সাম্প্রতিক
ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে সুসজ্জিত শোভাযাত্রা সহকারে গৌউর নিতাইকে নিয়ে আসা হলো সারেঙ্গার ঢেপুয়া গ্রামে।

ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে সুসজ্জিত শোভাযাত্রা সহকারে গৌউর নিতাইকে নিয়ে আসা হলো সারেঙ্গার ঢেপুয়া গ্রামে।

শুভদীপ মন্ডল বাঁকুড়া :—নাম সংকীর্তন উপলক্ষে অভিনব শোভাযাত্রা সরকারে রাইপুরের বাড়ি থেকে গৌউর নিতাই কে ঘোড়ার গাড়িতে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হল সারেঙ্গা ব্লকের ঢেপুয়া গ্রামে। আলোক মালায় সুসজ্জিত ঘোড়ার গাড়ি ,হরিনাম সংকীর্তন এর দল ,ঢাকির দল ও ব্যান্ড পার্টি সহযোগে ৮ শতাধিক মানুষের সুসজ্জিত মিছিলের মধ্য দিয়ে শোভাযাত্রা চলল গ্রামের পথে।এখানে উল্লেখ্য ঢেপুয়া গ্রামের বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবী তারাপদ মহাপাত্র বর্তমানে রাইপুর ব্লকের রাইপুর সবুজ বাজারের বাসিন্দা। তার বাড়িতেই সারা বছর ধরে গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু, গৌউর নিতাই নিত্য পুজো পান। বছরের পাঁচটি দিন ঢেপুয়া গ্রামে নাম সংকীর্তন উপলক্ষে এই দেবতার মূর্তিকে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ বুধবার থেকে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত ঢেপুয়া গ্রামে চলবে হরি নাম সংকীর্তন ও নরনারায়ন সেবা। শনিবার আবার শোভাযাত্রা সহকারে এই গৌউর নিতাই মূর্তি নিয়ে আসা হবে তারাপদ বাবুর রাইপুরের বাড়িতে। এই নাম সংকীর্তন নতুন ভাবে মহাসমারোহে সংকীর্তন শুরু হয় আজ থেকে ১১ বছর আগে। তবে ইতিপূর্বে অষ্টম প্রহর ব্যাপী নাম সংকীর্তন হতো ।গ্রামের, ঁযশোদা নন্দন মহাপাত্র,ঁ অমূল্য মহাপাত্র, ঁক্ষীরোদ মহাপাত্র, অনাদি মহাপাত্র, ঁসুচাঁদ মহাপাত্র,ঁ গৌউর দুলে ঁশীতল দুলে, ঁনিধন দুলে প্রমুখদের উদ্যোগে, । বর্তমানে লক্ষীকান্ত মহাপাত্র, চিত্তরঞ্জন মহাপাত্র, সুদেব মহান্তি, নিহার মহাপাত্র , প্রশান্ত মহাপাত্র, রঞ্জিত মহাপাত্র, সন্তোষ মহাপাত্র এরকম কিছু উৎসাহী মানুষের উদ্যোগে ধুমধামের সঙ্গে আজ থেকে শুরু হল হরিনাম মহোৎসব ও মিলন মেলা। এই চার দিন ঢেপুয়া গ্রাম থাকে অরন্ধন ।গ্রামবাসী কুটুম্ব আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব যারাই গ্রামে উপস্থিত হন সকলেই রাধারানীর ভান্ডারে প্রসাদ গ্রহণ করেন দুই বেলা বলে জানালেন উদ্যোক্তাদের অন্যতম সমাজকর্মী গ্রামবাসী তারাপদ মহাপাত্র। তিনি আরো বলেন এই দিনগুলির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন সমস্ত গ্রামবাসী। গ্রামের বৃহৎ ও আনন্দ পূর্ণ মহা অনুষ্ঠান এই নাম সংকীর্তন উপলক্ষে গ্রামের যে সমস্ত মানুষজন কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন তারাও এসে হাজির হন ও আনন্দ ভাগ করে নেন। গ্রামে পালিত হয় অরন্ধন। ঠাকুরের ইচ্ছায় গ্রামের আট চালাটি নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে।

সারেঙ্গার আমঝোর কর্ম তীর্থ জনকল্যাণ শিবিরে উপছে পড়া ভিড়।

সারেঙ্গার আমঝোর কর্ম তীর্থ জনকল্যাণ শিবিরে উপছে পড়া ভিড়।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:–সারা রাজ্য জুড়ে চলছে জনকল্যাণ শিবির। পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন এর পর এই প্রথম জনমুখী প্রকল্পগুলিকে নিয়ে শিবিরের মাধ্যমে উপভোক্তাদের সুবিধা দিতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন ৫৪টি জনমুখী প্রকল্প থেকে রাজ্যের মানুষ সুবিধা পাবেন তার নথিপত্র জমা ও যাচাইয়ের কাজ শুরু হল ১৫ই জুন এই শিবির চলবে ১৭ই জুন পর্যন্ত। প্রতিটি জনকল্যাণ শিবিরে ভিড় উপচে পড়ছে জঙ্গলমহলের সারেঙ্গা ব্লকের ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে আমজোর চলছে এই জনকল্যাণ শিবির সেখানে মানুষ রোদ উপেক্ষা করে হাজির হচ্ছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সারছেন এবং শেষে তারা বন বিভাগের কাছ থেকে একটি করে চারা গাছ নিয়ে যাচ্ছেন হাসিমুখে। আয়ুষ্মান ভারত শিবিরে সারেঙ্গা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীদের সাথে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সুমন নস্কর তিনি শিবিরের আশা উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান ভারত সম্পর্কে বিশেষভাবে বোঝাচ্ছেন এবং তাদের কাগজপত্র কিভাবে পূরণ করতে হবে কি কি প্রয়োজনীয় নথি লাগবে তা সম্পর্কেও অবহিত করছেন। অন্যদিকে ব্লগসহ কৃষি অধিদপ্তর দপ্তরের কর্মীরা উপস্থিত হওয়া চাষীদের রাজ্য সরকারের কৃষক বন্ধু ও কেন্দ্রের পিএম কিষান এর বিষয়ে অবহিত করান । শিবিরের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মীরা ব্লক মৎস্য আধিকারিক খুশি শিবিরে আসা মানুষজন।

নলহাটি দুই ব্লকের ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে হাজির পড়ুয়ারা

নলহাটি দুই ব্লকের ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে হাজির পড়ুয়ারা


নলহাটি , তথাগত চক্রবর্তী,

বীরভূমের নলহাটি দুই নম্বর ব্লকের ভদ্রপুর গ্রামে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্দ্যোগে দ্বিতীয় দিনের জনকল্যাণ শিবিরে এলাকার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি হঠাৎ হাজির স্কুল পড়ুয়ারা। ঐ ব্লকের প্রসাদপুর রামরঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পলাশ রায়ের উদ্যোগে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা কি কারণে এই শিবির জানতে হাজির হন। কেন্দ্রীয় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প গুলি বাস্তবায়িত করতে ও যোগ্য প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দিতে এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন।পড়ুয়ারা বিভিন্ন দপ্তর গুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন ব্লকের বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধু খাঁ মহাশয়ার সাথে এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা তাদের সেইসব প্রকল্পের বিশেষত্ব নিয়ে বুঝিয়ে দেন। এছাড়াও বিজেপির জেলা সম্পাদক মালয় অধিকারী, মন্ডল সভাপতি সহ আরো অন্যান্য নেতৃত্বরা সরকারের নতুন কর্মসূচি গুলি আলোচনা করেন।এরপর স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নেতৃত্বে পড়ুয়াদের নিয়ে আধিকারিকরা যোগ শিবিরের অংশ নেন। খুশি পড়ুয়ারা।প্রসাদপুর রামরঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পলাশ রায় জানান পড়ুয়ারা ও তাদের ফ্যামিলির লোকজন এই শিবিরের মাধ্যমে সরকারের কি কি সুযোগ সুবিধা পাবে সেই সব বিষয়ে তাদেরকে সরজমিনে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা হাজির হই। বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধু খাঁ জানান আমি প্রথমে অবাক হয়ে গেছিলাম হঠাৎ করে এই শিবিরে এত পড়ুয়া কেন। এগিয়ে গিয়ে তাদের কাছে জানলাম তারা এই প্রকল্পের পরিষেবা গুলি মানুষ কিভাবে পাবে না পাবে সেই সব বিষয়ে তারা জানতে এসেছে। আমরা সব দপ্তর তাদের ঘুরিয়ে সবকিছু বুঝিয়ে দিই। খুবই ভালো লাগলো তাদের এই উদ্যোগ।

কলকাতায় শ্রম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সামনে ওড়িশার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়টি উত্থাপন করেন রুদ্র পানি।

কলকাতায় শ্রম বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সামনে ওড়িশার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়টি উত্থাপন করেন রুদ্র পানি।


কলকাতা। নিজস্ব সংবাদদাতা।
কলকাতার তাজ বেঙ্গল হোটেলে শ্রম, কর্মসংস্থান ও বস্ত্র বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার এই বৈঠকে ঢেঙ্কানাল লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ রুদ্র নারায়ণ পানি ওড়িশার স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উত্থাপন করেন। তিনি দেশের শ্রমিকদের কল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বস্ত্র শিল্পের উন্নয়ন এবং শিল্পখাতে নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে জোরালো মতামত ব্যক্ত করেন। শ্রমিক কল্যাণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিল্পখাতের উন্নয়নের পাশাপাশি তিনি ওড়িশার অর্থনৈতিক ও শিল্পগত উন্নয়ন এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের কল্যাণের বিষয়েও তাঁর বলিষ্ঠ অবস্থান তুলে ধরেন। মঙ্গলবার সকালে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ শ্রী পানি বলেন, ওড়িশার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিতে কেন্দ্রীয় সরকারের সহায়তায় বস্ত্র শিল্পের সম্প্রসারণ ঘটাতে হবে এবং নতুন টেক্সটাইল পার্ক, পোশাক তৈরির কেন্দ্র ও এই শিল্পের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলতে হবে; এর ফলে ওড়িশায় বেকারত্ব অনেকাংশে হ্রাস পাবে। তিনি গ্রামীণ নারীদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাঁদের এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ওড়িশায় বস্ত্র শিল্পের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এবং তাঁতিদের উন্নয়নের বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। ওড়িশার মোহন সরকার গত দুই বছর ধরে উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত ওড়িশা গড়ার লক্ষ্যে যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে হবে এবং শিল্পায়নের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে হবে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সাংসদ পানির যুক্তি ও সুচিন্তিত মতামত আজকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল। আজকের সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক নেতা রমাকান্ত আহির, অজিত নাথ পাণ্ডে এবং কমলেশ বাল্মিকী। দেশের শ্রম নীতির বিষয়ে সাংসদ পানির বক্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ছিল।

MARWAR at Orko’s

MARWAR at Orko’s

WHAT:
MARWAR – A specially curated Rajasthani food festival celebrating the rich culinary heritage of the royal land of kings.

WHEN:
12th June – 21st June, 2026

WHERE:
Orko’s Restaurant & Lounge Bar

ADDRESS:
E 306 & 307, E Block, 3rd Floor, City Centre 1, Salt Lake, Kolkata – 700064

POCKET PINCH:
Items starting at INR 129

Step into the vibrant world of Rajasthan as Orko’s presents MARWAR, a ten-day culinary celebration inspired by the region’s regal traditions, bold flavours, and time-honoured recipes. From iconic street-style chaats and hearty vegetarian delicacies to rustic breads, flavourful curries, and indulgent desserts, the festival brings together the essence of Marwari cuisine on a thoughtfully crafted menu.

“At Orko’s, we constantly strive to introduce our guests to diverse culinary traditions from across India. MARWAR is our tribute to the rich gastronomic legacy of Rajasthan, showcasing authentic flavours, regional ingredients, and recipes that have been cherished for generations. We invite food lovers to experience a journey through the royal kitchens and bustling bazaars of Marwar, right here in Kolkata,” says Kaushik Sengupta, Corporate General Manager, Sens Hospitality Division.

Guests can embark on a flavourful journey through Rajasthan with an array of traditional favourites and royal delicacies. From the crisp and indulgent Raj Kachori and fiery Jodhpuri Mirchi Vada to the wholesome comfort of Dal Baati Churma and the rustic charm of Jodhpuri Gatta Curry and Kachri Phali Subji, every dish tells a story of Marwar’s rich culinary heritage. Complemented by artisanal breads such as Khoba Roti, Bajra Ki Roti, Besan Ki Roti, and Puran Poli, the feast captures the essence of desert kitchens and royal banquets alike. Round off the experience with the decadent Mango Rasmalai, and discover why the flavours of Rajasthan continue to enchant food lovers across generations.

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষ্যে রক্তব্যাবসা বন্ধের দাবিতে সচেতনতা পদযাত্রার আয়োজন

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষ্যে রক্তব্যাবসা বন্ধের দাবিতে সচেতনতা পদযাত্রার আয়োজন

রাজকুমার দাস

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রস ফেডারেশন, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর ব্লাড দ্বারা ২০০৪ সাল থেকে ১৪ই জুন দিনটি বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। ট্রান্সফিউশন এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ব্লাড ডোনার্স অর্গানাইজেশন এই চারটি সংস্থা আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরে যেদিন বিশ্বের ১১ টি দেশের প্রতিনিধি ১৪ই জুন তারিখটি বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন সেদিন ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অপূর্ব ঘোষ। ১৪ই জুন হল ডাঃ কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার-এর জন্মদিন। এই দিনটি বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলেনটারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের আরও একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হলো সর্বভারতীয় স্তরে স্বেচ্ছা রক্তদান বিষয়ে কাজ করার জন্য ২০০৪ সালের ১৪ই জুন কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে ফেডারেশন অফ ব্লাড ডোনার অর্গানাইজেশন (FBDOI) এর সূচনা এবং ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজ্য রক্ত সঞ্চালন পর্ষদের আর্থিক সহায়তায় এই সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হত। আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরাম এবং ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে সরকারি সাহায্য ছাড়াই সারা পশ্চিমবঙ্গের ব্লাড ব্যাংক গুলির মাইলস্টোন সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংক, যার বর্তমান নাম IBTMI, সেখান থেকে আমরা এই পদযাত্রার শুরু করেছি। প্রতিবছর পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি এবং প্রয়োজন বিবেচনা করে ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলেন্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরাম নিজেরাই একটি বিশেষ স্লোগান আলাদাভাবে তৈরি করে থাকে। ইতিমধ্যে রাজ্যের সরকার পরিবর্তন হয়েছে। বিগত ১৫ বছর ধরে রক্তের মত পবিত্র দান ও তার আন্দোলনকে বিপদগামী করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সিন্ডিকেটের মতোই ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে এবং তাতেই বেসরকারি ব্লাড ব্যাংকের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আজ আমরা ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরাম ও ভারতীয় রেড ক্রস সোসাইটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার উদ্যোগে পদযাত্রা শুরু হয় মানিকতলা সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংক থেকে যা আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রোড দিয়ে রাজাবাজার হয়ে শিয়ালদা হয়ে জনবহুল শিয়ালদা স্টেশন মেট্রো রেলের সামনে পদযাত্রার শেষ হয়।আমাদের এবারের স্লোগান হলো “রক্ত ব্যবসা বন্ধ করতে হবে”। বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের প্রাক্কালে এই পদযাত্রা সংঘটিত হয়।রক্তদান আন্দোলনে যুক্ত সকল সংগঠনের কাছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলেন্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরাম এবং ভাবতীয় রেডক্রস সোসাইটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে আবেদন “রক্তদান শিবির হোক উপহার উপঢৌকন বর্জিত, সরকারি ব্লাড ব্যাংক দ্বারা স্থাপিত।” এই দাবি নিয়ে কলকাতার রাজপথে মধ্যবিত্ত পবিবারের কথা ভেবে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের ভান্ডার সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এই আয়োজন। সরকারি ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে রক্তদান শিবির আয়োজন করে গরীব ওমধ্যবিত্ত পরিবারের কথা ভেবে সরকারি ব্লাড ব্যাংকে রক্তের ভান্ডার সমৃদ্ধ করাই এই পদযাত্রার মূল লক্ষ্য।

An Adult in Years, Young at Heart Mani Square Mall Turns 18

An Adult in Years, Young at Heart Mani Square Mall Turns 18


Kolkata, June 15, 2026 (Monday):

Mani Square Mall, one of Kolkata’s leading lifestyle and shopping destinations, proudly celebrates its 18th anniversary, marking nearly two decades of unforgettable shopping, entertainment, and community experiences.

Home to renowned brands such as Westside, Spencer’s, PVR, Shoppers Stop, and many more, the mall continues to be a preferred destination for shoppers across the city. To commemorate this milestone, Mani Square Mall has planned exciting shopping offers, live entertainment, and special anniversary celebrations for visitors.

The festivities will begin on June 15, 2026, with a grand cake-cutting ceremony in the presence of Group CEO Mr. Sanjay Jhunjhunwala and Director Ms. Sudarshana Gangulee.

Speaking on the occasion, Ms. Sudarshana Gangulee of Mani Group said, “We are grateful to our customers, retail partners, and associates for their continued trust and support over the past 18 years. This milestone reflects the relationships, memories, and experiences we have shared together. We look forward to celebrating this special occasion with everyone.”

As Mani Square Mall steps into its 18th year, it remains committed to delivering exceptional experiences and creating memorable moments for its patrons.

ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে তদারকিতে বিডিও

ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে তদারকিতে বিডিও

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী, সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বেশি করে পৌঁছে দিতে শুরু হলো বিশেষ এই জনকল্যাণ শিবির নতুন রাজ্য সরকারের উদ্দ্যোগে। ১৫ থেকে ১৭ ই জুন রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূম জেলা জুড়ে বিভিন্ন ব্লকে , পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এই শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকারি নানান পরিষেবাকে মানুষের দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি। এখানে ভবল ইঞ্জিন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বিষয়ে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা ও প্রকল্পের ফর্ম জমা নেওয়া ,নাম নথিভুক্তকরনের কাজ সহ অন্যান্য পরিষেবা একই ছাদের তলায় এনে চলবে এই কর্মসূচি। যোগ্য প্রাপকরা সরকারি এই সঠিক সুযোগ-সুবিধা পাই এটাই হল নতুন সরকারের মূল উদ্দেশ্য। শিবিরে উপস্থিত প্রশাসনিক কর্তারা ও বিজেপির নেতৃত্বরা সহ অন্যান্যরা। বীরভূমের নলহাটি দুই নম্বর ব্লকের ভদ্রপুর গ্রামে এই শিবির অনুষ্ঠিত হয়। সুষ্ঠ পরিষেবা দিতে ও শিবির সফল করতে ব্যাস্ত বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধু খাঁ, নলহাটি থানার লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ থেকে অনান্য আধিকারিকরা। প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই জনকল্যাণ শিবির।

শিবপুরে রাজ্য সাব-জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ সম্পন্ন, জলন্ধরের জাতীয় মঞ্চের টিকিট পেল বাংলার উদীয়মান বক্সাররা

শিবপুরে রাজ্য সাব-জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ সম্পন্ন, জলন্ধরের জাতীয় মঞ্চের টিকিট পেল বাংলার উদীয়মান বক্সাররা


নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়ার শিবপুর পুলিশ লাইনের বক্সিং রিংয়ে উৎসবের আবহে সম্পন্ন হলো দু’দিনব্যাপী সাব-জুনিয়র বালক ও বালিকা রাজ্য বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬। ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোগ্রেসিভ বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের ১২টি জেলার শতাধিক প্রতিভাবান বক্সার অংশগ্রহণ করে নিজেদের দক্ষতা ও লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দেয়।
টুর্নামেন্ট জুড়ে বিভিন্ন ওজন বিভাগের বালক ও বালিকা বক্সারদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রতিটি বাউটে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কৌশল এবং আত্মবিশ্বাসের দুর্দান্ত প্রদর্শন। প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা আগামী দিনে পাঞ্জাবের জলন্ধরে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্তরের বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করেছেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোগ্রেসিভ বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাক্টিং সেক্রেটারি কুনাল সাহা, হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুকুল নাথ তিওয়ারি, হাওড়া ডিসট্রিক্ট বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী গোস্বামী সিং,ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং, বিশিষ্ট সমাজসেবী অখিলেশ সিং। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌম্যশঙ্কর বোস, কৌশিক বিশ্বাস, প্রমোদ সিং, বিশ্বরঞ্জন দাস এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সঙ্গীত পরিচালক অভিজিৎ পাল।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিভাবান বক্সারদের তুলে এনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করাই এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য। অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন।
বালক বিভাগের ফলাফল
৩০–৩৩ কেজি: স্বর্ণ – সেনেহাল মাহাতো (NDBA), রৌপ্য – আরমান সিং (HDBA)
৩৩–৩৫ কেজি: স্বর্ণ – রায়ানস গোমস (NDBA), রৌপ্য – শাহিন কিস্কু (পশ্চিম বর্ধমান)
৩৫–৩৭ কেজি: স্বর্ণ – রৌনক মাহাতো (NDBA), রৌপ্য – আরিয়ান ঠাকুর (HDBA)
৩৭–৪০ কেজি: স্বর্ণ – সমীর কুমার (JHG), রৌপ্য – মোকেশ (HDBA)
৪০–৪৩ কেজি: স্বর্ণ – ওয়াসিম পারভেল (HDBA), রৌপ্য – অবিনাশ দে (হুগলি)
৪৩–৪৬ কেজি: স্বর্ণ – শ্রীকান্ত নারায়ণ (HDBA), রৌপ্য – দেবজিৎ নস্কর (হুগলি)
৪৬–৪৯ কেজি: স্বর্ণ – এস. তামাং (DDBA), রৌপ্য – আদিত্য সিনহা
৪৯–৫২ কেজি: স্বর্ণ – অনেশ রোচ (HDBA), রৌপ্য – নাথান গুরুং (DPRB)
৫২–৫৫ কেজি: স্বর্ণ – মনীশ পাসোয়ান (হুগলি), রৌপ্য – পি. দাস (HDBA)
বালিকা বিভাগের ফলাফল
৪৬–৪৯ কেজি: স্বর্ণ – অদিতি সাহা (হুগলি), রৌপ্য – আশরিন বানু
৬৪–৬৭ কেজি: স্বর্ণ – মানভীন তিরতীয়া (HDBA), রৌপ্য – সোমিয়া কুমারী (ADBA)
বিশেষ পুরস্কার
সেরা বক্সার (বালক): সমীর কুমার
সেরা বক্সার (বালিকা): অদিতি সাহা (হুগলি)
দলীয় চ্যাম্পিয়নশিপ
বালক বিভাগে দলীয় চ্যাম্পিয়ন: HDBA
বালক বিভাগে রানার্স-আপ: NDBA
বালিকা বিভাগে দলীয় চ্যাম্পিয়ন: হুগলি
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও কৃতী বক্সারদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জলন্ধরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত বক্সারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা জাতীয় মঞ্চে বাংলার সম্মান আরও উজ্জ্বল করতে পারে।

হাজী মুশতাক খানকে সংবর্ধনা প্রদান, সেবামূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা

হাজী মুশতাক খানকে সংবর্ধনা প্রদান, সেবামূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা

হাওড়া, জুন ২০২৬:
আজ মাগরিবের নামাজের পর হাওড়ার ঘুসুড়ির ১৪৬, জে.এন. মুখার্জি রোডে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সৈয়দ মীর মসজিদ ও মাজারে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিল সৈয়দ মীর মসজিদ ও মাজার কমিটি।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন হাফিজ মোহাম্মদ জারিফ, প্রাক্তন ইমাম, ফিরদৌস মসজিদ। এরপর নাত ও হামদ পরিবেশন করেন ডা. সেলিম আখতার, পরভেজ হাবিবী এবং আনোয়ার আলি কাদরী, যিনি সৈয়দ মীর মসজিদ ও মাজারের খাদেম হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে বিশেষ অবদানের জন্য শাহরা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ও হাসপাতালের প্রধান হাজী মুশতাক খানকে সংবর্ধনা জানানো হয়। জনসাধারণের চিকিৎসা পরিষেবা ও শিক্ষার প্রসারে হাসপাতাল ও বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ তাঁর বিভিন্ন মানবকল্যাণমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত বক্তারা।

অনুষ্ঠানে হাফিজ মোহাম্মদ জারিফ, মোহাম্মদ মুসলিম (সাধারণ সম্পাদক), সেলিম খান এবং বিশিষ্ট সমাজকর্মী বদরুদ্দিন আনসারি ফুলের মালা পরিয়ে হাজী মুশতাক খানকে সংবর্ধনা জানান এবং তাঁর সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকলের মধ্যে মিষ্টি, জমজমের পানি ও খেজুর বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অনুষ্ঠানটি সফল করতে মোহাম্মদ ফিরোজ, কাশিদ খান, মোহাম্মদ আসলাম ও মোহাম্মদ ইরশাদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সমাজকল্যাণ ও মানবসেবায় নিবেদিত ব্যক্তিদের প্রতি সম্প্রদায়ের সম্মান ও কৃতজ্ঞতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন হয়ে উঠেছে।