সাম্প্রতিক
পূজোর পর গাট হেলথ রিসেট: হজমের যত্নে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

পূজোর পর গাট হেলথ রিসেট: হজমের যত্নে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

ডাঃ সঞ্জীব রায়, কনসালটেন্ট -গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট, নারায়ণা হাসপাতাল, বারাসাত

দুর্গাপূজো মানেই আনন্দ, উদ্‌যাপন আর সুস্বাদু খাবারের সমাহার। তবে অতিরিক্ত তেল-মশলাযুক্ত খাবার, ভাজাভুজি, অনিয়মিত খাওয়াদাওয়া, রাত করে খাওয়া এবং শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়ার কারণে উৎসবের পর অনেকেই পেট ফাঁপা, অম্বল, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং পেটে ভারী ভাবের মতো সমস্যায় ভোগেন।

সুখবর হল, হজমশক্তি ঠিক রাখতে জটিল কোনও ডিটক্স পদ্ধতির প্রয়োজন নেই। ধীরে ধীরে স্বাস্থ্যকর ও নিয়মিত অভ্যাসে ফিরে গেলেই সাধারণত হজমের অস্বস্তি কমে আসে।

১. নিয়মিত সময়ে খাবার খান

নিয়মিত সময়ে সুষম ও বাড়িতে তৈরি খাবার খাওয়ার অভ্যাসে ফিরে আসুন। প্রতিদিনের খাবারে ভাত বা রুটি, ডাল, শাকসবজি এবং মাছ, ডিম বা অন্যান্য ডালজাতীয় খাবারের মতো প্রোটিনের উৎস রাখুন। ধীরে ধীরে খাবার খান, পরিমিত পরিমাণে খান এবং উৎসবে বেশি খাওয়ার ক্ষতিপূরণ করতে পরের বেলার খাবার এড়িয়ে যাবেন না।

২. ধীরে ধীরে খাদ্যতালিকায় ফাইবার বাড়ান

ফল, শাকসবজি, গোটা শস্য, ওটস এবং ডাল নিয়মিত মলত্যাগে সাহায্য করে। তবে হঠাৎ করে খাদ্যতালিকায় প্রচুর ফাইবার যোগ করবেন না। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এতে গ্যাস ও পেট ফাঁপার সমস্যা বেড়ে যেতে পারে। তাই ধীরে ধীরে ফাইবারের পরিমাণ বাড়ানোই ভালো।

৩. পর্যাপ্ত জল পান করুন

সারা দিন নিয়মিত জল পান করুন। পর্যাপ্ত জল অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বজায় রাখতে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে, বিশেষত যখন খাদ্যতালিকায় ফাইবারের পরিমাণ বাড়ানো হয়। তবে চিকিৎসক যদি জল পানের পরিমাণ সীমিত রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন, তাহলে সেই নির্দেশ মেনে চলুন।

৪. আবার শারীরিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠুন

নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী নিয়মিত শরীরচর্চা শুরু করুন। প্রতিদিন হাঁটা, এমনকি খাবারের পর অল্প সময়ের জন্য ধীরে হাঁটাও হজমের অস্বস্তি কমাতে এবং নিয়মিত মলত্যাগে সাহায্য করতে পারে। তবে ভারী খাবার খাওয়ার পরপরই কঠোর ব্যায়াম করা এড়িয়ে চলুন।

৫. অম্বল নিয়ন্ত্রণ করুন, ডিটক্স ডায়েট এড়িয়ে চলুন

একবারে বেশি খাবার খাওয়া, রাত করে খাওয়া এবং কিছু নির্দিষ্ট খাবার অ্যাসিড রিফ্লাক্স বা অম্বলের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই অল্প পরিমাণে খাবার খান, খাওয়ার পর দুই থেকে তিন ঘণ্টা শোয়া এড়িয়ে চলুন এবং কোন খাবার খেলে সমস্যা বাড়ে, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করুন।

উৎসবে বেশি খাওয়ার ক্ষতিপূরণ করতে ডিটক্স চা, শুধুমাত্র ফলের রস খেয়ে থাকা, জোলাপের ওষুধ বা দীর্ঘক্ষণ উপোস করার মতো পদ্ধতি এড়িয়ে চলুন। শরীরের নিজস্ব প্রক্রিয়াতেই পুষ্টি গ্রহণ ও বর্জ্য পদার্থ নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রয়েছে। চরম খাদ্যনিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে সুষম খাদ্যাভ্যাস অনেক বেশি উপকারী।

৬. কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন, তা জানুন

জীবনযাত্রায় কিছু পরিবর্তন আনলে হালকা হজমের সমস্যা প্রায়ই কমে যায়। তবে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। তীব্র পেটব্যথা, বারবার বমি, মলের সঙ্গে রক্ত, কালো মল, খাবার গিলতে অসুবিধা অথবা কোনও স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যান। তীব্র ব্যথা, উল্লেখযোগ্য রক্তক্ষরণ অথবা কোনও তরল খাবারও পেটে রাখতে না পারলে জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

পূজোর পরও বজায় রাখুন স্বাস্থ্যকর অভ্যাস

পূজোর পরের সময়টি স্বাস্থ্যকর অভ্যাসে ফিরে আসার একটি ভালো সুযোগ। নিয়মিত খাবার খাওয়া, সুষম খাদ্য গ্রহণ, পর্যাপ্ত জল পান, শারীরিক সক্রিয়তা এবং পর্যাপ্ত ঘুম—এই অভ্যাসগুলিই সুস্থ পরিপাকতন্ত্রের ভিত্তি।

উৎসবের সময় পছন্দের খাবার খাওয়ার জন্য অপরাধবোধে ভোগার কোনও প্রয়োজন নেই। লক্ষ্য হল উৎসবের আনন্দকে মুছে ফেলা নয়, বরং একটি স্বাস্থ্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী দৈনন্দিন রুটিনে ফিরে আসা।

আপনার পরিপাকতন্ত্রের জন্য নাটকীয় কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই—প্রয়োজন শুধু নিয়মিত অভ্যাস, ভারসাম্য এবং যত্ন।

‘SHYAMA’ NOW FILMING: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিক নিয়ে নতুন চমক, ধাপে ধাপে প্রকাশ পাবে ছবির নানা দিক

‘SHYAMA’ NOW FILMING: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বায়োপিক নিয়ে নতুন চমক, ধাপে ধাপে প্রকাশ পাবে ছবির নানা দিক

৬ জুলাই ২০২৬-এ প্রথম গ্র্যান্ড অ্যানাউন্সমেন্টের পর এবার ‘SHYAMA’ পৌঁছল ‘FILMING NOW’ পর্যায়ে। ছবির ইংরেজি সাবটাইটেল রচনার দায়িত্বে ড. স্বপন কুমার নাথ।

কলকাতা: ভারতীয় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও ঐতিহাসিক উত্তরাধিকারকে কেন্দ্র করে নির্মিত বায়োপিক ‘SHYAMA’-কে ঘিরে সামনে এল নতুন আপডেট। গত ৬ জুলাই ২০২৬, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে, এই চলচ্চিত্রের প্রথম গ্র্যান্ড অ্যানাউন্সমেন্ট করেন অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক Suchandra X Vaaniya। এবার প্রকল্পটি পৌঁছেছে ‘FILMING NOW’ পর্যায়ে। পাশাপাশি, ছবিটির ইংরেজি সাবটাইটেল রচনার দায়িত্ব পালন করছেন ড. স্বপন কুমার নাথ।

ইতিহাসনির্ভর এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও ঐতিহাসিক ভূমিকার বিভিন্ন দিককে চলচ্চিত্রের ভাষায় নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছেন নির্মাতারা। ছবিটির নির্মাণের অগ্রগতি, কাহিনি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

Suchandra X Vaaniya: চলচ্চিত্র ও সাহিত্যে বহুমাত্রিক যাত্রা

Suchandra X Vaaniya একজন অভিনেতা, লেখক ও পরিচালক। ২০২১ সালে Montreal Independent Film Festival-এ ‘Best Female Debut Director’ পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে ‘Ramayana: The Arrival of Suparnakha’, একটি ডকু-ফিচার ফিল্ম, যেখানে রামায়ণের পরিচিত আখ্যানকে সুপর্ণখার দৃষ্টিকোণ থেকে অন্বেষণ করা হয়েছে।

সাহিত্যচর্চাতেও সক্রিয় Suchandra X Vaaniya রামায়ণকে কেন্দ্র করে লিখেছেন ‘একান্ন নারীর এক রামায়ণ’ নামে একটি উপন্যাস। এই গ্রন্থে রামায়ণের সঙ্গে যুক্ত একান্ন জন নারীর অনালোচিত, উপেক্ষিত ও না-বলা কাহিনিগুলিকে সামনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নারীদের অভিজ্ঞতা, অনুভূতি ও দৃষ্টিকোণ থেকে রামায়ণের আখ্যানকে নতুনভাবে পাঠ করার প্রচেষ্টাই এই সাহিত্যকর্মের মূল বৈশিষ্ট্য।

চলচ্চিত্র ও সাহিত্যের এই বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়েই এবার ‘SHYAMA’-র মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জীবন ও উত্তরাধিকারকে বড় পর্দায় তুলে ধরতে এগিয়ে চলেছেন তিনি।

‘SHYAMA’: ইতিহাস, গবেষণা ও চিত্রনাট্য

‘SHYAMA’ পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন Suchandra X Vaaniya এবং Chaandroday Pal। ইতিহাসনির্ভর এই প্রকল্পের গবেষণা ও চিত্রনাট্য নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন তথাগত রায়, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে গবেষণা করে আসছেন। তাঁর গবেষণালব্ধ তথ্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ছবিটির গবেষণা এবং চিত্রনাট্য নির্মাণে সহায়ক হয়েছে।

অন্যদিকে, ছবির গবেষণার তথ্যগত নির্ভুলতা বজায় রাখা এবং প্রাসঙ্গিক ঐতিহাসিক নথি, প্রামাণ্য উপাদান ও আইনি দিকগুলি খতিয়ে দেখার কাজে সহযোগিতা করছেন বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারী। ঐতিহাসিক তথ্য ও প্রাসঙ্গিক নথির ভিত্তিতে ছবিটির বিষয়বস্তুকে যথাসম্ভব তথ্যনির্ভর ও সুসংহত করে তোলাই এই সহযোগিতার অন্যতম উদ্দেশ্য।

ইংরেজি সাবটাইটেলে ড. স্বপন কুমার নাথ

‘SHYAMA’ প্রকল্পের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হল ছবিটির ইংরেজি সাবটাইটেল। ড. স্বপন কুমার নাথ এই চলচ্চিত্রের ইংরেজি সাবটাইটেল রচনা করছেন। চলচ্চিত্রের সংলাপ, বক্তব্য ও কাহিনির ভাব যথাযথভাবে ইংরেজি ভাষায় উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সাবটাইটেল একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ইংরেজি সাবটাইটেলের সংযোজন ছবিটির বক্তব্যকে ইংরেজিভাষী দর্শকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে। এর মাধ্যমে চলচ্চিত্রটির বিষয়বস্তু আরও বৃহত্তর দর্শকসমাজের কাছে উপস্থাপনের সুযোগ তৈরি হবে।

‘FILMING NOW’: এবার পরবর্তী পর্যায়ের অপেক্ষা

ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন, রাজনৈতিক দর্শন ও ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে নির্মিত ‘SHYAMA’-র লক্ষ্য, ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে চলচ্চিত্রের ভাষায় নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা। গবেষণা, চিত্রনাট্য, পরিচালনা ও ইংরেজি সাবটাইটেল—প্রতিটি ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবদান নিয়ে এগিয়ে চলেছে এই প্রকল্প।

৬ জুলাইয়ের প্রথম গ্র্যান্ড অ্যানাউন্সমেন্টের পর ‘FILMING NOW’ আপডেট ছবিটির যাত্রায় একটি নতুন পর্যায়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামী দিনে ছবিটির সঙ্গে যুক্ত আরও নানা তথ্য, নির্মাণের অগ্রগতি এবং গুরুত্বপূর্ণ চমক ধাপে ধাপে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

OPPO F35 Series 5G: The Ultimate Group Selfie Expert

OPPO F35 Series 5G: The Ultimate Group Selfie Expert

OPPO F35 Series 5G launched on 5 October 2026, under the inspiring tagline, “Group Selfie Expert.” Featuring the OPPO F35 5G and OPPO F35 Pro 5G, the series will go on its first sale from 11 October 2026, with prices starting at ₹38,999.
The OPPO F35 5G will be available in 6GB+128GB and 8GB+128GB variants, priced at ₹38,999 and ₹42,999, respectively. The OPPO F35 Pro 5G will be available in 6GB+128GB, 8GB+128GB and 8GB+256GB variants, priced at ₹45,999, ₹49,999 and ₹54,999, respectively.
To make the purchase more rewarding, customers can avail themselves of a range of launch offers, including 10% instant cashback on eligible UPI transactions and bank cards, zero-down-payment financing for up to 18 months on the F35 Pro 5G and 15 months on the F35 5G, and exchange bonuses of up to 10%. Customers can also purchase the OPPO Enco Buds3 Pro+ at ₹1,499 under the bundle offer.
Additional benefits include up to 70% assured buyback through OneAssist, special student offers comprising 10% instant cashback plus an additional 2% cashback, and discounts of up to ₹5,000 on domestic hotel bookings through Yatra under the Pine Labs offer. Customers can also enjoy Jio benefits featuring 5,000GB of cloud storage for 18 months and Pro Gemini benefits worth ₹35,000, subject to applicable terms and eligibility.
Further enhancing the value proposition, OPPO is offering a free one-year extended warranty and a 20% discount on eligible screen damage, accidental damage and liquid damage protection plans. Both offers are valid until 21 October 2026, subject to applicable terms and conditions.
With compelling pricing and a host of exclusive launch benefits, the OPPO F35 Series 5G aims to make every group selfie and everyday moment more memorable, encouraging consumers to showcase their best life and create their own masterpieces.
Terms and conditions apply. Offers are subject to eligibility, availability and the respective scheme conditions.

Smith & Jones Launches New Campaign with Rasika Dugal Encouraging Consumers to Question their Ginger Garlic Paste

Smith & Jones Launches New Campaign with Rasika Dugal Encouraging Consumers to Question their Ginger Garlic Paste

National, October 2026: Smith & Jones, a leading food brand from Tata Consumer Products Limited and makers of their Ginger Garlic Paste which is India’s No. 1* Cooking Paste, has unveiled a new campaign featuring Rasika Dugal aimed at helping consumers understand what to look for in a Ginger Garlic Paste in a playful and engaging manner.

As the Ginger Garlic Paste category continues to grow, consumers have more choices than ever before. However, awareness of what differentiates one paste from another remains limited. Through a simple visual demonstration, the campaign highlights an easy-to-observe cue, helping consumers distinguish a thick, consistent Ginger Garlic Paste from a watery one and make more informed choices. As the campaign puts it, ‘Ho Gaya Na Paste Ka Paste Aur Paani Ka Paani.’

Speaking on the campaign, Ms. Deepika Bhan, President Packaged Foods, Capital Foods & Soulfull at Tata Consumer Products, said “ Trying new recipes and experimenting with different ingredients can sometimes feel intimidating, but with Smith & Jones, we want to make it super simple. This campaign reflects the same belief”

Heval Patel, COO, The Womb, said: ‘’Smith and Jones is the ginger garlic paste category leader. Today, when the category is treated as a commodity, there was an opportunity for Smith and Jones to spark a conversation about how to identify good ginger garlic paste that can deliver on rich and consistent taste. The film, which falls under the brand promise of ‘Taste Gajab’, illustrates how the right ginger garlic paste provides the right base for making incredibly tasty dishes.”

The campaign will roll out across television, digital and social media platforms: https://youtu.be/v1DhLF77GGU

রক্তদান শিবির আয়োজনে মানবিক নজির গড়লো মঙ্গলকোট পুলিশ

রক্তদান শিবির আয়োজনে মানবিক নজির গড়লো মঙ্গলকোট পুলিশ

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার উদ্যোগে মঙ্গলকোট থানা প্রাঙ্গণে এক স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়। মানুষের জীবন বাঁচানো এবং সমাজে মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এই মহতী উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।এই অনুষ্ঠানে কাটোয়ার এসডিপিও শ্রী কাশীনাথ মিস্ত্রি মহাশয়, মঙ্গলকোট ব্লকের বিডিও সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। এই মহতী উদ্যোগে এলাকার সাধারণ মানুষ, সিভিক ভলান্টিয়ার এবং পুলিশকর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদান করে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। “তাঁদের এই নিঃস্বার্থ অবদান সমাজে সহমর্মিতা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং পুলিশ-জনগণের সুসম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করে তুলেছে” বলে জানিয়েছেন আইসি মধুসূদন ঘোষ।

এইচআরআই তাদের নতুন করপোরেট পরিচিতি উন্মোচন করেছে

এইচআরআই তাদের নতুন করপোরেট পরিচিতি উন্মোচন করেছে

কলকাতা: ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার সংস্থা হাইজেনিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাদের নতুন কর্পোরেট পরিচিতি ও লোগো উন্মোচন করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি প্রকাশ্যে এনেছে তাদের নতুন ট্যাগলাইন ‘হোয়্যার বিউটি ইভলভস’। এই রূপান্তরটি এইচআরআই-এর ৭০ বছরের যাত্রাপথে এক সামগ্রিক করপোরেট ব্র্যান্ড নবায়নের সূচনা করে; এটি ঐতিহ্য-সমৃদ্ধ এক ভারতীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আধুনিক ও উদ্ভাবন-কেন্দ্রিক সৌন্দর্য-সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে কোম্পানির বিবর্তনকে তুলে ধরে, যা ভারত ও আন্তর্জাতিক বাজারের গ্রাহকদের পরিষেবা প্রদান করছে।কোম্পানির এই নতুন রূপ গ্রাহকদের পরিবর্তনশীল আকাঙ্ক্ষার সাথে তাল মিলিয়ে ক্রমাগত বিবর্তিত হওয়া, বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবনকে এগিয়ে নেওয়া এবং সৌন্দর্য-শিল্পের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রতি তাদের দৃঢ় অঙ্গীকারকেই প্রতিফলিত করে।

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এইচআরআই, ভাসমল ও ফ্লোরোজোন-এর মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মের গ্রাহকদের আস্থা অর্জন করেছে। পাশাপাশি স্ট্রিক্স ও স্ট্রিক্স প্রফেশনাল-এর মতো আধুনিক বিউটি ব্র্যান্ডও গড়ে তুলেছে সংস্থাটি। বর্তমানে হেয়ার কালার, হেয়ার কেয়ার, স্কিন কেয়ার এবং পেশাদার স্যালোঁ পরিষেবা-সহ বিভিন্ন পণ্যের সমাহারের মাধ্যমে কোটি কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে এইচআরআই।

নতুন পরিচিতিটি গভীর ভোক্তা উপলব্ধির সাথে দক্ষতা, বিশ্বস্ত ঐতিহ্যের সাথে সমসাময়িক উদ্ভাবন এবং ব্যাপক সহজলভ্যতার সাথে প্রিমিয়াম সৌন্দর্য অভিজ্ঞতার সমন্বয় ঘটিয়ে ভারত ও ইন্ডিয়া উভয়কেই সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে এইচআরআই-এর অনন্য সক্ষমতাকে প্রতিফলিত করে।

ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে মহামায়া মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মাতল মহিলারা।

ঘট বিসর্জনের সাথে সাথে মহামায়া মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মাতল মহিলারা।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:—প্রায় সাড়ে ৩০০ বছরের পুরানো রাইপুরের সন্নিকটে চাঁদুডাঙ্গা গ্রামে মা মহামায়া। এখানে মা মহামায়া দুর্গাপুজোর সময় দুর্গা রূপে পূজিতা হন। তবে এখানে উল্লেখ্য হরিহর গঞ্জগড় রাজবাড়ী থেকে রাজলক্ষ্মীকে ষষ্ঠীর দিন শোভাযাত্রা সহকারে নিয়ে আসা হয় মহামায়া মন্দির প্রাঙ্গণে। সপ্তমীর দিন সকালে নবপত্রিকা স্নানের মধ্য দিয়ে মা রাজলক্ষ্মীকে মন্দিরে মহামায়ার পাষান মূর্তির পাশে রাখা হয় এখানে মা রাজলক্ষ্মীকে দুর্গা রূপে পূজা করা হয়। আবার দশমীর দিন যথা নিয়মে শোভাযাত্রা সহকারে মা রাজলক্ষীকে চাঁন্দু ডাঙ্গা গ্রাম থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত হরিহর গঞ্জ গড় রাজবাড়ির মন্দিরে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই মহামায়া মন্দিরে মায়ের পাষাণ মূর্তি। চার দিনের পূজো শেষে আজ বিজয়া দশমীর পুজো সমাপ্ত হওয়ার পর মায়ের ঘট বিসর্জন দেওয়া হয় স্থানীয় আলম সায়েরে। ঘট বিসর্জনের সময় মায়ের ঘাটে মহিলারা স্নান করে আঁচল পেতে থাকেন মায়ের আশীর্বাদ নেওয়ার জন্য। ঘট নিয়ে আসা ব্রাহ্মণরা ঘটের জল আঁচল পেতে থাকা মায়েদের মাথায় দেন এই আঁচল পেতে থাকা মহিলারা বিশেষ করে যাদের সন্তান দীর্ঘদিন ধরে হয়নি তারা থাকেন। আবার জানা যায় মায়ের এই ঘটের জল মাথায় পাওয়ার পর তাদের কারো কারো কোল আলো করে আসেন মা দুর্গা কখনো ভোলা নাথ ।আবার ঘট বিসর্জনের সাথে চলে মন্দির চত্বরে সিঁদুর খেলা। বিবাহিত মেয়েরা সিঁদুর খেলায় মাতেন মন্দির প্রাঙ্গণে।

আমাদের দুর্গাপুজো: দেশভাগের স্মৃতি, শিকড়ের টান ও নতুন করে বেঁচে ওঠার ইতিহাস

আমাদের দুর্গাপুজোর ইতিহাস বাংলার প্রথাগত বনেদি বাড়ির পুজোর ইতিহাস থেকে বেশ স্বতন্ত্র। এই পুজো কেবল পারিবারিক ঐতিহ্য বা ধর্মীয় রীতিনীতির ধারাবাহিকতা নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দেশভাগের স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়া ভিটেমাটির টান এবং নতুন করে শিকড় গেড়ে বেঁচে ওঠার এক সংগ্রামী কাহিনি।

১৯৫১ সালে আমাদের পরিবার চট্টগ্রাম থেকে কলকাতায় চলে আসে। তার আগে পূর্ববঙ্গের সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং দেশভাগের অভিঘাতে মানুষের জীবন ওলটপালট হয়ে গিয়েছিল। ১৯৫০ সালের দাঙ্গা-অশান্তির ক্ষত তখনও গভীর, আর সদ্যগঠিত পাকিস্তানের রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মানুষের মনে আরও উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছিল। এই অস্থির সময়ের মধ্য দিয়েই আমাদের পরিবারকে পিছনে ফেলে আসতে হয়েছিল পরিচিত পরিবেশ, স্মৃতিবিজড়িত ভিটেমাটি এবং একান্ত আপন শিকড়ের ঠিকানা।

কলকাতায় এসে শুরু হয়েছিল নতুন করে জীবন গড়ার অধ্যায়। অচেনা শহরে নিজেদের জায়গা তৈরি করা, নতুন করে সংসার সাজানো এবং হারিয়ে যাওয়া পরিচিতির মধ্যে নিজের অস্তিত্বকে ধরে রাখা—সবটাই ছিল এক কঠিন পরীক্ষা। কিন্তু প্রতিকূলতার কাছে হার না মেনে আমাদের পরিবার বুকে আগলে রেখেছিল অতীতের স্মৃতি, সংস্কার এবং ঐতিহ্যকে।

সেই ধারাবাহিকতাতেই আমাদের দুর্গাপুজো হয়ে ওঠে শুধুমাত্র দেবী আরাধনার উপলক্ষ নয়, বরং অতীত ও বর্তমানের মধ্যে এক গভীর সেতুবন্ধন। এই পুজোর প্রতিটি আচার, প্রতিটি আয়োজন এবং প্রতিটি উৎসবের মুহূর্তে যেন মিশে থাকে ফেলে আসা চট্টগ্রামের স্মৃতি, পূর্বপুরুষদের উত্তরাধিকার এবং কলকাতার মাটিতে নতুন করে নিজেদের শিকড় বিস্তারের অদম্য প্রত্যয়।

আমাদের দুর্গাপুজো তাই এক ভাঙা ভূগোল পেরিয়ে বয়ে আনা ঐতিহ্যের নাম—যেখানে দেশভাগের বেদনা মিশেছে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহসে, হারানোর স্মৃতি মিশেছে নতুন করে আপন করে নেওয়ার আনন্দে, আর পারিবারিক উত্তরাধিকার রূপ পেয়েছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান এক জীবন্ত ইতিহাসে।

This Durga Pujo, JSW Dulux Brings a Fresh Coat of Colour to a 250-Year-Old Kolkata Badi

This Durga Pujo, JSW Dulux Brings a Fresh Coat of Colour to a 250-Year-Old Kolkata Badi

Through the third edition of Let’s Colour, Kundu Bari’s restored spaces reconnect the family with the memories and traditions that define their Pujo celebrations

Kolkata, October 17, 2026: As the city counts down to Durga Puja, one of its oldest family homes is getting ready to welcome Ma Durga once more. Kundu Bari, a nearly 250-year-old Badi still held by descendants of the original family, has been revitalised through the third edition of JSW Dulux’s Let’s Colour initiative , so that generations of the family can celebrate Pujo in a home as vibrant as their memories of it.

For the Kundu family, Pujo has always meant coming home. Kundu Bari is one of the few heritage Badis in Kolkata still held by descendants of the original family, and a living cultural space where generations continue to uphold their Durga Puja traditions. Beyond its architecture, the Badi holds memories of childhood celebrations, family gatherings and the rituals that bring everyone home each year. With the festive season approaching, ‘Let’s Colour’ seeks to restore not just the appearance of the home but also the warmth and character of a space deeply connected to the family’s cultural identity.

Over the years, the Badi had naturally begun to show its age, with fading colours across its walls, courtyards and the Thakur Dalan, a traditional courtyard shrine space where the family welcomes the Durga idol. The restoration, using Dulux Dustproof Hi-Sheen Premium Acrylic Exterior Emulsion, has given the Badi a rich, lustrous finish in time for Pujo. Dustshield Technology helps keep surfaces cleaner through the festive footfall, anti-algal and anti-fungal properties protect against growth in Kolkata’s humid climate, and 5 Degree Sun Reflect helps the walls stay cooler. The restoration also incorporates intricate Alpana artwork, a distinctive expression of Bengal’s artistic heritage that complements the authentic character of the traditional Bengali Badi.

Speaking on the initiative, Mr. Rajiv Rajgopal, Joint Managing Director and CEO, JSW Dulux Limited, said “At JSW Dulux, we believe in using our expertise and the power of colour to create meaningful change, and through our iconic Let’s Colour initiative, we bring this belief to life by transforming spaces and communities. In our previous editions in Jodhpur and Spiti, we saw how colour and our products could help transform communities and preserve their unique identities, under extreme weather conditions. With this third edition in Kolkata, we are continuing that journey by helping restore a living legacy and the heritage it represents.”

Ms. Vandana Krishnia, Chief Marketing Officer, JSW Dulux Limited, said , “Bringing the initiative to Kolkata just ahead of Durga Puja was particularly meaningful, as a Badi is not just a home but a space where generations come together to celebrate, preserve traditions and create memories. Through the restoration of Kundu Bari and the activities planned around the festive season, we wanted to celebrate its renewed beauty and create an immersive experience that brings its cultural essence to life.”

The campaign follows the Badi from its faded pre-restoration state to its renewed avatar during Pujo. Through intimate conversations with the Kundu family, it captures how colour has brought new energy to the home and revived memories of childhood Pujo celebrations. At its heart is the thought that while a home may naturally show its age, colour can bring back the memories and emotions associated with it. The restored Thakur Dalan, welcoming the Durga idol and generations of the family, brings this idea to life, celebrating the enduring connection between home, heritage and tradition.

Through Let’s Colour, JSW Dulux continues to demonstrate that the power of colour can extend beyond surfaces, to revive meaningful spaces, preserve their character and strengthen people’s connection with the places, memories and communities they call their own.

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র

ইতিহাস যখন নীরব হয়ে যায়, তখনই শুরু হয় সত্যের সন্ধান।

রাজেশ গুপ্ত পরিচালিত ঐতিহাসিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র
প্রযোজনায়: রিয়েল রিলস প্রোডাকশন

কিছু কাহিনি ইতিহাস হয়ে ওঠে। আর কিছু প্রশ্ন ইতিহাসের গভীরতম রহস্য হয়ে চিরকাল থেকে যায়।

কলকাতা, ১৩ অক্টোবর ২০২৬: ভারতের স্বাধীনতার প্রায় আট দশক অতিক্রান্ত। তবুও স্বাধীনতা সংগ্রামের এক অধ্যায় আজও সমগ্র জাতির চেতনা, আবেগ ও কৌতূহলের গভীরে জীবন্ত— নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য ।

ইতিহাস কি আমাদের সব কথা জানিয়েছে? নাকি এমন কিছু প্রশ্ন আজও অনুত্তরিত রয়ে গেছে, যাদের উত্তর খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ?

ভারতীয় ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও রহস্যময় এই অধ্যায়কে কেন্দ্র করেই পরিচালক রাজেশ গুপ্ত (আইআইটি-র প্রাক্তনী) নিয়ে আসছেন ঐতিহাসিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’ । শক্তিশালী কাহিনিবিন্যাস এবং সমকালীন অনুসন্ধানের মধ্য দিয়ে এই চলচ্চিত্র ফিরে দেখতে চায় নেতাজির অন্তর্ধানকে ঘিরে থাকা সেই প্রশ্নগুলিকে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ভারতবাসীর মনে আলোড়ন তুলে চলেছে।

বিভিন্ন নথিপত্র, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং পরস্পরবিরোধী ঐতিহাসিক বক্তব্যের ভিত্তিতে চলচ্চিত্রটি ১৯৪৫ সালে এক বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির মৃত্যুর বহুল প্রচলিত বিবরণকে ঘিরে থাকা প্রশ্নগুলির অনুসন্ধান করে। পাশাপাশি, তথ্য গোপন করার অভিযোগ এবং পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন সরকার ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়েও উঠে আসে নানা প্রশ্ন।

এই যাত্রার উদ্দেশ্য কেবল একটি ঐতিহাসিক রহস্যের পুনরাবৃত্তি নয়। বরং নেতাজির অসামান্য ব্যক্তিত্ব, তাঁর অদম্য সাহস, তাঁর স্বপ্ন এবং তাঁর উত্তরাধিকারের প্রতি মানুষের আগ্রহকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা। একই সঙ্গে, নেতাজির অন্তর্ধানকে ঘিরে আজও যে প্রশ্নগুলির উত্তর অধরা, সেগুলিকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানায় এই চলচ্চিত্র।

চলচ্চিত্রে প্রখ্যাত অভিনেতা যতীন কার্যেকর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর ভূমিকায় এবং অমিত বহল গোয়েন্দা দপ্তরের এক আধিকারিকের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। এছাড়াও বীরেন্দ্র সাক্সেনা, অখিলেন্দ্র মিশ্র, অপূর্বা অরোরা, আকাশদীপ অরোরা, রাজীব কুমার এবং কাশ্বী গ্রোভার গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

বহু লেখকের নিবিড় গবেষণা ও অধ্যয়ন থেকে অনুপ্রাণিত এই চলচ্চিত্রটি দীর্ঘ ও বিশদ শংসাপত্র প্রদানের প্রক্রিয়া অতিক্রম করে কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র শংসাপত্র বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে। বড় পর্দায় পৌঁছনোর দীর্ঘ যাত্রায় এটি এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এই চলচ্চিত্রের সৃজনশীল উপদেষ্টা হিসেবে যুক্ত রয়েছেন প্রাক্তন সরকারি আধিকারিক প্রশান্ত সিংহানিয়া। ঐতিহাসিক অনুসন্ধান, জনপরিসরের প্রতিষ্ঠান এবং নেতাজির উত্তরাধিকারের চিরন্তন গুরুত্ব সম্পর্কে তাঁর অভিজ্ঞতা এই উদ্যোগকে দিয়েছে এক বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে নিজের ভাবনা প্রকাশ করতে গিয়ে প্রশান্ত সিংহানিয়া বলেন:

“এই চলচ্চিত্র এমন এক আদর্শকে মানুষের সামনে তুলে ধরার আন্তরিক প্রয়াস, যাঁর স্বপ্ন ছিল আগামী এক হাজার বছর ধরে একটি স্বাধীন ভারতকে গৌরবের সঙ্গে এগিয়ে যেতে দেখা। নেতাজিকে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে ফিরিয়ে আনা মানে তাঁর চেতনা ও আদর্শকে পুনর্জাগরিত করা, যাতে দেশের তরুণ প্রজন্ম তাঁর কাছ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে জাতীয়তাবাদের পথে এগিয়ে যেতে পারে। তাঁকে পরিকল্পিতভাবে বিস্মৃতির আড়ালে সরিয়ে দেওয়ার ফলে যে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে, তা ইচ্ছাকৃতভাবে নিম্নমানের চিন্তা ও মধ্যমেধার আধিপত্য দিয়ে পূরণ করা হয়েছে।”

এই কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে দুই প্রজন্মের দুই সত্যসন্ধানী—একটি রহস্য, আর সত্যের কাছে পৌঁছনোর অদম্য অঙ্গীকার।

একজন গবেষক, যিনি দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে নেতাজির অন্তর্ধান রহস্যের অনুসন্ধানে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। প্রায় একাকী, বছরের পর বছর ধরে তিনি খুঁজে চলেছেন সেই প্রশ্নগুলির উত্তর, যেগুলি আজও অস্পষ্টতার আড়ালে রয়ে গেছে।

অন্যদিকে, এক তরুণী। সত্যকে জানার অদম্য আকাঙ্ক্ষা তাকে চালিত করে। সে এক নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি—যে প্রজন্ম ইতিহাসকে কেবল মেনে নিতে চায় না, ইতিহাসের অনুচ্চারিত অধ্যায়গুলিকেও বুঝতে চায়, প্রচলিত বয়ানের ফাঁকগুলি নিয়ে প্রশ্ন তুলতে চায়।

দুজনের যাত্রাপথ এক সময় এসে মিলিত হয়। কৌতূহল রূপ নেয় সংগ্রামে, প্রশ্ন পরিণত হয় সংকল্পে। আর সত্যের সন্ধান হয়ে ওঠে সাহস, ধৈর্য, অধ্যবসায় ও ন্যায়বিচারের এক আবেগঘন কাহিনি।

পরিচালক রাজেশ গুপ্তের চলচ্চিত্র নির্মাণের যাত্রায় এই ছবিটি আরও একটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়। তাঁর পুরস্কারপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘চাড্ডি বাডিজ’ এবং ‘ দ্য ফ্ল্যাট’ সম্মিলিতভাবে ১২টি পুরস্কার অর্জন করেছে। অন্যদিকে, তাঁর পরিচালিত হিন্দি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আনলক জিন্দগি’ (২০২২) নির্বাচিত হয়েছিল ১৩টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এবং মিলান, মেক্সিকো ও বস্টনে শ্রেষ্ঠ কাহিনিনির্ভর পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছিল।

চলচ্চিত্রটি সম্পর্কে পরিচালক রাজেশ গুপ্ত বলেন:

“এই চলচ্চিত্র কখনওই কেবল ইতিহাসকে নতুন করে দেখার প্রচেষ্টা ছিল না। এর উদ্দেশ্য ছিল সেই প্রশ্নগুলিকে সামনে আনা, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানুষ করে এসেছে। আমরা এমন একটি কাহিনি তুলে ধরতে চেয়েছি, যা দর্শকদের ভাবতে, আত্মসমীক্ষা করতে এবং নিজেরাই সত্যের অনুসন্ধানে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আজকের এই পর্যায়ে পৌঁছনো আমাদের প্রত্যেকের কাছে অত্যন্ত আবেগপূর্ণ ও অর্থবহ একটি মুহূর্ত।”

‘দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র’ -এর মাধ্যমে রিয়েল রিলস প্রোডাকশন নেতাজির অসামান্য উত্তরাধিকার, ঐতিহাসিক স্মৃতির জটিলতা এবং কঠিন প্রশ্ন তোলার গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে জাতীয় আলোচনার সূত্রপাত করতে চায়।

এই চলচ্চিত্র বিশেষত তরুণ প্রজন্ম-সহ প্রত্যেক দর্শককে আহ্বান জানায়, যাঁরা ইতিহাসকে কেবল প্রচলিত বয়ান বা শোনা কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চান না। বরং ইতিহাসের বিভিন্ন দিককে বুঝতে চান এবং ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই অধ্যায়ের মুখোমুখি হতে চান, যা আজও রহস্য, কৌতূহল ও বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।

কারণ, নেতাজি কেবল ইতিহাসের একটি নাম নন। তিনি একটি আদর্শ, একটি সংকল্প, একটি স্বাধীন ভারতের স্বপ্নের প্রতীক—যে স্বপ্নের জন্য অসংখ্য ভারতবাসী নিজেদের সর্বস্ব উৎসর্গ করেছিলেন।

তাঁর কাহিনি আজও আমাদের আহ্বান জানায়। তাঁর জীবনকে ঘিরে থাকা প্রশ্নগুলি আজও আমাদের তাড়া করে ফেরে। আর তাঁর উত্তরাধিকার আজও আমাদের সত্যের সন্ধান চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগায়।

দ্য বোস ফাইলস — সত্য না ষড়যন্ত্র
ইতিহাসের গভীরে প্রোথিত এক রহস্য।
সত্যের সন্ধানে এক অদম্য সংকল্প।
এমন এক উত্তরাধিকার, যা কখনও ম্লান হয় না।

……………………………………………………………………………………………………………