এসপি পদে রদবদল পুরুলিয়ায়
সঞ্জয় হালদার।
বদলী হয়ে গেলেন পুরুলিয়া জেলা পুলিশ সুপার আই পি এস বৈভব তেওয়ারি, তাঁর জায়গায় সুপার হয়ে আসছেন কুমার সানী রাজ, এর আগে তিনি ছিলেন হুগলী গ্রামীন পুলিশ সুপার ছিলেন।
সঞ্জয় হালদার।
বদলী হয়ে গেলেন পুরুলিয়া জেলা পুলিশ সুপার আই পি এস বৈভব তেওয়ারি, তাঁর জায়গায় সুপার হয়ে আসছেন কুমার সানী রাজ, এর আগে তিনি ছিলেন হুগলী গ্রামীন পুলিশ সুপার ছিলেন।
সঞ্জয় হালদার,
সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের দেড়শো তম জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষ্যে পুরুলিয়া জেলা জুড়ে প্রতি ব্লক প্রশাসন এবং থানার ব্যবস্থাপনায়, বিশ্ব সাইকেল দিবসের মূলভাব কে নিখুঁত ভাবে তুলে ধরে সুদৃশ্য সাইকেল রেলির মাধ্যমে। সামাজিক সম্প্রীতি বৃদ্ধি এবং শরীরচর্চা ও পরিবেশ সচেতনতা সম্পর্কে প্রচারভিযান গুলো দেখিয়ে দেয় যে, সাইকেল চালানো কিভাবে মানব শরীরের একটি শূন্য- নিঃশ্বরণকারী, স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা রূপে কাজ করে,
তাই আসুন, আমরা প্রতিদিন কিছুনা কিছু সময় সাইকেল চালিয়ে, আমাদের শরীর এবং মন কে সুস্থ রাখি।
ফুলকুসমা সার্বজনীন ভাগবত সম্প্রদায়ের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির।
সৌমী মণ্ডল বাঁকুড়া:-
জঙ্গলমহলে ফুলকুশমা সার্বজনীন ভাগবত সম্প্রদায়ের উদ্যোগে স্বর্গীয় শিবানী কর্মকারের স্মৃতিতে সপ্তম বর্ষের স্বেচ্ছা রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হলো আজ ৭ইজুন রবিবার ফুলকুসমা বোর্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। এদিনের এই স্বেচ্ছা রক্তদান শিবিরে ৫৯ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন তাদের মধ্যে মহিলা রক্তদাতার সংখ্যা ১৯ জন। রক্তদান কে কেন্দ্র করে এলাকায় মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ফুলকুসমা ভাগবত সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রত্যেক রক্তদাতা কে ও রক্ত গুলি যারা সংগ্রহ করেছেন তাদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। এখানে উল্লেখ্য রক্তগুলি সংগ্রহ করেন খাতড়া মহকুমা ব্লাড ব্যাংক। এখানে উল্লেখ্য ফুলকুসমা ভাগবত সম্প্রদায় আজ কয়েক বছর ধরেই সাত দিন ধরে ভাগবত পাঠের আসরের আয়োজন করে থাকেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি তারা সমাজসেবাও করে থাকেন এটিও তাদের অনুষ্ঠানের বিশেষ অঙ্গ কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। এবছর পরিবেশ রক্ষায় তারা বনসৃজনের উদ্যোগ নেন ।প্রতিটি রক্তদাতা কে একটি করে চারা গাছ বিতরণ করা হয় এবং এই রক্তদান উপলক্ষে আজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে বেশ কয়েকটি চারাগাছ রোপন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌতম কর্মকার বলেন ধর্মীয় উন্মাদনা যেমন রয়েছে তেমনি সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই আমাদের এই রক্তদান উৎসবের আয়োজন।
সানডে সাইকেল র্যালির মধ্য দিয়ে স্বচ্ছতা অভিযানে বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা।
সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:–স্বচ্ছ ভারত মিশনের উদ্যোগে আজ সারা রাজ্য জুড়ে পালিত হলো সাইকেল রেলী ও স্বচ্ছতা অভিযান। পিছিয়ে নেই জঙ্গলমহলের রাইপুর ব্লক। আজ সকালে রাইপুর ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ও রাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় রাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে রাইপুর বিধানসভার বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা। সহ বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক সাইকেলে চেপে সানডে সাইকেল র্যালি ও স্বচ্ছতা অভিযান কর্মসূচি পালিত হয়। বিধায়ক সহ দলীয় কর্মীরা পায়ে হেঁটে ও সাইকেলে চেপে দু কিলোমিটারেরও বেশি পথ পরিক্রমা করে। রাইপুর সবুজ বাজার পরিক্রমা করে আবার পঞ্চায়েত অফিসে গিয়ে শেষ হয়। স্থানীয় দোকানদারদের সাথে কথা বলেন বিধায়ক। তিনি দোকানদারদের বোঝান যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদিজীর স্বচ্ছ ভারতের স্বপ্নকে সফল করতে আমাদের সকলকে হাত লাগাতে হবে। দোকানের আবর্জনা একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা দরকার এবং পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে যে ময়লা পরিষ্কার করা গাড়ি রয়েছে নিয়মিতভাবে সেই গাড়ি বাজারে ময়লা পরিষ্কার করে সেই গাড়িতে আপনারা আপনাদের ময়লাগুলি তুলে দিয়ে নিজ নিজ দোকান এলাকা পরিষ্কার রাখুন। তিনি এই বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন সমস্ত রকম জঞ্জাল কে আমি সরাবো দলীয় নির্দেশ রয়েছে আবর্জনা ও জঞ্জাল সরিয়ে সুস্থ স্বচ্ছ ও মুক্ত পরিবেশ তৈরি করা। সংবাদ মাধ্যমের কাছে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন মোদীজির স্বপ্নকে সফল করতে আমাদের সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। স্বচ্ছ ভারত স্বচ্ছ মিশন এই কর্মসূচিতে পহেলা জুন থেকে চলছে বিশেষ অভিযান আজ ছিল সাইকেলে চেপে মিছিল অভিযান। আজ সকলে সহযোগিতায় সুষ্ঠুভাবে তা পালিত হল।
অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের কৃতি বিদ্যার্থী সংবর্ধনা রাইপুরে।
সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:–আজ ৭ ই জুন রবিবার অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের বাঁকুড়া জেলার রাইপুর শহর শাখার উদ্যোগে ২০২৬ সালের রায়পুর ব্লক এলাকার বেশ কিছু বিদ্যালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের সংবর্ধিত করা হয় আজ রাইপুর ব্লক কমিউনিটি হলে। এদিনের এই কৃতি বিদ্যার্থী সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাইপুর বিধানসভার বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে কোন রকম কার্য করতে না বলেন বাঁকুড়ার ছেলে মেয়েরা পড়াশোনায় সারা রাজ্যে নাম কুড়িয়েছে। সেই নাম বা মর্যাদা রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের আজকের ছাত্রছাত্রীদের। পড়াশোনার ক্ষেত্রে যদি কারো কোন সমস্যা হয়ে থাকে তার পাশে ও সাথে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সরকার ও আমি বিধায়ক।এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ প্রমুখ মনুপ পাত্র। জেলা সৌভিক সিংহ মহাপাত্র সহ রায়পুর মণ্ডলের ভারতীয় জনতা পার্টি নেতৃত্ব সৌভিক মল্লিক, সুদেব পাতর, মলয় রজক সহ বিশিষ্ট জনেরা। অনুষ্ঠানে শতাধিক কৃতি ছাত্র-ছাত্রীকে সংবর্ধনা জানানো হয়। কৃতিদের হাতে মেমেন্টও মানপত্র ও একটি করে গাছের চারা তুলে দেন বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা সহ উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা। কৃতিদের মধ্যে এবার মাধ্যমিকে ফুলকুসমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ভালো ফল করা ছাত্র রুদ্রজিৎ সাহু বলে আমি নির্দিষ্ট কোন সময় ধরে পড়াশোনা করিনি তবে কমপক্ষে সাত ঘণ্টা পড়াশোনা করেছি, আমার ভাইদের উদ্দেশ্যে বলবো তারা যেন বইগুলি খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পড়ে এবং যতোটুকু সময় তারা বই পড়বে যেন মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে তাহলে সাফল্য আসবে তাছাড়া বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও গৃহ শিক্ষকদের কথাগুলো মন দিয়ে শুনতে হবে। কৃতি ছাত্রী অনুশা লোহার বলে আমি এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৬১ পেয়েছি তা সবটাই আমার শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বাবা মায়ের অবদান। আমি তাদের কথা মত সময় বেঁধে পড়াশোনা করেছি, মোবাইল থেকে দূরে ছিলাম। তাই ভাই বোনেদের বলবো মোবাইল নয় শুধু বইয়ের মধ্যে ডুবে থাকো।। অংক বেশি বেশি করে কষতে হবে তাহলে ভীতি কেটে যাবে। প্রতিদিন নিয়ম করে পাঁচ থেকে ছয় ঘন্টা পড়াশোনা করা দরকার।।
জেলা সহ প্রমুখ মনুপ পাত্র বলেন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের উদ্যোগে সারা জেলা জুড়ে আমরা এই ধরনের কৃতি বিদ্যার্থী সম্বর্ধনা অনুষ্ঠান করে থাকি আজ রাইপুরের অনুষ্ঠানটিও তারই একটি অঙ্গ। এটি ছাত্রছাত্রীদের উৎসাহিত করা একটি কৌশল মাত্র।
।। শেখ শরীফকে গ্রেফতারের দাবিতে মিনাখাঁয় বিক্ষোভ, দুর্নীতি ও কাটমানির অভিযোগে উত্তাল বামনপুকুর ।।
বসিরহাট : মিনাখাঁয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধানের শ্বশুর শেখ শরীফকে গ্রেফতারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠলো বামনপুকুর এলাকা। বিভিন্ন দুর্নীতি, কাটমানি আদায়, সরকারি প্রকল্পে অনিয়ম এবং ভোট-পরবর্তী হিংসার অভিযোগকে সামনে রেখে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছয়ানি বাজার সংলগ্ন এলাকায় টায়ার জ্বালিয়ে, হাতে ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভে সামিল হন বহু মানুষ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বসিরহাটের মিনাখাঁ ব্লকের বামনপুকুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান শেখ নুর নাহারের শ্বশুর শেখ শরীফ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। তাদের দাবি, মুর্শিদাবাদের সুতি থানায় একাধিক খুনের মামলায় তার নাম জড়িয়েছে। এছাড়াও ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর এলাকায় সংঘটিত ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি উন্নয়নমূলক কাজের বরাদ্দ অর্থের অপব্যবহার এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও তোলা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, স্বচ্ছ ভারত মিশন প্রকল্পের আওতায় থাকা একটি টোটো বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে শেখ শরীফের বিরুদ্ধে।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা আরও অভিযোগ করেন, এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও শেখ শরীফের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না পুলিশ। তাদের বক্তব্য, একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও পুলিশ তাকে আটক করে ছেড়ে দিয়েছে। এমনকি পুলিশের একাংশের সঙ্গে আর্থিক সমঝোতার কারণেই তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলেও অভিযোগ তোলেন বিক্ষোভকারীরা। যদিও এই অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রামাণ্য নথি বা সরকারি বক্তব্য সামনে আসেনি।
এদিন বিক্ষোভকারীরা সাফ জানিয়ে দেন, শেখ শরীফকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নেওয়া কাটমানির টাকা ফেরত দিতে হবে। তাদের দাবি, প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে শেখ শরীফ, গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ বা পুলিশ প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
শরীরচর্চা ও স্বচ্ছতা অভিযানে নজির খয়রাসোল থানার, নেতৃত্বে ওসি উৎপল কুমার দাস
সেখ রিয়াজুদ্দিন , বীরভূম:
শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চার বিকল্প নেই। শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক চাপ কমানো, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে ব্যায়ামের গুরুত্ব অপরিসীম। এই বার্তাকে সামনে রেখেই রবিবার সকালে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করল খয়রাসোল থানা। এদিন
খয়রাসোল থানা প্রাঙ্গণে থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) উৎপল কুমার দাসের নেতৃত্বে পুলিশ কর্মী ও সিভিক ভলিন্টিয়ারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় শরীরচর্চা ও ফিটনেস অনুশীলন কর্মসূচি। সকালের এই অনুশীলনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন শারীরিক ব্যায়াম ও ফিটনেস কার্যক্রমে অংশ নেন। থানা সূত্রে জানা গেছে, কর্মীদের শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক সতেজতা বজায় রাখতে ভবিষ্যতেও এই ধরনের কর্মসূচি নিয়মিতভাবে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
শরীরচর্চা পর্বের পরেই শুরু হয় সামাজিক দায়বদ্ধতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়—স্বচ্ছতা অভিযান। থানা চত্বর এবং সংলগ্ন রাস্তা এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালান পুলিশ কর্মী ও সিভিক ভলিন্টিয়াররা। ঝাড়ু, বেলচা, ধামা ও কাস্তে হাতে নিয়ে তারা জমে থাকা আবর্জনা, আগাছা ও নোংরা পরিষ্কার করেন। পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত রাখতে বিভিন্ন স্থানে ব্লিচিং পাউডারও ছড়ানো হয়।
এই অভিযানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ওসি উৎপল কুমার দাসের সক্রিয় অংশগ্রহণ। শুধু নির্দেশ দিয়েই নয়, নিজ হাতে ঝাড়ু তুলে নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ উপস্থিত পুলিশ কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেয়।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন খয়রাসোল থানার ওসি উৎপল কুমার দাস,এসআই শান্তনু মণ্ডল, এএসআই চিন্ময় চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ও কর্মীরা। পুলিশের এই জনমুখী উদ্যোগে সামিল হন এলাকার সমাজসেবী অনুপম বাগ, রথীলাল সিং-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা ও পরিবেশ পরিচ্ছন্নতায় পুলিশের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। শরীরচর্চা ও স্বচ্ছতা—দুই ক্ষেত্রেই খয়রাসোল থানার এই কর্মসূচি সমাজের সামনে এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপন করল বলে অভিমত প্রকাশ করেন অনেকেই।
খাতড়া শহরের একটি বিরিয়ানির দোকানে বিরিয়ানির প্লেটে মরা টিকটিকি পেয়ে শোরগোল।
সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:- শুক্রবার রাতে খাতড়া বাজারের সিনেমা হলের নিকটের একটি বিরিয়ানি দোকানে বিরিয়ানির প্লেটে সেদ্ধ টিকটিকি পাওয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, খাতড়া থানার সিমলার দামোদরপুর এলাকার বাসিন্দা কৃষ্ণ রুহিদাস তিনজন বাচ্চা সহ পরিবারের সাত সদস্যকে নিয়ে মুকুটমণিপুর বেড়াতে গিয়েছিলেন। মুকুটমণিপুর থেকে ফেরার পথে রাতের খাবার খেতে তারা খাতড়ার ওই বিরিয়ানি দোকানে দাঁড়ান। সেখান থেকে দুপ্লেট বিরিয়ানি অর্ডার করেন। অভিযোগ, বিরিয়ানি খাওয়ার সময় হঠাৎই খাবারের মধ্যে সিদ্ধ অবস্থায় একটি টিকটিকি দেখতে পান তারা। তখন পর্যন্ত বিরিয়ানির অনেকটাই খাওয়া হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি পরিবারের। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। খবর ছড়িয়ে পড়তেই ভিড় জমতে শুরু করে। খবর যায় খাতড়া থানায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় খাতড়া থানার পুলিশ। ততক্ষণে দোকানে ভিড় জমেছে পুলিশ ওই দোকানের দুই কর্মীকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
অভিযোগকারী কৃষ্ণ রুইদাস বলেন, আমরা সবাই বিরিয়ানি খেয়েছিলাম। আমার স্ত্রী, দু বছরের শিশু কন্যা সহ পরিবারের অন্যরাও খেয়েছে। খাওয়ার মাঝেই বিরিয়ানির মধ্যে সিদ্ধ টিকটিকি দেখতে পাই। এরপরই আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। তারপর খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসি। চিকিৎসক আমার মেয়েকে ভর্তি করে ২৪ ঘন্টা পরপর্যবেক্ষণে রাখার কথা বলেন। পরে আতঙ্কে আমরা সকলেই রাতে হাসপাতালে ছিলাম। শনিবার দুপুরে মেয়েকে ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরেছি। কারোর শরীরে সেরকম সমস্যা নেই। তবে চিকিৎসক সমস্যা হলে হাসপাতালে যোগাযোগ করতে বলেছেন। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি নিয়ে খাতড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। প্রশাসন তদন্ত করুক।
অন্যদিকে, দোকানের কর্মী মোহাম্মদ ইমরান বলেন, আমরা সবসময় খাবার ঢেকে রাখি। সকাল থেকে বিরিয়ানি বিক্রি করেছি। ওই একই হাড়ি থেকে শেষ দু প্লেট বিরিয়ানি ওনাদের দিয়েছিলাম। টিকটিকি কীভাবে সেখানে এল বুঝতে পারছি না। যেভাবেই হোক দুর্ঘটনা ঘটেছে আগামী দিনে অবশ্যই সতর্ক তার সঙ্গে কাজ করা হবে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন করলেন বিধায়ক।
সৌমী মন্ডল বাঁকুড়া:–রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয় এন.এস.এস ইউনিট -1এবং রাইপুর ব্লক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আজ ৫ই জুন ২০২৬, রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল. “একটি গাছ মায়ের নামে” এই স্লোগান কে সামনে রেখে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হবে ।. আজকের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাইপুর বিধানসভার বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা, রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয় এর অধ্যক্ষ ডক্টর সন্দীপ হালদার, রাইপুর সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উদয়নারায়ণ দে, রাইপুর যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উৎপল রায়, রাইপুর থানার আইসি পলাশ কুমার বারিক , বারিকুল থানার আই সি র প্রতিনিধি, বনবিভাগের মটগোদা রেঞ্জ অফিসার, ফুলকুশমা রেঞ্জ অফিসার, রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয়ের NSS Unit এর কো -অর্ডিনেটর পার্থসারথি রজক সহ রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষাকর্মী ছাত্র -ছাত্রী বৃন্দ, এছাড়াএলাকার বেশ কিছু সমাজকর্মী এবং মহিলারা উপস্থিত ছিলেন, অথিতি বর্গকে সম্বর্ধনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর মধ্য দিয়ে দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়.। অনুষ্ঠানে রাইপুর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক উদয়নারায়ণ দে বলেন মানুষকে এগিয়ে এসে গাছ লাগানো এবং সবুজ বাঁচানোর উদ্যোগ নিতে হবে, তিনি বলেন মানুষ চাইলে অনেক কিছু করতে পারে মরুভূমির বুকেও হাজারো গাছ লাগিয়ে মানুষ দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন. উদ্ভিদ জগৎ না থাকলে প্রাণী জগৎ থাকবে না তাই বেশি বেশি করে গাছ লাগান গাছ কাটা বন্ধ করুন। রাইপুর বিধানসভার বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা বলেন এই এলাকায় কিছুই ছিল না একসময় মোরাম পাথরে মোড়া একটি ডাঙ্গা -ডুঙরি ছিল, আজ ক্যাম্পাস জুড়ে অনেক সবুজ। আগামী দিনের পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে এই এলাকার সমস্ত মানুষকে এগিয়ে এসে গাছ লাগানো এবং পরিবেশ বাঁচানোর উদ্যোগ নিতে হবে, বিধায়ক এলাকা উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে পূর্ববর্তী বিধায়ক স্বর্গীয় উপেন কিস্কুর রাইপুর বিধানসভার বিভিন্ন কাজের প্রশংসা করেন এবং এই মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠানসহ রাইপুর বিধানসভায় তিনটি মহাবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন বিধায়ক উপেন কিস্কুর কথা স্মরণ করেন, রাইপুর ব্লক মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. সন্দীপ হালদার সমস্ত ছাত্র -ছাত্রী দের এগিয়ে এসে গাছ লাগানো এবং পরিবেশ বাঁচানোর আবেদন জানান, Nss এর পক্ষ থেকে সকলকে কৃতঞ্জতা ও ধন্যবাদ জানান কো অর্ডিনেটর পার্থসারথি রজক, অনুষ্ঠানের শেষে বিধায়ক সহ উপস্থিত সকলে মিলে কলেজ প্রাঙ্গনে বেশ কয়েকটি বৃক্ষ রোপন করেন, সমগ্র অনুষ্ঠান টি সুন্দরভাবে সঞ্চালনা করেন মহাবিদ্যালয়ের শিক্ষাকর্মী রাজীব ঘোষ।
দীর্ঘ ৩০ বছরের সংগ্রামে স্বপ্ন সফল মঙ্গলকোটের তিন যুবকের, যা নিয়ে চর্চা এলাকায়।
তিনটি দামি গাড়ি করে গুজরাট থেকে ঈদ উপলক্ষে বাড়িতে এলো তিন যুবক।
কষ্টের সংসার তাই পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে ৩০ বছর আগে পাড়ি দিয়েছিল গুজরাটের রাজকোটে মঙ্গলকোটের তিন যুবক।
শেখ বাবুল, শেখ বাপি ও শেখ সবুজ।
প্রথমে ওখানে গিয়ে কাজের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে তিন যুবক।
পরে সোনার দোকানে দিনমজুর হিসাবে কাজে লাগে।
কিন্তু তিন জনের স্বপ্ন ছিল বড়।
স্বপ্ন সত্যি করেছে মহান আল্লাহতালা বলে দাবি ওই তিন যুবকের।
পরে তিনজন তিনটি কারখানা তৈরি করে ব্যবসা শুরু করেন।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় 30 জন যুবক সেই তিনটি কারখানায় কাজ করেন।
তাদের স্বপ্ন ছিল ভালো গাড়িতে চাপা।
পরিশ্রম যে স্বপ্ন কে সত্যি করে তা প্রমাণ করলো এই তিন যুবক।
এবছর ঈদে তিনজন তিনটি গাড়ি নিয়ে মঙ্গলকোট গ্রামে ফিরলো।
একটি বি,এম ডাবলু, maindra সেভেন xoও হোন্ডা ক্রিয়েটা।
এলাকার মানুষ এই তিন যুবকের সততার প্রশংসা করেন।
শেখ বাপি জানান, আমার পড়াশোনা করার খুব ইচ্ছা ছিল, পরিবারের আর্থিক অবস্থা তেমন ছিল না তাই পরিযায়ী শ্রমিক হিসাবে বিন রাজ্যে কাজে যায়।
কিন্তু মনের কঠিন ইচ্ছা ছিল নিজের পায়ে দাঁড়াবো।
আল্লাহ সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
আমি এ বছর ঈদে বাড়ি এসেছি বি এম ডাব্লু গাড়ি কিনে।
আমি প্রশংসা করবো মহান আল্লাহতালার যিনি আমার ইচ্ছা পূরণ করেছেন।
শেখ বাবুল জানান,
ভালোভাবে বসবাস করবো এবং ভালোভাবে চলাফেরা করব এই স্বপ্ন ছিল আমার।
আল্লাহর রহমতে আমি গুজরাটে বাড়ি, এবং দোকান রয়েছে নিজস্ব। কোনো ভাড়া বাড়ি বা দোকানে ব্যবসা করি না।
শেখ সবুজ জানান, ছোটবেলায় আব্বার মুখে শুনেছিলাম কর্মই ধর্ম।
কর্মজীবনে এসে দেখলাম আব্বার কথাই সত্য।
মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।