সাম্প্রতিক
Recently, a special technical seminar was organized by the Nagar Rajbhasha Karyanvayan Samiti (Undertaking-2), Kolkata

Recently, a special technical seminar was organized by the Nagar Rajbhasha Karyanvayan Samiti (Undertaking-2), Kolkata

A special technical seminar on “Role of Hindi in the spread of technology and application of Hindi IT tools” was successfully organized by the Nagar Rajbhasha Karyanvayan Samiti (Undertaking-2), Kolkata on 07th August 2026 (Friday). The event was held at the conference room of the Chairman’s office, Central Marketing Agency Headquarters, Steel Authority of India Limited.
The keynote speaker of the seminar, IT expert and CEO of Dubai-based Algo Technologies, Dr. Balendu Sharma Dadhich, said in his speech that Artificial Intelligence (AI) is a very effective and important tool in research and knowledge expansion. However, it cannot be a substitute for the basic thinking, creativity and analytical capabilities of humans. He urged researchers to use AI as a collaborative tool, not as a substitute for independent thinking.
He further explained that the previous stage of artificial intelligence was mainly limited to searching and retrieving existing information. But today’s creative artificial intelligence is capable of generating new ideas, analysis and content by understanding the relevant issues and context. In this episode, he highlighted the effectiveness and practical importance of important AI platforms like ChatGPT, Google Gemini, Perplexity, Cloud and Grok. He said that to get excellent results through these platforms, it is very important to provide clear, specific and accurate instructions (prompts) from the user.
The event began with the welcome address by Shri Prashant Ojha, Member-Secretary of the Association. He warmly welcomed the keynote speaker Dr. Balendu Sharma Dadhich, Dr. Bichitrasen Gupta, Deputy Director (Implementation), Department of Official Languages, Ministry of Home Affairs, Government of India and all the eminent participants present.
On this occasion, Shri Surendra Kumar Sharma, President of the Association and Executive Director, Steel Authority of India Limited, Central Marketing Agency, said in his presiding address that the use of Rajbhasha Hindi is no longer limited to administrative correspondence and official work. Hindi is now establishing a strong identity worldwide through artificial intelligence, neural machine translation, voice typing and various digital technologies. He also mentioned that acquiring knowledge about modern IT tools is an essential need of the present time for the effective use of Hindi in the changing technological environment.
Around 52 participants from various member offices affiliated to Nagar Rajbhasha Karyanya Samiti (Subject-2), Kolkata participated in the seminar with enthusiasm and benefited from the valuable inputs of the subject experts. Dr. Bichitrasen Gupta, Deputy Director (Implementation), Department of Rajbhasha, Ministry of Home Affairs, Government of India and Dr. Rajiv Rawat, Senior Rajbhasha Officer and IT Expert, IIT Kharagpur were specially present on the occasion.
The programme was coordinated under the guidance and supervision of Shri Sanjit Kumar Das, General Manager, Human Resources, Steel Authority of India Limited, Central Marketing Corporation. At the end of the programme, Shri Ajay Shankar Mishra, Official Language Officer, expressed his gratitude to all the distinguished guests, speakers and participants present and proposed a vote of thanks.

কলকাতা প্রেস ক্লাবে অভিনবভাবে প্রকাশিত হলো ‘বৈদেহী’ নামক সনাতনী পুস্তক

কলকাতা প্রেস ক্লাবে অভিনবভাবে প্রকাশিত হলো ‘বৈদেহী’ নামক সনাতনী পুস্তক

সুবল সাহা (কলকাতা)

বৈদিক পত্রিকার উদ্যোগে ‘বৈদেহী’ নামের সনাতনী পুস্তক প্রকাশ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হল ২৪শে জুলাই। কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত বৈকালিক অনুষ্ঠানে পুস্তক প্রকাশকে ঘিরে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ‘বৈদেহী’ নামক সনাতনী পুস্তকটির আবরণ উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মুখপাত্র ও বিশিষ্ট আইনজীবী দেবজিৎ সরকার,স্বামী সদাত্মানন্দজী মহারাজ, স্বামী জ্যোতিময়ানন্দজী মহারাজ, কলকাতা প্রেস ক্লাবের সহ-সম্পাদক নিতাই মালাকার, ‘বৈদেহী’ পত্রিকার সম্পাদিকা অলিপা বসু, বিশিষ্ট চিত্র-সাংবাদিক সুবল সাহা ও অন্যান্য কবি সাহিত্যিক এবং গুণীজনেরা। অনুষ্ঠানের শুরুতে মা সরস্বতী এবং ভারত মাতা কে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে স্তোত্র পাঠ করেন নিবেদিতা সাহা এবং সমর্পিতা সাহা।গান কবিতা বন্দেমাতারাম সংগীত এবং জাতীয় সংগীতের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
পুস্তক প্রকাশকে কেন্দ্র করে একটি মনোগ্রাহী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পত্রিকা সম্পাদিকা অলিপা বসু বলেন “ভারতীয় সংস্কৃতি ও সনাতনী ভাবধারায় আধারিত বিভিন্ন লেখা পুস্তকটিকে সমৃদ্ধ করেছে।” সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে ‘বৈদিক’ পত্রিকার গ্রহণযোগ্যতা ও পুস্তকের বলিষ্ঠ লেখনী পাঠকদের মধ্যে যথেষ্ট আলোড়ন ফেলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নন্দনে কৃষ্টি ক্রিয়েশান নিবেদিত ও পাপিয়া অধিকারী অভিনীত নবদুর্গার বিশেষ প্রদর্শনী হয়ে গেলো মহা সমারোহে

নন্দনে কৃষ্টি ক্রিয়েশান নিবেদিত ও পাপিয়া অধিকারী অভিনীত নবদুর্গার বিশেষ প্রদর্শনী হয়ে গেলো মহা সমারোহে


ইন্দ্রজিৎ আইচ,

“নবদূর্গা মাতৃরূপেন সংস্থিতা”
স্বর্গ, মর্ত, পাতাল কোথাও শান্তি নেই। সকলেই হিংসা ঈর্ষায় জর্জরিত। মহামুনি মার্কেন্ডেও সর্বত্র শান্তি স্থাপনের জন্য সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মার কাছে যান, সবিস্তারে বর্ণনা করেন। দেবতা, জীব, উদ্ভিদ, মানব কিভাবে এই বিষম বিপদ থেকে রক্ষা পাবেন তার উপায় বলতে বলেন। ব্রহ্মদেব বলেন এই বিপদ থেকে রক্ষা পেতে নবদূর্গা নবরাত্রি ব্রত পালন করতে। মহামুনি সবিস্তারে বর্ণনা করতে বলেন। আশ্বিনের শুক্লা পতিপদ তিথি থেকে নবমী পর্যন্ত দেবী চণ্ডিকা নয়টি রূপ ধারণ করেন। দেবী পার্বতীর এই নয়টি রূপ বৈচিত্রময়। শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মন্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রি, মহাগৌরী, সিদ্ধিদাত্রী দেবী এই নয়টি রূপে বিভিন্ন সময়ে আবির্ভূতা হন। কখনো সংহাররূপিনী অসুরনাশিনী, আবার কন্যারূপিনী মাতৃরূপিনী, আবার তিনিই আদি সনাতনী।
সর্বত্র বর্ণিত পৌরাণিক কাহিনী অবলম্বনে “নবদূর্গা মাতৃরূপেন সংস্থিতা”।
এই ছবির চিত্রনাট্য, সংলাপ ও পরিচালনা সত্যব্রত । নবদুর্গা ছবির
প্রযোজক কৃষ্টি ক্রিয়েশন।
গতকাল ২৪ জুলাই ২০২৬ শুক্রবার দুপুর ২ টোয়
নন্দন ৩ এ নব দুর্গার বিশেষ প্রদর্শিত হয়ে গেলো।
“কৃষ্টি ক্রিয়েশন” এর নবতম প্রযোজনা “নবদুর্গা মাতৃরূপেণ সংস্থিতা” সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন এই ছবির প্রধান অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী।
দেবী দুর্গার নাম ভূমিকায় আছেন টালিগঞ্জের বিধায়িকা
বিশিষ্ট অভিনেত্রী পাপিয়া অধিকারী। ছবির সংগীত পরিচালনা কুন্দন সাহা ও শ্বেতা গুপ্ত । গীতিকার
দেব প্রসাদ চক্রবর্তী, ছবির চিত্র পরিচালক সত্যব্রত সহ ছবির সকল কলাকুশলীরা এইদিন নন্দনে উপস্থিত ছিলেন । সকল অতিথির হাতে নবদুর্গার স্বারক তুলে দেন ছবির প্রযোজক ও কৃষ্টি ক্রিয়েশন এর কর্ণধার শ্বেতা গুপ্তা। এই ছবির কণ্ঠশিল্পীরা হলেন
ভজন সম্রাট অনুপ জলোটা, পণ্ডিত তুষার দত্ত, রিয়া ও নীলিমা। স্তোত্র পাঠ
করেছেন শুভ দাশগুপ্ত, অর্পণ কুমার শর্মা, নিবেদিতা সেন, বিল্লদল চট্টোপাধ্যায়। কৃষ্টি ক্রিয়েশন প্রযোজিত ” নব দুর্গা ” সকল দর্শকের মন জয় করে নিয়েছে।

কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করল অত্যাধুনিক ১০ শয্যাবিশিষ্ট রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট (RCU)।

উন্নত পালমোনারি (ফুসফুসজনিত) ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার চিকিৎসায় এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করে আজ কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করল অত্যাধুনিক ১০ শয্যাবিশিষ্ট রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট (RCU)।

শুভ উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে এই নতুন ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়। নতুন সূচনা, আরোগ্য এবং তীব্র ও দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য নতুন আশার প্রতীক হিসেবে এই বিশেষ দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
অত্যাধুনিক এই ইউনিটটি গড়ে উঠেছে তিনজন বিশিষ্ট ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজিস্ট—ডা. শুভঙ্কর চক্রবর্তী, ডা. দেবপ্রসাদ দাস এবং ডা. ঋক্সোম চ্যাটার্জির দক্ষ নেতৃত্বে। তাঁদের সম্মিলিত অভিজ্ঞতা ও দূরদৃষ্টির লক্ষ্য হল নিবিড় পরিচর্যা (Critical Care) এবং সাধারণ শ্বাসতন্ত্রের চিকিৎসার মধ্যে বিদ্যমান ব্যবধান দূর করে জটিল ফুসফুসজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য ২৪ ঘণ্টা বিশেষায়িত চিকিৎসা পরিষেবা নিশ্চিত করা।
হাসপাতালের চিফ অব মেডিক্যাল সার্ভিসেস ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য এবং হেড অব ক্রিটিক্যাল কেয়ার ডা. রিমিতা দে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতে কেটে এই ইউনিটের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. জয়দীপ ভট্টাচার্য বলেন, চিকিৎসা পরিষেবার উৎকর্ষ সাধনে রুবি জেনারেল হাসপাতাল সর্বদাই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নতুন এই রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট সাধারণ আইসিইউ-এর ওপর চাপ অনেকটাই কমাবে এবং রোগীদের জন্য আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।
ডা. রিমিতা দে বলেন, পালমোনোলজি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ারের মধ্যে সমন্বয় বর্তমান সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই বিশেষায়িত ইউনিটে উন্নত *নন-ইনভেসিভ ভেন্টিলেশন, *হাই-ফ্লো ন্যাজাল অক্সিজেন থেরাপি এবং অত্যাধুনিক মনিটরিং ব্যবস্থা রয়েছে, যা শ্বাসতন্ত্রজনিত জরুরি পরিস্থিতি অত্যন্ত নিখুঁতভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম।
ইতিমধ্যেই প্রতিষ্ঠিত ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি দলের সদস্য ডা. শুভঙ্কর চক্রবর্তী, ডা. দেবপ্রসাদ দাস এবং ডা. ঋক্সোম চ্যাটার্জি জানান, উন্নত রোগনির্ণয় ও চিকিৎসা পরিষেবা—যেমন *ব্রঙ্কোস্কোপি, *ইবাস (EBUS) এবং থোরাকোস্কোপি—এখন আরও দ্রুত সেইসব রোগীর কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে, যাঁদের অবিলম্বে শ্বাসতন্ত্রের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।
রোগ নির্ণয়কে আরও নির্ভুল ও দ্রুত করতে এই ইউনিটে পয়েন্ট-অফ-কেয়ার আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (POCUS) এবং লাং আল্ট্রাসাউন্ড-এর বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এছাড়াও, জটিল শ্বাসনালীজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য এখানে রয়েছে অত্যাধুনিক জরুরি পরিষেবা। এর মধ্যে রয়েছে *ডিফিকাল্ট এয়ারওয়ে ম্যানেজমেন্ট, **রিজিড ব্রঙ্কোস্কোপি, **বিদেশি বস্তু (Foreign Body) অপসারণ, **রক্তের জমাট (Clot) অপসারণ, **ব্যালুন ট্যাম্পোনেড, **এয়ারওয়ে স্টেন্টিং, *জরুরি ট্র্যাকিওস্টোমি এবং ম্যাসিভ হেমোপ্টাইসিস (অতিরিক্ত রক্তকাশি)-এর উন্নত চিকিৎসা-সহ একাধিক জীবনরক্ষাকারী ইন্টারভেনশনাল পালমোনোলজি পরিষেবা। এই সমস্ত পরিষেবা ২৪ ঘণ্টা উপলব্ধ থাকবে বিশেষজ্ঞ পালমোনোলজিস্ট, অ্যানেস্থেসিওলজিস্ট এবং প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত দলের মাধ্যমে।
এই পবিত্র দিনে ১০ শয্যাবিশিষ্ট রেসপিরেটরি কেয়ার ইউনিট চালুর মাধ্যমে রুবি জেনারেল হাসপাতাল আবারও প্রমাণ করল যে, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে তারা অগ্রণী। এই নতুন উদ্যোগের ফলে কলকাতা ও পূর্ব ভারতের মানুষ একই ছাদের নিচে বিশ্বমানের ফুসফুসজনিত চিকিৎসা পরিষেবা পাবেন।
সমাজের কল্যাণে আমাদের এই উদ্যোগকে আপনাদের সম্মানিত সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে সর্বস্তরে পৌঁছে দিতে আপনাদের মূল্যবান সহযোগিতা ও সমর্থন একান্তভাবে কাম্য।
ধন্যবাদান্তে

তুহীনা প্রকাশনীর পুস্তক প্রকাশ অনুষ্ঠান।

তুহীনা প্রকাশনীর পুস্তক প্রকাশ অনুষ্ঠান।

১৮ ই জুলাই ২০২৬ রামকৃষ্ণ মিশন স্বামী বিবেকানন্দ এর পৈতৃক আবাস ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এ তুহীনা প্রকাশনীর ২৬ টি পুস্তক প্রকাশ হলো। এই শুভ মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন স্বামী জ্ঞানালোকানন্দ জী মহারাজ (বেলুড় মঠ), স্বামী সদানন্দ মহারাজ, শ্রী গৌরী সংকর ঘোষ, ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী (পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রী),
ডঃ অমরেন্দ্র মহাপাত্র (সভাপতি পশ্চিম বঙ্গ রবীন্দ্র মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সাংসদ)
ডঃ সুজাতা দত্ত হাজারিকা ( বরিস্ট আঞ্চলিক অধিকর্তা, কলকাতা ইন্দ্রীরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), ডঃ অশোক কুমার পত্র ( বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ),
ডঃ অরুণাশিস গোস্বামী ( উপাচার্য বাবা সাহেব আম্বেদকর শিক্ষক শিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় ),ডঃ মোহিত রায় ( জাতিয়তাবাদী লেখক ও পরিবেশ বিধ ), শ্রী বংশী বদন চট্টোপাধ্যায় ( শিক্ষাবিদ), ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা সায়ন্তন বসু।
অনুষ্ঠানের
মূল মঞ্চে অথিতি বরণ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পরে উদ্বোধনী সঙ্গীত বন্দে মাতরম অনুষ্ঠান মঞ্চ কে আনন্দময় করে তোলে। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক আমন্ত্রিত অতিথিদের বরণ করে উত্তরীয় মেমেন্টো ও জগন্নাথদেব,বলরাম , সুভদ্রার ছবি উপহারের মাধ্যমে মঞ্চ আলোকিত করে তোলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত গুণী জোনরা বক্তব্য রাখেন।
ডঃ কল্যাণ চক্রবর্তী পশ্চিমবঙ্গের ক্যাবিনেট মন্ত্রী বলেন তুহীনা প্রকাশনীর প্রকাশক হিমাংশু মাইতি নতুন কবি সাহিত্যিক কে অনুপ্রেরণা দিয়ে চলেছেন। তার এই অনুপ্রেরণায় আমরা নতুন বিষয়ে, উন্মুক্ত চিন্তা ধারায় নতুন বই উপহার পেয়ে চলেছি।
ডঃ সুজাতা দত্ত হাজারিকা ( বরিস্ট আঞ্চলিক অধিকর্তা, কলকাতা ইন্দ্রীরা গান্ধী রাষ্ট্রীয় মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) বলেন peace of mind এর কথা। তিনি peace of mind এই বিষয় নিয়ে লেখার অনুপ্রেরণা ও দেন।
বাচিক শিল্পী ত্রিপর্ণা চট্টোপাধ্যায় মঞ্চে বেলুড় কবিতা আবৃত্তি করে মঞ্চে আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
পরিশেষে জাতীয় সঙ্গীত জন গণ মন সমবেত ভাবে পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান টি শেষ হয়।

India Approves QDENGA, Its First Dengue Vaccine

India Approves QDENGA, Its First Dengue Vaccine

Kolkata, July 20, 2026: Takeda Biopharmaceuticals India Pvt. Ltd. today announced that the Drug Controller General of India (DCGI) has granted market authorization for QDENGA (TAK-003), making it the first dengue vaccine approved in India for the prevention of dengue disease in individuals aged 4–60 years.

Designed to protect against all four dengue virus serotypes, QDENGA can be administered regardless of prior dengue exposure and does not require pre-vaccination testing. The approval comes at a crucial time as India continues to face a significant dengue burden, accounting for nearly one-third of global cases.

Peter Streibl, General Manager, Southeast Asia and India Cluster, Takeda, said dengue requires coordinated action across governments, healthcare professionals and communities to deliver sustainable, evidence-based prevention solutions.

Dr. Goh Choo Beng, Medical Affairs Head, Southeast Asia & India Cluster, said India has a substantial dengue burden, with all four virus serotypes circulating in several regions. He noted that QDENGA is designed to protect against all four serotypes regardless of prior exposure, strengthening India’s comprehensive dengue prevention efforts.

“Dengue is a growing public health challenge, and India needs sustained, evidence-based prevention,” said Dr. Mahender Nayak, Head of Intercontinental Markets, Takeda. “The approval of QDENGA marks an important step forward in strengthening dengue prevention in India, and we remain committed to working with public health authorities, healthcare professionals and partners to support equitable and sustainable access.”

QDENGA has been approved in 43 countries, has received WHO prequalification, and more than 32 million doses have been distributed globally through public and private immunization programmes.

সারকোমা সারভাইভার মিট ২০২৬: ক্যানসার জয়ের পর নতুন জীবনের উদযাপন

সারকোমা সারভাইভার মিট ২০২৬: ক্যানসার জয়ের পর নতুন জীবনের উদযাপন

ঋদ্ধি ভট্টাচার্য, কলকাতা: ক্যানসারকে হারিয়ে ফিরে আসা প্রতিটি মানুষের জীবনসংগ্রামের গল্প আলাদা। সেই সাহস, লড়াই এবং নতুন করে জীবন শুরু করার ইচ্ছাশক্তিকে সম্মান জানাতে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস আয়োজন করল ‘সারকোমা সারভাইভার মিট ২০২৬’। এই অনুষ্ঠানে সারকোমা থেকে সুস্থ হওয়া মানুষ, তাঁদের পরিবারের সদস্য, চিকিৎসক এবং শুভানুধ্যায়ীরা একত্রিত হন। এই আয়োজন শুধু সাফল্যের গল্প ভাগ করে নেওয়ার জন্য নয়, বরং সারকোমা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, দ্রুত রোগ ধরা পড়ার গুরুত্ব, একাধিক বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে চিকিৎসা, মানসিক সহায়তা এবং চিকিৎসার পর দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দেওয়া হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল রোগীদের শুধু সুস্থ করে তোলা নয়, তাঁদের আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন ডা. কৌশিক নন্দী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও এইচওডি – অর্থোপেডিক অনকোলজি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস। এরপর অরুণিমা দত্ত, কনসালট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট, ক্যানসারের সঙ্গে লড়াইয়ের সময়ে মানসিক শক্তির গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. সৌরভ দত্ত, ডিরেক্টর – মণিপাল অনকোলজি সার্ভিসেস ও সিনিয়র কনসালট্যান্ট – হেড অ্যান্ড নেক অনকোলজি সার্জারি, মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস; এবং ডা. অয়নাভ দেবগুপ্ত, রিজিওনাল ডিরেক্টর, মণিপাল হসপিটালস ইস্ট। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বামী কৃপাকারানন্দজি। তিনি তাঁর বক্তব্যে কঠিন পরিস্থিতিতেও আশা এবং মানসিক শক্তি ধরে রাখার বার্তা দেন। এরপর বিশিষ্ট সংবাদমাধ্যম ব্যক্তিত্ব তরুণ গোস্বামী জীবনের লড়াই এবং কঠিন সময়কে জয় করার শক্তি নিয়ে বক্তব্য রাখেন। পর্বতারোহী অনিন্দ্য মুখার্জি একটি বিশেষ মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপনার মাধ্যমে পাহাড় জয়ের অভিজ্ঞতার সঙ্গে জীবনের কঠিন লড়াইয়ের মিল তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শেষে সারভাইভারদের পরিবেশিত একটি নাটক সকলকে আবেগাপ্লুত করে। এই পরিবেশনায় সাহস, অধ্যবসায় এবং জীবনের জয়গান তুলে ধরা হয়। নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে ৫৫ বছর বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এবং অস্টিওসারকোমা জয়ী চিন্ময় সাহা বলেন, “২০১৫ সালে যখন আমার স্টেজ-২ হাই-গ্রেড অস্টিওসারকোমা ধরা পড়ে, তখন আমার ফিমার হাড়ে ১৪ সেন্টিমিটারের একটি টিউমার ছিল। এরপর শুরু হয় অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি, বারবার হাসপাতালে যাওয়া এবং দীর্ঘ সময় ধরে ফলো-আপ চিকিৎসা। দশ বছরেরও বেশি সময় পরে আমি বুঝেছি, ক্যানসারকে হারানো শুধু চিকিৎসা শেষ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। নতুন করে জীবনকে গ্রহণ করাও তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অস্টিওসারকোমা আমার জীবনের অনেক কিছু বদলে দিলেও আমার কাজের প্রতি ভালোবাসা বা এগিয়ে চলার ইচ্ছাকে কখনও থামাতে পারেনি। এই রোগ আমার জীবনের একটি অধ্যায়, পুরো গল্প নয়। আজও আমি আমার পছন্দের কাজ করে যাচ্ছি আশা, কৃতজ্ঞতা এবং এই বিশ্বাস নিয়ে যে, সাহস থাকলে যেকোনও কঠিন পরিস্থিতি জয় করা সম্ভব।” নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়ে ২৯ বছর বয়সী সরকারি কর্মী এবং অস্টিওসারকোমা জয়ী মনিমালা মণ্ডল বলেন, “প্রথমে যখন পায়ে একটি ফোলা জায়গা লক্ষ্য করি, তখন ভেবেছিলাম এটি সাধারণ চোট। খুব বেশি ব্যথাও ছিল না, তাই ক্যানসারের কথা একবারও মনে হয়নি। পরে একজন অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে জানা যায়, আমার অস্টিওসারকোমা হয়েছে। এখন বুঝতে পারি, শরীরের ছোট ছোট পরিবর্তনকে আমরা অনেক সময় গুরুত্ব দিই না, আর সেই ভুলের মূল্য অনেক বড় হতে পারে। আমার ফিমারের আক্রান্ত অংশ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বাদ দিতে হয়েছিল। তবে সময়মতো রোগ ধরা পড়ায় দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হয়েছে এবং আমি ভালো আছি। আমার সবার কাছে একটাই অনুরোধ, শরীরে দীর্ঘদিন ফোলা, অকারণ ব্যথা বা অন্য কোনও অস্বাভাবিক লক্ষণ থাকলে তা কখনও অবহেলা করবেন না। সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে শুধু একটি অঙ্গ নয়, জীবনও বাঁচানো সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডা. কৌশিক নন্দী বলেন, “সারকোমা একটি বিরল এবং জটিল ধরনের ক্যানসার। এর সফল চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন বিভাগের বিশেষজ্ঞদের একসঙ্গে কাজ করা খুবই জরুরি। বর্তমানে অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি এবং নতুন ধরনের চিকিৎসার কারণে রোগীদের সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেড়েছে। তবে চিকিৎসা শেষ হলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। রোগীদের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়া, স্বাভাবিক জীবনে ফেরা এবং নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক সহায়তা পাওয়া সমান গুরুত্বপূর্ণ। সারকোমা সারভাইভার মিট প্রতিটি রোগীর সাহস এবং লড়াইকে সম্মান জানায়। একই সঙ্গে এটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয় যে, সময়মতো রোগ ধরা পড়া, দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা এবং সঠিক চিকিৎসা পেলে ক্যানসারের বিরুদ্ধে জয় সম্ভব।” এই সারকোমা সারভাইভার মিটের মাধ্যমে মণিপাল হাসপাতাল ইএম বাইপাস আবারও জানিয়ে দিল, তাদের লক্ষ্য শুধু ক্যানসারের চিকিৎসা করা নয়, বরং চিকিৎসার পর রোগীদের সুস্থ, স্বাভাবিক এবং আত্মবিশ্বাসী জীবনে ফিরিয়ে আনাও। সারভাইভার, চিকিৎসক এবং পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে এনে এই উদ্যোগ মানুষকে সারকোমা সম্পর্কে সচেতন হতে, সময়মতো চিকিৎসা নিতে এবং আশা হারিয়ে না ফেলতে উৎসাহ দিয়েছে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা, ভালো চিকিৎসা পরিষেবা এবং দৃঢ় মনোবল থাকলে ক্যানসারের পরেও সুন্দর ও অর্থপূর্ণ জীবন যাপন করা সম্ভব।

Merlin Group and CBRE Organise Blood Donation Drive with World Trade Center Salt Lake as Sustainability Partner and Acropolis Mall as the venue partner

Merlin Group and CBRE Organise Blood Donation Drive with World Trade Center Salt Lake as Sustainability Partner and Acropolis Mall as the venue partner


MOLLA JASIMUDDIN,

Kolkata, July 17, 2026: Reinforcing their commitment to community welfare and social responsibility, Merlin Group and CBRE jointly organised a Blood Donation Drive with World Trade Center Salt Lake as the Sustainability Partner and Acropolis Mall as the venue partner. The initiative was organised for the employees of the Acropolis Office Building in association with the National Thalassemia Welfare Society and the Federation of Blood Organisations of India (FBDOI), Kolkata., with the objective of encouraging voluntary blood donation and supporting patients suffering from thalassemia and other life-threatening conditions. The Central Blood Bank, IBTNI Kolkata will be managing the collection. CBRE is organizing this blood donation camp in Kolkata after successfully organizing it in Pune, Gurgaon and Bengaluru. CBRE extends its deepest gratitude to all the volunteers, medical partners, and organizers who have made—and continue to make—this noble cause a massive success
With the belief that every drop of blood has the power to save a life, the drive witnessed enthusiastic participation from 48 employees. .
The entire blood collection process was carried out by experienced medical professionals from the National Thalassemia Welfare Society, adhering to all prescribed medical protocols to ensure a safe, hygienic and seamless donation process. Prior to donation, doctors conducted haemoglobin tests, identified the blood group of each donor and counselled participants on the critical importance of regular blood donation, particularly in meeting the lifelong transfusion needs of thalassemia patients.
The blood units collected during the drive will be utilised for patients supported by the National Thalassemia Welfare Society, helping ensure a steady supply of safe blood for those requiring regular transfusions.
Speaking on the initiative, Subhadip Basu, Corporate General Manager – Retail & Hospitality, Merlin Group, said:
“Blood donation is one of the noblest acts of humanity, as a single unit of blood has the potential to save a precious life. At Merlin Group, we believe that businesses have a responsibility to create a meaningful impact beyond commercial success. This blood donation drive reflects our commitment to community well-being and is aligned with our Corporate Social Responsibility philosophy. We are grateful to CBRE for partnering with us in this initiative and to the National Thalassemia Welfare Society for their unwavering support in conducting the drive with the highest standards of medical care. We also thank World Trade Center Salt Lake for joining us as the Sustainability Partner in making this initiative meaningful and impactful.”
The initiative underscores the shared commitment of Merlin Group, Acropolis Mall, CBRE and World Trade Center Salt Lake towards fostering a culture of compassion, volunteerism and social responsibility while contributing to a vital healthcare need. By encouraging voluntary blood donation, the partners hope to inspire more individuals and organisations to come forward and support life-saving causes that make a lasting difference to society.

ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নতুন ভাবনায় রাজ্যের উন্নয়ন গতি পাবে: সৌমেন কোলে

ডাবল ইঞ্জিন সরকারের নতুন ভাবনায় রাজ্যের উন্নয়ন গতি পাবে: সৌমেন কোলে

কলকাতা: তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র, ধনিয়াখালী হুগলির এই সংস্থা সুদীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় উন্নয়নমূলক কাজ করে চলেছে। বিগত সরকারের অদূরদর্শীতায় সংস্থা কোনো সহযোগিতা পায়নি বলে অভিযোগ করলেন সংস্থার সম্পাদক সৌমেন কোলে। তিনি বলেন, ‘তৃণমূল সরকারের বঞ্চনার কারণে উন্নয়ন বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সংস্থা নিজের একক প্রচেষ্টায় উন্নয়নের অগ্রগতিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন সংস্থার কর্মীরা। বর্তমানে রজ্যে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মেল বন্ধনে ডাবল ইঞ্জিন সরকার নতুন ভাবনায় কাজ শুরু করেছে। আগামী দিনে বর্তমান সরকার এই সংস্থার উন্নতিতে প্রয়োজনীয় সাহায্যে এগিয়ে আসবে বলেই আমাদের আশা। এব্যাপারে রাজ্যের আদিবাসী কল্যাণমন্ত্রী ক্ষুদিরাম টুডু আশ্বাস দিয়েছেন। এদিন অনিবার্যকারণবশত মন্ত্রী উপস্থিত না থাকলেও সংগঠনের কর্মীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। খুব শীঘ্রই সংগঠনের পরবর্তী সভায় উপস্থিত থেকে রাজ্যের তরফে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।‘
তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র, সংস্থার সাথে যুক্ত বহু প্রান্তিক মানুষ। সংস্থার সম্পাদক সৌমেন কোলে বুধবার কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ‘রাজ্যের উন্নয়নে বর্তমান সরকার এই সমস্ত মানুষদের কাজের সুযোগ দেবে। ২০১৫ সাল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে আসা চিঠিকে কোনো গুরুত্বই দেয় নি নবান্নের আধিকারিকরা। বিজেপি সরকার বর্তমানে সব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। এর ফলে সংস্থার কর্মীদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে। তারাও উৎসাহ নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ‘রাজ্যের সঙ্কটজনক পরিস্থিতি কাটিয়ে সংগঠন আবার নিজের লক্ষ্যে পৌঁছানোর নতুন সংকল্প নিয়েছে। এবার ঘুরে দাঁড়ানোর সময়। আগামী আগস্ট মাস থেকে সংগঠন নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে বৃহত্তর প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবে।‘
প্রসঙ্গত, তপশিল জাতি আদিবাসী প্রাক্তন সৈনিক কৃষি বিকাশ শিল্প কেন্দ্র, হুগলির ধনিয়াখালি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল। এই সংস্থা গত চল্লিশ বছর ধরে প্রান্তিক মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নানা কাজকর্ম করে চলেছে। যাদের মধ্যে অন্যতম মিশ্র কৃষিকাজ , প্রাকৃতিক কৃষি, মৎস্য চাষ, জৈব চাষ, লাক্ষা চাষ, ভার্মি কম্পোজ, পশু-পালন, মৌমাছি পালন সহ কেন্দ্রীয় সরকারের বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও এবং স্বচ্ছ ভারত অভিযান প্রকল্প। আগামী দিনেও রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় সরকারি নানা প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করার শপথ নিয়েছে।

বিশিষ্ট লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের নতুন গ্রন্থ ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’-প্রকাশ পেল কলকাতা প্রেসক্লাবে

বিশিষ্ট লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের নতুন গ্রন্থ ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’-প্রকাশ পেল কলকাতা প্রেসক্লাবে

কলকাতা, ১৫ জুলাই ২০২৬: কলকাতা প্রেস ক্লাবে বিশিষ্ট লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের নতুন গ্রন্থ ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’-এর প্রকাশ উপলক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলন ও বই প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বইটি প্রকাশ করেছে দে’জ পাবলিশিং।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ। সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ, আমন্ত্রিত অতিথি ও উপস্থিত দর্শকদের স্বাগত জানানোর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বইটির বিষয়বস্তু, প্রকাশনার প্রেক্ষাপট এবং লেখক অনীশ কাঞ্জিলালের সাহিত্যচর্চার সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হয়।
লেখক অনীশ কাঞ্জিলাল তাঁর বক্তব্যে বইটি রচনার অনুপ্রেরণা, বিষয়বস্তু এবং সমকালীন সমাজ ও নারী-সংক্রান্ত নানা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই গ্রন্থের মাধ্যমে সমাজ, সাহিত্য এবং মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে পাঠকদের নতুনভাবে ভাবতে উৎসাহিত করাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য।
প্রধান অতিথি গৌতম ঘোষ সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখেন এবং ‘আমি নারী ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’ গ্রন্থে আলোচিত বিষয়গুলির প্রশংসা করেন। তিনি সমকালীন বাংলা সাহিত্যে এ ধরনের বিষয়ভিত্তিক গ্রন্থের গুরুত্ব ও প্রাসঙ্গিকতার ওপর বিশেষ জোর দেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির উপস্থিতিতে বইটির আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় ফটোসেশন। প্রধান অতিথিকে স্মারক ও ফুলের তোড়া প্রদান করে সম্মান জানানো হয়৷
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল সাংবাদিক সম্মেলন ও প্রশ্নোত্তর পর্ব। প্রিন্ট, টেলিভিশন, ডিজিটালসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা বইটির বিষয়বস্তু, লেখকের ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। লেখক ও প্রধান অতিথি সেই প্রশ্নগুলির উত্তর দেন।
শেষে সঞ্চালকের ধন্যবাদজ্ঞাপনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। প্রধান অতিথি, লেখক এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি দলগত আলোকচিত্র তোলার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ঘটে।
সাহিত্যপ্রেমী, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের উৎসাহী উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। দে’জ পাবলিশিং-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই বই প্রকাশ অনুষ্ঠানটি বাংলা সাহিত্যজগতে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।