সাম্প্রতিক
কর্ডলাইফ ইন্ডিয়ার “সেভ দ্য সিবলিং” উদ্যোগে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত পরিবারে নতুন আশার আলো

কর্ডলাইফ ইন্ডিয়ার “সেভ দ্য সিবলিং” উদ্যোগে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত পরিবারে নতুন আশার আলো

থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য নতুন আশার দিগন্ত উন্মোচন করেছে কর্ডলাইফ ইন্ডিয়ার “সেভ দ্য সিবলিং” উদ্যোগ। কর্ডলাইফ ইন্ডিয়ার পরিকল্পনা ও সহায়তায় এই প্রকল্পটি ১৪ নভেম্বর ২০২২ সালে শুরু হয়, যার মূল লক্ষ্য ছিল গুরুতর থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের উন্নত স্টেম সেল চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনের সুযোগ করে দেওয়া।

এই উদ্যোগের অধীনে প্রথম সফল চিকিৎসার নজির স্থাপিত হয় ১৬ অক্টোবর ২০২৫ সালে। চিকিৎসার কেন্দ্রে ছিল সাত বছর বয়সী অক্ষয় সরকার ধ্রুব, যিনি Hb E Beta-Thalassemia-এ আক্রান্ত ছিলেন। শৈশব থেকেই তাকে বেঁচে থাকার জন্য নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের উপর নির্ভর করতে হতো। ফলে তার শরীরে অতিরিক্ত আয়রন জমে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হয়েছিল।

পরিবারের মধ্যে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায় এমন কোনো স্টেম সেল দাতা না পাওয়ায়, ডাঃ রাজীব আগরওয়াল ও তাঁর বিশেষজ্ঞ দলের তত্ত্বাবধানে উন্নত জেনেটিক পরীক্ষাসহ বিশেষ IVF পদ্ধতির আশ্রয় নেওয়া হয়। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয় যে নবজাতক শিশুটি হবে সম্পূর্ণ সুস্থ এবং বড় ভাইয়ের জন্য উপযুক্ত স্টেম সেল ম্যাচ।

পরবর্তীতে কন্যাসন্তান আরাধ্যার জন্মের পর তার নাভিরজ্জুর রক্ত (Cord Blood) থেকে সংগৃহীত স্টেম সেল কর্ডলাইফ ইন্ডিয়ার মাধ্যমে অত্যাধুনিক ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে সংরক্ষণ করা হয়। একই সঙ্গে শিশুটির মা, শ্রীমতী মাধবী রাণী, ডাঃ জয়দীপ চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন মেডিক্যাল টিমের তত্ত্বাবধানে হাফ-ম্যাচড (Half-Matched) ডোনার হিসেবে স্টেম সেল দান করেন।

এরপর চিকিৎসকরা মায়ের স্টেম সেল এবং নবজাতক বোনের কর্ড ব্লাড স্টেম সেল ব্যবহার করে যৌথ স্টেম সেল প্রতিস্থাপন (Combined Stem Cell Transplant) সম্পন্ন করেন। দীর্ঘ চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর অক্ষয় সম্পূর্ণভাবে সুস্থ হয়ে ওঠে। বর্তমানে তার আর নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের প্রয়োজন হয় না এবং সে স্থিতিশীল ও সুস্থ জীবনযাপন করছে।

কর্ডলাইফ ইন্ডিয়ার “সেভ দ্য সিবলিং” উদ্যোগের আওতায় IVF, কর্ড ব্লাড সংরক্ষণ এবং প্রতিস্থাপন-সংক্রান্ত ব্যয়ের একটি উল্লেখযোগ্য অংশে সহায়তা প্রদান করা হয়েছিল।

এই সাফল্য স্টেম সেল ব্যাংকিংয়ের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব এবং সংরক্ষিত কর্ড ব্লাডের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসায় সম্ভাবনাকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে এটি প্রমাণ করে যে, আজ নবজাতকের স্টেম সেল সংরক্ষণ ভবিষ্যতে পরিবারের জন্য এক অমূল্য জৈব সম্পদ হয়ে উঠতে পারে, যা প্রয়োজনে উন্নত চিকিৎসার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এনে দিতে সক্ষম।

গ্রীষ্মের রক্ত সংকট মোকাবিলায় দুর্গাপুরে এন এস এইচ এম নলেজ ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির, মানবিক উদ্যোগে সামিল শিক্ষক-শিক্ষার্থী

গ্রীষ্মের রক্ত সংকট মোকাবিলায় দুর্গাপুরে এন এস এইচ এম নলেজ ক্যাম্পাসে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির, মানবিক উদ্যোগে সামিল শিক্ষক-শিক্ষার্থী

গ্রীষ্মকালীন তীব্র তাপপ্রবাহের সময় রক্তের ঘাটতি যাতে কোনওভাবেই মানুষের চিকিৎসা পরিষেবাকে ব্যাহত না করে, সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই দুর্গাপুরের এন এস এইচ এম নলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হলো এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। মানবিক দায়বদ্ধতা ও সমাজসেবার বার্তা তুলে ধরে এই উদ্যোগে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ও ছাত্র-ছাত্রীরা।
শুধুমাত্র শিক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, সমাজের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাও যে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অন্যতম দায়িত্ব— সেই বার্তাকেই আরও একবার সামনে আনল এন এস এইচ এম নলেজ ক্যাম্পাস। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা এবং স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজের প্রতি আগ্রহ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা. ধীমান মণ্ডল এবং মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাশ্বতী দত্ত। আয়োজকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মেডিক্যাল টেকনোলজি, ল্যাব টেকনোলজি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও রেডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. অশোক কুমার সাঁতরা। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনএসএইচএম-এর চিফ অ্যাডভান্সমেন্ট অফিসার সন্দীপ ব্যানার্জি, এন এস এইচ এম ইনস্টিটিউট অফ ফার্মাসিউটিক্যাল টেকনোলজির প্রিন্সিপাল ডা. সৌভিক বসাক, ডায়েটেটিক্স অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. অনুরাধা মুখার্জি, এন এস এইচ এম ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং-এর প্রিন্সিপাল ডা. সান্তা দে এবং এন এস এইচ এম কলেজ অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজির প্রিন্সিপাল ডা. বিশ্বজিৎ মণ্ডল।
রক্তদাতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শিবিরটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ ও সহযোগিতা এই উদ্যোগকে আরও সফল করে তোলে। আয়োজকদের বক্তব্য, গ্রীষ্মকালে রক্তের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় প্রায়ই রক্ত সংকট দেখা দেয়। সেই পরিস্থিতিতে অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এই শিবিরের আয়োজন।
ভবিষ্যতেও এই ধরনের সমাজসেবামূলক ও মানবিক কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাওয়ার আশ্বাস দেন আয়োজকরা।

বিশ্ব সাইকেল দিবসে কাটোয়ায় বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি, সুস্থ ভারতের বার্তা

বিশ্ব সাইকেল দিবসে কাটোয়ায় বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি, সুস্থ ভারতের বার্তা


দেবার্ঘ্য ভট্টাচার্য্য: “সাইকেল চালান, সুস্থ ভারত গড়ে তুলুন”— এই বার্তাকে সামনে রেখে বিশ্ব সাইকেল দিবস উপলক্ষে কাটোয়ায় আয়োজিত হল এক বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি। মায় ভারত, পূর্ব বর্ধমান-এর সহযোগিতায় এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশন ও ক্রীড়া ভারতীর যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব যাতায়াতকে উৎসাহ দেওয়া এবং বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে সাইকেল চালানোর অভ্যাস গড়ে তোলাই ছিল এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
মঙ্গলবার সকালে কাটোয়ার ঘোষেশ্বরতলা মন্দির মাঠ থেকে সাইকেল র‍্যালির সূচনা হয়। র‍্যালিটি শহরের বারোয়ারিতলা, বড়বাজার, কাছারি রোড, সুবোধস্মৃতি সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ এলাকা পরিক্রমা করে পুনরায় মন্দির মাঠে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা সাইকেল চালানোর উপকারিতা এবং সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেন।
এই কর্মসূচিতে কাটোয়ার বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থার সদস্য, ক্রীড়াবিদ, যুবক-যুবতী এবং সাধারণ মানুষ মিলিয়ে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন। উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত এই র‍্যালি শহরবাসীর নজর কাড়ে।
বর্তমান প্রজন্মকে সাইকেল চালাতে উৎসাহিত করতে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়ার বিধায়ক কৃষ্ণ ঘোষ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মায় ভারত, পূর্ব বর্ধমান-এর প্রজেক্ট অফিসার সুজন ঠাকুর, ক্রীড়া ভারতী কাটোয়া নগরের কার্যবাহ সুরেশ সরকার, অনির্বাণ মিশ্র, পূর্ব বর্ধমান জেলা স্পোর্টস অ্যান্ড ফিজিক্যাল কালচার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সমর দাস, সভাপতি তারক চন্দ্র দে, জাতীয় ক্রীড়াবিদ অজয় কুমার মণ্ডল, কিশোর কুমার মালাকার-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
আয়োজকদের বক্তব্য, নিয়মিত সাইকেল চালানো যেমন শরীরকে সুস্থ রাখে, তেমনই পরিবেশ দূষণ কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সময়ে যখন প্রযুক্তিনির্ভর জীবনযাত্রার কারণে শারীরিক পরিশ্রম কমে যাচ্ছে, তখন সাইকেলকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে তোলার প্রয়োজনীয়তা আরও বেড়েছে। সেই বার্তাই বিশ্ব সাইকেল দিবসে কাটোয়ার এই র‍্যালির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।

রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তী উদযাপনে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তী উদযাপনে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

‘একদিন তরীখানা থেমেছিল এই ঘাটে লেগে’ – আজ থেকে ১৬৬ বছর আগে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম হয়েছিল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে। রবীন্দ্রচর্চা ও গবেষণায় নিবেদিত কলকাতার ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি তাদের রথীন্দ্রমঞ্চে মহাসমারোহে পালন করল কবির ১৬৬তম জন্মদিবস। প্রতিদিন সন্ধ্যায় কবিগুরুর প্রতি প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানিয়ে গত ৩১শে মে থেকে ৩রা জুন এই চারদিন ধরে চলে রবীন্দ্রজন্মজয়ন্তী পালন উৎসব। বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ববর্গের উজ্জ্বল উপস্থিতি সহ কবিপ্রসঙ্গ উল্লেখে তাঁদের জ্ঞানগর্ভ বক্তৃতা দান, রবীন্দ্রসংগীত, রবীন্দ্রকবিতা, নৃত্যালেখ্য, নৃত্যনাট্য ইত্যাদি পরিবেশনার মধ্য দিয়ে প্রতিটি সন্ধ্যা হয়ে ওঠে মনোজ্ঞ উৎসব মুখর। আমন্ত্রিত বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাহিত্যিক স্বপ্নময় চক্রবর্তী, নাট্যব্যক্তিত্ব সুরঞ্জনা দাশগুপ্ত, ড. পঙ্কজ কুমার রায়, অধ্যক্ষ যোগেশচন্দ্র চৌধুরী কলেজ, অধ্যাপক চিত্ত পান্ডা, বিচারপতি অসীম কুমার বন্দোপাধ্যায় প্রমুখ। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির তরফে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি বিচারপতি চিত্ততোষ মুখোপাধ্যায়, কার্যকরী সভাপতি ড. সুজিত কুমার বসু, বিচারপতি সৌমিত্র পাল, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, কোষাধ্যক্ষ গৌরাঙ্গ মিত্র, সহ-সম্পাদক রঞ্জিত কুমার নায়ক, কর্মপরিচালন সমিতির সদস্য ভাস্কর চন্দ্র চন্দ্র, সৌমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় ও ধীমান দাশ। প্রতি সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত অতিথিদের সম্মাননা জ্ঞাপনের পর স্বাগত ভাষণ দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। বিদগ্ধ ব্যক্তিত্ববর্গের ভাষণে ফুটে ওঠে রবীন্দ্রজীবন ও বিপুল কর্মের এক একটি দিক। প্রতিবারের মতো কবিপ্রণামে এককভাবে অংশগ্রহণ করার জন্য এবারে অডিশনের মাধ্যমে বেছে নেওয়া হয়েছে সেরা এক ঝাঁক নবীন সংগীত ও বাচিক শিল্পী এবং তাদের মঞ্চে পরিবেশনার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন দিনে গোষ্ঠীগত পরিবেশনায় ছিলেন সংগীত ড্যান্স ট্রুপ, পরিচালনায় অধ্যাপক জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়, সংগীত পরিবেশনায় ‘সাবর্ণিক’, পরিচালনায় ডা. শ্রীকুমার চট্টোপাধ্যায়, সমবেত আবৃত্তি পরিবেশনায় ‘ব্রততী পরম্পরা’, পরিচালনায় ব্রততী বন্দোপাধ্যায় ও ‘কথা বড়ানগর’ – পরিচালনায় সুদীপ্তা মুখার্জী। এককভাবে রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশনায় ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পী গৌতম মিত্র, অপালা বসু সেন, দেবাশীস রায়চৌধুরী, শিঞ্জিনী আচার্য মজুমদার, শিরিন সোরাইয়া, শ্রীকান্ত আচার্য, মনোজ মুরলী নায়ার, মনীষা মুরলী নায়ার, সুদেষ্ণা সান্যাল রুদ্র, অগ্নিভ বন্দোপাধ্যায়, মনোময় ভট্টাচার্য, স্বাগতালক্ষ্মী দাশগুপ্ত, দেবারতি সোম, শ্রেয়া গুহঠাকুরতা, অনুশীলা বসু, প্রদীপ দত্ত, দীপাবলী দত্ত, দেবমাল্য চ্যাটার্জী, আরাত্রিকা সিনহা, রচয়িতা রায়, পর্ণাভ বন্দোপাধ্যায়, অরিত্র দাশগুপ্ত, শ্রীপর্ণা চক্রবর্তী, কিংশুক রায়, অজন্তা চক্রবর্তী, পায়েল কর, শৌনক চট্টোপাধ্যায়, ডা. উৎসব দাস। একক আবৃত্তিতে ছিলেন রজত বন্দোপাধ্যায়, শোভনসুন্দর বসু, ব্রততী বন্দোপাধ্যায়, শর্বরী মুখার্জী, প্রবীর ব্রহ্মচারী, ঈশিতা দাস অধিকারী, স্বপন গাঙ্গুলি, কাজল সুর, মলি দেবনাথ, সুহৃদ দাস, দেবাশিস বসু, নন্দন সিংহ, কৃষ্ণকলি বসু নিয়োগী, ঝর্না বারুই। বিশ্বকবি রচিত ‘শেষের কবিতা’ উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত রূপদানে ছোট্ট শ্রুতিনাটক পরিবেশন করেন বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী ও মধুমিতা বসু। রবীন্দ্রভারতী সোসাইটির সদস্যদের পরিবেশনায় ছিল ‘রক্তকরবী’ নাটক অবলম্বনে আধারিত ছোট্ট মঞ্চনাটক ‘ঘুম ভাঙানিয়া’ – রচনা ও নির্দেশনায় রঞ্জনা মুখার্জী এবং নৃত্যনাট্য ‘শ্যামা’ – সংগীত পরিচালনায় শিপ্রা বসু, নৃত্য পরিচালনায় কৌশিক ঘোষ। এই চারদিনে অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মধুচ্ছন্দা তরফদার, সপ্তর্ষি রায়, মৌ গুহ, সুমিত চট্টোপাধ্যায়, নন্দিনী লাহা, শুভদীপ দে, প্রসেনজিৎ ঘটক ও মৌ ভট্টাচার্য। শ্রোতৃদর্শক পরিপূর্ণ প্রেক্ষাগৃহে প্রতিদিনের আয়োজন হয়ে ওঠে রুচিপূর্ণ শ্রুতিমধুর আনন্দমুখর। উৎসবের শেষলগ্নে সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী পালন আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

।। তৃণমূল নেতা বিকাশ মণ্ডল গ্রেপ্তার, সন্দেশখালিতে গেরুয়া আবিরে উৎসব মহিলাদের ।।

।। তৃণমূল নেতা বিকাশ মণ্ডল গ্রেপ্তার, সন্দেশখালিতে গেরুয়া আবিরে উৎসব মহিলাদের ।।

বসিরহাট : সন্দেশখালিতে তৃণমূলের জেলা পরিষদের সদস্য তথা শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিকাশ মণ্ডলের গ্রেপ্তারিকে কেন্দ্র করে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়লেন এলাকার বহু মহিলা। বুধবার সন্দেশখালি ১ নম্বর ব্লকের ন্যাজাট-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দেখা যায় এক ভিন্ন চিত্র। গেরুয়া আবির মেখে, একে অপরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এবং মিষ্টিমুখ করে আনন্দ প্রকাশ করেন তারা। বহু মহিলার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে অত্যাচার, ভয়ভীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগ তারা তুলে এসেছেন, সেই অভিযোগের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তারা স্বস্তি অনুভব করছেন।
স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ মানুষের উপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর একাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর, হামলা ও ভয় দেখানোর অভিযোগও উঠেছিল কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার বিরুদ্ধে। সেই ঘটনাগুলির তদন্ত ও বিচার দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি।
মহিলাদের অভিযোগ, বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নামে কাটমানি আদায়, সরকারি অর্থের অপব্যবহার এবং সাধারণ মানুষের প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার মতো অভিযোগ বহুবার সামনে এসেছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের অনেকগুলিই এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে বিচারাধীন বিষয়, তবুও বিকাশ মণ্ডলের গ্রেপ্তারিকে তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন।
এদিন এলাকার বহু মহিলা রাস্তায় নেমে দাবি করেন, শুধুমাত্র একজন বা দু’জনকে গ্রেপ্তার করলেই হবে না। ভোট-পরবর্তী হিংসা, দুর্নীতি এবং সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের অভিযোগে যেসব ব্যক্তি এখনও প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের কথায়, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষা করেছি। আজকের ঘটনা সেই লড়াইয়ের একটি বড় সাফল্য।”

।। টাকি পৌরসভায় দোকান বরাদ্দ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ব্যবসায়ীরা ।।

।। টাকি পৌরসভায় দোকান বরাদ্দ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ, ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ব্যবসায়ীরা ।।

বসিরহাট : টাকি পৌরসভার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হলেন একাধিক ব্যবসায়ী। দোকান ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নেওয়া হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দোকান না পাওয়া, নিম্নমানের নির্মাণ কাজ এবং অর্থ আত্মসাতের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পৌরসভার সামনে বিক্ষোভে সামিল হন ক্ষুব্ধ দোকানদাররা। ঘটনাকে ঘিরে টাকি ও হাসনাবাদ শহরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ, বসিরহাটের টাকি পৌরসভার হাসনাবাদ বাস স্ট‍্যান্ড বাজার এলাকায় ব্যবসায়ীদের জন্য দোকান ঘর বরাদ্দের আশ্বাস দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা সংগ্রহ করা হয়। ব্যবসায়ীদের দাবি, শাসকদলের একাধিক কাউন্সিলর এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অনেকের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা নেওয়া হলেও আজ পর্যন্ত তাদের নামে কোনও দোকান বরাদ্দ হয়নি।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, যারা দোকান পেয়েছেন তাদেরও অনেকেই সমস্যার মুখে পড়েছেন। বরাদ্দ হওয়া দোকানগুলির নির্মাণ মান অত্যন্ত খারাপ। মাত্র এক বছরের মধ্যেই বহু দোকানের দেওয়ালে ফাটল, ছাদের প্লাস্টার খসে পড়া এবং বিভিন্ন অংশে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা দিয়েছে। ফলে ব্যবসা চালাতে গিয়ে প্রতিনিয়ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাদের। এবিষয়ে ১৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উমা মন্ডলের দাবি, এই সমস্ত ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে যে অর্থ নেওয়া হয়েছে তার বড় অংশই পৌরসভার সরকারি খাতে জমা পড়েনি। বরং সেই টাকা ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করেছে ভাইস চেয়ারম্যান ফারুক গাজী, ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রদ্যুৎ দাস ও কাউন্সিলর মনোরঞ্জন পাত্র সহ একাধিক তৃণমূলের কাউন্সিলররা। এই অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন দোকানদাররা। তারা পৌরসভার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য, বহু কষ্টে উপার্জিত অর্থ দিয়ে তারা দোকান পাওয়ার আশায় টাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। কেউ দোকান পাননি, আবার কেউ নিম্নমানের দোকান পেয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছেন। তাই দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সমস্ত আর্থিক লেনদেনের হিসাব প্রকাশ করার দাবি তুলেছেন তারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোরও শুরু হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পে স্বজনপোষণ ও আর্থিক অনিয়ম চললেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। অন্যদিকে টাকি পৌরসভার ১৪নং ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুনীল সর্দার বলেন, “ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অনেকটাই সত্যি। তাদের সাথে অন্যায় হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনভাবেই জড়িত নই। টাকি পৌরসভার ২ কাউন্সিলর প্রদ্যুৎ দাস ও মনোরঞ্জন পাত্রের নেতৃত্বেই এই ঘটনা ঘটেছে। তারা বাহুবাল ব্যবহার করে দোকান গুলি নিয়ে দুর্নীতি করেছেন।” অপরদিকে টাকি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রদ্যুত দাস বলেন, “পৌরসভার যে কোনো কাজ করতে গেলে চেয়ারম্যান বা ভাইস চেয়ারম্যানের অনুমতি ছাড়া তা করা সম্ভব হয় না। হকার উচ্ছেদ করে তাদের পুনর্বাসন দেওয়ার জন্য নিয়ম মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল পৌরসভার পক্ষ থেকে‌। সেই খাতা মেইনটেইন করার দায়িত্ব ছিল ইও, ফিন্যান্স ডিপার্টমেন্ট ও চেয়ারম্যানের। অথচ দেখা গিয়েছে বোর্ড অফ কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়াই খাতায় হোয়াইটনার ব‍্যবহার করে এই সমস্ত কান্ড ঘটানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
দোকানদারদের দাবি, অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে এবং যারা আর্থিকভাবে প্রতারিত হয়েছেন তাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সঙ্গে নিম্নমানের নির্মাণ কাজের জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে। ব্যবসায়ীদের হুঁশিয়ারি, দ্রুত ব্যবস্থা না হলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা। সব মিলিয়ে বলা যায় দুর্নীতির দায় এড়ানোর জন্য টাকি পৌরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরাই নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু করে দিয়েছে।

জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)-এর তৃতীয় আসর মাঠে নামার অপেক্ষায়

জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)-এর তৃতীয় আসর মাঠে নামার অপেক্ষায়

মোল্লা জসিমউদ্দিন,
কলকাতার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ছাত্র ও প্রাক্তন ছাত্রদের সকার লিগ—জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)—এর তৃতীয় আসর শুরুর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হলো। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (স্বশাসিত), কলকাতার ক্রীড়া বিভাগের সহযোগিতায় সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (কলকাতা) প্রাক্তন ছাত্র সমিতি (SXCCAA) মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণা দেয়। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (স্বশাসিত)-এর ফাদার ডি’সুজা হলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিগের দলসমূহ, তারকা খেলোয়াড় এবং একটি বৃহত্তর ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের রূপরেখা গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরা হয়।লিগের তারিখ: ৬ ও ৭ জুন, ২০২৬ (শনিবার ও রবিবার); স্থান: সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ মাঠ।দুটি রোমাঞ্চকর আসর সফলভাবে সম্পন্ন করার পর, জেভেরিয়ান সকার লিগ (XSL)-এর তৃতীয় আসরটি এখন কলকাতার প্রাক্তন ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত অন্যতম প্রাণবন্ত ফুটবল উদ্যোগে পরিণত হয়েছে। এই লিগ বিশিষ্ট প্রাক্তন ছাত্র, কর্পোরেট জগতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব, কিংবদন্তি ফুটবলার, বর্তমান ছাত্রছাত্রী এবং ক্রীড়াপ্রেমীদের একটি অভিন্ন মঞ্চে একত্রিত করে; যেখানে উদ্‌যাপিত হয় ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং জেভেরিয়ান ঐতিহ্যের চিরন্তন চেতনা।XSL-এর তৃতীয় আসরে অংশগ্রহণকারী আটটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এই প্রতিযোগিতায় তারকা দ্যুতি ও পেশাদার ফুটবলের আভিজাত্য যুক্ত করেছে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিই তাদের দলের জন্য একজন করে ‘মারকি প্লেয়ার’ (প্রধান তারকা খেলোয়াড়) নিশ্চিত করেছে, যাঁদের তালিকা নিচে দেওয়া হলো- ‘চাইনিজ চেকার্স’-এর মালিক দেবাদিত্য চৌধুরী, মারকি প্লেয়ার হিসেবে রয়েছেন মেহতাব হোসেন; ‘ডিজিটাল স্ট্রাইকার্স’-এর মালিক সুনীল আগরওয়াল, মারকি প্লেয়ার আলভিতো ডি’কুনহা; ‘IIHM টাইগার্স’-এর মালিক ড. সুবর্ণ বোস, মারকি প্লেয়ার অর্ণব মণ্ডল; ‘BTL ব্লাস্টার্স’-এর মালিক রবি তোদি, মারকি প্লেয়ার অসীম বিশ্বাস; ‘ফরচুন স্ট্রাইকার্স’-এর যৌথ মালিক অলোক শ্রীবাস্তব ও অরুণ শ্রীবাস্তব, মারকি প্লেয়ার মহম্মদ রফিক; ‘ক্রেডো অ্যাক্সিলারেট’-এর মালিক সুদেশনা রায় চৌধুরী, মারকি প্লেয়ার মেহরাজউদ্দিন ওয়াডু; ‘জেভেরিয়ান টাইগার্স’-এর মালিক ফয়সাল হক, মারকি প্লেয়ার সৈয়দ রহিম নবী; এবং ‘ওয়ারিয়র্স’-এর যৌথ মালিক অতনু মালিক ও সর্বাণী মালিক, মারকি প্লেয়ার দীপঙ্কর রায়। এই কৃতী ফুটবলারদের উপস্থিতি টুর্নামেন্টের গুণমান ও প্রতিযোগিতামূলকতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে; পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী খেলোয়াড়দের জন্য তাঁরা অমূল্য পরামর্শদাতা হিসেবেও কাজ করবেন।গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের (স্বশাসিত), কলকাতা অধ্যক্ষ এবং SXCCAA-এর সভাপতি রেভারেন্ড ড. ডমিনিক সাভিও, SJ বলেন: “জেভিয়ারিয়ান সকার লিগ সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের মূল মূল্যবোধ—নেতৃত্ব, দলগত কাজ, শৃঙ্খলা, অন্তর্ভুক্তিমূলকতা এবং উৎকর্ষের—মূর্ত প্রতীক। খেলাধুলার মাধ্যমে, এবং বিশেষ করে আমাদের রাজ্যের এই সর্বাধিক জনপ্রিয় খেলাটির মাধ্যমে, আমরা জেভিয়ারিয়ানদের বিভিন্ন প্রজন্মের মধ্যে বন্ধন সুদৃঢ় করে চলেছি; একইসাথে আমরা অর্থবহ অংশগ্রহণ এবং সম্প্রদায় গঠনের সুযোগও তৈরি করছি। এই লিগটি যে আজ একটি মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়ামঞ্চ হিসেবে বিকশিত হচ্ছে—যা তরুণদের অনুপ্রাণিত করে এবং আমাদের প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের (অ্যালুমনি) এক অনন্য উপায়ে একত্রিত করে—তা প্রত্যক্ষ করা সত্যিই অত্যন্ত আনন্দদায়ক।”কেবল একটি সকার টুর্নামেন্টের চেয়েও বেশি কিছু হিসেবে, জেভিয়ারিয়ান সকার লিগ আজ একটি অনন্য ক্রীড়া ও নেটওয়ার্কিং মঞ্চ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে, যা শারীরিক সুস্থতা, সৌহার্দ্য এবং সামাজিক সম্পৃক্ততাকে উৎসাহিত করে। ফুটবলের প্রতি গভীর আবেগ এবং জেভিয়ারিয়ান প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদের শক্তিশালী নেটওয়ার্কের সংমিশ্রণ ঘটিয়ে, এই লিগটি প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, বর্তমান শিক্ষার্থী, কর্পোরেট জগতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্ব এবং ক্রীড়া জগতের কিংবদন্তিদের পারস্পরিক মতবিনিময়ের জন্য অর্থবহ সুযোগ সৃষ্টি করে চলেছে। সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ (কলকাতা) প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী সমিতির (SXCCAA) সাম্মানিক সম্পাদক সঞ্জীব কোনার এই প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন:”XSL-এর তৃতীয় মরশুম (Season 3) আরও অধিক পেশাদারিত্ব এবং সৌহার্দ্যের প্রতিশ্রুতি নিয়ে হাজির হয়েছে। সকার বা ফুটবল খেলার প্রচারের গণ্ডি পেরিয়ে, আমাদের মূল লক্ষ্য হলো আজীবন অটুট থাকে এমন পারস্পরিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন জনহিতকর উদ্যোগের মাধ্যমে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া ফুটবলারদের পাশে দাঁড়ানো।”

Mother Dairy Unveils India’s FIRST Naturally Degradable Milk Pouch in Soil

Mother Dairy Unveils India’s FIRST Naturally Degradable Milk Pouch in Soil

• This is a first-of-its-kind milk packaging, that transforms into bioavailable wax, which is naturally broken down by microbes present in the soil to turn it into natural elements.

• Mother Dairy will introduce this packaging innovation through its famed Cow Milk variant in Delhi NCR, which will also feature a refreshed pack design, starting World Environment Day (June 5, 2026) onwards.

June 02, 2026: Mother Dairy, India’s beloved milk and milk products major and a wholly owned subsidiary of National Dairy Development Board (NDDB), today unveiled India’s FIRST naturally degradable milk pouch in soil, reinforcing its long-standing commitment to sustainability and environmental stewardship. The company will introduce this packaging innovation through its famed Cow Milk variant in Delhi NCR, which will also feature a refreshed pack design, beginning World Environment Day (June 5, 2026).

Mother Dairy’s new milk pouch uses a first-of-its-kind degradable packaging innovation that enables the material to transform into bioavailable wax, which is naturally broken down by microbes present in the soil to turn it into natural elements.

Unveiling the new packaging innovation, Dr. Meenesh Shah, Chairman, National Dairy Development Board and Mother Dairy, said, “As the world’s largest milk producer, India’s dairy sector stands as a true testament to scale, inclusivity and responsibility. It is one of the few sectors where sustainability is intrinsically linked across the entire value chain. Mother Dairy’s mission extends beyond dairy. It is committed to enriching lives through nutrition and to safeguarding the planet with a sense of commitment and care. The launch of India’s first naturally degradable milk pouch by Mother Dairy is yet another milestone reflecting the sector’s continued ability to lead and set new benchmarks, while remaining committed to a future-ready and sustainable ecosystem. The newly introduced packaging is designed to naturally degrade in soil within a few years rather than centuries, and importantly, this transition is being undertaken without any impact on consumer milk prices.”

This packaging innovation has been designed to ensure a seamless consumer experience, with no changes required in the way consumers store, handle or dispose of the milk pouch. Importantly, the new packaging will have no impact on the milk’s quality, shelf life, or taste, while continuing to offer the same trusted goodness that consumers associate with Mother Dairy.

Talking about the initiative, Mr. Jayatheertha Chary, Managing Director, Mother Dairy, added, “For over five decades, Mother Dairy has remained at the forefront of innovation in the dairy sector. Driven by this commitment, we undertook over four years of research to develop a naturally degradable milk pouch that leaves no trace of plastics in the environment. While these milk pouches will continue to remain recyclable, the key differentiator lies in their ability to degrade into natural elements, thereby helping address the challenge of fugitive plastic and contributing towards a cleaner ecosystem. We are delighted to introduce this pioneering packaging innovation through our famed Cow Milk variant, which will also feature a refreshed pack design as it marks a decade of trust and goodness.”

Alongside this pioneering packaging innovation, Mother Dairy is also introducing a refreshed design language for its milk portfolio. Central to the packaging refresh – which begins with Mother Dairy’s famed Cow Milk variant – is the ‘Note of Care’, a distinctive brand device inspired by the brand’s iconic logo, bringing alive the promise of Maa Jaisi care through relatable everyday expressions – whether it is a reminder to “drink your milk” or a gentle nudge to “get home safe” – in a fun, fresh and contemporary manner, reflecting Mother Dairy’s warmth and affection. Complementing the holding structure, the refreshed packaging design also introduces cleaner typography and brighter visual tones, creating a more modern and cohesive brand identity. Going forward, the new design system will unify the brand’s entire milk portfolio under a cohesive ‘Mother Dairy’ look, enhancing recall and brand equity.

Horlicks taps into India’s booming RTD market with new Milkshake for Gen Z

Horlicks taps into India’s booming RTD market with new Milkshake for Gen Z

Kolkata, June 2, 2026: Hindustan Unilever Limited (HUL) has launched Horlicks Milkshake, expanding the iconic brand into the rapidly growing Ready-to-Drink (RTD) nutrition category. Tailored for Gen Z consumers seeking convenience, taste and smarter choices, the new offering combines the trusted goodness of Horlicks with a chilled, ready-to-drink format.

Available in three indulgent flavours—Classic Malt, Chocolate and Kesar Badam—Horlicks Milkshake is enriched with 10 key nutrients, including zinc and essential vitamins, and contains 40% less total sugars*. Priced at just ₹20, it offers an accessible option for consumers looking to balance enjoyment with mindful nutrition.

The launch is backed by a new integrated campaign, “No Guilty, Only Pleasure,” celebrating a generation that wants the freedom to enjoy everyday moments without compromise. Through a youthful and relatable narrative, the campaign positions Horlicks Milkshake as the perfect companion for busy lifestyles—whether during commutes, work breaks, college hangouts or evening cravings.

Commenting on the launch, Rajneet Kohli, Executive Director, Foods and Refreshment, Hindustan Unilever Limited, said, “The Ready-to-Drink category is evolving rapidly, driven by Gen Z consumers seeking convenience, taste and more mindful choices in formats that fit seamlessly into their lifestyles. Earlier this year, we expanded Boost Ready-to-Drink nationally with our Classic, Caramel and Badam variants, strengthening our presence in the RTD segment. With Horlicks Milkshake, we are further expanding our foray into the overall RTD category by bringing the trusted nutrition of Horlicks into the chilled RTD space. The offering combines great taste, convenience and more mindful nutrition credentials in a format that is culturally relevant, accessible and designed for today’s generation.”

The new Horlicks Milkshake is now available across retail outlets and selected online platforms across India.

বাংলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন ধারার কাজ করে চলা ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে অভিষিক্তা কালচারাল ইউনিট ও ইনার আই আয়োজন করতে চলেছে — “বঙ্গ শিরোপা সম্মান ২০২৬”


বাংলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন ধারার কাজ করে চলা ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করতে অভিষিক্তা কালচারাল ইউনিট ও ইনার আই আয়োজন করতে চলেছে — “বঙ্গ শিরোপা সম্মান ২০২৬”


১ জুন, ২০২৬, কলকাতা প্রেস ক্লাব —

শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজকল্যাণ, মানবকল্যাণ, সাহিত্য, সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা, চিত্রকলা ভাস্কর্য ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলার বহু মানুষ নিবিষ্ট সাক্ষর রেখে চলেছেন। আমাদের চারপাশে এমন বহু ব্যক্তিত্ব আছেন, যারা বহু প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সাফল্যের শিখর ছুঁয়ে আজ নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বমহিমায় সুপ্রতিষ্ঠিত। এই সব মানুষদের স্বীকৃতি দিতেই অভিষিক্তা কালচারাল ইউনিট ও ইনার আই আয়োজন করতে চলেছে — “বঙ্গ শিরোপা সম্মান ২০২৬”
আগামী ১৪ জুন, ২০২৬, ফণীভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চ, বাগবাজার, কলকাতায় সমাজের সেই সব সবিশেষ ব্যক্তিত্বদের অন্বেষণ করে এই সম্মানে ভূষিত ও পুরস্কৃত করা হচ্ছে।
এই উপলক্ষ্যে ১ জুন, ২০২৬ কলকাতা প্রেস ক্লাবে অভিষিক্তা কালচারাল ইউনিট ও ইনার আই আয়োজন করেছে এক সাংবাদিক সম্মেলনের। সেখানে বিশিষ্ট অতিথি মাননীয় ড. পবিত্র সরকারের উপস্থিতিতে উদ্বোধন হল “বঙ্গ শিরোপা সম্মান ২০২৬” —এই সম্মাননা অনুষ্ঠানের। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এই সম্মানে সম্মানিত হবেন যাঁরা, সেই বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। তাঁদের পরিচয় পর্বের পাশাপাশি এই দিন উন্মোচিত হল তাঁদের সাফল্যের পেছনের কাহিনী নিয়ে লেখা “সাফল্যের সাতকাহন” বইয়ের প্রচ্ছদ। এই বই প্রকাশিত হবে ১৪ জুন ২০২৬ মূল সম্মাননা অনুষ্ঠানের দিন। সেদিনও উপস্থিত থাকবেন বাংলার বিভিন্ন ক্ষেত্রের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।