সাম্প্রতিক
আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।


উপস্থিত রাজ্যের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম সাহেব।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের ধারসোনায় অনুষ্ঠিত হলো জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে
বিশেষ বৈঠক।

মূলত এই রাজ্যে বর্তমানে আলেম ওলামাদের সঠিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে না।
দেশে হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ব বজায় যাতে থাকে তার দাবি তোলা হয় এই বৈঠকে।
সমস্ত ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের বার্তা দেয়া হয় সংবেধান মেনে, আইন মেনে আগামী দিনে পথ চলতে হবে।

এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলী সাহেব, মেম্বার মাওলানা জয়নাল আবেদীন সাহেব ,কেতুগ্রাম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মমতাজ হোসেন, এছাড়াও কাটোয়ার জন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে সভাপতি মাওলানা রহমাতুল্লাহ চৌধুরী, সম্পাদক এইচ,এম নাসির উদ্দিন চৌধুরী , কৈতন মাদ্রাসার শিক্ষক মুক্তি শহীদুল্লাহ সাহেব,সহ এলাকার আড়াইশো মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেন।
এছাড়াও কাটোয়া এলাকার মাদ্রাসার প্রধান রা উপস্থিত ছিলেন।

সবশেষে এলাকায় শান্তির বার্তা দেন
সংগঠনের প্রধান অতিথিরা।

মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

দেওয়াল পত্রিকা প্রকাশ হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরে

হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরে গত ৯ই জুলাই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার এক অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হল বিদ্যালয়ের দেওয়াল পত্রিকা সারস্বতের ‘ পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্কৃতি ‘ সংখ্যা। পত্রিকার এই পর্বটিকে একটি অসাধারণ এবং অনন্য বিন্যাসে সজ্জিত করে প্রকাশ করা হয়। এই মহতী উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন বীজপুর বিধানসভার সম্মানীয় বিধায়ক শ্রী সুদীপ্ত দাস।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক, হালিশহর চক্র, শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয়।

বিদ্যালয় দেওয়াল পত্রিকা স্বারস্বতের ইতিহাস দূর অতীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন সংস্কৃতিমনা শিক্ষকদের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও প্রয়াসে। ইতিহাসের সেই ধারা আজ‌ও বিদ্যালয়ে প্রবাহিত হয় এক‌ই উৎসাহে।

এবারের সংখ্যার বিশেষত্ব‌ এর অনবদ্য বুননশৈলী, যা প্রাথমিকভাবে বিদ্যালয় প্রধান শ্রী সঞ্জীব ঘোষের ভাবনা সঞ্জাত। পরবর্তীতে সেই কাঠামোতে মৃন্ময় রূপদান করেছেন বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক‌ ও শিক্ষাকর্মী।
সময়স্রোতের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীর আপন জন্মভূমিকে গভীরভাবে বুঝে নেওয়ার এবং তাঁর সংস্কৃতিকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তা যে কতখানি তা অনুধাবন করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। মোট দশটি ভাগে সমগ্র রাজ্যের সাংস্কৃতিক মানচিত্র তুলে ধরা হয়। তাতে ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি মনীষী, যাঁরা পৃথিবীতে পশ্চিমবঙ্গের নাম উজ্জ্বল করেছেন, বাংলার উৎসব ও পালাপার্বণ, খাদ্য কুটির শিল্প, সংগীত, লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং বাংলার বিভিন্ন গৌরবময় ঐতিহ্য। সমগ্র বিষয়টিকে বাচ্চাদের হাতে বানানো মডেল, ছবি , লেখা দিয়ে সাজিয়েছিলেন শিক্ষকরা।
মাননীয় বিধায়ক বিদ্যালয়ে এসে রবীন্দ্রনাথের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান মঞ্চে এরপর বিধায়ককে আপ্যায়িত ও সম্বর্ধিত করা হয় একটি সুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। বিদ্যালয় প্রাক্তনী তথা আকাশবাণীর ঘোষিকা ‌শ্রীমতি সংগীতা দত্ত‌ বিধায়কের সামনে হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরের ছাত্র-ছাত্রীদের আকাশবাণীতে অংশগ্রহণ ও সম্মাননা স্মারক প্রাপ্তির বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর সম্মানীয় বিধায়ক তাঁর সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর বক্তব্য পেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক মানুষ হিসাবে গড়ে ওঠার বিষয়টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন।
এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে তিনি প্রদর্শনী কক্ষ তথা ‘ পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্কৃতি ‘ সংখ্যার শুভ উদ্বোধন করেন এবং বিষয়বস্তুর নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেন। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং সর্বতঃভাবে বিদ্যালয়ের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। পরিশেষে তিনি মিড ডে মিল প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন।
মাননীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয় এই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে ছাত্রছাত্রীদের এই রকম সৃজনশীল কাজে আরও অগ্রবর্তী হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগান। সাথে সাথে শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই ধরনের শিক্ষণ-অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রীদের সার্বিক বিকাশমূলক কর্মকান্ডে উজ্জীবিত এবং অনুপ্রানিত করে তোলার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানান।
সমগ্র অনুষ্ঠান শেষ হয় ছাত্র শিক্ষক সমন্বয়ে ‘ বন্দেমাতরম ‘ গাওয়ার মধ্য দিয়ে।

বীরভূম থেকে বিশ্ববাজারে: বাংলার ক্ষুদ্র শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করছে বিএসআই

বীরভূম থেকে বিশ্ববাজারে: বাংলার ক্ষুদ্র শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করছে বিএসআই

বোলপুর বাংলার ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের অধীনস্থ ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিএসআই) শুক্রবার বোলপুরের গীতাঞ্জলি কালচারাল কমপ্লেক্সে একটি এমএসএমই সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করে। এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ফ্যাসিলিটেশন অফিস (এমএসএমই-ডিএফও), দুর্গাপুর-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল গুণমান, মান নির্ধারণ এবং সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তোলা।

এই কর্মসূচিতে বীরভূম ও আশপাশের জেলার শতাধিক উদ্যোক্তা, কারিগর, উৎপাদক এবং শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে চালকল, প্যাকেজড পানীয় জল, পর্যটন, হস্তশিল্প, কাঁথা শিল্প, বাঁশজাত পণ্য, কলার তন্তু, সিমেন্ট, পরিবেশবান্ধব জৈব-বিয়োজ্য স্যানিটারি পণ্য-সহ একাধিক উদীয়মান শিল্পের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিএসআই এবং কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা জানান, ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস এবং বিএসআই সার্টিফিকেশন গ্রহণ করলে এমএসএমই সংস্থাগুলি তাদের পণ্যের গুণমান আরও উন্নত করতে পারবে, ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করবে, নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে এবং রপ্তানির সম্ভাবনাও বাড়বে। এছাড়াও, কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার-এ পরীক্ষাগার গড়ে তোলার জন্য সরকারের আর্থিক সহায়তার বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়। এর ফলে শিল্প ক্লাস্টারগুলির পরীক্ষণ ও গুণমান যাচাইয়ের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসআই-এর ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (ল্যাবরেটরিজ) নিশাত সুলতানা হক, বিএসআই পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ড. মীনাক্ষী গণেশন, বীরভূমের অতিরিক্ত জেলা শাসক (এডিএম) শুভম আগরওয়াল (আইএএস), বোলপুরের মহকুমা শাসক (এসডিও) অনিমেষ কান্তি মান্না (ডব্লিউবিসিএস-এক্সিকিউটিভ), এমএসএমই-ডিএফও, কলকাতার ডিরেক্টর প্রদীপ কুমার দাস (আইইডিএস)-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।

কারিগরি অধিবেশনগুলিতে বিএসআই সার্টিফিকেশন পাওয়ার পদ্ধতি, এমএসএমইগুলির জন্য বিশেষ ছাড়, ক্লাস্টারভিত্তিক পরীক্ষাগারের স্বীকৃতি এবং বিভিন্ন সরকারি সহায়তা প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শেষে দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশেষজ্ঞরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলার স্থানীয় শিল্পকে জাতীয় মান বজায় রাখতে এবং একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে নিজেদের জায়গা করে নিতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে বিএসআই-এর অঙ্গীকার আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

গড় রাইপুর হাই স্কুল থেকে কাঠ পাচারের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গড় রাইপুর হাই স্কুল থেকে কাঠ পাচারের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া;-রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে ছয়টা নাগাদ রাইপুর হাই স্কুল থেকে একটি ইঞ্জিনভ্যান বেশ কিছু কাঠের গুড়ি নিয়ে বেরিয়ে এলে স্থানীয় লোকজন তা দেখে ইঞ্জিন ভ্যানটিকে আটক করে তারা জানতে চান এ কাঠগুলি কোথায় যাবে এবং কে স্কুল থেকে বের করতে বলেছেন? ইঞ্জিন ভ্যানচালক তাদের বলে স্কুলের হেডমাস্টারমশাই মধু বাবু তাকে এই কাঠগুলি মিলে নিয়ে যেতে বলেছেন। তখন তারা বলেন কি কাগজ আছে দেখি ভ্যান চালক কোন কাগজ দেখাতে পারেননি ফলে স্থানীয় লোকজন রাইপুর থানা গোড়া বাস স্ট্যান্ডে ইঞ্জিন ভ্যান সহ চালককে আটকে রাখা হয় এবং পুলিশে ও মটগোদা রেঞ্জ অফিসে খবর দেওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে রাইপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্হলে পৌঁছে যানএবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। ভ্যান চালকের কাছে জানতে চান কাঠ গুলি কার অনুমতিতে স্কুল থেকে বাইরে নিয়ে এসেছেন? কোথায় যাবে? ভ্যান চালক পুলিশকে জানায় কাঠগুলি মিলে নিয়ে যাওয়া হবে। কি কাগজ রয়েছে জানতে চাইলে ভ্যান চালক কোন কাগজ দেখাতে পারেননি।পুলিশ কাঠগুলি মিলে নিয়ে যাওয়া সম্পর্কে কোন কাগজ ভ্যানচালকের হাতে নেই তাই পুলিশ রেঞ্জ অফিসের লোকজন আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন এবং বলেন অফিসার যা ভালো বুঝবেন তাই হবে । কিছুক্ষণের মধ্যে মটগোদা রেঞ্জ অফিস থেকে বিট অফিসার ও বন বিভাগের কর্মীরা থানাগোড়া বাসস্ট্যান্ডে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান এবং কাঠ ভর্তিভ্যান গাড়িটিকে চালাক সহ মটগোদা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে যান।
ভ্যান চালকরা প্রধান শিক্ষককে ডাকলে তিনি যখন ঘটনাস্থলে আসেন ততক্ষণে বিট অফিসার গাড়িটিকে ঘটনা স্থল থেকে নর্মদার দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। স্থানীয় মানুষজন এই কাঠ গুলি নিয়ে যাওয়া সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চান কমিটির কোন রেজুলেশন আছে কিনা তিনি তখন বলেন হ্যাঁ রেজুলেশন করা আছে জনতা তখন বলেন আপনি তাহলে রেজুলেশন কপি আমাদের দেখান। সকলে মিলে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে হাজির হলে তিনি কোন রকম রেজুলেশন কপি দেখাতে পারেননি। ফলে উত্তেজিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা পুলিশের হস্তক্ষেপে সকলকে শান্ত করানো হয়।তিনি কোন রকম রেজুলেশন দেখাতে না পারায় তার কাছ থেকে একটি মুচলেখা নিয়ে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মধু বাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন কাঠগুলি চেরাই করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এগুলি স্কুলের কাজেই ব্যবহার হতো। স্থানীয়দের অভিযোগ এই কাঠের গুড়ি গুলি উনি অন্যত্র পাচার করতে চাইছিলেন সে জন্যই আজ রবিবার ছুটির দিনে বিকেলবেলায় এগুলি উনি ইঞ্জিনভ্যান করে অন্যত্র পাঠাবার চেষ্টা করছিলেন। স্থানীয় অধিবাসী রতন রজক বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মধুবাবু বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে জড়িত এই কাঠগুলিও উনি পাচার করে বিক্রি করতে চাইছিলেন। কিন্তু আমাদের চোখে পড়ে যাওয়ায় কাঠের ইঞ্জিন ভ্যান আটক করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য খাতড়া শহরে।

সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য খাতড়া শহরে।

সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:-রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী তথা রানিবাঁধের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসের জ্যোৎস্না মাণ্ডির খাতড়া বাজারের পাম্প মোড়ে অবস্থিত বিধায়ক কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আজ শনিবার দুপুরে বিজেপির কর্মীসমর্থক সহ এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ওই বিধায়কূ কার্যালয়ের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন। তাদের দাবি, ভিতরে ঢুকে তারা বস্তা বস্তা সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, জামাকাপড়, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ ট্রাই সাইকেল সহ বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে পান। এছাড়াও একাধিক লাঠি, তরোয়াল, গর্ভনিরোধক প্যাকেটও অন্যান্য জিনিসপত্রও সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে তাদের দাবি।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বর্ষার মরশুমে বহু মানুষ একটি ত্রিপলের জন্য হাহাকার করছেন। অথচ সরকারি ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে ওই কার্যালয়ে মজুত করে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা সেখানে গিয়ে এই সামগ্রী উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার হওয়া সরকারি সামগ্রী ব্লক প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপভোক্তারা সেগুলির সুবিধা পান। বিজেপি নেতৃত্বের আরও অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক লাঠি বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং বিজেপি কর্মীদের মারধরের জন্য মজুত করে রাখা হয়েছিল।

স্থানীয় কয়েকজন মহিলার অভিযোগ, তারা একাধিকবার ত্রিপল, কম্বল সহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার জন্য আবেদন করলেও কিছুই পাননি বরবাদ মন্ত্রীর কাছে ত্রিপল চাইতে এসে বিনা হাতে ফিরে যেতে হয়েছে। অথচ আজ হাজার হাজার ত্রিপল উদ্ধার হচ্ছে তার গোডাউন থেকে। মানুষকে না দেওয়ার ফল ভোগ করতে হচ্ছে আজ।

ঘটনারখবর পেয়ে খাতড়ার এসডিপিও আকতার আলী সহ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এলাকায় ভিড় জমায় প্রচুর মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ঘটনার জেরে খাতড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এবিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডির সাথে ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি ফলে তার প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,বর্ধমান : মহিলাদের বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে নতুন দিশা দেখাচ্ছে ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড। দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ালো ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড।

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে একটি সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব বর্ধমানের বিজয়রামের সুষমা ম্যানশন লজে।

বর্ধমান ও বীরভূম জেলার কয়েকজন দুঃস্থ মাধ্যমিকে কৃতি পড়ুয়াদের কলারসিফের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র এবং প্রান্তিক মানুষকে সংঘবদ্ধ করে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন করা, সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। সদস্যদের একে অপরকে সহযোগিতা করা এবং যৌথভাবে সমস্যা সমাধানে উৎসাহিত করা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মহিলা থানার আইসি কবিতা দাস, বর্ধমান সাইবার শাখার অফিসার সুখেন্দু মোদক,ব্যাংক ম্যানেজার দিব্যেন্দু চ্যাটার্জী,ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর রাজ্যের জোনাল ম‍্যানেজার সৌম্যদীপ্ত দাস,ডিভিশনাল ম্যানেজার মানবেন্দ্র মালাকার,বর্ধমান এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার মনোতোষ রায়,বর্ধমান ব্রাঞ্চের প্রতিনিধি অলোক দাস,আকাশ ঘোষ সহ ব্রাঞ্চ-এর সকল কর্মীরা।

এই শিবিরে প্রায় ৩০০জন মহিলা হাজির হয়েছিল।
মহিলাদের স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছে এই কোম্পানি। এই কম্পানির থেকে লোন নিয়ে উপকৃত হয়েছে বেশকিছু মহিলাদের হাতে বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে আর্থিক বৃদ্ধির জন্যে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। কার্টুন ভিডিওর মাধ্যমে সচেতনতার বার্তাও তুলে ধরা হয়।

মহিলাদের ঋণের অ্যাক্সেস,বীমা,সঞ্চয় কর্মসূচি,ডিজিটাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা,ঋণ শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল ঋণ গ্রহণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর পাশাপাশি সাবাই প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বর্তমান সময়ে এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

চালকলের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, রায়নায় লরি আটক, তদন্তে পুলিশ

চালকলের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, রায়নায় লরি আটক, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার গোপালপুর এলাকার মা ভবানী রাইস মিল চালকলে প্রতারণার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, চালকলের মালিকের অজান্তেই তাঁর মিলের নাম ব্যবহার করে চাল সরবরাহে অনিয়ম ও প্রতারণার চেষ্টা চলছিল।
চালকল কর্তৃপক্ষের দাবি, গত ৩ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ৭টা নাগাদ বর্ধমানের একটি গদির মাধ্যমে WB25H8061 নম্বরের একটি লরি তাদের মিলে আসে। ওই লরিতে মিলের জন্য ৮ টন চাল সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু গাড়িটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাতে আগে থেকেই প্রায় ১০ টন চাল বোঝাই রয়েছে।
এসময় চালকলের মালিকের নজরে আসে, গাড়িতে তাঁর ব্র্যান্ডের ‘কিশোরভোগ’ নামে বস্তাবন্দি চাল লোড করা রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি গাড়ির চালক ও খালাসিকে ওই চাল কোথা থেকে লোড করা হয়েছে জানতে চান। অভিযোগ, তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন।
এরপর ৪ জুলাই বিকেলে চালকল কর্তৃপক্ষ রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ লরিটির নম্বর ধরে তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ গাড়িটিকে থানায় নিয়ে যায় এবং চালক ও খালাসিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
চালকল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তাঁদের ব্র্যান্ডের নকল বস্তায় কোথা থেকে চাল ভরা হয়েছে এবং এর প্রকৃত উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে চালের উৎস, বস্তার সত্যতা এবং সম্ভাব্য প্রতারণা চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খোঁজার কাজ চলছে।

গন্ধবনিক সমাজ ওবিসি সংরক্ষণ দাবি।

গন্ধবনিক সমাজ ওবিসি সংরক্ষণ দাবি।


সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানার অন্তর্গত বান্দোয়ানে রাজমহল ইন এ ভারতীয় গন্ধবণিক সমাজ কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বান্দোয়ান শাখার সহযোগিতায় এক বিশেষ ওবিসি সংক্রান্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন গন্ধবনিক সমাজের সভাপতি রামপ্রসাদ বাবু আশিস দে মহাশয় সম্পাদক ও প্রদীপ চন্দ্র, বান্দোয়ান শাখা সমিতির সভাপতি সঞ্জয় হালদার সম্পাদক চিত্তরঞ্জন হালদার এবং সকল সদস্যগণ ও বান্দোয়ান বিধানসভার সমস্ত গন্ধবনিক সমাজের প্রতিনিধিগণ উক্ত সবার থেকে বার্তা দেওয়া হয় যে ওবিসি সংরক্ষণের যে সরকার আইন সেখানে সকলকে আবেদন করতে হবে আন্দোলন করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এই বার্তা তিনি দেন

মুকুটমণিপুরে রাজ্যস্তরের হুল দিবসের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুকুটমণিপুরে রাজ্যস্তরের হুল দিবসের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:- ৩০ শে জুন আজকের দিনে হবেনা সিধু কানুর নেতৃত্বে সাঁওতাল বিদ্রোহ সূচনা হয়েছিল অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন সিধু, কানু ,চাঁদ, ভৈরব। এদিন ভগনাডিহির মাঠে লাখো আদিবাসী মানুষের জমায়েত হয়েছিল। সেই হুল দিবসের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে আজ ৩০ শে জুন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় হুল দিবস উদযাপন কর্মসূচি পালিত হল বাঁকুড়ার রানী মুকুটমনিপুরে। রাজ্য স্তরের এই অনুষ্ঠানের সূচনা পূর্বে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে যাওয়ার মূল প্রবেশ দ্বারে সাঁওতাল বিদ্রোহের বীর শহীদ সিধু কানুর পূর্ণাবয়ব মূর্তির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুই বীর শহীদের পদতলে নতজানু মস্তকে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে প্রকাশ্য সভায় উপস্থিত হন সেখানে সাঁওতাল বিদ্রোহের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। স্বাগত ভাষণ দেন বাঁকুড়া জেলা শাসক। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু,সাংসদ সৌমিত্র খান প্রাক্তন সংসদ ডাক্তার সুভাষ সরকার, জেলার সবকটি বিধানসভার বিধায়কগণ, জেলা পুলিশ সুপার, সহ পুলিশ আধিকারিক বৃন্দ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বৃন্দ।
ফুল দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন
আদিবাসীদের উন্নয়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর। বিগত তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের উন্নয়ন কে থামিয়ে রেখেছিল। আমরা আদিবাসী উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে নানান পরিকল্পনা নিয়েছি সেগুলি বাস্তবে প্রয়োগ হতে চলেছে। জয় জোহার প্রকল্পে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। আজকের অনুষ্ঠান মঞ্চে জয় জোহার প্রকল্প ,জাতিগত শংসাপত্র, মায়ের নামে একটি গাছ, স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীদের উন্নয়নে আর্থিক সাহায্য, পড়াশোনায় স্কলারশিপ, অন্নপূর্ণা ভান্ডারের উপভোক্তাদের চেক প্রদান সহ বেশ কয়েকটি সেবামূলক প্রকল্পের চেক উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এছাড়া আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ট গুণীজন, শিল্পী, সাহিত্যিক, মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফল করা ছাত্রছাত্রীদের ল্যাপটপ ট্যাব শংসাপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয় । এখানে উল্লেখ্য মঞ্চে মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু মুখ্যমন্ত্রী কে পাঞ্চি পাগড়ী পরিয়ে অভ্যর্থনা জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে সিধু কানু মূর্তি সম্মলিত স্মারক,বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী ডোকরার মা দুর্গার প্রতিমা, ও বাঁকুড়ার ঘোড়া উপহার দেওয়া হয় এছাড়া মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র তীর ধনুক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে।

রাজ্য কারাটে চ্যাম্পিয়ন বামুনাড়ার নৈঋত্য আচার্য, স্বর্ণপদক জিতে পশ্চিম বর্ধমানের মুখ উজ্জ্বল

রাজ্য কারাটে চ্যাম্পিয়ন বামুনাড়ার নৈঋত্য আচার্য, স্বর্ণপদক জিতে পশ্চিম বর্ধমানের মুখ উজ্জ্বল

বিশ্বজিৎ পাল,

পশ্চিম বর্ধমান জেলার তথা দুর্গাপুরের বামুনাড়া এলাকার খুদে কারাটে প্রতিভা নৈঋত্য আচার্য ২৮তম পশ্চিমবঙ্গ স্টেট কারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ–২০২৬-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। ৮ বছর বয়সী বালক বিভাগের কুমিতে (-৩০ কেজি) ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতে স্টেট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে সে।
গত ২৭ ও ২৮ জুন কলকাতার খুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে Karate-Do Association of Bengal (KAB)। সংস্থাটি Bengal Olympic Association-এর স্বীকৃত এবং Karate India Organisation (KIO)-এর সঙ্গে যুক্ত। KIO আবার World Karate Federation (WKF)-এর অধিভুক্ত, যা International Olympic Committee (IOC)-এর স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
নৈঋত্য আচার্য এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিম বর্ধমান জেলার প্রতিনিধিত্ব করে দুর্দান্ত লড়াইয়ের মাধ্যমে স্বর্ণপদক জয় করে জেলার পাশাপাশি দুর্গাপুরেরও মুখ উজ্জ্বল করেছে।
তার এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তার প্রশিক্ষক সেন্সেই অর্ঘ্যজিৎ রায় (৩য় ড্যান)। তিনি একজন ন্যাশনাল জাজ ও কোচ এবং পশ্চিম বর্ধমান স্পোর্টস কারাটে-ডো অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক। নৈঋত্য বর্তমানে তাঁর তত্ত্বাবধানে রিউকেন সেইশিনকাই কারাটে ডোজো-তে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে।
নৈঋত্যর এই সাফল্যে পরিবার, প্রশিক্ষক, কারাটে অ্যাকাডেমির সদস্য এবং জেলার ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরেও সে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে—এমনই আশা প্রকাশ করেছেন তার কোচ ও শুভানুধ্যায়ীরা।