সাম্প্রতিক
সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য খাতড়া শহরে।

সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য খাতড়া শহরে।

সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:-রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী তথা রানিবাঁধের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসের জ্যোৎস্না মাণ্ডির খাতড়া বাজারের পাম্প মোড়ে অবস্থিত বিধায়ক কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আজ শনিবার দুপুরে বিজেপির কর্মীসমর্থক সহ এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ওই বিধায়কূ কার্যালয়ের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন। তাদের দাবি, ভিতরে ঢুকে তারা বস্তা বস্তা সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, জামাকাপড়, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ ট্রাই সাইকেল সহ বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে পান। এছাড়াও একাধিক লাঠি, তরোয়াল, গর্ভনিরোধক প্যাকেটও অন্যান্য জিনিসপত্রও সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে তাদের দাবি।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বর্ষার মরশুমে বহু মানুষ একটি ত্রিপলের জন্য হাহাকার করছেন। অথচ সরকারি ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে ওই কার্যালয়ে মজুত করে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা সেখানে গিয়ে এই সামগ্রী উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার হওয়া সরকারি সামগ্রী ব্লক প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপভোক্তারা সেগুলির সুবিধা পান। বিজেপি নেতৃত্বের আরও অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক লাঠি বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং বিজেপি কর্মীদের মারধরের জন্য মজুত করে রাখা হয়েছিল।

স্থানীয় কয়েকজন মহিলার অভিযোগ, তারা একাধিকবার ত্রিপল, কম্বল সহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার জন্য আবেদন করলেও কিছুই পাননি বরবাদ মন্ত্রীর কাছে ত্রিপল চাইতে এসে বিনা হাতে ফিরে যেতে হয়েছে। অথচ আজ হাজার হাজার ত্রিপল উদ্ধার হচ্ছে তার গোডাউন থেকে। মানুষকে না দেওয়ার ফল ভোগ করতে হচ্ছে আজ।

ঘটনারখবর পেয়ে খাতড়ার এসডিপিও আকতার আলী সহ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এলাকায় ভিড় জমায় প্রচুর মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ঘটনার জেরে খাতড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এবিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডির সাথে ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি ফলে তার প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম বার্ষিকী পালন ।

ডাক্তার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্ম বার্ষিকী পালন ।


সঞ্জয় হালদার,

মহান শিক্ষাবিদ, প্রখ্যাত রাষ্ট্রনায়ক, ভারতীয় জনসংঘের প্রতিষ্ঠাতা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পবিত্র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আজ পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান বিধানসভার ধাদকা অঞ্চলের লতাপাড়া গ্রামে শ্রদ্ধার সঙ্গে তাঁর জন্মজয়ন্তী পালন করা হয়। যেখানে বহু মানবিক রক্তদাতাদের উৎসাহিত করতে এবং সড়ক নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাঁদের হাতে হেলমেট তুলে তুলে দেন মাননীয় বিধায়ক সেন বাসকে মহাশয়।
রক্তদান মানে জীবনদান আর হেলমেট মানে জীবনের সুরক্ষা। মানবসেবা ও জনসচেতনতার এই মহৎ উদ্যোগে অংশগ্রহণকারী সকল রক্তদাতা, আয়োজক এবং সহযোগীদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় বিধায়ক লব সেন বাসকে মহাশয় বান্দোয়ান ব্লকের বিডিও রুদ্রাসিস ব্যানার্জি, বিশিষ্ট সমাজসেবী কলেন্দ্রনাথ মান্ডি ও মানষ দত্ত এএসআই

ফুলবাগানে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন তাপস রায়….।

ফুলবাগানে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন তাপস রায়….।


গোপাল দেবনাথ : কলকাতা, সোমবার ৬ জুলাই ভারত কেশরী ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির ১২৫ তম জন্ম দিবস। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে এই দিনটি। এই রাজ্যে নতুন বি জে পি সরকার আসার পর এই দিনটি কে বিশেষভাবে মর্যাদা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকার সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। সারা রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে উদযাপিত হচ্ছে ভারত কেশরীর জন্মদিন। উত্তরপূর্ব কলকাতার বেলেঘাটা ফুলবাগানে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ইনস্টিটিউশন এর সামনে ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি’র ১২৫ তম জন্মদিবস উপলক্ষে ড. মুখার্জির আবক্ষ মূর্তির পুনঃ প্রতিষ্ঠা হল। এদিন সকালে অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত হয়ে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তি উদ্বোধন করলেন রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী মাননীয় শ্রী তাপস রায় সাথে ছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রাক্তন সদস্যা ড. শ্রীমতি অর্চনা মজুমদার। এই আবক্ষ মূর্তির পুনঃপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ছিলেন আয়োজক সংস্থা ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় স্মৃতি রক্ষা কমিটির সাধারণ সম্পাদক পাপ্পু তুরি, আহ্বায়ক জয়প্রকাশ প্রসাদ এবং পাপ্পু তুরি সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি ইনস্টিটিউশন ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

HILSA FESTIVAL AT THE DOCKYARD CO.

HILSA FESTIVAL AT THE DOCKYARD CO.

WHAT:
Hilsa Festival – A seasonal celebration dedicated to Bengal’s most cherished monsoon delicacy.

WHEN:
On till 31st July, 2026

WHERE:
The Dockyard Co.

ADDRESS:
Jetty 8, Indenture Memorial at Clock Tower, Garden Reach Rd, Andaman Dock, Kidderpore, Kolkata, West Bengal 700043

POCKET PINCH:
Items starting at INR 699

Monsoon in Bengal is incomplete without the arrival of the prized ilish, and The Dockyard Co. is celebrating the season with a specially curated Hilsa Festival that pays homage to this beloved fish. Rooted in tradition yet crafted with finesse, the festival brings together timeless Bengali recipes that evoke the warmth of home and the joy of sharing a wholesome meal with loved ones.

From the smoky, flavour-packed Ilish Macher Tel-Lanka and the delicately steamed Lau Patay Ilish Bhapa to the iconic Ilish Ullash simmered in a robust mustard gravy, every dish captures the true essence of Bengal’s culinary heritage. Guests can also relish comforting favourites like Kacha Ilish Macher Jhol Begun Diya, fragrant Ilish Polao, the richly flavoured Ilish’er Tel Jhal, the palate-cleansing Ilisher Tok, and the indulgent Ilish Thali, offering a complete Bengali feast on a platter. Whether you’re an ardent ilish lover or simply looking to savour the flavours of the season, this festival promises an authentic monsoon dining experience that is not to be missed.

‘নীলচক্র’ (পশ্চিমবঙ্গ) কর্তৃক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপনশ্যামাপ্রসাদ ছিলেন অবিভক্ত ভারতের ‘বিশ্বকর্মা’: স্বপন দাশগুপ্ত

‘নীলচক্র’ (পশ্চিমবঙ্গ) কর্তৃক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপন
শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন অবিভক্ত ভারতের ‘বিশ্বকর্মা’: স্বপন দাশগুপ্ত

কবিরুল ইসলাম (প্রতিনিধি): শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতের ‘বিশ্বকর্মা’ (স্থপতি বা নির্মাতা)। কলকাতার ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম অডিটোরিয়ামে ‘নীলচক্র’ আয়োজিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন স্বপন দাশগুপ্ত। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বকালে নীলচক্র (পশ্চিমবঙ্গ)-এর সভাপতি বাগ্মী লক্ষ্মীনারায়ণ মল্লিক মন্তব্য করেন যে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ সর্বদা দেশপ্রেম, সাহস ও আদর্শবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। উল্লেখ্য, মধুবাণু (মধুসূদন দাস) শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পিতা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের গৃহশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এসবিআই (SBI)-এর জেনারেল ম্যানেজার সূর্যনারায়ণ পানিগ্রাহী শ্যামাপ্রসাদকে জাতির এক অমূল্য রত্ন হিসেবে অভিহিত করেন। ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের অধিকর্তা ড. সায়ন ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদকে একজন জাতীয়তাবাদী জননেতা হিসেবে উল্লেখ করেন; তিনি মধুসূদন দাসের কথাও উল্লেখ করেন, যিনি ছিলেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের গৃহশিক্ষক। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের উপদেষ্টা ড. এস কে পট্টনায়েক বলেন যে, শ্যামাপ্রসাদের চিন্তাধারা ও চেতনা একটি নতুন ভারত গঠনে অবদান রেখেছিল।
নগরোন্নয়ন ও নগর পরিকল্পনা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী উমেশ রায় শ্যামাপ্রসাদকে বাংলার ‘পিতৃতুল্য ব্যক্তিত্ব’ বলে অভিহিত করেন। আয়কর বিভাগের ডেপুটি কমিশনার আশুতোষ কুমার সাহু বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; তিনি মন্তব্য করেন যে, শ্যামাপ্রসাদের দেশপ্রেম, সাহস ও আদর্শ এক নতুন মাত্রা স্থাপন করেছিল। সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রশাসক পুষ্কর তরাই অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং নীলচক্রের সম্পাদক শেষদাইয়াব সামাল ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। কার্যকরী সভাপতি মনমোহন নায়েক এবং রতিকান্ত সাহু, সুধীর কুমার গেডি, ব্রজ কিশোর দাস, হিমাংশু শেখর দাস, মানস রঞ্জন দাস, বিপিন বিহারী দাস, নিরঞ্জন সাহু ও সরোজ কুমার দাস মূল অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। মনশ্রী দাস একটি নৃত্য পরিবেশন করেন।

শেলির চরিত্রে বিশ্বমানের ফ্যাশন

শেলির চরিত্রে বিশ্বমানের ফ্যাশন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- জুলাই মাসে কবি পার্সি বিশি শেলির প্রয়াণবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর সাহিত্যকর্মের বিভিন্ন চরিত্রকে অনুপ্রেরণা হিসেবে নিয়ে এক বিশেষ ফ্যাশন পোর্টফোলিও শুট ও পোশাক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। নাট্যাভিনয়, ফ্যাশন ফটোশুট এবং সৃজনশীল উপস্থাপনার উপযোগী এই নতুন পোশাক সংগ্রহ দর্শকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে। এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন মডেল সহেলী পালিত, জয়ীতা বিশ্বাস, স্নেহা সাহা, অনন্যা দাস, অনিশা রায়, প্রিয়াঙ্কা ঘোষ, সুস্মিতা চৌধুরী, কবিতা সরকার, রিতা সরকার, ত্রিকা চক্রবর্তী এবং সায়ন্তনী মণ্ডল। তাঁদের সৃজনশীল রূপায়ণে সহযোগিতা করেন প্রসাধন শিল্পী পিউ সাহা, স্নেহা সিং, পরিণীতা মণ্ডল, নীপা সাহা, বিথী ঘোষ, সায়নী মজুমদার, সুপ্রিয়া সরকার, পাখি চ্যাটার্জী ও দিয়া মালিক।
অনুষ্ঠানের সার্বিক আয়োজনের দায়িত্বে ছিলেন ক্যাটরিনা ঘোষ। চিত্রগ্রহণ করেন অঙ্কন ব্যানার্জী এবং পোশাক পরিবেশনের দায়িত্বে ছিলেন মহানন্দা মাঝি। আয়োজকের মতে, এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাহিত্য, নাট্যশিল্প এবং ফ্যাশনের মধ্যে এক সৃজনশীল সেতুবন্ধন গড়ে তোলা। শেলির সাহিত্যচরিত্রকে আধুনিক পোশাক নকশায় রূপ দেওয়ার মাধ্যমে বাংলা ফ্যাশন পোর্টফোলিও শুটকে আন্তর্জাতিক মানের সৃজনশীলতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তোলার একটি ইতিবাচক প্রয়াস দেখা গেছে।সংশ্লিষ্টদের আশা, এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতে বাংলা ফ্যাশন ও নাট্যজগতের বিকাশে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচিতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

কনসেপ্টেই সৌন্দর্যের নতুন সংজ্ঞা: হাই-ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প শো

কনসেপ্টেই সৌন্দর্যের নতুন সংজ্ঞা: হাই-ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প শো

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- ফ্যাশন কেবল পোশাকের প্রদর্শনী নয়, বরং শিল্প, সৃজনশীলতা এবং ভাবনার এক শক্তিশালী প্রকাশ—এই বার্তাকেই সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হলো এক আন্তর্জাতিক মানের হাই-ফ্যাশন শুট ও র‍্যাম্প শো। আমরা পাঁচফোড়ন টিম এর কর্ণধার দিপীকা বিশ্বাস ও অনিমা খাতুনের উদ্যোগে আয়োজিত এই বিশেষ অনুষ্ঠানে আধুনিক ফ্যাশনকে উপস্থাপন করা হয় নান্দনিকতা ও কল্পনার এক অভিনব মেলবন্ধনে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন মডেল কেয়া পাল, দিপীকা সান্যাল, সম্পা দাস, রিয়া কটাল, পবন হালদার, আকাশ মিস্ত্রি, রিমা দত্ত, অনামিকা দাস, সুপর্ণা দত্ত, অনিরুদ্ধ রায় এবং কেয়া চ্যাটার্জী। তাঁদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি ও সাবলীল উপস্থাপনা প্রতিটি কনসেপ্টকে জীবন্ত করে তোলে। পুরো আয়োজনের প্রতিটি মুহূর্ত দক্ষতার সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি করেন চিত্রগ্রাহক বিশ্বজিৎ দাস। এই আয়োজনে মেকআপ ও স্টাইলিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন পাপিয়া মণ্ডল, মৌসুমি রায়চৌধুরী, শুভ্রা বিশ্বাস, তনুশ্রী কোলে, শ্রাবন্তী মোদক, সোমা মণ্ডল এবং অন্তরা বড়াল। তাঁদের সৃজনশীল স্পর্শে প্রতিটি চরিত্র ও কনসেপ্ট পেয়েছে স্বতন্ত্র পরিচয় মহানন্দা মাঝি ও রমা মালির অনবদ্য পোশাক পরিবেশনার মাধম্যে। ডেভিল, কাউবয়, সানফ্লাওয়ার-সহ একাধিক বৈচিত্র্যময় থিমে তৈরি করা হয় বিভিন্ন হাই-ফ্যাশন লুক। প্রতিটি লুকে ছিল একটি নির্দিষ্ট গল্প, আবহ এবং শিল্পভাবনার প্রকাশ। আলো, পোশাক, মেকআপ, হেয়ারস্টাইল, অভিব্যক্তি ও ফটোগ্রাফির সমন্বয়ে প্রতিটি ফ্রেম যেন হয়ে উঠেছে একেকটি শিল্পকর্ম। ফ্যাশন জগতে এখনও অনেকের ধারণা, হাই-ফ্যাশন মানেই সেমি-বোল্ড উপস্থাপনা। বাস্তবে এই ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক নয়। হাই-ফ্যাশনের মূল শক্তি নিহিত থাকে কনসেপ্ট, সৃজনশীলতা এবং ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিংয়ে। একটি চরিত্র, অনুভূতি, সামাজিক বার্তা কিংবা বিমূর্ত ভাবনাকে শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলাই হাই-ফ্যাশনের প্রধান উদ্দেশ্য। এখানে পোশাক কেবল একটি মাধ্যম; প্রকৃত আকর্ষণ তৈরি হয় শিল্পভাবনা, উপস্থাপনা ও নান্দনিক নির্মাণে। এই আয়োজন আবারও প্রমাণ করল, বাংলা ফ্যাশন অঙ্গন ধীরে ধীরে আন্তর্জাতিক মানের কনসেপ্টভিত্তিক কাজের দিকে এগিয়ে চলেছে। নতুন প্রজন্মের মডেল, প্রসাধন শিল্পী, স্টাইলিস্ট ও আলোকচিত্রীদের সম্মিলিত প্রয়াসে হাই-ফ্যাশন আজ শুধু গ্ল্যামারের পরিসরে সীমাবদ্ধ নয়; এটি হয়ে উঠছে সৃজনশীল শিল্পচর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।

পোশাকে ফুটল স্বপ্নের নতুন রং

পোশাকে ফুটল স্বপ্নের নতুন রং

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কোলকাতা:- : নবীন মডেলদের ফ্যাশন জগতে আত্মপ্রকাশের সুযোগ করে দিতে এবং তাঁদের পেশাদার পোর্টফোলিও তৈরির লক্ষ্যে এক বিশেষ ফ্যাশন ফটোশুট ও নতুন বুটিকের পোশাক উন্মোচনের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন তনুশ্রী মণ্ডল। এই আয়োজনে অংশ নেন মডেল অনন্যা পুরকাইত, দেবযানী সাউ, ভাবনা হাজরা, সুজাতা দত্ত, লিপিকা মিস্ত্রি, রূপা কুন্ডু, সংযুক্তা চৌবে, স্নেহা দাস, মৌমিতা ব্যানার্জী, রাজন্যা দত্ত, অতনু কুন্ডু ও অনামিকা দাস। প্রসাধনের দায়িত্বে ছিলেন পিঙ্কি সরদার, শ্রাবণী মাইতি, টুশি ধর, সৃজা দেশী, সাহিনা সালাহুদ্দিন, পৌলমী সাহা, প্রিয়শ্রী নায়েক, দিশা প্রামাণিক, ঋতু মণ্ডল, রুমা রায়, অনামিকা দাস ও অর্পিতা মুখার্জী। পোশাকের দায়িত্বে ছিল ‘ওয়ারড্রোব লাল্টু’ এবং সমগ্র ফটোশুট ক্যামেরাবন্দি করেন চিত্রগ্রাহক অঙ্কন ব্যানার্জী।আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে নবীন মডেলরা মানসম্মত পোর্টফোলিও তৈরির পাশাপাশি ভবিষ্যতে ফ্যাশন ও মডেলিং জগতে কাজের আরও বেশি সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে নতুন এই বুটিক সারা ভারতবর্ষে নিজেদের পোশাক সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে পথচলা শুরু করেছে।

Garden Cafe, Newtown Introduces an International-Standard Bakery

Garden Cafe, Newtown Introduces an International-Standard Bakery

Kolkata, 05th July, 2026: There is something comforting about the aroma of freshly baked cakes, warm brownies and handcrafted desserts—and Garden Cafe, Newtown has brought exactly that to the city with the launch of its new international-standard bakery, offering a thoughtfully curated selection of handcrafted bakes inspired by global techniques, premium ingredients and a passion for exceptional flavour.

Leading the bakery is Chef Bipasha Majumdar, whose experience across some of the world’s most acclaimed hospitality brands has shaped the offering. Having worked with renowned luxury properties in the Turks & Caicos, Dubai’s St. Regis Garden and Atlantis The Palm, Chef brings a refined understanding of artisanal baking, precision and presentation. Her contemporary approach combines international baking traditions with balanced flavours, giving every creation a distinct character while ensuring warmth, comfort and indulgence in every bite.

The bakery section features signature creations including the Milk Fudge Cake (Parsi Mawa Cake)—rich with slow-cooked milk fudge and aromatic notes; the Filter Coffee Cake, where the bold aroma of South Indian filter coffee is beautifully marbled with chocolate sponge; the silky Chocolate Mousse Box; the irresistible Caramel Biscoff Cup and the comforting Toasted Milk & Dulce Brownie.

For those looking to explore the chef’s signature creations, the collection includes The Coffee Bean—a luxurious combination of dark roast coffee mousse, hazelnut filling and coffee-soaked sponge encased in dark chocolate; the vibrant Black Velvet Tart with raspberry compote and cream cheese and a smooth New York-style Blueberry Cheesecake topped with blueberry compote.

Adding a live dessert experience, Garden Café, Newtown will also be serving freshly prepared Belgian Waffles in Vanilla, Chocolate and Red Velvet flavours, made to order for guests.

This World Chocolate Day, Garden Café, Newtown invites dessert lovers to discover a selection where every slice, spoonful and waffle has been thoughtfully baked to celebrate the joy of indulgence.

“Chocolate has a special way of bringing people together and creating sweet memories. On this World Chocolate Day, I invite you to celebrate with us at Garden Cafe Newtown Outlet” – Sandip Nowlakha, Founder, Garden Café .

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,বর্ধমান : মহিলাদের বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে নতুন দিশা দেখাচ্ছে ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড। দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ালো ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড।

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে একটি সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব বর্ধমানের বিজয়রামের সুষমা ম্যানশন লজে।

বর্ধমান ও বীরভূম জেলার কয়েকজন দুঃস্থ মাধ্যমিকে কৃতি পড়ুয়াদের কলারসিফের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র এবং প্রান্তিক মানুষকে সংঘবদ্ধ করে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন করা, সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। সদস্যদের একে অপরকে সহযোগিতা করা এবং যৌথভাবে সমস্যা সমাধানে উৎসাহিত করা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মহিলা থানার আইসি কবিতা দাস, বর্ধমান সাইবার শাখার অফিসার সুখেন্দু মোদক,ব্যাংক ম্যানেজার দিব্যেন্দু চ্যাটার্জী,ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর রাজ্যের জোনাল ম‍্যানেজার সৌম্যদীপ্ত দাস,ডিভিশনাল ম্যানেজার মানবেন্দ্র মালাকার,বর্ধমান এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার মনোতোষ রায়,বর্ধমান ব্রাঞ্চের প্রতিনিধি অলোক দাস,আকাশ ঘোষ সহ ব্রাঞ্চ-এর সকল কর্মীরা।

এই শিবিরে প্রায় ৩০০জন মহিলা হাজির হয়েছিল।
মহিলাদের স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছে এই কোম্পানি। এই কম্পানির থেকে লোন নিয়ে উপকৃত হয়েছে বেশকিছু মহিলাদের হাতে বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে আর্থিক বৃদ্ধির জন্যে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। কার্টুন ভিডিওর মাধ্যমে সচেতনতার বার্তাও তুলে ধরা হয়।

মহিলাদের ঋণের অ্যাক্সেস,বীমা,সঞ্চয় কর্মসূচি,ডিজিটাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা,ঋণ শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল ঋণ গ্রহণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর পাশাপাশি সাবাই প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বর্তমান সময়ে এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।