সাম্প্রতিক
ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

ভুয়ো লটারির রমরমা, পুলিশের তৎপরতায় প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার জাল টিকিট উদ্ধার; গ্রেফতার ১

সেখ রিয়াজুদ্দিন বীরভূম:
বীরভূম জেলার ঝাড়খণ্ড সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুয়ো লটারির কারবার নিয়ে অভিযোগ উঠছে। কখনও ঝাড়খণ্ড, কখনও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অজয় নদ পেরিয়ে খয়রাসোল ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় জাল লটারির টিকিট পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি পুলিশের কড়া নজরদারির ফলে এই অবৈধ চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার হয়েছে।
শুক্রবার কাঁকরতলা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক (ওসি) আব্দুল হানিফের নেতৃত্বে পরিচালিত এক অভিযানে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের জাল লটারির টিকিট উদ্ধার করা হয়। ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পাওয়া যায় যে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দিক থেকে অজয় নদ পেরিয়ে এক মোটরসাইকেল আরোহী খয়রাসোল ব্লকের হজরতপুর এলাকায় বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট নিয়ে বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রবেশ করছে। খবর পাওয়া মাত্রই হজরতপুর-নবসন রোড এবং সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় নাকা তল্লাশি শুরু করে কাঁকরতলা থানার পুলিশ।
হজরতপুর রেলওয়ে সাইডিংয়ের কাছে ওত পেতে থাকা পুলিশ সন্দেহভাজন মোটরসাইকেলটিকে আটকায়। তল্লাশি চালিয়ে মোটরসাইকেল থেকে বস্তাবন্দি বিপুল পরিমাণ জাল লটারির টিকিট উদ্ধার হয়। সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত টিকিট এবং ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি বাজেয়াপ্ত করা হয়।
ধৃতের নাম শেখ সাইফুল ওরফে বান্টি(২৫) । তার বাড়ি কাঁকরতলা থানার বড়রা গ্রামে। পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, এটি একটি বৃহত্তর আন্তঃজেলা জাল লটারি পাচারচক্রের অংশ। এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত এবং এর নেপথ্যে কোনও বড় মাথা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কাঁকরতলা থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে।
শনিবার ধৃত শেখ সাইফুলকে দুবরাজপুর আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে আদালত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বলে আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এলাকার সাধারণ মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে কোটি কোটি টাকার এই জাল লটারির ব্যবসার শিকড় কতদূর বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে আর কারা যুক্ত, তা জানতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর জেলার মানুষের।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,দাঁইহাট : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শনিবার কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের উদ্যোগে দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, সচেতনতামূলক র‍্যালি এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনায় একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের হয়। র‍্যালিতে বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পাশাপাশি নেতাজি সুভাষচন্দ্র স্কাউট অ্যান্ড গাইডস গ্রুপের সদস্যরাও অংশগ্রহণ করেন। পরিবেশ রক্ষার বিভিন্ন বার্তা সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে বিদ্যালয় চত্বর ও সংলগ্ন এলাকা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়ার বিধায়ক কৃষ্ণ ঘোষ, কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসার ব্রজ বিলাস সেন, দাঁইহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোহর দাস, সর্পবন্ধু তন্ময় ঘোষ, পরিবেশবন্ধু অর্নব দাস এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বনকর্মী কৌশিক মুখার্জী।
সাংস্কৃতিক পর্বে বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা গান ও নৃত্য পরিবেশন করে উপস্থিত সকলের প্রশংসা কুড়িয়ে নেয়। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ছাত্রদের অংশগ্রহণে “একটি গাছ, অনেক প্রাণ” শীর্ষক পরিবেশ সচেতনতামূলক উপস্থাপনা বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের গুরুত্ব নানা সৃজনশীল পরিবেশনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
এদিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করা হয় এবং ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে বিভিন্ন প্রজাতির চারাগাছ তুলে দেওয়া হয়। অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত কুইজ ও অঙ্কন প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানাধিকারীদের মঞ্চ থেকে পুরস্কৃত করা হয়।
ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহী অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান”—এই বার্তা সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য বলে জানান আয়োজকরা।
কাটোয়া ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে শিক্ষক-শিক্ষিকা, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকাবাসীরা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিয়মিত আয়োজনের দাবি জানান উপস্থিত সকলে।

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে কাটোয়ায় চারাগাছ বিতরণ

অরণ্য সপ্তাহ উপলক্ষে কাটোয়ায় চারাগাছ বিতরণ

রাহুল রায়,কাটোয়া : অরণ্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে শুক্রবার কাটোয়া সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শকের কার্যালয় এবং কাটোয়া গাছ গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে কাটোয়া কাশীরাম দাস বিদ্যায়তনে চারাগাছ বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কাটোয়া এআই (স্কুলস) ড. অনুপ চক্রবর্তী, মাজিগ্রাম বিশ্বেশ্বরী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কাটোয়া গাছ গ্রুপের কনভেনার সুব্রত কুমার সাহা, শিবনাথ মিস্ত্রী, বুদ্ধদেব ঘোষ, সেলিনা বেগম, দেবব্রত মুখোপাধ্যায়, লক্ষ্মীনারায়ণ রায়,জয়ন্ত সরকার-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। এই কর্মসূচিতে কাটোয়া মহকুমার বিভিন্ন উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের হাতে ৫০০টি ফলজ ও মেহগনি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠান থেকে “গাছ লাগান, পরিবেশ বাঁচান” এবং সবুজায়নের বার্তা তুলে ধরা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সকলকে সচেতন করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা। কাটোয়া গাছ গ্রুপের এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগকে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষিকারা আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

ভাতারে রথযাত্রা উৎসব

সেখ রাজু, বলগনা,

আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়া তিথিতে রথযাত্রা উদযাপিত হয় । সনাতন ধর্মের অন্যতম প্রধান উৎসব । ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, বলরাম ও সুভদ্রার দ্বারকা থেকে বৃন্দাবন যাত্রার স্মরণে এই উৎসব পালিত হয় । প্রতিবছর মতন এবছরও সাড়ম্বরে ভাতারে রথযাত্রা পালিত হয় । ভাতারের মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রা শুরু হয় । এদিন হাজার হাজার দর্শনার্থীরা রথের দড়িতে টান দেন । ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফা সহ এলাকার গুণী ব্যক্তিতরা আজকের রথযাত্রায় শামিল হল । বিধায়ক সৌমেন কার্ফা জানান প্রতিবছরই রথযাত্রা উৎসবকে বাংলার পূর্বের সরকার নিজেদের রথ বলে পরিচালিত করত । তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের সারম্বরে সাধারণ মানুষ উপেক্ষিত থাকত । আজ তার উল্টো ছবি । সাধারণ মানুষরা সামনে এবং বিজেপি নেতৃত্বরা পেছনে । মহাপ্রভু তলা থেকে রথযাত্রার শুরুতেই উপস্থিত ছিলেন ভাতারের ২০২১ এর বিজেপি প্রার্থী মহেন্দ্রনাথ কোনার । সমগ্র রথের এলাকা পরিদর্শন করেন এবং তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির পিঠস্থান । রথের দড়ি টানতে যত পুন্যার্থী অংশগ্রহণ করে, তার থেকে অধিক বেশি পুন্যার্থীর সমাগম ঘটে রাস্তার ধারে । প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও রথে হাজার হাজার পুন্যার্থীর উপস্থিতি একতার ছবি ফুটিয়ে তোলে । সকলের সঙ্গে রথযাত্রায় পায়ে পা মেলালেন ভাতারের বিশিষ্ট সমাজসেবী অশোক হাজরা সহ এলাকার বিশিষ্ট গুনিতজ্ঞ ব্যক্তিত্বরা । প্রতিবছরেই রথযাত্রাকে সামনে রেখে ভাতারে হাজার হাজার পুন্যার্থীদের সমাগম ঘটে । পুণ্যার্থীদের যাতে কোনো রূপ অসুবিধা না হয় সেদিকে যথেষ্ট নজর দাড়ি রাখে ভাতার পুলিশ প্রশাসন এই দাবি রাখলেন সমাজসেবী অশোক হাজরা । পাশাপাশি তিনি জানান ভাতার হলো সম্প্রীতির জায়গা । বিগত সময় মানুষ একসঙ্গে যেরকম থেকে এসেছে, আগামী দিনেও সেই সম্প্রীতি অটুট থাকবে । অজ্ঞাত কোন কারনে ভাতারের আমারুন গ্রামে বিগত ১৫ বছর ধরে রথযাত্রার জৌলুষ হারিয়ে গেলেও এ বছরে সাড়ম্বরে রথযাত্রা পালন করল আমারুণ গ্রামের বাসিন্দারা । রথযাত্রা সমগ্র গ্রাম প্রদক্ষণ করার পাশাপাশি মানুষের আশীর্বাদ গ্রহণ করলেন রথযাত্রা কমিটির সদস্যরা । রথের দড়ি টেনে সকলের জন্য মঙ্গলকামনা করলেন বিজেপি নেতা বাপ্পা মুখার্জি পাশাপাশি তিনি জানান ভাতারের বিধায়ক সৌমেন কার্ফার দূরদৃষ্টিতে সমগ্র ভাতার নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পেয়েছে । সেই দেখানো পথকে সামনে রেখে আগামী দিন একসঙ্গে আমরা চলব । বাবা জগন্নাথের কাছে বিধায়ক সৌমেন কার্ফার নবাগত কন্যা সন্তানের জন্য আশীর্বাদ চাইলেন ।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।

আলেম ওলামাদের সম্মান দিতে হবে সমস্ত জায়গায় এই দাবি তুলে জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে ধারসোনা মাদ্রাসায় বিশেষ বৈঠক।


উপস্থিত রাজ্যের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম সাহেব।

পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের ধারসোনায় অনুষ্ঠিত হলো জমিয়তে উলামায়ের উদ্যোগে
বিশেষ বৈঠক।

মূলত এই রাজ্যে বর্তমানে আলেম ওলামাদের সঠিক সম্মান দেওয়া হচ্ছে না।
দেশে হিন্দু মুসলিম সম্প্রীতি ও ভাতৃত্ব বজায় যাতে থাকে তার দাবি তোলা হয় এই বৈঠকে।
সমস্ত ইমাম ও মোয়াজ্জিনদের বার্তা দেয়া হয় সংবেধান মেনে, আইন মেনে আগামী দিনে পথ চলতে হবে।

এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলী সাহেব, মেম্বার মাওলানা জয়নাল আবেদীন সাহেব ,কেতুগ্রাম মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মমতাজ হোসেন, এছাড়াও কাটোয়ার জন জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের পক্ষ থেকে সভাপতি মাওলানা রহমাতুল্লাহ চৌধুরী, সম্পাদক এইচ,এম নাসির উদ্দিন চৌধুরী , কৈতন মাদ্রাসার শিক্ষক মুক্তি শহীদুল্লাহ সাহেব,সহ এলাকার আড়াইশো মসজিদের ইমাম ও মোয়াজ্জেন।
এছাড়াও কাটোয়া এলাকার মাদ্রাসার প্রধান রা উপস্থিত ছিলেন।

সবশেষে এলাকায় শান্তির বার্তা দেন
সংগঠনের প্রধান অতিথিরা।

মঙ্গলকোট থেকে আমিরুল ইসলামের রিপোর্ট।

দেওয়াল পত্রিকা প্রকাশ হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরে

হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরে গত ৯ই জুলাই অনুষ্ঠিত হয়ে গেল সম্পূর্ণ ভিন্নধারার এক অনুষ্ঠান। বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত হল বিদ্যালয়ের দেওয়াল পত্রিকা সারস্বতের ‘ পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্কৃতি ‘ সংখ্যা। পত্রিকার এই পর্বটিকে একটি অসাধারণ এবং অনন্য বিন্যাসে সজ্জিত করে প্রকাশ করা হয়। এই মহতী উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন বীজপুর বিধানসভার সম্মানীয় বিধায়ক শ্রী সুদীপ্ত দাস।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক, হালিশহর চক্র, শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয়।

বিদ্যালয় দেওয়াল পত্রিকা স্বারস্বতের ইতিহাস দূর অতীতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল তৎকালীন সংস্কৃতিমনা শিক্ষকদের ঐকান্তিক ইচ্ছা ও প্রয়াসে। ইতিহাসের সেই ধারা আজ‌ও বিদ্যালয়ে প্রবাহিত হয় এক‌ই উৎসাহে।

এবারের সংখ্যার বিশেষত্ব‌ এর অনবদ্য বুননশৈলী, যা প্রাথমিকভাবে বিদ্যালয় প্রধান শ্রী সঞ্জীব ঘোষের ভাবনা সঞ্জাত। পরবর্তীতে সেই কাঠামোতে মৃন্ময় রূপদান করেছেন বিদ্যালয়ের সকল ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক‌ ও শিক্ষাকর্মী।
সময়স্রোতের এই পর্যায়ে দাঁড়িয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীর আপন জন্মভূমিকে গভীরভাবে বুঝে নেওয়ার এবং তাঁর সংস্কৃতিকে সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তা যে কতখানি তা অনুধাবন করেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। মোট দশটি ভাগে সমগ্র রাজ্যের সাংস্কৃতিক মানচিত্র তুলে ধরা হয়। তাতে ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি মনীষী, যাঁরা পৃথিবীতে পশ্চিমবঙ্গের নাম উজ্জ্বল করেছেন, বাংলার উৎসব ও পালাপার্বণ, খাদ্য কুটির শিল্প, সংগীত, লোকসংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা এবং বাংলার বিভিন্ন গৌরবময় ঐতিহ্য। সমগ্র বিষয়টিকে বাচ্চাদের হাতে বানানো মডেল, ছবি , লেখা দিয়ে সাজিয়েছিলেন শিক্ষকরা।
মাননীয় বিধায়ক বিদ্যালয়ে এসে রবীন্দ্রনাথের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠান মঞ্চে এরপর বিধায়ককে আপ্যায়িত ও সম্বর্ধিত করা হয় একটি সুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। বিদ্যালয় প্রাক্তনী তথা আকাশবাণীর ঘোষিকা ‌শ্রীমতি সংগীতা দত্ত‌ বিধায়কের সামনে হালিশহর রবীন্দ্র বিদ্যামন্দিরের ছাত্র-ছাত্রীদের আকাশবাণীতে অংশগ্রহণ ও সম্মাননা স্মারক প্রাপ্তির বিষয়টি তুলে ধরেন। এরপর সম্মানীয় বিধায়ক তাঁর সংক্ষিপ্ত ও সুন্দর বক্তব্য পেশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সঠিক মানুষ হিসাবে গড়ে ওঠার বিষয়টিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দেন।
এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে তিনি প্রদর্শনী কক্ষ তথা ‘ পশ্চিমবঙ্গ ও সংস্কৃতি ‘ সংখ্যার শুভ উদ্বোধন করেন এবং বিষয়বস্তুর নিবিড় পর্যবেক্ষণ করেন। বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে তিনি সাধুবাদ জানান এবং সর্বতঃভাবে বিদ্যালয়ের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। পরিশেষে তিনি মিড ডে মিল প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেন।
মাননীয় অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক শ্রী সমীর মজুমদার মহাশয় এই সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রশংসা করে ছাত্রছাত্রীদের এই রকম সৃজনশীল কাজে আরও অগ্রবর্তী হওয়ার অনুপ্রেরণা যোগান। সাথে সাথে শিক্ষক শিক্ষিকাদের এই ধরনের শিক্ষণ-অতিরিক্ত ছাত্রছাত্রীদের সার্বিক বিকাশমূলক কর্মকান্ডে উজ্জীবিত এবং অনুপ্রানিত করে তোলার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানান।
সমগ্র অনুষ্ঠান শেষ হয় ছাত্র শিক্ষক সমন্বয়ে ‘ বন্দেমাতরম ‘ গাওয়ার মধ্য দিয়ে।

বীরভূম থেকে বিশ্ববাজারে: বাংলার ক্ষুদ্র শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করছে বিএসআই

বীরভূম থেকে বিশ্ববাজারে: বাংলার ক্ষুদ্র শিল্পকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুত করছে বিএসআই

বোলপুর বাংলার ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন মন্ত্রকের অধীনস্থ ব্যুরো অব ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস (বিএসআই) শুক্রবার বোলপুরের গীতাঞ্জলি কালচারাল কমপ্লেক্সে একটি এমএসএমই সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করে। এমএসএমই ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ফ্যাসিলিটেশন অফিস (এমএসএমই-ডিএফও), দুর্গাপুর-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল গুণমান, মান নির্ধারণ এবং সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার উপযোগী করে তোলা।

এই কর্মসূচিতে বীরভূম ও আশপাশের জেলার শতাধিক উদ্যোক্তা, কারিগর, উৎপাদক এবং শিল্পের সঙ্গে যুক্ত প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে চালকল, প্যাকেজড পানীয় জল, পর্যটন, হস্তশিল্প, কাঁথা শিল্প, বাঁশজাত পণ্য, কলার তন্তু, সিমেন্ট, পরিবেশবান্ধব জৈব-বিয়োজ্য স্যানিটারি পণ্য-সহ একাধিক উদীয়মান শিল্পের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বিএসআই এবং কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা জানান, ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডস এবং বিএসআই সার্টিফিকেশন গ্রহণ করলে এমএসএমই সংস্থাগুলি তাদের পণ্যের গুণমান আরও উন্নত করতে পারবে, ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করবে, নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ পাবে এবং রপ্তানির সম্ভাবনাও বাড়বে। এছাড়াও, কমন ফ্যাসিলিটি সেন্টার-এ পরীক্ষাগার গড়ে তোলার জন্য সরকারের আর্থিক সহায়তার বিষয়েও বিস্তারিত জানানো হয়। এর ফলে শিল্প ক্লাস্টারগুলির পরীক্ষণ ও গুণমান যাচাইয়ের পরিকাঠামো আরও শক্তিশালী হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসআই-এর ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল (ল্যাবরেটরিজ) নিশাত সুলতানা হক, বিএসআই পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ড. মীনাক্ষী গণেশন, বীরভূমের অতিরিক্ত জেলা শাসক (এডিএম) শুভম আগরওয়াল (আইএএস), বোলপুরের মহকুমা শাসক (এসডিও) অনিমেষ কান্তি মান্না (ডব্লিউবিসিএস-এক্সিকিউটিভ), এমএসএমই-ডিএফও, কলকাতার ডিরেক্টর প্রদীপ কুমার দাস (আইইডিএস)-সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।

কারিগরি অধিবেশনগুলিতে বিএসআই সার্টিফিকেশন পাওয়ার পদ্ধতি, এমএসএমইগুলির জন্য বিশেষ ছাড়, ক্লাস্টারভিত্তিক পরীক্ষাগারের স্বীকৃতি এবং বিভিন্ন সরকারি সহায়তা প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শেষে দীর্ঘ প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশেষজ্ঞরা। এই কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলার স্থানীয় শিল্পকে জাতীয় মান বজায় রাখতে এবং একই সঙ্গে বিশ্ববাজারে নিজেদের জায়গা করে নিতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে বিএসআই-এর অঙ্গীকার আরও একবার স্পষ্ট হয়ে উঠল।

গড় রাইপুর হাই স্কুল থেকে কাঠ পাচারের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

গড় রাইপুর হাই স্কুল থেকে কাঠ পাচারের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া;-রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে ছয়টা নাগাদ রাইপুর হাই স্কুল থেকে একটি ইঞ্জিনভ্যান বেশ কিছু কাঠের গুড়ি নিয়ে বেরিয়ে এলে স্থানীয় লোকজন তা দেখে ইঞ্জিন ভ্যানটিকে আটক করে তারা জানতে চান এ কাঠগুলি কোথায় যাবে এবং কে স্কুল থেকে বের করতে বলেছেন? ইঞ্জিন ভ্যানচালক তাদের বলে স্কুলের হেডমাস্টারমশাই মধু বাবু তাকে এই কাঠগুলি মিলে নিয়ে যেতে বলেছেন। তখন তারা বলেন কি কাগজ আছে দেখি ভ্যান চালক কোন কাগজ দেখাতে পারেননি ফলে স্থানীয় লোকজন রাইপুর থানা গোড়া বাস স্ট্যান্ডে ইঞ্জিন ভ্যান সহ চালককে আটকে রাখা হয় এবং পুলিশে ও মটগোদা রেঞ্জ অফিসে খবর দেওয়া হয়। ঘটনার খবর পেয়ে সাথে সাথে রাইপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্হলে পৌঁছে যানএবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। ভ্যান চালকের কাছে জানতে চান কাঠ গুলি কার অনুমতিতে স্কুল থেকে বাইরে নিয়ে এসেছেন? কোথায় যাবে? ভ্যান চালক পুলিশকে জানায় কাঠগুলি মিলে নিয়ে যাওয়া হবে। কি কাগজ রয়েছে জানতে চাইলে ভ্যান চালক কোন কাগজ দেখাতে পারেননি।পুলিশ কাঠগুলি মিলে নিয়ে যাওয়া সম্পর্কে কোন কাগজ ভ্যানচালকের হাতে নেই তাই পুলিশ রেঞ্জ অফিসের লোকজন আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করেন এবং বলেন অফিসার যা ভালো বুঝবেন তাই হবে । কিছুক্ষণের মধ্যে মটগোদা রেঞ্জ অফিস থেকে বিট অফিসার ও বন বিভাগের কর্মীরা থানাগোড়া বাসস্ট্যান্ডে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান এবং কাঠ ভর্তিভ্যান গাড়িটিকে চালাক সহ মটগোদা রেঞ্জ অফিসে নিয়ে যান।
ভ্যান চালকরা প্রধান শিক্ষককে ডাকলে তিনি যখন ঘটনাস্থলে আসেন ততক্ষণে বিট অফিসার গাড়িটিকে ঘটনা স্থল থেকে নর্মদার দিকে এগিয়ে নিয়ে যান। স্থানীয় মানুষজন এই কাঠ গুলি নিয়ে যাওয়া সম্পর্কে প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চান কমিটির কোন রেজুলেশন আছে কিনা তিনি তখন বলেন হ্যাঁ রেজুলেশন করা আছে জনতা তখন বলেন আপনি তাহলে রেজুলেশন কপি আমাদের দেখান। সকলে মিলে বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে হাজির হলে তিনি কোন রকম রেজুলেশন কপি দেখাতে পারেননি। ফলে উত্তেজিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা পুলিশের হস্তক্ষেপে সকলকে শান্ত করানো হয়।তিনি কোন রকম রেজুলেশন দেখাতে না পারায় তার কাছ থেকে একটি মুচলেখা নিয়ে নেন স্থানীয় বাসিন্দারা।এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক মধু বাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন কাঠগুলি চেরাই করার জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এগুলি স্কুলের কাজেই ব্যবহার হতো। স্থানীয়দের অভিযোগ এই কাঠের গুড়ি গুলি উনি অন্যত্র পাচার করতে চাইছিলেন সে জন্যই আজ রবিবার ছুটির দিনে বিকেলবেলায় এগুলি উনি ইঞ্জিনভ্যান করে অন্যত্র পাঠাবার চেষ্টা করছিলেন। স্থানীয় অধিবাসী রতন রজক বলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মধুবাবু বিভিন্ন দুর্নীতির সাথে জড়িত এই কাঠগুলিও উনি পাচার করে বিক্রি করতে চাইছিলেন। কিন্তু আমাদের চোখে পড়ে যাওয়ায় কাঠের ইঞ্জিন ভ্যান আটক করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য খাতড়া শহরে।

সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারে ব্যাপক চাঞ্চল্য খাতড়া শহরে।

সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:-রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী তথা রানিবাঁধের প্রাক্তন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসের জ্যোৎস্না মাণ্ডির খাতড়া বাজারের পাম্প মোড়ে অবস্থিত বিধায়ক কার্যালয় থেকে বিপুল পরিমাণ ত্রাণসামগ্রী ও অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। আজ শনিবার দুপুরে বিজেপির কর্মীসমর্থক সহ এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা ওই বিধায়কূ কার্যালয়ের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করেন। তাদের দাবি, ভিতরে ঢুকে তারা বস্তা বস্তা সরকারি ত্রাণের ত্রিপল, কম্বল, শাড়ি, জামাকাপড়, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য বরাদ্দ ট্রাই সাইকেল সহ বিভিন্ন সামগ্রী দেখতে পান। এছাড়াও একাধিক লাঠি, তরোয়াল, গর্ভনিরোধক প্যাকেটও অন্যান্য জিনিসপত্রও সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে তাদের দাবি।

স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বর্ষার মরশুমে বহু মানুষ একটি ত্রিপলের জন্য হাহাকার করছেন। অথচ সরকারি ত্রাণসামগ্রী দীর্ঘদিন ধরে ওই কার্যালয়ে মজুত করে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে তারা সেখানে গিয়ে এই সামগ্রী উদ্ধার করেছেন। উদ্ধার হওয়া সরকারি সামগ্রী ব্লক প্রশাসনের হাতে তুলে দেওয়া হবে, যাতে প্রকৃত উপভোক্তারা সেগুলির সুবিধা পান। বিজেপি নেতৃত্বের আরও অভিযোগ, উদ্ধার হওয়া বিপুল সংখ্যক লাঠি বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার এবং বিজেপি কর্মীদের মারধরের জন্য মজুত করে রাখা হয়েছিল।

স্থানীয় কয়েকজন মহিলার অভিযোগ, তারা একাধিকবার ত্রিপল, কম্বল সহ বিভিন্ন সরকারি সহায়তার জন্য আবেদন করলেও কিছুই পাননি বরবাদ মন্ত্রীর কাছে ত্রিপল চাইতে এসে বিনা হাতে ফিরে যেতে হয়েছে। অথচ আজ হাজার হাজার ত্রিপল উদ্ধার হচ্ছে তার গোডাউন থেকে। মানুষকে না দেওয়ার ফল ভোগ করতে হচ্ছে আজ।

ঘটনারখবর পেয়ে খাতড়ার এসডিপিও আকতার আলী সহ থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। এলাকায় ভিড় জমায় প্রচুর মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।ঘটনার জেরে খাতড়া এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এবিষয়ে প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোৎস্না মাণ্ডির সাথে ফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি ফলে তার প্রতিক্রিয়া এখনও পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান

রাহুল রায়,বর্ধমান : মহিলাদের বেকারত্বের সমস্যা সমাধানে নতুন দিশা দেখাচ্ছে ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড। দুঃস্থ ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ালো ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড।

ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে একটি সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো পূর্ব বর্ধমানের বিজয়রামের সুষমা ম্যানশন লজে।

বর্ধমান ও বীরভূম জেলার কয়েকজন দুঃস্থ মাধ্যমিকে কৃতি পড়ুয়াদের কলারসিফের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো সমাজের দরিদ্র এবং প্রান্তিক মানুষকে সংঘবদ্ধ করে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন করা, সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, আর্থিক লেনদেন বৃদ্ধি এবং স্বনির্ভর হওয়ার মাধ্যমে জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। সদস্যদের একে অপরকে সহযোগিতা করা এবং যৌথভাবে সমস্যা সমাধানে উৎসাহিত করা।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মহিলা থানার আইসি কবিতা দাস, বর্ধমান সাইবার শাখার অফিসার সুখেন্দু মোদক,ব্যাংক ম্যানেজার দিব্যেন্দু চ্যাটার্জী,ক্রেডিট অ্যাক্সেস গ্রামীণ লিমিটেড-এর রাজ্যের জোনাল ম‍্যানেজার সৌম্যদীপ্ত দাস,ডিভিশনাল ম্যানেজার মানবেন্দ্র মালাকার,বর্ধমান এরিয়ার এরিয়া ম্যানেজার মনোতোষ রায়,বর্ধমান ব্রাঞ্চের প্রতিনিধি অলোক দাস,আকাশ ঘোষ সহ ব্রাঞ্চ-এর সকল কর্মীরা।

এই শিবিরে প্রায় ৩০০জন মহিলা হাজির হয়েছিল।
মহিলাদের স্বনির্ভর করার উদ্যোগ নিয়েছে এই কোম্পানি। এই কম্পানির থেকে লোন নিয়ে উপকৃত হয়েছে বেশকিছু মহিলাদের হাতে বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়।

গ্রামীণ মহিলাদের মধ্যে আর্থিক বৃদ্ধির জন্যে এই শিবিরের আয়োজন করা হয়। কার্টুন ভিডিওর মাধ্যমে সচেতনতার বার্তাও তুলে ধরা হয়।

মহিলাদের ঋণের অ্যাক্সেস,বীমা,সঞ্চয় কর্মসূচি,ডিজিটাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা,ঋণ শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল ঋণ গ্রহণের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এর পাশাপাশি সাবাই প্রতারণা সম্পর্কে সচেতন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বর্তমান সময়ে এই ধরনের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।