সাম্প্রতিক
World Trade Center Salt Lake Celebrates International Yoga Day 2026 with a Community Wellness Initiative at Acropolis Mall

World Trade Center Salt Lake Celebrates International Yoga Day 2026 with a Community Wellness Initiative at Acropolis Mall


Kolkata, June 21, 2026: World Trade Center Salt Lake, the first World Trade Center in West Bengal and the Eastern Region, celebrated International Yoga Day 2026 with a community wellness initiative at Acropolis Mall, in association with Decathlon. The event brought together fitness enthusiasts, shoppers, corporate professionals, and wellness-conscious individuals to embrace the transformative benefits of yoga and holistic well-being.
Held at the Atrium of Acropolis Mall from 4:00 PM to 6:00 PM, the event featured a professionally guided yoga session conducted by renowned yoga trainer Parijat Das. More than 40 participants joined the session, highlighting the growing awareness and enthusiasm for healthy and balanced lifestyles.
The initiative reflects World Trade Center Salt Lake’s commitment to fostering healthier communities and creating meaningful engagement platforms that promote physical, mental, and emotional well-being. As a global business ecosystem, World Trade Center Salt Lake continues to champion initiatives that contribute to sustainable and inclusive development beyond business and commerce.
Speaking on the occasion, Subhadip Basu, Corporate General Manager – Retail & Hospitality, Merlin Group, said that International Yoga Day serves as a timely reminder of the importance of holistic wellness in today’s fast-paced world. Through this initiative, World Trade Center Salt Lake and Acropolis Mall aimed to encourage individuals to adopt healthier lifestyles while creating opportunities for community participation and engagement. He added that wellness is an integral part of a vibrant and productive society, and such initiatives help strengthen community bonds while promoting physical and mental well-being.
The collaboration with Decathlon further strengthened the event’s objective of encouraging active living and wellness among citizens. The celebration was also supported through a dedicated social media campaign to amplify awareness and inspire wider participation.
The International Yoga Day celebration is part of World Trade Center Salt Lake’s broader vision of promoting community-centric initiatives that enhance quality of life, encourage sustainable living practices, and create positive social impact across the region.

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পেশার রূপ বদলে দেওয়ায়, ডব্লিউপিইউ গোয়া উচ্চশিক্ষায় একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় পদ্ধতির পক্ষে কথা বলছে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পেশার রূপ বদলে দেওয়ায়, ডব্লিউপিইউ গোয়া উচ্চশিক্ষায় একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় পদ্ধতির পক্ষে কথা বলছে

মোল্লা জসিমউদ্দিন, ,

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তন বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন শিল্পকে নতুন রূপ দিতে থাকায়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অবশ্যই শিক্ষার্থীদের প্রথম চাকরির জন্য প্রস্তুত করার গণ্ডি পেরিয়ে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিক পেশাগত পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে চলার জন্য প্রস্তুত করতে হবে। ২০ জুন কলকাতায় অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পিস ইউনিভার্সিটি (ডব্লিউপিইউ) গোয়া-র ওপেন হাউসে বক্তারা এই মত দেন।”বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন আর এটা ধরে নিতে পারে না যে শিক্ষার্থীদের তাদের প্রথম চাকরির জন্য প্রস্তুত করাই যথেষ্ট,” বলেছেন ডাব্লিউপিইউ গোয়ার প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর ডঃ আশীষ ভরদ্বাজ। “এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, আমরা শিক্ষার্থীদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আসা নানা পরিবর্তন, রূপান্তর এবং সুযোগের জন্য প্রস্তুত করছি কি না। ভবিষ্যৎ শুধু বিশেষজ্ঞদের নয়, বরং সেইসব ব্যক্তিদের যারা ক্রমাগত শিখতে পারে, বিভিন্ন ক্ষেত্রের ধারণাকে সংযুক্ত করতে পারে এবং এমন সব চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে পারে যা প্রচলিত কোনো শ্রেণিতে সহজে খাপ খায় না।”ডাব্লিউপিইউ গোয়া বর্তমানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই)-তে বি.টেক., ব্যাচেলর অফ ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ (অনার্স), ইন্টিগ্রেটেড প্রোডাক্ট ডিজাইনে বি.ডিজাইন, কমিউনিকেশন ডিজাইনে বি.ডিজাইন এবং মনোবিজ্ঞানে বি.এসসি. (অনার্স) ডিগ্রি প্রদান করে।

কলকাতা মেগা সেমিনার ২০২৬-এ স্ট্রিক্স প্রফেশনাল তাদের ব্রুলেট কালেকশন উন্মোচন করল

কলকাতা মেগা সেমিনার ২০২৬-এ স্ট্রিক্স প্রফেশনাল তাদের ব্রুলেট কালেকশন উন্মোচন করল

দুর্গাপুর, ১৯ জুন, ২০২৬: ভারতের অন্যতম প্রধান স্যালন-এক্সক্লুসিভ হেয়ার কালার ও কেয়ার ব্র্যান্ড, স্ট্রিক্স প্রফেশনাল, কলকাতার তাজ তাল কুটিরে তাদের ফ্ল্যাগশিপ ‘মেগা সেমিনার’-এর সর্বশেষ সংস্করণের আয়োজন করে। সৃজনশীলতা, রঙের শৈল্পিকতা এবং ট্রেন্ডের নতুনত্বের উপর আলোকপাত করা এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত হেয়ার স্টাইলিস্ট, স্যালন প্রফেশনাল, প্রশিক্ষক এবং সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞরা একত্রিত হয়েছিলেন।

এই বছরের প্রদর্শনীর কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল ব্রুলেট ২০২৬-এর উন্মোচন, যা বিলাসবহুল ব্রুনেটের আভিজাত্য এবং আরও পরিশীলিত ও বহুমাত্রিক হেয়ার কালার ট্রেন্ডের ক্রমবর্ধমান প্রবণতা দ্বারা অনুপ্রাণিত একটি ট্রেন্ড-ফরোয়ার্ড কালেকশন। ডার্ক রোস্ট কফি, এজড ওয়াইন এবং ভেলভেট টেক্সচারের গভীর ও সমৃদ্ধ আভা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ‘ব্রুলেট’ ব্রুনেট শেডগুলোকে আরও পরিশীলিত ও অভিব্যক্তিপূর্ণ উপায়ে উপস্থাপন করে। এই কালেকশনটি একটি সমৃদ্ধ ব্রুনেট বেসের সাথে কপার, মেহগনি, ব্লন্ড এবং ডিপ রেড রঙের সুচিন্তিত টোন মিশ্রিত করে এমন একটি লুক তৈরি করে যা কোমল, বিলাসবহুল এবং ব্যবহারযোগ্য।

শুধু একটি রঙের ট্রেন্ডের চেয়েও বেশি কিছু, ব্রুলেট একটি বৃহত্তর সৌন্দর্য আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে বিলাসিতাকে মনে হয় সুচিন্তিত, ব্যক্তিগত এবং নীরবে আত্মবিশ্বাসী।

প্রখ্যাত বাঙালি অভিনেত্রী নুসরাত জাহানের র্যা ম্পে হাঁটার মধ্য দিয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সন্ধ্যার সমাপ্তি ঘটে। তিনি বিশ্বখ্যাত হেয়ারস্টাইলিস্ট জোয়াকিম রুস এবং স্ট্রিক্স প্রফেশনাল টেকনিক্যাল অ্যাম্বাসেডর নাজিব উর রহমানের সাথে হেঁটেছেন। আধুনিক ও বহুমাত্রিক হেয়ার লুকের মাধ্যমে এই শো-টি ‘ব্রুলেট’-এর ভিশনকে মূর্ত করে তুলেছিল, যেখানে আন্তর্জাতিক ট্রেন্ড এবং চিরন্তন গ্ল্যামারের নিখুঁত মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছিল।

কলকাতায় ব্রুলেট-এর উন্মোচনের মাধ্যমে, স্ট্রিক্স প্রফেশনাল বিশ্বজুড়ে অনুপ্রাণিত রঙের ট্রেন্ড এবং আধুনিক হেয়ার আর্টকে ভারতীয় স্যালন শিল্পের আরও কাছে নিয়ে আসছে, যা পেশাদারদের এমন সব ট্রেন্ডের সাথে ক্ষমতায়ন করছে যা একই সাথে প্রিমিয়াম এবং সহজে গ্রহণীয়।

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষ্যে রক্তব্যাবসা বন্ধের দাবিতে সচেতনতা পদযাত্রার আয়োজন

বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষ্যে রক্তব্যাবসা বন্ধের দাবিতে সচেতনতা পদযাত্রার আয়োজন

রাজকুমার দাস

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রস ফেডারেশন, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর ব্লাড দ্বারা ২০০৪ সাল থেকে ১৪ই জুন দিনটি বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। ট্রান্সফিউশন এবং ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ব্লাড ডোনার্স অর্গানাইজেশন এই চারটি সংস্থা আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরে যেদিন বিশ্বের ১১ টি দেশের প্রতিনিধি ১৪ই জুন তারিখটি বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন সেদিন ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী অপূর্ব ঘোষ। ১৪ই জুন হল ডাঃ কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার-এর জন্মদিন। এই দিনটি বিশ্ব রক্তদাতা দিবস হিসেবে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলেনটারি ব্লাড ডোনার্স ফোরামের আরও একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য হলো সর্বভারতীয় স্তরে স্বেচ্ছা রক্তদান বিষয়ে কাজ করার জন্য ২০০৪ সালের ১৪ই জুন কলকাতার সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে ফেডারেশন অফ ব্লাড ডোনার অর্গানাইজেশন (FBDOI) এর সূচনা এবং ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজ্য রক্ত সঞ্চালন পর্ষদের আর্থিক সহায়তায় এই সংগঠনের সর্বভারতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হত। আজ ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরাম এবং ভারতীয় রেডক্রস সোসাইটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার যৌথ উদ্যোগে সরকারি সাহায্য ছাড়াই সারা পশ্চিমবঙ্গের ব্লাড ব্যাংক গুলির মাইলস্টোন সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংক, যার বর্তমান নাম IBTMI, সেখান থেকে আমরা এই পদযাত্রার শুরু করেছি। প্রতিবছর পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতি এবং প্রয়োজন বিবেচনা করে ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলেন্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরাম নিজেরাই একটি বিশেষ স্লোগান আলাদাভাবে তৈরি করে থাকে। ইতিমধ্যে রাজ্যের সরকার পরিবর্তন হয়েছে। বিগত ১৫ বছর ধরে রক্তের মত পবিত্র দান ও তার আন্দোলনকে বিপদগামী করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সিন্ডিকেটের মতোই ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট তৈরি হয়েছে এবং তাতেই বেসরকারি ব্লাড ব্যাংকের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই আজ আমরা ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলান্টারী ব্লাড ডোনার্স ফোরাম ও ভারতীয় রেড ক্রস সোসাইটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার উদ্যোগে পদযাত্রা শুরু হয় মানিকতলা সেন্ট্রাল ব্লাড ব্যাংক থেকে যা আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রোড দিয়ে রাজাবাজার হয়ে শিয়ালদা হয়ে জনবহুল শিয়ালদা স্টেশন মেট্রো রেলের সামনে পদযাত্রার শেষ হয়।আমাদের এবারের স্লোগান হলো “রক্ত ব্যবসা বন্ধ করতে হবে”। বিশ্ব রক্তদাতা দিবসের প্রাক্কালে এই পদযাত্রা সংঘটিত হয়।রক্তদান আন্দোলনে যুক্ত সকল সংগঠনের কাছে ওয়েস্ট বেঙ্গল ভলেন্টারি ব্লাড ডোনার্স ফোরাম এবং ভাবতীয় রেডক্রস সোসাইটি দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে আবেদন “রক্তদান শিবির হোক উপহার উপঢৌকন বর্জিত, সরকারি ব্লাড ব্যাংক দ্বারা স্থাপিত।” এই দাবি নিয়ে কলকাতার রাজপথে মধ্যবিত্ত পবিবারের কথা ভেবে সরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের ভান্ডার সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এই আয়োজন। সরকারি ব্লাড ব্যাংকের মাধ্যমে রক্তদান শিবির আয়োজন করে গরীব ওমধ্যবিত্ত পরিবারের কথা ভেবে সরকারি ব্লাড ব্যাংকে রক্তের ভান্ডার সমৃদ্ধ করাই এই পদযাত্রার মূল লক্ষ্য।

শিবপুরে রাজ্য সাব-জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ সম্পন্ন, জলন্ধরের জাতীয় মঞ্চের টিকিট পেল বাংলার উদীয়মান বক্সাররা

শিবপুরে রাজ্য সাব-জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ সম্পন্ন, জলন্ধরের জাতীয় মঞ্চের টিকিট পেল বাংলার উদীয়মান বক্সাররা


নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: হাওড়ার শিবপুর পুলিশ লাইনের বক্সিং রিংয়ে উৎসবের আবহে সম্পন্ন হলো দু’দিনব্যাপী সাব-জুনিয়র বালক ও বালিকা রাজ্য বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬। ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোগ্রেসিভ বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় রাজ্যের ১২টি জেলার শতাধিক প্রতিভাবান বক্সার অংশগ্রহণ করে নিজেদের দক্ষতা ও লড়াকু মানসিকতার পরিচয় দেয়।
টুর্নামেন্ট জুড়ে বিভিন্ন ওজন বিভাগের বালক ও বালিকা বক্সারদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রতিটি বাউটে ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কৌশল এবং আত্মবিশ্বাসের দুর্দান্ত প্রদর্শন। প্রতিযোগিতার বিজয়ীরা আগামী দিনে পাঞ্জাবের জলন্ধরে অনুষ্ঠিত জাতীয় স্তরের বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ লাভ করেছেন।
সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্ট বেঙ্গল প্রোগ্রেসিভ বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাক্টিং সেক্রেটারি কুনাল সাহা, হাওড়া ডিস্ট্রিক্ট বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুকুল নাথ তিওয়ারি, হাওড়া ডিসট্রিক্ট বক্সিং অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী গোস্বামী সিং,ভাটপাড়ার বিধায়ক পবন সিং, বিশিষ্ট সমাজসেবী অখিলেশ সিং। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌম্যশঙ্কর বোস, কৌশিক বিশ্বাস, প্রমোদ সিং, বিশ্বরঞ্জন দাস এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সঙ্গীত পরিচালক অভিজিৎ পাল।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তৃণমূল স্তর থেকে প্রতিভাবান বক্সারদের তুলে এনে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করাই এই প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য। অংশগ্রহণকারী কিশোর-কিশোরীদের পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বলেও তাঁরা মন্তব্য করেন।
বালক বিভাগের ফলাফল
৩০–৩৩ কেজি: স্বর্ণ – সেনেহাল মাহাতো (NDBA), রৌপ্য – আরমান সিং (HDBA)
৩৩–৩৫ কেজি: স্বর্ণ – রায়ানস গোমস (NDBA), রৌপ্য – শাহিন কিস্কু (পশ্চিম বর্ধমান)
৩৫–৩৭ কেজি: স্বর্ণ – রৌনক মাহাতো (NDBA), রৌপ্য – আরিয়ান ঠাকুর (HDBA)
৩৭–৪০ কেজি: স্বর্ণ – সমীর কুমার (JHG), রৌপ্য – মোকেশ (HDBA)
৪০–৪৩ কেজি: স্বর্ণ – ওয়াসিম পারভেল (HDBA), রৌপ্য – অবিনাশ দে (হুগলি)
৪৩–৪৬ কেজি: স্বর্ণ – শ্রীকান্ত নারায়ণ (HDBA), রৌপ্য – দেবজিৎ নস্কর (হুগলি)
৪৬–৪৯ কেজি: স্বর্ণ – এস. তামাং (DDBA), রৌপ্য – আদিত্য সিনহা
৪৯–৫২ কেজি: স্বর্ণ – অনেশ রোচ (HDBA), রৌপ্য – নাথান গুরুং (DPRB)
৫২–৫৫ কেজি: স্বর্ণ – মনীশ পাসোয়ান (হুগলি), রৌপ্য – পি. দাস (HDBA)
বালিকা বিভাগের ফলাফল
৪৬–৪৯ কেজি: স্বর্ণ – অদিতি সাহা (হুগলি), রৌপ্য – আশরিন বানু
৬৪–৬৭ কেজি: স্বর্ণ – মানভীন তিরতীয়া (HDBA), রৌপ্য – সোমিয়া কুমারী (ADBA)
বিশেষ পুরস্কার
সেরা বক্সার (বালক): সমীর কুমার
সেরা বক্সার (বালিকা): অদিতি সাহা (হুগলি)
দলীয় চ্যাম্পিয়নশিপ
বালক বিভাগে দলীয় চ্যাম্পিয়ন: HDBA
বালক বিভাগে রানার্স-আপ: NDBA
বালিকা বিভাগে দলীয় চ্যাম্পিয়ন: হুগলি
প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও কৃতী বক্সারদের হাতে ট্রফি, মেডেল ও শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জলন্ধরে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় প্রতিযোগিতার জন্য নির্বাচিত বক্সারদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা জাতীয় মঞ্চে বাংলার সম্মান আরও উজ্জ্বল করতে পারে।

বাংলার খেলার জগৎ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে :পৌলোমী ঘটক

বাংলার খেলার জগৎ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে :পৌলোমী ঘটক

:গোপাল চক্রবর্তী :বাংলার ক্রিকেট, ফুটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও নানান ধরণের খেলার পরিকাঠামো নেই, বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে। তবুও আশাবাদী জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত বিশিষ্ট খেলোয়াড় পৌলোমী ঘটক। তিনি বলেন আগামী দিনে বাংলার মহিলাদের খেলার জগৎ দ্রুত উন্নতি হবে। আজ কলকাতা প্রেস ক্লাবে বি বি সি নিউস বাংলা আয়োজিত “ওয়াল অফ ফেম “অনুষ্ঠানে একথা বলেন পৌলোমী। এদিন খেলার বিভিন্ন পরিকাঠামো নিয়ে বিস্তারিত বলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার ঝুলন গোস্বামী, সমালোচক দেবারতি মুখোপাধ্যায়।

বঙ্গীয় সাহা সমিতির (শুঁড়ি সমাজ) বার্ষিক অধিবেশন।

বঙ্গীয় সাহা সমিতির (শুঁড়ি সমাজ) বার্ষিক অধিবেশন।


সাধন মন্ডল বাঁকুড়া:-বঙ্গীয় সহ সমিতির কলকাতায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ বার্ষিক অধিবেশন অনুষ্ঠিত হলো। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছিলেন। সমিতির পতাকা উত্তোলন ও সংবিধান প্রণেতা ডঃ বি আর আম্বেদকর এবং শুঁড়ি সমাজের বীর বিপ্লবী অগ্নি বীর স্বাধীনতা আন্দোলনে ইংরেজ সাহেবকে হত্যা করার অপরাধে কলকাতার আলিপুর সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি হওয়া শহীদ গোপীনাথ সাহার আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে সভাকক্ষে বিগত অধিবেশনের বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা হয় এবং আগামী দিনে সমাজের কিভাবে উন্নয়ন ঘটানো যায় সে বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয় বর্তমান সম্পাদক সুবীর সাহা তার মূল্যবান বক্তব্য রাখেন এবং এই সমাজের উন্নয়নে বিশেষ করে এই কেন্দ্রীয় কার্যালয় সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে বর্তমান কমিটির ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন আমাদের শুঁড়ি জাতির বীর বিপ্লবী শহীদ গোপীনাথ সাহার কথা। দীর্ঘ আলাপ আলোচনার পর সমাজের কাজে বিশেষ কৃতিত্বের জন্য বেশ কিছু মানুষকে স্মারক ও মেডেল দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এখানে উল্লেখ্য আজ থেকে প্রায় ৯০ বছর আগে সমাজের বেশ কিছু বিশিষ্ট মানুষজনদের উদ্যোগে কলকাতার তালতলা এলাকায় ইন্ডিয়ান মিরর স্ট্রীটে এই শুঁড়ি সমাজ তৈরি হয়েছিল ১৯৩৬ -৩৭ সালে। তারপর থেকেই এখানে সমাজের বহু ছাত্র-ছাত্রী থেকে পড়াশোনা করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন আজও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ৫০ থেকে ৬০ জন ছেলেমেয়ে এখানে থেকেই পড়াশোনা করে। সমিতির সভাপতি সুবীর সাহা বলেন সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে আমাদের সমাজের লোকজন রয়েছেন এবং প্রায় প্রতিটি জেলাতেই একটি করে শাখা কার্যালয় ছিল বর্তমানে বাঁকুড়া ও বীরভূম ছাড়া অন্য জেলাগুলি সেভাবে আমাদের শাখা কার্যালয় গুলি কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারেননি। আগামী দিনে সারা রাজ্যজুড়ে আমাদের সমাজকে আবার নতুন করে জাগিয়ে তোলার দিন এসেছে। আজকের বার্ষিক সাধারণ সভায় থেকে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী বছরের কমিটি হিসেবে বিকাশ বিশ্বাসকে সভাপতি সুবীর সাহাকে সম্পাদক ও আশীষ সাহাকে কোষাধ্যক্ষ করে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আজকের এই বার্ষিক অধিবেশনে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিধায়ক নমিতা সাহা সহ সমিতির বয়:জ্যৈষ্ঠ ব্যক্তিরা

সনাতনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের “যুগপুরুষ” সম্মাননা পেলেন চার বাঙালি

সনাতনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের “যুগপুরুষ” সম্মাননা পেলেন চার বাঙালি

প্রাচ্যবিদ্যার প্রসার ও সনাতনী শিক্ষার অগ্রণী প্রতিষ্ঠান কলকাতার ইন্সটিটিউট অফ ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্ট আয়োজিত চতুর্থ বর্ষ সমাবর্তন ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান হল সিমলা স্ট্রীটে স্বামী-বিবেকান্দের বসতভিটা সংলগ্ন অডিটোরিয়ামে। ১৩ জুন বাৎসরিক অনুষ্ঠানে দেশী-বিদেশী প্রতিনিধিদের সামনে বাংলার চার জন বিশিষ্ট বাঙালিকে “যুগপুরুষ” সম্মানে ভূষিত করা হয়। বন্ধন ব্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর ঘোষ, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তথা গহনা জগতের বিশিষ্ট উদ্যোগপতি রূপক সাহা, প্রাচীনতম মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক সংস্থার বর্ষীয়ান কর্ণধার প্রদীপ মল্লিক এবং কলকাতা পুলিশের এ্যাডিশনাল কমিশনার (৩) শুভঙ্কর সিনহা সরকার “যুগপুরুষ” সম্মানে ভূষিত হন।

উক্ত দিন শঙ্খধ্বনি ও স্তোত্রপাঠের পর প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন বেলুড় মঠ ও মিশনের ট্রাস্টি স্বামী জ্ঞানলোকানন্দ, প্রবীণ সন্ন্যাসী স্বামী বিশ্বনাথানন্দ, স্বামী সুধাকরানন্দ, ড. বিশ্বরঞ্জন পতি, বারাণসীর শ্রীমৎ রুদ্রাক্ষ মহারাজ, শিক্ষাবিদ ড. দেবাশিষ গঙ্গোপাধ্যায়, রজত ভট্টাচার্য্য, আয়োজক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আচার্য শ্যামল ভট্টাচার্য্য, সভাপতি মধুসদন পাল সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। সকল বক্তাই স্বামী বিবেকানন্দের ভাবধারায় দেশের কল্যাণ ও যুব সমাজকে সঠিক পথে চালনা কার পক্ষে একমত হন। স্বামীজির স্বপ্ন ও তাঁর অসমাপ্ত আজকে কাজগুলিকে শিক্ষা ও সামাজিকতার মাধ্যমে সম্পাদন করার পক্ষে সওয়াল করেন প্রত্যেকেই। উক্ত দিন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় বিশেষ কারণে উপস্থিত হতে না পারলেও তিনি শুভেচ্ছা প্রেরণ করেন। সমগ্র অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

ইন্সটিটিউট অফ ওরিয়েন্টাল স্টাডিজ এ্যান্ড রিসার্চ- এর চেয়ারম্যান আচার্য শ্যামল ভট্টাচার্য্য বলেন, ভারতের সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রসারের লক্ষ্যে তাঁরা বেদ-উপনিষদ, সংস্কৃত সহ প্রাচ্যবিদ্যার বিভিন্ন শাখায় কোর্স পরিচালনা করেন। শিক্ষার মূল্যবোধে তাদের পাঠ্যক্রমকে জীবিকামুখী করার প্রয়াস চালানো হচ্ছে। বিশেষত, সনাতনী ভাবনায় আবৃত সমস্ত কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল নাগরিক হওয়ার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে তাঁদের এই ” যুগপুরুষ’ সম্মাননা প্রদান সকলকে উদ্বুদ্ধ করবে। তথ্য ও ছবি সুবল সাহা

রক্তদান শিবির হলো কলকাতায়

কলকাতা : বিশ্ব রক্তদাতা দিবস এবং পিতৃ দিবসকে সামনে রেখে অল বেঙ্গল মেনস ফোরাম (ABMF)-এর উদ্যোগে, কলকাতা নিউ হরাইজনস রোটারি ক্লাব, সল্টলেক রেনেসা, আর.পি. ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট এবং লাইফ কেয়ার ব্লাড ব্যাংকের সহযোগিতায় এক বর্ণাঢ্য রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।
কলকাতায় অবস্থিত এবিএমএফ অফিসের নিকটে অনুষ্ঠিত এই মানবিক কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবী অংশগ্রহণ করেন। রক্তদানের মাধ্যমে অসহায় ও সংকটাপন্ন রোগীদের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন উপস্থিত রক্তদাতারা।
অনুষ্ঠানে মোট ৪৭ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন, যার মধ্যে ৪২ জন পুরুষ এবং ৫ জন মহিলা ছিলেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, মহিলা রক্তদাতাদের মধ্যে কয়েকজন প্যানেল আইনজীবীও অংশগ্রহণ করেন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
পিতৃ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠানে “Special Tributes for Dads” শীর্ষক একটি বিশেষ পর্বেরও আয়োজন করা হয়, যেখানে পিতাদের আত্মত্যাগ, স্নেহ, ভালোবাসা এবং পরিবারের প্রতি তাঁদের অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।আয়োজক সংস্থাগুলির প্রতিনিধিরা জানান, রক্তদান শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি মানবতার সেবায় এক মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও সমাজকল্যাণমূলক এমন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে আয়োজন করা হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।অনুষ্ঠানটি মানবতা, সামাজিক সংহতি এবং জনসচেতনতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সকলের প্রশংসা অর্জন করে।

ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) বরানগর মণ্ডল ও জেলা নেতৃত্বের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে মোট 70 জন রক্ত দান করেন l

ভারতীয় জনতা পার্টির (BJP) বরানগর মণ্ডল ও জেলা নেতৃত্বের উদ্যোগে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরে মোট 70 জন রক্ত দান করেন l

কলকাতা,
মানবসেবার বার্তা নিয়ে বরানগরে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের আয়োজন করল ভারতীয় জনতা পার্টির বরানগর মণ্ডল-৩ এবং কেএসডি (KSD) জেলা পার্টি নেতৃত্ব। আগামী ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস উপলক্ষে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রক্তদানকে মহৎ ও জীবনরক্ষাকারী কাজ হিসেবে তুলে ধরতেই এই উদ্যোগ। “এক ফোঁটা রক্ত তোমার, নতুন আলো আনবে আবার। মুমূর্ষু ওই রোগীর পাশে, ছুটে আস নতুন টানে।”
রক্তদান শিবিরটি অনুষ্ঠিত হয় ‘চতুষ্কোণ ব্যাঙ্কোয়েট এ -এ, কে. মুখার্জি রোড, এ l
আয়োজকদের দাবি, রক্তের অভাবে যাতে কোনও রোগী চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হন, সেই লক্ষ্যেই এই সামাজিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিবিরে 70 জন স্বতঃস্ফূর্ত ভাব এ রক্ত দান করেন l.
বিজেপির স্থানীয় বিধায়ক সজল ঘোষ ও জেলা নেতৃত্বে পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে রক্তদানে এগিয়ে আসার আবেদন করেন l