সাম্প্রতিক
Joint Tree Plantation Drive by CISF Unit GRSEL Kolkata and Little Steps School

Joint Tree Plantation Drive by CISF Unit GRSEL Kolkata and Little Steps School

Kolkata, 07 July 2026: As part of its commitment towards environmental conservation and promoting a greener future, CISF Unit GRSEL Kolkata organized a joint tree plantation drive with the students of Little Steps School, Metiabruz, Kolkata, on 07 July 2026 at around 09:30 hrs.

During the programme, approximately 90 saplings of Mango and Mahua were planted jointly by the school children and CISF personnel within the school premises. The initiative was undertaken to further the shared commitment towards creating a green, healthy, and sustainable environment while encouraging environmental awareness among young students.

The event was attended by the school’s top management officials including Mr. Sanjay Kumar Sinha, Mr. Trafton Mark Anthony, Mr. G Sonny and other school management officials, teachers and personnel of CISF Unit GRSEL Kolkata. The participants enthusiastically took part in the plantation drive, highlighting the importance of protecting nature and preserving ecological balance for future generations.

The joint plantation drive reflects the collective resolve of CISF Unit GRSEL Kolkata and Little Steps School, Metiabruz, Kolkata, to contribute towards environmental sustainability and inspire the younger generation to actively participate in preserving nature. The programme concluded with a collective pledge to nurture the planted saplings and continue supporting efforts towards a greener, healthier, and more sustainable environment.

বিরল জন্মগত চোখের ত্রুটিজনিত কয়েক দশকের দৃষ্টিসমস্যার অবসান, 51 বছর বয়সি এক ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিল ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল

বিরল জন্মগত চোখের ত্রুটিজনিত কয়েক দশকের দৃষ্টিসমস্যার অবসান, 51 বছর বয়সি এক ব্যক্তির দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিল ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল


● কলকাতায় উন্নত চক্ষু চিকিৎসার ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটালের 10 বছর পূর্তি উদ্‌যাপন; পদ্মশ্রী ঊষা উত্থুপের উপস্থিতিতে উদ্‌যাপন হল, জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দৃষ্টিশক্তি পুনরুদ্ধারের একাধিক সাফল্য তুলে ধরা হল।
● উভয় চোখে উচ্চমাত্রার মায়োপিয়ায় আক্রান্ত এবং ল্যাসিকের জন্য উপযুক্ত নন এমন 45 বছর বয়সিএক মহিলাকে চশমামুক্ত দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিল হাসপাতাল।
কলকাতা, 7 July 2026: জন্মগত আইরিস কোলোবোমা (কনজেনিটাল আইরিস কোলোবোমা)-এর কারণে শৈশব থেকেই বাঁ-চোখে দুর্বল দৃষ্টিশক্তি নিয়ে জীবন কাটানো 51 বছর বয়সি এক রোগী, ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল (কলকাতা)-এ একাধিক ডে-কেয়ার পদ্ধতিতে চিকিৎসার পরে পুনরায় কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন। আইরিস কোলোবোমা একটি বিরল জন্মগত ত্রুটি, যেখানে চোখের আইরিসের একটি অংশ সম্পূর্ণভাবে বিকশিত হতে পারে না। চিকিৎসার অংশ হিসেবে রোগীর উপর সিঙ্গল-পাস ফোর-থ্রো (এসএফটি) পিউপিলোপ্লাস্টি করা হয়, যা ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটালের চেয়ারম্যান প্রফেসর অমর আগরওয়ালের চিন্তাপ্রসূত একটি আইরিস পুনর্গঠন পদ্ধতি। এই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে অস্বাভাবিক পিউপিলের গঠন সংশোধন করা সম্ভব, একইসঙ্গে দৃষ্টিশক্তি ও দেখার গুণমান—উভয়েরই উন্নতি ঘটানো সম্ভব হয়। চিকিৎসার পরে রোগীর বাঁ-চোখের দৃষ্টিশক্তি 40%-এরও কম থেকে বেড়ে 75%-এ পৌঁছেছে।
বছরের পর বছর ধরে রোগী একাধিক শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালে পরামর্শ নিয়েছিলেন। তবে চিকিৎসকেরা তাঁর সমস্যাকে অত্যন্ত জটিল বলে উল্লেখ করেন এবং অস্ত্রোপচারের পর দৃষ্টিশক্তি কতটা ফিরবে, সে বিষয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান। জন্মগত আইরিস কোলোবোমার পাশাপাশি রোগীর চোখের সামনের (অ্যান্টেরিয়র সেগমেন্ট) এবং পিছনের (পোস্টেরিয়র সেগমেন্ট) উভয় অংশেই জটিলতা ছিল, যা লেন্স ও রেটিনাকে প্রভাবিত করেছিল। তাঁর ফ্যাকোডোনেসিস ছিল, অর্থাৎ লেন্সকে ধরে রাখা কাঠামো দুর্বল হয়ে যাওয়ায় লেন্স অস্বাভাবিকভাবে কাঁপছিল। পাশাপাশি তাঁর জোনুলোপ্যাথি ছিল, যেখানে লেন্সকে স্থির অবস্থায় ধরে রাখার ক্ষেত্রে যে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম তন্তু বা জোনিউলস থাকে তা ক্রমেই দুর্বল হয়ে পড়ে। এসব জটিলতার ফলে তাঁর অ্যাম্ব্লাইওপিয়া (লেজি আই) দেখা দেয়। এটি এমন একটি অবস্থা, যেখানে শৈশবে আক্রান্ত চোখ থেকে মস্তিষ্কে স্পষ্ট ছবি না পৌঁছানোর কারণে দৃষ্টিশক্তির স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া, চল্লিশের গোড়ার দিকেই তাঁর দুই চোখেই প্রাথমিক পর্যায়ের ছানি (আর্লি ক্যাটারাক্ট) দেখা দেয়, যা দৃষ্টিশক্তিকে আরও খারাপ করে তোলে।
জন্মগত আইরিস কোলোবোমা, জোনিউলসের দুর্বলতা, রেটিনার জটিলতা এবং অ্যাম্ব্লাইওপিয়া—এই সবকিছুর সমন্বয়ে অস্ত্রোপচারটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে…একথা বলাই বাহুল্য। পর্যাপ্ত জোনিউলার সাপোর্ট না থাকায় ছানি অপসারণের পর ইন্ট্রাঅকুলার লেন্স (আইওএল) প্রতিস্থাপন করাও ছিল প্রযুক্তিগতভাবে অত্যন্ত কঠিন বিষয়। কারণ, স্থিতিশীল সাপোর্টের অভাবে অ্যাফাকিয়া হওয়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি ছিল, অর্থাৎ এমন একটি অবস্থা যেখানে চোখে স্বাভাবিক বা কৃত্রিম—কোনও লেন্সই থাকে না। এর ফলে অস্ত্রোপচারের জটিলতা আরও বেড়ে যায়। এছাড়া, কলকাতায় এসএফটি পিউপিলোপ্লাস্টি করার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চক্ষু শল্যচিকিৎসকের সংখ্যাও খুবই সীমিত ছিল। ফলে কোনও হাসপাতালই রোগীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে রাজি হয়নি।
তবে ডা. সমর সেনগুপ্ত, স্পেশালিস্ট অপথ্যালমোলজিস্টের নেতৃত্বাধীন সার্জিক্যাল টিম সফলভাবে এই জটিল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে রোগীর বাঁ-চোখে কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়। একইসঙ্গে দলটি স্ট্যান্ডার্ড ফ্যাকোইমালসিফিকেশন পদ্ধতিতে ছানির অস্ত্রোপচারও করে। যেহেতু দুর্বল জোনিউলসের কারণে রোগীর ক্যাপসুলার ব্যাগ স্থিতিশীল ছিল না, তাই সেখানে একটি ক্যাপসুলার টেনশন রিং (সিটিআর) প্রতিস্থাপন করা হয়। এটি একটি নমনীয় ডিভাইস, যা ক্যাপসুলার ব্যাগকে স্থিতিশীল রাখে এবং নিরাপদভাবে ইন্ট্রাঅকুলার লেন্স (আইওএল) প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় সাপোর্ট প্রদান করে।
এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে ডা. সমর সেনগুপ্ত বলেন, “রোগী প্রথমে তাঁর ডান চোখের ছানির অস্ত্রোপচারের জন্য আমাদের কাছে আসেন। অস্ত্রোপচারটি সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরে তিনি তাঁর অত্যধিক জটিল বাঁ-চোখের চিকিৎসা করানোর বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হন। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি বিশ্বাস করতেন যে, তাঁর বাঁ-চোখের দৃষ্টিশক্তি আর কখনও ফিরবে না, কারণ অন্যত্র তাঁকে জানানো হয়েছিল যে অস্ত্রোপচার হয় সম্ভব নয়, নয়তো করলেও দৃষ্টিশক্তির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হবে না। বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে আমরা তাঁর চোখে থাকা একাধিক জটিলতা বিবেচনা করে একটি কাস্টমাইজড অস্ত্রোপচার পরিকল্পনা তৈরি করি। বর্তমানে তিনি তাঁর বাঁ-চোখে কার্যকর দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেয়েছেন, দৈনন্দিন কাজকর্ম স্বাধীনভাবে করতে পারছেন এবং স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে এসেছেন। এমন জটিল ক্ষেত্রে রোগীদের দৃষ্টিশক্তি ও আত্মবিশ্বাস—উভয়ই ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বিষয়টি আমাদের গোটা টিমের কাছেই অত্যন্ত সন্তোষজনক।”
চক্ষু পরিষেবায় উৎকর্ষের 10 বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল, কলকাতা। এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে বহু জটিল ও চ্যালেঞ্জিং রোগীর সফল চিকিৎসা করেছে। এই মাইলফলক উদ্‌যাপনে উপস্থিত ছিলেন পদ্মশ্রী ঊষা উত্থুপ, যিনি অনুষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন। হাসপাতালের সাম্প্রতিক সাফল্যের অন্যতম উদাহরণ 45 বছর বয়সি এক গৃহবধূ, যিনি উভয় চোখেই বাইল্যাটারাল হাই মায়োপিয়া (–10.00 ডায়োপ্টারের বেশি) এবং চোখের অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘ অ্যাক্সিয়াল লেংথ-এ ভুগছিলেন। এর ফলে দূরের জিনিস অত্যন্ত ঝাপসা দেখতেন। কয়েক দশক ধরে তাঁকে মোটা পাওয়ারের চশমার ওপর নির্ভর করতে হতো, কনট্যাক্ট লেন্সও ব্যবহার করতে পারতেন না এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম মারাত্মকভাবে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছিল। তাঁর ক্ষেত্রে প্রচলিত লেজার ভিশন কারেকশন (ল্যাসিক) সম্ভব ছিল না, কারণ এত বেশি রিফ্র্যাকটিভ পাওয়ারের ক্ষেত্রে নিরাপদে লেজার চিকিৎসা করার জন্য তাঁর কর্নিয়া যথেষ্ট পুরু ছিল না।
ডা. আগরওয়ালস আই হসপিটাল, কলকাতার হেড – ক্লিনিক্যাল সার্ভিসেস ডা. তনুশ্রী চট্টোপাধ্যায়-এর নেতৃত্বাধীন সার্জিক্যাল টিম পর্যায়ক্রমে উভয় চোখে রিফ্র্যাকটিভ লেন্স এক্সচেঞ্জ অস্ত্রোপচার করে এবং প্রিমিয়াম মাল্টিফোকাল/এক্সটেন্ডেড ডেপথ-অব-ফোকাস (ইডিওএফ) ইন্ট্রাঅকুলার লেন্স প্রতিস্থাপন করে। এই আধুনিক দৃষ্টিশক্তি সংশোধন পদ্ধতিতে 3 mm-এরও কম দৈর্ঘ্যের একটি ক্ষুদ্র চির বা ছিদ্রের মাধ্যমে চোখের স্বচ্ছ প্রাকৃতিক লেন্সটি অপসারণ করে তার পরিবর্তে রোগীর জন্য উপযোগী একটি কাস্টমাইজড কৃত্রিম লেন্স প্রতিস্থাপন করা হয়, যা স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি সংশোধন করে। অস্ত্রোপচারের পর রোগীর দুই চোখেরই চশমা ছাড়া দৃষ্টিশক্তির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয় এবং কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো তিনি চশমামুক্ত জীবন ফিরে পান।

‘নীলচক্র’ (পশ্চিমবঙ্গ) কর্তৃক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপনশ্যামাপ্রসাদ ছিলেন অবিভক্ত ভারতের ‘বিশ্বকর্মা’: স্বপন দাশগুপ্ত

‘নীলচক্র’ (পশ্চিমবঙ্গ) কর্তৃক শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী উদযাপন
শ্যামাপ্রসাদ ছিলেন অবিভক্ত ভারতের ‘বিশ্বকর্মা’: স্বপন দাশগুপ্ত

কবিরুল ইসলাম (প্রতিনিধি): শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ছিলেন ভারতের ‘বিশ্বকর্মা’ (স্থপতি বা নির্মাতা)। কলকাতার ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম অডিটোরিয়ামে ‘নীলচক্র’ আয়োজিত শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন স্বপন দাশগুপ্ত। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বকালে নীলচক্র (পশ্চিমবঙ্গ)-এর সভাপতি বাগ্মী লক্ষ্মীনারায়ণ মল্লিক মন্তব্য করেন যে, ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ সর্বদা দেশপ্রেম, সাহস ও আদর্শবাদের ওপর প্রতিষ্ঠিত ছিল। উল্লেখ্য, মধুবাণু (মধুসূদন দাস) শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের পিতা স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের গৃহশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
এসবিআই (SBI)-এর জেনারেল ম্যানেজার সূর্যনারায়ণ পানিগ্রাহী শ্যামাপ্রসাদকে জাতির এক অমূল্য রত্ন হিসেবে অভিহিত করেন। ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামের অধিকর্তা ড. সায়ন ভট্টাচার্য শ্যামাপ্রসাদকে একজন জাতীয়তাবাদী জননেতা হিসেবে উল্লেখ করেন; তিনি মধুসূদন দাসের কথাও উল্লেখ করেন, যিনি ছিলেন আশুতোষ মুখোপাধ্যায়ের গৃহশিক্ষক। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের উপদেষ্টা ড. এস কে পট্টনায়েক বলেন যে, শ্যামাপ্রসাদের চিন্তাধারা ও চেতনা একটি নতুন ভারত গঠনে অবদান রেখেছিল।
নগরোন্নয়ন ও নগর পরিকল্পনা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী উমেশ রায় শ্যামাপ্রসাদকে বাংলার ‘পিতৃতুল্য ব্যক্তিত্ব’ বলে অভিহিত করেন। আয়কর বিভাগের ডেপুটি কমিশনার আশুতোষ কুমার সাহু বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; তিনি মন্তব্য করেন যে, শ্যামাপ্রসাদের দেশপ্রেম, সাহস ও আদর্শ এক নতুন মাত্রা স্থাপন করেছিল। সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রশাসক পুষ্কর তরাই অতিথিদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং নীলচক্রের সম্পাদক শেষদাইয়াব সামাল ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। কার্যকরী সভাপতি মনমোহন নায়েক এবং রতিকান্ত সাহু, সুধীর কুমার গেডি, ব্রজ কিশোর দাস, হিমাংশু শেখর দাস, মানস রঞ্জন দাস, বিপিন বিহারী দাস, নিরঞ্জন সাহু ও সরোজ কুমার দাস মূল অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। মনশ্রী দাস একটি নৃত্য পরিবেশন করেন।

আমরা ব্যতিক্রমী র উদ্যোগে চিকিৎসক দিবস উদযাপন

আমরা ব্যতিক্রমী র উদ্যোগে চিকিৎসক দিবস উদযাপন

সায়ন দেবনাথ : কলকাতা, ৪ জুলাই, ২০২৬। গত ১ জুলাই সারা দেশ জুড়ে পালিত হল জাতীয় চিকিৎসক দিবস। ওইদিন এই বাংলার প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় এর জন্মদিন এবং ১৯৬২ সালের এই দিনেই ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় এর প্রয়াণ হয়। আমাদের রাজ্যেও এইদিন মহা ধুমধামের সাথে উদযাপিত হল চিকিৎসক দিবস। উত্তর পূর্ব কলকাতায় বেলেঘাটা সুভাষ সরোবরের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা আমরা ব্যতিক্রমী’র উদ্যোগে বেলেঘাটা সি আই টি রোডে অবস্থিত বি সি রায় পোলিও হাসপাতাল এবং ফুলবাগনের বি সি রায় শিশু হাসপাতালের চিকিৎসারত শিশুদের প্রয়োজনীয় উপহার তুলে দেওয়া হল সংস্থার পক্ষ থেকে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডাক্তার বিধান চন্দ্র রায় এর মূর্তিতে মাল্যদান এবং পুষ্প নিবেদন করে শ্রদ্ধা জানান সংস্থার সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোপাল দেবনাথ, সভাপতি প্রদীপ কুমার ভট্টাচার্য্য, ইন্দ্রাণী বালা, আল্পনা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিব্যেন্দু ঘোষ এবং দীপক বিশ্বাস সহ বিশিষ্টজন। আমরা ব্যতিক্রমী সংস্থা এই বছর ১৬ তম বর্ষে পদার্পণ করলো। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রায় শতাধিক শিশু’র অভিভাবকগণ সকলেই এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করেন। এই কাজে দুই হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।

ডা. বিধানচন্দ্র রায় স্মরণে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

ডা. বিধানচন্দ্র রায় স্মরণে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি

দীপঙ্কর সমাদ্দার,

পশ্চিমবাংলার রূপকার ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের ১৪৫তম জন্মদিন পালন করল জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি। প্রথিতযশা চিকিৎসক ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি, নগর উন্নয়ন, শিল্পস্থাপন ইত্যাদির পরিকল্পনা ও রূপায়নে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদানের সাথে রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি স্থাপনার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অগ্রদূত। মূলত, তাঁরই উদ্যোগ ও অক্লান্ত প্রচেষ্টা স্বরূপ ১৯৪৭ সালের ১৫ই জানুয়ারি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে প্রতিষ্ঠা হয় রবীন্দ্রভারতী সোসাইটি। তাই প্রতি বছর এই দিনটিতে সোসাইটি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করে পথিকৃৎসম এই ব্যক্তিত্বকে। পয়লা জুলাই সকাল ন’টায় বিবাদী বাগে ডা. রায়ের পূর্ণাবয়ব মর্মরমূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানান সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়, সহ-সম্পাদক ডা. অভিজিত ঘোষ সহ অন্যান্য সদস্যগণ। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় সদস্যদের নিয়ে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে সোসাইটির লাইব্রেরি ঘরে একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই সোসাইটি প্রতিষ্ঠার প্রাক্কালে ডা. বিধানচন্দ্র রায়ের সদর্থক ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা সবিশেষ উল্লেখ করেন সাধারণ সম্পাদক সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে বর্ষীয়ান সদস্য ডা. শ্যামল ঘোষ মহাশয়কে চিকিৎসক দিবসে বিশেষ সংবর্ধনা জানানো হয়। চিকিৎসক হিসাবে ডা. রায়ের চিকিৎসা পদ্ধতি ও রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তাঁর অগাধ দক্ষতার কথা উল্লেখ করে শ্রদ্ধা জানান প্রবীণ সদস্য ডা. ঘোষ। ডা. রায়কে প্রণাম জানিয়ে ছোট্ট বক্তব্য রাখেন সহ-সম্পাদক রঞ্জিত কুমার নায়ক ও সদস‍্যা রূপান্জলী চৌধুরী।এর পর সোসাইটির সংগীত শিল্পীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত সহ সমবেত কণ্ঠে ভারতের জাতীয় সংগীত গেয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

বিধান শিশু উদ্যানে ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন

বিধান শিশু উদ্যানে ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের ১৪৪ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন

রাজকুমার দাস ,

বুধবার সন্ধেবেলায় শুরুতে হাজার হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম্’ গাওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মন্ত্রী শ্রী তাপস রায়,ডা. বিশ্বপতি মুখোপাধ্যায়, শ্রী বিশ্বনাথ নন্দী, শ্রী অজয় গোয়েল, অধ্যাপক অরূপ কুমার দাস, ড. দেবীপ্রসাদ দুয়ারী এবং ড. তপন মিশ্র।ওইদিন সন্ধায় মাননীয় মন্ত্রী তাপস রায় বলেন, “ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের জন্মদিন ১ জুলাই দিনটি দেশব্যাপী ‘ডক্টরস ডে’ হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়। তিনি বিশ্ববন্দিত ডাক্তার ছিলেন অবশ্যই,তবে এর পাশাপাশি এই রাজ‍্যকে নতুন করে গঠনে তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। যে কারণে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের রূপকার বলা হয়।” ইসরোর প্রাক্তন বিজ্ঞানী ড. তপন মিশ্র বলেন-“১৯৪৭ থেকে ১৯৫০-এর মধ্যে প্রায় ৩০ লক্ষ উদ্বাস্তু তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছিল। এই ধারা তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্বকাল পর্যন্ত তো বটেই,এমনিক ’৭১ সালের পরেও তা অব‍্যাহত ছিল। ডা.বিধান চন্দ্র রায় তাঁর মুখ্যমন্ত্রীত্বকালে এই জ্বলন্ত সমস্যা সমাধানের চেষ্টার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গকে দেশের অন্যতম প্রথম সারির শিল্পোন্নত রাজ্যে পরিনত করেছিলেন।’ ড. বিশ্বপতি মুখার্জী বলেন-” ডক্টরস্ ডে তে আমরা বিধান চন্দ্রকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি অভয়ার ন‍্যায় বিচারের দাবীর কথা যেন ভুলে না যাই।” পাশাপাশি অন‍্যান‍্য বক্তারাও ডা. বিধান চন্দ্র রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। অধ‍্যাপক অরূপ কুমার দাস সকল অতিথি-অভ্যাগতদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এরপর বিধান শিশু উদ‍্যানের সভ‍্যসভ‍্যাদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

কলকাতা প্রেসক্লাবে ‘আরপিএ ন্যাশনাল জার্নালিজম সম্মান’ সম্মান প্রদান

কলকাতা প্রেসক্লাবে ‘আরপিএ ন্যাশনাল জার্নালিজম সম্মান’ সম্মান প্রদান

গোপাল চক্রবর্তী ,

রবিবার সন্ধেবেলায় কলকাতা প্রেস ক্লাবে অনুষ্টিত হয়ে গেল আরপিএ ন্যাশনাল জার্নালিজম সম্মান ২০২৬। উক্ত অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি ড: মদন চন্দ্র করণ বিদ্যালংকার, বিশেষ অতিথি ড : অমল কে ভৌমিক ও দেবকুমার দে, সংস্থার সভাপতি দেবযানী ঘোষ,সংস্থার প্রতিষ্টাতা ও সম্পাদক অনুপ কুমার বর্ধন, সহ: সম্পাদিকা শুভ্রা নায়েক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৌসুমী বর্ধন।
এই অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয় ‘রিপোর্টারর্স এন্ড ফটোগ্রাফার অ্যাসোসিয়েশনে’র পরিচালনায় ও অলক ফাউন্ডেশন এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউশন অফ জার্নালিস্টের সহযোগিতায়।এবারে মোট ১০ জন সাংবাদিকদের এই সম্মান প্রদান করা হয়। তারা হলেন – তুষার পাটোয়ারি,, মোল্লা জজসিমউদ্দিন , অরূপ গুহ, গোপাল দেবনাথ, গোপাল চক্রবর্তী, করুনময় চ্যাটার্জী, শ্যামল তালুকদার, প্রদীপ বড়াল প্রমুখ।সম্মান প্রাপক মোল্লা জসিমউদ্দিন দীর্ঘ ২৫ বছর সাংবাদিকতায় রয়েছেন। তিনি আইনী সংবাদদাতার পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের মিডিয়েটর হিসাবে কাজ করছেন । এছাড়া তিনি হাওড়া ও শ্রীরামপুর আদালতে জাতীয় লোক আদালতে বেঞ্চ জাজ হিসাবে থাকেন।এর পাশাপাশি কুমুদ সাহিত্য মেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আছেন জসিম।এদিন
সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ছিলেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক অনুপ কুমার বর্ধন ও সহযোগিতায় ছিলেন সহ,: সম্পাদিকা শুভ্রা নায়েক।

কলকাতার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা

কলকাতার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা

মৃত্যুঞ্জয় রায়,

বঙ্গবাসী ইভিনিং কলেজের এনএসএস (NSS) ইউনিট এবং ড. সমিত রায় ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন এর যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো বিশেষ স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা শিবির, যা কলেজের ৭ দিনের বার্ষিক বিশেষ ক্যাম্পের উদ্বোধনী কর্মসূচি হিসেবে আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী তাপস রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক বিজয় ওঝা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপি উত্তর কলকাতার সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ, জয় নারায়ণ সিং, বঙ্গবাসী ইভিনিং কলেজের প্রিন্সিপাল ডঃ সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় এবং বঙ্গবাসী ইভিনিং কলেজের এনএসএস প্রোগ্রাম অফিসার ডঃ সন্তু দুর্লভ*ভাইস প্রিন্সিপাল প্রসেনজিৎ মুখার্জি,প্রবন্ধ রায়,অভিজিৎ মুখার্জি।

সমাজকল্যাণ, জনস্বাস্থ্য এবং স্থানীয় মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এই মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এলাকার বহু মানুষ এই স্বাস্থ্য ও চক্ষু পরীক্ষা শিবিরে অংশগ্রহণ করে পরিষেবা গ্রহণ করেন।

কলকাতা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ‘প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড’ প্রদান করল বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা

কলকাতা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ‘প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড’ প্রদান করল বেসরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা

সঞ্জয় দলুই ,

‘সাংবাদিকদের এমনভাবে কাজ করা উচিত যাতে সত্তারূঢ় রাজনৈতিক দল পরিবর্তন হলেও অসুবিধায় পড়তে না হয়,” জাতীয় চিকিৎসক দিবসে বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং ইলেকট্রনিক্স, খাদ্য প্রক্রিয়া করণ শিল্প ও ওষুধ প্রস্তুত বিভাগের মন্ত্রী অধ্যাপক ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী এই কথা বলেন।

‘নেফ্রোকেয়ার ইণ্ডিয়া লিমিটেড’, ‘সম্পূর্ণা ওমেন কেয়ার অ্যাণ্ড আইভিএফ’ ও ‘ভিভাসিটি মাল্টিস্পেশিয়ালিটি হসপিটাল’-এর যৌথ আয়োজন ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র সাংবাদিকদের জন্য ‘প্রেস প্রিভিলেজ সার্কেল কার্ড’-এর আবরণ উন্মোচন তথা ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র হাতে অর্পণ করার পর নিজের বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী এই কথা বলেন।

মন্ত্রী যখন সাংবাদিকদের উদ্দেশে এই কথা বলছিলেন তখন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ‘নেফ্রোকেয়ার ইণ্ডিয়া লিমিটেড’-এর প্রতিষ্ঠাতা তথা ব্যবস্থাপক নির্দেশক ডাঃ প্রতিম সেনগুপ্ত, ‘সম্পূর্ণা ওমেন কেয়ার অ্যাণ্ড আইভিএফ সেন্টার’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ সুতপা সেন সহ ‘প্রেস ক্লাব কলকাতা’-র সচিব নিতাই মালাকার প্রমুখ ।

Braithwaite & Co. Limited Observes International Day of Yoga 2026 with Enthusiastic Participation

Braithwaite & Co. Limited Observes International Day of Yoga 2026 with Enthusiastic Participation

Braithwaite & Co. Limited (BCL), a CPSE under the Ministry of Railways, observed the International Day of Yoga 2026 across its Corporate Office, Manufacturing Units, and Site Offices with great enthusiasm and active participation. This year’s observance was aligned with the global theme, “Yoga for Healthy Aging.”

At the Corporate Office, employees enthusiastically participated in a series of yoga and meditation sessions aimed at promoting physical fitness, mental well-being, and emotional balance. The programme was graced by the presence of Shri Sanjeev Rastogi, Director (Production); Shri R. Veerabahu, Director (Finance); Shri P. K. Mishra, ED (HR, Operations & Services); Shri Debasis De, ED (Corp. Affairs, Purchase & BD), who joined employees in practicing various yogic exercises.
The yoga session was conducted under the expert guidance of renowned Yoga Instructor Ratri Samanta and her team, who demonstrated a range of asanas, breathing techniques, and mindfulness practices suitable for all age groups.

Similar yoga sessions were organized at BCL’s manufacturing units and site offices, reflecting the organization’s collective commitment to health, wellness, and work-life balance.