সাম্প্রতিক
চালকলের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, রায়নায় লরি আটক, তদন্তে পুলিশ

চালকলের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণার অভিযোগ, রায়নায় লরি আটক, তদন্তে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি, পূর্ব বর্ধমান: পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার গোপালপুর এলাকার মা ভবানী রাইস মিল চালকলে প্রতারণার অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, চালকলের মালিকের অজান্তেই তাঁর মিলের নাম ব্যবহার করে চাল সরবরাহে অনিয়ম ও প্রতারণার চেষ্টা চলছিল।
চালকল কর্তৃপক্ষের দাবি, গত ৩ জুলাই ২০২৬ সন্ধ্যা প্রায় সাড়ে ৭টা নাগাদ বর্ধমানের একটি গদির মাধ্যমে WB25H8061 নম্বরের একটি লরি তাদের মিলে আসে। ওই লরিতে মিলের জন্য ৮ টন চাল সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু গাড়িটি পরীক্ষা করে দেখা যায়, তাতে আগে থেকেই প্রায় ১০ টন চাল বোঝাই রয়েছে।
এসময় চালকলের মালিকের নজরে আসে, গাড়িতে তাঁর ব্র্যান্ডের ‘কিশোরভোগ’ নামে বস্তাবন্দি চাল লোড করা রয়েছে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি গাড়ির চালক ও খালাসিকে ওই চাল কোথা থেকে লোড করা হয়েছে জানতে চান। অভিযোগ, তারা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন।
এরপর ৪ জুলাই বিকেলে চালকল কর্তৃপক্ষ রায়না থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ লরিটির নম্বর ধরে তদন্ত শুরু করে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ গাড়িটিকে থানায় নিয়ে যায় এবং চালক ও খালাসিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
চালকল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, তাঁদের ব্র্যান্ডের নকল বস্তায় কোথা থেকে চাল ভরা হয়েছে এবং এর প্রকৃত উৎস কী, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে চালের উৎস, বস্তার সত্যতা এবং সম্ভাব্য প্রতারণা চক্রের সঙ্গে কারা জড়িত, তা খোঁজার কাজ চলছে।

গন্ধবনিক সমাজ ওবিসি সংরক্ষণ দাবি।

গন্ধবনিক সমাজ ওবিসি সংরক্ষণ দাবি।


সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানার অন্তর্গত বান্দোয়ানে রাজমহল ইন এ ভারতীয় গন্ধবণিক সমাজ কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে বান্দোয়ান শাখার সহযোগিতায় এক বিশেষ ওবিসি সংক্রান্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয় উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন গন্ধবনিক সমাজের সভাপতি রামপ্রসাদ বাবু আশিস দে মহাশয় সম্পাদক ও প্রদীপ চন্দ্র, বান্দোয়ান শাখা সমিতির সভাপতি সঞ্জয় হালদার সম্পাদক চিত্তরঞ্জন হালদার এবং সকল সদস্যগণ ও বান্দোয়ান বিধানসভার সমস্ত গন্ধবনিক সমাজের প্রতিনিধিগণ উক্ত সবার থেকে বার্তা দেওয়া হয় যে ওবিসি সংরক্ষণের যে সরকার আইন সেখানে সকলকে আবেদন করতে হবে আন্দোলন করতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এই বার্তা তিনি দেন

মুকুটমণিপুরে রাজ্যস্তরের হুল দিবসের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মুকুটমণিপুরে রাজ্যস্তরের হুল দিবসের সূচনায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:- ৩০ শে জুন আজকের দিনে হবেনা সিধু কানুর নেতৃত্বে সাঁওতাল বিদ্রোহ সূচনা হয়েছিল অত্যাচারের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার ডাক দিয়েছিলেন সিধু, কানু ,চাঁদ, ভৈরব। এদিন ভগনাডিহির মাঠে লাখো আদিবাসী মানুষের জমায়েত হয়েছিল। সেই হুল দিবসের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে আজ ৩০ শে জুন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী উন্নয়ন দপ্তরের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় হুল দিবস উদযাপন কর্মসূচি পালিত হল বাঁকুড়ার রানী মুকুটমনিপুরে। রাজ্য স্তরের এই অনুষ্ঠানের সূচনা পূর্বে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে যাওয়ার মূল প্রবেশ দ্বারে সাঁওতাল বিদ্রোহের বীর শহীদ সিধু কানুর পূর্ণাবয়ব মূর্তির উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুই বীর শহীদের পদতলে নতজানু মস্তকে শ্রদ্ধা জানান তিনি। পরে একলব্য আবাসিক বিদ্যালয়ের ফুটবল মাঠে প্রকাশ্য সভায় উপস্থিত হন সেখানে সাঁওতাল বিদ্রোহের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রদীপ প্রজ্জলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। স্বাগত ভাষণ দেন বাঁকুড়া জেলা শাসক। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু,সাংসদ সৌমিত্র খান প্রাক্তন সংসদ ডাক্তার সুভাষ সরকার, জেলার সবকটি বিধানসভার বিধায়কগণ, জেলা পুলিশ সুপার, সহ পুলিশ আধিকারিক বৃন্দ ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক বৃন্দ।
ফুল দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন
আদিবাসীদের উন্নয়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর। বিগত তৃণমূল সরকার আদিবাসীদের উন্নয়ন কে থামিয়ে রেখেছিল। আমরা আদিবাসী উন্নয়নের কথা মাথায় রেখে নানান পরিকল্পনা নিয়েছি সেগুলি বাস্তবে প্রয়োগ হতে চলেছে। জয় জোহার প্রকল্পে ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। আজকের অনুষ্ঠান মঞ্চে জয় জোহার প্রকল্প ,জাতিগত শংসাপত্র, মায়ের নামে একটি গাছ, স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীদের উন্নয়নে আর্থিক সাহায্য, পড়াশোনায় স্কলারশিপ, অন্নপূর্ণা ভান্ডারের উপভোক্তাদের চেক প্রদান সহ বেশ কয়েকটি সেবামূলক প্রকল্পের চেক উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এছাড়া আদিবাসী সমাজের বিশিষ্ট গুণীজন, শিল্পী, সাহিত্যিক, মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিকে ভালো ফল করা ছাত্রছাত্রীদের ল্যাপটপ ট্যাব শংসাপত্র দিয়ে সম্মানিত করা হয় । এখানে উল্লেখ্য মঞ্চে মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু মুখ্যমন্ত্রী কে পাঞ্চি পাগড়ী পরিয়ে অভ্যর্থনা জানান। মুখ্যমন্ত্রীকে সিধু কানু মূর্তি সম্মলিত স্মারক,বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী ডোকরার মা দুর্গার প্রতিমা, ও বাঁকুড়ার ঘোড়া উপহার দেওয়া হয় এছাড়া মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু আদিবাসীদের ঐতিহ্যবাহী অস্ত্র তীর ধনুক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রীর হাতে।

রাজ্য কারাটে চ্যাম্পিয়ন বামুনাড়ার নৈঋত্য আচার্য, স্বর্ণপদক জিতে পশ্চিম বর্ধমানের মুখ উজ্জ্বল

রাজ্য কারাটে চ্যাম্পিয়ন বামুনাড়ার নৈঋত্য আচার্য, স্বর্ণপদক জিতে পশ্চিম বর্ধমানের মুখ উজ্জ্বল

বিশ্বজিৎ পাল,

পশ্চিম বর্ধমান জেলার তথা দুর্গাপুরের বামুনাড়া এলাকার খুদে কারাটে প্রতিভা নৈঋত্য আচার্য ২৮তম পশ্চিমবঙ্গ স্টেট কারাটে চ্যাম্পিয়নশিপ–২০২৬-এ অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে। ৮ বছর বয়সী বালক বিভাগের কুমিতে (-৩০ কেজি) ইভেন্টে স্বর্ণপদক জিতে স্টেট চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে সে।
গত ২৭ ও ২৮ জুন কলকাতার খুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতার আয়োজন করে Karate-Do Association of Bengal (KAB)। সংস্থাটি Bengal Olympic Association-এর স্বীকৃত এবং Karate India Organisation (KIO)-এর সঙ্গে যুক্ত। KIO আবার World Karate Federation (WKF)-এর অধিভুক্ত, যা International Olympic Committee (IOC)-এর স্বীকৃত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
নৈঋত্য আচার্য এই প্রতিযোগিতায় পশ্চিম বর্ধমান জেলার প্রতিনিধিত্ব করে দুর্দান্ত লড়াইয়ের মাধ্যমে স্বর্ণপদক জয় করে জেলার পাশাপাশি দুর্গাপুরেরও মুখ উজ্জ্বল করেছে।
তার এই সাফল্যের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তার প্রশিক্ষক সেন্সেই অর্ঘ্যজিৎ রায় (৩য় ড্যান)। তিনি একজন ন্যাশনাল জাজ ও কোচ এবং পশ্চিম বর্ধমান স্পোর্টস কারাটে-ডো অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক। নৈঋত্য বর্তমানে তাঁর তত্ত্বাবধানে রিউকেন সেইশিনকাই কারাটে ডোজো-তে নিয়মিত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে।
নৈঋত্যর এই সাফল্যে পরিবার, প্রশিক্ষক, কারাটে অ্যাকাডেমির সদস্য এবং জেলার ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। ভবিষ্যতে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরেও সে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে—এমনই আশা প্রকাশ করেছেন তার কোচ ও শুভানুধ্যায়ীরা।

সাঁওতাল বিদ্রোহের সহস্রাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতা কর্মীদের খুন করে ফেলে দেওয়া স্মৃতি বিজড়িত ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ সংলগ্ন পুকুর পাড়ে হুল দিবস পালন

সাঁওতাল বিদ্রোহের সহস্রাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতা কর্মীদের খুন করে ফেলে দেওয়া স্মৃতি বিজড়িত ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ সংলগ্ন পুকুর পাড়ে হুল দিবস পালন

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম
৩০ শে জুন হুল দিবস উপলক্ষে সরকারি বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়। সেরূপ সাঁওতাল হুল আখড়ার উদ্যোগে বীরভূম- ঝাড়খন্ড সীমান্ত লাগোয়া সিউড়ি এক নম্বর ব্লকের দিগুলী গ্রামে ইতিহাস প্রসিদ্ধ সাঁওতাল বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ অবস্থিত।১৭১ তম হুল দিবস উপলক্ষে উক্ত পুকুর চত্বরের গাছতলায় যথাযথ মর্যাদা সহকারে দিনটি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ড বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি সমিতির মহা সচিব তথা সাংবাদিক গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বীরভূমের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক সনাতন সৌ,ডাঃ হরপ্রসাদ মুখার্জী, ডাঃ বাসন্তী হেমব্রম, প্রাক্তন মুখিয়া শুনিরাম বাসকি,শ্যাম রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে সাঁওতাল বিদ্রোহীদের জীবন সংগ্রামের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে আদিবাসী মহিলাদের পরিবেশিত নৃত্য গান অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য অনুষ্ঠানের আগে রাণীশ্বর থেকে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা সহকারে একটি আদিবাসী দল সাঁওতাল কাটা পুকুর চত্বরে সমবেত হয়। সাঁওতাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আদিবাসী শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত পুকুর পাড়ে তথা ভূমিস্থলে গিয়ে অমর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে,১৮৫৫ সালের ৩০ শে জুন সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর নেতৃত্বে এক বৃহৎ বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল।যা ইতিহাসে সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সেসময় ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন এবং জমিদার মহাজনদের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহ ছিল একটি সুসংগঠিত এবং সশস্ত্র আন্দোলন। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় জেলার ভগনাডিহিতে সাঁওতাল বিদ্রোহের অন্যতম নেতা সিধু- কানু মুর্মুর নেতৃত্বে হাজার হাজার পাহাড় জঙ্গলের বসবাসকারী আদিবাসীরা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছিল এবং দুষ্টু ইংরেজদের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই করেছিল।আমজোড়া ঘাটের কাছে দিগুলী গ্রামে ইংরেজ সেনাবাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ে সাঁওতাল বিদ্রোহের কয়েক হাজার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতা কর্মীদের মৃত্যু হয় এবং সেই মৃতদেহগুলো ওই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। সেই জন্য এই পুকুরটি ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ নামে খ্যাত আছে।

মুকুটমণিপুরের যোগ-শিবিরে যোগাভ্যাস করলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।

মুকুটমণিপুরের যোগ-শিবিরে যোগাভ্যাস করলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।


সৌমী মন্ডল বাঁকুড়া:–খাতড়া মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে ১২ তম বিশ্ব যোগ দিবসে রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বাঁকুড়ার রানী মুকুটমনিপুরে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে যোগ শিবিরে, উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু, খাতড়া মহকুমা শাসক, খাতড়া বিডিও ,পুলিশ প্রশাসন সহ স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। অন্যদিকে জেলার প্রতিটি ব্লকে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো। রায়পুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর উদ্যোগে ও ব্লক যুব করনের সহযোগিতায় রায়পুর ব্লক কমিউনিটি হলে যোগ শিবির টি অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত ছিলেন বিডিও উদয়নারায়ন দে জয়েন্ট বিডিও উৎপল রায় সহ কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মীবৃন্দ ও বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। সারেঙ্গা ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগ দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিডিও তমাল কান্তি সরকার সহ অন্যানরা।অন্যদিকে পতঞ্জলি মহিলা যোগ সমিতির উদ্যোগে বাঁকুড়া জেলার প্রতিটি ব্লকে পালিত হল এই দিনটি। বাঁকুড়া জেলা মহিলা পতঞ্জলির যোগ শিক্ষিকা শ্যামলী বিশ্বাস ও গৌতম বিশ্বাস এর উদ্যোগে গড় রায়পুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে যোগ শিবির টি অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট মানুষজন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পাপিয়া চ্যাটার্জি, শিক্ষা রত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক পরীক্ষিত কামিল্যা , সাধন মন্ডল প্রমূখ।
মুকুটমণিপুর যোগ শিবিরটি সকাল প্রায় ৬টা নাগাদ কংসাবতী জলাধারের নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা পরিবেশে যোগাভ্যাস শুরু হয়। প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন যোগাসন ও প্রণায়াম অনুশীলন করেন। যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার বার্তা তুলে ধরা হয় এদিনের কর্মসূচিতে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা যোগচর্চার গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত যোগাভ্যাস অত্যন্ত প্রয়োজন। শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতেও যোগের ভূমিকা অপরিসীম। তাই প্রতিদিনের জীবনে যোগচর্চাকে অন্তর্ভুক্ত করা দরকার।
এদিনের কর্মসূচিতে স্কুল পড়ুয়াদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রকৃতির কোলে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে অনুষ্ঠিত এই যোগ দিবসের অনুষ্ঠান একদিকে যেমন স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা দেয়, অন্যদিকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে এক মঞ্চে এনে সম্প্রীতি ও ঐক্যের নজির গড়ে তোলে।
খাতড়া মহকুমা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা। যোগ দিবস উপলক্ষে এমন আয়োজনে খুশি এলাকাবাসী।

যোগ দিবস উদযাপনে রাইপুর ব্লক প্রশাসন।

যোগ দিবস উদযাপনে রাইপুর ব্লক প্রশাসন।


সৌমী মন্ডল, বাঁকুড়া:–২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বজুড়ে। পিছিয়ে নেই জঙ্গলমহলেও। রায়পুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর কার্যালয়ের উদ্যোগে যুব কল্যাণ দপ্তরে সহযোগিতায় রায়পুর ব্লক কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এখানে কার্যালয়ের কর্মীবৃন্দ ও স্থানীয় প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছাত্রী নিবাসের ছাত্রীবৃন্দ ,গড় রাইপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীবৃন্দ যোগ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গড় রাইপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মধুসূদন মন্ডল, শিক্ষারত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক সাধন কুমার মন্ডল, বিশিষ্ট কর্মী চিন্ময় ঘোষাল, দেবাশীষ মাহাতো, সুদেব পাতর,পীযূষ মাহাতো প্রমূখ। সকাল সাড়ে ছটা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে যোগ শিবিরে চলে। সমগ্র শিবির টি শুষ্ঠভাবে পরিচালনা করেন রাইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উদয়নারায়ণ দে। সহযোগিতা করেন যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল রায়। উপস্থিত সকলের কাছে যোগ দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে বক্তব্য রাখেন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উদয়নারায়ণ দে,তিনি আরো বলেন শুধু একদিন যোগ চর্চা করলে হবে না। নিয়মিত যোগ চর্চা করলে সুস্থ থাকা যায়। ভারতবর্ষের প্রাচীন মুনি ঋষিরা যোগের মাধ্যমেই দীর্ঘায়ু ও নীরোগ ছিলেন।যোগ চর্চা নিয়মিতভাবে করা দরকার, শিবিরে উপস্থিত সকলকে অনুরোধ করেন তারা যেন সকলেই নিয়মিত ভাবে যোগ চর্চা করেন। বিডিও অফিসের পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলের জন্য চা ও টিফিনের ব্যবস্থা ছিল

আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালিত হল মঙ্গলকোটে

আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালিত হল মঙ্গলকোটে

রাহুল রায়,মঙ্গলকোট : রবিবার,১২ তম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে নানান কর্মসূচি পালিত হল পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকে। এইদিন সকাল থেকেই এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যোগা দিবসকে সামনে রেখে যোগচর্চার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজিত হলো কাশেমনগর ফুটবল ময়দানে। উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোটের বিধায়ক শিশির ঘোষ। মাজিগ্ৰাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে যোগ শিবির অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক শিক্ষিকা সহ ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন যোগাসন, প্রাণায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের ব্যায়াম, পিটি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুশীলন করা হয়। কাটোয়া গাছ গ্ৰুপের কনভেনার এবং মাজিগ্ৰাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার সাহা সমাজসেবী সৌমেন মুখোপাধ্যায়,মন্দিরা চট্টরাজ হিরন্ময় ঘোষের হাতে একটা চার গাছ উপহার তুলে দিলেন। এছাড়াও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ কৈচর প্রখন্ডের পক্ষ থেকে যোগা দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মাথরুন নবীন চন্দ্র বিদ্যাতয়ের মাঠে। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামা প্রসন্ন লোহার,মঙ্গলকোট পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শান্তনা গোস্বামী,স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিমল প্রধান,বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের সেবা প্রমুখ সুজন মুখোপাধ্যায় সহ বিশিষ্টজনেরা। এই অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন ছাত্র-ছাত্রী সহ এলাকাবাসীরা। যোগাভ্যাসের মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা দিতে এবং যুবসমাজকে সচেতন করতে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। অতিথিরা নিয়মিত যোগচর্চার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে মঙ্গলকোট ব্লকে এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বীরভূমের জামাইষষ্ঠী

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী, সন্তান ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় ষষ্ঠী দেবীর আরাধনায় মাতেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারা।জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা ষষ্ঠী তিথিতে ষষ্ঠী পুজো অনুষ্ঠিত হয়। অনেকে আবার অরন্য বা জামাই ষষ্ঠীও বলে। মেয়েদের বিয়ের পর নতুন মেয়ে জামাই ও সন্তানদের সাথে নিয়ে বট বৃক্ষের তলায় এই আরাধনা করে তাদের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে মায়েরা। জামাইষষ্ঠী অত্যন্ত আনন্দের একটি উৎসব।মরশুমি ফল আম,জাম, লিচু ,কাঁঠাল সহ আরো অনান্য ফল ও বাঁশ পাতা সহ আরো অনান্য গাছের পাতা ও ফুল দিয়ে এই পূজো দেওয়া হয়।পূজো শেষে হলুদ সুতো পরিয়ে দেওয়া হয়।সঙ্গে থাকে বিস্তর খানাপিনার আয়োজন।বীরভূমের নলহাটির ভদ্রপুরে ষষ্ঠীর আরাধনার জন্য ভীড় জমিয়েছেন গ্রামের মহিলারা।

পুরুলিয়ার জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সানি রাজকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানাল পুরুলিয়া জার্নালিস্ট ক্লাব।

সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়ার জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সানি রাজকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানাল পুরুলিয়া জার্নালিস্ট ক্লাব।

জেলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক ছৌ মুখোশ তুলে দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান সাংবাদিক গন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি দীপেন গুপ্ত এবং জেলার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন পুলিশ সুপার সানি রাজ। পুরুলিয়ার সংস্কৃতি ও সৌহার্দ্যের আবহে নতুন পুলিশ সুপারকে এভাবেই জানানো হল আন্তরিক স্বাগত।
“সংবাদ, সংস্কৃতি আর সৌহার্দ্যের বন্ধনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা পুরুলিয়ায়।