সাম্প্রতিক
নন্দনে কৃষ্টি ক্রিয়েশান নিবেদিত ও পাপিয়া অধিকারী অভিনীত নবদুর্গার বিশেষ প্রদর্শনী হয়ে গেলো মহা সমারোহে

নন্দনে কৃষ্টি ক্রিয়েশান নিবেদিত ও পাপিয়া অধিকারী অভিনীত নবদুর্গার বিশেষ প্রদর্শনী হয়ে গেলো মহা সমারোহে


ইন্দ্রজিৎ আইচ,

“নবদূর্গা মাতৃরূপেন সংস্থিতা”
স্বর্গ, মর্ত, পাতাল কোথাও শান্তি নেই। সকলেই হিংসা ঈর্ষায় জর্জরিত। মহামুনি মার্কেন্ডেও সর্বত্র শান্তি স্থাপনের জন্য সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কাছে যান, সবিস্তারে বর্ণনা করেন। দেবতা, জীব, উদ্ভিদ, মানব কিভাবে এই বিষম বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন তার উপায় বলতে বলেন। ব্রহ্মদেব বলেন এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে নবদূর্গা নবরাত্রি ব্রত পালন করতে। মহামুনি সবিস্তারে বর্ণনা করতে বলেন। আশ্বিনের শুক্লা পতিপদ তিথি থেকে নবমী পর্যন্ত দেবী চণ্ডিকা নয়টি রূপ ধারণ করেন। দেবী পার্বতীর এই নয়টি রূপ বৈচিত্রময়। শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মন্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী, সিদ্ধিদাত্রী দেবী এই নয়টি রূপে বিভিন্ন সময়ে আবির্ভূতা হন। কখনো সংহাররূপিনী অসুরনাশিনী, আবার কন্যারূপিনী মাতৃরূপিনী, আবার তিনিই আদি সনাতনী।
সর্বত্র বর্ণিত পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে “নবদূর্গা মাতৃরূপেন সংস্থিতা”।
এই ছবির চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনা সত্যব্রত । নবদুর্গা ছবির
প্রযোজক কৃষ্টি ক্রিয়েশন।
গতকাল ২৪ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার দুপুর ২ টোয়
নন্দন ৩ এ নব দুর্গার বিশেষ প্রদর্শিত হয়ে গেলো।
“কৃষ্টি ক্রিয়েশন” এর নবতম প্রযোজনা “নবদুর্গা মাতৃরূপেণ সংস্থিতা” সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন এই ছবির প্রধান অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী।
দেবী দুর্গার নাম ভূমিকায় আছেন টালিগঞ্জের বিধায়িকা
বিশিষ্ট অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। ছবির সংগীত পরিচালনা কুন্দন সাহা ও শ্বেতা গুপ্ত । গীতিকার
দেব প্রসাদ চক্রবর্তী, ছবির চিত্র পরিচালক সত্যব্রত সহ ছবির সকল কলাকুশলীরা এইদিন নন্দনে উপস্থিত ছিলেন । সকল অতিথির হাতে নবদুর্গার স্বারক তুলে দেন ছবির প্রযোজক ও কৃষ্টি ক্রিয়েশন এর কর্ণধার শ্বেতা গুপ্তা। এই ছবির কণ্ঠশিল্পীরা হলেন
ভজন সম্রাট অনুপ জলোটা, পণ্ডিত তুষার দত্ত, রিয়া ও নীলিমা। স্তোত্র পাঠ
করেছেন শুভ দাশগুপ্ত, অর্পণ কুমার শর্মা, নিবেদিতা সেন, বিল্লদল চট্টোপাধ্যায়। কৃষ্টি ক্রিয়েশন প্রযোজিত ” নব দুর্গা ” সকল দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে।

তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস মন্ত্রীর

তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রকে সম্পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস মন্ত্রীর

মুকুটমণিপুর: আদিবাসীদের উন্নয়নে সমস্ত রকম সহযোগিতা করবে রাজ্যের নতুন সরকার। রবিবার মুকুট মণিপুরের কংসাবতী ভবনে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডুর সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রের সম্পাদক সৌমেন কোলে। বৈঠকে সংস্থার আগামী দিনের কার্যপ্রণালী নিয়ে আলোচনা হয়।

কেন্দ্রীয় সরকারের নানা প্রকল্পের কাজ তপশিলি জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্রের মাধ্যমে করানোর নির্দেশ দেয়। গত ১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে। সংস্থার সঙ্গে কোনরকম সহযোগিতা করেনি। ফলে সংস্থার কর্মীরা কর্মহীন হয়ে পড়ে। বর্তমানে রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্র সরকারের নানা রকম কাজের পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন আদিবাসী উন্নয়নমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু মহাশয়।সেই ব্যাপারে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন আদিবাসী উন্নয়ন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।‌
রবিবারের এই বৈঠকের ফলে সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের দীর্ঘ লড়াই আশার আলো দেখতে পাবেন বলে জানালেন সংস্থা সম্পাদক সৌমেন কোলে। তিনি বলেন, ‘এবার কর্মীরা দ্বিগুণ উৎসাহ নিয়ে কাজ করবেন। গত ১৫ বছর নবান্নের বিভিন্ন দপ্তরে দিল্লি থেকে চিঠি এলেও তৃণমূল সরকার কোনো গুরুত্ব দেয়নি। যেহেতু অনেক পুরানো কাজের নির্দেশ রয়েছে তাই সংস্থার তরফে বর্তমান সরকারের সঙ্গে কাজ করতে কোন বাধা রইল না।’

কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করল অত্যাধুনিক ১০ শয্যাবিশিষ্ট রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট (RCU)।

উন্নত পালমোনারি (ফুসফুসজনিত) ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করে আজ কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করল অত্যাধুনিক ১০ শয্যাবিশিষ্ট রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট (RCU)

শুভ উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে এই নতুন ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়। নতুন সূচনা, আরোগ্য এবং তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য নতুন আশার প্রতীক হিসেবে এই বিশেষ দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
অত্যাধুনিক এই ইউনিটটি গড়ে উঠেছে তিনজন বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট—ডা. শুভঙ্কর চক্রবর্তী, ডা. দেবপ্রসাদ দাস এবং ডা. ঋক্সোম চ্যাটার্জির দক্ষ নেতৃত্বে। তাঁদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ও দূরদৃষ্টির লক্ষ্য হল নিবিড় পরিচর্যা (Critical Care) এবং সাধারণ শ্বাসতন্ত্রের চিকিৎসার মধ্যে বিদ্যমান ব্যবধান দূর করে জটিল ফুসফুসজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিশেষায়িত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা।
হাসপাতালের চিফ অব মেডিক্যাল সার্ভিসেস ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য এবং হেড অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার ডা. রিমিতা দে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতে কেটে এই ইউনিটের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, চিকিৎসা পরিষেবার উৎকর্ষ সাধনে রুবি জেনারেল হাসপাতাল সর্বদাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন এই রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট সাধারণ আইসিইউ-এর ওপর চাপ অনেকটাই কমাবে এবং রোগীদের জন্য আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
ডা. রিমিতা দে বলেন, পালমোনোলজি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ারের মধ্যে সমন্বয় বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশেষায়িত ইউনিটে উন্নত *নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন, *হাই-ফ্লো ন্যাজাল অক্সিজেন থেরাপি এবং অত্যাধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে, যা শ্বাসতন্ত্রজনিত জরুরি পরিস্থিতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম।
ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি দলের সদস্য ডা. শুভঙ্কর চক্রবর্তী, ডা. দেবপ্রসাদ দাস এবং ডা. ঋক্সোম চ্যাটার্জি জানান, উন্নত রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা পরিষেবা—যেমন *ব্রঙ্কোস্কোপি, *ইবাস (EBUS) এবং থোরাকোস্কোপি—এখন আরও দ্রুত সেইসব রোগীর কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে, যাঁদের অবিলম্বে শ্বাসতন্ত্রের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।
রোগ নির্ণয়কে আরও নির্ভুল ও দ্রুত করতে এই ইউনিটে পয়েন্ট-অফ-কেয়ার আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (POCUS) এবং লাং আল্ট্রাসাউন্ড-এর বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, জটিল শ্বাসনালীজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক জরুরি পরিষেবা। এর মধ্যে রয়েছে *ডিফিকাল্ট এয়ারওয়ে ম্যানেজমেন্ট, **রিজিড ব্রঙ্কোস্কোপি, **বিদেশি বস্তু (Foreign Body) অপসারণ, **রক্তের জমাট (Clot) অপসারণ, **ব্যালুন ট্যাম্পোনেড, **এয়ারওয়ে স্টেন্টিং, *জরুরি ট্র্যাকিওস্টোমি এবং ম্যাসিভ হেমোপ্টাইসিস (অতিরিক্ত রক্তকাশি)-এর উন্নত চিকিৎসা-সহ একাধিক জীবনরক্ষাকারী ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি পরিষেবা। এই সমস্ত পরিষেবা ২৪ ঘণ্টা উপলব্ধ থাকবে বিশেষজ্ঞ পালমোনোলজিস্ট, অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট এবং প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত দলের মাধ্যমে।
এই পবিত্র দিনে ১০ শয্যাবিশিষ্ট রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট চালুর মাধ্যমে রুবি জেনারেল হাসপাতাল আবারও প্রমাণ করল যে, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে তারা অগ্রণী। এই নতুন উদ্যোগের ফলে কলকাতা ও পূর্ব ভারতের মানুষ একই ছাদের নিচে বিশ্বমানের ফুসফুসজনিত চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।
সমাজের কল্যাণে আমাদের এই উদ্যোগকে আপনাদের সম্মানিত সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে আপনাদের মূল্যবান সহযোগিতা ও সমর্থন একান্তভাবে কাম্য।
ধন্যবাদান্তে

কালনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

কালনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

দীপঙ্কর চক্রবর্ত্তী– কালনা ও পূর্বস্হলী

কালনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে শুক্রবার কালনা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ব উষ্ণায়নের প্রভাব মোকাবিলা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার লক্ষ্যে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এদিন কালনা মহকুমা হাসপাতাল চত্বরে বিভিন্ন স্থানে ফল, ফুল ও অন্যান্য গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি পূর্বস্থলী থানাতেও পূর্বস্থলী থানার পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। কালনা মহকুমা হাসপাতালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার গৌতম বিশ্বাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী স্বাগতা কর্মকার, কালনা প্রেস ক্লাবের সদস্য-সদস্যাবৃন্দ এবং এলাকার অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। উপস্থিত অতিথিরা পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলতে সকলকে আরও বেশি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

প্রমাণ ঢাকতে দোকানের সিসিটিভির হার্ডডিক্স নিয়ে গেল চোরেরা।

, প্রমাণ ঢাকতে দোকানের সিসিটিভির হার্ডডিক্স নিয়ে গেল চোরেরা।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের আলিনগরে বাদশাহী রাস্তার ধারে রয়েছে একটি আরত।
গত শুক্রবার ভোররাত্রে সেই দোকানে চুরির ঘটনা ঘটে বলে দাবি ব্যবসায়ী কবিরুল ইসলাম সেখের।তিনি জানান চোরেরা তার দোকানে বিভিন্ন মালপত্র চুরি করেছে পাশাপাশি প্রমাণ ঢাকার জন্য তার দোকানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরা সহ হার্ডডিস্ক চুরি করে নিয়ে গেছে। আনুমানিক প্রায় 50000 টাকার জিনিস চুরি গেছে বলে তিনি জানান।
তিনি আরও জানান এ বিষয়ে ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ করবেন।

ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য। ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

তুহীনা প্রকাশনীর পুস্তক প্রকাশ অনুষ্ঠান।

তুহীনা প্রকাশনীর পুস্তক প্রকাশ অনুষ্ঠান।

১৮ ই জুলাই ২০২৬ রামকৃষ্ণ মিশন স্বামী বিবেকানন্দ এর পৈতৃক আবাস ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এ তুহীনা প্রকাশনীর ২৬ টি পুস্তক প্রকাশ হলো। এই শুভ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন স্বামী জ্ঞানালোকানন্দ জী মহারাজ (বেলুড় মঠ), স্বামী সদানন্দ মহারাজ, শ্রী গৌরী সংকর ঘোষ, ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী (পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রী),
ডঃ অমরেন্দ্র মহাপাত্র (সভাপতি পশ্চিম বঙ্গ রবীন্দ্র মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাংসদ)
ডঃ সুজাতা দত্ত হাজারিকা ( বরিস্ট আঞ্চলিক অধিকর্তা, কলকাতা ইন্দ্রীরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), ডঃ অশোক কুমার পত্র ( বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ),
ডঃ অরুণাশিস গোস্বামী ( উপাচার্য বাবা সাহেব আম্বেদকর শিক্ষক শিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় ),ডঃ মোহিত রায় ( জাতিয়তাবাদী লেখক ও পরিবেশ বিধ ), শ্রী বংশী বদন চট্টোপাধ্যায় ( শিক্ষাবিদ), ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা সায়ন্তন বসু।
অনুষ্ঠানের
মূল মঞ্চে অথিতি বরণ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পরে উদ্বোধনী সঙ্গীত বন্দে মাতরম অনুষ্ঠান মঞ্চ কে আনন্দময় করে তোলে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক আমন্ত্রিত অতিথিদের বরণ করে উত্তরীয় মেমেন্টো ও জগন্নাথদেব,বলরাম , সুভদ্রার ছবি উপহারের মাধ্যমে মঞ্চ আলোকিত করে তোলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত গুণী জোনরা বক্তব্য রাখেন।
ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রী বলেন তুহীনা প্রকাশনীর প্রকাশক হিমাংশু মাইতি নতুন কবি সাহিত্যিক কে অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন। তার এই অনুপ্রেরণায় আমরা নতুন বিষয়ে, উন্মুক্ত চিন্তা ধারায় নতুন বই উপহার পেয়ে চলেছি।
ডঃ সুজাতা দত্ত হাজারিকা ( বরিস্ট আঞ্চলিক অধিকর্তা, কলকাতা ইন্দ্রীরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন peace of mind এর কথা। তিনি peace of mind এই বিষয় নিয়ে লেখার অনুপ্রেরণা ও দেন।
বাচিক শিল্পী ত্রিপর্ণা চট্টোপাধ্যায় মঞ্চে বেলুড় কবিতা আবৃত্তি করে মঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
পরিশেষে জাতীয় সঙ্গীত জন গণ মন সমবেত ভাবে পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান টি শেষ হয়।

চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

কবিরুল ইসলাম,

গত রবিবার হুগলির চন্দননগর কোর্ট মোড় নৃত্যগোপাল স্মৃতি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পরিচালনায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব, সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ওইদিনের অনুষ্ঠানের প্রথমে বর্তমানের জাতীয় গান- ‘বন্দেমাতরম’ গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।
এরপর উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করে সোসাইটির ছাত্রী দ্রুতি দাশ। এই নৃত্যের পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা শিক্ষক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ফটোতে মাল্যদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি গণিত শিক্ষক মাননীয় শ্রী অনুপম নিয়োগী, প্রধান অতিথি- হুগলী ব্রাঞ্চ স্কুলের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী শুভ্রা ভট্টাচার্য্য, লালবাগান বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী অনিন্দিতা জানা, সংস্থার কর্ণধার শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঋষি অরবিন্দ বালকেন্দ্রম স্কুলের শিক্ষক অমিত হাওলি,এদিন অন্যতম আকর্ষণ হিসাবে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর বিধানসভার বিধায়ক- মাননীয় শ্রী দীপাঞ্জন গুহ মহাশয় এবং চন্দননগরের মণ্ডল সভাপতি- মাননীয়া শ্রীমতী সুনন্দা সাহা সরকার। মাননীয় বিধায়ক ট্যালেন্ট সার্চের মেধা তালিকায় থাকা ছাত্র- ছাত্রীদের হাতে মেমেন্টো, গল্পের বই ও শংসাপত্র পুরস্কার হিসাবে তুলে দেন এবং তিনি ছোট-ছোট ছেলে- মেয়েদের নিজ হাতে পুরস্কৃত করতে পেরে খুব খুশী হয়েছেন।মাননীয় বিধায়ককে চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে ব্যাজ,চন্দনের টিপ ও গোলাপ ফুল দিয়ে এবং ছোট স্মারক উপহার দিয়ে বরণ করেন সংস্থার কর্ণধার মাননীয় শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও তাঁর স্ত্রী সুচরিতা দত্ত রায়।
ওইদিনের অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করে সোসাইটির এক ক্ষুদে ছাত্র তৃতীয় শ্রেণীর শ্রীমান আদিত্য হালদার ও তাকে তবলায় সঙ্গত করে সোসাইটির আরেক ক্ষুদে ছাত্র চতুর্থ শ্রেণীর শ্রীমান পার্থিব ঘোষ। প্রতিবারের মতো এদিনও দুটি পর্বে ভাগ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পৃথক-পৃথক পরীক্ষা ভিত্তিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয় এবং পুরস্কার প্রাপক ছাত্র-ছাত্রীরাই মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো পরিবেশন করে।
গতবছরের কলেজ স্ট্রীট ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার বাংলা- ইংরাজী মাধ্যম, বিধান শিশু উদ্যান (BSU) মাধ্যমিক মক টেস্টের ১ম-৫ম স্থানাধিকারী এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কলারশিপ পরীক্ষার ১ম-৬ষ্ঠ স্থানাধিকারী ও অন্যান্য সফল ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে প্রায় ১০০জনকে গল্পের বই, শংসাপত্র, আর্থিক পুরস্কার, মেমেন্টো ও স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ পদক দ্বারা পুরস্কৃত করা হয়। সাথে-সাথে বিধান শিশু উদ্যান মাধ্যমিক মক টেস্টের সকল পুরস্কার প্রাপকরা স্টেজে উঠার পর তাদেরকে চন্দনের ফোঁটা, গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়াও, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা সৃঞ্জনার হাতে তাদের নাম লেখা ছোট স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয় চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে।
এদিন অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর ঋষি অরবিন্দ বালকেন্দ্রম স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অমিত হাওলি, চন্দননগর কানাইলাল বিদ্যামন্দির (ইংরাজী বিভাগ)-এর শিক্ষক মাননীয় শ্রী সৌরভ মুখার্জী, চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী মৌমিতা দে চ্যাটার্জী, বাঁশবেড়িয়া হাই স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অরুণ মুখোপাধ্যায়, ইছাপুর নবাবগঞ্জ শ্রীধর বংশীধর হাই স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী, বিধান শিশু উদ্যানের ইংরাজী শিক্ষক মাননীয় শ্রী জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, চন্দননগর ঊষাঙ্গিনী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বর্ণালী নাথ ভট্টাচার্য্য, কাশীশ্বরী পাঠশালার প্রধানা শিক্ষিকা- মাননীয়া সরমা কুণ্ডু ঘোষাল, গৃহ শিক্ষিকা অনুশ্রী দাস, চন্দরনগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা মাননীয় শ্রী নব কুমার চ্যাটার্জী, পোলবা বেলগড়িয়া আদিবাসী প্রাইমারী স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সেখ হাবিবুর রহমান, বেহালা কন্যাশ্রী কলেজের অধ্যাপক মাননীয় শ্রী বিমল কুমার শেঠ, কলকাতা বিধান শিশু উদ্যান মক টেস্টের কার্যকরী কমিটির সদস্য মাননীয় নাসিমূল হক এবং সমস্ত অতিথিদেরকে ব্যাজ, চন্দনের ফোঁটা, গোলাপ ফুল দিয়ে, উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়াও, এদিন উদ্যানের পক্ষ থেকে মাননীয় বিধায়ক সহ সমস্ত অতিথিদের হাতে বিধান শিশু উদ্যান দ্বারা প্রকাশিত বেশ কিছু বই সহ একটি সুদৃশ্য হাত ব্যাগ।ওইদিন চন্দরনগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে বিধান শিশু উদ্যানের জন্য একটি স্মারক মেমেন্টো তুলে দেওয়া হয় উদ্যানের কার্যকরী কমিটির সদস্য নাসিমূল হক মহাশয়ের হাতে।এইবছর BSU মক টেস্টের শ্রেষ্ঠ ছাত্র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে গতবছরের মক টেস্ট পরীক্ষার্থী চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শ্রীমান নীলোৎপল জানা ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর সেন্ট এ্যান্টনীজ স্কুলের ছাত্রী তথা গতবছরের মক টেস্ট পরীক্ষার্থী শ্রেষ্ঠা ঘোষ; এদের সাথেই বিগত ৫বছর বা, ততোধিক যাবৎ বিভিন্ন ধরনের ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার শ্রেষ্ঠ ছাত্র নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শ্রীমান রাজদীপ শেঠ ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দিরের পিউ গেঁড়ি-এই শ্রেষ্ঠ ছাত্র- ছাত্রীদের সকলকে সোসাইটির পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন ও পৃথকভাবে মানপত্র (অভিজ্ঞান সম্মাননা) প্রদান করা হয়। এই মানপত্র গুলো প্রদান করে গতবছরের মক টেস্টের শ্রেষ্ঠ ছাত্র দেবস্মিত সাধু ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী বর্ণি চ্যাটার্জী। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিল সোসাইটির ছাত্রী কুমারী সৃঞ্জনা দাস; অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সম্পাদক শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও তাঁর স্ত্রী সুচরিতা দত্ত রায় এবং অতিথিদের হাতে পুরস্কারগুলো তুলে দিয়ে সহযোগিতা করে সোসাইটির ক্ষুদ্র সদস্য শ্রীমান সত্যজিত দত্ত রায়।
সবশেষে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে’ দিয়ে সমাপ্ত হয় এবং সমাপ্তি ঘোষণা করেন অন্যতম অতিথি বেহালা কন্যাশ্রী কলেজের অধ্যাপক বিমল কুমার শেঠ মহাশয়।

ইন্টার্নিশিপ কর্মসূচি আয়োজনে রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

ইন্টার্নিশিপ কর্মসূচি আয়োজনে রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

সোমবার সিটি সিভিল কোর্টে অবস্থিত রাজ্য আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (এসএলএসএ) দ্বিতীয় দিনে তাদের চলমান ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে কলকাতা পুলিশ আইন ইনস্টিটিউটের ইন্টার্নদের ইন্টার্নিশিপ কর্মসূচি পালন করে থাকে ।এই সভাটি পরিচালনা করেন রাজ্য আইনী পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর সদস্য সচিব শ্রীমতী মুন চক্রবর্তী, এবং রেজিস্ট্রার-কাম-উপসচিব শ্রীমতী অর্চিতা সেন ও উপসচিব শ্রীমতী স্বাতী মৌলিক । তাঁরা ইন্টার্নদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আইনি পরিষেবা প্রতিষ্ঠানগুলির কার্যকারিতা সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে নালসা প্রকল্প, বিনামূল্যে আইনি সহায়তা, ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ এবং সচেতনতামূলক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের উপর আলোকপাত করা হয়। ইন্টার্নরা সমাজের দুর্বল জনগোষ্ঠীর জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে পারেন।

India Approves QDENGA, Its First Dengue Vaccine

India Approves QDENGA, Its First Dengue Vaccine

Kolkata, July 20, 2026: Takeda Biopharmaceuticals India Pvt. Ltd. today announced that the Drug Controller General of India (DCGI) has granted market authorization for QDENGA (TAK-003), making it the first dengue vaccine approved in India for the prevention of dengue disease in individuals aged 4–60 years.

Designed to protect against all four dengue virus serotypes, QDENGA can be administered regardless of prior dengue exposure and does not require pre-vaccination testing. The approval comes at a crucial time as India continues to face a significant dengue burden, accounting for nearly one-third of global cases.

Peter Streibl, General Manager, Southeast Asia and India Cluster, Takeda, said dengue requires coordinated action across governments, healthcare professionals and communities to deliver sustainable, evidence-based prevention solutions.

Dr. Goh Choo Beng, Medical Affairs Head, Southeast Asia & India Cluster, said India has a substantial dengue burden, with all four virus serotypes circulating in several regions. He noted that QDENGA is designed to protect against all four serotypes regardless of prior exposure, strengthening India’s comprehensive dengue prevention efforts.

“Dengue is a growing public health challenge, and India needs sustained, evidence-based prevention,” said Dr. Mahender Nayak, Head of Intercontinental Markets, Takeda. “The approval of QDENGA marks an important step forward in strengthening dengue prevention in India, and we remain committed to working with public health authorities, healthcare professionals and partners to support equitable and sustainable access.”

QDENGA has been approved in 43 countries, has received WHO prequalification, and more than 32 million doses have been distributed globally through public and private immunization programmes.

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার


সেখ মিলন ( ভাতাড় )

পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে দিন কয়েক আগে বিজেপি ও সিপিআইএমের মধ্যে অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলে রবিবার বিকেলে কাশিপুর এলাকায় মহামিছিল করল বিজেপি। ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নেতৃত্বে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে শুরু হয় এই মিছিল। পরে মিছিলটি কাশিপুর এলাকায় পৌঁছয়। সেখানে পথসভার মাধ্যমে সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সিপিআইএমের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় লাল ঝান্ডা পুঁতে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। যদিও সিপিআইএমের দাবি, সেই সময় বিজেপির লোকজন জড়ো হয়ে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে, ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার অভিযোগ, ওরগ্রামে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিতে এরুয়ার থেকে দুই বিজেপি কর্মী আসছিলেন। তাঁদের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় থাকায় সিপিআইএম কর্মীরা তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, দেবনাথ বাগদি নামে এক কর্মীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
এদিনের পথসভা থেকে বিধায়ক সৌমেন কার্ফা বলেন, সরকারি খাস জমি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের। প্রয়োজনে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু সিপিআইএমকে খাস জমি দখল করার অধিকার কে দিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন।
বিজেপির দাবি, এদিনের মহামিছিলে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন চারটি মণ্ডলের সভাপতি-সহ বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
তবে এলাকায় কোনরুপ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর ছিল পুলিশ প্রশাসন। ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় মোতায়েন ছিল ভাতাড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।