সাম্প্রতিক
ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার

ভাতাড়ের কাশিপুরে বিজেপির মহামিছিল; সিপিআইএমকে কড়া হুঁশিয়ারি বিধায়ক সৌমেন কার্ফার


সেখ মিলন ( ভাতাড় )

পূর্ব বর্ধমানের ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে দিন কয়েক আগে বিজেপি ও সিপিআইএমের মধ্যে অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ তুলে রবিবার বিকেলে কাশিপুর এলাকায় মহামিছিল করল বিজেপি। ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নেতৃত্বে সাহেবগঞ্জ এলাকা থেকে শুরু হয় এই মিছিল। পরে মিছিলটি কাশিপুর এলাকায় পৌঁছয়। সেখানে পথসভার মাধ্যমে সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন বিধায়ক।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে কাশিপুর এলাকায় খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে অশান্তির ঘটনা ঘটে। অভিযোগ, সিপিআইএমের পক্ষ থেকে ওই এলাকায় লাল ঝান্ডা পুঁতে জমি দখলের চেষ্টা করা হয়। যদিও সিপিআইএমের দাবি, সেই সময় বিজেপির লোকজন জড়ো হয়ে তাদের কর্মীদের উপর হামলা চালায়।

অন্যদিকে, ভাতাড়ের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার অভিযোগ, ওরগ্রামে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিতে এরুয়ার থেকে দুই বিজেপি কর্মী আসছিলেন। তাঁদের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় থাকায় সিপিআইএম কর্মীরা তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ। বিজেপির দাবি, দেবনাথ বাগদি নামে এক কর্মীর মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে।
এদিনের পথসভা থেকে বিধায়ক সৌমেন কার্ফা বলেন, সরকারি খাস জমি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার প্রশাসনের। প্রয়োজনে তিনি প্রশাসনকে সহযোগিতা করবেন। কিন্তু সিপিআইএমকে খাস জমি দখল করার অধিকার কে দিয়েছে। একইসঙ্গে তিনি সিপিআইএমকে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দেন।
বিজেপির দাবি, এদিনের মহামিছিলে কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন চারটি মণ্ডলের সভাপতি-সহ বিধানসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
তবে এলাকায় কোনরুপ অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তৎপর ছিল পুলিশ প্রশাসন। ভাতাড়ের কাশিপুর এলাকায় মোতায়েন ছিল ভাতাড় থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।

বিবাহ অনুষ্ঠান থেকে বর হঠাৎ রাস্তায় এসে হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল আরোহীদের হেলমেট বিতরণ।


অভিনব উদ্যোগে খুশি ভাতার ও মঙ্গলকোট এলাকার মানুষজন।

পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের এরুয়ার গ্রামের বাসিন্দা তানবীর‌ আনসারী তিনি বিবাহ করছেন মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামের প্রিয়া চৌধুরীকে।
আজ তার শুভ বিবাহ।
বিবাহ অনুষ্ঠান হয় মঙ্গলকোটের নতুনহাট সাথী অনুষ্ঠান ভবনে।
সেই বিবাহ অনুষ্ঠানে বেশ কিছু অভিনব কর্মসূচি করল তানভীর।
অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে প্রায় ১০০ টি চারা গাছ রোপন করলেন তিনি।
দুস্ত কিছু গরিব ছাত্র-ছাত্রীদের বই খাতা পেন বিতরণ করেন।

এছাড়াও সেভ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচিকে সামনে রেখে পথ চলতি বেশ কিছু মানুষকে নতুন হেলমেট তুলে দেন।
নতুন বরকে এই কর্মসূচিতে দেখে খুশি এলাকার মানুষ।
এক কোনে পক্ষ জানায় এরকম বিবাহ অনুষ্ঠানে প্রথম এলাম।
তানবির বলেন,
আমি ছোটবেলা থেকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে ভালোবাসি।
আজ আমার জীবনের এক নতুন অধ্যায় এরকম কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমাকে খুব ভালো লাগছে।।

ভাতার থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট

Music, Mystery and Memories: Katukutu Buro Unveils Its Official Trailer Followed By A Musical Evening

Music, Mystery and Memories: Katukutu Buro Unveils Its Official Trailer Followed By A Musical Evening

Film releasing 24th July

Link : https://youtu.be/dimJoLEsX4I?si=oqDXPIyTKYUO7jtN

The world of Katukutu Buro came alive at Lake Mall Atrium as the film’s cast and music team came together for an evening celebrating stories, music and mystery ahead of its theatrical release on 24th July.

More than just a trailer launch, the event offered audiences an immersive glimpse into the film through conversations, live performances and the unveiling of its much-awaited official trailer.

The evening began on an emotional note with a heartfelt tribute to the late Rahul Banerjee, as the entire gathering observed a minute silence in remembrance of his contribution to the film.

Present at the event were Ujaan Ganguly, Rapurna Bhattacharyya, alongside the film’s music team comprising Debayan Banerjee, Cizzy, Srijita Mitra and Shrestha Das.

Following a screening of the teaser, the film’s official trailer was launched amid an enthusiastic audience, offering a deeper look into the intriguing world of Katukutu Buro. The trailer offers a compelling glimpse into a world where love, mystery, emotion and an important social conversation intertwine with remarkable sensitivity. Revealing just enough to spark curiosity, it leaves its deepest emotions and biggest revelations for audiences to experience on the big screen.

Woven with love under siege, unspoken wounds and a familiar childhood legend that suddenly feels unsettlingly real, Katukutu Buro invites audiences to feel deeply, reflect quietly and discover its mysteries for themselves.

The cast and creators then reflected on their journey, sharing behind-the-scenes anecdotes, the creative process and the experience of bringing the story to life.

The celebrations continued with a live musical showcase featuring the film’s soundtrack. Performances of the Title Track, BBD Bagh, Buro Buri and Lovuduvu transformed the trailer launch into a vibrant musical evening, with audiences joining in the excitement. Interactive sessions, audience participation, and exclusive premiere pass giveaways added to the festive atmosphere.

Written and directed by Ujaan Ganguly, Katukutu Buro blends mystery, emotion and music into a distinctive cinematic experience. With the trailer now unveiled and the music already striking a chord with audiences, the film is all set to arrive in cinemas on 24th July.

সারকোমা সারভাইভার মিট ২০২৬: ক্যানসার জয়ের পর নতুন জীবনের উদযাপন

সারকোমা সারভাইভার মিট ২০২৬: ক্যানসার জয়ের পর নতুন জীবনের উদযাপন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা: ক্যানসারকে হারিয়ে ফিরে আসা প্রতিটি মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্প আলাদা। সেই সাহস, লড়াই এবং নতুন করে জীবন শুরু করার ইচ্ছাশক্তিকে সম্মান জানাতে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস আয়োজন করল ‘সারকোমা সারভাইভার মিট ২০২৬’। এই অনুষ্ঠানে সারকোমা থেকে সুস্থ হওয়া মানুষ, তাঁদের পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক এবং শুভানুধ্যায়ীরা একত্রিত হন। এই আয়োজন শুধু সাফল্যের গল্প ভাগ করে নেওয়ার জন্য নয়, বরং সারকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, দ্রুত রোগ ধরা পড়ার গুরুত্ব, একাধিক বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা এবং চিকিৎসার পর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল রোগীদের শুধু সুস্থ করে তোলা নয়, তাঁদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ডা. কৌশিক নন্দী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও এইচওডি – অর্থোপেডিক অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস। এরপর অরুণিমা দত্ত, কনসালট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের সময়ে মানসিক শক্তির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৌরভ দত্ত, ডিরেক্টর – মণিপাল অনকোলজি সার্ভিসেস ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – হেড অ্যান্ড নেক অনকোলজি সার্জারি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; এবং ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বামী কৃপাকারানন্দজি। তিনি তাঁর বক্তব্যে কঠিন পরিস্থিতিতেও আশা এবং মানসিক শক্তি ধরে রাখার বার্তা দেন। এরপর বিশিষ্ট সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিত্ব তরুণ গোস্বামী জীবনের লড়াই এবং কঠিন সময়কে জয় করার শক্তি নিয়ে বক্তব্য রাখেন। পর্বতারোহী অনিন্দ্য মুখার্জি একটি বিশেষ মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে পাহাড় জয়ের অভিজ্ঞতার সঙ্গে জীবনের কঠিন লড়াইয়ের মিল তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শেষে সারভাইভারদের পরিবেশিত একটি নাটক সকলকে আবেগাপ্লুত করে। এই পরিবেশনায় সাহস, অধ্যবসায় এবং জীবনের জয়গান তুলে ধরা হয়। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ৫৫ বছর বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং অস্টিওসারকোমা জয়ী চিন্ময় সাহা বলেন, “২০১৫ সালে যখন আমার স্টেজ-২ হাই-গ্রেড অস্টিওসারকোমা ধরা পড়ে, তখন আমার ফিমার হাড়ে ১৪ সেন্টিমিটারের একটি টিউমার ছিল। এরপর শুরু হয় অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি, বারবার হাসপাতালে যাওয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফলো-আপ চিকিৎসা। দশ বছরেরও বেশি সময় পরে আমি বুঝেছি, ক্যানসারকে হারানো শুধু চিকিৎসা শেষ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন করে জীবনকে গ্রহণ করাও তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অস্টিওসারকোমা আমার জীবনের অনেক কিছু বদলে দিলেও আমার কাজের প্রতি ভালোবাসা বা এগিয়ে চলার ইচ্ছাকে কখনও থামাতে পারেনি। এই রোগ আমার জীবনের একটি অধ্যায়, পুরো গল্প নয়। আজও আমি আমার পছন্দের কাজ করে যাচ্ছি আশা, কৃতজ্ঞতা এবং এই বিশ্বাস নিয়ে যে, সাহস থাকলে যেকোনও কঠিন পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব।” নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে ২৯ বছর বয়সী সরকারি কর্মী এবং অস্টিওসারকোমা জয়ী মনিমালা মণ্ডল বলেন, “প্রথমে যখন পায়ে একটি ফোলা জায়গা লক্ষ্য করি, তখন ভেবেছিলাম এটি সাধারণ চোট। খুব বেশি ব্যথাও ছিল না, তাই ক্যানসারের কথা একবারও মনে হয়নি। পরে একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে জানা যায়, আমার অস্টিওসারকোমা হয়েছে। এখন বুঝতে পারি, শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তনকে আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিই না, আর সেই ভুলের মূল্য অনেক বড় হতে পারে। আমার ফিমারের আক্রান্ত অংশ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাদ দিতে হয়েছিল। তবে সময়মতো রোগ ধরা পড়ায় দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়েছে এবং আমি ভালো আছি। আমার সবার কাছে একটাই অনুরোধ, শরীরে দীর্ঘদিন ফোলা, অকারণ ব্যথা বা অন্য কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণ থাকলে তা কখনও অবহেলা করবেন না। সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে শুধু একটি অঙ্গ নয়, জীবনও বাঁচানো সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. কৌশিক নন্দী বলেন, “সারকোমা একটি বিরল এবং জটিল ধরনের ক্যানসার। এর সফল চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে কাজ করা খুবই জরুরি। বর্তমানে অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি এবং নতুন ধরনের চিকিৎসার কারণে রোগীদের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়েছে। তবে চিকিৎসা শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রোগীদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া, স্বাভাবিক জীবনে ফেরা এবং নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক সহায়তা পাওয়া সমান গুরুত্বপূর্ণ। সারকোমা সারভাইভার মিট প্রতিটি রোগীর সাহস এবং লড়াইকে সম্মান জানায়। একই সঙ্গে এটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে, সময়মতো রোগ ধরা পড়া, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা এবং সঠিক চিকিৎসা পেলে ক্যানসারের বিরুদ্ধে জয় সম্ভব।” এই সারকোমা সারভাইভার মিটের মাধ্যমে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস আবারও জানিয়ে দিল, তাদের লক্ষ্য শুধু ক্যানসারের চিকিৎসা করা নয়, বরং চিকিৎসার পর রোগীদের সুস্থ, স্বাভাবিক এবং আত্মবিশ্বাসী জীবনে ফিরিয়ে আনাও। সারভাইভার, চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে এনে এই উদ্যোগ মানুষকে সারকোমা সম্পর্কে সচেতন হতে, সময়মতো চিকিৎসা নিতে এবং আশা হারিয়ে না ফেলতে উৎসাহ দিয়েছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা, ভালো চিকিৎসা পরিষেবা এবং দৃঢ় মনোবল থাকলে ক্যানসারের পরেও সুন্দর ও অর্থপূর্ণ জীবন যাপন করা সম্ভব।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার পা ছুঁয়ে প্রণাম করলেন বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার কুসুম্বা উচ্চ বিদ্যালয় অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে গিয়ে হঠাতই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামার সাথে সাক্ষাৎ করলেন রামপুরহাট বিধানসভার বিজেপির বিধায়ক ধ্রুব সাহা। সঙ্গে ছিলেন মহিলা সাভানেত্রী রেশমি দে সহ আরো অন্যান্য বিজেপির কার্যকর্তা গন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে তার শারীরিক খোঁজ খবর নেন পাশাপাশি প্রয়োজনে তিনি সব রকম সহযোগিতার আশ্বাসও দেন। মামা অনিল মুখোপাধ্যায় জানান খুব ভালো লাগলো ভালো লোক ভালোভাবে রাজ্য চালাক এই আশীর্বাদ করলেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মামা জানান ১৫ বছর আপনার ভাগ্নি রাজ্য চালিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হয়ে এখন তিনি হেরে গেছেন কি বলবেন এ বিষয়ে তিনি উত্তরে জানান মানুষ ভোট দেয়নি তাই হেরে গেছেন। এরাও ভালোভাবে পাঁচ বছর চালাক তাহলে আবার এরাই হবে। আপনার নাতির অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর জন্যই দল নাকি হেরেছে বলে ঋতব্রত ও অনুব্রত মণ্ডল রা বলছেন সবই শুনছি লোকে যা বলছে, শুনতে হচ্ছে ,আমাদের আর কি বলার আছে। এর জন্য কে দায়ী তা আমি বলতে পারব না।

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

তারাপীঠে ফুটবল প্রতিযোগিতা

রামপুরহাট, তথাগত চক্রবর্তী, বীরভূমের তারাপীঠ সংলগ্ন তারাপুরে নতুন দিগন্ত ক্লাবের উদ্যোগে অনুর্ধ ১৮ আন্তঃ বিদ্যালয় ফুটবল প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধনে উপস্থিত তারাপীঠের নতুন মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল ব্যানার্জি ও সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জী সহ আরো অনান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

ছয় ভরি সোনা এবং মেয়ের বিয়ের কেনাকাটা করার জন্য ১০লক্ষ টাকা রথের দিনই সর্বস্ব লুটপাট ।

কৌশিক গাঙ্গুলী বীরভূম।

রথের উৎসবে যখন মেতে উঠেছিল গোটা শহর, ঠিক সেই সুযোগকেই কাজে লাগিয়ে ঘটল এক ভয়াবহ ঘটনা। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে সর্বস্বান্ত হলো একটি পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে দুবরাজপুর পৌরসভার আনন্দকানন এলাকায়। জানা যায়, রথের দিন বিকেল ৫টা নাগাদ ব্যবসায়ী তপন মণ্ডলের স্ত্রী জবা মণ্ডল রথ দেখতে বেরিয়েছিলেন। কিছুক্ষণ পরেই তাদের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলও বাড়ির দরজা তালাবন্ধ করে রথ দেখতে যান। আনন্দমুখর পরিবেশে তখন সবাই যখন উৎসবে ব্যস্ত, তখনই চোরেরা তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে জবা মণ্ডল বাড়ি ফিরে দেখেন, বাড়ির দরজা ভাঙা। ঘরের ভেতরে ঢুকতেই তাঁর পায়ের তলার মাটি সরে যায়।
​প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বড় রড দিয়ে রান্নাঘরের গ্রিল ভেঙে ভেতরে ঢোকে। এরপর বাড়ির মূল দরজার চাবি খুঁজে বের করে তালা খোলে এবং খাটের তোশকের নিচে রাখা আলমারির চাবির সাহায্যে একের পর এক আলমারি খুলে তছনছ করে। সব শেষে প্রায় ৬ ভরি সোনার গহনা এবং ১০ লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা।
​উল্লেখ্য, আগামী ২রা আগস্ট তপন মণ্ডলের মেয়ে মৌসুমী মণ্ডলের বিয়ে। মেয়ের বিয়ের জন্য জমানো সোনার গহনা ও নগদ টাকা চুরি যাওয়ায় দিশেহারা মণ্ডল পরিবার। বিয়ের ঠিক ১৫ দিন আগে এমন ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।
খবর পাওয়ার পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দুবরাজপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। উপস্থিত ছিলেন দুবরাজপুরের সিআই শুভাশিস হালদার। চোরেরা ঠিক কীভাবে সব চাবি ও গহনার হদিশ পেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। সবদিক খতিয়ে দেখে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করছে দুবরাজপুর থানার পুলিশ।
​

মাতৃ আরাধনায় বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব

মাতৃ আরাধনায় বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব

রথযাত্রার শুভ দিনে ‘বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব’ এর খুঁটি পুজো হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে, টালা পার্কে আয়োজিত এই খুঁটি পুজোর মধ্য দিয়ে এবারের শারদীয়া দুর্গাপুজোর সূচনা হলো।

উত্তর কলকাতার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই পুজো এবার ৭৯ বছরে পড়লো। এবারের পুজোর দায়িত্বে রয়েছে নতুন কমিটি। এই কমিটির সদস্যরা এবছর থিম পুজোর পরিবর্তে সাবেকিয়ানা ফিরিয়ে আনতে চলেছেন।

বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব কমিটির সভাপতি অরিন্দম সাহা জানিয়েছেন, ঐতিহ্যবাহী এই পুজোয় আবার সাবেকিয়ানা ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। পুজোর প্যান্ডেল নির্মাণ করা হবে প্রাচীন মন্দিরের আদলে। প্রতিমাতেও থাকবে সাবেকিয়ানা।

পুজো কমিটির সদস্য অনির্বাণ ভট্টাচার্য্যি বলেন, বাহ্যিক আড়ম্বরের পরিবর্তে ভক্তি এবং নিষ্ঠার সঙ্গে মায়ের আরাধনার মধ্য দিয়েই উৎসব পালন করবে বেলগাছিয়া সাধারণ দুর্গোৎসব।

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম:
বীরভূম জেলার ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুয়ো লটারির কারবার নিয়ে অভিযোগ উঠছে। কখনও ঝাড়খণ্ড, কখনও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অজয় নদ পেরিয়ে খয়রাসোল ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় জাল লটারির টিকিট পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি পুলিশের কড়া নজরদারির ফলে এই অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।
শুক্রবার কাঁকরতলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) আব্দুল হানিফের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের জাল লটারির টিকিট উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় যে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দিক থেকে অজয় নদ পেরিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী খয়রাসোল ব্লকের হজরতপুর এলাকায় বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করছে। খবর পাওয়া মাত্রই হজরতপুর-নবসন রোড এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু করে কাঁকরতলা থানার পুলিশ।
হজরতপুর রেলওয়ে সাইডিংয়ের কাছে ওত পেতে থাকা পুলিশ সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলটিকে আটকায়। তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেল থেকে বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত টিকিট এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
ধৃতের নাম শেখ সাইফুল ওরফে বান্টি(২৫) । তার বাড়ি কাঁকরতলা থানার বড়রা গ্রামে। পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি একটি বৃহত্তর আন্তঃজেলা জাল লটারি পাচারচক্রের অংশ। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর নেপথ্যে কোনও বড় মাথা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কাঁকরতলা থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শনিবার ধৃত শেখ সাইফুলকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকার এই জাল লটারির ব্যবসার শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর জেলার মানুষের।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,দাঁইহাট : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শনিবার কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সচেতনতামূলক র‍্যালি এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র স্কাউট অ্যান্ড গাইডস গ্রুপের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় চত্বর ও সংলগ্ন এলাকা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়ার বিধায়ক কৃষ্ণ ঘোষ, কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার ব্রজ বিলাস সেন, দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোহর দাস, সর্পবন্ধু তন্ময় ঘোষ, পরিবেশবন্ধু অর্নব দাস এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বনকর্মী কৌশিক মুখার্জী।
সাংস্কৃতিক পর্বে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নেয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের অংশগ্রহণে “একটি গাছ, অনেক প্রাণ” শীর্ষক পরিবেশ সচেতনতামূলক উপস্থাপনা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের গুরুত্ব নানা সৃজনশীল পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ ও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের মঞ্চ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।
ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহী অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান আয়োজকরা।
কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসীরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান উপস্থিত সকলে।