সাম্প্রতিক
সাঁওতাল বিদ্রোহের সহস্রাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতা কর্মীদের খুন করে ফেলে দেওয়া স্মৃতি বিজড়িত ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ সংলগ্ন পুকুর পাড়ে হুল দিবস পালন

সাঁওতাল বিদ্রোহের সহস্রাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতা কর্মীদের খুন করে ফেলে দেওয়া স্মৃতি বিজড়িত ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ সংলগ্ন পুকুর পাড়ে হুল দিবস পালন

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম
৩০ শে জুন হুল দিবস উপলক্ষে সরকারি বেসরকারি সংস্থার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকেও দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়। সেরূপ সাঁওতাল হুল আখড়ার উদ্যোগে বীরভূম- ঝাড়খন্ড সীমান্ত লাগোয়া সিউড়ি এক নম্বর ব্লকের দিগুলী গ্রামে ইতিহাস প্রসিদ্ধ সাঁওতাল বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ অবস্থিত।১৭১ তম হুল দিবস উপলক্ষে উক্ত পুকুর চত্বরের গাছতলায় যথাযথ মর্যাদা সহকারে দিনটি পালিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঝাড়খণ্ড বাংলাভাষা ও সংস্কৃতি সমিতির মহা সচিব তথা সাংবাদিক গৌতম চট্টোপাধ্যায়, বীরভূমের বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক সনাতন সৌ,ডাঃ হরপ্রসাদ মুখার্জী, ডাঃ বাসন্তী হেমব্রম, প্রাক্তন মুখিয়া শুনিরাম বাসকি,শ্যাম রায় প্রমুখ। অনুষ্ঠানে আলোচনা সভায় ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে সাঁওতাল বিদ্রোহীদের জীবন সংগ্রামের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হিসেবে আদিবাসী মহিলাদের পরিবেশিত নৃত্য গান অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। উল্লেখ্য অনুষ্ঠানের আগে রাণীশ্বর থেকে বর্ণাঢ্য পদযাত্রা সহকারে একটি আদিবাসী দল সাঁওতাল কাটা পুকুর চত্বরে সমবেত হয়। সাঁওতাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আদিবাসী শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত পুকুর পাড়ে তথা ভূমিস্থলে গিয়ে অমর শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে,১৮৫৫ সালের ৩০ শে জুন সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর নেতৃত্বে এক বৃহৎ বিদ্রোহের সূচনা হয়েছিল।যা ইতিহাসে সাঁওতাল বিদ্রোহ নামে পরিচিত। সেসময় ব্রিটিশ উপনিবেশিক শাসন এবং জমিদার মহাজনদের বিরুদ্ধে এই বিদ্রোহ ছিল একটি সুসংগঠিত এবং সশস্ত্র আন্দোলন। ঝাড়খণ্ডের পাকুড় জেলার ভগনাডিহিতে সাঁওতাল বিদ্রোহের অন্যতম নেতা সিধু- কানু মুর্মুর নেতৃত্বে হাজার হাজার পাহাড় জঙ্গলের বসবাসকারী আদিবাসীরা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছিল এবং দুষ্টু ইংরেজদের বিরুদ্ধে তীব্র লড়াই করেছিল।আমজোড়া ঘাটের কাছে দিগুলী গ্রামে ইংরেজ সেনাবাহিনীর সঙ্গে তীব্র লড়াইয়ে সাঁওতাল বিদ্রোহের কয়েক হাজার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নেতা কর্মীদের মৃত্যু হয় এবং সেই মৃতদেহগুলো ওই পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়। সেই জন্য এই পুকুরটি ‘সাঁওতাল কাটা পুকুর’ নামে খ্যাত আছে।

মুকুটমণিপুরের যোগ-শিবিরে যোগাভ্যাস করলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।

মুকুটমণিপুরের যোগ-শিবিরে যোগাভ্যাস করলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু।


সৌমী মন্ডল বাঁকুড়া:–খাতড়া মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে ১২ তম বিশ্ব যোগ দিবসে রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র বাঁকুড়ার রানী মুকুটমনিপুরে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে যোগ শিবিরে, উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু, খাতড়া মহকুমা শাসক, খাতড়া বিডিও ,পুলিশ প্রশাসন সহ স্থানীয় বাসিন্দা ও বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ। অন্যদিকে জেলার প্রতিটি ব্লকে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো। রায়পুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর উদ্যোগে ও ব্লক যুব করনের সহযোগিতায় রায়পুর ব্লক কমিউনিটি হলে যোগ শিবির টি অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত ছিলেন বিডিও উদয়নারায়ন দে জয়েন্ট বিডিও উৎপল রায় সহ কার্যালয়ের অন্যান্য কর্মীবৃন্দ ও বিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। সারেঙ্গা ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগ দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়। শিবিরে উপস্থিত ছিলেন বিডিও তমাল কান্তি সরকার সহ অন্যানরা।অন্যদিকে পতঞ্জলি মহিলা যোগ সমিতির উদ্যোগে বাঁকুড়া জেলার প্রতিটি ব্লকে পালিত হল এই দিনটি। বাঁকুড়া জেলা মহিলা পতঞ্জলির যোগ শিক্ষিকা শ্যামলী বিশ্বাস ও গৌতম বিশ্বাস এর উদ্যোগে গড় রায়পুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে যোগ শিবির টি অনুষ্ঠিত হয় । উপস্থিত ছিলেন এলাকার বিশিষ্ট মানুষজন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা পাপিয়া চ্যাটার্জি, শিক্ষা রত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক পরীক্ষিত কামিল্যা , সাধন মন্ডল প্রমূখ।
মুকুটমণিপুর যোগ শিবিরটি সকাল প্রায় ৬টা নাগাদ কংসাবতী জলাধারের নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা পরিবেশে যোগাভ্যাস শুরু হয়। প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন যোগাসন ও প্রণায়াম অনুশীলন করেন। যোগব্যায়ামের মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার বার্তা তুলে ধরা হয় এদিনের কর্মসূচিতে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা যোগচর্চার গুরুত্ব নিয়ে বক্তব্য রাখেন। তারা বলেন, বর্তমান ব্যস্ত জীবনে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত যোগাভ্যাস অত্যন্ত প্রয়োজন। শরীরকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মানসিক চাপ কমাতেও যোগের ভূমিকা অপরিসীম। তাই প্রতিদিনের জীবনে যোগচর্চাকে অন্তর্ভুক্ত করা দরকার।
এদিনের কর্মসূচিতে স্কুল পড়ুয়াদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। স্থানীয় বাসিন্দারাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। প্রকৃতির কোলে কংসাবতী জলাধারের পাড়ে অনুষ্ঠিত এই যোগ দিবসের অনুষ্ঠান একদিকে যেমন স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা দেয়, অন্যদিকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে এক মঞ্চে এনে সম্প্রীতি ও ঐক্যের নজির গড়ে তোলে।
খাতড়া মহকুমা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অংশগ্রহণকারীরা। যোগ দিবস উপলক্ষে এমন আয়োজনে খুশি এলাকাবাসী।

যোগ দিবস উদযাপনে রাইপুর ব্লক প্রশাসন।

যোগ দিবস উদযাপনে রাইপুর ব্লক প্রশাসন।


সৌমী মন্ডল, বাঁকুড়া:–২১শে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এই দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে সারা বিশ্বজুড়ে। পিছিয়ে নেই জঙ্গলমহলেও। রায়পুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর কার্যালয়ের উদ্যোগে যুব কল্যাণ দপ্তরে সহযোগিতায় রায়পুর ব্লক কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এখানে কার্যালয়ের কর্মীবৃন্দ ও স্থানীয় প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছাত্রী নিবাসের ছাত্রীবৃন্দ ,গড় রাইপুর উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রীবৃন্দ যোগ শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গড় রাইপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মধুসূদন মন্ডল, শিক্ষারত্ন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক সাধন কুমার মন্ডল, বিশিষ্ট কর্মী চিন্ময় ঘোষাল, দেবাশীষ মাহাতো, সুদেব পাতর,পীযূষ মাহাতো প্রমূখ। সকাল সাড়ে ছটা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে যোগ শিবিরে চলে। সমগ্র শিবির টি শুষ্ঠভাবে পরিচালনা করেন রাইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উদয়নারায়ণ দে। সহযোগিতা করেন যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল রায়। উপস্থিত সকলের কাছে যোগ দিবসের তাৎপর্য বিশ্লেষণ করে বক্তব্য রাখেন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উদয়নারায়ণ দে,তিনি আরো বলেন শুধু একদিন যোগ চর্চা করলে হবে না। নিয়মিত যোগ চর্চা করলে সুস্থ থাকা যায়। ভারতবর্ষের প্রাচীন মুনি ঋষিরা যোগের মাধ্যমেই দীর্ঘায়ু ও নীরোগ ছিলেন।যোগ চর্চা নিয়মিতভাবে করা দরকার, শিবিরে উপস্থিত সকলকে অনুরোধ করেন তারা যেন সকলেই নিয়মিত ভাবে যোগ চর্চা করেন। বিডিও অফিসের পক্ষ থেকে উপস্থিত সকলের জন্য চা ও টিফিনের ব্যবস্থা ছিল

আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালিত হল মঙ্গলকোটে

আন্তর্জাতিক যোগা দিবস পালিত হল মঙ্গলকোটে

রাহুল রায়,মঙ্গলকোট : রবিবার,১২ তম আন্তর্জাতিক যোগা দিবস উপলক্ষে নানান কর্মসূচি পালিত হল পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকে। এইদিন সকাল থেকেই এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যোগা দিবসকে সামনে রেখে যোগচর্চার মাধ্যমে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজিত হলো কাশেমনগর ফুটবল ময়দানে। উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোটের বিধায়ক শিশির ঘোষ। মাজিগ্ৰাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে যোগ শিবির অনুষ্ঠিত হয়। শিক্ষক শিক্ষিকা সহ ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন যোগাসন, প্রাণায়াম, শ্বাস-প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণের ব্যায়াম, পিটি এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুশীলন করা হয়। কাটোয়া গাছ গ্ৰুপের কনভেনার এবং মাজিগ্ৰাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুব্রত কুমার সাহা সমাজসেবী সৌমেন মুখোপাধ্যায়,মন্দিরা চট্টরাজ হিরন্ময় ঘোষের হাতে একটা চার গাছ উপহার তুলে দিলেন। এছাড়াও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ কৈচর প্রখন্ডের পক্ষ থেকে যোগা দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় মাথরুন নবীন চন্দ্র বিদ্যাতয়ের মাঠে। উপস্থিত ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামা প্রসন্ন লোহার,মঙ্গলকোট পঞ্চায়েত সমিতির সভানেত্রী শান্তনা গোস্বামী,স্কুলের প্রধান শিক্ষক পরিমল প্রধান,বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মধ্যবঙ্গ প্রান্তের সেবা প্রমুখ সুজন মুখোপাধ্যায় সহ বিশিষ্টজনেরা। এই অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন ছাত্র-ছাত্রী সহ এলাকাবাসীরা। যোগাভ্যাসের মাধ্যমে সুস্থ জীবনযাপনের বার্তা দিতে এবং যুবসমাজকে সচেতন করতে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। অতিথিরা নিয়মিত যোগচর্চার উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আন্তর্জাতিক যোগ দিবসকে সামনে রেখে মঙ্গলকোট ব্লকে এই উদ্যোগ এলাকাবাসীর মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছে।

বীরভূমের জামাইষষ্ঠী

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী, সন্তান ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় ষষ্ঠী দেবীর আরাধনায় মাতেন হিন্দু সম্প্রদায়ের মহিলারা।জ্যৈষ্ঠ মাসের শুক্লা ষষ্ঠী তিথিতে ষষ্ঠী পুজো অনুষ্ঠিত হয়। অনেকে আবার অরন্য বা জামাই ষষ্ঠীও বলে। মেয়েদের বিয়ের পর নতুন মেয়ে জামাই ও সন্তানদের সাথে নিয়ে বট বৃক্ষের তলায় এই আরাধনা করে তাদের দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনা করে মায়েরা। জামাইষষ্ঠী অত্যন্ত আনন্দের একটি উৎসব।মরশুমি ফল আম,জাম, লিচু ,কাঁঠাল সহ আরো অনান্য ফল ও বাঁশ পাতা সহ আরো অনান্য গাছের পাতা ও ফুল দিয়ে এই পূজো দেওয়া হয়।পূজো শেষে হলুদ সুতো পরিয়ে দেওয়া হয়।সঙ্গে থাকে বিস্তর খানাপিনার আয়োজন।বীরভূমের নলহাটির ভদ্রপুরে ষষ্ঠীর আরাধনার জন্য ভীড় জমিয়েছেন গ্রামের মহিলারা।

পুরুলিয়ার জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সানি রাজকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানাল পুরুলিয়া জার্নালিস্ট ক্লাব।

সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়ার জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার সানি রাজকে উষ্ণ সংবর্ধনা জানাল পুরুলিয়া জার্নালিস্ট ক্লাব।

জেলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক ছৌ মুখোশ তুলে দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান সাংবাদিক গন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সভাপতি অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সহ-সভাপতি দীপেন গুপ্ত এবং জেলার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা।
এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন পুলিশ সুপার সানি রাজ। পুরুলিয়ার সংস্কৃতি ও সৌহার্দ্যের আবহে নতুন পুলিশ সুপারকে এভাবেই জানানো হল আন্তরিক স্বাগত।
“সংবাদ, সংস্কৃতি আর সৌহার্দ্যের বন্ধনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা পুরুলিয়ায়।

“জনসচেতনতার বার্তা পৌঁছে গেল প্রত্যন্ত গ্রামে। “

“জনসচেতনতার বার্তা পৌঁছে গেল প্রত্যন্ত গ্রামে। “

সঞ্জয় হালদার,

পুরুলিয়া জেলার বান্দোয়ান থানার উদ্যোগে থানার অন্তর্গত দুটি প্রত্যন্ত গ্রাম রাজগ্রাম ও লতাপাড়ায় জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করেন বান্দোয়ান থানা ও ব্লক প্রশাসন।
উক্ত কর্মসূচিতে গ্রামবাসীদের সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধ, বাল্যবিবাহ রোধ, নারী ও শিশু সুরক্ষা সহ বিভিন্ন জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে সচেতন করা হয়। পাশাপাশি বান্দোয়ান বি.পি.এইচ.সি র একজন চিকিৎসক উপস্থিত থেকে সাপের কামড়ের ক্ষেত্রে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসচেতনতার বার্তা প্রদান করেন।
এছাড়াও উপস্থিত গ্রামবাসীদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ নম্বর সম্বলিত স্লিপ বিতরণ করা হয় এবং জরুরি পরিস্থিতিতে পুলিশের সহায়তা গ্রহণের বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে অবহিত করা হয়।
গ্রামবাসীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও আন্তরিক সাড়া এই কর্মসূচিকে সফল করে তোলে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনগণের সঙ্গে পুলিশের আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানান।

সারেঙ্গার আমঝোর কর্ম তীর্থ জনকল্যাণ শিবিরে উপছে পড়া ভিড়।

সারেঙ্গার আমঝোর কর্ম তীর্থ জনকল্যাণ শিবিরে উপছে পড়া ভিড়।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:–সারা রাজ্য জুড়ে চলছে জনকল্যাণ শিবির। পশ্চিমবঙ্গে সরকার পরিবর্তন এর পর এই প্রথম জনমুখী প্রকল্পগুলিকে নিয়ে শিবিরের মাধ্যমে উপভোক্তাদের সুবিধা দিতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন ৫৪টি জনমুখী প্রকল্প থেকে রাজ্যের মানুষ সুবিধা পাবেন তার নথিপত্র জমা ও যাচাইয়ের কাজ শুরু হল ১৫ই জুন এই শিবির চলবে ১৭ই জুন পর্যন্ত। প্রতিটি জনকল্যাণ শিবিরে ভিড় উপচে পড়ছে জঙ্গলমহলের সারেঙ্গা ব্লকের ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে আমজোর চলছে এই জনকল্যাণ শিবির সেখানে মানুষ রোদ উপেক্ষা করে হাজির হচ্ছেন এবং তাদের প্রয়োজনীয় কাজকর্ম সারছেন এবং শেষে তারা বন বিভাগের কাছ থেকে একটি করে চারা গাছ নিয়ে যাচ্ছেন হাসিমুখে। আয়ুষ্মান ভারত শিবিরে সারেঙ্গা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কর্মীদের সাথে ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সুমন নস্কর তিনি শিবিরের আশা উপভোক্তাদের আয়ুষ্মান ভারত সম্পর্কে বিশেষভাবে বোঝাচ্ছেন এবং তাদের কাগজপত্র কিভাবে পূরণ করতে হবে কি কি প্রয়োজনীয় নথি লাগবে তা সম্পর্কেও অবহিত করছেন। অন্যদিকে ব্লগসহ কৃষি অধিদপ্তর দপ্তরের কর্মীরা উপস্থিত হওয়া চাষীদের রাজ্য সরকারের কৃষক বন্ধু ও কেন্দ্রের পিএম কিষান এর বিষয়ে অবহিত করান । শিবিরের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মীরা ব্লক মৎস্য আধিকারিক খুশি শিবিরে আসা মানুষজন।

নলহাটি দুই ব্লকের ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে হাজির পড়ুয়ারা

নলহাটি দুই ব্লকের ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে হাজির পড়ুয়ারা


নলহাটি , তথাগত চক্রবর্তী,

বীরভূমের নলহাটি দুই নম্বর ব্লকের ভদ্রপুর গ্রামে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্দ্যোগে দ্বিতীয় দিনের জনকল্যাণ শিবিরে এলাকার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি হঠাৎ হাজির স্কুল পড়ুয়ারা। ঐ ব্লকের প্রসাদপুর রামরঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পলাশ রায়ের উদ্যোগে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা কি কারণে এই শিবির জানতে হাজির হন। কেন্দ্রীয় রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প গুলি বাস্তবায়িত করতে ও যোগ্য প্রাপকদের কাছে পৌঁছে দিতে এই জনকল্যাণ শিবিরের আয়োজন।পড়ুয়ারা বিভিন্ন দপ্তর গুলি ঘুরে ঘুরে দেখেন ব্লকের বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধু খাঁ মহাশয়ার সাথে এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকরা তাদের সেইসব প্রকল্পের বিশেষত্ব নিয়ে বুঝিয়ে দেন। এছাড়াও বিজেপির জেলা সম্পাদক মালয় অধিকারী, মন্ডল সভাপতি সহ আরো অন্যান্য নেতৃত্বরা সরকারের নতুন কর্মসূচি গুলি আলোচনা করেন।এরপর স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নেতৃত্বে পড়ুয়াদের নিয়ে আধিকারিকরা যোগ শিবিরের অংশ নেন। খুশি পড়ুয়ারা।প্রসাদপুর রামরঞ্জন উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক পলাশ রায় জানান পড়ুয়ারা ও তাদের ফ্যামিলির লোকজন এই শিবিরের মাধ্যমে সরকারের কি কি সুযোগ সুবিধা পাবে সেই সব বিষয়ে তাদেরকে সরজমিনে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য আমরা হাজির হই। বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধু খাঁ জানান আমি প্রথমে অবাক হয়ে গেছিলাম হঠাৎ করে এই শিবিরে এত পড়ুয়া কেন। এগিয়ে গিয়ে তাদের কাছে জানলাম তারা এই প্রকল্পের পরিষেবা গুলি মানুষ কিভাবে পাবে না পাবে সেই সব বিষয়ে তারা জানতে এসেছে। আমরা সব দপ্তর তাদের ঘুরিয়ে সবকিছু বুঝিয়ে দিই। খুবই ভালো লাগলো তাদের এই উদ্যোগ।

ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে তদারকিতে বিডিও

ভদ্রপুরে জনকল্যাণ শিবিরে তদারকিতে বিডিও

নলহাটি, তথাগত চক্রবর্তী, সাধারণ মানুষকে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বেশি করে পৌঁছে দিতে শুরু হলো বিশেষ এই জনকল্যাণ শিবির নতুন রাজ্য সরকারের উদ্দ্যোগে। ১৫ থেকে ১৭ ই জুন রাজ্যের পাশাপাশি বীরভূম জেলা জুড়ে বিভিন্ন ব্লকে , পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় এই শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সরকারি নানান পরিষেবাকে মানুষের দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দিতে এই কর্মসূচি। এখানে ভবল ইঞ্জিন সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প বিষয়ে সাধারণ মানুষকে অবহিত করা ও প্রকল্পের ফর্ম জমা নেওয়া ,নাম নথিভুক্তকরনের কাজ সহ অন্যান্য পরিষেবা একই ছাদের তলায় এনে চলবে এই কর্মসূচি। যোগ্য প্রাপকরা সরকারি এই সঠিক সুযোগ-সুবিধা পাই এটাই হল নতুন সরকারের মূল উদ্দেশ্য। শিবিরে উপস্থিত প্রশাসনিক কর্তারা ও বিজেপির নেতৃত্বরা সহ অন্যান্যরা। বীরভূমের নলহাটি দুই নম্বর ব্লকের ভদ্রপুর গ্রামে এই শিবির অনুষ্ঠিত হয়। সুষ্ঠ পরিষেবা দিতে ও শিবির সফল করতে ব্যাস্ত বিডিও প্রিয়াঙ্কা সাধু খাঁ, নলহাটি থানার লোহাপুর ক্যাম্পের পুলিশ থেকে অনান্য আধিকারিকরা। প্রথম দিনেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে এই জনকল্যাণ শিবির।