সারেঙ্গার শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন।
সারেঙ্গার শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী উদযাপন।
শুভদীপ মন্ডল বাঁকুড়া।:– জঙ্গলমহলের সারেঙ্গা ব্লকের ধানাড়া বিক্রমপুর ইউনিয়ন শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুলের উদ্যোগে আজ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্ম জয়ন্তী যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হল। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন রাইপুর বিধানসভার বিধায়ক ক্ষেত্রমোহন হাঁসদা সাথে ছিলেন সারেঙ্গা দক্ষিণ চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক তন্ময় চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট মানুষজন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ । এদিন ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক সহ অতিথিবৃন্দ ও বিশিষ্ট মানুষজন। পাশাপাশি স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক স্বর্গীয় বিজয় বসন্ত মন্ডলের আবক্ষ মূর্তিতে ফুল মালা দিয়ে শ্রদ্ধা বিধায়কসহ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। আজকের অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুব্রত পাত্র বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, স্কুল ভবনের ছাদ থেকে চাঙড় খসে পড়ছে, একাধিক শ্রেণিকক্ষের দরজা-জানালা নষ্ট, নেই সীমানা প্রাচীর। নিরাপত্তার স্বার্থে কয়েকটি শ্রেণিকক্ষ বন্ধ রাখতে হয়েছে, ফলে পঠন-পাঠন ব্যাহত হচ্ছে।
এরপর বিধায়ক ক্ষেত্র মোহন হাঁসদা স্কুল ভবন পরিদর্শন করেন। তিনি স্কুল কর্তৃপক্ষকে সাত দিনের মধ্যে একটি লিখিত আবেদনপত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং পরিকাঠামো উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এখানে উল্লেখ্য স্বাধীনতার পর পরই ১৯৪৮ সালে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় ধানাড়া বিক্রমপুর ইউনিয়ন শ্যামাপ্রসাদ মেমোরিয়াল হাই স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিদ্যালয়টি ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত। জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত এলাকায় ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এর নামাঙ্কিত বিদ্যালয় দক্ষিণ বাঁকুড়ায় সম্ভবত এটি রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সময় ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সহযোগিতা ছিল বলেই তাঁর নামেই স্কুলটির নামকরণ করা হয়। স্থানীয় অভিভাবকরা ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা বৃন্দ বলেন অন্যান্য বিদ্যালয়ের ছাত্রাবাস গুলি বন্ধ হয়ে গেলেও বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে ছাত্রাবাস চালু রয়েছে, যা এলাকার বহু পড়ুয়ার শিক্ষার অন্যতম ভরসা।
সারেঙ্গা ব্লকের প্রাচীনবিদ্যালয় গুলির মধ্যে এটি অন্যতম।
