সাম্প্রতিক
মাতৃ আরাধনায় বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব

মাতৃ আরাধনায় বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব

রথযাত্রার শুভ দিনে ‘বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব’ এর খুঁটি পুজো হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে, টালা পার্কে আয়োজিত এই খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে এবারের শারদীয়া দুর্গাপুজোর সূচনা হলো।

উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই পুজো এবার ৭৯ বছরে পড়লো। এবারের পুজোর দায়িত্বে রয়েছে নতুন কমিটি। এই কমিটির সদস্যরা এবছর থিম পুজোর পরিবর্তে সাবেকিয়ানা ফিরিয়ে আনতে চলেছেন।

বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা জানিয়েছেন, ঐতিহ্যবাহী এই পুজোয় আবার সাবেকিয়ানা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। পুজোর প্যান্ডেল নির্মাণ করা হবে প্রাচীন মন্দিরের আদলে। প্রতিমাতেও থাকবে সাবেকিয়ানা।

পুজো কমিটির সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্য্যি বলেন, বাহ্যিক আড়ম্বরের পরিবর্তে ভক্তি এবং নিষ্ঠার সঙ্গে মায়ের আরাধনার মধ্য দিয়েই উৎসব পালন করবে বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব।

ওয়েভ ক্যুইন ইণ্ডিয়া মিস অ্যাণ্ড মিসেস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬

ওয়েভ ক্যুইন ইণ্ডিয়া মিস অ্যাণ্ড মিসেস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬

মৃত্যুঞ্জয় রায় ,

অক্টোবরের শেষ আর নভেম্বর শুরুর সন্ধিক্ষণে ১৩ থেকে ৮০ বছরের মহিলাদের জন্য ‘ট্যাপশন মিডিয়া’-র আয়োজনে ভুটানে আয়োজিত হতে চলেছে ‘ওয়েভ ক্যুইন ইণ্ডিয়া মিস অ্যাণ্ড মিসেস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৬’ নামাঙ্কিত এক সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতা।মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতায় এই বিষয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত থেকে ‘ট্যাপশন মিডিয়া’-র প্রতিষ্ঠাতা নিতু শাহ জানিয়েছেন, “দ্বিতীয় পর্বের এই অনুষ্ঠানে পুরুষদের জন্য ‘মিস্টার’ এবং ‘কিং’ বিভাগ ছাড়াও মহিলাদের জন্য থাকবে ‘মিস’, ‘মিসেস’, ‘প্লাস সাইজ’, ‘ক্লাসিক’ এবং ‘সর্ট হাইট’ বিভাগের প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন বিভাগের বিজয়ী ও বিজয়িনীরা পাবেন শংসাপত্র সহ মনোলোভা নানাবিধ পুরস্কার।”

‘ট্যাপশন মিডিয়া’-র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “১ নভেম্বর সৌন্দর্য্য প্রতিযোগিতার মূলপর্বে অংশগ্রহণ করবেন শীর্ষ বাছাই ৫০ জন প্রতিযোগী ও প্রতিযোগিনী। ইতিমধ্যে উৎসুক প্রার্থীরা ইতিমধ্যে যোগাযোগ করতে শুরু করেছেন।”

সাংবাদিক সম্মেলনে নিতু শাহ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন পদস্থ আধিকারিক পিনাকী চক্রবর্তী, চলচ্চিত্র পরিচালক ভার্গব চৌধুরী, সঙ্গীত বিশেষজ্ঞ অভিজিৎ পাল, ডাঃ পারমী গোস্বামী, পুতুল ধর ও মডেল শুভাঙ্গিনী সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

সোমেন বোসের একক চিত্র প্রদর্শনী প্রশংসিত

সোমেন বোসের একক চিত্র প্রদর্শনী প্রশংসিত


দীপঙ্কর সমাদ্দার:
বর্তমানে চিত্র জগতে সোমেন বোস একটি পরিচিত নাম। যার তুলি সাবলীল গতিতে রংয়ের সাথে মিলনে তৈরি হয় নানা অসাধারণ চিত্রপট। যার ছবিতে রঙের বৈচিত্র একটা অন্য মাত্রা আনে। সৃষ্টিকর্তা তার তুলিতে দিয়েছে ছন্দ যা মনের ভাবাবেগ ছবিতে প্রস্ফুটিত হয়ে দর্শকদের পৌঁছে দেয় এক স্বর্গীয় আনন্দে। সোমেন বোসের তৃতীয় একক চিত্র প্রদর্শনী গত তিন থেকে পাঁচ জুলাই কলকাতার আলতামিরা আর্ট গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত হলো। প্রচুর স্বনামধন্য চিত্রশিল্পী ও বিশিষ্ট মানুষেরা অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রদর্শন এর উদ্বোধন হয়, উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চিত্র শিল্পী অনির্বাণ সেট, মিহির কয়েল, নারায়ন দাস, ইন্দ্রজিৎ সিনহা, তপন সরকার, পবিত্র সাহা, মানিক কান্ডার সহ আরো অনেকে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ফটোগ্রাফার কোভিদ রায় চিত্রশিল্পী সোমনাথ দাস, গণেশ মহারানা প্রমুখ। উপস্থিত প্রত্যেক চিত্রশিল্পী রা শিল্পীর প্রতিটি চিত্র র প্রশংসা করেন। এই চিত্র প্রদর্শনীতে উপস্থিত দর্শক রা জানালেন প্রদর্শনীতে আসা তাদের সার্থক এবং সোমেন বোস এর ছবি থেকে অনেক কিছু ভালোলাগা ও শিক্ষা তারা নিয়ে গেলেন। শিল্পী নিজে জানালেন ছবি আঁকাটাই তার একমাত্র নেশা ও পেশা তাই দিনরাত তুলি ও রঙের সচ্ছল খেলায় ছবিগুলো তার মনের কথা বলে ওঠে। এক কথায় কলকাতায় সারা ফেলা এই চিত্রশিল্পী সোমেন বোসের তৃতীয় চিত্র প্রদর্শনীর সার্থক।

HILSA FESTIVAL AT THE DOCKYARD CO.

HILSA FESTIVAL AT THE DOCKYARD CO.

WHAT:
Hilsa Festival – A seasonal celebration dedicated to Bengal’s most cherished monsoon delicacy.

WHEN:
On till 31st July, 2026

WHERE:
The Dockyard Co.

ADDRESS:
Jetty 8, Indenture Memorial at Clock Tower, Garden Reach Rd, Andaman Dock, Kidderpore, Kolkata, West Bengal 700043

POCKET PINCH:
Items starting at INR 699

Monsoon in Bengal is incomplete without the arrival of the prized ilish, and The Dockyard Co. is celebrating the season with a specially curated Hilsa Festival that pays homage to this beloved fish. Rooted in tradition yet crafted with finesse, the festival brings together timeless Bengali recipes that evoke the warmth of home and the joy of sharing a wholesome meal with loved ones.

From the smoky, flavour-packed Ilish Macher Tel-Lanka and the delicately steamed Lau Patay Ilish Bhapa to the iconic Ilish Ullash simmered in a robust mustard gravy, every dish captures the true essence of Bengal’s culinary heritage. Guests can also relish comforting favourites like Kacha Ilish Macher Jhol Begun Diya, fragrant Ilish Polao, the richly flavoured Ilish’er Tel Jhal, the palate-cleansing Ilisher Tok, and the indulgent Ilish Thali, offering a complete Bengali feast on a platter. Whether you’re an ardent ilish lover or simply looking to savour the flavours of the season, this festival promises an authentic monsoon dining experience that is not to be missed.

শেলির চরিত্রে বিশ্বমানের ফ্যাশন

শেলির চরিত্রে বিশ্বমানের ফ্যাশন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- জুলাই মাসে কবি পার্সি বিশি শেলির প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সাহিত্যকর্মের বিভিন্ন চরিত্রকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে এক বিশেষ ফ্যাশন পোর্টফোলিও শুট ও পোশাক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নাট্যাভিনয়, ফ্যাশন ফটোশুট এবং সৃজনশীল উপস্থাপনার উপযোগী এই নতুন পোশাক সংগ্রহ দর্শকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন মডেল সহেলী পালিত, জয়ীতা বিশ্বাস, স্নেহা সাহা, অনন্যা দাস, অনিশা রায়, প্রিয়াঙ্কা ঘোষ, সুস্মিতা চৌধুরী, কবিতা সরকার, রিতা সরকার, ত্রিকা চক্রবর্তী এবং সায়ন্তনী মণ্ডল। তাঁদের সৃজনশীল রূপায়ণে সহযোগিতা করেন প্রসাধন শিল্পী পিউ সাহা, স্নেহা সিং, পরিণীতা মণ্ডল, নীপা সাহা, বিথী ঘোষ, সায়নী মজুমদার, সুপ্রিয়া সরকার, পাখি চ্যাটার্জী ও দিয়া মালিক।
অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন ক্যাটরিনা ঘোষ। চিত্রগ্রহণ করেন অঙ্কন ব্যানার্জী এবং পোশাক পরিবেশনের দায়িত্বে ছিলেন মহানন্দা মাঝি। আয়োজকের মতে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাহিত্য, নাট্যশিল্প এবং ফ্যাশনের মধ্যে এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন গড়ে তোলা। শেলির সাহিত্যচরিত্রকে আধুনিক পোশাক নকশায় রূপ দেওয়ার মাধ্যমে বাংলা ফ্যাশন পোর্টফোলিও শুটকে আন্তর্জাতিক মানের সৃজনশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার একটি ইতিবাচক প্রয়াস দেখা গেছে।সংশ্লিষ্টদের আশা, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলা ফ্যাশন ও নাট্যজগতের বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

কনসেপ্টেই সৌন্দর্যের নতুন সংজ্ঞা: হাই-ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প শো

কনসেপ্টেই সৌন্দর্যের নতুন সংজ্ঞা: হাই-ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প শো

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- ফ্যাশন কেবল পোশাকের প্রদর্শনী নয়, বরং শিল্প, সৃজনশীলতা এবং ভাবনার এক শক্তিশালী প্রকাশ—এই বার্তাকেই সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হলো এক আন্তর্জাতিক মানের হাই-ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প শো। আমরা পাঁচফোড়ন টিম এর কর্ণধার দিপীকা বিশ্বাস ও অনিমা খাতুনের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আধুনিক ফ্যাশনকে উপস্থাপন করা হয় নান্দনিকতা ও কল্পনার এক অভিনব মেলবন্ধনে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন মডেল কেয়া পাল, দিপীকা সান্যাল, সম্পা দাস, রিয়া কটাল, পবন হালদার, আকাশ মিস্ত্রি, রিমা দত্ত, অনামিকা দাস, সুপর্ণা দত্ত, অনিরুদ্ধ রায় এবং কেয়া চ্যাটার্জী। তাঁদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি ও সাবলীল উপস্থাপনা প্রতিটি কনসেপ্টকে জীবন্ত করে তোলে। পুরো আয়োজনের প্রতিটি মুহূর্ত দক্ষতার সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করেন চিত্রগ্রাহক বিশ্বজিৎ দাস। এই আয়োজনে মেকআপ ও স্টাইলিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন পাপিয়া মণ্ডল, মৌসুমি রায়চৌধুরী, শুভ্রা বিশ্বাস, তনুশ্রী কোলে, শ্রাবন্তী মোদক, সোমা মণ্ডল এবং অন্তরা বড়াল। তাঁদের সৃজনশীল স্পর্শে প্রতিটি চরিত্র ও কনসেপ্ট পেয়েছে স্বতন্ত্র পরিচয় মহানন্দা মাঝি ও রমা মালির অনবদ্য পোশাক পরিবেশনার মাধম্যে। ডেভিল, কাউবয়, সানফ্লাওয়ার-সহ একাধিক বৈচিত্র্যময় থিমে তৈরি করা হয় বিভিন্ন হাই-ফ্যাশন লুক। প্রতিটি লুকে ছিল একটি নির্দিষ্ট গল্প, আবহ এবং শিল্পভাবনার প্রকাশ। আলো, পোশাক, মেকআপ, হেয়ারস্টাইল, অভিব্যক্তি ও ফটোগ্রাফির সমন্বয়ে প্রতিটি ফ্রেম যেন হয়ে উঠেছে একেকটি শিল্পকর্ম। ফ্যাশন জগতে এখনও অনেকের ধারণা, হাই-ফ্যাশন মানেই সেমি-বোল্ড উপস্থাপনা। বাস্তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। হাই-ফ্যাশনের মূল শক্তি নিহিত থাকে কনসেপ্ট, সৃজনশীলতা এবং ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ে। একটি চরিত্র, অনুভূতি, সামাজিক বার্তা কিংবা বিমূর্ত ভাবনাকে শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলাই হাই-ফ্যাশনের প্রধান উদ্দেশ্য। এখানে পোশাক কেবল একটি মাধ্যম; প্রকৃত আকর্ষণ তৈরি হয় শিল্পভাবনা, উপস্থাপনা ও নান্দনিক নির্মাণে। এই আয়োজন আবারও প্রমাণ করল, বাংলা ফ্যাশন অঙ্গন ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক মানের কনসেপ্টভিত্তিক কাজের দিকে এগিয়ে চলেছে। নতুন প্রজন্মের মডেল, প্রসাধন শিল্পী, স্টাইলিস্ট ও আলোকচিত্রীদের সম্মিলিত প্রয়াসে হাই-ফ্যাশন আজ শুধু গ্ল্যামারের পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়; এটি হয়ে উঠছে সৃজনশীল শিল্পচর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

পোশাকে ফুটল স্বপ্নের নতুন রং

পোশাকে ফুটল স্বপ্নের নতুন রং

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- : নবীন মডেলদের ফ্যাশন জগতে আত্মপ্রকাশের সুযোগ করে দিতে এবং তাঁদের পেশাদার পোর্টফোলিও তৈরির লক্ষ্যে এক বিশেষ ফ্যাশন ফটোশুট ও নতুন বুটিকের পোশাক উন্মোচনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন তনুশ্রী মণ্ডল। এই আয়োজনে অংশ নেন মডেল অনন্যা পুরকাইত, দেবযানী সাউ, ভাবনা হাজরা, সুজাতা দত্ত, লিপিকা মিস্ত্রি, রূপা কুন্ডু, সংযুক্তা চৌবে, স্নেহা দাস, মৌমিতা ব্যানার্জী, রাজন্যা দত্ত, অতনু কুন্ডু ও অনামিকা দাস। প্রসাধনের দায়িত্বে ছিলেন পিঙ্কি সরদার, শ্রাবণী মাইতি, টুশি ধর, সৃজা দেশী, সাহিনা সালাহুদ্দিন, পৌলমী সাহা, প্রিয়শ্রী নায়েক, দিশা প্রামাণিক, ঋতু মণ্ডল, রুমা রায়, অনামিকা দাস ও অর্পিতা মুখার্জী। পোশাকের দায়িত্বে ছিল ‘ওয়ারড্রোব লাল্টু’ এবং সমগ্র ফটোশুট ক্যামেরাবন্দি করেন চিত্রগ্রাহক অঙ্কন ব্যানার্জী।আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নবীন মডেলরা মানসম্মত পোর্টফোলিও তৈরির পাশাপাশি ভবিষ্যতে ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে কাজের আরও বেশি সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে নতুন এই বুটিক সারা ভারতবর্ষে নিজেদের পোশাক সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে পথচলা শুরু করেছে।

রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতির খুঁটি পুজোয় তারকাদের সমাবেশ, দুর্গাপুজো ২০২৬-এর থিমে চমকের ইঙ্গিত

রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতির খুঁটি পুজোয় তারকাদের সমাবেশ, দুর্গাপুজো ২০২৬-এর থিমে চমকের ইঙ্গিত

খায়রুল আমিন,

শহরের অন্যতম প্রতীক্ষিত দুর্গোৎসবের সূচনা হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতি-র খুঁটি পুজোর মাধ্যমে। রবিবার সকালে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো দুর্গাপুজো ২০২৬-এর প্রস্তুতি। উৎসবের আবহে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, শিল্প, সমাজসেবা ও রাজনীতির একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়, ইন্ডিয়ান আইডল সিজন–৫-খ্যাত গায়িকা মনীষা কর্মকার, জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী দেবলীনা নন্দী, সোনারপুর উত্তর-এর বিধায়ক দেবাশিস ধর, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, সমাজসেবী কেয়া ঘোষ, সমিতির সভাপতি নির্মল মুখোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক অনির্বাণ পাড়িয়া, চেয়ারম্যান সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক সুদীপ সরকার।

খুঁটি পুজোর মঞ্চ থেকেই উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে থাকছে একাধিক নতুন চমক। দুর্গাপুজো ২০২৬-এর থিম নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রখ্যাত থিম শিল্পী পূর্ণেন্দু দে-কে। যদিও থিমের বিষয়বস্তু এখনই প্রকাশ করা হয়নি, তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, শিল্প, সংস্কৃতি ও সামাজিক বার্তার এক অনন্য মেলবন্ধন দেখতে পাবেন দর্শনার্থীরা।

বিশ্বফ্যাশনে বাংলার নতুন অধ্যায়

বিশ্বফ্যাশনে বাংলার নতুন অধ্যায়

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- নতুন প্রতিভাদের সামনে নিয়ে আসার লক্ষ্যেই আয়োজিত হল এক বিশেষ ভাবে ভারতীয় সমস্ত ব্রাইডাল সাজ ছেড়ে বিদেশি সব ভিন্ন সাজে আন্তর্জাতিক স্তরে (থাইল্যান্ড, রাশিয়া, কম্বোডিয়া, উরুগুয়ে, ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া) ও প্রাশ্চাত্যের কিছু বিশেষ ধরনের সাজে ফটোশুট। আয়োজক তনু সরকারের উদ্যোগে বিদেশি বিভিন্ন ব্রাইডাল সাজে নতুন তারকা মডেলদের নিয়ে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সম্পন্ন হয়। এই প্রকল্পে প্রসাধনী শিল্পী হিসেবে কাজ করেন তনুশ্রী কোলে, সৃজা নন্দী, দিপালী দে, ঋতু গাইন, অপর্ণা দাস, প্রদীপ মণ্ডল, তিতলি পেটো, প্রীতিকা চক্রবর্তী, ইসিতা সিং, নেহা পারভিন, পাপিয়া মণ্ডল, প্রিয়া চ্যাটার্জী, পূজা চৌধুরী, রাকেশ পাল ও শুভ্রা বিশ্বাস। মডেল হিসেবে অংশ নেন প্রিয়াঞ্জলি পাত্র, সুমনা ধর, পাপিয়া দাস, অমৃতা দাস, প্রিয়া সাহা, ব্রিহীপর্ণী বিশ্বাস, অদ্রিজা মজুমদার, মনীষা দাস, অমৃতা শিকদার, সাহালি পাত্র, স্মৃতি মিত্র, ঋতু গাইন, সুপর্ণা বিশ্বাস, সোনালি সরকার, প্রিয়া সরকার, পায়েল চক্রবর্তী রায়, স্বর্ণালী (পুরুষ থেকে মহিলা রূপান্তরের অনুপ্রেরণামূলক ট্রান্সফরমেশন), প্রতিমা মল্লিক ও আমাইরা প্রসাদ।
সমগ্র আয়োজনের চিত্রগ্রহণের দায়িত্বে ছিলেন অঙ্কন ব্যানার্জী। অনুষ্ঠানের সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌমিতা ব্যানার্জী। আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য শুধু আকর্ষণীয় পোর্টফোলিও তৈরি নয়, বরং নতুন মডেলদের কর্মজীবনের শুরুতে পাশে দাঁড়িয়ে তাঁদের উৎসাহ, আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা জোগানো।

বেঙ্গল আর্টস অ্যান্ড লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল উদযাপন,

বেঙ্গল আর্টস অ্যান্ড লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল উদযাপন,


নিজস্ব সংবাদদাতা: সাহিত্য, শিল্প, চলচ্চিত্র, অনুবাদ ও মননচর্চাকে কেন্দ্র করে আইসিসিআর, কলকাতায় অনুষ্ঠিত হল বেঙ্গল আর্টস অ্যান্ড লিটারেচার ফেস্টিভ্যাল (বিএএলএফ) ২০২৬। এক্সেলার বুকস আয়োজিত এই দিনব্যাপী উৎসবে দেশ-বিদেশের লেখক, শিল্পী, কূটনীতিক, গবেষক, অনুবাদক ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা অংশ নেন।
মণি শঙ্কর মুখোপাধ্যায় স্মৃতি মঞ্চে উৎসবের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট ভাষাবিদ অধ্যাপক পবিত্র সরকার। উপস্থিত ছিলেন কলকাতায় চিনের কনসাল জেনারেল শু ওয়েই, জাপানের ডেপুটি কনসাল জেনারেল আশিদা কাতসুনোরি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষাবিদ-কবি অধ্যাপক সংযুক্তা দাশগুপ্ত। আন্তর্জাতিক সাহিত্যিক-সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতি উৎসবের অঙ্গীকারই তাঁদের উপস্থিতিতে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মত আয়োজকদের।
উদ্বোধনী পর্বেই প্রকাশিত হয় ‘এ পিটি কল্ড ওয়র’ নামাঙ্কিত দুই শতাধিক কবিতার সংকলন, যার সম্পাদক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা অধ্যাপক অশোক বিশ্বনাথন এবং কবি-শিক্ষাবিদ স্বরূপা চ্যাটার্জী।
এ বছরের ‘টেগোর সম্মান ২০২৬’-এ সম্মানিত হন চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, সাহিত্যিক অমর মিত্র, সংগীতশিল্পী অঞ্জন দত্ত, শিল্পোদ্যোগী লতা বাজোরিয়া, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হরিশ মেহতা এবং লেখক ত্রিদিব কুমার চট্টোপাধ্যায়। সাহিত্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা, প্রকাশনা ও পারফর্মিং আর্টসে তাঁদের অবদানকে স্বীকৃতি জানানো হয়।
অনুবাদ ছিল এ বারের উৎসবের অন্যতম কেন্দ্রীয় বিষয়। ‘সাহিত্যে আলো ফেলে অনুবাদ’ শীর্ষক আলোচনায় অংশ নেন অংশুমান কর, অপু দে, রিনি গঙ্গোপাধ্যায় ও সৈয়দ কাওসার জামাল। চৈতালী চট্টোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় আলোচনায় উঠে আসে ভাষান্তরের নানা নন্দনতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক প্রশ্ন। অন্যদিকে, ‘ল্যাঙ্গুয়েজ পলিসি অ্যান্ড ট্রান্সলেশন স্টাডিজ’ শীর্ষক অধিবেশনে হিন্দি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নন্দিনী সাহু, সাহিত্যিক অলকা সরাওগি-সহ বিশিষ্ট গবেষকেরা বহুভাষিকতা ও ভাষিক বৈচিত্র্য নিয়ে মত বিনিময় করেন।
কবিতাও ছিল উৎসবের প্রাণকেন্দ্রে।
উৎসবে ছিল ডিরোজিও আর্ট গ্যালারি আয়োজিত চিত্রপ্রদর্শনী ‘সুজলাং সুফলাং প্রায় ৪০ জন শিল্পীর আঁকা ছবি এই প্রদর্শনীতে স্থান পায়। প্রত্যেক চিত্রশিল্পীকে চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায় সম্মাননা পত্র দিয়ে সম্মানিত করেন। প্রদর্শনী পরিচালক দীপঙ্কর সমাদ্দার জানালেন পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৪০ জন শিল্পী আন্তরিকভাবে ছবি দিয়ে তাদের এই প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেছেন যা প্রতিটা ছবি দৃষ্টি নন্দন। অন্যদিকে, বই, হস্তশিল্প, বাউল গান, ও সৃজনশীল উদ্যোগের এই সমাবেশে দর্শকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রকাশনা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ড. সুদীপ্ত কুমার ঘোষ বলেন, “বিএএলএফ এক্সেলার বুকসের পঞ্চম বার্ষিক অনুষ্ঠানের প্রবর্ধিত রূপ। সাহিত্য, শিল্প ও শিক্ষাচর্চাকে একত্রে এনে সংলাপের পরিসর আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করেছি আমরা।” সহ-প্রতিষ্ঠাতা অঞ্জিতা গাঙ্গুলীর কথায়, “এ ধরনের উৎসব মননশীল ও সাংস্কৃতিকভাবে সংযুক্ত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”