সাম্প্রতিক
বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।


অভিনব উদ্যোগে খুশি ভাতার ও মঙ্গলকোট এলাকার মানুষজন।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের এরুয়ার গ্রামের বাসিন্দা তানবীর‌ আনসারী তিনি বিবাহ করছেন মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের প্রিয়া চৌধুরীকে।
আজ তার শুভ বিবাহ।
বিবাহ অনুষ্ঠান হয় মঙ্গলকোটের নতুনহাট সাথী অনুষ্ঠান ভবনে।
সেই বিবাহ অনুষ্ঠানে বেশ কিছু অভিনব কর্মসূচি করল তানভীর।
অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রায় ১০০ টি চারা গাছ রোপন করলেন তিনি।
দুস্ত কিছু গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা পেন বিতরণ করেন।

এছাড়াও সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচিকে সামনে রেখে পথ চলতি বেশ কিছু মানুষকে নতুন হেলমেট তুলে দেন।
নতুন বরকে এই কর্মসূচিতে দেখে খুশি এলাকার মানুষ।
এক কোনে পক্ষ জানায় এরকম বিবাহ অনুষ্ঠানে প্রথম এলাম।
তানবির বলেন,
আমি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে ভালোবাসি।
আজ আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায় এরকম কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমাকে খুব ভালো লাগছে।।

ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে গিয়ে হঠাতই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার সাথে সাক্ষাৎ করলেন রামপুরহাট বিধানসভার বিজেপির বিধায়ক ধ্রুব সাহা। সঙ্গে ছিলেন মহিলা সাভানেত্রী রেশমি দে সহ আরো অন্যান্য বিজেপির কার্যকর্তা গন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে তার শারীরিক খোঁজ খবর নেন পাশাপাশি প্রয়োজনে তিনি সব রকম সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। মামা অনিল মুখোপাধ্যায় জানান খুব ভালো লাগলো ভালো লোক ভালোভাবে রাজ্য চালাক এই আশীর্বাদ করলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মামা জানান ১৫ বছর আপনার ভাগ্নি রাজ্য চালিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এখন তিনি হেরে গেছেন কি বলবেন এ বিষয়ে তিনি উত্তরে জানান মানুষ ভোট দেয়নি তাই হেরে গেছেন। এরাও ভালোভাবে পাঁচ বছর চালাক তাহলে আবার এরাই হবে। আপনার নাতির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্যই দল নাকি হেরেছে বলে ঋতব্রত ও অনুব্রত মণ্ডল রা বলছেন সবই শুনছি লোকে যা বলছে, শুনতে হচ্ছে ,আমাদের আর কি বলার আছে। এর জন্য কে দায়ী তা আমি বলতে পারব না।

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের তারাপীঠ সংলগ্ন তারাপুরে নতুন দিগন্ত ক্লাবের উদ্যোগে অনুর্ধ ১৮ আন্তঃ বিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধনে উপস্থিত তারাপীঠের নতুন মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল ব্যানার্জি ও সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জী সহ আরো অনান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

কৌশিক গাঙ্গুলী বীরভূম।

রথের উৎসবে যখন মেতে উঠেছিল গোটা শহর, ঠিক সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে ঘটল এক ভয়াবহ ঘটনা। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে সর্বস্বান্ত হলো একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে দুবরাজপুর পৌরসভার আনন্দকানন এলাকায়। জানা যায়, রথের দিন বিকেল ৫টা নাগাদ ব্যবসায়ী তপন মণ্ডলের স্ত্রী জবা মণ্ডল রথ দেখতে বেরিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরেই তাদের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলও বাড়ির দরজা তালাবন্ধ করে রথ দেখতে যান। আনন্দমুখর পরিবেশে তখন সবাই যখন উৎসবে ব্যস্ত, তখনই চোরেরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে জবা মণ্ডল বাড়ি ফিরে দেখেন, বাড়ির দরজা ভাঙা। ঘরের ভেতরে ঢুকতেই তাঁর পায়ের তলার মাটি সরে যায়।
​প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বড় রড দিয়ে রান্নাঘরের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর বাড়ির মূল দরজার চাবি খুঁজে বের করে তালা খোলে এবং খাটের তোশকের নিচে রাখা আলমারির চাবির সাহায্যে একের পর এক আলমারি খুলে তছনছ করে। সব শেষে প্রায় ৬ ভরি সোনার গহনা এবং ১০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।
​উল্লেখ্য, আগামী ২রা আগস্ট তপন মণ্ডলের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলের বিয়ে। মেয়ের বিয়ের জন্য জমানো সোনার গহনা ও নগদ টাকা চুরি যাওয়ায় দিশেহারা মণ্ডল পরিবার। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে এমন ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।
খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুবরাজপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন দুবরাজপুরের সিআই শুভাশিস হালদার। চোরেরা ঠিক কীভাবে সব চাবি ও গহনার হদিশ পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সবদিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।
​

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম:
বীরভূম জেলার ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুয়ো লটারির কারবার নিয়ে অভিযোগ উঠছে। কখনও ঝাড়খণ্ড, কখনও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অজয় নদ পেরিয়ে খয়রাসোল ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় জাল লটারির টিকিট পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি পুলিশের কড়া নজরদারির ফলে এই অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।
শুক্রবার কাঁকরতলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) আব্দুল হানিফের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের জাল লটারির টিকিট উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় যে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দিক থেকে অজয় নদ পেরিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী খয়রাসোল ব্লকের হজরতপুর এলাকায় বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করছে। খবর পাওয়া মাত্রই হজরতপুর-নবসন রোড এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু করে কাঁকরতলা থানার পুলিশ।
হজরতপুর রেলওয়ে সাইডিংয়ের কাছে ওত পেতে থাকা পুলিশ সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলটিকে আটকায়। তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেল থেকে বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত টিকিট এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
ধৃতের নাম শেখ সাইফুল ওরফে বান্টি(২৫) । তার বাড়ি কাঁকরতলা থানার বড়রা গ্রামে। পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি একটি বৃহত্তর আন্তঃজেলা জাল লটারি পাচারচক্রের অংশ। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর নেপথ্যে কোনও বড় মাথা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কাঁকরতলা থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শনিবার ধৃত শেখ সাইফুলকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকার এই জাল লটারির ব্যবসার শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর জেলার মানুষের।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,দাঁইহাট : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শনিবার কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সচেতনতামূলক র‍্যালি এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র স্কাউট অ্যান্ড গাইডস গ্রুপের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় চত্বর ও সংলগ্ন এলাকা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়ার বিধায়ক কৃষ্ণ ঘোষ, কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার ব্রজ বিলাস সেন, দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোহর দাস, সর্পবন্ধু তন্ময় ঘোষ, পরিবেশবন্ধু অর্নব দাস এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বনকর্মী কৌশিক মুখার্জী।
সাংস্কৃতিক পর্বে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নেয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের অংশগ্রহণে “একটি গাছ, অনেক প্রাণ” শীর্ষক পরিবেশ সচেতনতামূলক উপস্থাপনা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের গুরুত্ব নানা সৃজনশীল পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ ও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের মঞ্চ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।
ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহী অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান আয়োজকরা।
কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসীরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান উপস্থিত সকলে।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে কাটোয়ায় চারাগাছ বিতরণ

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে কাটোয়ায় চারাগাছ বিতরণ

রাহুল রায়,কাটোয়া : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার কাটোয়া সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয় এবং কাটোয়া গাছ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনে চারাগাছ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া এআই (স্কুলস) ড. অনুপ চক্রবর্তী, মাজিগ্রাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কাটোয়া গাছ গ্রুপের কনভেনার সুব্রত কুমার সাহা, শিবনাথ মিস্ত্রী, বুদ্ধদেব ঘোষ, সেলিনা বেগম, দেবব্রত মুখোপাধ্যায়, লক্ষ্মীনারায়ণ রায়,জয়ন্ত সরকার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই কর্মসূচিতে কাটোয়া মহকুমার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের হাতে ৫০০টি ফলজ ও মেহগনি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান” এবং সবুজায়নের বার্তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। কাটোয়া গাছ গ্রুপের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

সেখ রাজু, বলগনা,

আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা উদযাপিত হয় । সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, বলরাম ও সুভদ্রার দ্বারকা থেকে বৃন্দাবন যাত্রার স্মরণে এই উৎসব পালিত হয় । প্রতিবছর মতন এবছরও সাড়ম্বরে ভাতারে রথযাত্রা পালিত হয় । ভাতারের মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রা শুরু হয় । এদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীরা রথের দড়িতে টান দেন । ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফা সহ এলাকার গুণী ব্যক্তিতরা আজকের রথযাত্রায় শামিল হল । বিধায়ক সৌমেন কার্ফা জানান প্রতিবছরই রথযাত্রা উৎসবকে বাংলার পূর্বের সরকার নিজেদের রথ বলে পরিচালিত করত । তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সারম্বরে সাধারণ মানুষ উপেক্ষিত থাকত । আজ তার উল্টো ছবি । সাধারণ মানুষরা সামনে এবং বিজেপি নেতৃত্বরা পেছনে । মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রার শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন ভাতারের ২০২১ এর বিজেপি প্রার্থী মহেন্দ্রনাথ কোনার । সমগ্র রথের এলাকা পরিদর্শন করেন এবং তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির পিঠস্থান । রথের দড়ি টানতে যত পুন্যার্থী অংশগ্রহণ করে, তার থেকে অধিক বেশি পুন্যার্থীর সমাগম ঘটে রাস্তার ধারে । প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রথে হাজার হাজার পুন্যার্থীর উপস্থিতি একতার ছবি ফুটিয়ে তোলে । সকলের সঙ্গে রথযাত্রায় পায়ে পা মেলালেন ভাতারের বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক হাজরা সহ এলাকার বিশিষ্ট গুনিতজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা । প্রতিবছরেই রথযাত্রাকে সামনে রেখে ভাতারে হাজার হাজার পুন্যার্থীদের সমাগম ঘটে । পুণ্যার্থীদের যাতে কোনো রূপ অসুবিধা না হয় সেদিকে যথেষ্ট নজর দাড়ি রাখে ভাতার পুলিশ প্রশাসন এই দাবি রাখলেন সমাজসেবী অশোক হাজরা । পাশাপাশি তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির জায়গা । বিগত সময় মানুষ একসঙ্গে যেরকম থেকে এসেছে, আগামী দিনেও সেই সম্প্রীতি অটুট থাকবে । অজ্ঞাত কোন কারনে ভাতারের আমারুন গ্রামে বিগত ১৫ বছর ধরে রথযাত্রার জৌলুষ হারিয়ে গেলেও এ বছরে সাড়ম্বরে রথযাত্রা পালন করল আমারুণ গ্রামের বাসিন্দারা । রথযাত্রা সমগ্র গ্রাম প্রদক্ষণ করার পাশাপাশি মানুষের আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন রথযাত্রা কমিটির সদস্যরা । রথের দড়ি টেনে সকলের জন্য মঙ্গলকামনা করলেন বিজেপি নেতা বাপ্পা মুখার্জি পাশাপাশি তিনি জানান ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার দূরদৃষ্টিতে সমগ্র ভাতার নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পেয়েছে । সেই দেখানো পথকে সামনে রেখে আগামী দিন একসঙ্গে আমরা চলব । বাবা জগন্নাথের কাছে বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নবাগত কন্যা সন্তানের জন্য আশীর্বাদ চাইলেন ।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।


উপস্থিত রাজ্যের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম সাহেব।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের ধারসোনায় অনুষ্ঠিত হলো জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে
বিশেষ বৈঠক।

মূলত এই রাজ্যে বর্তমানে আলেম ওলামাদের সঠিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে না।
দেশে হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ব বজায় যাতে থাকে তার দাবি তোলা হয় এই বৈঠকে।
সমস্ত ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের বার্তা দেয়া হয় সংবেধান মেনে, আইন মেনে আগামী দিনে পথ চলতে হবে।

এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলী সাহেব, মেম্বার মাওলানা জয়নাল আবেদীন সাহেব ,কেতুগ্রাম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মমতাজ হোসেন, এছাড়াও কাটোয়ার জন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে সভাপতি মাওলানা রহমাতুল্লাহ চৌধুরী, সম্পাদক এইচ,এম নাসির উদ্দিন চৌধুরী , কৈতন মাদ্রাসার শিক্ষক মুক্তি শহীদুল্লাহ সাহেব,সহ এলাকার আড়াইশো মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেন।
এছাড়াও কাটোয়া এলাকার মাদ্রাসার প্রধান রা উপস্থিত ছিলেন।

সবশেষে এলাকায় শান্তির বার্তা দেন
সংগঠনের প্রধান অতিথিরা।

মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

দেওয়াল পত্রিকা প্রকাশ হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরে

হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরে গত ৯ই জুলাই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার এক অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হল বিদ্যালয়ের দেওয়াল পত্রিকা সারস্বতের ‘ পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্কৃতি ‘ সংখ্যা। পত্রিকার এই পর্বটিকে একটি অসাধারণ এবং অনন্য বিন্যাসে সজ্জিত করে প্রকাশ করা হয়। এই মহতী উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন বীজপুর বিধানসভার সম্মানীয় বিধায়ক শ্রী সুদীপ্ত দাস।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক, হালিশহর চক্র, শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয়।

বিদ্যালয় দেওয়াল পত্রিকা স্বারস্বতের ইতিহাস দূর অতীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন সংস্কৃতিমনা শিক্ষকদের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও প্রয়াসে। ইতিহাসের সেই ধারা আজ‌ও বিদ্যালয়ে প্রবাহিত হয় এক‌ই উৎসাহে।

এবারের সংখ্যার বিশেষত্ব‌ এর অনবদ্য বুননশৈলী, যা প্রাথমিকভাবে বিদ্যালয় প্রধান শ্রী সঞ্জীব ঘোষের ভাবনা সঞ্জাত। পরবর্তীতে সেই কাঠামোতে মৃন্ময় রূপদান করেছেন বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক‌ ও শিক্ষাকর্মী।
সময়স্রোতের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীর আপন জন্মভূমিকে গভীরভাবে বুঝে নেওয়ার এবং তাঁর সংস্কৃতিকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তা যে কতখানি তা অনুধাবন করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। মোট দশটি ভাগে সমগ্র রাজ্যের সাংস্কৃতিক মানচিত্র তুলে ধরা হয়। তাতে ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি মনীষী, যাঁরা পৃথিবীতে পশ্চিমবঙ্গের নাম উজ্জ্বল করেছেন, বাংলার উৎসব ও পালাপার্বণ, খাদ্য কুটির শিল্প, সংগীত, লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং বাংলার বিভিন্ন গৌরবময় ঐতিহ্য। সমগ্র বিষয়টিকে বাচ্চাদের হাতে বানানো মডেল, ছবি , লেখা দিয়ে সাজিয়েছিলেন শিক্ষকরা।
মাননীয় বিধায়ক বিদ্যালয়ে এসে রবীন্দ্রনাথের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান মঞ্চে এরপর বিধায়ককে আপ্যায়িত ও সম্বর্ধিত করা হয় একটি সুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। বিদ্যালয় প্রাক্তনী তথা আকাশবাণীর ঘোষিকা ‌শ্রীমতি সংগীতা দত্ত‌ বিধায়কের সামনে হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরের ছাত্র-ছাত্রীদের আকাশবাণীতে অংশগ্রহণ ও সম্মাননা স্মারক প্রাপ্তির বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর সম্মানীয় বিধায়ক তাঁর সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর বক্তব্য পেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক মানুষ হিসাবে গড়ে ওঠার বিষয়টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন।
এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে তিনি প্রদর্শনী কক্ষ তথা ‘ পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্কৃতি ‘ সংখ্যার শুভ উদ্বোধন করেন এবং বিষয়বস্তুর নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেন। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং সর্বতঃভাবে বিদ্যালয়ের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। পরিশেষে তিনি মিড ডে মিল প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন।
মাননীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয় এই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে ছাত্রছাত্রীদের এই রকম সৃজনশীল কাজে আরও অগ্রবর্তী হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগান। সাথে সাথে শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই ধরনের শিক্ষণ-অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রীদের সার্বিক বিকাশমূলক কর্মকান্ডে উজ্জীবিত এবং অনুপ্রানিত করে তোলার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানান।
সমগ্র অনুষ্ঠান শেষ হয় ছাত্র শিক্ষক সমন্বয়ে ‘ বন্দেমাতরম ‘ গাওয়ার মধ্য দিয়ে।