crafts.

Taal Connect Foundation has been very passionately patronising varied arts and heritage especially dance, music and textiles.

Sangeeta Dudhoria, Sonali Basu, Mrinalini Mukherjee and Suman Sarawgi came together to celebrate and promote exquisite forms of block printing and to give due respect to the artisans, craft and technique.
Taal Connect Foundation organised Chhaap Tilak- tales of block prints on 11and 12 September 2026 at Dhano Dhanyo, Hall-4.
“To all the artisans, designers and visionaries who have trusted us and joined the Chhaap Tilak journey — thank you. Your craft, stories and creativity enrich this space and give it meaning,” said the organisers.
Pracheen
Sufiyan Ismail Khatri
Asal
Kalakriti
Malavika
Atouri Studio
Marm
Kapaas Kolkata
Byloom
Indivaan
THE NOMI
Econic
Khadi Vastralaya
Aavaran
Aranya Natural
Studio Syu
Beige India
AABHARNAM Foundation
Neelgar
Kamal Hand Printers
Rudra Natural Craft
Karomi
Mughal Prints
Sadaf
Taranga
Sajawat
Karma Ashrama
Hastkaar
Indigo Eth
Amolii
Fusion Tales
Santiniketan Collective
Joshua
The Kantha store
Tarini
Dori the bond
Mura
GN Shawls
Whe by Abira
Kabita Lindenmeyer
Root Productions
Dye hub
Bengal Home Industries
Santiniketan Collective
Kiara Crafts
Anjali

Thank you!

সুরের মাধ্যমে আশার আলো: সরোজ গুপ্ত ক্যানসার হাসপাতাল -কে SBOH-এর অনুদান

সুরের মাধ্যমে আশার আলো: সরোজ গুপ্ত ক্যানসার হাসপাতাল -কে SBOH-এর অনুদান

কলকাতা: সঙ্গীতের মাধ্যমে মানবিকতার বার্তা ছড়িয়ে দিয়ে সরোজ গুপ্ত ক্যানসার সেন্টার অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট (SGCC&RI), ঠাকুরপুকুরের পাশে দাঁড়াল সুদেষ্ণা বীকন অফ হোপ (SBOH)। গত ১২ সেপ্টেম্বর মহানায়ক উত্তম মঞ্চে আয়োজিত SBOH Concert 2026 – Melodies of Hope থেকে সংস্থার পক্ষ থেকে হাসপাতালকে ১২ লক্ষ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। এই অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল পরিবারের ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসায় সহায়তা করবে।

২০১৬ সালে প্রয়াত সুদেষ্ণা ঘোষের স্মৃতিতে শুরু হওয়া SBOH-এর এই একাদশতম বার্ষিক কনসার্ট একই সঙ্গে সংস্থার এক দশকের মানবিক পথচলাকে উদ্‌যাপন করে। গত দশ বছরে কলকাতা ও ওয়াশিংটন ডিসি অঞ্চলে বিভিন্ন সঙ্গীতানুষ্ঠানের মাধ্যমে SGCC&RI-কে ৬০ লক্ষ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করেছে SBOH। শিশু-ক্যানসার গবেষণাতেও সংস্থাটি সহযোগিতা করেছে।

SBOH-এর প্রতিষ্ঠাতা শুভাশিস ঘোষ বলেন, “এক গভীর ব্যক্তিগত বেদনা থেকে SBOH-এর যাত্রা শুরু হলেও আজ এটি আশার এক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, সঙ্গীতের মাধ্যমে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করা শিশু ও তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব। এবারের ১২ লক্ষ টাকার অনুদান সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। আমাদের লক্ষ্য, কোনও শিশু যেন চিকিৎসার লড়াইয়ে নিজেকে একা মনে না করে।”

এ বছরের কনসার্টে এস. ডি. বর্মন ও আর. ডি. বর্মনের কালজয়ী সৃষ্টির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করেন জোজো মুখার্জি, মনোময় ভট্টাচার্য, হৃচা দেবরাজ, স্বর্ণালী বসু ও দেবমাল্য চট্টোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল ক্যানসারজয়ী অঞ্জলি রায়ের নৃত্য পরিবেশনা। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ক্যানসারের কারণে একটি পা হারিয়েও নৃত্যচর্চা অব্যাহত রাখা অঞ্জলি তাঁর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাহস ও প্রত্যয়ের অনন্য দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন সুচেতা সান্যাল, রোহিণী ভোস দেসাই, শ্লোকা সুব্রহ্মণিয়ম এবং শোহান ঘোষ, প্রয়াত সুদেষ্ণা ঘোষ ও শুভাশিস ঘোষের পুত্র। সঙ্গীতের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে SBOH আবারও প্রমাণ করল, সুর হয়ে উঠতে পারে মানবিক সহমর্মিতা ও আশার শক্তিশালী মাধ্যম।

স্বামী বিবেকানন্দ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভ্যালাপ্পেন ক্রিয়েশন্সের দুই মালয়ালম ছবি সম্মানিত

স্বামী বিবেকানন্দ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভ্যালাপ্পেন ক্রিয়েশন্সের দুই মালয়ালম ছবি সম্মানিত


কলকাতা, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬: স্বামী বিবেকানন্দ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভ্যালাপ্পেন ক্রিয়েশন্সের প্রযোজিত দুটি মালয়ালম ফিচার ছবি ‘নিজাল ব্যয়া পারিকল’ (Nizhal Vyaparikal – Shadow Merchants) এবং ‘সোয়ালিহ’ (Swaleeh) নির্বাচিত হয়ে সম্মান অর্জন করেছে। কলকাতায় আয়োজিত এই চলচ্চিত্র উৎসবে দুটি ছবিই দর্শকদের কাছ থেকে প্রশংসা পেয়েছে।
‘নিজাল ব্যায়াপরিকল ” -এর প্রযোজনা ও পরিচালনা করেছেন শাজু ভ্যালাপ্পেন। অন্যদিকে ‘সোয়ালিহ’-এর প্রযোজক শাজু ভ্যালাপ্পেন এবং পরিচালক সিদ্দিক পারাভুর। মানবিকতা, সহমর্মিতা, মর্যাদা, বিশ্বাস ও সহাবস্থানের মতো সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে নির্মিত ‘সোয়ালিহ’ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে একাধিক স্বীকৃতি পেয়েছে।
দুটি ছবিরই চিত্রগ্রহণ করেছেন জলিল বাদুশা। দুই ছবিতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন ড. আনাসওয়ারা। তাঁর অভিনয়ও দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছে।
এই সাফল্যে খুশি নির্মাতা শাজু ভ্যালাপ্পেন জানান, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁদের দুটি ছবির স্বীকৃতি পাওয়া অত্যন্ত গর্বের বিষয়। পরিচালক সিদ্দিক পারাভুরও উৎসবের আয়োজক, নির্বাচকমণ্ডলী এবং দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাঁদের মতে, এই ধরনের চলচ্চিত্র উৎসব স্বাধীন ও অর্থবহ সিনেমাকে বৃহত্তর দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।