সাম্প্রতিক
দুর্গাপুরে অ্যাডভানটেক্স লিথিয়াম ব্যাটারির বার্ষিক অনুষ্ঠান, আগামী দিনের সম্প্রসারণে জোর

দুর্গাপুরে অ্যাডভানটেক্স লিথিয়াম ব্যাটারির বার্ষিক অনুষ্ঠান, আগামী দিনের সম্প্রসারণে জোর


দুর্গাপুর: গণেশ বন্দনার মধ্য দিয়ে দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হোটেলে অনুষ্ঠিত হল অ্যাডভানটেক্স লিথিয়াম ব্যাটারির বার্ষিক অনুষ্ঠান। সংস্থার নেতৃত্ব, কর্মী, ডিলার, সাব-ডিলার এবং ব্যবসায়িক সহযোগীদের উপস্থিতিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সংস্থার সাফল্য, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভানটেক্স-এর ফাউন্ডার ও চেয়ারপারসন পবন কুমার পাটোডিয়া, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও CEO মায়াঙ্ক পাটোডিয়া, চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার প্রতীক পাটোডিয়া এবং সেলস হেড রথিজিৎ রায় চৌধুরী। পাশাপাশি সংস্থার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ডিলার ও সাব-ডিলারও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই গণেশ বন্দনার মাধ্যমে শুভ সূচনা করা হয়। এরপর সংস্থার পক্ষ থেকে অ্যাডভানটেক্স-এর বর্তমান ব্যবসায়িক অবস্থান এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নতমানের লিথিয়াম ব্যাটারি এবং গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী নির্ভরযোগ্য ব্যাটারি সলিউশন দেওয়ার ক্ষেত্রে সংস্থার উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বর্তমানে লিথিয়াম ব্যাটারির চাহিদা ক্রমশ বাড়ছে। সেই বাজারের সম্ভাবনাকে সামনে রেখে আগামী দিনে নিজেদের পরিষেবা ও ব্যবসায়িক পরিধি আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্যে এগোচ্ছে অ্যাডভানটেক্স। সংস্থার নেতৃত্বের বক্তব্যে উঠে আসে, ডিলার ও সাব-ডিলারদের সক্রিয় সহযোগিতাই আগামী দিনে সংস্থার অগ্রগতির অন্যতম প্রধান শক্তি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ডিলার ও সাব-ডিলারদের সঙ্গেও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও মজবুত করা এবং সম্মিলিতভাবে সংস্থাকে আরও বড় পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময় হয়। প্রত্যেকের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অ্যাডভানটেক্স আগামী দিনে আরও শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, শুধু বর্তমান সাফল্যে থেমে না থেকে প্রযুক্তি, পরিষেবা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক উন্নতির মাধ্যমে আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাওয়াই তাঁদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে নতুন পরিকল্পনা ও নতুন উদ্যমে কাজ শুরু করেছে সংস্থা।
সব মিলিয়ে, গণেশ বন্দনার শুভ সূচনা থেকে শুরু করে ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা—অ্যাডভানটেক্স লিথিয়াম ব্যাটারির এই বার্ষিক অনুষ্ঠান হয়ে উঠল সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি আগামী দিনের নতুন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাওয়ার এক ইতিবাচক বার্তা।

সাইবার প্রতারণার বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট পুলিশের  সাফল্য

সাইবার প্রতারণার বিরুদ্ধে মঙ্গলকোট পুলিশের  সাফল্য

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

বনকাপাসি  গ্রামের এক বাসিন্দার কাছ থেকে ₹১,৪০,০০০/- টাকার সাইবার প্রতারণার অভিযোগ পাওয়ার পর মঙ্গলকোট পুলিশের -এর সাইবার সেল   দ্রুত তৎপর হয়ে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করে।সাইবার -এর নিরলস প্রচেষ্টা ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ফলে প্রতারিত অর্থের মধ্যে ₹১,১৪,০০০/- টাকা সফলভাবে ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বিডিও মঙ্গলকোট মহাশয়ের উপস্থিতিতে শনিবার  ওই ভুক্তভোগীর হাতে একটি ডেমি চেক তুলে দেওয়া হয়।নাগরিকদের সাইবার প্রতারণা থেকে সুরক্ষা প্রদান এবং প্রতারিত অর্থ উদ্ধারে মঙ্গলকোট থানার পুলিশ  সর্বদা আন্তরিক ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন আইসি মধুসূদন ঘোষ 

ফের অপরাধ দমনে সাফল্য পেল মঙ্গলকোট থানার পুলিশ

ফের অপরাধ দমনে সাফল্য পেল মঙ্গলকোট থানার পুলিশ

মোল্লা জসিমউদ্দিন,

এবার চুরি যাওয়া সোনার সামগ্রী ফিরিয়ে দিল পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট থানার পুলিশ।
ঘটনার সূত্রপাত – গত ০৫.০২.২০২৬ তারিখ রাতে পলাশী গ্রাম স্থিত সুজিত মল্লিকের বাড়িতে ঘরের তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটে। পরদিন তিনি মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং তদন্তের অগ্রগতিতে দুইজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্তদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া সম্পত্তির একটি উল্লেখযোগ্য অংশ উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে ছিল— ১টি সোনার হার, ৪টি সোনার আংটি, ২ জোড়া কানের দুল, নগদ ₹৪০,০০০/-।কাটোয়া মহকুমা আদালতের নির্দেশক্রমে শুক্রবার চুরি যাওয়া উদ্ধারকৃত স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ অর্থ প্রকৃত ভুক্তভোগীদের হাতে যথাযথ প্রক্রিয়ায় হস্তান্তর করা হয়।চুরি যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধার করে তা প্রকৃত মালিকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়াই পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। মঙ্গোলকোট থানার পক্ষ থেকে অপরাধ দমন, সম্পত্তি উদ্ধার এবং সাধারণ মানুষের আস্থা বজায় রাখতে নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইসি মধুসূদন ঘোষ মহাশয়।

অজয়ের জল বাড়তেই মাঝখাড়ায় বাঁধের বেহাল রাস্তা পরিস্থিতি পরিদর্শনে সমাজসেবী ননীচূড়া ঘোষ

অজয়ের জল বাড়তেই মাঝখাড়ায় বাঁধের বেহাল রাস্তা পরিস্থিতি পরিদর্শনে সমাজসেবী ননীচূড়া ঘোষ

রাহুল রায়,মঙ্গলকোট : নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টি। তার সঙ্গে বিভিন্ন ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার ফলে বাড়ছে অজয় নদীর জলস্তর। নদীর জল বাড়তেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের মাঝখাড়া গ্রামে। বাঁধের উপর থাকা রাস্তার বেশ কিছু অংশের অবস্থা খারাপ হয়ে পড়ায় যাতায়াত নিয়ে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। একই সঙ্গে জলস্তর আরও বাড়লে বাঁধের পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে, তা নিয়েও আতঙ্কে রয়েছেন বাঁধ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা।
এই পরিস্থিতির খবর পেয়ে মাঝিখাড়া গ্রামের বাঁধের রাস্তার বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে এলাকায় পৌঁছন মঙ্গলকোটের সমাজসেবী ননীচূড়া ঘোষ। বাঁধের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ ও সমস্যার কথা শোনেন এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বাঁধের রাস্তার যথাযথ সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। বর্ষার মরশুমে অজয় নদীর জলস্তর বাড়লেই বাঁধের দুর্বল অংশগুলি নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়। এবারও টানা বৃষ্টি ও নদীর জল বাড়তে থাকায় সেই পুরনো আতঙ্ক ফিরে এসেছে। বাঁধের রাস্তার বিভিন্ন অংশের বেহাল দশার কারণে প্রতিদিন যাতায়াত করতে গিয়েও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে মানুষকে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, বাঁধটি শুধু নদীর জল থেকে এলাকার মানুষকে রক্ষা করে না, দৈনন্দিন যাতায়াতের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে বাঁধের রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ায় পড়ুয়া থেকে শুরু করে কৃষক, শ্রমিক—সকলকেই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। জলস্তর আরও বাড়লে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা তাঁদের।
এই অবস্থায় বাঁধের দুর্বল অংশগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত সংস্কার ও স্থায়ী মেরামতির দাবি জানিয়েছেন মাঝিখাড়া গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, প্রতি বছর বর্ষার সময় একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। তাই সাময়িক মেরামতির পরিবর্তে বাঁধ ও রাস্তার স্থায়ী সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ করা জরুরি।
এলাকাবাসীর দাবি, নতুন সরকারের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা করা হোক। বাঁধের রাস্তা স্বাভাবিক ও নিরাপদ হলে একদিকে যেমন মানুষের যাতায়াতের সমস্যা মিটবে, তেমনই নদীর জলস্তর বাড়লেও কিছুটা নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন বাঁধ সংলগ্ন এলাকার মানুষ।
এদিকে, দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ননীচূড়া ঘোষকে এলাকায় এসে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলতে এবং বাঁধের পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে পেয়ে কিছুটা আশ্বস্ত মাঝখাড়া গ্রামের বাসিন্দারা। এখন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেই অপেক্ষাতেই রয়েছেন এলাকাবাসী।

 মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে হানা স্থানীয় পুলিশ – প্রশাসনের , 

 মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে হানা স্থানীয় পুলিশ – প্রশাসনের , 

মোল্লা জসিমউদ্দিন, 

বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার  মঙ্গলকোটে জেলা খাদ্য দপ্তর,  মঙ্গলকোট ব্লক প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশের  উদ্যোগে মঙ্গলকোটের বিভিন্ন হোটেল ও মিষ্টির দোকানে চলে খাদ্যের গুনগত মান যাচাইয়ের  অভিযান। মূলত যে জায়গায় রান্না হচ্ছে সেই জায়গাগুলিকে বেশি করে পরীক্ষা করা হয়। মিষ্টির দোকানে চালানো হয় অভিযান। “যদি কোন দোকানের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ থাকে তাহলে সেই দোকানের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে” বলে জানান মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ।

মাদক বিরোধী কর্মসূচি মঙ্গলকোট পুলিশের

মাদক বিরোধী কর্মসূচি মঙ্গলকোট পুলিশের

সেখ রাজু,

শনিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট হাই মাদ্রাসায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। PowerPoint Presentation-এর মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব, ব্যক্তিজীবন ও সমাজের উপর এর ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সচেতন করা হয়।উপস্থিত ছিলেন মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা অনুদান, দাঁইহাটে বিজেপির বিশাল ‘ধন্যবাদ যাত্রা’

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা অনুদান, দাঁইহাটে বিজেপির বিশাল ‘ধন্যবাদ যাত্রা’

রাহুল রায়,দাঁইহাট : শুক্রবার,অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের মাধ্যমে মহিলাদের ৩ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে দাঁইহাটে আয়োজিত হলো ধন্যবাদ যাত্রা। এই উপলক্ষে দাঁইহাট নগর মণ্ডল বিজেপির পক্ষ থেকে একটি বিশাল মিছিলের আয়োজন করা হয়।
দাঁইহাটের ব্যাংক মোড় থেকে পৌর মার্কেট পর্যন্ত এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলকে ঘিরে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি এলাকার বহু মহিলা অংশগ্রহণ করেন। দলীয় পতাকা ও স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে মিছিলের পথ। মিছিলে প্রায় কয়েক হাজার মহিলা উপস্থিত ছিলেন বলে বিজেপি নেতৃত্বের দাবি।
মিছিল শেষে পৌর মার্কেটের সামনে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি বিজেপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষেও সেখানে বক্তব্য রাখেন দলীয় নেতৃত্ব। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ৩ হাজার টাকা অনুদানকে কেন্দ্র করে মহিলাদের মধ্যে যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তা এই কর্মসূচিতে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে দাবি বিজেপি নেতৃত্বের।
এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সহ-সভাপতি অনিল দত্ত, কাটোয়া বিধানসভার কনভেনার অশোক রায়, দাঁইহাট নগর মণ্ডল বিজেপির সভাপতি স্বরূপ মণ্ডল-সহ দলের অন্যান্য নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা।
পথসভা থেকে বক্তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আর্থিক সহায়তা নিয়ে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং আগামী দিনেও সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তা দেন। মিছিল ও পথসভাকে কেন্দ্র করে দাঁইহাট এলাকায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্র প্রদর্শনী

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে চিত্র প্রদর্শনী

দীপঙ্কর সমাদ্দার,

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে অসাধারণ একটি বিজ্ঞান , ইতিহাস , ইকো ক্লাব , চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছিল হালিশহর চক্রের প্রসাদনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী এবং প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে এই প্রদর্শনী আয়োজন করে ।নিচের তলায় এর একটি ঘরে ছিল ১৩ টি ওষধি গাছ , ও তার গুণাবলী ; দ্বিতীয় ঘরে ছিল কাগজের কাজ ( অরিগ্যামি) , ফেলে দেওয়া নারকেলের খোলা , প্লাস্টিকের জিনিস , ডিমের ট্রে ইত্যাদি দিয়ে বিদ্যালয়ের কচি কাঁচাদের হস্তশিল্প ; তৃতীয় ঘরে ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের একটি আর্ট গ্যালারি , দোতলায় মূলত ছিল বিদ্যালয়ের তৃতীয় চতুর্থ পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে একটি বিজ্ঞান প্রদর্শনী যেখানে বিভিন্ন নিজেদের হাতে তৈরী মডেল দেখানো হয় । অন্য ঘরে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ও আগামীর ভারত নিয়ে একটি অসাধারণ প্রদর্শনী ।
মূল আকর্ষণের জায়গা ছিল তিনতলায়। সেখানের থিম ছিল ” নানা ভাষা নানা মত , নানা পরিধান ; বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান ” এখানে দেখানো হয়েছিল ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের উৎসব , পোশাক সব বিরাট এক যেন মিলে মিশে একাকার। পাশাপাশি নন্দলাল বসুর অঙ্কন ( সহজ পাঠের সৌজন্যে ) । এসবের সাথে প্রথম দিনের আকর্ষণ ছিল মিউজিক্যাল ড্রয়িং ( যা পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজী পাঠ্য) , এবং দ্বিতীয় দিনে শিশুদের বিনোদনের জন্য ম্যাজিক শো .

সব মিলিয়ে দুই দিনের এই অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ সার্থক । অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সব বিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষিকারা , উপস্থিত ছিলেন হালিশহরের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক মহাশয় ।। আগামীদিনে হালিশহরে বুকে
অনুষ্ঠিত হোক আরো এরকম অনুষ্ঠান যা শিক্ষার্থীদের বিকাশের জন্য একান্ত প্রয়োজন

ওরগ্রামের নবাবনগরে তেরঙ্গা যাত্রা

ওরগ্রামের নবাবনগরে তেরঙ্গা যাত্রা

সেখ রাজু,

হর ঘর তেরঙ্গা যাত্রা হলো ভারতের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের একটি বিশেষ জাতীয় কর্মসূচি । এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের প্রতিটি মানুষের মনে দেশপ্রেম জাগিয়ে তোলা এবং প্রতিটি বাড়িতে জাতীয় পতাকা বা তেরঙ্গা উত্তোলন ও সম্মান জানানোর মাধ্যমে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের স্মরণ করা । ভাতার বিধানসভার ওরগ্রামের নবাবনগরে তেরঙ্গা যাত্রা প্রদক্ষণ করে । কর্মসূচিতে ৮ থেকে ৮০ সকল শ্রেণীর মানুষ সাদরে অংশগ্রহণ করেন । উল্লেখ ভাবে মহিলাদের উপস্থিতি সকলের নজর কাড়ে । ভাতার বিধানসভার বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নেতৃত্বে এবং ৪ নম্বর মন্ডল সভাপতি অরিন্দম ঘোষের তত্ত্বাবধানে আজকের এই কর্মসূচি সফলতার রূপ পায় । শহরতলি বর্ধমান থেকে প্রত্যন্ত অঞ্চল নবাবনগরের সাধারণ গ্রামের মানুষেরা জাতীয় পতাকাকে সম্মান জানান । পাশাপাশি ভারতবর্ষকে স্বাধীন করতে দেশ প্রেমীদের আত্ম বলিদান সম্পর্কিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক বক্তব্য সকলের সম্মুখে তুলে ধরা হয় ।

বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন

বিদ্যালয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন উদ্বোধন

সেখ সামসুদ্দিন, মেমারি হাই মাদ্রাসা (উঃ মাঃ) তে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের পঠনপাঠন চলাকালীন যাতে কোন প্রকার সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়, সেই পরিস্থিতি বিবেচনায় বর্ধমান থেকে এন জি ও সংস্থার পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ে একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন মেমারি বিধানসভার বিধায়ক মানব গুহ, এনজিও সংস্থার পক্ষে ঐশী ঘোষ দস্তিদার, সমাজসেবক সেখ সবুরউদ্দিন ও সমাজসেবক ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আব্দুল আলিম, টিআইসি নীলকান্ত কর্মকার সহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ। এদিনের অনুষ্ঠানে বিধায়ককে বিদ্যালয়ের পক্ষ ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্য থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও উপহার সামগ্রী দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া হয়। তারমধ্যে দুই ছাত্রীর হস্তে অঙ্কিত বিধায়কের দুইটি ছবি বিধায়ককে আপ্লুত করে তোলে। তিনি ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরে বেশ মজার ছলে মতবিনিময় করেন। অপরদিকে ঐশী ঘোষ দস্তিদার জানান প্রতি মাসেই বিদ্যালয়ে এসে মেশিনে ন্যাপকিন আপলোড করা ও রক্ষণাবেক্ষণ করবেন, যাতে সারা বছর স্যানিটারি ন্যাপকিনের অভাব না হয়। এছাড়াও তিনি বিদ্যালয়ে ছাত্রী ও শিক্ষিকাদের নিয়ে স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার ও হাইজিন বিষয়ক সেমিনার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক বিধায়কের কাছে কিছু পরিকাঠামোগত সহায়তার দাবি জানালে বিধায়ক বলেন প্রত্যেক বিধায়ক উন্নয়ন তহবিলে প্রতি বছর দুই পর্বে ১ কোটি টাকা পায়। প্রথম বছরের টাকা তিনি শুধু বিধানসভা এলাকার বিদ্যালয়গুলির জন্য দেবেন।