সাম্প্রতিক
চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী

কবিরুল ইসলাম,

গত রবিবার হুগলির চন্দননগর কোর্ট মোড় নৃত্যগোপাল স্মৃতি মন্দিরে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পরিচালনায় বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী উৎসব, সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। ওইদিনের অনুষ্ঠানের প্রথমে বর্তমানের জাতীয় গান- ‘বন্দেমাতরম’ গেয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।
এরপর উদ্বোধনী নৃত্য পরিবেশন করে সোসাইটির ছাত্রী দ্রুতি দাশ। এই নৃত্যের পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি তথা শিক্ষক ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণের ফটোতে মাল্যদান করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি গণিত শিক্ষক মাননীয় শ্রী অনুপম নিয়োগী, প্রধান অতিথি- হুগলী ব্রাঞ্চ স্কুলের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী শুভ্রা ভট্টাচার্য্য, লালবাগান বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী অনিন্দিতা জানা, সংস্থার কর্ণধার শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঋষি অরবিন্দ বালকেন্দ্রম স্কুলের শিক্ষক অমিত হাওলি,এদিন অন্যতম আকর্ষণ হিসাবে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর বিধানসভার বিধায়ক- মাননীয় শ্রী দীপাঞ্জন গুহ মহাশয় এবং চন্দননগরের মণ্ডল সভাপতি- মাননীয়া শ্রীমতী সুনন্দা সাহা সরকার। মাননীয় বিধায়ক ট্যালেন্ট সার্চের মেধা তালিকায় থাকা ছাত্র- ছাত্রীদের হাতে মেমেন্টো, গল্পের বই ও শংসাপত্র পুরস্কার হিসাবে তুলে দেন এবং তিনি ছোট-ছোট ছেলে- মেয়েদের নিজ হাতে পুরস্কৃত করতে পেরে খুব খুশী হয়েছেন।মাননীয় বিধায়ককে চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে ব্যাজ,চন্দনের টিপ ও গোলাপ ফুল দিয়ে এবং ছোট স্মারক উপহার দিয়ে বরণ করেন সংস্থার কর্ণধার মাননীয় শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও তাঁর স্ত্রী সুচরিতা দত্ত রায়।
ওইদিনের অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করে সোসাইটির এক ক্ষুদে ছাত্র তৃতীয় শ্রেণীর শ্রীমান আদিত্য হালদার ও তাকে তবলায় সঙ্গত করে সোসাইটির আরেক ক্ষুদে ছাত্র চতুর্থ শ্রেণীর শ্রীমান পার্থিব ঘোষ। প্রতিবারের মতো এদিনও দুটি পর্বে ভাগ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পৃথক-পৃথক পরীক্ষা ভিত্তিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয় এবং পুরস্কার প্রাপক ছাত্র-ছাত্রীরাই মনোরম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলো পরিবেশন করে।
গতবছরের কলেজ স্ট্রীট ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার বাংলা- ইংরাজী মাধ্যম, বিধান শিশু উদ্যান (BSU) মাধ্যমিক মক টেস্টের ১ম-৫ম স্থানাধিকারী এবং ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কলারশিপ পরীক্ষার ১ম-৬ষ্ঠ স্থানাধিকারী ও অন্যান্য সফল ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে প্রায় ১০০জনকে গল্পের বই, শংসাপত্র, আর্থিক পুরস্কার, মেমেন্টো ও স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্রোঞ্জ পদক দ্বারা পুরস্কৃত করা হয়। সাথে-সাথে বিধান শিশু উদ্যান মাধ্যমিক মক টেস্টের সকল পুরস্কার প্রাপকরা স্টেজে উঠার পর তাদেরকে চন্দনের ফোঁটা, গোলাপ ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়াও, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকা সৃঞ্জনার হাতে তাদের নাম লেখা ছোট স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয় চন্দননগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে।
এদিন অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চন্দননগর ঋষি অরবিন্দ বালকেন্দ্রম স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অমিত হাওলি, চন্দননগর কানাইলাল বিদ্যামন্দির (ইংরাজী বিভাগ)-এর শিক্ষক মাননীয় শ্রী সৌরভ মুখার্জী, চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের শিক্ষিকা মাননীয়া শ্রীমতী মৌমিতা দে চ্যাটার্জী, বাঁশবেড়িয়া হাই স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অরুণ মুখোপাধ্যায়, ইছাপুর নবাবগঞ্জ শ্রীধর বংশীধর হাই স্কুলের শিক্ষক মাননীয় শ্রী অভিষেক ব্যানার্জী, বিধান শিশু উদ্যানের ইংরাজী শিক্ষক মাননীয় শ্রী জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী, চন্দননগর ঊষাঙ্গিনী বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বর্ণালী নাথ ভট্টাচার্য্য, কাশীশ্বরী পাঠশালার প্রধানা শিক্ষিকা- মাননীয়া সরমা কুণ্ডু ঘোষাল, গৃহ শিক্ষিকা অনুশ্রী দাস, চন্দরনগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা মাননীয় শ্রী নব কুমার চ্যাটার্জী, পোলবা বেলগড়িয়া আদিবাসী প্রাইমারী স্কুলের ভারপ্রাপ্ত শিক্ষক সেখ হাবিবুর রহমান, বেহালা কন্যাশ্রী কলেজের অধ্যাপক মাননীয় শ্রী বিমল কুমার শেঠ, কলকাতা বিধান শিশু উদ্যান মক টেস্টের কার্যকরী কমিটির সদস্য মাননীয় নাসিমূল হক এবং সমস্ত অতিথিদেরকে ব্যাজ, চন্দনের ফোঁটা, গোলাপ ফুল দিয়ে, উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। এছাড়াও, এদিন উদ্যানের পক্ষ থেকে মাননীয় বিধায়ক সহ সমস্ত অতিথিদের হাতে বিধান শিশু উদ্যান দ্বারা প্রকাশিত বেশ কিছু বই সহ একটি সুদৃশ্য হাত ব্যাগ।ওইদিন চন্দরনগর ট্যালেন্ট সার্চ সোসাইটির পক্ষ থেকে বিধান শিশু উদ্যানের জন্য একটি স্মারক মেমেন্টো তুলে দেওয়া হয় উদ্যানের কার্যকরী কমিটির সদস্য নাসিমূল হক মহাশয়ের হাতে।এইবছর BSU মক টেস্টের শ্রেষ্ঠ ছাত্র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে গতবছরের মক টেস্ট পরীক্ষার্থী চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শ্রীমান নীলোৎপল জানা ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর সেন্ট এ্যান্টনীজ স্কুলের ছাত্রী তথা গতবছরের মক টেস্ট পরীক্ষার্থী শ্রেষ্ঠা ঘোষ; এদের সাথেই বিগত ৫বছর বা, ততোধিক যাবৎ বিভিন্ন ধরনের ট্যালেন্ট সার্চ পরীক্ষার শ্রেষ্ঠ ছাত্র নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর শ্রী অরবিন্দ বিদ্যামন্দিরের ছাত্র শ্রীমান রাজদীপ শেঠ ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী নির্বাচিত হয়েছে চন্দননগর কৃষ্ণভাবিনী নারী শিক্ষা মন্দিরের পিউ গেঁড়ি-এই শ্রেষ্ঠ ছাত্র- ছাত্রীদের সকলকে সোসাইটির পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা জ্ঞাপন ও পৃথকভাবে মানপত্র (অভিজ্ঞান সম্মাননা) প্রদান করা হয়। এই মানপত্র গুলো প্রদান করে গতবছরের মক টেস্টের শ্রেষ্ঠ ছাত্র দেবস্মিত সাধু ও শ্রেষ্ঠ ছাত্রী বর্ণি চ্যাটার্জী। সমগ্ৰ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিল সোসাইটির ছাত্রী কুমারী সৃঞ্জনা দাস; অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংস্থার কর্ণধার তথা সম্পাদক শ্রী সঞ্জয় দত্ত রায় ও তাঁর স্ত্রী সুচরিতা দত্ত রায় এবং অতিথিদের হাতে পুরস্কারগুলো তুলে দিয়ে সহযোগিতা করে সোসাইটির ক্ষুদ্র সদস্য শ্রীমান সত্যজিত দত্ত রায়।
সবশেষে জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন অধিনায়ক জয় হে’ দিয়ে সমাপ্ত হয় এবং সমাপ্তি ঘোষণা করেন অন্যতম অতিথি বেহালা কন্যাশ্রী কলেজের অধ্যাপক বিমল কুমার শেঠ মহাশয়।

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার


সেখ মিলন ( ভাতাড় )

পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে দিন কয়েক আগে বিজেপি ও সিপিআইএমের মধ্যে অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলে রবিবার বিকেলে কাশিপুর এলাকায় মহামিছিল করল বিজেপি। ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নেতৃত্বে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে শুরু হয় এই মিছিল। পরে মিছিলটি কাশিপুর এলাকায় পৌঁছয়। সেখানে পথসভার মাধ্যমে সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সিপিআইএমের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় লাল ঝান্ডা পুঁতে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। যদিও সিপিআইএমের দাবি, সেই সময় বিজেপির লোকজন জড়ো হয়ে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে, ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার অভিযোগ, ওরগ্রামে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিতে এরুয়ার থেকে দুই বিজেপি কর্মী আসছিলেন। তাঁদের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় থাকায় সিপিআইএম কর্মীরা তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, দেবনাথ বাগদি নামে এক কর্মীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
এদিনের পথসভা থেকে বিধায়ক সৌমেন কার্ফা বলেন, সরকারি খাস জমি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের। প্রয়োজনে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু সিপিআইএমকে খাস জমি দখল করার অধিকার কে দিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন।
বিজেপির দাবি, এদিনের মহামিছিলে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন চারটি মণ্ডলের সভাপতি-সহ বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
তবে এলাকায় কোনরুপ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর ছিল পুলিশ প্রশাসন। ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় মোতায়েন ছিল ভাতাড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।


অভিনব উদ্যোগে খুশি ভাতার ও মঙ্গলকোট এলাকার মানুষজন।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের এরুয়ার গ্রামের বাসিন্দা তানবীর‌ আনসারী তিনি বিবাহ করছেন মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের প্রিয়া চৌধুরীকে।
আজ তার শুভ বিবাহ।
বিবাহ অনুষ্ঠান হয় মঙ্গলকোটের নতুনহাট সাথী অনুষ্ঠান ভবনে।
সেই বিবাহ অনুষ্ঠানে বেশ কিছু অভিনব কর্মসূচি করল তানভীর।
অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রায় ১০০ টি চারা গাছ রোপন করলেন তিনি।
দুস্ত কিছু গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা পেন বিতরণ করেন।

এছাড়াও সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচিকে সামনে রেখে পথ চলতি বেশ কিছু মানুষকে নতুন হেলমেট তুলে দেন।
নতুন বরকে এই কর্মসূচিতে দেখে খুশি এলাকার মানুষ।
এক কোনে পক্ষ জানায় এরকম বিবাহ অনুষ্ঠানে প্রথম এলাম।
তানবির বলেন,
আমি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে ভালোবাসি।
আজ আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায় এরকম কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমাকে খুব ভালো লাগছে।।

ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে গিয়ে হঠাতই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার সাথে সাক্ষাৎ করলেন রামপুরহাট বিধানসভার বিজেপির বিধায়ক ধ্রুব সাহা। সঙ্গে ছিলেন মহিলা সাভানেত্রী রেশমি দে সহ আরো অন্যান্য বিজেপির কার্যকর্তা গন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে তার শারীরিক খোঁজ খবর নেন পাশাপাশি প্রয়োজনে তিনি সব রকম সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। মামা অনিল মুখোপাধ্যায় জানান খুব ভালো লাগলো ভালো লোক ভালোভাবে রাজ্য চালাক এই আশীর্বাদ করলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মামা জানান ১৫ বছর আপনার ভাগ্নি রাজ্য চালিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এখন তিনি হেরে গেছেন কি বলবেন এ বিষয়ে তিনি উত্তরে জানান মানুষ ভোট দেয়নি তাই হেরে গেছেন। এরাও ভালোভাবে পাঁচ বছর চালাক তাহলে আবার এরাই হবে। আপনার নাতির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্যই দল নাকি হেরেছে বলে ঋতব্রত ও অনুব্রত মণ্ডল রা বলছেন সবই শুনছি লোকে যা বলছে, শুনতে হচ্ছে ,আমাদের আর কি বলার আছে। এর জন্য কে দায়ী তা আমি বলতে পারব না।

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের তারাপীঠ সংলগ্ন তারাপুরে নতুন দিগন্ত ক্লাবের উদ্যোগে অনুর্ধ ১৮ আন্তঃ বিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধনে উপস্থিত তারাপীঠের নতুন মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল ব্যানার্জি ও সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জী সহ আরো অনান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

কৌশিক গাঙ্গুলী বীরভূম।

রথের উৎসবে যখন মেতে উঠেছিল গোটা শহর, ঠিক সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে ঘটল এক ভয়াবহ ঘটনা। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে সর্বস্বান্ত হলো একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে দুবরাজপুর পৌরসভার আনন্দকানন এলাকায়। জানা যায়, রথের দিন বিকেল ৫টা নাগাদ ব্যবসায়ী তপন মণ্ডলের স্ত্রী জবা মণ্ডল রথ দেখতে বেরিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরেই তাদের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলও বাড়ির দরজা তালাবন্ধ করে রথ দেখতে যান। আনন্দমুখর পরিবেশে তখন সবাই যখন উৎসবে ব্যস্ত, তখনই চোরেরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে জবা মণ্ডল বাড়ি ফিরে দেখেন, বাড়ির দরজা ভাঙা। ঘরের ভেতরে ঢুকতেই তাঁর পায়ের তলার মাটি সরে যায়।
​প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বড় রড দিয়ে রান্নাঘরের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর বাড়ির মূল দরজার চাবি খুঁজে বের করে তালা খোলে এবং খাটের তোশকের নিচে রাখা আলমারির চাবির সাহায্যে একের পর এক আলমারি খুলে তছনছ করে। সব শেষে প্রায় ৬ ভরি সোনার গহনা এবং ১০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।
​উল্লেখ্য, আগামী ২রা আগস্ট তপন মণ্ডলের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলের বিয়ে। মেয়ের বিয়ের জন্য জমানো সোনার গহনা ও নগদ টাকা চুরি যাওয়ায় দিশেহারা মণ্ডল পরিবার। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে এমন ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।
খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুবরাজপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন দুবরাজপুরের সিআই শুভাশিস হালদার। চোরেরা ঠিক কীভাবে সব চাবি ও গহনার হদিশ পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সবদিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।
​

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম:
বীরভূম জেলার ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুয়ো লটারির কারবার নিয়ে অভিযোগ উঠছে। কখনও ঝাড়খণ্ড, কখনও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অজয় নদ পেরিয়ে খয়রাসোল ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় জাল লটারির টিকিট পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি পুলিশের কড়া নজরদারির ফলে এই অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।
শুক্রবার কাঁকরতলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) আব্দুল হানিফের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের জাল লটারির টিকিট উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় যে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দিক থেকে অজয় নদ পেরিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী খয়রাসোল ব্লকের হজরতপুর এলাকায় বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করছে। খবর পাওয়া মাত্রই হজরতপুর-নবসন রোড এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু করে কাঁকরতলা থানার পুলিশ।
হজরতপুর রেলওয়ে সাইডিংয়ের কাছে ওত পেতে থাকা পুলিশ সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলটিকে আটকায়। তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেল থেকে বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত টিকিট এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
ধৃতের নাম শেখ সাইফুল ওরফে বান্টি(২৫) । তার বাড়ি কাঁকরতলা থানার বড়রা গ্রামে। পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি একটি বৃহত্তর আন্তঃজেলা জাল লটারি পাচারচক্রের অংশ। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর নেপথ্যে কোনও বড় মাথা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কাঁকরতলা থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শনিবার ধৃত শেখ সাইফুলকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকার এই জাল লটারির ব্যবসার শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর জেলার মানুষের।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,দাঁইহাট : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শনিবার কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সচেতনতামূলক র‍্যালি এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র স্কাউট অ্যান্ড গাইডস গ্রুপের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় চত্বর ও সংলগ্ন এলাকা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়ার বিধায়ক কৃষ্ণ ঘোষ, কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার ব্রজ বিলাস সেন, দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোহর দাস, সর্পবন্ধু তন্ময় ঘোষ, পরিবেশবন্ধু অর্নব দাস এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বনকর্মী কৌশিক মুখার্জী।
সাংস্কৃতিক পর্বে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নেয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের অংশগ্রহণে “একটি গাছ, অনেক প্রাণ” শীর্ষক পরিবেশ সচেতনতামূলক উপস্থাপনা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের গুরুত্ব নানা সৃজনশীল পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ ও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের মঞ্চ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।
ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহী অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান আয়োজকরা।
কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসীরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান উপস্থিত সকলে।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে কাটোয়ায় চারাগাছ বিতরণ

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে কাটোয়ায় চারাগাছ বিতরণ

রাহুল রায়,কাটোয়া : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার কাটোয়া সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয় এবং কাটোয়া গাছ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনে চারাগাছ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া এআই (স্কুলস) ড. অনুপ চক্রবর্তী, মাজিগ্রাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কাটোয়া গাছ গ্রুপের কনভেনার সুব্রত কুমার সাহা, শিবনাথ মিস্ত্রী, বুদ্ধদেব ঘোষ, সেলিনা বেগম, দেবব্রত মুখোপাধ্যায়, লক্ষ্মীনারায়ণ রায়,জয়ন্ত সরকার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই কর্মসূচিতে কাটোয়া মহকুমার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের হাতে ৫০০টি ফলজ ও মেহগনি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান” এবং সবুজায়নের বার্তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। কাটোয়া গাছ গ্রুপের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

সেখ রাজু, বলগনা,

আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা উদযাপিত হয় । সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, বলরাম ও সুভদ্রার দ্বারকা থেকে বৃন্দাবন যাত্রার স্মরণে এই উৎসব পালিত হয় । প্রতিবছর মতন এবছরও সাড়ম্বরে ভাতারে রথযাত্রা পালিত হয় । ভাতারের মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রা শুরু হয় । এদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীরা রথের দড়িতে টান দেন । ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফা সহ এলাকার গুণী ব্যক্তিতরা আজকের রথযাত্রায় শামিল হল । বিধায়ক সৌমেন কার্ফা জানান প্রতিবছরই রথযাত্রা উৎসবকে বাংলার পূর্বের সরকার নিজেদের রথ বলে পরিচালিত করত । তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সারম্বরে সাধারণ মানুষ উপেক্ষিত থাকত । আজ তার উল্টো ছবি । সাধারণ মানুষরা সামনে এবং বিজেপি নেতৃত্বরা পেছনে । মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রার শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন ভাতারের ২০২১ এর বিজেপি প্রার্থী মহেন্দ্রনাথ কোনার । সমগ্র রথের এলাকা পরিদর্শন করেন এবং তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির পিঠস্থান । রথের দড়ি টানতে যত পুন্যার্থী অংশগ্রহণ করে, তার থেকে অধিক বেশি পুন্যার্থীর সমাগম ঘটে রাস্তার ধারে । প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রথে হাজার হাজার পুন্যার্থীর উপস্থিতি একতার ছবি ফুটিয়ে তোলে । সকলের সঙ্গে রথযাত্রায় পায়ে পা মেলালেন ভাতারের বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক হাজরা সহ এলাকার বিশিষ্ট গুনিতজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা । প্রতিবছরেই রথযাত্রাকে সামনে রেখে ভাতারে হাজার হাজার পুন্যার্থীদের সমাগম ঘটে । পুণ্যার্থীদের যাতে কোনো রূপ অসুবিধা না হয় সেদিকে যথেষ্ট নজর দাড়ি রাখে ভাতার পুলিশ প্রশাসন এই দাবি রাখলেন সমাজসেবী অশোক হাজরা । পাশাপাশি তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির জায়গা । বিগত সময় মানুষ একসঙ্গে যেরকম থেকে এসেছে, আগামী দিনেও সেই সম্প্রীতি অটুট থাকবে । অজ্ঞাত কোন কারনে ভাতারের আমারুন গ্রামে বিগত ১৫ বছর ধরে রথযাত্রার জৌলুষ হারিয়ে গেলেও এ বছরে সাড়ম্বরে রথযাত্রা পালন করল আমারুণ গ্রামের বাসিন্দারা । রথযাত্রা সমগ্র গ্রাম প্রদক্ষণ করার পাশাপাশি মানুষের আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন রথযাত্রা কমিটির সদস্যরা । রথের দড়ি টেনে সকলের জন্য মঙ্গলকামনা করলেন বিজেপি নেতা বাপ্পা মুখার্জি পাশাপাশি তিনি জানান ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার দূরদৃষ্টিতে সমগ্র ভাতার নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পেয়েছে । সেই দেখানো পথকে সামনে রেখে আগামী দিন একসঙ্গে আমরা চলব । বাবা জগন্নাথের কাছে বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নবাগত কন্যা সন্তানের জন্য আশীর্বাদ চাইলেন ।