সাম্প্রতিক
চালকলের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, রায়নায় লরি আটক, তদন্তে পুলিশ

চালকলের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, রায়নায় লরি আটক, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার গোপালপুর এলাকার মা ভবানী রাইস মিল চালকলে প্রতারণার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, চালকলের মালিকের অজান্তেই তাঁর মিলের নাম ব্যবহার করে চাল সরবরাহে অনিয়ম ও প্রতারণার চেষ্টা চলছিল।
চালকল কর্তৃপক্ষের দাবি, গত ৩ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ৭টা নাগাদ বর্ধমানের একটি গদির মাধ্যমে WB25H8061 নম্বরের একটি লরি তাদের মিলে আসে। ওই লরিতে মিলের জন্য ৮ টন চাল সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু গাড়িটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাতে আগে থেকেই প্রায় ১০ টন চাল বোঝাই রয়েছে।
এসময় চালকলের মালিকের নজরে আসে, গাড়িতে তাঁর ব্র্যান্ডের ‘কিশোরভোগ’ নামে বস্তাবন্দি চাল লোড করা রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি গাড়ির চালক ও খালাসিকে ওই চাল কোথা থেকে লোড করা হয়েছে জানতে চান। অভিযোগ, তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন।
এরপর ৪ জুলাই বিকেলে চালকল কর্তৃপক্ষ রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ লরিটির নম্বর ধরে তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ গাড়িটিকে থানায় নিয়ে যায় এবং চালক ও খালাসিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
চালকল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তাঁদের ব্র্যান্ডের নকল বস্তায় কোথা থেকে চাল ভরা হয়েছে এবং এর প্রকৃত উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে চালের উৎস, বস্তার সত্যতা এবং সম্ভাব্য প্রতারণা চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খোঁজার কাজ চলছে।

আমরা ব্যতিক্রমী র উদ্যোগে চিকিৎসক দিবস উদযাপন

আমরা ব্যতিক্রমী র উদ্যোগে চিকিৎসক দিবস উদযাপন

সায়ন দেবনাথ : কলকাতা, ৪ জুলাই, ২০২৬। গত ১ জুলাই সারা দেশ জুড়ে পালিত হল জাতীয় চিকিৎসক দিবস। ওইদিন এই বাংলার প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় এর জন্মদিন এবং ১৯৬২ সালের এই দিনেই ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় এর প্রয়াণ হয়। আমাদের রাজ্যেও এইদিন মহা ধুমধামের সাথে উদযাপিত হল চিকিৎসক দিবস। উত্তর পূর্ব কলকাতায় বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আমরা ব্যতিক্রমী’র উদ্যোগে বেলেঘাটা সি আই টি রোডে অবস্থিত বি সি রায় পোলিও হাসপাতাল এবং ফুলবাগনের বি সি রায় শিশু হাসপাতালের চিকিৎসারত শিশুদের প্রয়োজনীয় উপহার তুলে দেওয়া হল সংস্থার পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় এর মূর্তিতে মাল্যদান এবং পুষ্প নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানান সংস্থার সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোপাল দেবনাথ, সভাপতি প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, ইন্দ্রাণী বালা, আল্পনা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিব্যেন্দু ঘোষ এবং দীপক বিশ্বাস সহ বিশিষ্টজন। আমরা ব্যতিক্রমী সংস্থা এই বছর ১৬ তম বর্ষে পদার্পণ করলো। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক শিশু’র অভিভাবকগণ সকলেই এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এই কাজে দুই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।

TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘প্রহর গুনছে পাহাড়?’, ০৫ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়

সিকিম: ০৫ জুন: বর্ষার শুরুতেই নাজেহাল সিকিম। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে ব্রিজ, রাস্তা। নাজেহাল অবস্থা পর্যটকদের। প্রমাদ গুনছে দার্জিলিং। বছর বছর প্রবল বর্ষণ, ধস আস ভাঙনের জেরে দার্জিলিঙের গায়ে যে ক্ষতচিহ্ন তৈরি হয়েছে, সেটা কবে নিরাময় হবে, আদৌ কোনও দিন হবে কি না, সেটা বলতে পারছেন না কেউই। বস্তুত গোটা হিমালয় জুড়েই এখন আতঙ্ক। দার্জিলিঙের মতোই ছবি জোশীমঠে, হিমাচলে, জম্মু-কাশ্মীরে। কিন্তু তাতেও কী চোখ খুলছে আমাদের? এক দিকে পাহাড় জুড়ে নির্মাণ আর গাছ কাটা চলছে অপ্রতিহত গতিতে, অন্যদিকে অবৈধ নির্মাণ। এ দুয়ের মাঝে আরও কোন বিপদ ঘনাচ্ছে পাহাড়ের রানির কপালে? উত্তর খুঁজতেই গ্রাউন্ড জিরো রিপোর্টিং ও বিশেষজ্ঞদের মতামত সহ TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘প্রহর গুনছে পাহাড়?’, ০৫ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

বর্ষার শুরুতেই নাজেহাল সিকিম। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে ব্রিজ, রাস্তা। নাজেহাল অবস্থা পর্যটকদের। প্রমাদ গুনছে দার্জিলিং। বছর বছর প্রবল বর্ষণ, ধস আস ভাঙনের জেরে দার্জিলিঙের গায়ে যে ক্ষতচিহ্ন তৈরি হয়েছে, সেটা কবে নিরাময় হবে, আদৌ কোনও দিন হবে কি না, সেটা বলতে পারছেন না কেউই। বস্তুত গোটা হিমালয় জুড়েই এখন আতঙ্ক। দার্জিলিঙের মতোই ছবি জোশীমঠে, হিমাচলে, জম্মু-কাশ্মীরে। কিন্তু তাতেও কী চোখ খুলছে আমাদের? এক দিকে পাহাড় জুড়ে নির্মাণ আর গাছ কাটা চলছে অপ্রতিহত গতিতে, অন্যদিকে অবৈধ নির্মাণ। এ দুয়ের মাঝে আরও কোন বিপদ ঘনাচ্ছে পাহাড়ের রানির কপালে? উত্তর খুঁজতেই গ্রাউন্ড জিরো রিপোর্টিং ও বিশেষজ্ঞদের মতামত সহ TV9 বাংলার নতুন নিউজ সিরিজ ‘প্রহর গুনছে পাহাড়?’, ০৫ জুলাই, ২০২৬, রবিবার রাত ১০ টায়।

গন্ধবনিক সমাজ ওবিসি সংরক্ষণ দাবি।

গন্ধবনিক সমাজ ওবিসি সংরক্ষণ দাবি।


সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানার অন্তর্গত বান্দোয়ানে রাজমহল ইন এ ভারতীয় গন্ধবণিক সমাজ কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বান্দোয়ান শাখার সহযোগিতায় এক বিশেষ ওবিসি সংক্রান্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন গন্ধবনিক সমাজের সভাপতি রামপ্রসাদ বাবু আশিস দে মহাশয় সম্পাদক ও প্রদীপ চন্দ্র, বান্দোয়ান শাখা সমিতির সভাপতি সঞ্জয় হালদার সম্পাদক চিত্তরঞ্জন হালদার এবং সকল সদস্যগণ ও বান্দোয়ান বিধানসভার সমস্ত গন্ধবনিক সমাজের প্রতিনিধিগণ উক্ত সবার থেকে বার্তা দেওয়া হয় যে ওবিসি সংরক্ষণের যে সরকার আইন সেখানে সকলকে আবেদন করতে হবে আন্দোলন করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এই বার্তা তিনি দেন

‘স্যার’ তালিকায় নাম না থাকায় রেশন – অন্নপূর্ণা যোজনায় বাদ, রাজ্যের রিপোর্ট চাইলো হাইকোর্ট

‘স্যার’ তালিকায় নাম না থাকায় রেশন – অন্নপূর্ণা যোজনায় বাদ, রাজ্যের রিপোর্ট চাইলো হাইকোর্ট

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

সরকারি সুবিধা থেকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে দাখিল হয়েছে মামলা। এসআইআর তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ায় বহু মানুষ রেশন এবং অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেত মজদুর সমিতি ।এই মামলার শুনানিতে রাজ্য সরকারের কাছে এ বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছে রাজ্যের উচ্চ আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি পার্থ সারথি চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, -‘আগামী ২১ জুলাইয়ের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্যের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।’ এই মামলার শুনানির সময় রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আদালতে জানান, -‘মামলার কপি ইতিমধ্যেই তাদের হাতে এসেছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত শুরু করা হবে। এসআইআর তালিকা থেকে কার কার নাম বাদ পড়েছে এবং তাঁদের মধ্যে কারা রেশন ও অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হবে।তিনি আরও জানান, তদন্ত শেষে রাজ্য সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে বা নেবে, সেই সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আদালতে জমা দেওয়া হবে। আগামী ২১ জুলাই এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতির খুঁটি পুজোয় তারকাদের সমাবেশ, দুর্গাপুজো ২০২৬-এর থিমে চমকের ইঙ্গিত

রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতির খুঁটি পুজোয় তারকাদের সমাবেশ, দুর্গাপুজো ২০২৬-এর থিমে চমকের ইঙ্গিত

খায়রুল আমিন,

শহরের অন্যতম প্রতীক্ষিত দুর্গোৎসবের সূচনা হয়ে গেল ঐতিহ্যবাহী রাজডাঙা আমরা কজন কল্যাণ সমিতি-র খুঁটি পুজোর মাধ্যমে। রবিবার সকালে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণ ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো দুর্গাপুজো ২০২৬-এর প্রস্তুতি। উৎসবের আবহে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, শিল্প, সমাজসেবা ও রাজনীতির একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেতা ভাস্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা অর্ঘ্য মুখোপাধ্যায়, ইন্ডিয়ান আইডল সিজন–৫-খ্যাত গায়িকা মনীষা কর্মকার, জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী দেবলীনা নন্দী, সোনারপুর উত্তর-এর বিধায়ক দেবাশিস ধর, বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়, সমাজসেবী কেয়া ঘোষ, সমিতির সভাপতি নির্মল মুখোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি ও চলচ্চিত্র পরিচালক অনির্বাণ পাড়িয়া, চেয়ারম্যান সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক সুদীপ সরকার।

খুঁটি পুজোর মঞ্চ থেকেই উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, এবারের দুর্গাপুজোকে ঘিরে থাকছে একাধিক নতুন চমক। দুর্গাপুজো ২০২৬-এর থিম নির্মাণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রখ্যাত থিম শিল্পী পূর্ণেন্দু দে-কে। যদিও থিমের বিষয়বস্তু এখনই প্রকাশ করা হয়নি, তবে উদ্যোক্তাদের দাবি, শিল্প, সংস্কৃতি ও সামাজিক বার্তার এক অনন্য মেলবন্ধন দেখতে পাবেন দর্শনার্থীরা।

ডা. বিধানচন্দ্র রায় স্মরণে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

ডা. বিধানচন্দ্র রায় স্মরণে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

দীপঙ্কর সমাদ্দার,

পশ্চিমবাংলার রূপকার ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের ১৪৫তম জন্মদিন পালন করল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি। প্রথিতযশা চিকিৎসক ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি, নগর উন্নয়ন, শিল্পস্থাপন ইত্যাদির পরিকল্পনা ও রূপায়নে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের সাথে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি স্থাপনার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অগ্রদূত। মূলত, তাঁরই উদ্যোগ ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা স্বরূপ ১৯৪৭ সালের ১৫ই জানুয়ারি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে প্রতিষ্ঠা হয় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি। তাই প্রতি বছর এই দিনটিতে সোসাইটি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে পথিকৃৎসম এই ব্যক্তিত্বকে। পয়লা জুলাই সকাল ন’টায় বিবাদী বাগে ডা. রায়ের পূর্ণাবয়ব মর্মরমূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, সহ-সম্পাদক ডা. অভিজিত ঘোষ সহ অন্যান্য সদস্যগণ। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় সদস্যদের নিয়ে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে সোসাইটির লাইব্রেরি ঘরে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সোসাইটি প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সদর্থক ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা সবিশেষ উল্লেখ করেন সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে বর্ষীয়ান সদস্য ডা. শ্যামল ঘোষ মহাশয়কে চিকিৎসক দিবসে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। চিকিৎসক হিসাবে ডা. রায়ের চিকিৎসা পদ্ধতি ও রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাঁর অগাধ দক্ষতার কথা উল্লেখ করে শ্রদ্ধা জানান প্রবীণ সদস্য ডা. ঘোষ। ডা. রায়কে প্রণাম জানিয়ে ছোট্ট বক্তব্য রাখেন সহ-সম্পাদক রঞ্জিত কুমার নায়ক ও সদস‍্যা রূপান্জলী চৌধুরী।এর পর সোসাইটির সংগীত শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত সহ সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বিধান শিশু উদ্যানে ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন

বিধান শিশু উদ্যানে ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন

রাজকুমার দাস ,

বুধবার সন্ধেবেলায় শুরুতে হাজার হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম্’ গাওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী শ্রী তাপস রায়,ডা. বিশ্বপতি মুখোপাধ্যায়, শ্রী বিশ্বনাথ নন্দী, শ্রী অজয় গোয়েল, অধ্যাপক অরূপ কুমার দাস, ড. দেবীপ্রসাদ দুয়ারী এবং ড. তপন মিশ্র।ওইদিন সন্ধায় মাননীয় মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন ১ জুলাই দিনটি দেশব্যাপী ‘ডক্টরস ডে’ হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়। তিনি বিশ্ববন্দিত ডাক্তার ছিলেন অবশ্যই,তবে এর পাশাপাশি এই রাজ‍্যকে নতুন করে গঠনে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। যে কারণে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বলা হয়।” ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানী ড. তপন মিশ্র বলেন-“১৯৪৭ থেকে ১৯৫০-এর মধ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ উদ্বাস্তু তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছিল। এই ধারা তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্বকাল পর্যন্ত তো বটেই,এমনিক ’৭১ সালের পরেও তা অব‍্যাহত ছিল। ডা.বিধান চন্দ্র রায় তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্বকালে এই জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গকে দেশের অন্যতম প্রথম সারির শিল্পোন্নত রাজ্যে পরিনত করেছিলেন।’ ড. বিশ্বপতি মুখার্জী বলেন-” ডক্টরস্ ডে তে আমরা বিধান চন্দ্রকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি অভয়ার ন‍্যায় বিচারের দাবীর কথা যেন ভুলে না যাই।” পাশাপাশি অন‍্যান‍্য বক্তারাও ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অধ‍্যাপক অরূপ কুমার দাস সকল অতিথি-অভ্যাগতদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এরপর বিধান শিশু উদ‍্যানের সভ‍্যসভ‍্যাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

মুকুটমণিপুরে রাজ্যস্তরের হুল দিবসের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুকুটমণিপুরে রাজ্যস্তরের হুল দিবসের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:- ৩০ শে জুন আজকের দিনে হবেনা সিধু কানুর নেতৃত্বে সাঁওতাল বিদ্রোহ সূচনা হয়েছিল অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন সিধু, কানু ,চাঁদ, ভৈরব। এদিন ভগনাডিহির মাঠে লাখো আদিবাসী মানুষের জমায়েত হয়েছিল। সেই হুল দিবসের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে আজ ৩০ শে জুন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় হুল দিবস উদযাপন কর্মসূচি পালিত হল বাঁকুড়ার রানী মুকুটমনিপুরে। রাজ্য স্তরের এই অনুষ্ঠানের সূচনা পূর্বে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে যাওয়ার মূল প্রবেশ দ্বারে সাঁওতাল বিদ্রোহের বীর শহীদ সিধু কানুর পূর্ণাবয়ব মূর্তির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুই বীর শহীদের পদতলে নতজানু মস্তকে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে প্রকাশ্য সভায় উপস্থিত হন সেখানে সাঁওতাল বিদ্রোহের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। স্বাগত ভাষণ দেন বাঁকুড়া জেলা শাসক। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু,সাংসদ সৌমিত্র খান প্রাক্তন সংসদ ডাক্তার সুভাষ সরকার, জেলার সবকটি বিধানসভার বিধায়কগণ, জেলা পুলিশ সুপার, সহ পুলিশ আধিকারিক বৃন্দ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বৃন্দ।
ফুল দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন
আদিবাসীদের উন্নয়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর। বিগত তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের উন্নয়ন কে থামিয়ে রেখেছিল। আমরা আদিবাসী উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে নানান পরিকল্পনা নিয়েছি সেগুলি বাস্তবে প্রয়োগ হতে চলেছে। জয় জোহার প্রকল্পে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। আজকের অনুষ্ঠান মঞ্চে জয় জোহার প্রকল্প ,জাতিগত শংসাপত্র, মায়ের নামে একটি গাছ, স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীদের উন্নয়নে আর্থিক সাহায্য, পড়াশোনায় স্কলারশিপ, অন্নপূর্ণা ভান্ডারের উপভোক্তাদের চেক প্রদান সহ বেশ কয়েকটি সেবামূলক প্রকল্পের চেক উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এছাড়া আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ট গুণীজন, শিল্পী, সাহিত্যিক, মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফল করা ছাত্রছাত্রীদের ল্যাপটপ ট্যাব শংসাপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয় । এখানে উল্লেখ্য মঞ্চে মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু মুখ্যমন্ত্রী কে পাঞ্চি পাগড়ী পরিয়ে অভ্যর্থনা জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে সিধু কানু মূর্তি সম্মলিত স্মারক,বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী ডোকরার মা দুর্গার প্রতিমা, ও বাঁকুড়ার ঘোড়া উপহার দেওয়া হয় এছাড়া মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র তীর ধনুক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে।

মণিপাল হসপিটালস কলকাতায় রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ

মণিপাল হসপিটালস কলকাতায় রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ

মহম্মদ ইমরান,

আধুনিক চিকিৎসার নতুন দিগন্তকে সামনে রেখে মণিপাল হসপিটালস কলকাতা আজ আয়োজন করল একটি বিশেষ রোবোটিক সিমুলেশন ওয়ার্কশপ । চিকিৎসা, প্রযুক্তি এবং শিক্ষাক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীরা রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের অভিজ্ঞতা কাছ থেকে জানার সুযোগ পান। “The Future is Here – with Robotic Surgery at Manipal Hospitals” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে আধুনিক রোবোটিক প্রযুক্তি সার্জনদের আরও নিখুঁতভাবে জটিল অস্ত্রোপচার করতে সাহায্য করছে এবং বিভিন্ন বিভাগে রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত ভাষণ দেন ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর মণিপাল হসপিটাল ইস্ট। এরপর প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিকে সংবর্ধনা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর (ডা.) দিলীপ কুমার প্রতিহার, অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আইআইটি খড়্গপুর এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর (ডা.) সুশ্মিতা মিত্র।
রোবোটিক প্রযুক্তির চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার নিয়ে বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ডা. কুনাল সরকার, ডিরেক্টর – কার্ডিওভাসকুলার অ্যান্ড থোরাসিক সার্জারি, মণিপাল হসপিটাল, মুকুন্দপুর ক্লাস্টার, হৃদরোগ, বক্ষরোগ ও জেনারেল সার্জারিতে রোবোটিক সার্জারির ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। ডা. সৌরভ দত্ত, ডিরেক্টর – মণিপাল কমপ্রিহেনসিভ ক্যান্সার কেয়ার, মণিপাল হসপিটাল – মুকুন্দপুর, সল্ট লেক ও শিলিগুড়ি ক্লাস্টার, ক্যানসার অস্ত্রোপচারে রোবোটিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে বক্তব্য রাখেন। এছাড়াও অর্থোপেডিক্স নিয়ে ডা. বিকাশ কাপুর, ইউরোলজি ও ইউরো-অঙ্কোলজি নিয়ে ডা. অভয় কুমার এবং গাইনোকোলজি নিয়ে ডা. অরুণাভ রায় তাঁদের মতামত তুলে ধরেন।
এই অনুষ্ঠানে মণিপাল হসপিটাল সল্ট লেক ক্লাস্টার এর নতুন রোবোটিক সার্জনদের দলকেও পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এই দলে রয়েছেন ডা. দেবকুমার রায়, ডা. অভিনিবেশ চট্টোপাধ্যায়, ডা. অভিষেক ভৌমিক, ডা. পলি চট্টোপাধ্যায়, ডা. অরিজিৎ সিংহ মহাপাত্র এবং ডা. সুজয় চট্টোপাধ্যায়। তাঁরা বিভিন্ন বিভাগে রোবোটিক-সহায়ক অস্ত্রোপচারের নেতৃত্ব দেন।
নিজের বক্তব্যে প্রফেসর (ডা.) দিলীপ কুমার প্রতিহার বলেন, “রোবোটিক প্রযুক্তি এবং আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিং চিকিৎসা ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করছে। চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি, কীভাবে ভেলিস, দা ভিঞ্চি এক্সআই, রোসা এবং ম্যাকো -এর মতো রোবোটিক সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচারে আরও নিখুঁতভাবে কাজ করতে সাহায্য করছে। চিকিৎসা ও প্রযুক্তির এই মিল ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ, কম কষ্টের এবং রোগীকেন্দ্রিক চিকিৎসা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।”